× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Festival in Sunamganj by borrowing books
google_news print-icon

ধারে বই এনে সুনামগঞ্জে উৎসব

ধারে-বই-এনে-সুনামগঞ্জে-উৎসব
নতুন বইয়ের জন্য বিদ্যালয়ে এলেও অভিভাবকদের সঙ্গে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের/ ছবি: নিউজবাংলা
সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় কোনো বই পাঠাতে পারেনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। উৎসব পালনের জন্য পাশের উপজেলা থেকে ধার করে বই আনা হয়।

করোনা মহামারির কারণে বন্ধ থাকার দুই বছর পর মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্কুলগুলোতে পালিত হয়েছে বই উৎসব। তবে এ বছর চাহিদার তুলনায় সুনামগঞ্জে বই কম আসায় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সব বই হাতে পায়নি শিক্ষার্থীরা। এছাড়া জেলার পাঁচ উপজেলায় কোনো বই পাঠাতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। পাশের উপজেলা থেকে ধারে বই এনে পালন করা হয়েছে উৎসব।

আর যে সব উপজেলায় বই পৌঁছেছে সেখানেও প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির অনেক বিষয়ের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীরা হাতে পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জের সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় পাঠ্যপুস্তক দিবস-২০২৩ এর শুভ সূচনা করেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরী।

এসময় একে একে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয় নতুন বই। আনুষ্ঠানিকতায় জেলার অধিকাংশ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা বই পেলেও খালি হাতে ফিরেছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।

নতুন পাড়ার বাসিন্দা রতন দাস বলেন, ‘আজ নতুন বই দেবে, মেয়েকে নিয়ে এসে শুনি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কোনো বই পৌঁছেনি। কবে আসবে তাও জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। মেয়েটা অনেক আশা নিয়ে এসেছিল, এখন খালি হাতেই ফিরে যেতে হচ্ছে।’

ধারে বই এনে সুনামগঞ্জে উৎসব
সুনামগঞ্জের সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া হয়

একই অভিযোগ পারভীন বেগমের। তিনি বলেন, ‘নতুন বই নেয়ার জন্য ছেলে অপেক্ষা করেছিল। কিন্তু সকালে বই নিতে এলে মাত্র একটি বই তার হাতে দেয়া হয়। বাকিগুলো পরে দেয়া হবে বলে বিদায় জানানো হয়। উৎসবের মধ্যে এমন হাতাশা আসা করিনি।’

অন্যদিকে সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় কোনো বই পাঠাতে পারেনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। উৎসব পালনের জন্য পাশের উপজেলা থেকে ধার করে বই আনা হয়।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আব্দুর রহমান বলেন, ‘যতটুুকু জানি কাগজ সরবরাহের ঘাটতি থাকায় যথাসময়ে বই ছাপতে দেরি হওয়ার কারণে আমরা চাহিদা মতো বই পাইনি। চাহিদার ৩৫ শতাংশ বই এসেছে সুনামগঞ্জে।

এর মধ্যে পাঁচটি উপজেলার জন্য কোনো বই আসেনি। বই উৎসব পালনের জন্য অন্য উপজেলা থেকে বই আনা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কোনো বই এখনও সুনামগঞ্জে আসেনি। বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশা করছি চলতি মাসেই সব বই চলে আসবে।’

সুনামগঞ্জের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘প্রাথমিকে বইয়ের ঘাটতি থাকলেও মাধ্যমিকে অতটা নেই, আমরা ৭০ শতাংশ বই পেয়েছি। জেলার সব বিদ্যালয়ে তা পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।’

তবে কিছু বিষয়ের বই আসেনি, যা আগামী সপ্তাহের মধ্যে এসে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বই পায়নি সব শিক্ষার্থী, কোথাও কোথাও নেই উদযাপনও
‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরও স্মার্ট হতে হবে’
স্কুলে স্কুলে বই উৎসব
বই উৎসব আজ
প্রাথমিকের বই উৎসবে সাফ বিজয়ীদের সংবর্ধনা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Leaving the office assistant to inspect the room the teachers notebook disappeared during the banquet
এসএসসি পরীক্ষা

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও বৃহস্পতিবার শেরপুরের আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে এক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে দিয়ে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করানোর পর এক পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চার কক্ষ পরিদর্শককে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই চারজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দ্র সচিব সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

শুক্রবার সন্ধায় বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন নিউজবাংলাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অফিস সহকারীর নাম মাছুদা আক্তার। তিনি বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত।

পরীক্ষাকেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার শ্রীবরদীর ওই কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে ৭৯ জন্য পরীক্ষার্থী ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত কক্ষ পরিদর্শকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবের কাছে ৭৯টি ওএমআর শিট জমা দিলেও খাতা জমা দেন ৭৮টি। তবে কোন পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়েছে, তা জানা যায়নি।

কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোছা. মারুফা আক্তার, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার ও গোপালখিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারিমা খাতুন।

কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

কেন্দ্র সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাতা হারানোর বিষয়টি জানার পর আমরা কেন্দ্রের দায়িত্বরত চারজনকে অব্যহতি দিয়েছি। তাদের নামে রাতে থানায় জিডিও করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে অফিস সহকারী যে ডিউটি করছিলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সহকারী কেন্দ্র সচিব আমাকে লিখিত দিয়েছিলেন, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার একজন সহকারী শিক্ষক।’

শ্রীবরদী ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত চার শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার পরবর্তী সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। তাদের নামে থানায় জিডি করা হয়েছে।’

এছাড়া বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
জাল প্রবেশপত্রে এসএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার
বাবার মরদেহ বাসায় রেখে এসএসসির কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী
ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Admission test starts from Thursday in Jabi

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থী ও স্বজনদের ভিড়ে মুখরিত জাবি ক্যাম্পাস। ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা ৬টি পর্বে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরীক্ষা চলবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে যা চলবে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা ৬টি পর্বে অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া আগামী রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় হবে প্রথম পর্বে ‘সি-১’ ইউনিটের পরীক্ষা। পরে সকাল ১০টা ২৫ মিনিট থেকে ‘সি’ ইউনিটের বাকি পর্বের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ও বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনে ৪ পর্ব করে ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ২টি পর্বে ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হবে। পরে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তৃতীয় পর্বে ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন শেষ দুই পর্বে হবে ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা।

এদিকে ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান।

তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখতে ভর্তি পরীক্ষা শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা কমিটি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।’

প্রক্টর জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে রাতে পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা দিতে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে রোভার স্কাউট সদস্য, ১৫০ জন পোশাকধারী সশস্ত্র ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ ফোর্স এবং অতিরিক্ত ৬০ জন আনসার সদস্য ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবেন।

ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় বিভিন্ন ভবনে ১২০ জন বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্য শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক (ডেইরি গেট), জয়বাংলা গেট (প্রান্তিক গেট) ও বিশমাইল গেট-সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) চালু রাখা হয়েছে।’

এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো অস্থায়ী দোকান বসানো যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা, ফটক ও জয়বাংলা গেট-সংলগ্ন খাবারের দোকানগুলো মনিটরিংয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dictionary of Sign Language Education Launched by UNDP
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

‘ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান’ চালু ইউএনডিপির

‘ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান’ চালু ইউএনডিপির ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট
ই-অভিধান, ইশারার ভাষার একটি বিস্তৃত শব্দভান্ডার সরবরাহ করে, নিচের লিংকে সরাসরি প্রবেশ করা যেতে পারে- https://ishara.sonket.org/। এছাড়া গুগল প্লে স্টোর থেকেও এটি ডাউনলোড করা যাবে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে একটি উদ্ভাবনী ‘সাইন ল্যাংগুয়েজ ই-ডিকশনারি’ বা ‘ইশারার ভাষা শিক্ষার অভিধান’ চালু করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।

অভিধানটি ব্যক্তিদের ইশারার ভাষা শিখতে এবং শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধীদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। খবর ইউএনবির

ই-অভিধান, ইশারার ভাষার একটি বিস্তৃত শব্দভান্ডার সরবরাহ করে, নিচের লিংকে সরাসরি প্রবেশ করা যেতে পারে-

https://ishara.sonket.org/। এছাড়া গুগল প্লে স্টোর থেকেও এটি ডাউনলোড করা যাবে।

এই উদ্যোগটি সমস্ত দিক থেকে বৈচিত্র্য, সমতা এবং প্রবেশযোগ্যতা তুলে ধরার জন্য ইউএনডিপির চলমান প্রতিশ্রুতিতে জোর দেয়।

ইশারার ভাষায় ই-ডিকশনারি উন্মোচনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।

তিনি বলেন, শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের মধ্যে যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউএনডিপি বাংলাদেশ একটি অসাধারণ ‘ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান’ উন্মোচন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই উদ্ভাবনী উদ্যোগটি কেবল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনার সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বরং আমাদের কাজের সমস্ত ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য, সমতা এবং প্রবেশযোগ্যতা প্রচারের জন্য আমাদের চলমান প্রচেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। ইশারায় ভাষা শিক্ষার অভিধান একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যা সাধারণ ব্যক্তিদের আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বোধগম্যতার সমাজ গঠনে শিখতে এবং অবদান রাখতে দেয়।

ইউএনডিপি ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সংস্থাকে ইশারা ভাষা ই-অভিধান অন্বেষণ এবং ব্যবহার করতে, অন্তর্ভুক্তির সংস্কৃতি লালন করতে এবং যোগাযোগের বাধাগুলো ভেঙে ফেলতে উৎসাহিত করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Assistant Teacher Recruitment Second Phase Results Released

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ ফাইল ছবি
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ ধাপে খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় ২০ হাজার ৬৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (www.mopme.gov.bd) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.portal.gov.bd) পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও এসএমএস পাবেন।

গত ২ ফেব্রুয়ারি খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২২ জেলার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন চাকরিপ্রত্যাশী পরীক্ষায় অংশ নেন।

উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তিন ধাপে পরীক্ষা হবে।

গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের (বরিশাল, সিলেট, রংপুর বিভাগ) লিখিত পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Proxies Order of prosecution against every madrasa head

প্রক্সিকাণ্ড: অভিযুক্ত মাদ্রাসা প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

প্রক্সিকাণ্ড: অভিযুক্ত মাদ্রাসা প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ সাপাহার সরফতুল্লাহ মাদ্রাসা কেন্দ্র। ছবি: নিউজবাংলা
ভুয়া পরীক্ষার্থীদের আটকের পর মূল পরীক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়। সেই সঙ্গে বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের স্ব স্ব মাদ্রাসার প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নওগাঁর সরফতুল্লাহ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্র থেকে মঙ্গলবার সকালে আরবি দ্বিতীয় পত্রের দাখিল পরীক্ষা চলাকালে ৫৯ জন ভুয়া দাখিল পরীক্ষার্থী আটকের পর মূল পরীক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের স্ব স্ব মাদ্রাসার প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সাপাহার উপজেলার ওই কেন্দ্র থেকে মূল পরীক্ষার্থীর জায়গায় ভূয়া বা প্রক্সি দিতে আসা পরীক্ষার্থীদের শনাক্তের পর প্রথমে তাদের আটক করা হয়।

পরবর্তীতে তাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ হোসেন। তবে মূল পরীক্ষার্থীরা যেসব মাদ্রাসা থেকে নিবন্ধন করেছেন, ওইসব মাদ্রাসার প্রধানদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও।

ইউএনও মাসুদ হোসেন নিজেই নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে তিনটি সদ্য এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে। সেগুলো হলো- সাপাহারের শিমুলডাঙা দাখিল মাদ্রাসা, মানিকুড়া দাখিল মাদ্রাসা এবং বলদিয়াঘাট দাখিল মাদ্রাসা। সেই সঙ্গে রয়েছে পাঁচটি মাদ্রাসা, যেগুলো এখনও এমপিওভুক্ত হয়নি। সেগুলো হচ্ছে- পলাশডাঙা দাখিল মাদ্রাসা, দেওপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, আলাদিপুর দাখিল মাদ্রাসা, তুলসিপাড়া দাখিল মাদ্রাসা এবং আন্ধারদিঘি দাখিল মাদ্রাসা।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে আরবি দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে কিছু ভূয়া পরীক্ষার্থী এই কেন্দ্রে দিচ্ছেন- সচিবের এমন নির্দেশে কক্ষ পরিদর্শকগণ খাতা স্বাক্ষর করার সময় বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কেন্দ্র সচিবকে নিশ্চিত করেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র সচিব ইউএনওকে জানালে তিনি সঙ্গে সঙ্গে এসে কেন্দ্রে অভিযান চালান। এ সময় শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ছবিসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী ‘ভুয়া’ শনাক্ত হয়।

সরফতুল্লাহ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে ৪০টি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ কেন্দ্রে এ বছর পরীক্ষা দিচ্ছেন ৮৯৮ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে শিমুলডাঙা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন, পলাশডাঙা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮ জন, দেওপাড়া সিংপাড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৩ জন, আলাদিপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১ জন, তুলসিপাড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৪ জন, বলদিয়াঘাট দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২ জন, আন্ধারদিঘি দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৭ জন এবং মানিকুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৩ জন ভুয়া পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে এসে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা প্রশাসক গোলাম মওলা জানান, এর আগে অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথম ও বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায়ও একইভাবে অংশগ্রহণ করে ওই শিক্ষার্থীরা। মূল পরীক্ষার্থীর জায়গায় তারা প্রক্সি বা বদলি পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিল।

কেন্দ্র সচিব মো. মোসাদ্দেক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গোপন সূত্রে প্রক্সির বিষয়টি জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ বিষয়টি আমি ইউএনও এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করি।

‘এরপর ইউএনও স্যার ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্যার এসে কক্ষ পরিদর্শকদের সহায়তায় মোট ৫৯ জন ভুয়া পরীক্ষার্থীদের শনাক্ত করেন। এরপর তাদের বয়স বিবেচনায় মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। তবে ওই আটটি মাদ্রাসার প্রধানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও স্যার।’

মামলার বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

ইউএনও মাসুদ হোসেন বলেন, ‘যাচাইয়ের পর ৫৯ জন ভুয়া পরীক্ষার্থী পাওয়ায় তাদের কক্ষ পরিদর্শক বহিষ্কার করেন এবং ওই ৮টি প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে কেন্দ্র সচিবকে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
দাখিল পরীক্ষায় প্রক্সির অভিযোগ, কেন্দ্র সচিবসহ ৫৯ পরীক্ষার্থী আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Because of HSC 2025 in short syllabus

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২৫ সালের এইচএসসি, যে কারণে

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২৫ সালের এইচএসসি, যে কারণে ফাইল ছবি
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার বলেন, ‘২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে অক্টোবরে। ওরা তিন মাস সময় কম পাবে। তাই ওদের সিলেবাসটা কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।’

২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষাও পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের মতো চলতি বছরও পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সালের অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ প্রণীত ২০২৫ সালের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সব বিষয়ে, পূর্ণ সময়ে ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার বলেন, ‘২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে অক্টোবরে। ওরা তিন মাস সময় কম পাবে। তাই ওদের সিলেবাসটা কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষা হবে। তবে এই পরীক্ষা সব বিষয়ে পূর্ণ সময়ে ও পূর্ণ নম্বরে হবে।’

২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে এসএসসি পরীক্ষা হলেও এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে শিক্ষার্থীদের সনদ দেয়া হয়। ২০২১ সালে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শুধু গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষার সময় ও পরীক্ষার নম্বর হ্রাস করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়া হয়।

সেই সিলেবাস কিছুটা বাড়িয়ে ২০২২ সালে নেয়া হয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। সে বছর পরীক্ষার সময় কিছুটা কম ছিল। আর গত বছর এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা হয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে। তবে এসএসসির আইসিটি ছাড়া এ দুই পাবলিক পরীক্ষা অন্যান্য বিষয়ে পূর্ণ সময় ও নম্বরে নেয়া হয়েছিল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shafiq was banned from Bobbys administration campus after finding evidence of student harassment

ছাত্রী উত্ত্যক্তের প্রমাণ পেল ববি প্রশাসন, ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ শফিক

ছাত্রী উত্ত্যক্তের প্রমাণ পেল ববি প্রশাসন, ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ শফিক শফিকুর রহমান ওরফে শফিক মুন্সির বিরুদ্ধে ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। ছবি: সংগৃহীত
উপাচার্য অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা সব সময় ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীর পাশে আছি। তার নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা নেব। এছাড়া আইনি পদক্ষেপ নিলে ছাত্রীকে আমরা সহায়তা করব।’

শফিকুর রহমান ওরফে শফিক মুন্সির বিরুদ্ধে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে প্রক্টরিয়াল বডি ও বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ববি’র রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থীর ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে প্রশাসন। এছাড়াও ছাত্রীর পক্ষে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাশে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে গণমাধ্যমকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইউম।

তিনি বলেন, ‘দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সমন্বয় করে একটি প্রতিবেদন আমরা উপাচার্য দপ্তরে পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী ছাত্রীর নিরাপত্তায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে এবং আগামীতেও করবে। সর্বোপরি আমরা সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’

জানা গেছে, প্রক্টরিয়াল বডির তদন্ত কমিটি ও বিভাগীয় তদন্ত কমিটির সমন্বিত প্রতিবেদনে তিনটি বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

তা হলো- মো. শফিকুর রহমানকে (শফিক মুন্সী) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে প্রতীয়মাণ হওয়ায় তার নিরাপত্তার জন্য আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক সহযোগিতা দেয়া হবে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর নিরাপদ শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করতে সাবেক শিক্ষার্থী/অছাত্র/বহিরাগতদের ক্যাম্পাস/হলে অবৈধভাবে অবস্থান নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে কিনা- এমন প্রশ্নে উপাচার্য অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা সব সময় ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীর পাশে আছি। তার নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা নেব। এছাড়া আইনি পদক্ষেপ নিলে ছাত্রীকে আমরা সহায়তা করব।’

জানা যায়, এর আগেও নারী উত্ত্যক্তের ঘটনায় শফিক মুন্সি বরিশালের কোতোয়ালি থানায় দুটি মুচলেকা দেন। এর মধ্যে ২০২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর প্রথম এবং ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় মুচলেকা দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মিথ্যা সংবাদ প্রচার ও ভয়ভীতি দেখিয়ে এক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টার অভিযোগ এনে শফিক মুন্সির বিরুদ্ধে ২৩ জানুয়ারি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে অভিযোগ দেন। এর ভিত্তিতে ৬ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন৷ এতে বিভাগীয় ও প্রক্টরিয়াল বডির দুটি ভিন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি সেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ হলেও শফিক মুন্সী শেরে বাংলা হলের ৪০২১ নম্বর কক্ষ দীর্ঘদিন দখল করে রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একাংশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান তিনি। এমনকি বিভিন্ন সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্রলীগের ব্যানারে শলাপরামর্শ করতেও দেখা গেছে তাকে।

আরও পড়ুন:
উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কুপিয়ে জখম
বোনকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ মারধর: রিমান্ডে ২ আসামি
ভাই-বোনকে মারধরের ঘটনায় মামলা
বোনকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ ভাইকে মারধর, আটক ২
স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ২ ছাত্রকে মারধর

মন্তব্য

p
উপরে