× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
15 leaders and workers of Jamaat arrested in five cases
hear-news
player
google_news print-icon

পাঁচ মামলায় জামায়াতের ১৫ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

পাঁচ-মামলায়-জামায়াতের-১৫-নেতা-কর্মী-গ্রেপ্তার
শুক্রবার শান্তিনগর এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা করলে বাধা দেয় পুলিশ/ ছবি: নিউজবাংলা
মালিবাগ মোড়ে হোসাফ টাওয়ারের সামনে পুলিশের সঙ্গে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশকে লাঠিপেটার পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে দেখা গেছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ ১০ দাবিতে রাজধানীতে বিএনপির মিছিলের দিন জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় রাজধানীর চার থানায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। এই পাঁচ মামলায় ৩০২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আসামি দেখানো হয়েছে আট হাজারের বেশি।

এর মধ্যে চারটি মামলা করা হয়েছে পুলিশের ওপর হামলা ও একটি করা হয়েছে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে। এই পাঁচ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি দাবি করেন, ‘জামায়াত কর্মীদের হামলায় ১১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন৷ একই সঙ্গে জামায়াত নেতা-কর্মীরা অবৈধভাবে মিছিল নিয়ে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চেয়েছিল। এসব ঘটনায় রমনা, শাহজাহানপুর, রামপুরা ও খিলগাঁও থানায় পাঁচটি মামলা হয়েছে।

'এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে মঞ্জুর করেছে।’

ডিএমপির দেয়া তথ্যানুযায়ী, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ডিএমপির রমনা থানায় হওয়া একটি মামলার এজাহারে ৯১ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত তিন হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৯ জনকে।

শাজাহানপুর থানায় হওয়া একটি মামলার এজাহারে ৭৩ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে।

রামপুরা থানা হওয়া মামলায় ৩০২ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত চার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে জামায়াতের উত্তরার আমিরসহ তিনজনকে।

খিলগাঁও থানায় হওয়া পুলিশের ওপর হামলা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। তবে অজ্ঞাতদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুইজনকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শুক্রবার ১০ দফা দাবিতে বিএনপির মিছিলটি নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় মগবাজারে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট বিলোপ হলেও এর শরিকরা যুগপৎ কর্মসূচি পালন করে এদিন।

জামায়াত কর্মীদের এদিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে জড়ো হওয়ার কথা ছিল। সেখানে নিরাপত্তার ব্যাপক আয়োজনও রাখে পুলিশ। তবে দলটির নেতা-কর্মীরা সেখানে যায়নি।

পরে মালিবাগ মোড়ে হোসাফ টাওয়ারের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশকে লাঠিপেটার পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে দেখা গেছে।

শুক্রবার রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহেন শাহ মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জুমার নামাজ শেষে জামায়াতের ব্যানারে কিছু লোক মিছিল বের করার চেষ্টা করে। তারা মিছিলের নামে সরাসরি পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে বেশ কিছু পুলিশ সদস্য আহত হয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
২০২২ সাল: বন্দুকযুদ্ধে ৪, হেফাজতে ১৫ মৃত্যু
জামায়াত সন্দেহে আটক, আওয়ামী লীগ নেতা জেনে মুক্তি
জামায়াতের হামলায় ১০ পুলিশ আহত: ডিএমপি
বায়তুল মোকাররমে এলো না জামায়াত, মালিবাগে সংঘাত
লক্ষ্মীপুর জামায়াত-শিবিরের ২৫০ নেতা-কর্মীর নামে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
2 lakh Bangladeshis in Dubai aim for Europe on visit visa

ভিজিট ভিসায় ২ লাখ বাংলাদেশি দুবাইয়ে, লক্ষ্য ইউরোপ

ভিজিট ভিসায় ২ লাখ বাংলাদেশি দুবাইয়ে, লক্ষ্য ইউরোপ
অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে পদে পদে প্রতারণার শিকার হচ্ছে তরুণ-যুবকরা। দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, দেশে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বিদেশবিভূঁইয়ের রাস্তায় ছেড়ে দেয়া, আটক করে জেল বন্দি জীবন কাটানো, সবশেষে সর্বস্ব খুইয়ে দেশে ফেরত আসার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে দুই লাখের বেশি বাংলাদেশি দুবাইয়ে ঢুকেছে। করোনার আগে ও পরে এসব বাংলাদেশি ভিজিট ভিসায় সেখানে পৌঁছেছে। আর দুবাইকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে পাড়ি দিচ্ছে ইতালি, স্পেন, গ্রিস, ফ্রান্স, তুরস্কসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

বাস্তবতা হলো, এই মানুষগুলোর অধিকাংশই বিপদসংকুল এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, দেশে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বিদেশবিভূঁইয়ের রাস্তায় ছেড়ে দেয়া, আটক করে জেল বন্দি জীবন কাটানো, সবশেষে সর্বস্ব খুইয়ে দেশে ফেরত আসার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

তবু থেমে নেই উন্নত-সচ্ছল জীবনের আশায় অবৈধপথে বিদেশে পাড়ি জমানোর এই চেষ্টা। বেপরোয়া মানবপাচারকারী চক্রের ফাঁদে প্রতিনিয়ত পা রাখছে অসংখ্য তরুণ-যুবক।

বাংলাদেশ থেকে দালালের মাধ্যমে দুবাই হয়ে ইউরোপ যাওয়ার আগে মরক্কো, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, ইরান ও আলবেনিয়ার মতো দেশগুলোতে ঢুকছে তারা। আর ভয়ঙ্কর ঝুঁকির এই যাত্রাপথে তাদের অনেকেই মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে পাসপোর্ট, টাকাপয়সা সব হারিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। শিকার হচ্ছে অমানুষিক নির্যাতনের। অনেক ক্ষেত্রেই তাদেরকে জিম্মি করে দেশে স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে মুক্তিপণ।

ভয়ঙ্কর এসব ফাঁদ থেকে কোনোমতে মুক্তি মিললেও তাদের দেশে ফেরার পথ আর সেভাবে খোলা থাকে না। সব হারিয়ে ফেরার কোনো উপায় না দেখে আবার পা পাড়াচ্ছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর দিকে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর ও পারস্য উপসাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছাচ্ছে গ্রিস, স্পেন, ইতালি ও তুরস্কের মতো দেশে।

অভিবাসন বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য ১৮টির মতো পথ ব্যবহার হয়। দুর্গম মরুভূমি ও গভীর সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে প্রতিবছর বহু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটতে হচ্ছে অনেককে।

পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গত দুই বছরে বাংলাদেশ থেকে দুই লাখের বেশি মানুষ ভিজিট ভিসায় দুবাই গেছে। তাদের লক্ষ্য দালালদের মাধ্যমে ইউরোপের কোনো একটি দেশে পৌঁছানো। তবে এদের মধ্যে ঠিক কতজন ইউরোপে পৌঁছাতে পেরেছে বা পারছে তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই বাহিনীটির কাছে।

ব্র্যাকের অভিবাসন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোভিডের আগে-পরে আমাদের দেশ থেকে প্রায় দুই লাখ লোক ভিজিট ভিসায় দুবাই গেছে। তাদের একটা বড় অংশই সেখানে কাজ পায়নি। সে সময়ই আমরা শঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম- এই যে লোকজন দুবাইয়ে যাচ্ছে, তারা পরবর্তীতে ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করবে।’

তিনি বলেন, ‘গত দুই বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে ২২ হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছে। দুবাইয়ে ভিজিট ভিসায় যারা গেছে তারা এখন ইরান, গ্রিস, তুরস্ক হয়ে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এতে করে শুধু তারা নিজেরাই যে বিপদে পড়ছে তা নয়, আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।’

উন্নত-সচ্ছল জীবনের আশায় অবৈধপথে বিদেশে পাড়ি জমানো প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি গত এক বছরে দেশে ফিরেছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটির মানবপাচার প্রতিরোধ টিমের তথ্য অনুযায়ী, মানব পাচারের শিকারদের একটা বড় অংশই দুবাই হয়ে অন্যান্য দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে।

সম্প্রতি মানবপাচার মামলায় একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগ। চক্রটি ইউরোপে পাঠানোর নাম করে ভিজিট ভিসায় এক ভুক্তভোগীকে দুবাইয়ে পাঠায়। সেখানে তার পাসপোর্টসহ সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে পাঠায় ইরানে। সেখান থেকে পাঠানো হয় তুরস্কে।

তুরস্কে যাওয়ার পর সেখানকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়ে জেল খাটার পর আইওএম এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফিরে আসেন তিনি।

ভুক্তভোগীকে ভিজিট ভিসায় দুবাই এবং পরবর্তীতে ইরান ও তুরস্কে পাঠানো মানব পাচারকারী চক্রটির সঙ্গে সিভিল অ্যাভিয়েশনের একজনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তারা হলেন- মাহামুদুল হাছান, জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, সালামত উল্লাহ ও রাশিয়া বেগম।

তাদের মধ্যে মাহামুদুল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের অভ্যন্তরে অগ্রগামী ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের এয়ার কন্ডিশন সার্ভিসে এবং জাহাঙ্গীর সিভিল এভিয়েশনে কর্মরত বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তুরস্ক ফেরত এই ভুক্তভোগী বলেন, ‘পাচারকারীরা জানিয়েছিল যে বিমানে করে আমাকে তুরস্কে পৌঁছানো হবে। সে জন্য প্রথমে যেতে হবে দুবাইয়ে। সেখান থেকে তুরস্কের ভিসা দেয়া হবে। কিন্তু তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। পুরোটাই ছিল ফাঁদ।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে দুবাই পাঠানো হয় ভিজিট ভিসায়। দুবাইতে যাওয়ার পরই আমার সঙ্গে থাকা টাকাপয়সা, পাসপোর্টসহ যাবতীয় ডকুমেন্ট নিয়ে যায় দালালেরা। কাগজ ছাড়া আমার কোথাও যাওয়ারও উপায় ছিল না।

‘তুরস্ক পাঠাবে বলে দুবাইতে আমার কাছ থেকে নেয়া হয় এক লাখ টাকা। তারা ট্রলার ও স্পিডবোটে করে আমাকে ইরানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে ওরা আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। আমাকে নির্যাতনের বিষয়টি জানিয়ে দেশে আমার পরিবার থেকে দফায় দফায় ওরা ৮ লাখ টাকা আদায় করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ভুক্তভোগী আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত অনেক টাকার বিনিময়ে আমি ইরান থেকে কোনো কাগজপত্র ছাড়া তুরস্কে পৌঁছাই। সেখানে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জেল খাটি। এরপর বাংলাদেশ থেকে আউটপাস নিয়ে তুরস্কে বাংলাদেশ অ্যাম্বেসি ও আইএম-এর সহায়তায় দেশে ফিরে আসি।

‘সব হারিয়ে আমি ও আমার পরিবার এখন সর্বস্বান্ত, বিপর্যস্ত। আমি চাই না এমন ফাঁদে পড়ে কেউ অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করুক।’

মানবপাচার ঠেকাতে সিআইডির টিম কাজ করছে জানিয়ে সংস্থাটির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৯ সালে ৭২টি মানবপাচার মামলার তদন্তভার পেয়েছি আমরা। এর মধ্যে ৬৭টির তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।

‘২০২০ সালে আমাদের কাছে এসেছে ৬৩টি মামলা আর প্রতিবেদন দিয়েছি ৫১টির। ২০২১ সালে তদন্তভার পেয়েছি ৫১টি মামলার, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি ৬০টির। আর ২০২২ সালে তদন্তভার পেয়েছি ৩০টির এবং তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে ৪৫টি মামলার।’

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘লিবিয়া, মরক্কো, ইরান, তুরস্ক ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলোতে মানবপাচার হচ্ছে। দুবাইকে বিশেষ করে ট্রানজিট শহর হিসেবে ব্যবহার করছে পাচারকারীরা।

‘মানুষ উন্নত জীবন ও উপার্জনের জন্য ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে যেতে প্রলুব্ধ হচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তারা ভিজিট ভিসার মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে লিবিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো ও অন্যান্য আফ্রিকান দেশে যেতে বাধ্য হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
লিবিয়ায় ‘নির্যাতনে’ দুজনের মৃত্যু: মাদারীপুরের বাড়িতে শোক
৭ বছরে ৫০০ জনকে দুবাই পাচার করে চক্রটি
মানব পাচার: যুক্তরাষ্ট্রে ৪৬ মাসের কারাদণ্ড বাংলাদেশির
তিন ধাপে মানব পাচার, সমন্বয়কসহ গ্রেপ্তার ৭
মানব পাচারকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UP member in jail in Noakhali

নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য কারাগারে

নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য কারাগারে সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ৪৮ বছর বয়সী আলেক হোসেন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
সেনবাগ থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তার আলেককে নোয়াখালী মুখ্য বিচারিক আদালতের বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

নোয়াখালীর সেনবাগে বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা মামলায় এক ইউপি সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

নোয়াখালী মুখ্য বিচারিক আদালতের বিচারক ইকবাল হোসাইনের আদালত মঙ্গলবার বিকেলে এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে তাকে উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ৪৮ বছর বয়সী আলেক হোসেন উপজেলার কেশারপাড় ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার বরাতে তিনি বলেন, ‘ইউপি নির্বাচন নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে সোমবার রাতে উপজেলার কেশারপাড় ইউপি আবদুস সাত্তার মেম্বারের বাড়িতে আলেক মেম্বারের নেতৃত্বে ১৪/১৫ জন দুর্বৃত্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও দা-ছেনী, লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগী ফারুক হোসাইন বাদী হয়ে ইউপি সদস্য আলেক হোসেনসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জনের নামে থানায় মামলার পর পুলিশ দুপুরে ইউপি সদস্য আলেক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার আলেককে নোয়াখালী মুখ্য বিচারিক আদালতের বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

আরও পড়ুন:
বিদেশি মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
দিনাজপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারী চক্রের ২০ সদস্য গ্রেপ্তার
মানবতাবিরোধী অপরাধ: পলাতক সুলতান ফকির গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abnormalities in the anus of the deceased madrasah student

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন প্রতীকী ছবি
নিহত ১৪ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন কামরাঙ্গীর চরে নুরিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়ে গত শুক্রবার ওয়াজ মাহফিলে পাগড়ি পান। পাগড়ি গ্রহণ শেষে তিনি বাসায় ফেরেন। এরপর থেকে বাসাতেই ছিলেন তিনি।

ঢাকার কামরাঙ্গীর চরের রসুলপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির সময় তার পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন পেয়েছে পুলিশ। এই শিশু শিক্ষার্থী কারও দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।

সোমবার রাতে তাকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় পায় পরিবারের সদস্যরা। পরে মধ্যরাতে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন কামরাঙ্গীর চরে নুরিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়ে গত শুক্রবার ওয়াজ মাহফিলে পাগড়ি পান। পাগড়ি গ্রহণ শেষে সে বাসায় ফেরে। এরপর থেকে ওই শিক্ষার্থী বাসাতেই ছিল।

কামরাঙ্গীর চর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, গতকাল ওর মাদ্রাসার যাওয়ার কথা। কিন্তু যেতে চাইনি। রাতে একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে অনেকক্ষণ ভেতরে থাকলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। ভেতরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

শিশু শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, আত্মহত্যা করলে পায়ুপথে বীর্য ও মল আসে। এই ভিকটিমের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এর বাইরে তার পায়ুপথ স্ফিত ছিল। যেটা দেখে আমাদের সন্দেহ হয়েছে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্ত করিয়েছি। ডাক্তার কোনো কিছু জানাননি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।

এ ঘটনায় এরইমধ্যে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে, তবে তদন্তে যৌন নির্যাতন বা অন্য কিছু পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর।

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসার মেয়েশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ
বন্ধুর প্রেমিকাকে ধর্ষণের মামলায় ইমাম, মাদ্রাসাশিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৩
শিশু পর্নোগ্রাফি: গুগলের তথ্যে ধরা বরগুনার মাদ্রাসাছাত্র
শিশুকে মাদ্রাসার ভেতরে ধর্ষণ, নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The announcement of boycott of all courts in Brahmanbaria

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের সব আদালত বর্জনের ঘোষণা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের সব আদালত বর্জনের ঘোষণা মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
দুইজন বিচারককে প্রত্যাহারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবারও সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবীরা। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের এই আদালত বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবারও আদালত বর্জন শুরু করেছেন আইনজীবীরা। দুইজন বিচারককে প্রত্যাহারের দাবি পূরণ না হওয়ায় এবার দুটি নয়, সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার জেলা আইনজীবী সমিতির এক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এবারের আদালত বর্জনের সময়সীমা দেয়া হয়েছে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও দায়রা জজ শারমিন নিগার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ ফারুকের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন করছেন আইনজীবীরা।

আইনজীবী সমিতির সভাপতি তানভীর ভূঞা আদালত বর্জনের এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি থেকে পর্যায়ক্রমে আইনজীবীদের আদালত বর্জনের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারকের আদালত ও ৫ জানুয়ারি থেকে সব আদালত বর্জনের কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা। এতে জেলার বিচার কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে।

রাজধানীতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠকের পর ১৫ জানুয়ারি থেকে আইনজীবীরা জেলা ও দায়র জজ শারমিন নিগার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত অন্যান্য আদালত বর্জন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন। তবে ওই দুই আদালতের বিচারককে অপসারণে দাবিতে তারা ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেন। মঙ্গলবার সেই সময়সীমা শেষে আইজীবী সমিতির সভায় ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB operation is going on in Bandarban 5 militants have been arrested

বান্দরবানে র‍্যাবের জঙ্গিবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ২০

বান্দরবানে র‍্যাবের জঙ্গিবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ২০ মঙ্গলবার বিকেলে থানচির লিক্রি সীমান্ত সড়কে তমা-তুঙ্গী পর্যটন স্পট এলাকায় ব্রিফিং করেন র‍্যাবের প্রধান এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র ১৭ সদস্য ও পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের ৩ সদস্যকে বান্দরবানের থানচি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে বিপুল অস্ত্র, বোমা তৈরির সরঞ্জাম, গোলাবারুদ ও ৭ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

বান্দরবানের থানচির দুর্গম পাহাড়ে জঙ্গিদের সঙ্গে র‍্যাবের গোলাগুলির পর ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র ১৭ সদস্য ও পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের ৩ সদস্যকে বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অস্ত্র, বোমা তৈরির সরঞ্জাম, গোলাবারুদ ও ৭ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার রাত শোয়া ৯টার দিকে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। বলা হয়, বুধবার বেলা পৌনে ১১টায় বান্দরবান র‍্যাব ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

মঙ্গলবার ভোরে ওই অভিযান শুরুর পর দুপুর পর্যন্ত ৫জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে র‍্যাবের ৮ থেকে ৯ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

অভিযান চলাকালেই বিকেল ৩টার দিকে থানচির লিক্রি সীমান্ত সড়কে তমা-তুঙ্গী পর্যটন স্পট এলাকায় সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের প্রধান এম খুরশীদ হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘২০২২ সালের আগস্ট মাসে কুমিল্লা থেকে ৮ তরুণ নিখোঁজ হয়। নিখোঁজদের পরিবার কুলিল্লা সদর থানায় জিডি করে। ওই জিডির সূত্র ধরে র‍্যাব তাদের খুঁজে বের করতে গিয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার সন্ধান পায়।

‘পরে আমরা জানতে পারি নিখোঁজদের নিয়ে জঙ্গি সংগঠনটি পাহাড়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা ৩ অক্টোবর বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করি। এখন পর্যন্ত আমরা ৩১ জন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’

র‍্যাব প্রধান বলেন, ‘আমরা তথ্য পেলাম থানচিতে জঙ্গিরা আবার জড়ো হচ্ছে। আজ (মঙ্গলবার) সকালে তাদের সঙ্গে আমাদের সংঘর্ষ হয়। এখনও গোলাগুলি চলছে। এই অভিযানে এখন পর্যন্ত পাঁচ জঙ্গি গ্রেপ্তার হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেনম ‘আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফায়ার করতে করতে জঙ্গিদের গোলাবারুদ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আছি আমরা। উদ্দেশ্য, ওদেরকে যেন অক্ষত অবস্থায় আমরা গ্রেপ্তার করতে পারি। একজন জঙ্গি থাকলেও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এই অভিযানে এখন পর্যন্ত কোন নিহতের ঘটনা আছে কি না-সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে র‍্যাব প্রধান বলেন, ‘আমাদের ৮ থেকে ৯ জন সদস্য আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’

আরও পড়ুন:
অস্ত্র-গুলিসহ দুই জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনায় মামলা
বান্দরবানে গ্রেপ্তার ৫ জঙ্গি রিমান্ডে
নতুন জঙ্গি সংগঠনের প্রশিক্ষণে দেশি-বিদেশি অস্ত্র: সিটিটিসি
‘হিজরত’ থেকে ৯ তরুণ-তরুণীকে ঘরে ফেরাল র‍্যাব
সৌদিতে ছিলেন ইমাম, দেশে ফিরে জঙ্গি ক্যাম্পে, দাবি সিটিটিসির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Expatriates wife pregnant in rape

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রবাসীর স্ত্রী

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রবাসীর স্ত্রী প্রতীকী ছবি
পুলিশের ভাষ্য, কাল‌কি‌নির পৌর এলাকার আয়নাল খানের ছেলে শফিক খান (২০) স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে উত্যক্ত করতেন। প্রায় ৬ মাস আগে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।

মাদারীপুরের কালকিনিতে ধর্ষণের পর ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। পরে দুপুরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশের ভাষ্য, কাল‌কি‌নির পৌর এলাকার আয়নাল খানের ছেলে শফিক খান (২০) স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে উত্যক্ত করতেন। প্রায় ৬ মাস আগে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। বিষয়টি ভুক্তভোগীর পরিবার মান-সম্মানের ভয়ে এতদিন গোপন রাখার চেষ্টা করলেও একপর্যায়ে ওই নারীর অন্তঃসত্ত্বা খবরটি পুরো এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ওই নারী কালকিনি থানায় শফিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যহত আছে।

আরও পড়ুন:
স্বামী-সন্তানের সন্ধানে ঢাকায় আসা নারীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৫
গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ইউপি সদস‌্য কারাগারে 
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার হোতা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jubo League leader arrested on charges of raping expatriates wife

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ছবি: নিউজবাংলা
দাগনভূঞা থানার ওসি হাসান ইমাম বলেন, ‘এ বিষয়ে যে যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দরকার, আমরা সেটি করব। অপরাধী যে দলের রাজনৈতিক পরিচয় দিক না কেন ছাড় দেয়া হবে না।’

ফেনীর দাগনভূঞায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের উত্তর আলীপুর এলাকা থেকে সোমবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই গৃহবধূ আগেরদিন তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন ইউনিয়নটির ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান ইমাম নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, চার বছর আগে দেলোয়ার হোসেন স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে এবং দুই সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে এতদিন ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছিল।

ওই গৃহবধূ জানান, ভিডিওর ভয় দেখিয়ে শুধু ধর্ষণ নয়, নানা অজুহাতে বেশ কয়েকবার মারধরও করেন ওই নেতা। গত দুই মাস আগে প্রবাস ফেরত স্বামীর কাছে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করলেও পরে বাধ্য হয়ে তার স্বামী ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় ঘরে আমার শ্বাশুড়ি ও দুই সন্তান নিয়ে থাকি। একদিন দেলোয়ার ঘরে ঢুকে আমাকে ধর্ষণ করে। পরে তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেও পারিনি। এরপর থেকে ফেসবুকে ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় ও পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দেয় সে।

‘এর প্রতিবাদ করলে মারধর করত। সম্প্রতি আমার স্বামী দেশে আসলে আবারও উৎপাত শুরু করলে বিষয়টি স্বামীকে জানাই। রাতের বেলায় ঘরের আশেপাশে দেলোয়ার ঘুরাফেরা করে। তার প্রস্তাবে রাজি না হলে মোবাইল ফোনে স্বামীকে মেরে আমাকে বিধবা করার হুমকি দেয়।’

ওই নারীর প্রবাস ফেরত স্বামী বলেন, ‘রাতের বেলায় কয়েকবার তাকে ধাওয়া করেছি। পরিবার-পরিজন নিয়ে আতঙ্কিত অবস্থায় রয়েছি।’

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গৃহবধূ নির্যাতনের ঘটনাটি ভুক্তভোগীর পরিবার আমাকে জানিয়েছে। সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্রও ছাড় দেয়া হবে না।

ওসি হাসান ইমাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা যে যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দরকার আমরা সেটি করব। অপরাধী যে দলের রাজনৈতিক পরিচয় দিক না কেন ছাড় দেয়া হবে না।’

আরও পড়ুন:
হিযবুতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
জেলে থেকেও নাশকতার আসামি, ফের গ্রেপ্তার
বাবা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪
গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে