× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
After 2 years the Prime Minister handed over new books to the children
hear-news
player
google_news print-icon

২ বছর পর শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

২-বছর-পর-শিশুদের-হাতে-নতুন-বই-তুলে-দিলেন-প্রধানমন্ত্রী
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত দুই বছর আসতে পারিনি, নিজের হাতে বই দিতে পারিনি করোনা ভাইরাসের বিধি-নিষেধের জন্য। আমাকে আসলে বন্দি করে রাখা হতো। তবে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি। ভার্চুয়ালি সবার সঙ্গে সংযোগ হয়েছে। ওভাবেই বই বিতরণ হয়েছে। আজকে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

বরাবরই বছরের প্রথম দিনটিতে স্কুল শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে অনুষ্ঠিত হয় বই উৎসব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতি বছরই শিক্ষার্থীদের হাতে এই বই তুলে দেন। মাঝে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দুই বছর সেই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়নি।

এ বছরের শেষ দিন শিক্ষার্থীদের হাতে আবারও বই তুলে দিয়ে সেই উৎসবের সূচনা করলেন শেখ হাসিনা।

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমিও অনেক খুশি তোমাদের হাতে বই তুলে দিতে পেরে।’

পাশাপাশি নতুন বছরের জন্য সবাইকে শুভেচ্ছাও জানান সরকারপ্রধান।

২ বছর পর শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত দুই বছর আসতে পারিনি, নিজের হাতে বই দিতে পারিনি করোনা ভাইরাসের বিধি-নিষেধের জন্য। আমাকে আসলে বন্দি করে রাখা হতো। তবে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি। ভার্চুয়ালি সবার সঙ্গে সংযোগ হয়েছে। ওভাবেই বই বিতরণ করা হয়েছে। আজকে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

‘এখন যে সবার সঙ্গে দেখা করতে পারলাম। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সবাই যে আসতে পেরেছেন, এ জন্য আমি আনন্দিত। বিশেষ করে ছোট ছোট শিশুদের আগমনে আমি খুব আনন্দিত।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা প্রধান শিক্ষক পদকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেয়া, সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল একধাপ উন্নীত করে দেই। বাচ্চাদের হাতে আগে পুরাতন বই বেশি দেয়া হতো। একদল পড়ে যায় সেই বই পরবর্তী বছর দেয়া হতো। আমরা এখন প্রতি বছর নতুন বই দিচ্ছি। এই যে বাচ্চারা আজ নতুন বই পেল, তোমাদের ভালো লাগছে না।’

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সবাই একসঙ্গে বলে ওঠে, জি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বইটার পাতাটা খুলতে কত ভালো লাগে। এরপর বাড়িতে গিয়ে মলাট দিতে হবে। নাম লিখতে হবে... কত কাজ, তাই না। এই কাজটুকু আমরা তোমাদের দিলাম।

‘এভাবেই ২০১০ সাল থেকে আমরা নতুন বই দিয়ে যাচ্ছি। এই করোনার ঝামেলা, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ… এখন তো সব জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। সারা বিশ্বেই কষ্ট। তার মধ্যেও কিন্তু আমরা শিশুদের কথা ভুলিনি। অন্যদিকে আমরা সাশ্রয় করছি, কিন্তু বই ছাপানোটায় আমরা বিশেষ নজর দিয়েছি। পাশাপাশি প্রযুক্তি শিক্ষা। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের ছেলেমেয়েরা কেন পিছিয়ে থাকবে?’

স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালাতে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বিদ্যালয় এবং এলাকায় আমাদের যারা সরকারি কর্মচারী আছেন অথবা অভিভাবক, স্থানীয় জনগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তাদেরও অনুরোধ করব, নিজ নিজ এলাকায়... এখন মানুষের তেমন হাহাকার নেই। কাজেই বাচ্চাদের টিফিন দিতে পারে মায়েরা।

‘স্কুলে খাবারের ব্যবস্থা তারা করতে পারে, এটা নিজেরা করলেই ভালো হয়। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে করা। এটা আমরা শুরু করেছি, তাই আমাদের ঝরে পড়ার হারও অনেক কমে গেছে। আজ ৯৮ শতাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলে যায়। সব বাবা-মার মধ্যে এই সচেতনতা এসেছে যে আমি আমার বাচ্চাকে লেখাপড়া শেখাব।’

আগামী বছর থেকে প্রাক-প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণির সংখ্যা একটি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এ বছর থেকে ৩২১৪টি স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক কার্যক্রম ২ বছর করা হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি কোনো… কোনো বইটই দেয়া হবে না। স্কুলে যাবে খেলবে, হাতের তৈরি করা জিনিস মানে লেখা বা ড্রইং করা… খেলাধুলা করা, এগুলো করেই তাদের সময় কাটবে। তাদের যে চিন্তাচেতনা, সেটা যেন বিকশিত হতে পারে, তার জন্যই এই ব্যবস্থাটা নেয়া হচ্ছে।

‘২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৪৩৪ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার ২১১ কপি বই বিনা মূল্যে দেয়া হয়েছে। এতে বাবা-মার ওপর বোঝা হচ্ছে না। খরচটা তাদের করতে হচ্ছে না। এটা সরকার করছে।’

সংসদ টিভি ব্যবহার করার পরামর্শ

সারা দেশে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে সংসদ টেলিভিশনকে ব্যবহার করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘করোনার মধ্যে সংসদ টিভির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়েছে। আবার বিটিভির মাধ্যমেও চালানো হয়েছে। তবে আমি মনে করি, সংসদ টিভিটা সব সময়ই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যবহার করতে পারে। সংসদে যখন অধিবেশন চলে তখন ছাড়া এটার কোনো কাজ থাকে না। এই সময়টায় আমার মনে হয় শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।

‘এখন তো অনলাইন সংযুক্ত করা যায়। সেটা করে ভালো ভালো স্কুলের ক্লাসগুলো সারা দেশে কিভাবে প্রচার করা যায়, সে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর জন্য একটি আলাদা টেলিভিশনেরও দাবি আছে। আমাদের টেরিস্টেরিয়াল ক্যাপাসিটি ৩টি ছিল, সেই ৩টি আমরা করে ফেলেছি। কাজেই এটাতে টেরিস্টেরিয়াল সংযোগ স্থাপন করে কিভাবে করা যায়, সে ব্যবস্থা আমরা নেব।’

এত কাজেও মন ভরে না

অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগ তুলে ধরে নিন্দুকদের সমালোচনা করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘এত কাজ করার পরও কিছু লোকের মন ভরে না। বলবে আমি নাকি কিছুই করি নাই। এই যে কিছুই করি নাই… তারা চোখ থাকতেও দেখে না। তারা দেখবেও না। তাদের মাথার ভেতরে ওই নাই শব্দটা ঢুকে গেছে। আমরা পারি, বাংলাদেশের মানুষ পারে- এটাই আমরা প্রমাণ করতে চাই।

‘নাই আবার কী? আমরা করতে পারব, করতে হবে। এবং বাংলাদেশ পারে। জাতির পিতা বলেছেন, কেউ দাবায় রাখতে পারবে না। আমাদের আর কেউ দাবায় রাখতে পারবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।'

এ সময় করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে আবার করোনা দেখা যাচ্ছে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ইতোমধ্যে আমরা সবাইকে বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিচ্ছি। শিশুদেরও যে বয়সটা নির্দিষ্ট করা আছে, আমরা সে পর্যন্ত ভ্যাকসিন দিয়ে দিচ্ছি।

‘যারা নেয়নি তাদের নিতে হবে। বুস্টার দেয়া শুরু হয়েছে, সবাই বুস্টার ডোজ নেবেন।’

আরও পড়ুন:
আর থাকবে না যানজট: প্রধানমন্ত্রী
সাত জাপানির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, স্মরণে রাখতে নানা উদ্যোগ
বই উৎসব নিশ্চিত করল সরকার
‘উইনিং কম্বিনেশন’ ভাঙতে চাননি শেখ হাসিনা
সব মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায়: বিচারকদের প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Naogaon is getting a university named after Bangabandhu

বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে নওগাঁ

বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে নওগাঁ নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা শহরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আনন্দ মিছিল বের হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জাতীয় সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ’ বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে। তাদের এই খুশির স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামে নওগাঁ জেলায় হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়’। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ বিল-২০২৩’ পাস হয়েছে।

এদিকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ’ বিল পাসের খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ। এমন বড় উপহার দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদ অধিবেশনে বিলটির উপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তবে তাদের সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

এর আগে গত ১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। পরে বিলটি পাসের সুপারিশ করে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেয় সংসদীয় কমিটি।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষত বিভিন্ন ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা ও পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে প্রার্থী হতে চাইলে ওই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

আরো বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবলি পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। তিনি নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ করবেন। নিয়োগ বাতিলের ক্ষমতাও তাঁর হাতে থাকবে।

নওগাঁয় আনন্দ মিছিল

জাতীয় সংসদে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ’ বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে নওগাঁ। এমন বড় উপহার দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে। তাদের এই খুশির স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলার নিয়ামতপুর, সাপাহার, মহাদেবপুর, বদলগাছী ও পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

পাবলিক এই বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে নওগাঁবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নওগাঁ কিংবা উত্তারাঞ্চল নয়, পুরো দেশের জন্যই শিক্ষার নতুন দার উন্মোচন করবে। সরকারি সফরে জাপানে থাকায় মোবাইল ফোনে গণমাধ্যমকে এই অভিব্যক্তি জানান তিনি।

নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার বলেন, এটি নওগাঁবাসীর জন্য আশীর্বাদ।

সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে শিক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ। আমার পিতা প্রয়াত নেতা আব্দুল জলিলেরও স্বপ্ন ছিলো এমন একটি বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠার। দীর্ঘদিন পর হলেও এমন একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Harassment of women Two Chhatra League leaders expelled from DU

নারী হেনস্তা: ঢাবি থেকে দুই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

নারী হেনস্তা: ঢাবি থেকে দুই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রাহুল আর তুষারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদেরকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে তা পত্রপ্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক নারীকে হেনস্তা এবং তার স্বামীকে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি কেন তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে দেয়া পত্রের উত্তর ৭ দিনের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সদস্য রাহুল রায় ও কবি জসিম উদ্‌দীন হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজীর আরাফাত তুষার।

তাদের মধ্যে তুষার ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী আর রাহুল ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রাহুল আর তুষারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদেরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে না মর্মে পত্রপ্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সেই নারী।

তিনি বলেন, ‘আমি আজ অনেক খুশি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ভাই আর সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

এর আগে ১৭ জানুয়ারি ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে রাহুল, তুষারসহ অজ্ঞাতনামা আরও চারজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

সে সময় ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ‘আমার স্বামীকে নিয়ে রোববার সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনের দিকে যাই। আমার স্বামী বাইক খুব ধীরগতিতে চালাচ্ছিল। তখন রাহুল এসে আমাকে হেনস্তা করে। এরপর তারা কয়েকজন আমার স্বামীর বাইক থামিয়ে তাকে মারতে থাকে।

‘আমি আমার স্বামীকে বাঁচাতে গেলে পাশে থাকা আনসারের চেয়ার নিয়ে আমাকে তিনবার আঘাত করে রাহুল। পরে আমার চেঁচামেচিতে লোকজন জড়ো হয়। এর মধ্যে আমি থানায় গেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এসে আমার স্বামীকে উদ্ধার করেন।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A lifetime in manufacturing and selling counterfeit drugs

ভেজাল ওষুধ উৎপাদন বিক্রিতে যাবজ্জীবন

ভেজাল ওষুধ উৎপাদন বিক্রিতে যাবজ্জীবন অভিযানে জব্দ হওয়া ভেজাল ওষুধ ও সামগ্রী। ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ওষুধের কৃত্রিম সংকট তৈরির পাশাপাশি নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন এবং সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড হবে।

বাজারে ওষুধের কৃত্রিম সংকট তৈরির পাশাপাশি নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সরকারপ্রধানের কার্যালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঔষধ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রস্তাবিত আইনে নতুন ক‌রে কসমেটিক বিক্রির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গত বছরের ১১ আগস্ট ঔষধ আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগের দুইটি আইন‌কে এক করে সেখানে নতুন কিছু বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত করে ঔষধ আইন করা হচ্ছে। এই আইনের খসড়ায় নতুন করে কসমেটিকের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি জানান, ওষুধের কৃত্রিম সংকট তৈরির পাশাপাশি নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন এবং সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড হবে।

সচিব জানান, আইনটি পাস হলে কসমেটিক ব্যবসা সংশ্লিষ্টদের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিবন্ধন লাগবে।

তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত আইনে অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ন্ত্রণের ধারা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাহারি এই কেকের পেছনের গল্পটি শুনুন
বিনা মূল্যে ২২ কোটি টাকার চিকিৎসা পেল রাইয়ান
ভুয়া প্রেসক্রিপশনে সরকারি ওষুধ তুলে পাচার
হাটে ছালা বিছিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি
বাসি মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রি, লাখ টাকা জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Purposeful lies about curriculum Education Minister

শিক্ষাক্রম নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচার হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাক্রম নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যাচার হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী শনিবার চাঁদপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
দীপু মনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে আমাদের পুরো পঠন ও শিখন পদ্ধতি সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। সেটির মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থে শিখছে, যেটি তারা সারা জীবন ধারণ করবে। এই ডামাডোলের মধ্যে সে বিষয়টি চাপা পড়ে যাচ্ছে।’

শিক্ষাক্রম নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যাচার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে আর কোনো ইস্যু না পেয়ে এখন একটি গোষ্ঠী এর পেছনে লেগেছে।’

শনিবার চাঁদপুর স্টেডিয়ামে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে আমাদের পুরো পঠন ও শিখন পদ্ধতি সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। সেটির মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দময় শিক্ষা পাচ্ছে, সত্যিকার অর্থে শিখছে, যেটি তারা সারা জীবন ধারণ করবে, আত্মস্থ ও প্রয়োগ করতে পারবে প্রয়োজন মতো।

এই ডামাডোলের মধ্যে সে বিষয়টি চাপা পড়ে যাচ্ছে। মূল্যায়ন পদ্ধতিতে যে গুণগত পরিবর্তন এসেছে, তারা এটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাচ্ছেন। এর অর্থ হচ্ছে সবাই একটি ভাসা ভাসা জিনিস নিয়ে কথা বলছি। একজন চিৎকার করছেন এবং অন্যজন তার সঙ্গে গলা মেলাচ্ছেন।’

আরও পড়ুন:
পাঠ্যবইয়ে তথ্যসূত্র উল্লেখ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
কোথাও বই পৌঁছাতে দেরি হলে অবশ্যই দেখব: শিক্ষামন্ত্রী
বানর থেকে মানুষের তথ্য, পাঠ্যবইয়ের কোথাও নেই: শিক্ষামন্ত্রী
পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধনে কমিটি হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে চড়াও হয়েছে দেশবিরোধীরা: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jabir is the cockroach rage in the food in the canteen

জবির হল ক্যান্টিনে খাবারে তেলাপোকা, ক্ষোভ

জবির হল ক্যান্টিনে খাবারে তেলাপোকা, ক্ষোভ শুক্রবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ ক্যান্টিনে খিচুড়িতে তেলাপোকা পাওয়া যায়। ছবি: নিউজবাংলা
আবাসিক ছাত্রীদের অভিযোগ, ডাইনিংয়ের খাবারে প্রায়ই তেলাপোকা ও মাছি পাওয়া যায়। বিষয়টি বার বার জানালেও দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা গুরুত্ব দেন না। এছাড়া খুব নিম্নমানের চাল দিয়ে ভাত রান্নাসহ বাসি ভাত পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে গ্যাস সংকটে নিজেরা রান্না করেও খেতে পারছেন না তারা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ ক্যান্টিনে খাবারের মধ্যে তেলাপোকা পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন হলের আবাসিক ছাত্রীরা।

শুক্রবার দুপুরে ক্যান্টিনে খাবার খেতে যান হলের রুহিনা রুহি নামে এক শিক্ষার্থী। এ সময় তার পাশে বসে খাবার খাওয়া অনেক শিক্ষার্থী খাবারের মধ্যে তেলাপোকা দেখতে পান। পরে খাবার নিয়ে দেখানো হলে নতুন করে খাবার দেয়া হলেও ক্যান্টিনের ম্যানেজার জাহাঙ্গীর বিষয়টিকে তেমন পাত্তা দেননি।

আবাসিক ছাত্রীদের অভিযোগ, ডাইনিংয়ের খাবারে প্রায়ই তেলাপোকা ও মাছি পাওয়া যায়। বিষয়টি বার বার জানালেও দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা গুরুত্ব দেন না। এছাড়া খুব নিম্নমানের চাল দিয়ে ভাত রান্নাসহ বাসি ভাত পরিবেশন করা হয়। অন্যদিকে গ্যাস সংকটে নিজেরা রান্না করেও খেতে পারছেন না তারা।

ছাত্রীদের হল ডাইনিংয়ে দুপুর ও রাত মিলে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীর জন্য খাবার রান্না করা হয়। শুক্রবার খাবার খেতে গিলে খিচুড়ির মধ্যে তেলাপোকা দেখতে পেয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ফেসবুকে পোস্ট দিলে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠে আসে।

সমাপ্তি নামে এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘হলে পানির সমস্যা, গ্যাস নেই, কিচেন নোংরা৷ এখন আবার তেলাপোকা ভর্তাও খেতে হচ্ছে। অভিযোগ জানিয়েও কাজ হচ্ছে না।’

এদিকে চাল বা ডালে পোকা ছিলো না দাবি করে ক্যান্টিন ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘রান্নাঘরের উপরে টিনের ছাউনি। সেখানে অনেক ময়লা থাকায় পোকামাকড় আসতে পারে। অনেকদিন ধরে ময়লা সরানো হচ্ছে না, তেলাপোকা তো আসবেই! অনেক সময় ছাত্রীরাও উপর থেকে ময়লা ফেললে ক্যান্টিনের খাবারের ঘরে এসে পড়ে। এসব থেকে তেলাপোকা আসে।’

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম বিষয়টি অবগত হয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি হলের ক্যান্টিন কমিটির সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেব। হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন হাউজ টিউটর ছুটিতে থাকায় একটু সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

গ্যাস সংকটের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা প্রধান প্রকৌশলী এবং বাপেক্সকে চিঠি দিয়েছি। উপাচার্যের সঙ্গেও বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত এটার সমাধান হবে।’

আরও পড়ুন:
জবিতে ফাঁকা ১৫৪ আসন, চলছে ‘স্পট অ্যাডমিশন’
চিঠির বাক্সে এলো অধ্যাপক মিল্টনকে হত্যার হুমকি
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা
জবিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সুযোগ
বিশ্বসেরার তালিকায় জবির ৯৫ গবেষক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mujibnagar University is located in Meherpur

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় ফাইল ছবি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে মেহেরপুর জেলা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ লক্ষ্যে একটি বিল পাস হয়েছে।

অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবঈ পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য।

আচার্য নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ দেবেন। কোনো ব্যক্তি একাদিক্রমে বা অন্য কোনোভাবে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদের বেশি নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। আচার্য যেকোনো সময় উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী, সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে নির্বাচিত হতে প্রার্থী হতে চাইলে ওই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনে আচার্যের অনুমোদন নিয়ে ‘বিজনেস ইনকিউবেটর’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। বিজনেস ইনকিউবেটর হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত কোনো বিজনেস ইনকিউবেটর, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সব সহযোগিতা দেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কর্তৃক কোনো উদ্ভাবন, মেধাস্বত্ব, আবিষ্কার বা প্রক্রিয়া, বাজারজাত এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সহযোগিতা প্রদান।

আরও পড়ুন:
সবার জন্য পেনশন, সংসদে বিল পাস
সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা
দেশে শনাক্ত এইচআইভি রোগী ৯৭০৮
পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসে ১০ বছরের কারাদণ্ড
বিদেশে বাড়ি-গাড়ির খবরের সত্যতা জানতে চান চুন্নু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Grand event at the first convocation of CUB

সিইউবির প্রথম সমাবর্তনে জমকালো আয়োজন

সিইউবির প্রথম সমাবর্তনে জমকালো আয়োজন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মঙ্গলবার কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রথম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও সমাবর্তন বক্তা নোবেল বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থীসহ অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
সমাবর্তন বক্তা শান্তিতে নোবেল জয়ী কৈলাস সত্যার্থী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনাদের স্বপ্ন দেখতে হবে, নিজেকে আবিষ্কার করতে হবে। যে কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়িত করতে হবে। হয়তো কোনো একদিন এই কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশেরই এক ছাত্র নোবেল বিজয়ী হবে। আমি সেদিন নিজে আসব বিজয় উৎসবে অংশ নিতে।’

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের (সিইউবি) প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে মঙ্গলবার। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এবং শিশু অধিকার কর্মী কৈলাস সত্যার্থী।

রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বলেন, ‘এটিই হয়তো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আমার শেষ উপস্থিতি। দেশজ নাম ও ব্র্যান্ডকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এবং গর্বের সঙ্গে নিজেদের পণ্যকে ধারণ করতে হবে।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বহু বছর সাফল্যের সঙ্গে কানাডায় নিজের ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। এখন তিনি দেশে ফিরে বিভিন্ন খাতে বিপুল বিনিয়োগ করছেন। আমি প্রবাসী সব ব্যবসায়ীকে আহবান জানাই দেশে বিনিয়োগ করার জন্য।’

সিইউবির প্রথম সমাবর্তনে জমকালো আয়োজন
সিইউবির সমাবর্তনে বক্তব্য দেন সমাবর্তন বক্তা শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এবং শিশু অধিকার কর্মী কৈলাস সত্যার্থী। ছবি: নিউজবাংলা/পিয়াস বিশ্বাস

সমাবর্তন বক্তা নোবেল বিজয়ী কৈলাস সত্যার্থী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে বলেন, ‘আপনাদের স্বপ্ন দেখতে হবে, নিজেকে আবিষ্কার করতে হবে। যে কোনো ভালো কাজের উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়িত করতে হবে। হয়তো কোনো একদিন এই কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশেরই এক ছাত্র নোবেল বিজয়ী হবে। আমি সেদিন নিজে আসব বিজয় উৎসবে অংশ নিতে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট-২০১০, জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০১০, উচ্চ শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনসহ নানা শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষার হার প্রশংসনীয়ভাবে বেড়েছে। আমরা এখন দক্ষ জনবল সরবরাহ করি। যারা এখন সারাবিশ্বেই তাদের কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়ে বিশ্বের বুকে স্থান করে নিচ্ছে।’

সিইউবির প্রথম সমাবর্তনে জমকালো আয়োজন
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা/পিয়াস বিশ্বাস

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ‘গেস্ট অফ অনার’ হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত তার বক্তব্যে বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে রয়েছে আধুনিক সময়োপযোগী বিভিন্ন বিভাগ। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ। ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। এছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।’

মালয়েশিয়ার বিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য যোসেফ আদাইকালাম, অ্যারো বিজনেস এবং জিই গ্যাস পাওয়ারের সিইও দিপেশ নন্দ বিশেষ বক্তা হিসেবে যোগ দেন সমাবর্তনে।

সিইউবির প্রথম সমাবর্তনে জমকালো আয়োজন
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সিইউবির গ্র্যাজুয়েটদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা

সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৪৩০ জন গ্রাজুয়েট রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ডিগ্রি গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে চারজন- সামিয়া বিনতে নাঈম, সুমাইয়া সুলতানা, ফারজানা বিন্ত মোহাম্মদ ও মো. সাখাওয়াত হোসেন স্বর্ণপদক পান।

আরও পড়ুন:
বিজয় দিবস উপলক্ষে সিউবির স্পট অ্যাডমিশন কার্নিভ্যাল শুরু
সিইউবিতে মানবাধিকার দিবস উদযাপন
সিইউবিতে পেশাজীবীদের জন্য ৬০% ছাড়ে ই-এমবিএ
সিইউবিতে শিপিং অ্যান্ড মেরিটাইম সায়েন্সে পড়ার সুযোগ
সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের

মন্তব্য

p
উপরে