× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Video of tax official taking bribe leaked
google_news print-icon

কর কর্মকর্তার ‘ঘুষ নেয়ার’ ভিডিও ফাঁস

কর-কর্মকর্তার-ঘুষ-নেয়ার-ভিডিও-ফাঁস
১০ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ফাঁস হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই রাজস্ব কর্মকর্তা এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষি করছেন। এমনকি চাহিদামতো প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাসোহারার টাকাও চাইছেন।

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ মাদারীপুর সার্কেল অফিসের দুই রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দুই কর্মকর্তার ঘুষ নেয়ার দৃশ্য উঠে এসেছে। ১০ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ফাঁস হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই রাজস্ব কর্মকর্তা এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষি করছেন। এমনকি চাহিদামতো প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাসোহারার টাকাও চাইছেন।

তবে ভিডিও তাদের না এবং বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজস্ব কর্মকর্তা মো. ইমরান কবীর (সার্কেল-১) ও রফিকুল ইসলাম (সার্কেল-২)।

‘মাদারীপুর সমাচার নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রচার হওয়া ভিডিওর শুরুতে এক ব্যবসায়ীকে কর কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এইডা কী আনছেন? পরে ৫০০ টাকার কয়েকটি নোট হাতে গুনে পকেটে ভরেন রফিকুল। এরপর রাজস্ব কর্মকর্তা রফিকুল ওই ব্যবসায়ীকে বলেন, কী যে করেন আপনারা? মানে.. মাদারীপুরের লোক এত ধনী, দেশের মধ্যে তৃতীয় ধনী জেলা। আপনারা কেন এমন করেন?’

একপর্যায় ব্যবসায়ীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যা দিছেন আমি এটা নিতে পারব না। এটা ইমরান সাহেবকে কী দেব? আমি কিভাবে বুঝাব? স্যার তো বকবে! আমি এটা নিতে পারব না। এই তিন হাজার আমি নিতে পারব না। বাকিটা কখন দেবেন? আপনারা স্যারকে বলে যান, দেখা করে যান। কারণ তিনি (ইমরান কবীর) আপনার অরজিনাল স্যার। সেই আপনাকে বাঁচাতে পারবে, মারতে পারবে, বুঝছেন?

কর কর্মকর্তার ‘ঘুষ নেয়ার’ ভিডিও ফাঁস
কর কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম

শেষ কথায় রফিকুল ইসলাম ওই ব্যবসায়ীকে বলেন, ‘প্রতি মাসে অফিস খরচ এক হাজার টাকা দিয়ে যাবেন। এটা যেন আর না বলা লাগে। কথা যেন নড়চড় না হয়। মাসের ১০ তারিখের মধ্যে টাকা আমার কাছে দিয়ে যাবেন।’

ভিডিওটির ৮ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড পর দেখা যায়, রাজস্ব কর্মকর্তা (সার্কেল-১) মো. ইমরান কবীরকে। তিনি ওই ব্যবসায়ীকে বলেন, ‘আপনার দোকানের আশপাশে যারা দিচ্ছে ওয়েল অ্যান্ড গুড। আর যারা দিচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। আপনার নম্বর দিয়ে যান। পরে ওই ব্যবসায়ী এক হাজার টাকা ইমরান কবীরের টেবিলে রাখলে তিনি টাকা গ্রহণ করেন।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভিডিওতে থাকা ওই ব্যবসায়ীর নাম অমিত হাসান। তিনি মাদারীপুর পুরান বাজারের পোশাক ব্যবসায়ী।

জানতে চাইলে ওই ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমার ছোট পোশাকের দোকান। প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভ্যাট দিতে বলেন স্যারেরা। পরে অফিসে গেলে তারা এক হাজার টাকা করে ভ্যাট দেয়ার ব্যবস্থা করে দেন। কিন্তু শর্ত হলো, প্রতি মাসে অফিসে তিন হাজার টাকা দিতে হবে।’

কর কর্মকর্তার ‘ঘুষ নেয়ার’ ভিডিও ফাঁস
কর্মকর্তা মো. ইমরান কবীর

ভিডিও সম্পর্কে রাজস্ব কর্মকর্তা (সার্কেল-১) মো. ইমরান কবীর বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের না, এটি সাজানো। এ বিষয় আমার আর কোনো মন্তব্য নেই।’

রাজস্ব কর্মকর্তা (সার্কেল-২) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওই ব্যবসায়ী আমার কাছে আসার পর তাকে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে বলেছিলাম, তার কাছে কোনো অনৈতিক দাবি করা হয়নি। ঘুষ দাবির ভিডিওতে কথোপকথনগুলো ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ।’

জানতে চাইলে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাটের মাদারীপুর সার্কেলের বিভাগীয় কর্মকর্তা ও ডেপুটি কমিশনার মো. এনামুল বলেন, ‘আপনারা তো এসেছিলেন। নিউজ করে দেন, অসুবিধা নেই।’

ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক রহিমা খাতুন বলেন, ‘দুই রাজস্ব কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমি দেখেছি। পুরো ঘটনা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ঘুষের ভিডিও ভাইরাল: পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ভিডিও হচ্ছে দেখে ঘুষের টাকা ছুড়ে ফেললেন তিনি
মহাসড়কে গাড়ি আটকে ঘুষ গ্রহণ, কাস্টমস কর্মকর্তার জেল
চুক্তিনামায় সই করে সভাপতির ‘টাকা গ্রহণ’, নিয়োগ স্থগিত
‘ঘুষের’ ২০ লাখ টাকাসহ সার্ভেয়ার আটক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Case of MP Anars daughter in Sherebangla Nagar police station

শেরেবাংলা নগর থানায় এমপি আনারের মেয়ের মামলা

শেরেবাংলা নগর থানায় এমপি আনারের মেয়ের মামলা শেরেবাংলা নগর থানায় বাবা আনোয়ারুল আজীম আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় নিজে বাদী হয়ে মামলা করেন মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। ছবি: সংগৃহীত
সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন এমপি আনার। সেখান থেকে তিনি ভারতে যান। তাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান হারুন-অর-রশিদের পরামর্শে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন আনারকন্যা ডরিন।

ভারতের কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি করা হয়।

সন্ধ্যায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মো. আহাদ আলী।

ওসি বলেন, ‘অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এখন তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচএম আজিমুল হকও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন এমপি আনার। সেখান থেকে তিনি ভারতে যান। তাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান হারুন-অর-রশিদের পরামর্শে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন আনারকন্যা ডরিন।

এর আগে, বুধবার কলকাতার গণমাধ্যম সূত্রে প্রথম জানা যায়, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম হত্যার শিকার হয়েছেন। এরপর এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

তিনি বলেন, ‘ভারতে গিয়ে নিখোঁজ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছি। তবে, ইন্ডিয়ান বা কলকাতা পুলিশ আমাদের এখনও কিছু নিশ্চিত করেনি। তিনি জীবিত নাকি মৃত- তা এখনো অফিশিয়ালি নিশ্চিত নই। আমরা যৌথভাবে কাজ করছি।’

প্রসঙ্গত, গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ভারতের পশ্চিবঙ্গে যান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলকাতায় তার পারিবারিক বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করতে যান। পরের দিন, ১৩ মে ডাক্তার দেখাতে হবে জানিয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন আনার, সন্ধ্যায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি। পরে বিধান পার্কের কাছে কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন তিনি।

সন্ধ্যায় আজিম তার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি যাচ্ছেন এবং সেখানে পৌঁছে তাকে ফোন করবেন। পরে তার সঙ্গে ভিআইপিরা আছেন জানিয়ে বন্ধু গোপালকে ফোন না দেয়ার জন্য সতর্ক করেছিলেন।

দুদিন পর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তায় এমপি আনার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন এবং ভিআইপিদের সঙ্গে আছেন। তাকে ফোন করার দরকার নেই। একই বার্তা পাঠান বাংলাদেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী রউফের কাছেও।

১৭ মে আনারের পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গোপালকে ফোন করেন। ওই সময় তারা গোপালকে জানান, তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওইদিনই ঢাকায় থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে এমপি আনারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

এরপর বুধবার ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর হয়, কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জিভা গার্ডেন্সের একটি ফ্লাটে এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছে।

এনডিটিভি বলেছে, ১২ মে কলকাতায় আসার পর নিখোঁজ হওয়া এমপি আনারের খোঁজে তল্লাশি শুরুর পর বুধবার সকালে তাকে হত্যার ব্যাপারে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়ে বলা হয়, সেখানে মরদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়া গেছে।

পরে এনডিটিভির ওই প্রতিবেদন থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের তথ্য সরিয়ে ফেলা হয়।

এদিকে, কলকাতা পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া একজন ক্যাবচালক জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হওয়া ঝিনাইদহের এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছে এবং মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ডিত করে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

পরে বিবিসি বাংলাও ক্যাবচালকের স্বীকারোক্তির তথ্য তাদের প্রতিবেদন থেকে সরিয়ে ফেলে।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, যে ফ্ল্যাটে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সেটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। সেখানে কাউকে এখন ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

পুলিশের সূত্র বলেছে, সিসিটিভি ফুটেজে ওই ফ্ল্যাটে তিনজনকে ঢুকতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একজন নারী। তবে ওই তিনজনকে সেখান থেকে বের হতে আর দেখা যায়নি।

এর আগে, ২০ মে এমপি আনারের খোঁজ করতে গিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে। তারা জানতে পারে, কলকাতায় বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার মোবাইলের লোকেশন একবার পাওয়া গিয়েছিল সেখানকার নিউমার্কেট এলাকায়। এরপর ১৭ মে তার ফোন কিছুক্ষণের জন্য সচল ছিল বিহারে।

আরও পড়ুন:
এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের
এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান
এমপি আনারের হত্যাকাণ্ড দুই রাষ্ট্রের বিষয় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা
কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MP Anar was killed by Bangladeshi criminals DMP DB chief

এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান

এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান বুধবার দুপুরে মিণ্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘তদন্তকারী কর্মকর্তারা কাজ করছেন। নিবিড়ভাবে ভারতীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কয়েকজন আমাদের কাছে আছে। তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে আমরা সবকিছু বলতে পারছি না।’

‘একজন সংসদ সদস্যকে বাংলাদেশি অপরাধীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি যারা আছে তাদের প্রত্যেককে আমরা আইনের আওতায় আনব। বিচারের মুখোমুখি করব। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।’

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতের কলকাতায় নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিণ্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে ডিএমপি ডিবির প্রধান।

তিনি বলেন, ‘এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার কারণ জানতে নিবিড়ভাবে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে থানায় মামলা করবেন। আমাদের কর্মকর্তারা তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন।’

হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘নিহত এমপির মেয়ে ডরিন আমাদের কাছে এসেছেন। তার বাবা বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন, এরপর আর পাওয়া যায়নি। সেখানে কী ঘটেছে সেটা শুনেছেন। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করার জন্য এসেছেন ডরিন।

‘মামলা কীভাবে, কোথায় করবেন...। তার বাবা সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন। সেখান থেকে তিনি ভারতে গেছেন। আমরা তাকে বলেছি শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা করতে। মামলা করতে আমাদের কর্মকর্তারা তাকে সহযোগিতা করছেন। মামলাটি আজকের মধ্যেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আনোয়ারুল আজীম আনার ঝিনাইদহ-কালিগঞ্জ এলাকার জনপ্রিয় এমপি ছিলেন। তিনি তিনবারের সংসদ সদস্য। তার এলাকার সাধারণ মানুষ এ ঘটনায় স্তম্ভিত।

‘আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এটি নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড- এটা মনে করেই তদন্তকারী কর্মকর্তারা কাজ করছেন। নিবিড়ভাবে ভারতীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কয়েকজন আমাদের কাছে আছে। তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে আমরা সবকিছু বলতে পারছি না।’

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।’

হত্যার কারণ জানা গেছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কারণটা জানতে আমাদের তদন্ত চলছে। এটা পারিবারিক নাকি আর্থিক, নাকি এলাকায় কোনো দুর্বৃত্ত দমন করার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে- সবকিছু আমরা তদন্তে আনব।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনারের হত্যাকাণ্ড দুই রাষ্ট্রের বিষয় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা
কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতে গিয়ে নিখোঁজ এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধার
ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এমপি আনোয়ারুল আজীম ‘নিখোঁজ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 dead bodies found in Mymensingh have been identified

ময়মনসিংহে উদ্ধার হওয়া ৩ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

ময়মনসিংহে উদ্ধার হওয়া ৩ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ত্রিশালের কাকচর এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ জানায়, ঋণের কিস্তি দেয়া নিয়ে ওই দম্পতির ঝগড়ার পর রাতে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে হত্যা করেন আলী হোসেন। পরে পাশের নির্জন স্থানে মরদেহগুলো মাটিচাপা দিয়ে রাখেন তিনি।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে উদ্ধার হওয়া তিন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন ২৫ বছর বয়সী আমেনা খাতুন এবং তার দুই ছেলে চার বছরের আবু বক্কর সিদ্দিক ও দুই বছরের আনাস।

নিহতরা উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নয়াপাড়া গ্রামের আলী হোসেনের স্ত্রী ও সন্তান।

পুলিশ জানায়, অভাব-অনটনের সংসার ছিল নিহত আমেনা ও আলী হোসেনের। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সংসারে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকত। বিভিন্ন ব্যক্তি ও এনজিওর কাছ থেকে ঋণ নিয়ে দেনাগ্রস্ত ছিলেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাতে ঋণের কিস্তি দেয়া নিয়ে ওই দম্পতির ঝগড়া হয়। এরপর রাতের কোনো এক সময় স্ত্রী ও দুই ছেলেকে হত্যা করেন আলী হোসেন। পরে রাতেই পাশের এক নির্জন স্থানে মরদেহগুলো মাটিচাপা দিয়ে রাখেন তিনি।

ঘটনার ছয়দিন পর শেয়াল গর্ত থেকে একটি শিশুর মরদেহ টেনে বের করে আনলে বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। তারা থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মা ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত আমেনার মা হামিদা খাতুন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে আলী হোসেন পলাতক।

‘ঘাতক আলী হোসেন একটি হত্যা মামলার আসামি। ২০১২ সালে একটি হত্যা মামলায় সাত বছর জেল খাটেন তিনি।’

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে গর্ত খুঁড়ে দুই শিশুসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Detention on illegal entry from India 8

ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় আটক ৮

ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় আটক ৮ বেনাপোল পোর্ট থানার রঘুনাথপুর সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্ট ছাড়া প্রবেশকালে আটক ৮ জন। ছবি: নিউজবাংলা
রঘুনাথপুর বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার অহিদুজ্জামান জানান, রঘুনাথপুর ক্যাম্পের একটি টহল দল ১ নং ঘিবা মাঠ নামক স্থান থেকে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশ আসার সময় আটজনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে তিনজন নারী, ছয়জন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে।

যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার রঘুনাথপুর সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার সময় আটজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। বুধবার ভোরে ১ নং ঘিবা মাঠ থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

রঘুনাথপুর ক্যাম্পের হাবিলদার অহিদুজ্জামান জানান, যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধীনস্ত রঘুনাথপুর ক্যাম্পের একটি টহল দল ১ নং ঘিবা মাঠ নামক স্থান থেকে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশ আসার সময় আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন নারী, ছয়জন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে সোবহান খান, তার স্ত্রী শেলি খাতুন ও আট বছরের সন্তান সাইফুল খানের বাড়ি খুলনার তেরখাদা থানার পানতিতা গ্রামে। এছাড়া মিঠুন শেখ, তার স্ত্রী আসমা খাতুন, তাদের সন্তান আরিফ ও মুন্নার বাড়ি নড়াইলের কালিয়া থানার আমবাড়ি গ্রামে। অপরজন মোছা. রেহানা যশোরের মনিরামপুর থানার সাতামতপুর গ্রামের মকবুল মোড়লের মেয়ে।

আটক আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayor of GD Kulaura accused of death threats on Facebook Live

ফেসবুক লাইভে হত্যার হুমকির অভিযোগে জিডি কুলাউড়ার মেয়রের

ফেসবুক লাইভে হত্যার হুমকির অভিযোগে জিডি কুলাউড়ার মেয়রের মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ। ছবি: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। হত্যার হুমকিদাতা সুন্দরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে হত্যার হুমকির অভিযোগে রোববার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র।

জিডিতে মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন সুন্দর আলী (৪০) নামের এক যুবক।

মেয়রের জিডির বিষয়টি বুধবার জানাজানি হয়।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে সন্ধ্যা সাতটা ও ১৫ মে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে কুলাউড়া উপজেলার মনসুর গ্রামের সুন্দর আলী ফেসবুকে লাইভে এসে মেয়র সিপার উদ্দিনকে অকথ্য ভাষায় গালাগালির পাশাপাশি হত্যার হুমকি দেন। কয়েক মাস আগেও এভাবে মেয়রকে হত্যার হুমকি দেন সুন্দর আলী। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থানায় জিডি করেন মেয়র।

জিডিতে মেয়র আরও উল্লেখ করেন, সুন্দর আলী বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তার নামে কুলাউড়া ও মৌলভীবাজার সদর থানায় ১৫টি মামলা চলমান।

এ বিষয়ে মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। হত্যার হুমকিদাতা সুন্দরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

কুলাউড়া থানার ওসি আলী মাহমুদ বলেন, ‘সুন্দর আলীর বিরুদ্ধে কয়েক মাস আগে থানায় একটি গণধর্ষণের মামলা হয়। এরপর থেকে সে আত্মগোপনে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মেয়রের জিডি পেয়েছি। সুন্দর আলীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এদিকে সুন্দর আলী পলাতক থাকায় তার কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
চা বাগানে শ্রমিকের ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ
লাউয়াছড়ায় গাড়িচাপায় প্রাণ গেল ১২ ফুট অজগরের
‘পান্থকুঞ্জ জুলাইয়ের আগেই হবে নান্দনিক উদ্যান’
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
বাঙালি জাতি আলোর দিশারি: মেয়র তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Anars daughter wants the Prime Ministers help in the trial of her fathers murder

বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা

বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এমপি আনারের মেয়ে ডরিন। ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিকদের উদ্দেশে আনারকন্যা ডরিন বলেন, ‘আমি আমার বাবা হত্যার বিচার চাই। আশা করি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাকে সাহায্য করবেন।’

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের খুনের ঘটনার বিচার চেয়েছেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে বুধবার সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

এর আগে গত রোববার আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

বাবা হত্যার খবর পেয়ে আজ রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে যান তার মেয়ে ডরিন।

সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাবা হত্যার বিচার চাই। আশা করি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাকে সাহায্য করবেন।’

এমপি আনার হত্যায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটকের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, এ হত্যার কারণ খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বাবা নিহতের ঘটনায় স্থানীয় কাউকে সন্দেহ করছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আনারকন্যা বলেন, ‘না, আমি এখনও এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না। আমি এতিম হয়ে গেছি। আপনারা সারা বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টি করে দিন। আমি শুধু আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।

‘আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন। আমি (ডিএমপি ডিবির প্রধান) হারুন (হারুন অর রশিদ) স্যারকে বলেছি, আমিও তো আইন নিয়ে পড়ি। আমি শুধু দেখতে চাই আমার বাবার হত্যাকারীদের শাস্তি হয়েছে। ১৪ বছর আমার বাবা নানা মিথ্যা মামালায় হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজ চোখে দেখতে চাই কারা আমাকে এতিম করল।’

আরও পড়ুন:
ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন সাবেক এমপি বদি, অভিযোগ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর
রাজধানীতে রাত ১১টার পর চা-বিড়ির দোকান বন্ধের নির্দেশ
ব্যারিস্টার সুমনের চেষ্টায় কমল লোডশেডিং
জব্বারের বলী খেলা বৃহস্পতিবার, তৎপর সিএমপি
ফিলিপাইনের আনারস চাষ কুমিল্লায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Planned murder of MP Anar at Kolkata residence Home Minister

কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি
কলকাতার বাসায় আনারকে হত্যার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে যা ইনফরমেশন, আমরা আরও ইনফরমেশন যখন পাব, তখন আপনাদেরকে আরও তথ্য জানাতে পারব। তো আমরা এইটুকুই এখন জানাতে পারছি, আপনাকে জানাতে চাচ্ছি, সেটা হলো তিনি খুন হয়েছেন। কলকাতার এক বাসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।’

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার একটি বাসায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি গত রোববার সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

তিনি ওই দিন বলেন, ‘সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার চিকিৎসার জন্য ১১ মে ভারতে যান। এরপর দুই দিন পরিবার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ১৪ মে থেকে তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে আমাদের।’

কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে আজ সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ঝিনাইদহের এক মাননীয় সংসদ সদস্য ১২ মে চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতে গিয়েছিলেন। ভারতে যাওয়ার পরে আমরা দুই দিন পরে তার আর কোনো খোঁজখবর পাইনি। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে তার মেয়ে আমাদেরকে খোঁজখবর জানালে আমাদের পুলিশ এ ঘটনাটি (নিয়ে) ইন্ডিয়ান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।

‘আমরা আজকে সুনিশ্চিত হয়েছি সকালবেলায়, ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছেন যে, তিনি খুন হয়েছেন। তো আমরা ইতোমধ্যেই তাদের যে তথ্য ভারতীয় পুলিশ আমাদেরকে দিয়েছিলেন, সেই তথ্য অনুযায়ী আমাদের পুলিশ, বাংলাদেশের পুলিশ, এদের তথ্য অনুযায়ী, যারা খুন করেছেন বা খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, আমরা যা সন্দেহ করছি এবং তাদের থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছিলাম, সে তথ্য অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে তিনজন অপরাধীকে আমাদের পুলিশ ধরেছেন এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, তদন্ত চলছে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ওই এলাকাটা একটা সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকা, ওই ঝিনাইদহের এলাকাটা; ওই সীমান্ত এলাকা। আমাদের আনার সাহেব সেখানের মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে এবারও নির্বাচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য তিনি যাওয়ার পরে এ ঘটনাটি ঘটে।

‘আমাদের পুলিশ এটা নিয়ে তদন্ত করছেন। আমরা শিঘ্রই খুনের মোটিভটা কী ছিল, আমরা আপনাদেরকে জানাতে পারব এবং ভারতীয় পুলিশ আমাদেরকে সর্ব ধরনের সহযোগিতা করছে।’

কলকাতার বাসায় আনারকে হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে যা ইনফরমেশন, আমরা আরও ইনফরমেশন যখন পাব, তখন আপনাদেরকে আরও তথ্য জানাতে পারব। তো আমরা এইটুকুই এখন জানাতে পারছি, আপনাকে জানাতে চাচ্ছি, সেটা হলো তিনি খুন হয়েছেন। কলকাতার এক বাসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে গিয়ে নিখোঁজ এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধার
জেনারেল আজিজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এমপি আনোয়ারুল আজীম ‘নিখোঁজ’
বনানীর আগে বাসে যাত্রী তুললেই মামলা: ডিএমপি কমিশনার
প্রকাশ্যে ভোট, বরিশালের এমপি হাফিজ মল্লিককে ইসিতে তলব

মন্তব্য

p
উপরে