× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Prime Ministers time is up so rush to inaugurate metro rail Dudu
google_news print-icon

প্রধানমন্ত্রীর সময় শেষ, তাই তাড়াহুড়া করে মেট্রোরেল উদ্বোধন: দুদু

প্রধানমন্ত্রীর-সময়-শেষ-তাই-তাড়াহুড়া-করে-মেট্রোরেল-উদ্বোধন-দুদু
জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি: নিউজবাংলা
‘প্রধানমন্ত্রী আপনি বুঝতে পেরেছেন আর সময় বেশি নাই আপনাকে চলে যেতে হবে। ক্ষমতা থেকে চলে যেতে হবে। আজ আপনি মেট্রোরেল উদ্বোধন করছেন। যে মেট্রোরেলের রাস্তা হচ্ছে ৫১ কিলোমিটার। ৫১কিলোমিটার এর কাজ শেষ করার পরে আপনি উদ্বোধন করবেন এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ১০ থেকে ১১ কিলোমিটার হওয়ার পরে আপনি উদ্বোধন করছেন। তাহলে কি আমরা বুঝে নেব ৫১ কিলোমিটার এর কাজ শেষ করার সময় আপনার নাই? এইজন্য কি তাড়াহুড়া করে মেট্রোরেল উদ্বোধন করছেন?’

মেট্রোরেলের রুটের অর্ধেক ঘটা করে উদ্বোধন করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সময় শেষ হয়ে এসেছে। তাই তিনি অর্ধেক রুটেই যাত্রী পারাপার উদ্বোধন করেছেন।

বুধবার সরকার প্রধান উত্তরারা দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত দেশের প্রথম মেট্রোরেল উদ্বোধনের দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। এ সময় তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকায় মোট ছয়টি রুটে মেট্রোরেল চায় সরকার। এর মধ্যে প্রথমটি হলো দিয়াবাড়ী থেকে কমলাপুর। পুরো রুট চালু হবে ২০২৫ সালে। তবে মতিঝিল পর্যন্ত ভায়াডাক্ট হয়ে গেছে। আগারগাঁ থেকে বাকি অংশের বাকি কাজ চলছে এখন। মতিঝিল পর্যন্ত লাইনে ট্রেন চলবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।
উত্তরা থেকে মতিঝিলের দূরত্ব প্রায় ২১ কিলোমিটার। তবে দুদু একে ৫১ কিলোমিটার উল্লেখ করেই রাখেন বক্তব্য।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি বুঝতে পেরেছেন আর সময় বেশি নাই আপনাকে চলে যেতে হবে। ক্ষমতা থেকে চলে যেতে হবে। আজ আপনি মেট্রোরেল উদ্বোধন করছেন। যে মেট্রোরেলের রাস্তা হচ্ছে ৫১ কিলোমিটার। ৫১কিলোমিটার এর কাজ শেষ করার পরে আপনি উদ্বোধন করবেন এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ১০ থেকে ১১ কিলোমিটার হওয়ার পরে আপনি উদ্বোধন করছেন। তাহলে কি আমরা বুঝে নেব ৫১ কিলোমিটার এর কাজ শেষ করার সময় আপনার নাই? এইজন্য কি তাড়াহুড়া করে মেট্রোরেল উদ্বোধন করছেন?’

২০২৩ সালেই সরকারের পতনের ভবিষ্যদ্বাণী করেন বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, ‘আর ৩-৪ দিন পরে নতুন বছর আসছে। আমি নিশ্চিত নতুন বছর হবে নতুন সরকারের বিজয় বার্তা। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি নাই এই অবধারিত বিজয়কে কেউ বাধা দেয়।’

দেশে গণতন্ত্র নেই দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘যত অন্যায়কারী জুলুমবাজ গত দুই শ বছরে বাঙালিদের উত্ত্যক্ত করেছে, তারা ক্ষমতায় থাকতে পারে নাই। এখনও সময় আছে গণতন্ত্র ফেরত দেন, পদত্যাগ করুন। তা না হলে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আপনাকে বিদায় করা হবে।’

দুদু বলেন, ‘এই সরকারের ভাত দেয়ার ক্ষমতা নাই, চাকরি দেয়ার ক্ষমতা নাই, কিল দেয়ার গোসাই। এই সরকারের লোকজন সব ব্যাংক থেকে টাকা লুটপাট করে ব্যাংকগুলোকে ফোকলা বানিয়ে দিয়েছে।

‘বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ এ সরকারের বিপক্ষে। আমেরিকা ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের বিপক্ষে। কোন দেশের রাষ্ট্রদূত কারও বাড়িতে গেলে অপমান অপদস্থ হতে হয়। এ কেমন দেশে বাস করছি আমরা!’

বিএনপির ১০ দফা নিয়ে তিনি বলেন, ‘সেই দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ টি পয়েন্টের কথা বলেছি সেগুলো বাস্তবায়ন করব। আমরা ২৪ তারিখে প্রোগ্রাম করতে চেয়েছিলাম আপনাদের অনুরোধে ৩০ তারিখ করছি। এরই মধ্যে আপনারা নেতা-কর্মীদেরকে গ্রেপ্তার শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে একজন শহীদ হয়েছে। এইভাবে আপনি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। এটা মুক্তিযুদ্ধের জাতি।’

দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন নামে একটি সংগঠন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে আয়োজন সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Awami Leagues diamond jubilee today

আওয়ামী লীগের হীরক জয়ন্তী আজ

আওয়ামী লীগের হীরক জয়ন্তী আজ বাঙালি জাতি গঠনের প্রতিটি সোপান আর স্বাধীকার আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে আওয়ামী লীগ। ছবি: ফোকাস বাংলা
নানা বর্ণিল উৎসব এবং আনন্দ আয়োজনে ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা হীরক জয়ন্তী পালন করবে দলটি।

দেশের সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ রোববার। ১৯৪৯ সালের এই দিনে পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে (হুমায়ুন সাহেবের বাড়ি) এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জন্ম নেয় ক্ষমতাসীন দলটি। এরপর জাতি গঠনের প্রতিটি সোপান আর স্বাধীকার আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে আওয়ামী লীগ।

দলটির নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। নানা বর্ণিল উৎসব এবং আনন্দ আয়োজনে ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা হীরক জয়ন্তী পালন করবে দলটি।

‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’নামে আত্মপ্রকাশ করলেও সময়ের প্রয়োজনে ১৯৫৫ সালে দলটির পুনর্নামকরণ হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৬৬ এর ছয়দফা-৬৯ এর গণআন্দোলনসহ দীর্ঘ সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালি লাভ করে স্বাধীনতা। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হবে।

১৯৪৭ সালে সম্পূর্ণ পৃথক দুটি ভূখণ্ড, স্বতন্ত্র ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪ মাস ২০ দিনের মধ্যে তখনকার তরুণ যুবনেতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি গঠন করেন সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠন পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় পরের বছর ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার স্বামীবাগে কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, টাঙ্গাইলের শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমানকে (কারাবন্দি ছিলেন) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয় আওয়ামী (মুসলীম) লীগের প্রথম কমিটি।

আওয়ামী লীগের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে বাংলার জনগণকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে স্বাধিকার আদায়ের জন্য ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করেন। সেই ৬ দফা আন্দোলনের পথ বেয়েই ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচনে বাঙালির নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ ও ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সফল নায়ক ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

৭৫ বছরের পথ পরিক্রমায় দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন রাজনৈতিক দলটিকে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরুতে হয়েছে। ১৯৭৫ সালের আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর অনেকটা অস্তিত্ব সংকটেই পড়ে আওয়ামী লীগ। দলের ভেতরেও শুরু হয় ভাঙন। এর মধ্যে আব্দুল মালেক উকিল-জোহরা তাজউদ্দিনের দৃঢ়তায় সংকট কাটিয়ে উঠতে শুরু করে দলটি। ১৯৮১ সালে দলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দেশে ফিরতে সক্ষম হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর এক দশক ধরে সারা দেশ ঘুরে দলকে সংগঠিত করেন তিনি। স্বৈরাচারবিরোধী তীব্র গণআন্দোলনও হয় তার নেতৃত্বে।

১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বেই ২১ বছর পর সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আবার সরকার গঠন করে দলটি। সেই ধারাবাহিকতায় টানা তিনবার সরকার পরিচালনা করছে দলটি। আওয়ামী লীগ এর আগে ১৯৫৪ সালে (যুক্তফ্রন্ট), ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার হিসেবে ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে।

সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৪তম বর্ষপূর্তি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপনের জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্যোদয়ের ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। এছাড়া দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যাতে সভাপতিত্ব করবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করার আহবান জানিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP prays for Khaleda Zias well being on Sunday across the country

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রোববার সারা দেশে বিএনপির দোয়া মাহফিল

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রোববার সারা দেশে বিএনপির দোয়া মাহফিল রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আপনারা জানেন, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা সবাই এখন খুবই দুঃখিত। আমরা সবসময় তার সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে রোববার ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আপনারা জানেন, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা সবাই এখন খুবই দুঃখিত। আমরা সবসময় তার সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি।

‘খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মহানগর ও জেলা বিএনপি দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে।’

রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘কর্মসূচিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেবেন।

এসময় সাংবাকিদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি সরকার অমানবিক আচরণ করছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না দিয়ে বর্তমান সরকার বিএনপি প্রধানের মানবাধিকার হরণ করছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে যদি আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে- এমন একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার থাকত, তাহলে এমনটি হতো না।’

খালেদা জিয়া শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানে নিজ বাসভবন ফিরোজায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে দ্রুত সিসিইউতে ভর্তি করে মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন, দোয়া চেয়েছেন ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fakhrul sought prayers for Khaleda Zias condition

খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন, দোয়া চেয়েছেন ফখরুল

খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন, দোয়া চেয়েছেন ফখরুল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি
শুক্রবার ভোরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। খালেদা জিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক বিবেচনায় নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া সিসিইউতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীকে দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য দেন।

এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার অবস্থা নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। খবর ইউএনবি

এদিন ভোরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন। খালেদা জিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক বিবেচনায় নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া সিসিইউতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফখরুল বলেন, ‘আমি দুপুর দেড়টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাই ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) দেখতে। তিনি সিসিইউতে আছেন। তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং চিকিৎসকরা তার কক্ষে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা জানতে আমি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।’

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা সন্ধ্যায় আরেকটি বৈঠক করবেন বলে জানান তিনি।

এসময় জনগণের কাছে দোয়া চেয়ে ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডামের দ্রুত আরোগ্যের জন্য সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি। আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করুন।’

শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানে নিজ বাসভবন ফিরোজায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিএনপি চেয়ারপারসনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তাকে দ্রুত সিসিইউতে ভর্তি করে মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।

এর আগে, গত ১ মে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া। ওই সময় চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে দুই দিন চিকিৎসা দেন।

৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে বারবার হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন।

গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেট ও বুকে পানি জমে যাওয়া ও লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস পদ্ধতি) নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People are returning to Dhaka after the holiday the pressure of passengers at Sadarghat

ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সদরঘাটে যাত্রীর চাপ

ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সদরঘাটে যাত্রীর চাপ ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ। ছবিটি শনিবার বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
আরও দুই-একদিন যাত্রীর চাপ থাকবে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ কাটিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন শেষে ঢাকায় ফিরছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। রোববার থেকে অনেকেরই অফিস খুলবে। এ কারণে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ। যাত্রীর ভিড়ে ধীরে ধীরে চিরচেনা রাজধানী ফিরে পাচ্ছে তার পুরনো রুপ।

সপ্তাহ শুরুর প্রথম দিন সকাল থেকেই সদরঘাটে মানুষের কর্মব্যস্ততা লক্ষ করা গিয়েছে। হকারদের হাকডাকে মুখর ছিল পুরো সদরঘাট এলাকা। বরিশাল, ভোলা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, চরফ্যাশন, হুলারহাট, ভান্ডারিয়া, লালমোহনসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সদরঘাটে ফিরছে- এমন লঞ্চগুলোতে দেখা গিয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

শনিবার বিকেল পর্যন্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এমন চিত্র ফুটে ওঠে।

গন্তব্যস্থল থেকে লঞ্চগুলো যাত্রীতে পরিপূর্ণ হয়েই ঘাটে ভিড়তে দেখা গেছে। আবার যাওয়ার সময়ও কোন লঞ্চের কেবিন ও ডেক ফাঁকা নেই।

এদিকে চাঁদপুরের লঞ্চগুলো নির্ধারিত সময় পরপর ঘাট ছেড়ে যাচ্ছে। তবে ইলিশা, বগাগামী যাত্রী তুলনামূলক কম। অন্যদিকে, ভোলা থেকে আসা লঞ্চগুলো কানায় কানায় পূর্ণ, কিন্তু ছেড়ে যাওয়া লঞ্চে পাওয়া যাত্রী পাচ্ছে না তারা। এ ছাড়াও বেতুয়া, চরফ্যাশন থেকে বিশেষ ট্রিপ দেবে কর্ণফুলী-৩-সহ বেশকিছু লঞ্চ। আরও দুই-একদিন যাত্রীর চাপ থাকবে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

পটুয়াখালী থেকে আসা হাসিবুল ইসলাম পিয়াস বলেন, ‘ছুটি শেষ, ঢাকায় ফিরতেই হবে। লঞ্চে বাড়তি ভাড়া নেয়নি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় যাত্রাপথেও কোনো ঝামেলা হয়নি। আমরা সুন্দরভাবেই ঢাকা এসে পৌঁছেছি।’

বরিশাল থেকে ঢাকায় আসা মোবারক হোসেন বলেন, ‘সুন্দরভাবেই ঢাকা এসেছি। যদিও একটু ভিড় ছিল, কিন্ত তেমন সমস্যা হয়নি। ছুটি শেষ, সবারই তো গন্তব্য ঢাকা। সবাইকেই ঢাকা ফিরতে হবে। ঈদের সময় ভিড় তো হবেই।’

ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সদরঘাটে যাত্রীর চাপ

সুরভী ৭ লঞ্চের স্টাফ সবুজ আহমেদ বলেন, ‘কয়েকদিন থেকে যাত্রীর চাপ রয়েছে, আরও কয়েকদিন এমন চাপ থাকবে। আমাদের লঞ্চে কোনোরকম বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। আগের ভাড়াতেই যাত্রীরা ঢাকায় ফিরতে পারছেন।’

রাজারহাট-সি লঞ্চের স্টাফ তাসনিম আলম জানান, বর্তমানে নদীতে স্রোত থাকার কারণে লঞ্চগুলো সময়মতো ঢাকা যেতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এদিন দৌলতখান ঘাট থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে ইলিশা এসেছে ৯টা ৪৩ মিনিটে। এর প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা পর ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।

পারাবত-১২ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. বাবলু মিয়া বলেন, ‘যারা লঞ্চের যাত্রী, তারা লঞ্চেই যায়। তবে ধনী ব্যক্তি যারা আগে বিলাসবহুল কেবিনে যেতো, পদ্মা সেতু হওয়ায় তারা এখন ব্যক্তিগত গাড়িতে যাচ্ছে। এতে করে কেবিনের যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। যারা পরিবারসহ যাচ্ছে, তারা লঞ্চেই আসছে।’

লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘যাত্রী নিয়ে আশার আলো নেই বললেই চলে। লঞ্চগুলোতে যাত্রীবোঝাই দেখা গেলেও সেগুলো আসলে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক কম। আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শতভাগ সচেতন। ঈদের আগে যাত্রীর চাপ ছিল। তবে বৃষ্টির কারণে অনেকেই নৌপথ ছেড়ে সেতু দিয়ে ঢাকা এসেছেন।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবুল কালাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু হওয়াতে মানুষ এখন সেটি দেখার জন্যেও বাসে করে যাচ্ছে। গুলিস্তান থেকে সদরঘাট আসা-যাওয়ার রাস্তায় যে জ্যাম আর বেহাল দশা, এসব কারণে মানুষ এখন এদিকে কম আসতে চায়। সেজন্য অনেকে মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে বরিশাল যাচ্ছে। এসব কারণে যাত্রী কম হচ্ছে।’

সার্বিক বিষয়ে সদরঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘ঈদযাত্রা যেন সুন্দর হয়, সেজন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। কোনো ধরনের ঝামেলা লক্ষ করা যায়নি, ভাড়া বেশি নেয়ার খবরও পাইনি। যাত্রীদের যেন ভোগান্তি না হয়, আমরা সেই দিকটি দেখছি।’

টার্মিনাল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সদরঘাট নৌ-থানার ওসি মো. আবুল কালাম বলেন, ‘রোববার অনেকের অফিস খোলা হবে। এজন্য শনিবার যাত্রীর চাপ অনেকটাই বেশি। আমাদের নৌ-পুলিশের সদস্যরা ঘাটে লঞ্চ ভেড়ানোর পর সর্বক্ষণ সেখানে টহল দিচ্ছেন।’

পাশাপাশি নৌ-পথেও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে বলে জানান নৌ-পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর গাড়ি বিকল, মহাসড়কে যানজট
ছুটির দিনে সদরঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ
ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The dead bodies of two young people in the office room in Paltan

পল্টনে অফিস কক্ষে দুই তরুণের মরদেহ

পল্টনে অফিস কক্ষে দুই তরুণের মরদেহ দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
পল্টন থানার এসআই রাম কানাই সরকার বলেন, ‘নয়াপল্টন কালভার্ট রোডের রূপায়ন তাজ মাতৃভূমি ডেভেলপার কোম্পানির অফিস কক্ষ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ওই কক্ষে মদের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি রূপায়ন তাজ-এর অফিস কক্ষ থেকে দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন ২১ বছর বয়সী ফরহাদ ও ২৩ বছর বয়সী ইমন। অতিরিক্ত মদপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নয়াপল্টন কালভার্ট রোডের রূপায়ন তাজ মাতৃভূমি ডেভেলপার কোম্পানির একটি অফিস কক্ষ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাম কানাই সরকার।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে আমারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল নয়াপল্টনের ওই ভবনের ছয় তলা থেকে দরোজার তালা ভেঙে দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করি।

‘খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে ওই দুজন মাতৃভূমি ডেভেলপার কোম্পানির পিয়ন ছিলেন। অফিসের অন্য সবাই ঈদের ছুটিতে গেলেও তারা দুজন অফিসেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার থেকে স্বজনরা তাদেরকে মোবাইল ফোনে পাচ্ছিলেন না।’

এসআই রাম কানাই আরও বলেন, ‘অফিসের যে কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে মদের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

ইমনের বোন জামাই মোহাম্মদ লিটন জানান, ইমন ও ফরহাদ সম্পর্কে চাচাতো ভাই। তাদের বাড়ি ভোলার লালমোহন উপজেলায়। ফরহাদের গ্রামের নাম চকিদার। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল। আর ইমনের গ্রাম ত্রিমোহনী চকিদার বাড়ি। বাবার নাম নুর ইসলাম পাটোয়ারী। ওরা দুজন নয়াপল্টনের ওই অফিসেই থাকতেন।

আরও পড়ুন:
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুকুরে মিলল মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ
ঢামেকে অসুস্থ হাজতির মৃত্যু
মরদেহের খোঁজে মাদক কারবারির বাড়িতে দিনভর তল্লাশি
গজারিয়ায় সড়কের পাশে মরদেহ, গায়ে আঘাতের চিহ্ন
টেকনাফে সাগরে মিলল জেলের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unhealthy Dhaka air even on holidays

ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস ফাইল ছবি
সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার সকালে একিউআইয়ের ১২৪ সূচক নিয়ে সবচেয়ে খারাপ বায়ুমানের শহরের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে ঢাকা।

রাজধানী শহর ঢাকার বাতাসের মান আজও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার সকালে একিউআইয়ের ১২৪ সূচক নিয়ে সবচেয়ে খারাপ বায়ুমানের শহরের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে ঢাকা। খবর ইউএনবির

বৃহস্পতিবার এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্সের সূচক ৮৪ নিয়ে বায়ুর মান মাঝারি থাকলেও আজ তা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘ভালো’ এবং ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat is bustling with people returning to Dhaka after Eid

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, সরগরম সদরঘাট পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষেরা। বৃহস্পতিবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকার চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পর ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো যাত্রী নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরুর প্রথম দিন বুধবার থেকেই রাজধানী ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নগরমুখী মানুষের ভিড় শুরু হয়। বৃহস্পতিবারও ছিল একই চিত্র।

গ্রামে যাওয়া মানুষেরা ক্রমে ক্রমে ঢাকা ফিরতে থাকায় চাপ কম লক্ষ্য করা গেছে সদরঘাটে। শুক্র-শনিসহ ঈদের তিন দিন মিলে পাঁচদিনের লম্বা ছুটি শেষে কর্মমুখী মানুষ ঢাকায় ফিরতে থাকায় বৃহস্পতিবারও দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা যাত্রীর চাপ ছিল সদরঘাটে। তবে যাত্রীর উপচেপড়া ভিড় বলতে যা বুঝায় তেমনটা দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের লঞ্চগুলো ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের পন্টুনে ভিড়তে থাকে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

দুপুরের পর থেকে গ্রিন লাইন-৩ ও সন্ধ্যার পর পারাবত-৯, ১০, ১২ ও ১৮; মানামী, কুয়াকাটা-২, কীর্তনখোলা-২ ও ১০, সুরভী-৮ ও ৯, অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯, সুন্দরবন-১২ লঞ্চসহ মোট ১৫টি লঞ্চ বরিশাল নদীবন্দর থেকে সদরঘাটে এসে পৌঁছায়।

ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকায় এসে পৌঁছায়। এছাড়াও নিকটবর্তী জেলা চাঁদপুর, ভোলা, ইলিশা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোও ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সদরঘাট টার্মিনাল থেকে দেশের ৩১টি নৌপথে নিয়মিত ৭০টি লঞ্চ চলাচল করে। তবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তা দ্বিগুণের বেশি করা হয়েছে। ঈদের আগে-পরের প্রায় ১৫ দিন ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭৫টিরও বেশি লঞ্চ যাতায়াত করেছে। আগে ঢাকা থেকে ৪১টি নৌপথে লঞ্চসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন নৌযান চলত। নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে অনিয়মের কারণে ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলগামী ১০টি নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে।

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে লঞ্চে মানুষের ঢল নেমেছে বলে জানিয়েছেন জাহাজ মালিক, স্টাফ ও কর্মকর্তারা।

মানামি লঞ্চের চালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘এবার ঈদের আগে যেমন যাত্রী চাপ ছিলো পরে তেমন হচ্ছে না। সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় অনেকেই এখন ঢাকা ফিরছে। তবে অনেকে বুধ ও বৃহস্পতি ছুটি নিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সামনের সাপ্তাহিক ছুটির দুদিন বিশেষ করে শনিবার যাত্রীর চাপ অনেকটা বাড়বে।’

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী থেকে ফিরেছেন ঢাকায়। তিনি বলেন, ‘এমভি টিপু-৭ লঞ্চের টিকিট পেয়েছিলাম। তবে লঞ্চে অনেক মানুষের ভিড় ছিলো। ঠিকভাবে ঢাকায় আসতে পেরেছি এটাই অনেক।’

মনপুরা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসেছে এমভি তাসরিফ-৮। লঞ্চটির কর্মী আসাদ মুন্সি বলেন, ‘এই ট্রিপে পাঁচ-ছয়শ’ মানুষ এসেছে। ছুটি শেষ হওয়ায় মানুষ ঢাকায় ফিরছে। আরামের যাত্রা লঞ্চ। এজন্য অনেকেই লঞ্চে যাতায়াত করেন।’

ভোলার চরফ্যাশন ও বেতুয়া থেকে ছেড়ে সন্ধ্যায় সদরঘাটে ভিড়েছে এমভি টিপু-১৩। লঞ্চটিতে ঘাটে ভিড়তেই দেখা যায়, ডেকভর্তি মানুষ। অনেকে দাঁড়িয়েও এসেছেন।

ভোলা থেকে আসা যাত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কাপড়ের দোকানে কাজ করি। ঈদের আগের দিনও খোলা ছিল। চাঁদ রাতে ঈদ করতে ঢাকা থেকে বাড়িতে গিয়েছিলাম। ছুটি শেষ, মার্কেট খুলবে। এজন্য আবার চলে আসলাম।’

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পর ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো যাত্রী নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় থাকলেও লঞ্চে ফিরতি পথের যাত্রী ভিড় অনেকটাই কম। বরিশাল ও ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লঞ্চগুলোর কর্মীরা যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। অল্পসংখ্যক মানুষ লঞ্চে উঠেছেন। বেশ কয়েকটি লঞ্চের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ডেকের সিট অধিকাংশই ফাঁকা। ভেততে কিছু মানুষ বসে আছে। কেউ আবার কেবিন নিয়ে দরদাম করছেন।

নৌপথেই স্বস্তি খুঁজবে যাত্রীরা- এবারের ঈদযাত্রায় এমনটা প্রত্যাশা ছিলো লঞ্চ মালিকদের। তবে ঈদের পর তা আবার কমে যাওয়ায় হতাশ তারা।

ডলার কোম্পানির ২৪টি লঞ্চের মালিক ও যাত্রী পরিবহন সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘আমাদের লঞ্চ আছে অনেক। কিন্তু সে অনুযায়ী যাত্রী নেই। তাই লঞ্চ কম ছাড়ছে। যেগুলো ছাড়ছে সেগুলো যাত্রী ভরেই যাচ্ছে। ঈদের পরও আমরা যাত্রীর চাপ আশা করেছিলাম। কিন্তু পাইনি।’

লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘ঈদের আগে যাত্রীর চাপ বাড়ায় আশা পেয়েছিলাম। এখন সে আশা আর দেখছি না। সামনের দিনগুলোতে কী হয় দেখা যাক।’

সার্বিক বিষয়ে ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন জানান, ‘ঈদের পর যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের নিয়মিত লঞ্চগুলোই চলাচল করছে। অতিরিক্ত কোনো লঞ্চের প্রয়োজন পড়ছে না। আর ভাড়া বেশি নেয়ার অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

টার্মিনাল এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ আগের থেকে বেড়েছে। পুলিশ, র‍্যাবসহ আনসার সদস্যরা যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ফেরা মানুষের পদচারণায় মুখর সদরঘাট
ছুটি শুরুর দিনেই সদরঘাটে যাত্রীর চাপ
ঈদযাত্রার প্রভাব নেই সদরঘাটে, গার্মেন্টস ছুটির অপেক্ষা
সদরঘাট থেকে সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ

মন্তব্য

p
উপরে