× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Train ride time to metro station is 1 minute
google_news print-icon

মেট্রো স্টেশনে ট্রেনে চড়ার সময় ১ মিনিট

মেট্রোরেল
১৬টি স্টেশনে মোট ১৭ মিনিট থামবে ট্রেন। ছবি: নিউজবাংলা
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনে সংবাদ সম্মেলনে জানান, উত্তরা থেকে মতিঝিল রুট চালু হওয়ার পর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছাতে সময় লাগবে ৩৮ মিনিট। এর মধ্যে ১৬টি স্টেশনে মোট ১৭ মিনিট থামবে ট্রেন। সে হিসেবে প্রতিটি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়তে সময় পাওয়া যাবে এক মিনিটের সামান্য কিছু বেশি সময়। 

স্বপ্নের মেট্রোরেল বুধবার উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সাধারণ মানুষের চলাচল শুরু হবে বৃহস্পতিবার।

শুরুতে উত্তরা প্রান্ত থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অনেকগুলো স্টেশন থাকলেও কোথাও দাঁড়াবে না ঢাকার শহরের নতুন এই গণপরিবহন। শুরুর দিকে ট্রেনের সংখ্যাও থাকবে বেশ কম।

তবে আগামী স্বাধীনতা দিবস অর্থাৎ ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্ণাঙ্গরূপে শুরু হবে এই সেবা। তখন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রতিটি স্টেশনে ৪৫ সেকেন্ড ট্রেন থামানোর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। তবে মানুষের অভ্যস্ততা তৈরির সুযোগ দিতে এই সময় এক মিনিটের মতো করা হতে পারে।

আপাতত উত্তরা থেকে আগারগাঁও বা আগারগাঁও থেকে উত্তরা পর্যন্ত বিরতিহীন যাত্রী সেবা পেতে গুণতে হবে ৬০ টাকা। ১০ মিনিট পর পর ট্রেন আসবে এবং এক সঙ্গে ২০০ জন যাত্রী এই ট্রেনে উঠার সুযোগ পাবেন।

মেট্রো স্টেশনে ট্রেনে চড়ার সময় ১ মিনিট

ম্যাস ট্রানজটি কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রথমে উত্তরা উত্তর (শুরুর স্টেশন) থেকে একটি ট্রেন ছাড়বে। আর একটি আগারগাঁও থেকে ছাড়বে। ১০ মিনিট পর পর এই ট্রেন ছাড়বে। এই পুরো লাইনে আর কোনো স্টেশনে ট্রেন থামবে না।’

এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ জানিয়ে ডিএমটিসিএল-এর এমডি বলেন, ‘মানুষের অভ্যস্ততা তৈরির জন্য প্রথমে আমরা এভাবেই চালাব। যাত্রী না হলে ট্রেন কম চলবে। মানুষ অভ্যস্ত হলে পরে ধীরে ধীরে আমরা অন্য স্টেশনে ট্রেন থামাব।’

তিনি বলেন, ‘আপাতত ২৯ তারিখ থেকে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা মেট্রোরেল চলাচল করবে। বিকেলে কোনো ট্রেন চলবে না।’

তবে যাত্রীদের আশানুরূপ সাড়া না পেলেও সেখানে পরিবর্তন আসবে বলে জানান এমএএন ছিদ্দিক।

তিনি বলেন, ‘তবে মানুষ যদি কম থাকে বা মানুষকে যদি অভ্যস্ত করতে না পারি তাহলে এর চেয়েও কম সময় চলবে ট্রেন। তারপর সাত দিন দেখে আমরা রিভিউ করব। তখন যদি মনে হয় এই সময় আরও বাড়ানোও দরকার বা বিকেলে ট্রেন চালানো দরকার, তাহলে তখন আমরা নতুন করে আবার সিদ্ধান্ত নেব।’

রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে আপাতত সপ্তাহে একদিন মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ডিএমটিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘কারণ একদিন যদি আমরা মেইনটেইন্যান্স না করি তাহলে যে কোনো চ্যালঞ্জে উদ্ভব হতে পারে।’

যাত্রীদের কেমন সাড়া মিলছে তার ভিত্তিতে এসব সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনারও বিষয়টিও মাথায় রেখেছে কর্তৃপক্ষ। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিদ্দিক বলেন, ‘১০ মিনিট পর পর ট্রেন আসবে এবং ২০০ মানুষ এই ট্রেনে উঠার সুযোগ পাবে।

‘এই ১০ মিনিটে উঠতে না পারে তাহলে আমরা আস্তে আস্তে ১০ মিনিটের জায়গায় ১৫ মিনিট অথবা ২০ করে দেব। আমরা চেষ্টা করছি ২০০ মানুষকে অভ্যস্ত করতে।’

মেট্রো স্টেশনে ট্রেনে চড়ার সময় ১ মিনিট

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতিটি স্টেশনে ৪৫ সেকেন্ডের জন্য ট্রেন থামার কথা। পুরোপুরি চালুর পর এমন সময় নির্ধারণেরই পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনে সংবাদ সম্মেলনে জানান, উত্তরা থেকে মতিঝিল রুট চালু হওয়ার পর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছাতে সময় লাগবে ৩৮ মিনিট। এর মধ্যে ১৬টি স্টেশনে মোট ১৭ মিনিট থামবে ট্রেন। সে হিসেবে প্রতিটি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়তে সময় পাওয়া যাবে এক মিনিটের সামান্য কিছু বেশি সময়।

মেট্রো ট্রেনে চড়ার টিকিট মিলবে বৃহস্পতিবার থেকে। ডিএমটিসিএল-এর এমডি এমএএন ছিদ্দিক বলেন, ‘২৯ তারিখ থেকেই স্টেশনে যাত্রীরা সিঙ্গেল টিকিট, র‌্যাপিড পাস, এমআরটি পাস কিনতে পারবেন।’

মেট্রো স্টেশনে ট্রেনে চড়ার সময় ১ মিনিট

যাত্রীদের টিকিট কেনার কাজ সহজ করেতে স্টেশনগুলোতে প্রশিক্ষিত জনবল থাকবে বলে জানান এমএএন ছিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘স্টেশনের প্রতিটা টিকিট মেশিনের সামনেই স্কাউটের সদস্যরা থাকবেন। আমরা তাদের ট্রেনিং দিয়েছি। তারা যাত্রীদের মেশিনে টিকিট কাটতে সাহায্য করবেন।’

সাধারণ মানুষকে মেট্রোরেলে অভ্যস্ত করা এবং নিয়মকানুন শেখাতেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের স্কাউট থাকবেন, আমাদের কর্মীরা থাকবেন। তারা মানুষকে দিক-নির্দেশনা দেবেন।’

আরও পড়ুন:
এমআরটি পুলিশের অনুমোদন সোমবার
১০ মিনিট পরপর মেট্রোরেল, শুরুতে ছুটবে ২০০ যাত্রী নিয়ে
রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ
মেট্রোরেল উদ্বোধন: ফ্ল্যাটে নতুন ভাড়াটে নয়, ছাদে কাপড় শুকাতে মানা
২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Traffic jam on Dhaka Tangail Bangabandhu Bridge highway for 10 kilometers

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়‌কে ১০ কি‌লো‌মিটার জুড়ে যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়‌কে ১০ কি‌লো‌মিটার জুড়ে যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে এলেঙ্গা থেকে আশেকপুর পর্যন্ত অংশে শুক্রবার ভোরে যানজট দেখা দেয়। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে শুক্রবার ভোরে এলেঙ্গা থেকে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

যানবাহনের বাড়তি চাপ ও একাধিক দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়‌কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে শুক্রবার ভোর থেকে এই যানজট শুরু হয়।

কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে অনেকেই ব্যক্তিগত যানবাহন, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন। যানজট আর বৃষ্টিতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাজেদুর রহমান জানান, মধ্যরাত থেকে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে এই মহাসড়কে। তাছাড়া মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে কেউ মারা যায়নি। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিতে কিছুটা সময় লেগে যাওয়ায় ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে। মহাসড়কে পর্যাপ্ত পুলিশ কাজ করছে।

ওদিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ে টোলপ্লাজার আগে হালকা যানজট তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
বনানীর আগে বাসে যাত্রী তুললেই মামলা: ডিএমপি কমিশনার
বজ্রপাত: পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার সামনে গাড়ির দীর্ঘ সারি
চাপ নেই ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে
ঈদযাত্রা: পদ্মা সেতু দিয়ে নির্বিঘ্নে যান চলাচল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Train movement stopped for two days on Kolkata Khulna railway

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ
রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কলকাতা-খুলনা রেলপথে চলাচল করা যাত্রীবাহী ‘বন্ধন-এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি দুদিন বন্ধ থাকবে। রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেললাইন ও কর্মীদের ওপর চাপ কমানো এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে গত ১৩ মে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দিয়ে জানায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাতে সম্মতি জানিয়ে ফিরতি চিঠি পাঠায়।

এ বিষয়ে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচল করা বন্ধন এক্সপ্রেস দুই দিন বন্ধ থাকবে। ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১৬ ও ২০ জুন বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে একটি চিঠি আমার দপ্তরে এসেছে। তবে সড়কপথে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এমনকি ঈদের দিনও চালু থাকবে পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল।’

আরও পড়ুন:
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের যাত্রা শুরু
এক সপ্তাহ পর চালু মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন
ভাঙা লাইনে ছিপি দিয়ে চলল ট্রেন
মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন বন্ধে দুর্ভোগে যাত্রীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BGB has increased surveillance at Benapole and Sharsha border

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি যশোরের শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল দলের নজরদারি। ছবি: নিউজবাংলা
যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

যশোর সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বা বিনা কারণে সীমান্ত এলাকায় না যায় সেজন্য সতর্ক করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের মাঠে কাজ করতে যেতে কোনো বাধা নেই।

বৃহস্পতিবার ৪৯ বিজিবির কোম্পানি সদর থেকে দেয়া নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের নিকটবর্তী বাংলাদেশি অসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে পারে- এমনটা উল্লেখ করে বুধবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবির পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এ সময় বাংলাদেশি জনসাধারণকে সীমান্ত এলাকায় না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

জানা গেছে, সোমবার (১০ জুন) গভীর রাতে মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের এক সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে দুষ্কৃতকারীরা। বিএসএফের ধারণা, এটা বাংলাদেশের দুষ্কৃতকারীরা করেছে। এজন্য প্রতিশোধ নিতে বিএসএফ গুলি চালাতে পারে এমনটা আশঙ্কা করে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তের সাধারণ মানুষদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছেন।

যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি।

‘ঈদ এলেই চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য কিছুটা বৃদ্ধি পায়। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

সীমান্ত এলাকায় ফসলের ক্ষেতে কাজ করার জন্য কৃষকরা যেতে পারবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৃষকদের মাঠে কাজ করতে বা ফসলাদি দেখাশোনা করতে কোনো বাধা নেই। এ সময়ে সীমান্ত এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আমাদের সীমান্ত এলাকায় তেমন কোনো সমস্যা নেই। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৫ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বিএসএফ এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে: বিজিবির সতর্কতামূলক মাইকিং

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Emirates wants confirmation of employment before issuing visa
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত

ভিসা দেয়ার আগে কর্মী নিয়োগের নিশ্চয়তা চায় আমিরাত

ভিসা দেয়ার আগে কর্মী নিয়োগের নিশ্চয়তা চায় আমিরাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৃহস্পতিবার গণভবনে সাক্ষাৎ করেন আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ খাসেফ আল-হুমুদি। ছবি: পিআইডি
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন বাংলাদেশি অভিবাসীদের আমিরাতে চাকরির ব্যবস্থা আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার পর দেশটি এখান থেকে জনশক্তি নেবে।’

উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাকরি নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল ভিসা ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ খাসেফ আল-হুমুদি ।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান তিনি। সূত্র: ইউএনবি

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এম নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন যে তাদের জন্য ইতোমধ্যে দেশটিতে চাকরির ব্যবস্থা আছে কি না নিশ্চিত হওয়ার পর তারা বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেবে।’

অবৈধ অভিবাসীদের বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করতে না দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত একমত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

নাইমুল ইসলাম বলেন, ‘উভয় দেশ এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।’

রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে জানান, বিনিয়োগসহ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার নতুন পথ খুঁজে বের করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী শিগগিরই ঢাকা সফর করবেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে অত্যন্ত বিস্তৃত ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আমরা এটিকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী।’

‘বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার অভিবাসী সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাচ্ছেন। আমিরাত দূতাবাস প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ভিসা ইস্যু করছে, যার মধ্যে ৫০০ জন সরাসরি এবং পাঁচশ’ জন এজেন্টের মাধ্যমে।’

বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশে আমিরাতের বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।

প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে বলেন, ‘সব সেক্টরে সার্বিক গতি বাড়াতে কাজ করছে সরকার। আমরা প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করার জন্য সবকিছু করছি।’

‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি কোম্পানি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচলকে অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম (এপিআইএস) সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। মূল্য নিয়ে আলোচনায় প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের কাছে পাঠিয়েছেন বলে জানান প্রেস সচিব।

নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো এবং অন্যান্য দেশ এখন এয়ারলাইন্সগুলোকে ভ্রমণের আগে তাদের যাত্রীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে বাধ্য করে। এটি অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন (এপিআই) নামে পরিচিত।

এপিআই সিস্টেম যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা (সিবিপি) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বৈদ্যুতিক ডেটা ইন্টারচেঞ্জ সিস্টেম।

২০০৯ সালের মে থেকে শুরু করে বেসরকারি বিমান পাইলটদেরও সিবিপিকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে হয়। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ১৮০ দিনের ‘স্বেচ্ছায় সম্মতির সময়কাল’ সহ এই নীতিমালা কার্যকর করা হয়েছিল।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীকে আমিরাত সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম তাকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।’

আরও পড়ুন:
গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেকসহ ১৫ জন পলাতক: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ
ঘূর্ণিঝড়ে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ঘরগুলো তৈরি করে দেব: প্রধানমন্ত্রী
গৃহহীনদের জন্য আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি উপহার প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশের পর্যটন খাতে শ্রীলঙ্কার বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Along with the mango train the cattle train also started

ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু

ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু বুধবার বিকেল ৪টা থেকে খামারি ও ব্যবসায়ীরা তাদের গরু-ছাগলগুলো ট্রেনে তোলার কাজ শুরু করেন। ছবি: নিউজবাংলা
আম পরিবহনে আশানুরূপ সাড়া না মিললেও পশু পরিবহনের জন্য নির্ধারিত চারটি ওয়াগনই বুক হয়ে যায়। এদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চারটি ওয়াগনে ৭১টি গরু ও ৯টি ছাগল নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ট্রেনটি।

ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এবার চালু হলো কোরবানির পশু পরিবহনে বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন।

বুধবার সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় পশু ও আমবাহী এ বিশেষ ট্রেনটি।

আম পরিবহনে আশানুরূপ সাড়া না মিললেও পশু পরিবহনের জন্য নির্ধারিত চারটি ওয়াগনই বুক হয়ে যায়। এদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চারটি ওয়াগনে ৭১টি গরু ও ৯টি ছাগল নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ট্রেনটি।

এর আগে, বিকেল ৪টা থেকে খামারি ও ব্যবসায়ীরা তাদের গরু-ছাগলগুলো ট্রেনে তোলার কাজ শুরু করেন, কিন্তু কয়েকটি গরু ট্রেনে ওঠাতে বেশ বেগ পেতে হয় খামারিদের। এর ফলে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে অন্তত ২০ মিনিট দেরিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেশন ছেড়ে যায় ট্রেনটি।

‘ট্রাকের চেয়ে ট্রেনে পশু পরিবহনে খরচ অনেক কম, সেইসঙ্গে নিরাপদ স্বস্তির যাত্রা। পাশাপাশি এড়ানো যায় পথের দীর্ঘ যানযট ও চাঁদাবাজীর বাড়তি খরচ’, বলছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ জানান, চতুর্থবারের মতো কম খরচে কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য ক্যাটেল স্পেশাল ট্রেন চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আরও দুদিন এ ট্রেন চলবে। ট্রেনে পশু পরিবহনে প্রতি ওয়াগনে ভাড়া ১৫ হাজার ৪৭০ টাকা। প্রতি ওয়াগনে ২০টি গরু পরিবহন করা যাবে।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় ‘ঘাস খেয়ে’ এক খামারের ২৬ গরুর মৃত্যু
ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Oman lifted visa restrictions in 10 categories for Bangladeshis

বাংলাদেশিদের জন্য ১০ ক্যাটাগরিতে ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ওমান

বাংলাদেশিদের জন্য ১০ ক্যাটাগরিতে ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ওমান প্রতীকী ছবি
নিষেধাজ্ঞামুক্ত ভিসাগুলো হলো- অফিসিয়াল ভিসা, পারিবারিক ভিসা, জিসিসি দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিজিটর ভিসা এবং প্রকৌশলী, ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী ও উচ্চ আয়ের পর্যটকদের ভিসা।

ওমান বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ১০টি ক্যাটাগরির ওপর থেকে সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

ঢাকায় ওমানের দূতাবাসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ কথা জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে জানানো হয়, নিষেধাজ্ঞামুক্ত ভিসাগুলো হলো- অফিসিয়াল ভিসা, পারিবারিক ভিসা, জিসিসি দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিজিটর ভিসা এবং প্রকৌশলী, ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী ও উচ্চ আয়ের পর্যটকদের ভিসা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে রয়্যাল ওমানি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ক্যাটাগরিগুলোর ভিসার সব আবেদন ও নথিপত্র জমা নেওয়া এবং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে স্থানীয় দূতাবাস।

এ ছাড়াও দূতাবাস আশ্বাস দিয়েছে, ওয়ার্ক ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে ওমান ও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ দুই পক্ষই কাজ করছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

২০২৩ সালের অক্টোবরে ওমানের সামগ্রিক অভিবাসন নীতি পর্যালোচনা করতে দাপ্তরিক উদ্দেশ্য ছাড়া সব ভিসা বিভাগের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল রয়্যাল ওমানি পুলিশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Yunus is being tried like an ordinary citizen Law Minister

সাধারণ নাগরিকের মত করেই ড. ইউনূসের বিচার হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

সাধারণ নাগরিকের মত করেই ড. ইউনূসের বিচার হচ্ছে: আইনমন্ত্রী বৈঠকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি: বাসস
আইনমন্ত্রী বলেন, তিনি (ড. ইউনূস) যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছেন, এসব কথা অসত্য ও বাংলাদেশের জনগণের জন্য অপমানজনক।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশের যেকোনো নাগরিক আইন ভঙ্গ করলে তার যেমনভাবে বিচার হয়, ড. ইউনূসেরও ঠিক সেভাবেই বিচার হচ্ছে।

বুধবার সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের

আইনমন্ত্রী বলেন, তিনি (ড. ইউনূস) যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছেন, এসব কথা অসত্য ও বাংলাদেশের জনগণের জন্য অপমানজনক।

বৈঠকে ড. ইউনূসের মামলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ইইউ প্রতিনিধি দলকে জানান, তার (ড. ইউনূসের) বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন একটি মামলা করেছে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি জানান, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কিছু কর ফাঁকির মামলাও রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি আপিল বিভাগ পর্যন্ত গিয়ে হেরে যাওয়ার পর কর (ট্যাক্স) দিয়েছেন।

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে হওয়া মামলা প্রসঙ্গে আনিসুল হক জানান, ড. ইউনূস শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন, সে কারণে শ্রম আইনে মামলা হয়েছে এবং একটি মামলায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছে। এখনো অনেক মামলা পেন্ডিং আছে।

ইউরোপীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আর কী কী ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আইন, উপাত্ত সুরক্ষা আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন, ইইউ নির্বাচন কমিশন থেকে বাংলাদেশে একটি টিম এসেছিল, সেই টিমের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কি চিন্তা-ভাবনা করছে, রোহিঙ্গা ইস্যু ও সর্বশেষ বৈষম্য বিরোধী আইন সম্পর্কেও তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, কবে নাগাদ সংশোধিত শ্রম আইন পাস করা হবে, সেটাও তারা জানতে চেয়েছিল। তাদের বলেছি- আন্তর্জাতিক শ্রম আদালতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে নালিশ করা হয়েছিল, সেই নালিশটার শেষ আমরা চাই। তাদের আরও বলেছি, শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি। আমার মনে হয় বিষয়টা শেষ করে দেয়া উচিত। তাদের সাথে কথা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে আইএলও-এর যে গভর্নিং বডির মিটিং হবে, সেখানে আমাদের সমর্থন করার।

মন্তব্য

p
উপরে