× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mirpur is smiling after seven years of suffering
hear-news
player
google_news print-icon

সাত বছর দুর্ভোগ শেষে হাসছে মিরপুর

সাত-বছর-দুর্ভোগ-শেষে-হাসছে-মিরপুর
সাত বছর ধরে দুর্ভোগকে সঙ্গী করেছে মিরপুরের মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
দুর্ভোগের দিন এখন অতীত বলে মনে করেন মিরপুরবাসী রাশেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা এই দুর্ভোগ সহ্য করেছি বলেই দেশে নতুন প্রযুক্তির সূচনা হতে যাচ্ছে। যার সুফল ক্রমেই পুরো শহরবাসী পাবে। আমরা আজ মেট্রোর জন্য গর্বিত।’

বছরখানেক আগের কথা। প্রসাধনী ছাড়া ফর্সা হওয়ার টোটকা হিসেবে বলা হতো মিরপুর ঘুরতে যেতে। ধূলায় ধূসর হওয়ার ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। নানা ব্যাঙ্গাত্মক কথা বলা হতো মিরপুরকে কেন্দ্র করে। ফেসবুকে এমন অনেক ট্রোল ভাইরালও হয়েছে।

সময় এখন বদলে গেছে। বুধবার থেকে ছুটবে স্বপ্নের মেট্রারেল। এই প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপ দিতে সাত বছর ধরে দুর্ভোগকে সঙ্গী করেছে মিরপুরের মানুষ। নিরবতা ভেঙে সরবও হয়েছে এখানকার বাসিন্দারা।

সিটি কলেজে যাওয়ার দিন থেকে শুরু হওয়া দুর্ভোগ পোহাতে পোহাতে রাশেদ এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাই তো বেশ উচ্চকিত হয়ে ট্রোলের জবাব দিলেন তিনি।

রাশেদ বলেন, ‘মেট্রোরেলের কারণে যে দুর্ভোগ হয়েছে, এ জন্য আমাদের নিয়ে কম ট্রোল করা হয়নি। বন্ধুরা টিপ্পনি কাটত। বাস্তবতা মেনে নিয়ে আমাদের সহ্য করতে হয়েছে।’

সাত বছর দুর্ভোগ শেষে হাসছে মিরপুর

সেসব দিন এখন অতীত বলে মনে করেন রাশেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা এই দুর্ভোগ সহ্য করেছি বলেই দেশে নতুন প্রযুক্তির সূচনা হতে যাচ্ছে। যার সুফল ক্রমেই পুরো শহরবাসী পাবে। আমরা আজ মেট্রোর জন্য গর্বিত।’

২০১৫ সাল থেকে গ্যাস, পানিসহ অন্যান্য সার্ভিস লাইন সরানো দিয়ে গোটা মিরপুর জুড়ে শুরু হয় সড়ক খোঁড়াখুড়ির কাজ। সেটা গুছিয়ে আসতে না আসতেই শুরু হয় মেট্রো রেলের পিলার তৈরি ও স্টেশন নির্মাণ।

নির্মাণ কাজের ধূলা, রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়া, কোনো কোনো ক্ষেত্রে একপাশের রাস্তা একবারের বন্ধ হয়ে যাওয়া, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাস বা অন্যান্য বাহনে চড়ে গন্তব্যে পৌঁছানো – এসবই ছিল মিরপুরবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী।

মেট্রোরেলের পিলার তৈরির কাজ যতোটা এগিয়েছে, ক্রমেই কেটেছে দুর্ভোগের সময়। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে উন্নয়নের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়ে হাসি ফুটতে শুরু করেছে মিরপুরের বাসিন্দাদের মুখে।

সাত বছর দুর্ভোগ শেষে হাসছে মিরপুর

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের এই প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ খাতে যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা।

মেট্রোরেলে যাত্রী সেবা নিতে অপেক্ষাটা আরেকটু বেশি। উদ্বোধনের পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে যাত্রী পারাপার।

শুরুতে মেট্রোরেলের সেবাকে সীমিত রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলাচল করবে এটি। তবে নগরবাসীর আগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেট্রোরেলও পেয়ে যাবে তার স্বভাবিক গতি। ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা গতিশীল হওয়ার মধ্য দিয়ে অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে বিপুল ইতিবাচক প্রভাব রাখবে এই মেট্রোরেল।

মিরপুর-১১ এর বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমার অফিস পল্টনে। অফিস সময়ে এই পুরো রাস্তাটা ধরে যাওয়া আসা কতটা যে দুর্ভোগের, তা শুধু আমরাই জানি। যানজট, ধূলা, জলবদ্ধতা নিয়ে আমাদের বছরগুলো কেটেছে। প্রতি মুহূর্তে মনে হয়েছে, কবে কাজ শেষ হবে, কবে মুক্তি পাব। সেই কাঙ্ক্ষিত দিন এসেছে।’

কোনো যানজট থাকবে না, মেট্রোরেল ছুটবে তার নিজস্ব গতিতে—এই বিষয়টি ভেবেই আনন্দ পাচ্ছেন মাজহার।

তিনি বলেন, ‘মেট্রোর নিচের রাস্তাও সুন্দর হয়েছে। নিচ দিয়ে চলাচলও এখন শান্তি হয়েছে। বড় কোনো যানজট ছাড়াই এখন যাতায়াত করা যাচ্ছে। এই দিনটার জন্যই আমরা অপেক্ষায় ছিলাম।’

যানজটে শুধু সময় নষ্ট নয়, ক্ষতি হয়েছে মিরপুর সড়কের দুই ধারের ব্যবসায়ীদের। বছরের পর বছর লোকসান দিয়ে টিকিয়ে রাখতে হয়েছে তাদের ব্যবসা।

২০১২ সালে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর তাগিদ থেকে শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেলের খুচরা যন্ত্রপাতির দোকান খুলে বসেছিলেন সাইফুল ইসলাম। সময়ের সঙ্গে ব্যবসার পরিধিও বেড়েছিল তার। কিন্তু মেট্রোরেলের নির্মাণযজ্ঞ তাকে অনেক বেকায়দায় ফেলে দেয়। সেই আক্ষেপ রয়ে গেছে। কিন্তু দুর্বার গতি মেট্রোরেল যে নগরবাসীকে যাতায়াতে নতুন গতি দেবে সেটাতে স্বস্তিও পাচ্ছেন এই উদ্যোক্তা।

ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মেট্রোর কাজ শুরুর পর আমার বিক্রি অর্ধেকে নেমে এসেছে। কাস্টমাররা আসতে চায় না। বিকল্প হিসেবে অনলাইনে পার্টস সেল করা শুরু করি। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। দোকান ভাড়া, কর্মচারিদের বেতন, অন্যান্য খরচ মিলিয়ে হিসেব মেলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে প্রতিনিয়ত। এখন কয়েক মাস ধরে আবার কাস্টমার আসা শুরু হয়েছে। কারণ মেট্রোর নিচের রাস্তা ক্লিয়ার হয়েছে।’

মিরপুরে ১১ নম্বরে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা ছিল কামরুল হাসানের। তিনি বলেন, ‘নির্মাণকাজের ধুলাবালির কারণে ক্রমেই আমাদের কাস্টমার কমে আসে। আমি দুই বছর লস দিয়ে চালালেও আর কুলিয়ে উঠতে না পেরে ২০১৯ সালে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হই।’

নিজের এই ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ি করেন কামরুল। তবে সেই অভিমান এখন অনেকটাই কমে এসেছে।

তিনি বলেন, ‘নিজের লস হলেও এখন এই ভেবে ভাল লাগে যে, সব কিছু আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। রাস্তা-ঘাট সুন্দর হয়েছে। মেট্রোর কারণে আমাদের যোগাযোগের একটা বিপ্লব হতে যাচ্ছে।’

সাত বছর দুর্ভোগ শেষে হাসছে মিরপুর

তবে মিরপুরবাসীর ভোগান্তি ঢাকা শহরের আর কারও হোক সেটা চান না এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তিনি বলেন, ‘আশা করব, শহরের অন্য প্রান্তে যখন মেট্রোর কাজ হবে তখন যেন এইসব দুর্ভোগগুলো কমাতে যথাযথ ম্যানেজমেন্ট করা হয়। তাহলে আর আমাদের মতো বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।’

সব দুর্ভোগ শেষে বুধবার উদ্বোধন হতে যাচ্ছে স্বপ্নের মেট্রোরেল। এই দিনেই বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে আধুনিক বৈদ্যুতিক গণপরিবহনে। বিগত ৫ বছর ধরে নির্মাণ কাজ শেষে এই মাহেন্দ্রক্ষণে পৌঁছাতে প্রয়োজন হয়েছে কয়েক হাজার শ্রমিক-প্রকৌশলীর নিরলস পরিশ্রম।

আরও পড়ুন:
১০ মিনিট পরপর মেট্রোরেল, শুরুতে ছুটবে ২০০ যাত্রী নিয়ে
রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ
মেট্রোরেল উদ্বোধন: ফ্ল্যাটে নতুন ভাড়াটে নয়, ছাদে কাপড় শুকাতে মানা
২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
মেট্রোরেলের টিকিট কাটতে হবে যেভাবে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bagar of 55 kg is sold at 75 thousand in Yamuna

যমুনায় ৫৫ কে‌জির বাগাড়, বিক্রি ৭৫ হাজারে

যমুনায় ৫৫ কে‌জির বাগাড়, বিক্রি ৭৫ হাজারে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে যমুনা নদীতে ধরা পড়া বাগাইড় মাছটি শনিবার ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী বাজারে তোলা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
গো‌বিন্দাসী মাছ বাজার স‌মি‌তির সভাপ‌তি বাবলু হ‌ালদার বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের বেলকু‌চি উপজেলার যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়ে বিশাল আকারের বাগাড় মাছটি। বিক্রির উদ্দেশ্যেই সেখান থেকে মাছটি কিনে আনি আমি। প‌রে সেটি ৭৫ হাজার টাকায় বি‌ক্রি ক‌রে‌ছি।’

টাঙ্গাই‌লের ভূঞাপু‌রে যমুনা নদী থে‌কে জে‌লের জা‌লে ধরা প‌ড়ে‌ছে ৫৫ কে‌জি ওজ‌নের এক‌টি বাগাড় মাছ‌। পরে স্থানীয় বাজা‌রে মাছ‌টি ৭৫ হাজার টাকায় বি‌ক্রি ক‌রেন বাবলু হালদার।

শ‌নিবার দুপুরে উপ‌জেলার গো‌বিন্দাসী বাজা‌রে বাগাড় মাছ‌টি বিক্রির জন‌্য আ‌নেন বাবলু হালদার। এদিন সকা‌লে সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকু‌চি এলাকায় যমুনা নদী থেকে এক জে‌লের কাছ থে‌কে মাছটি কেনেন তিনি।

গো‌বিন্দাসী মাছ বাজার স‌মি‌তির সভাপ‌তি বাবলু হালদার প‌রে গো‌বিন্দাসী বাজা‌রে বাগাড় মাছ‌টি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মাছটি কিনে নেন মধুপুর উপ‌জেলার গা‌রোবাজা‌রের সুজন না‌মে এক ব্যক্তি।

ক্রেতা সুজন জানান, বিশাল আকৃ‌তির বাগাড় মাছ‌টি কিনে তারা কয়েকজন মিলে ভাগ ক‌রে নি‌য়ে‌ছেন।

বাবলু হ‌ালদার বলেন, ‘বেলকু‌চির যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়ে মাছটি। বিক্রির উদ্দেশ্যেই সেখান থেকে মাছটি কিনে আনি আমি। প‌রে মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় বি‌ক্রি ক‌রে‌ছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
642 deaths in accidents in January are highest on bikes

জানুয়ারিতে দুর্ঘটনায় ৬৪২ প্রাণহানি, সর্বোচ্চ বাইকে

জানুয়ারিতে দুর্ঘটনায় ৬৪২ প্রাণহানি, সর্বোচ্চ বাইকে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি মোটরসাইকেল। ফাইল ছবি
যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২১৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ২০৫ জন। এসব দুর্ঘটনায় আহত জন ১১৪ বাইক আরোহী।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৬৫০টি দুর্ঘটনায় ৬৪২ জন প্রাণ হারিয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, বিগত মাসে যাত্রাপথে সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন মোটরসাইকেল বা বাইক আরোহীরা।

সংবাদমাধ্যমে শনিবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাটি।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জানুয়ারিতে ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৫ জন নিহত ও ৮৯৯ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া রেলপথে ৪৪টি দুর্ঘটনায় ৪৬ প্রাণহানি ও ৭৮ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নৌপথে ১৩ দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু, একজন আহত ও ছয়জন নিখোঁজ হয়।

সংস্থাটির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২১৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ২০৫ জন। এসব দুর্ঘটনায় আহত জন ১১৪ বাইক আরোহী।

দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক সংবাদপত্র ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

এতে দেখা যায়, ২০২২ সালের জানুয়ারির চেয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সড়কে দুর্ঘটনা ৫.৩ শতাংশ এবং আহত ১০.০৪ শতাংশ বেড়েছে, তবে প্রাণহানি ৪.৬ শতাংশ কমেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, জানুয়ারিতে সংঘটিত দুর্ঘটনার ২৯.৫১ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩৮.৬১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে ও ২৪.৪৫ শতাংশ ফিডার রোডে হয়েছে।

সারা দেশে মোট দুর্ঘটনার ৫.২২ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ১.১৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে এবং ১.০১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে ঘটেছে।

গত মাসে সড়ক দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয় ১৭ জানুয়ারি। ওই দিনে ৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ৩১ জন আহত হয়।

সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে ২ জানুয়ারি, যেদিন ১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বেপরোয়া গতি, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের অবাধ চলাচল, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকের অদক্ষতা, চালকের বেপরোয়া মনোভাব, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে যানবাহন চালানো ইত্যাদি।

আরও পড়ুন:
মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণে গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে
রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় গেল যুবকের প্রাণ
দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩
পেরুতে বাস খাদে পড়ে গেল ২৪ প্রাণ
শ্রীমঙ্গলে অটোরিকশায় পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Glimpse of winter after winter

শৈত্যপ্রবাহের পর শীত কমার আভাস

শৈত্যপ্রবাহের পর শীত কমার আভাস রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত লোকজন। ফাইল ছবি/পিয়াস বিশ্বাস
তাপমাত্রার বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

দেশের দুই জেলার ওপর দিয়ে শুক্রবার মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও শনিবার কোথাও এমন পরিস্থিতি দেখা যায়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও শৈত্যপ্রবাহের কোনো বার্তা দেয়া হয়নি।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি রাতের তাপমাত্রা বাড়ার আভাস দিয়েছে, যার অর্থ হলো দেশজুড়ে কমতে পারে শীতের অনুভূতি।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চতাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা নিয়ে বলা হয়, এ সময়ের শেষের দিকে রাতের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ ৩০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়।

আরও পড়ুন:
শীত ওঠানামা করতে পারে দুই-তিন দিন
‘মাঘের শীতে বাঘ পালায়’ শুধু বইয়েই
শীত আরও কমতে পারে টানা তিন দিন
শীত কমার আভাস
মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে নওগাঁর শ্রমজীবীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh has a new role in the UN Peacebuilding Commission

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনে নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনে নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ
সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এর আগে ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।

শুক্রবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ সংবাদ জানানো হয়। এতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত কমিশনে সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশের প্রতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বিশ্বের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। মুহিত আগামীতে কমিশনের কাজে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা ফেরত বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে রেজল্যুশন গৃহীত
বাংলাদেশকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জাতিসংঘের
জাতিসংঘের নারী অধিকার সংস্থা থেকে ইরানকে বহিষ্কার
নাগরিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা কমেছে: জাতিসংঘ মহাসচিব
বঙ্গবন্ধুর উক্তি জাতিসংঘ রেজুলেশনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cold flow in two districts

দুই জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

দুই জেলায় শৈত্যপ্রবাহ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ফাইল ছবি
কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেখানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দেশজুড়ে জানুয়ারিতে অনেকটা কমে আসা শীতের অনুভূতি ফের তীব্র হয়েছে কয়েকটি জেলায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে দেশের সীমান্তবর্তী দুই জেলা কুড়িগ্রাম ও মৌলভীবাজারে।

কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেখানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, শ্রীলঙ্কা ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরবর্তী সময়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। উপমহাদেশীয় উচ্চতাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্য কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে বলা হয়, কুড়িগ্রাম ও মৌলভীবাজার জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা নিয়ে অধিদপ্তর জানায়, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি আরও জানায়, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ ৩১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল রাঙ্গামাটিতে। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।

আরও পড়ুন:
‘মাঘের শীতে বাঘ পালায়’ শুধু বইয়েই
শীত আরও কমতে পারে টানা তিন দিন
শীত কমার আভাস
মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে নওগাঁর শ্রমজীবীরা
১৬ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers office is an example of austerity

কৃচ্ছ্র সাধনে দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের

কৃচ্ছ্র সাধনে দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফটক। ফাইল ছবি
গত বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ব্যয়ের হিসাব থেকে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিল হ্রাস পেয়েছে ৪৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ, অকটেন ও ডিজেলের ব্যবহার কমানো হয়েছে ২৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং আপ্যায়ন খাতের ব্যয় কমানো হয়েছে ৪৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

কৃচ্ছ্র সাধনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিদ্যুৎ ও আপ্যায়ন খাতে খরচ প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। জ্বালানি তেলে খরচ কমানো হয়েছে প্রায় ৪ ভাগের এক ভাগ। পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও ব্যয় কমানো হয়েছে।

ব্যয় সংকোচনে এসব পদক্ষেপের সুবাদে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ থেকে ২৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

গত বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ব্যয়ের হিসাব থেকে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিল কমেছে ৪৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ, অকটেন ও ডিজেলের ব্যবহার কমানো হয়েছে ২৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং আপ্যায়ন খাতের ব্যয় কমানো হয়েছে ৪৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছিলেন কিছু খাতে ব্যয় সংকোচন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাদ্দের কিছু টাকা বাঁচিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দেয়া যায় কি না। ২০২০ সাল থেকে শুরু করেছি। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবেই ব্যয় কমানো শুরু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক সংকট শুরু হলো এবং ঢেউটা বাংলাদেশ পর্যন্ত আসল। তখন আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ব্যয় আরও কমানোর কাজ শুরু করলাম।

‘প্রথমত আমরা বিদ্যুতে হাত দিলাম। তারপরে পেট্রল এবং লুব্রিকেন্টের খাতে খুবই বৈজ্ঞানিক উপায়ে গাড়িগুলোকে একটু রেশনিং করে আমরা সেটাও কমিয়ে এনেছি। একইভাবে আপ্যায়ন খাতেও আমরা ব্যয় কমিয়ে নিয়ে এসেছি। আমরা যে আপ্যায়নের মেন্যুটি করেছি, সেটি খুবই সাদামাটা।’

বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ কমিয়ে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ থেকে ২৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার কথা জানিয়ে আহসান কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা ২৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা সংসদীয় বাজেট থেকে অর্থ বিভাগের কাছে সমর্পণ করেছি। এ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের ব্যয় আরও কমে আসবে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের জুনে বিদ্যুৎ খাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ব্যয় ছিল ২৩ লাখ ৮ হাজার ৮৩৮ টাকা। জুন থেকে ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ কমিয়ে জুলাইয়ে খরচ হয় ২১ লাখ ৩৮ হাজার ৬২৫ টাকা। জুন থেকে খরচ ৩১ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমিয়ে আগস্টের ব্যয় হয় ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮১৩ টাকা। জুন থেকে খরচ ৪৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ (প্রায় অর্ধেক) কমিয়ে সেপ্টেম্বরে বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় দাঁড়ায় ১২ লাখ ২৭ হাজার ৩৫৩ টাকা।

২০২২ সালের জুনে পরিবহনের জন্য জ্বালানি খাতে অকটেন ও ডিজেলের ব্যবহার ছিল ৪১ হাজার ৪০২ লিটার। জুন থেকে ৪ হাজার ৪০০ লিটার (১০ দশমিক ৬৩ শতাংশ) কমিয়ে জুলাইয়ে জ্বালানি তেলের ব্যবহার হয় ৩৭ হাজার ২ লিটার। জুন থেকে ১৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমিয়ে আগস্টে জ্বালানি তেলের ব্যবহার হয় ৩৪ হাজার ৮৪১ লিটার। আর জুন থেকে ৯ হাজার ৬৬৬ লিটার তেল (২৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ) কমিয়ে সেপ্টেম্বরে তেলের ব্যবহার ৩১ হাজার ৭৩৬ লিটারে নামিয়ে আনা হয়।

জুনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আপ্যায়ন ব্যয় ছিল ৩ লাখ ২১ হাজার ৬৬৫ টাকা। ওই মাস থেকে ১৬ দশমিক ৮১ শতাংশ খরচ কমিয়ে জুলাইয়ের আপ্যায়ন ব্যয় ২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

জুন থেকে ৩২ দশমিক ১০ শতাংশ কমিয়ে আগস্টের আপ্যায়ন ব্যয় ২ লাখ ১৮ হাজার ৪১০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ওই মাস থেকে ৪৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ খরচ কমিয়ে সেপ্টেম্বর আপ্যায়ন ব্যয় হয় ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২০ টাকা।

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান
অনির্বাচিত কাউকে দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা
নৌকায় ভোটের ওয়াদা চাই: শেখ হাসিনা
নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mujibnagar University is located in Meherpur

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় ফাইল ছবি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে মেহেরপুর জেলা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ লক্ষ্যে একটি বিল পাস হয়েছে।

অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবঈ পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য।

আচার্য নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ দেবেন। কোনো ব্যক্তি একাদিক্রমে বা অন্য কোনোভাবে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদের বেশি নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। আচার্য যেকোনো সময় উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী, সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে নির্বাচিত হতে প্রার্থী হতে চাইলে ওই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনে আচার্যের অনুমোদন নিয়ে ‘বিজনেস ইনকিউবেটর’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। বিজনেস ইনকিউবেটর হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত কোনো বিজনেস ইনকিউবেটর, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সব সহযোগিতা দেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কর্তৃক কোনো উদ্ভাবন, মেধাস্বত্ব, আবিষ্কার বা প্রক্রিয়া, বাজারজাত এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সহযোগিতা প্রদান।

আরও পড়ুন:
সবার জন্য পেনশন, সংসদে বিল পাস
সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা
দেশে শনাক্ত এইচআইভি রোগী ৯৭০৮
পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসে ১০ বছরের কারাদণ্ড
বিদেশে বাড়ি-গাড়ির খবরের সত্যতা জানতে চান চুন্নু

মন্তব্য

p
উপরে