× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two attacks led by Juba League leader in Christian village
google_news print-icon

খ্রিস্টান পল্লীতে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দুই দফা হামলা

খ্রিস্টান-পল্লীতে-যুবলীগ-নেতার-নেতৃত্বে-দুই-দফা-হামলা
সোমবার রাত ও মঙ্গলবার সকালে দুেই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
চাটমোহর থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আগেও অনেক অভিযোগ ছিল। সবশেষ ঘটনার অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

পাবনার চাটমোহর উপজেলার জগতলা খ্রিস্টান পল্লীতে অনুষ্ঠিত একটি বিয়ে বাড়িতে স্থানীয় যুবলীগের দুই নেতার নেতৃত্বে দুইবার হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার রাত ও মঙ্গলবার সকালে এ হামলা চালানো হয় বলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ।

এ অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে বিয়ে বাড়ি ও এর আশপাশে বেশকিছু পুলিশ সদস্যকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। পুলিশ পাহারায় অনুষ্ঠিত হয় বিয়ের কার্যক্রম।

হামলাকারীরা হলেন- মূলগ্রাম ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি জগতলা গ্রামের মৃত নূরুজ্জামানের ছেলে আমির হোসেন ও ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য একই গ্রামের নূর সালামের ছেলে রবিউল ইসলাম।

জগতলা গ্রামের সুব্রত গোমেজ জানান, তার ভাই মৃত সুবল গোমেজের ছেলে সনির বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল মঙ্গলবার।

এ জন্য সোমবার রাতে গায়ে হলুদ উপলক্ষে সনির বাড়িতে পরিবারের ছেলেমেয়েরা নাচ-গান করছিল।

আনুমানিক ১১টার দিকে আমির হোসেন নেশাগ্রস্থ অবস্থায় সেখানে উপস্থিত হয়ে নাচে অংশ নিতে চাইলে বয়োজ্যেষ্ঠরা তাকে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুব্রতকে মারধর করার পাশাপাশি হুমকি-ধামকিও দেন আমির। পরে তার সঙ্গে কয়েকজন সহযোগীও এসে যোগ দেন।

বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মঙ্গলবার সকালে এর মীমাংসার কথা হয়।

কিন্তু রাত ২টার দিকে আমির আলীর সহযোগী রবিউল ওই বাড়িতে আসেন এবং আবারও হট্টগোল শুরু করেন। এ সময় চেয়ার প্লেট ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে।

মঙ্গলবার সকালে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য গীর্জায় যাওয়ার পথে আমির ও রবিউল সহযোগীদের নিয়ে আবারও হামলা চালান। এ সময় তারা ভ্যান থেকে নামিয়ে বর ও কনে পক্ষের জন কস্তা, শ্রাবন কস্তা, বিশাল কস্তা, জেকসন ক্রুজ, প্রত্যয় গোমেজ, ট্যারেস রিবেরু সহ আরও কয়েকজনকে মারধর করেন।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। আমি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত কোনো সমস্যা নেই। যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আগেও অনেক অভিযোগ রয়েছে। সবশেষ ঘটনার অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু
যুবলীগ নেতার চোখ উপড়ে ফেলা আসামি গ্রেপ্তার
বাসে পিষ্ট যুবলীগ নেতা
যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ
যুবলীগের চেকপোস্ট থেকে সাংবাদিকের ওপর হামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Rickshaw driver arrested while casting fake vote in Kurigram

কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক

কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক আটক আবুল কালাম। ছবি: নিউজবাংলা
প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আবুল কালাম একবার এসে ভোট দিয়ে গেছেন। পরে আরও একবার ভোট দিতে আসলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আটক করে। পরে তাকে ১৫ দিনের জেল দেয়া হয়েছে।’

কুড়িগ্রামে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে জাল ভোট দিতে যাওয়া এক রিকশা চালককে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের থেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আটক করা হয়।

আটক আবুল কালাম (৩৫) ওই ইউনিয়নের কুমার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

থেতরাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আবুল কালাম একবার এসে ভোট দিয়ে গেছেন। পরে আরও একবার ভোট দিতে আসলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আটক করে। পরে তাকে ১৫ দিনের জেল দেয়া হয়েছে।’

এ ছাড়াও ওই উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের দলদলিয়া আদর্শ হাইস্কুল কেন্দ্রে দলদলিয়া গ্রামের ফেরদৌস হাসান (১৮) নামে একজনকে আটক করার কথা নিশ্চিত করেন প্রিজাইডিং অফিসার শামসুল আলম।

তিনি বলেন, ‘যুবককে আটকিয়ে রাখা হয়েছে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে বজরা ইউনিয়নের খামার বজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তাসরিফ আলম আমিন নামে একজন জাল ভোট দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার সালগিরা।

আরও পড়ুন:
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার
‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান
আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় মিয়ানমারের একজনসহ আটক ৪
৬১৫ কেন্দ্রে ব্যালট যাবে আগের দিন, বাকিগুলোতে ভোটের সকালে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A league leader sentenced to prison for beating up an opponents agent

প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড

প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড বাগেরহাটের একটি উপজেলায় ভোট চলছে। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার ভোট চলাকালে বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে এই দণ্ড দেন।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর এজেন্টকে মারধর করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ায় একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোট চলাকালে বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করে এই দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত প্রফুল্ল কুমার মন্ডল (৭০) চিতলমারীর চরবানিয়ারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি। উপজেলার ৩৫ নম্বর চর ডাকাতিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিপক্ষের একজনকে মারধর করেন তিনি।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বাগেরহাটের ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী এই তিন উপজেলায় ভোট হচ্ছে মঙ্গলবার। ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ বেশ কিছু কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘলাইন লক্ষ্য করা গেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
8 women who were trafficked to India returned home

দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৮ নারী

দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৮ নারী ভারতে পাচার হওয়া আটজন বাংলাদেশি নারী সোমবার দেশে ফিরেছেন। ছবি: নিউজবাংলা
ইমিগ্রেশনের ওসি আযহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই নারীরা বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হয়ে যায়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।’

বিভিন্ন সময় ‘ভালো চাকরির আসায়’ অবৈধ পথে ভারতে পাচারের শিকার আটজন বাংলাদেশি নারীকে দুই বছর পর বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশনের পুলিশ।

সোমবার বিকেলে নো ম্যানস ল্যান্ডে বিজিবি ও পুলিশ উপস্থিত থেকে তাদেরকে গ্রহণ করেন।

এ সময় ইমিগ্রেশনের ওসি আযহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই নারীরা বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হয়ে যায়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, এখানে দুটি এনজিও সংস্থাও কাজ করেছে তাদের দেশে আনার ব্যাপারে।

ইমিগ্রেশনে তাদের কার্যক্রম শেষে করে পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
গরু পাচারকারী চক্র ও ডাকাতদলের গোলাগুলি, নিহত ১
ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন গাজার নারীরা: ইউএনআরডব্লিউএ
শাহ আমানত বিমানবন্দরে এক কেজি স্বর্ণসহ ৩ যাত্রী আটক
মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ আটক ২
ভুয়া ইমেইল খুলে জবি উপাচার্যের নামে স্ক্যাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 killed in a covered van collision in Srinagar

শ্রীনগরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২

শ্রীনগরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২

প্রতীকী ছবি
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। আহত হেলপারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পর মারা যান।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রসওয়েতে শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ভূইচিত্র কবরস্থানের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের কলেজপাড়া এলাকার আনছার আলীর ছেলে সেলিম (৩৫) ও একই এলাকার রঘুনাথ পুরের মোমিন মন্ডলের ছেলে রাব্বি (২০)।

জানা গেছে, মাওয়াগামী ধানের কুড়া বোঝাই একটি ট্রাক (ঢাকা মট্রা ট- ২০৯৬৮০) ষোলঘর ভূইচিত্র কবরস্থানের সামনে এসে চাকা পাংচার হয়। চালক ও হেলপার ট্রাকটি সড়কের পাশে রেখে চাকা ঠিক করছিলেন। এমন সময় পেছনে থেকে আসা কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মট্রা চ- ১৩-৮৭৮৯) কুড়া বোঝাই ট্রাকটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দিল ঘটনাস্থলেই ট্রাক চালকের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনা স্থলে এসে গুরুতর আহত হেলপারকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নেন।

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। আহত হেলপারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার পর মারা যান।

হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার এসআই মো. জামিরুল জানান, কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছেন। মরদেহ দুটি হাইওয়ে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lifetime for women in drug cases

মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন

মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন 
আদালতরে রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়া হয়েছে সিমা খাতুনকে। ছবি: নিউজবাংলা
সোমবার দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফিরোজ কবীর এই আদেশ দেন।

গাইবান্ধায় মাদক মামলায় এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার দুপুরে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফিরোজ কবীর এই আদেশ দেন।

আদালত এ সময় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় ওই মামলার আরেক আসামি ময়নুল ইসলামকে খালাস দিয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ৪১ বছর বয়সী সিমা খাতুন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চরমগাছা পারবর্তীপুর খোকন মোল্লার স্ত্রী।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বদরুন্নাহার বেবি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত এবং মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ১০০ গ্রাম হিরোইন ও ছয় বোতল ফেনসিডিলসহ সিমা খাতুনকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মায়ামনি হোটেলের সামনে থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়।

ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে স্বাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার আদেশ দেয় আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে, তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

আইনজীবী বদরুন্নাহার বেবি বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে স্বাক্ষ্য প্রমাণে ঘটনার সত্যতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সিমা নামের এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিচারক এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New polarization in Sylhet Awami League

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ
নাসির উদ্দিন (বাঁয়ে) ও মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। কোলাজ: নিউজবাংলা
সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভের পর সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরিতে সচেষ্ট হন তিনি। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

ভেতরে ভেতরে সিলেট আওয়ামী লীগের নতুন মেরুকরণ আর বিরোধ চলছিল বছরখানেক ধরেই। বিশেষত গত জুনে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে।

সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভের পর সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরিতে সচেষ্ট হন তিনি। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

এ থেকেই দেখা দেয় বিরোধ। তবে এই বিরোধ এতোদিন গোপনেই ছিল। প্রকাশ্যে ঐক্যের সুরই উচ্চারিত হচ্ছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে। তবে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে সম্প্রতি সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান এবং সিলেট সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর দুটি পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে।

কারো নাম উল্লেখ না করেই সিলেট আওয়ামী লীগের এই দুই প্রভাবশালী নেতা সম্প্রতি পরষ্পরকে বিষাদাগার করে বক্তব্য দেন। এতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে সিলেট আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ আর নতুন মেরুকরণ।

সিলেটে আওয়ামী লীগে বিভক্তি দীর্ঘদিনের। এক সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ ও সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী গ্রুপে বিভক্ত ছিল সিলেট আওয়ামী লীগ। কথিত রয়েছে, এই দুই প্রভাবশালী নেতার বিরোধের কারণে তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও সিলেটে কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর স্পিকার গ্রুপের হাল ধরেন সাবেক মন্ত্রী ও ডাকসাইটে রাজনীতিক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সিলেটে আওয়ামী লীগ বিভক্ত হয়ে পড়ে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তৎকালীন সিটি মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান বলয়ে। তবে সরকার ও দলে মুহিতের প্রভাবের কারণে সেসময় কামরান অনুসারীরা তেমন সুবিধা করতে পারেননি।

এসব প্রভাবশালী নেতাদের প্রয়াণে সিলেটে আওয়ামী লীগে নেতৃত্বশূন্যতা দেখা দেয়। এতে অভ্যন্তরীণ বিরোধও অনেকটা কমে আসে। তবে সিলেটে আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ দেখা দেয় নগরের রাজনীতিতে হঠাৎ করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী আর্ভিভূত হওয়ার পর।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান প্রবাসে থেকেও অনেকদিন ধরেই সিলেটের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু নীতিনির্ধারক পর্যায়ে ছিলেন না কখনোই। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর-বালাগঞ্জ) আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

গত সিলেট সিটি নির্বাচনে চমক হিসেবে হাজির হন আনোয়ারুজ্জামান। আওয়ামী লীগের স্থানীয় ডাকসাইটে নেতাদের টপকে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পান তিনি। বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনে সহজেই জয় পান আনোয়ারুজ্জামান। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর দলের কোনো পদে না থেকেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় হন বঙ্গবন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত এই নেতা। গড়ে তোলেন নিজস্ব বলয়।

সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে নিজের প্রভাবের প্রমাণও দেন আনোয়ারুজ্জামান। এই নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট-৩ আসন থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সুনামগঞ্জ-১ আসন থেকে রনজিত সরকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই তিনজনই আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বন্ধু। তাদের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া থেকে শুরু করে নির্বাচনে জয়লাভ পর্যন্ত আনোয়ারুজ্জামান বিশেষ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা রয়েছে।

এরপর থেকেই সিলেটে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন আনোয়ারুজ্জামান। আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাও আনোয়ার বলয়ে যুক্ত হন। এই সময়ে সরকার এবং প্রশাসনে নিজের প্রভাবেরও জানান দেন আনোয়ারুজ্জামান।

সর্বশেষ গত মাসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আপত্তি সত্ত্বেও ১১ বছর পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। এতে আনোয়ারুজ্জামান বিশেষ ভূমিকা ছিল বলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা জানিয়েছেন।

হঠাৎ এসে সিলেটের রাজনীতিতে আনোয়ারুজ্জামানের এই আধিপত্য নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই। ভেতরে ভেতরে তারা ক্ষুব্ধ থাকলেও এ ব্যাপারে এতোদিন প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি। তবে ছাইচাপা এই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যন নাসির উদ্দিন খানের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে।

গত ১৪ মে সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে কারো নাম উল্লেখ না করেই নাসির উদ্দিন খান বলেন, ‘অনেকে বিদেশে বসে মাল কামিয়েছেন। অনেক আন্দোলন করেছি। আজ মনে হয়, আমরা পরগাছা। সুবিধাভোগীরা অনেকে জনপ্রতিনিধি হয়ে গেছেন। এখন কেউ কেউ মনে করেন, তার বাবার সম্পত্তি হয়ে গেছে সিলেট। আমরা টাকা খরচ করে অনেককে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছি। সেটা ভুললে চলবে না। আমার পাওয়ার আছে, আমার অমুক আছে-তমুক আছে, সেটা থাকবে না। জনগণ যদি না থাকে, সংগঠন যদি না থাকে কারও অস্তিত্ব থাকবে না। রাজনীতিতে দুঃসময় এলে তারা থাকবে না, আমাদের দেশে থাকতে হবে– আমাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। আমি বললাম, তারা চলে যাবে।’

নাসির উদ্দিন খান কারো নাম উল্লেখ না করলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই বলছেন, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করেই এমনটি বলেছেন নাসির।

নাসির যে অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য রাখেন সে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা।

নাসিরের এই বক্তব্যের চারদিন পর গত শনিবার (১৮ মে) সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, নেতাকর্মীদের নির্যাতন করে নিজেদের নবাব ভাববেন না। কার দৌড় কতটুকু জানা আছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে বলতে চাই না।

এ সময় মেয়র আরও বলেন, কে কী বলল, তা দেখার বা শোনার সময় নেই। সবাই ঠান্ডা মাথায় মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। আপনারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, শেষ হাসিনার একনিষ্ঠ কর্মী। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

নিজের বক্তব্যে মেয়র কারো নাম উল্লেখ না করলেও তার এই বক্তব্যের সাথে ১৪ মে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খানের দেওয়া বক্তব্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী।

চারদিন আগে নাসির উদ্দিন খানের এমন বক্তব্যে নিয়ে সিলেটের রাজনীতিতে তুমুল আণোচনার মধ্যেই ‘কার দৌড় কতটুকু জানা আছে’ বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন আনোয়ারুজ্জামান।

সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদকীয় পদের চারজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোননয় প্রত্যাশী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রায় এক ডজন নেতা। তাদের টপকে প্রবাস থেকে এসে দলীয় মনোনয়ন পান আনোয়ারুজ্জামান। এতে ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ শীর্ষ নেতা। নির্বাচনে জয়ের পর দলেও প্রভাব বিস্তার শুরু করেন তিনি। এতে তার উপর ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। তবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে ঘনিষ্টতার কারণে তার বিরুদ্ধে এতোদিন কেউ মুখ খোলেননি। নাসির উদ্দিনের বক্তব্য এই ক্ষোভেরই বহিপ্রকাশ।

তবে এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি ব্যক্তিবিশেষকে উদ্দেশ করে কথা বলিনি। যারা দলকে মূল্যায়ন করে না, উড়ে এসে জুড়ে বসে, তাদের অবস্থান স্থায়ী হয় না- এটিই বোঝাতে চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে কর্মী ও দলকে মূল্যায়ন করতে হবে। হাওয়ার ওপর চললে হবে না। আমার এমন বক্তব্য যদি কারও গায়ে লাগে, বলার কিছু নেই।’

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দলে কোনো বিরোধ নেই জানিয়ে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ বলেন, আমাদের মধ্যে মতের অমিল হতে পারে তবে কোনো বিরোধ নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সিলেট আওয়ামী লীগ পরিবার ঐক্যবদ্ধ। তবে যারা বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন তাদের কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ কর্মীদের কারণেই আমরা নেতা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Only 3 votes in 2 hours in one center

২ ঘণ্টায় মাত্র ৩ ভোট এক কেন্দ্রে

২ ঘণ্টায় মাত্র ৩ ভোট এক কেন্দ্রে কেন্দ্র ফাঁকা। ছবিটি সকাল ৯টার দিকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তোলা। নিউজবাংলা
ভূঞাপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার লুৎফর রহমান জানান, তার কেন্দ্রে পুরুষ রয়েছে ভোটার ২ হাজার ৫৮টি। বেলা সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রায় ৪২টির মতো ভোট পড়েছে।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে টাঙ্গাইলের কালিহাতী, ভূঞাপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় ভোট চলছে।

এর মধ্যে ভূঞাপুর উপজেলার একটি কেন্দ্রে এক ঘণ্টায় মাত্র দুটি ভোট এবং উপজেলার টেপিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি নারী বুথে দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ৩টি।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের মহিলা বুথ কক্ষে দুটি ভোট পড়েছে বলে জানান সহকারী প্রিসাইডিং অফিসাররা। এর আগে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

এ ছাড়া কেন্দ্রের একটি পুরুষ কক্ষে ভোট পড়েছে ১২টি। অপরদিকে, ভূঞাপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নারী কক্ষে ভোট পড়েছে ২২টি এবং পুরুষ একটি কক্ষে ভোট পড়ে ৪৮টি ওপরে।

টেপিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে মোট ১১টি বুথের দুটিতে ভোট পড়েছে ২৩২টি। তার মধ্যে এই কেন্দ্রের একটি কক্ষের নারী বুথে ২ ঘণ্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ৩টি। একই চিত্র বলরাম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি। এ কেন্দ্রে ২ ঘণ্টায় একটি বুথে ভোট পড়েছে ৪টি।

ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন, সকাল বেলা ভোটার উপস্থিতি কম দেখা গেছে। তাই কম ভোট পড়ছে।

তিনি জানান, তার কেন্দ্রে নারীর ভোটার রয়েছে ২ হাজার ৬৮৮টি।

ভূঞাপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার লুৎফর রহমান জানান, তার কেন্দ্রে পুরুষ রয়েছে ভোটার ২ হাজার ৫৮টি। বেলা সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রায় ৪২টির মতো ভোট পড়েছে।

টেপিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. জাফর ইকবাল জানান, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে। তবে, ভোটারের উপস্থিতি সন্তোষজনক না। একটি নারী বুথে ২ ঘণ্টায় ৩ ভোট পড়ে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে। বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছি।

মন্তব্য

p
উপরে