× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
December 30 is Expatriate Day
google_news print-icon

৩০ ডিসেম্বর প্রবাসী দিবস

৩০-ডিসেম্বর-প্রবাসী-দিবস
মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার। ছবি: সংগৃহীত
এখন থেকে প্রতি বছর ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় প্রবাসী দিবস উদযাপন করা হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সরকার ৩০ ডিসেম্বরকে জাতীয় প্রবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মঙ্গলবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে সভার বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে প্রতি বছর ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় প্রবাসী দিবস উদযাপন করা হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

‘একই সঙ্গে দিবসটি উদযাপনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এ বিষয়ক পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে তা অন্তর্ভুক্তকরণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।’

আরও পড়ুন:
মধ্যপ্রাচ্যে নির্ধারণ হচ্ছে বাংলাদেশিদের সর্বনিম্ন বেতনসীমা
বিজয়ের মাসে রেমিট্যান্সে ফের ঊর্ধ্বগতি
১০৭ টাকার বেশি দরে রেমিট্যান্স আনছে কয়েকটি ব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Fire service is ready for the safety of people at home on Eid

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তা সেবায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ টহল ইউনিট। ১০ জুন শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনা সংক্রান্ত নিরাপত্তায় সার্বিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ঢাকা ও এর আশপাশে আটটি পয়েন্টে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ টহল ইউনিট। ১০ জুন শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।

ঈদে বাড়ি যাওয়ার পথে এবং ঈদ উদযাপন শেষে বাড়ি থেকে ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো পরিস্থিতি বা দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় দ্রুত বা তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদানের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ফায়ার সার্ভিস।

যেসব স্থানে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে সেগুলো হলো : সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌটহল, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল, মাওয়া ফেরি ঘাট, পাটুরিয়া ফেরি ঘাট, আরিচা লঞ্চ বা ফেরি ঘাট, নারায়ণগঞ্জের হাজিগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট, নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল ও বন্দর ঘাট।

এসব স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক জনবলসহ সাজ-সরঞ্জাম যেমন রেসকিউ বোট, ডুবুরি ইউনিট, বয়া, ফায়ার পাম্প, সেফটি ভেস্ট, থ্রোইং ব্যাগ, লাইফ জ্যাকেট, মেগা ফোন, ফোল্ডিং স্ট্রেচার, ফাস্ট এইড বক্স, রেইন কোট, উদ্ধার সরঞ্জাম ইত্যাদি মজুদ রাখা আছে। তবে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবল ও সরঞ্জামের সংখ্যা কম-বেশি রয়েছে।

বিভিন্ন জোনের উপসহকারী পরিচালক ও সিনিয়র স্টেশন অফিসারগণ এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম তদারকি করবেন। আশপাশের ফায়ার স্টেশনগুলো এ সময় স্ট্যান্ডবাই ডিউটিরত থাকবে। এর পাশাপাশি সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনে সার্বক্ষণিক একটি রিজার্ভ টিম মোতায়েন থাকবে। এ সময় টহল ডিউটি নিয়োজিত থাকবে কমলাপুর, বিমানবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনে; ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, পাটুরিয়াঘাট রোড এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে। হাতির ঝিলেও ডুবুরিসহ একটি টহল ইউনিট নিয়োজিত থাকবে।

এছাড়া ঈদের দিন জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম, বঙ্গভবন ও গণভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ইউনিট মোতায়েন থাকবে।

উল্লেখ্য, অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার করতে ঢাকার পাশাপাশি একই ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও। ফায়ার সার্ভিসের যেকোনো সহযোগিতার জন্য এ সময় হটলাইন নম্বর ১০২ ও ১৬১৬৩, নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন, কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার কোথায় কোথায় বসছে কোরবানির পশুর হাট
গাবতলী পশুর হাটে ক্রেতার অপেক্ষায় বেপারিরা
পশুর হাট বসানো নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে গুলি, আহত ১০
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BRTC Eid Special Bus Service from June 13

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে
ঈদযাত্রায় স্পেশাল বাস সার্ভিসের অগ্রিম টিকিট সোমবার বিক্রি শুরু করেছে বিআরটিসি। ঢাকার মতিঝিল, জোয়ার সাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ (চাষাঢ়া) বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট কেনা যাচ্ছে।

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের আরামদায়ক ও নির্বিঘ্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ১৩ জুন বুধবার থেকে ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস পরিচালনা করবে।

সে লক্ষ্যে সোমবার শুরু হয়েছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এই টিকিট বিক্রি চলবে ১৮ জুন পর্যন্ত।

রাজধানী ঢাকার মতিঝিল, জোয়ার সাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপোসহ (চাষাঢ়া) বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন যাত্রীরা।

বিশেষ রুট এবং বাস ডিপোগুলো হলো-

মতিঝিল ডিপো: ঢাকা-রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, জয়পুরহাট, জামালপুর ও কলমাকান্দা রুট।

কল্যাণপুর ডিপো: ঢাকা-রাজশাহী, নওগাঁ, নেত্রকোণা, সৈয়দপুর, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, নাগরপুর, পাটুরিয়া ও নালিতাবাড়ি রুট।

গাবতলী ডিপো: ঢাকা-রংপুর, ভাটিয়াপাড়া ও পাটুরিয়া রুট।

জোয়ারসাহারা ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, নওগাঁ, ময়মনসিংহ; সিবিএস ২ (গুলিস্তান)-বরিশাল ও বগুড়া রুট।

মিরপুর ডিপো: ঢাকা-ঠাকুরগাঁও, রংপুর, পঞ্চগড়, স্বরূপকাঠি, গোপালগঞ্জ ও বগুড়া রুট।

মোহাম্মদপুর ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, বরিশাল, খুলনা, গোপালগঞ্জ ও ময়মনসিংহ রুট।

গাজীপুর ডিপো: গাজীপুর-খুলনা, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহ রুট।

যাত্রাবাড়ী ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, খুলনা, কুড়িগ্রাম, ভাঙ্গা ও বরিশাল রুট।

নারায়ণগঞ্জ ডিপো: ঢাকা-ভাঙ্গা (ফরিদপুর), বরিশাল, হবিগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, নওগাঁ, নেত্রকোনা ও বগুড়া রুট।

কুমিল্লা ডিপো: কুমিল্লা-সিলেট ও সুনামগঞ্জ রুট।

নরসিংদী ডিপো: ঢাকা-পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, নওগাঁ ও বগুড়া রুট।

সিলেট ডিপো: সিলেট-চট্টগ্রাম, লক্ষীপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর ও তারাকান্দি রুট।

দিনাজপুর ডিপো: দিনাজপুর-ঢাকা (গাবতলী) রুট।

সোনাপুর ডিপো: সোনাপুর-চট্টগ্রাম ও বরিশাল রুট।

বগুড়া ডিপো: বগুড়া-রংপুর রুট।

রংপুর ডিপো: রংপুর-মোংলা ও ঢাকা রুট।

খুলনা ডিপো: খুলনা-ঢাকা, শ্যামনগর-কিশোরগঞ্জ ও রংপুর রুট।

পাবনা ডিপো: পাবনা-গাজীপুর চৌরাস্তা রুট।

ময়মনসিংহ ডিপো: ঢাকা-ময়মনসিংহ, ফুলপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম রুট।

চট্টগ্রাম ডিপো: চট্টগ্রাম-রংপুর, বরিশাল, ভোলা (চরফ্যাশন), মজু চৌধুরীর হাট ও চাঁদপুর রুট।

টুঙ্গীপাড়া ডিপো: ঢাকা-পাটগাতি রুট।

বরিশাল ডিপো: বরিশাল-ঢাকা ও রংপুর রুট।

পাশাপাশি বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের বাস রিজার্ভের জন্য যেসব নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে সেসব বাস ডিপোর ম্যানেজারের (অপারেশন) ফোন নম্বরগুলো হলো-

মতিঝিল: ০১৭১৮-১৮৩৫৮৯, কল্যাণপুর: ০১৭১৫-৬৫২৬৮৩, গাবতলী: ০১৭১৭-৭৬৩৮২০, জোয়ারসাহারা: ০১৭১৬-৬৮৪১৪৪, মিরপুর: ০১৭৪০-০৯৮৮৮৮, মোহাম্মদপুর: ০১৭১০-৮১৫৮৫৬, গাজীপুর: ০১৯৬৪-৩৭৭৯৭৫, যাত্রাবাড়ী: ০১৭১১-৩৯১৫১৪, নারায়ণগঞ্জ: ০১৯১৯-৪৬৫২৬৬, কুমিল্লা: ০১৭৩৬-৯৮৪৯৩৫, নরসিংদী: ০১৯১২-৭৭০৮৬৪, দিনাজপুর: ০১৭১২-৩৮২১৪৪, সোনাপুর: ০১৯১৬-৭২১০৪৪, বগুড়া: ০১৯১৩-৭৪১২৩৪, রংপুর: ০১৮১৪-৪৯৮৬৬১, খুলনা: ০১৭১৫-১০৩৪২৪, ময়মনসিংহ: ০১৭৫৮-৮৮০০১১, চট্টগ্রাম: ০১৭৯৮-১৩১৩১৩, টুঙ্গীপাড়া: ০১৭১২-১৮৭৭৯০, বরিশাল: ০১৭১১-৯৯৮৬৪২ ও ও সিলেট: ০১৭১০-৩৫৮১৪২।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Drug protest through painting

চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে মাদকের প্রতিবাদ

চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে মাদকের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা এবং জনসচেতনতা তৈরিতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক পাঠশালার উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা এবং জনসচেতনতা তৈরিতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক পাঠশালার উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে৷

এসপি চিত্রালয় আর্ট স্কুলে শনিবার বিকেলে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ বিকাশ কান্তি দাশ ও সাংবাদিক ইউসুফ বিন হোসাইন।

মাদকবিরোধী এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা মাদকের ভয়াল থাবা ও সামাজিক অবক্ষয়কে চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরে।

শিল্পের ছোঁয়ায় মাদকবিরোধী এই নীরব প্রতিবাদকে মানবিক পাঠশালার একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ আখ্যা দিয়ে সমাজকর্মী ও সাংবাদিক ইউসুফ বিন হোসাইন সব শিক্ষার্থীকে মাদকবিরোধী শপথ পাঠ করান।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এক শিক্ষার্থীর অভিব্যক্তি, ‘এই প্রথম মাদকবিরোধী প্রতিবাদ জানিয়ে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে অনেক কিছু জানার সুযোগ হয়েছে। সব বন্ধুকে নিয়ে মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ করেছি। এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

মাদকের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিকাশ কান্তি দাশ বলেন, ‘পরিবার ও সমাজের জন্য মাদক হুমকিস্বরূপ। মাদকাসক্ত ব্যক্তি অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড করতে কোনো দ্বিধা করে না এবং মাদকাসক্তি সমাজে অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধিসহ শৃঙ্খলা নষ্ট করে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অলিগলি ও পাড়া-মহল্লায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাদকাসক্তের সংখ্যা। মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা সমাজে ভয়ংকর রূপ ধারণ করবে।

মানবিক পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তাছিন রাজ্জাক আলভি জানান, মাদকবিরোধী চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয় এবং মাদক থেকে দূরে থাকতে শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়।

মানবিক পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়ক ইরানুল ইসলাম বলেন, ‘মানবিক পাঠশালা শুধু একটি সংগঠনই নয়, একটি সামাজিক আন্দোলনও। এই সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম হচ্ছে মাদকবিরোধী আন্দোলন। মানবিক পাঠশালার উদ্যোগে মাদকবিরোধী এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবিক পাঠশালার সদস্য মেহেদী ইকবাল ইমন, আরশাদুল ইসলাম আপনসহ সংগঠনের অন্য নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Safe Motherhood Day is Tuesday

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ
গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ মঙ্গলবার। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব।

দেশব্যাপী নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর থেকে নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৮ মে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এ বিষয়ে অনুমোদন দিলে পরের বছর থেকে দেশব্যাপী দিবসটি পালন শুরু হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kamal loadshedding in Barrister Sumans attempt
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুর

ব্যারিস্টার সুমনের চেষ্টায় কমল লোডশেডিং

ব্যারিস্টার সুমনের চেষ্টায় কমল লোডশেডিং
এমপি সুমন বলেন, ‘গ্যাস সংযোগ না থাকায় নসরতপুর ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এতোদিন বন্ধ ছিল। গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রটি চালু হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আর আগের মতো অতটা লোডশেডিং হবে না।’

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপির প্রচেষ্টায় বিদ্যুতের লোডশেডিং থেকে অনেকটাই রক্ষা পেয়েছে চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষ। চালু হয়েছে বন্ধ থাকা ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। বিষয়টি এক ভিডিও বার্তায় নিশ্চিত করেছেন তিনি।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নসরতপুরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সম্প্রতি চালু হয়েছে। এতে করে ব্যারিস্টার সুমন এমপির সংসদীয় এলাকায় আগের তুলনায় লোডশেডিং কমেছে। আগে এখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫-১৬ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকতো না। বর্তমানে দিন-রাত মিলে ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন ওই এলাকার মানুষ। প্রচণ্ড গরমের এই সময়ে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং কমে আসায় জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি।

পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় অতীষ্ঠ হয়ে এমপি সুমনের কাছে এর সমাধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হন চুনারুঘাট-মাধবপুরবাসী। তিনি নিজ সংসদীয় এলাকার জনগণের বিদ্যুৎ-ভোগান্তির খবর শুনে ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় লোডশেডিং কমানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সমাধান না হলে তিনি মহাসমাবেশের ডাক দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

পরবর্তীতে ব্যারিস্টার সুমনের ঐকান্তিক চেষ্টায় ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে আসে।

ভিডিও বার্তায় এই খবর দিতে গিয়ে এমপি সুমন বলেন, ‘গ্যাস সংযোগ না থাকায় নসরতপুর ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এতোদিন বন্ধ ছিল। গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রটি চালু হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আর আগের মতো অতটা লোডশেডিং হবে না।

‘যদি আবারও অসহনীয় লোডশেডিং হয়, তবে পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে।’

পরিশেষে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রচণ্ড গরমে দেড় হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং, দুর্ভোগে মানুষ
লোডশেডিংয়ে বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় শেরপুরের কৃষকরা
এক হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং, গ্রামাঞ্চল বিদ্যুৎবঞ্চিত
তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা
তীব্র লোডশেডিং, পানির সংকটে অতিষ্ঠ সিলেটবাসী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cultivation of Philippine foreign variety MD 2 pineapple started in Comilla

ফিলিপাইনের আনারস চাষ কুমিল্লায়

ফিলিপাইনের আনারস চাষ কুমিল্লায় কুমিল্লায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ফিলিপাইনের আনারসের জাত এমডি-২ চাষ শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের উপপরিচালক আইয়ুব মাহমুদ বলেন, ‘এমডি-২ জাতের আনারসের আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক সুনাম আছে। বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকায় বেশ জনপ্রিয়। এ জাতের আনারস দেশীয় আনারসের তুলনায় অনেক বেশি মিষ্টি।’

কুমিল্লা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে জেলায় শুরু হয়েছে আনারসের ফিলিপাইনের একটি জাত।

এ উদ্যোগে ‍যুক্ত একজন কৃষি কর্মকর্তা জাতটির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, এ বছর আনারস চাষ সফল হলে আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এ জাতের চাষ করা হবে।

রোপণ করা চারা থেকে আগামী মাস ছয়েকের মধ্যে ফলন পাওয়া যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভাষ্য, বিদেশি আনারসের এ জাতটির নাম এমডি-২। এটির আদি নিবাস ফিলিপাইন। এর আগে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় এ জাতের আনারস চাষ হয়েছে। এ আনারসের চামড়া পাতলা ও প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয়ের উপপরিচালক আইয়ুব মাহমুদ বলেন, ‘এমডি-২ জাতের আনারসের আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক সুনাম আছে। বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকায় বেশ জনপ্রিয়। এ জাতের আনারস দেশীয় আনারসের তুলনায় অনেক বেশি মিষ্টি।

‘এ আনারস দ্রুত পচে না। প্রথমবারের মতো এ বছর আমরা পুরো কুমিল্লা জেলায় দেড় হাজার চারা বিতরণ করেছি। জেলায় আদর্শ সদর, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, সদর দক্ষিণ ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় বেশ কিছু টিলা ও পাহাড় রয়েছে। ছাড়াও লালমাই পাহাড়কে টার্গেট করে আমরা চারা বিতরণ করেছি। আশা করছি কুমিল্লার মাটি ও আবহাওয়া এমডি ২ জাতের আনারস চাষে বেশ উপযোগী হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফলন ভালো পাওয়া যাবে। এ বছর আমরা সফল হলে আমাদের আগামী বছরে আরও ব্যাপকভাবে এমডি-২ জাতের আনারস চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Crowds to watch the Eid festival of farmers and farmers in Kurigram

কুড়িগ্রামে কিষাণ-কিষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড়

কুড়িগ্রামে কিষাণ-কিষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড় কোলাজ: নিউজবাংলা
কৃষকদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করে  ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) নামে একটি সামাজিক সংগঠন। মূলত কৃষকদের ঈদকে প্রাণবন্ত করতে এ উৎসবের আয়োজন করে সংগঠনটি।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় ঈদ উৎসবে কিষান-কিষানিদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। সেসব খেলা দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজারো দর্শনার্থী এস ভিড় জমায়।

কৃষকদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করে ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) নামে একটি সামাজিক সংগঠন। মূলত কৃষকদের ঈদকে প্রাণবন্ত করতে এ উৎসবের আয়োজন করে সংগঠনটি। খেলা শেষে ৩৫ জন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

শুক্রবার দিনব্যাপী ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর বড়ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসব খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামে কিষাণ-কিষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড়

দিনব্যাপী চলা অনুষ্ঠানে প্রায় ২২ ধরনের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল হাঁড়ি ভাঙা, বালিশ খেলা, সুঁইসুতা, সাঁতার, তৈলাক্ত কলাগাছ বেয়ে চড়া, স্লো সাইকেল রেস, বেলুন ফাটানো এবং কিষানিদের বল ফেলা, বালিশ খেলা এবং যেমন খুশি তেমন সাঁজোসহ আরও অন্যান্য খেলা। এসব খেলায় অংশ নেন বিভিন্ন বয়সের শতাধিক কিষান-কিষানি।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আইনুল ইসলাম, সাংবাদিক শফি খান, রংপুর বিভাগীয় হিসাবরক্ষক সাইদুল হক, ফুল-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের প্রমুখ।

খেলা দেখতে আসা ময়নাল হক বলেন, ‘গ্রামে এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে কৃষকদের হাঁড়ি ভাঙা, সাইকেল খেলা দেখে। এছাড়া কিষানিদের সুঁইসুতা খেলা ও বালিশ খেলা ছিল বেশ আনন্দের।’

কুড়িগ্রামে কিষাণ-কিষাণীর ঈদ উৎসব, দেখতে ভিড়

কৃষক নুর ইসলাম বলেন, ‘কৃষকদের নিয়ে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন সত্যি ভালো লেগেছে। আমরা এখানে শতাধিক কিষান-কিষানি আজকের খেলায় অংশ নিয়েছি। খু্ব ভালো লেগেছে।’

ফুল-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, ‘কৃষক হাসলে বাংলাদেশ হাসে- এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে দিনব্যাপী শতাধিক কিষান-কিষানিকে নিয়ে প্রায় ২২টি খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

‘এ খেলার মাধ্যমে সমাজে বাল্যবিয়ে বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে চেষ্টা করেছি। এছাড়া গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতেও এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

মন্তব্য

p
উপরে