× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hundreds still could not vote at the end of time
hear-news
player
google_news print-icon

সময় শেষ, এখনও ভোট দিতে পারেননি শত শত

সময়-শেষ-এখনও-ভোট-দিতে-পারেননি-শত-শত
নির্ধারিত সময় শেষেও বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের এমন দূর্ঘ সারি দেখা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘ভোট গ্রহণ চলমান রয়েছে। কেন্দ্রে ভোটাররা থাকলে ভোট গ্রহণ করা হবে।’

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলার পরও শত শত ভোটার বিভিন্ন কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও নির্দিষ্ট সময়ে ভোট দিতে না পারায় ক্ষুব্ধ তারা।

অনেক ভোটারের অভিযোগ, দুপুরের পর কেন্দ্রে আসার পর বিকাল সাড়ে ৪টায়ও তারা ভোট দিতে পারেননি।

মূলত ইভিএম মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ না মেলা, ভোট দিতে সময় নেয়া, ইভিএম মেশিনে ভোট দিতে ভোটারদের অনভ্যস্ততার জন্য এমন হয়েছে বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।

নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চব্বিশ হাজারী কেন্দ্রে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও শত শত নারী-পুরুষ ভোট দিতে পারেননি।

একই অবস্থা ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও। সেখানে উপস্থিত ভোটারদের কেন্দ্রের ভেতরে নেয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে রাত ১২টা হলেও ভোট নেয়া হবে।

পান্ডার দিঘিতে দেখা গেছে, সেখানেও ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। একই অবস্থা ধাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও।

সময় শেষ, এখনও ভোট দিতে পারেননি শত শত

২৪ হাজারী কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা ভোটার মফিজুর রহমান বলেন, ‘তিন ঘণ্টার বেশি হলো দাঁড়িয়ে আছি। ভোট দিতে পারিনি। কখন দেব জানি না। সারাটা দিন গেল ভোট দিতেই।’

গোকুর চন্দ বলেন, ‘দুপুরের পর আসছি, এখনও লাইনে। কখন ভোট দিতে পারবো জানি না।’

২৪ হাজারী কেন্দ্রের প্রিজাইটিং কর্মকর্তা কানজেউর রহমান বলেন, ‘যারা ইভিএম সম্পর্কে জানে তাদের ভোট দিতে দুই-তিন মিনিট লাগছে। কিন্তু যারা জানে না তাদের ১৫ মিনিট লাগছে। মূলত ভোট দিতে দেরি হওয়ায় এই সমস্যা।’

এদিকে কমিশন থেকে বলা হচ্ছে ভোটাররা যতক্ষণ কেন্দ্রে থাকবেন ততক্ষণ ভোট গ্রহণ করা হবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘ভোট গ্রহণ চলমান রয়েছে। কেন্দ্রে ভোটাররা থাকলে ভোট গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ৪৫% ভোট, ধীরগতির অভিযোগ মানলেন সিইসি
ইভিএম ত্রুটিপূর্ণ, স্লো হচ্ছে ভোটগ্রহণ: মোস্তফার প্রধান এজেন্ট
রংপুরে সাড়ে তিন ঘণ্টায় ১০ শতাংশ ভোট
লাইনে দাঁড়িয়ে কোমর ব্যথা, তাও ভোট দেবেন রিক্তা
রংপুরে উৎসবমুখর ভোট: সিইসি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP leaders and activists are gathering at the gathering place in Khulna

খুলনায় বিএনপির সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন নেতা-কর্মীরা

খুলনায় বিএনপির সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন নেতা-কর্মীরা খুলনায় বিএনপির সমাবেশস্থলে সমর্থকরা। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম বলেন, ‘রাত ১১টা থেকে এখানে নেতা-কর্মীরা আসা শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় নেতারাও চলে এসেছে। বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে দলে দলে নেতা-কর্মীরা আসছে। আশা করি আজকে খুলনাতে জনতার ঢল নামবে।’

খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশস্থলে দলে দলে মিছিল নিয়ে আসছেন নেতা-কর্মীরা। এ ছাড়া সমাবশস্থলে চলে এসেছেন কেন্দ্রীয় নেতারাও। মঞ্চ তৈরির কাজ রয়েছে প্রায় শেষ পথে।

খুলনা মহানগরীর কে ডি ঘোষ রোডের কেসিসি মার্কেট ও জেলা পরিষদ ভবনের সামনে দুপুরের পর শুরু হবে আনুষ্ঠিক সমাবেশ।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম বলেন, ‘রাত ১১টা থেকে এখানে নেতা-কর্মীরা আসা শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় নেতারাও চলে এসেছে। বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে দলে দলে নেতা-কর্মীরা আসছে। আশা করি আজকে খুলনাতে জনতার ঢল নামবে।’

তিনি বলেন, ‘সমাবেশের জন্য আমরা সোনালি ব্যাংক চত্বর অথবা শহীদ হাদিস পার্কের যেকোনো একটি জায়গায় চেয়েছিলাম। তা না দিয়ে আমাদের কেসিসি মার্কেটের কাছে জায়গা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুর থেকে আমরা মাইক টানানো ও রাত থেকে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করেছি। এখন সব কাজ প্রায় শেষের পথে।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিশেষ অতিথি থাকবেন ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও নিতাই রায় চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী, বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কণ্ডু, সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান, সহ-তথ্য সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান, সহ-ধর্ম সম্পাদক অমলেন্দু দাস।

এ ছাড়া বিভাগের ১০ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বয়াক কমিটির সদস্য (মিডিয়া সেলের দায়িত্বে) মিজানুর রহমান মিল্টন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি, আওয়ামী সরকারের দমন পীড়ন, আওয়ামী সন্ত্রাস নির্যাতনের প্রতিবাদ, বিদ্যুৎ গ্যাস ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য কমানোসহ ১০ দফা দাবিতে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সকল বিভাগীয় সদরে এই সমাবেশ পালন করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সপ্তাহব্যাপী খুলনায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া। জেলায় জেলায় হাট-বাজার, জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আজকের সমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আসবে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
উপনির্বাচনে ভোটার নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য বানোয়াট: কাদের
উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
300 Bigha Sarisha village

৩০০ বিঘার 'সরিষার গ্রাম'

৩০০ বিঘার 'সরিষার গ্রাম'
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. এস এম আবু বকর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণে এগিয়ে এসেছেন এ এলাকার কৃষকরা। এখন আর পতিত থাকছে না কোনো জমি।’

‘আগে আমরা চার পাঁচজন সরিষা আবাদ করতাম। এখন অনেক মানুষ সরিষা চাষ করছে, প্রায় দেড়শ জনের মতো। আরও যারা আছেন এখন তারাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন সরিষা আবাদে।’

এমনটাই জানালেন নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের কাচারি পাড়ার সরিষা চাষি হারুন উর রশিদ।

তিনি এবার পাঁচ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছেন। গতবার যেখানে করেছিলেন তিন বিঘা জমিতে।

কৃষক হারুন বলেন, ‘সরিষাতে খরচ চার হাজার টাকার মতো বিঘা প্রতি। ফলন ভালো হয়, দামও ভালো পাওয়া যায়। পাশাপাশি সরিষার টাকা দিয়ে বোরো আবাদ উঠি যায়। সরিষার কোনো কিছু ফেলানি যায় না, গাছ খড়ি এবং খৈল গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। অনেক লাভ সরিষাত।’

আরেক কৃষক আলমগীর ইসলাম বলেন, ‘আমন ও বোরো দুটি ধানই আমরা আবাদ করতাম বছরে। এখন তিনটি ফসল ফলাচ্ছি বছরে। আমন এবং বোরোর মাঝখানের তিন মাস জমি পতিত থাকত। কোনো আবাদ করতাম না। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এই সময়ে সরিষা করছি।

‘সরিষায় খরচ কম। সেচ দিতে হয় না। সার কীটনাশকও তেমন প্রয়োজন হয় না। সরিষা এখন আমাদের পুরো গ্রাম ছড়িয়ে পড়েছে। এবার যারা আবাদ করেননি তারাও আগামীতে সরিষা আবাদ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’

আব্দুস ছামাদ নামে আরেক কৃষক বলেন, ‘সরিষা গ্রামের চিত্র বদলে দিয়েছে। এলাকা পরিদর্শনে আসছেন কর্মকর্তাগণ। অনেকে আসছেন ছবি তুলতে।

‘আর ১৫ দিন পরই সরিষা কাটাই মাড়াই শুরু হবে। গতবার আবাদ একটু কম হলেও এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারও ভালো।’

সরেজমিনে কাচারি পাড়া এলাকা গিয়ে দেখা গেছে, ১৪০ জন কৃষক ৩০০ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করছেন। দুই বিঘা থেকে শুরু করে পাঁচ বিঘা পর্যন্ত সরিষা লাগিয়েছেন জমিতে।

সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় অনেকে পেয়েছেন সার ও বীজ। কৃষি বিভাগের পরামর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সরিষা করেছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ কর্মকর্তারা বলছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয় কৃষকদের।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তালেব বলেন, ‘বিঘা প্রতি ৫ মণ উৎপাদন হবে সরিষা, যেখানে চার হাজার টাকা মণ বিক্রি হবে। বিঘা প্রতি চার হাজার টাকা খরচ হয় একজন কৃষকের। বিপরীতে একজন কৃষকের ধানে বিঘা প্রতি লাভ আসে তিন হাজার টাকার মতো।’

কাচারী পাড়া ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রশিদুল ইসলাম জানান, কৃষকদের নিয়ে আলোচনা করে এবং পরামর্শ দিয়ে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এতে আস্তে আস্তে চাষির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এখন ১৪০ জন কৃষক সরিষা করছেন। এই গ্রাম এখন সরিষা গ্রামে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণ করতে সরিষা আবাদের কোনো বিকল্প নেই এবং কোনো জমি পতিত রাখা যাবে না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা সফল হয়েছি নীলফামারীতে।’

কুন্দপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ইউনিয়নের প্রতি পাড়া মহল্লায় আবাদ হয়েছে সরিষার। সরকারের প্রণোদনা সফল হয়েছে কৃষকরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। দিন দিন চাষির সংখ্যা আরও বাড়বে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. এস এম আবু বকর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণে এগিয়ে এসেছেন এ এলাকার কৃষকরা। এখন আর পতিত থাকছে না কোনো জমি।’

আগামী তিন বছরের মধ্যে সরকারের দেয়া ভোজ্য তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ ভাগ পূরণ করা হবে। ইতোমধ্যে শতকরা ১৪ ভাগ উৎপাদন হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬৭৭৭ হেক্টর জমিতে ৯১০০ টন সরিষায় ৩৬ লাখ ৪০ হাজার লিটার তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সরিষার তেল কি সয়াবিনের বিকল্প হতে পারবে
সয়াবিনের ঘাটতি পূরণে সরিষায় চোখ সরকারের
সরিষা ফুলে রঙিন কৃষকের স্বপ্ন
মাঠের পর মাঠ যেন হলুদের হাট
চাকে মধু আর হলুদে মোড়া ফসলের মাঠ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shia Sunni clash in Habiganj

হবিগঞ্জে শিয়া-সুন্নি নিয়ে দ্বন্দ্ব গড়াল সংঘর্ষে

হবিগঞ্জে শিয়া-সুন্নি নিয়ে দ্বন্দ্ব গড়াল সংঘর্ষে হবিগঞ্জে শিয়া ও সুন্নি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সদর থানার ওসি গোলাম মর্তুজা জানান, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে, তারা দুই পক্ষই চলে গেছে।

হবিগঞ্জে শিয়া ও সুন্নি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় শুক্রবার সন্ধ্যায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

একপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা গিয়াস উদ্দিন আততাহেরী এবং অপরপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা কাওসার।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা জানান, হবিগঞ্জে শিয়া ও সুন্নি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বৈঠকে দুই পক্ষের চার জন করে আট জন অংশ নেয়ার কথা থাকলেও উভয়পক্ষই বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রবেশ করে। পুলিশ তাদেরকে কার্যালয় থেকে বের করে দিলে উভয়পক্ষ উত্তেজিত হয়ে ওঠে। এ সময় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে, তারা দুই পক্ষই চলে গেছে।

আরও পড়ুন:
পাতলা ডাক্তারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত শেষ
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ৮ বছর পর তালিকায় মোবারকের আপিল
মা-মেয়ের আত্মহত্যাচেষ্টা: অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা কারাগারে
আ.লীগ নেতা সুব্রত হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খলিলুর গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
School student died due to electrocution while cleaning the farm

খামার পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

খামার পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু প্রতীকী ছবি
গোড়ল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি, পুলিশ ঘটনাস্থল যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

লালমনিরহাটের বয়লার মুরগির খামার পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক স্কুলছাত্র মারা গেছে।

কালীগঞ্জের সেবকদাসে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

১৫ বছর বয়সী মো.শাহীন নবম শ্রেণির ছাত্র নিহত হয়েছে। সে স্থানীয় বলাইরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং সেবকদাস এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমীন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

স্থানীয় শাহার আলী জানান, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার বিকেলে নিজেদের বয়লার মুরগির খামার পরিষ্কার করছিল শাহীন। কাজ করার সময় মাটিতে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে শাহীনের হাতের কোদাল আটকে গেলে সেও জড়িয়ে যায় তারের সঙ্গে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে গোড়ল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি, পুলিশ ঘটনাস্থল যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
আইনজীবী বকস কল্লোল মারা গেছেন
ইউনাইটেডের ভুল চিকিৎসায় পাইলট ভাইয়ের মৃত্যু, দাবি আমেরিকান তালার
নওগাঁর সাবেক এমপি সামসুল আলম প্রামাণিকের মৃত্যু  
বাসায় যেতে চাওয়া রেজাকে মর্গে পাঠাল মধ্যরাতের ট্রাক
নাতির মরদেহ দেখতে গিয়ে দাদির মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MV Ganga Vilas the beauty of India in the Sundarbans

সুন্দরবনে ভারতের প্রমোদতরি ‘এম ভি গঙ্গা বিলাস’

সুন্দরবনে ভারতের প্রমোদতরি ‘এম ভি গঙ্গা বিলাস’ 
ভারতের প্রমোদতরি ঢুকেছে সুন্দরবনের। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার দুপুরে মোংলা বন্দরে আসবে গঙ্গা বিলাস। বন্দরের ৬ নম্বর জেটিতে ভিড়বে বিলাসবহুল পাঁচ তারকা মানের এ জাহাজটি। মোংলা বন্দর জেটিতে প্রমোদতরি ও বিদেশি পর্যটকদের স্বাগত জানাতে নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

ভারতের প্রমোদতরি ‘এম ভি গঙ্গা বিলাস’ সুন্দরবনের নৌ সীমান্ত পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই প্রমোদতরি বাংলাদেশে প্রবেশে করে। দেশের সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের নৌপথে ভ্রমণকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের একটি টিম এর সঙ্গে রয়েছে।

গত ১৩ জানুয়ারি এই প্রমোদতরির উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বারানসি থেকে যাত্রা শুরু করা এই নৌযান বাংলাদেশ হয়ে আসাম রাজ্যের ডিব্রুগড়ে পৌঁছাবে ৫১ দিনে। পাড়ি দেবে ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার। দুই দেশের মোট ২৭টি নদী পাড়ি দেবে এই বেসরকারি প্রমোদতরি।

শনিবার দুপুরে মোংলা বন্দরে আসবে গঙ্গা বিলাস। বন্দরের ৬ নম্বর জেটিতে ভিড়বে বিলাসবহুল পাঁচ তারকা মানের এ জাহাজটি। মোংলা বন্দর জেটিতে প্রমোদতরি ও বিদেশি পর্যটকদের স্বাগত জানাতে নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহামুদ চৌধুরী, ভারতীয় হাইকমিশনার ও মোংলা বন্দর চেয়ারম্যানসহ পদস্থ কর্মকর্তারা অভ্যার্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদেশি পর্যটকবাহী গঙ্গা বিলাস সুন্দরবনের আংটিহারায় প্রবেশের পর ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর থেকে প্রমোদতরিটি সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে। শনিবার এটি মোংলা বন্দর জেটিতে ভেড়ার ভিড়‌বে।

বাংলাদেশে অবস্থানকালে গঙ্গা বিলাসের যাত্রীরা খুলনার কয়রার আংটিহারা হয়ে ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন দিয়ে মোংলা বন্দর হয়ে বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকা ঘুরবেন। এরপর বিদেশি পর্যটকরা নৌ পথে বরিশাল হয়ে মেঘনা ঘাটে অবস্থান করে সোনারগাঁও ও ঢাকায় ভ্রমণ করবেন।

পরবর্তীতে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে কুড়িগ্রামের চিলমারী, রংপুরের দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণের সুযোগ থাকছে তাদের। ভারতে এই প্রমোদতরি প্রবেশ করবে চিলমারী থেকে।

গঙ্গা বিলাস এ দেশে থাকাকালীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ প্রটোকল রুটের নাব্য রক্ষা, বার্দিং সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও নৌপথ ব্যবহারের জন্য ভয়েজ পারমিশন এবং ভয়েজ পারমিশনের সার্বিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকবে।

আগামী ১৩ মার্চ গঙ্গা বিলাস আসামের ডিব্রুগড় থেকে একই পথে ফেরার কথা রয়েছে।

এ প্রমোদতরিতে চেপে ৫১ দিন ভ্রমণে মাথাপিছু খরচ পড়বে প্রায় ২০ লাখ রুপি। এতে রয়েছে মোট ১৮টি বিলাসবহুল স্যুইট। প্রতিটিতে দুজনের থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক স্পা, জিম, লাইব্রেরি, বিনোদনের বন্দোবস্ত এবং দেশ-বিদেশের খাওয়া।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League leader arrested with stolen motorcycle

চোরাই মোটরসাইকেলসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

চোরাই মোটরসাইকেলসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার গোলাম গাউস লিমন। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ার শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ‘ডিবির টিম চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে গোলাম গাউছ নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলা হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আগের তিনটি মামলা আছে। তার মধ্যে একটি মোটরসাইকেল চুরির।’

চোরাই মোটরসাইকেলসহ বগুড়ার শাজাহানপুর ছাত্রলীগের নেতা গোলাম গাউছ লিমনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

শুক্রবার মামলা দায়েরের পর সন্ধ্যায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বনানী এলাকায় মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়।

গোলাম গাউছ লিমন উপজেলার রহিমাবাদ (বি-ব্লক) এলাকার শাহ আলমের ছেলে এবং উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি শাজাহানপুরে বালু ও ইট সরবরাহের ব্যবসা করেন।

সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশের এসআই আলী জাহান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বনানী মোড়ে ডিবি পুলিশের টহল টিম তল্লাশি করছিল। এ সময় গোলাম গাউছ লিমনকে তল্লাশি করা হয়। কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় মোটরসাইকেলটি চোরাই। পরে তাকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এসআই জাহান বলেন, ‘চোরাই মোটরসাইকেলটি হোন্ডা কোম্পানির ১৫০ সিসির কালো রঙের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় লিমন মোটরসাইকেলটি হিলি সীমান্ত থেকে নিয়ে এসেছেন।’

গোলাম গাউছ লিমনের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করেন শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু মিয়া। তিনি বলেন, ‘গোলাম গাউছ লিমন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ‘ডিবির টিম চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে গোলাম গাউছ নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার বিকেলে শাজাহানপুর থানায় মামলা হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আগের তিনটি মামলা আছে। তার মধ্যে একটি মোটরসাইকেল চুরির।’

আরও পড়ুন:
মাস্টার চাবি বানিয়ে ৫০০ বাইক চুরি
চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ৭
দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার এখনও অনেক কম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League BNP face off in Sylhet

সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি

সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
শনিবার সিলেট শহরের রেজিস্ট্রি মাঠে বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। একই দিন সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শান্তি সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। এর মধ্য দিয়ে আবার রাজপথে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। এর ফলে দেখা দিয়েছে সংঘাতের শঙ্কা।

সিলেটের রাজপথে নিজেদের শক্তি দেখাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দুই দল শনিবার দুপুরে নগরের পৃথক স্থানে কর্মসূচি দিয়েছে। দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল দুটি এর মধ্য দিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিতে চাইছে।

জানা যায়, প্রায় ৫ বছর পর একই দিনে পৃথক কর্মসূচি নিয়ে সিলেটের রাজপথে মুখোমুখি হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এর আগে সবশেষ ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটে মুখোমুখি হয় তারা। ওইদিন খালেদা জিয়ার সাজার রায়কে কেন্দ্র করে ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে নগরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হন অনেকে। এরপর উভয় দল নানা ইস্যূতে রাজপথে সরব থাকলেও কখনও মুখোমুখি হয়নি।

তবে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি না থাকলেও গত বছরের ৬ নভেম্বর রাতে জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ ফ ম কামাল হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নগরের রিকাবীবাজারে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

শনিবার ‘বিভাগীয় সমাবেশ’ ও ‘শান্তি সমাবেশ’-এর মাধ্যমে আবার রাজপথে মুখোমুখি হচ্ছে দুদল। দীর্ঘদিন পর একই দিনে দুই দলের কর্মসূচির কারণে সংঘাতের শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। তবে দুই দলের নেতাদের প্রত্যাশা, শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে সমাবেশ।

‘আওয়ামী সন্ত্রাস, সরকারের দমন-নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে, বিরোধী দলের গ্রেপ্ততারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা’ দাবিতে গত জানুয়ারিতেই সিলেটসহ সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি। শনিবার বেলা ২টায় সিলেট রেজিস্ট্রি মাঠে এই সমাবেশ শুরু হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান।

সমাবেশ সফলে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। সিলেটজুড়ে কর্মিসভা, পথসভা, জনসংযোগের মাধ্যমে সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের চেষ্টা করছেন তারা। সমাবেশের বিষয়টি অবহিত করে দলটির পক্ষ থেকে মহানগর পুলিশ কমিশনার বরাবরে চিঠিও দেয়া হয়েছে।

এই সমাবেশ সফলে নগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার প্রস্তুতি সভা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিএনপি আহূত বিভাগীয় সমাবেশ ইতিহাস সৃষ্টি করবে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে শুধু জাতীয়তাবাদী শক্তি নয়, গণতন্ত্রকামী সিলেটবাসীর মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সূচনা হয়েছে। সিলেটবাসী সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সমাবেশ সফলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।’

অপরদিকে একই দিনে সিলেটে ‘শান্তি সমাবেশ’ করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রথমে এই সমাবেশ বিএনপির সমাবেশস্থল রেজিস্ট্রি মাঠে করার ঘোষণা দেয় দলটি। পরে স্থান পরিবর্তন করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিকেল ৩টায় এই সমাবেশ শুরু হবে। শান্তি সমাবেশ সফলেও প্রচার চালাচ্ছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। এই সমাবেশের মাধ্যমে রাজপথে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিতে চায় ক্ষমতাসীন দলটি।

শান্তি সমাবেশ সফলে বৃহস্পতিকার সন্ধ্যায় প্রস্তুতি সভা করে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। এতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে স্ব স্ব ওয়ার্ড থেকে মিছিল সহকারে সমাবেশে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি-সন্ত্রাস রুখে দিতে আওয়ামী লীগ রাজপথে থাকবে। কোনোভাবেই তাদেরকে সাধারণ মানুষের জান-মালের ক্ষতি করার সুযোগ দেয়া হবে না।’

দুই দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি আর ব্যাপক শো-ডাউনের প্রস্তুতির কারণে হঠাৎ করেই সিলেটের রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে উত্তাপ। উঁকি দিচ্ছে সংঘাতের শঙ্কাও।

তবে বিএনপি শান্তিুপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে চায় জানিয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘সিলেটের রাজনীতিতে সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে। আমরা আশাবাদী এটা কেউ নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। যার যার কর্মসূচি যার যার মতো করে পালন করবেন। তবে কোনো প্রতিবন্ধকতা এলে তা জয় করে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সমাবেশ সফল করবে। আমরা সেরকম প্রস্তুতি নিয়েছি।’

বিএনপি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করলে সংঘাত হবে না জানিয়ে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় শান্তিপূর্ণ রাজনীতির পক্ষে। রাজনৈতিক সহাবস্থানের পক্ষে। তাই আমরা উদারতা দেখিয়ে নিজেদের কর্মসূচির স্থানও পরিবর্তন করেছি। এখন বিএনপি যদি বিশৃঙ্খলা না করে তবে আমাদের শান্তি সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে।’

দুই দলের পৃথক কর্মসূচির কারণে বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশও। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) সুদীপ দাস বলেন, ‘শুক্রবার বিকেল থেকেই নগরে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। নগরের সব মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নগরের প্রবেশপথগুলোতে পেকপোস্ট বসানো হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি
নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতা-কর্মীর জামিন
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
জিততে পারবে না জেনে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির টালবাহানা: হাছান

মন্তব্য

p
উপরে