× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
CEC accepted the complaints of 45 slow voting in 5 and a half hours
hear-news
player
google_news print-icon

সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ৪৫% ভোট, ধীরগতির অভিযোগ মানলেন সিইসি

সাড়ে-৫-ঘণ্টায়-৪৫-ভোট-ধীরগতির-অভিযোগ-মানলেন-সিইসি
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সিসিটিভির মাধ্যমে তথ্যচিত্র সংগ্রহ করেছি। ট্যাবের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছি। আমাদের এভারেজ ফোরটি ফাইভ কাস্টিং হয়ে গেছে। এখনো প্রচুর ভিড় আছে।’

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট শুরুর প্রথম সাড়ে তিন ঘণ্টায় ১০ শতাংশ ভোট পড়লেও এর দুই ঘণ্টা পরই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ মাত্র দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়া এ ভোট চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এ নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে বেলা সোয়া ২টার দিকে সাংবাদিকদের সর্বশেষ তথ্য দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এই সিটির ভোটে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণে ধীরগতির অভিযোগও এসেছে। তা মেনে নিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

নির্বাচনে কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোট দিতে আসেন ভোটাররা। ভোটাধিকার নিশ্চিতে ২২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮০৭টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে ইসি।

তবে গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে ভোটে সাংবাদিকরা মনিটরিং রুমে অবাধে প্রবেশ করতে পারলেও এবার সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করছে আউয়াল কমিশন।

নির্বাচনে দুই লাখ ১২ হাজার ৩০২ জন পুরুষ এবং দুই লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন নারী ভোটার ২২৯টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। ভোটে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ১৬ জনের ফোর্স। আর সাধারণ কেন্দ্রে রয়েছে ১৫ জনের ফোর্স।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সিসিটিভির মাধ্যমে তথ্যচিত্র সংগ্রহ করেছি। ট্যাবের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছি। আমাদের এভারেজ ফোরটি ফাইভ কাস্টিং হয়ে গেছে। এখনো প্রচুর ভিড় আছে।

‘যেহেতু ভোটটা একটু স্লো হয় এখানে, আগ্রহী ভোটারের সংখ্যা প্রচুর। সাড়ে ৪টার মধ্যে যারা এন্ড ক্লোসারের মধ্যে থাকবে, রাত যতই হোক তাদের ভোট নিতে হবে।’

প্রশাসন প্রথম থেকেই অত্যন্ত সহযোগিতা করে আসছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছেন। যার ফলে কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ঘটলেও সেটা মোকাবিলা করা সম্ভব।’

সংঘাত ছাড়াই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে আসছে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘মানুষ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সংযমের সঙ্গে অপেক্ষা করছে, এটা একটা ভালো দিক। ভোটগ্রহণ খুবই সুশৃঙ্খল হচ্ছে। ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশ পরিলক্ষিত হচ্ছে।’

মিডিয়াকে অবাধ সুযোগ দেয়া হয়েছে দাবি করে হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘তারা তৎপর আছেন। এই পর্যন্ত যে তথ্য পেয়েছি, তাতে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাও যথেষ্ট দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।’

জাপার প্রার্থীর ইভিএম বিতর্কে মন্তব্য করতে নারাজ সিইসি

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র পদপ্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ইভিএম ও নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন।

এমন অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি নন কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘জাপার প্রার্থীসহ একজনের ভোট দিতে অসুবিধা হচ্ছিল, পরে তারা দিতে পেরেছেন। আঙুলের ছাপ না মিললে অ্যালকোহল প্যাড দিয়ে পরিষ্কার করে ভোট দিতে পেরেছে। এখন কোনো মন্তব্য করব না। আরো তথ্য সংগ্রহ করার পর মন্তব্য করব।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বিকল হয়ে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা মেনে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘অভিযোগগুলো অসত্য নয়। আমরা আগেও বলেছি, ইভিএমের গতি জিনিসটা আপেক্ষিক। ইভিএম আর ব্যালটের গতি এক নয়। ইভিএমের একজনের ভোট আরেকজন দিতে পারছেন না। এটা হচ্ছে ভালো দিক।’

মনিটরিংয়ের ফলটা ইতিবাচক বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘যারা ভোট দিচ্ছেন, নিচ্ছেন সবাই জানেন কোনো রকম ম্যালপ্র্যাকটিস করা ঠিক হবে না। সিসিটিভির মাধ্যমে মনিটর করার একটা প্রভাব পড়েছে।’

আরও পড়ুন:
ইভিএম ত্রুটিপূর্ণ, স্লো হচ্ছে ভোটগ্রহণ: মোস্তফার প্রধান এজেন্ট
রংপুরে সাড়ে তিন ঘণ্টায় ১০ শতাংশ ভোট
লাইনে দাঁড়িয়ে কোমর ব্যথা, তাও ভোট দেবেন রিক্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Awami League BNP face off in Sylhet

সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি

সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
শনিবার সিলেট শহরের রেজিস্ট্রি মাঠে বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।িএকই দিন সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শান্তি সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। এর মধ্য দিয়ে আবার রাজপথে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। এর ফলে দেখা দিয়েছে সংঘাতের শঙ্কা।

সিলেটের রাজপথে নিজেদের শক্তি দেখাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দুই দল শনিবার দুপুরে নগরের পৃথক স্থানে কর্মসূচি দিয়েছে। দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল দুটি এর মধ্য দিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিতে চাইছে।

জানা যায়, প্রায় ৫ বছর পর একই দিনে পৃথক কর্মসূচি নিয়ে সিলেটের রাজপথে মুখোমুখি হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এর আগে সবশেষ ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটে মুখোমুখি হয় তারা। ওইদিন খালেদা জিয়ার সাজার রায়কে কেন্দ্র করে ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে নগরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হন অনেকে। এরপর উভয় দল নানা ইস্যূতে রাজপথে সরব থাকলেও কখনও মুখোমুখি হয়নি।

তবে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি না থাকলেও গত বছরের ৬ নভেম্বর রাতে জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ ফ ম কামাল হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নগরের রিকাবীবাজারে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

শনিবার ‘বিভাগীয় সমাবেশ’ ও ‘শান্তি সমাবেশ’-এর মাধ্যমে আবার রাজপথে মুখোমুখি হচ্ছে দুদল। দীর্ঘদিন পর একই দিনে দুই দলের কর্মসূচির কারণে সংঘাতের শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। তবে দুই দলের নেতাদের প্রত্যাশা, শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে সমাবেশ।

‘আওয়ামী সন্ত্রাস, সরকারের দমন-নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে, বিরোধী দলের গ্রেপ্ততারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা’ দাবিতে গত জানুয়ারিতেই সিলেটসহ সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি। শনিবার বেলা ২টায় সিলেট রেজিস্ট্রি মাঠে এই সমাবেশ শুরু হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান।

সমাবেশ সফলে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। সিলেটজুড়ে কর্মিসভা, পথসভা, জনসংযোগের মাধ্যমে সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের চেষ্টা করছেন তারা। সমাবেশের বিষয়টি অবহিত করে দলটির পক্ষ থেকে মহানগর পুলিশ কমিশনার বরাবরে চিঠিও দেয়া হয়েছে।

এই সমাবেশ সফলে নগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার প্রস্তুতি সভা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিএনপি আহূত বিভাগীয় সমাবেশ ইতিহাস সৃষ্টি করবে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে শুধু জাতীয়তাবাদী শক্তি নয়, গণতন্ত্রকামী সিলেটবাসীর মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সূচনা হয়েছে। সিলেটবাসী সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সমাবেশ সফলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।’

অপরদিকে একই দিনে সিলেটে ‘শান্তি সমাবেশ’ করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রথমে এই সমাবেশ বিএনপির সমাবেশস্থল রেজিস্ট্রি মাঠে করার ঘোষণা দেয় দলটি। পরে স্থান পরিবর্তন করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিকেল ৩টায় এই সমাবেশ শুরু হবে। শান্তি সমাবেশ সফলেও প্রচার চালাচ্ছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। এই সমাবেশের মাধ্যমে রাজপথে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিতে চায় ক্ষমতাসীন দলটি।

শান্তি সমাবেশ সফলে বৃহস্পতিকার সন্ধ্যায় প্রস্তুতি সভা করে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। এতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে স্ব স্ব ওয়ার্ড থেকে মিছিল সহকারে সমাবেশে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি-সন্ত্রাস রুখে দিতে আওয়ামী লীগ রাজপথে থাকবে। কোনোভাবেই তাদেরকে সাধারণ মানুষের জান-মালের ক্ষতি করার সুযোগ দেয়া হবে না।’

দুই দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি আর ব্যাপক শো-ডাউনের প্রস্তুতির কারণে হঠাৎ করেই সিলেটের রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে উত্তাপ। উঁকি দিচ্ছে সংঘাতের শঙ্কাও।

তবে বিএনপি শান্তিুপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে চায় জানিয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘সিলেটের রাজনীতিতে সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে। আমরা আশাবাদী এটা কেউ নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। যার যার কর্মসূচি যার যার মতো করে পালন করবেন। তবে কোনো প্রতিবন্ধকতা এলে তা জয় করে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের সমাবেশ সফল করবে। আমরা সেরকম প্রস্তুতি নিয়েছি।’

বিএনপি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করলে সংঘাত হবে না জানিয়ে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সবসময় শান্তিপূর্ণ রাজনীতির পক্ষে। রাজনৈতিক সহাবস্থানের পক্ষে। তাই আমরা উদারতা দেখিয়ে নিজেদের কর্মসূচির স্থানও পরিবর্তন করেছি। এখন বিএনপি যদি বিশৃঙ্খলা না করে তবে আমাদের শান্তি সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে।’

দুই দলের পৃথক কর্মসূচির কারণে বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশও। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) সুদীপ দাস বলেন, ‘শুক্রবার বিকেল থেকেই নগরে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। নগরের সব মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নগরের প্রবেশপথগুলোতে পেকপোস্ট বসানো হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
উপনির্বাচনে ভোটার নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য বানোয়াট: কাদের
উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি
কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Development will continue as long as Sheikh Hasina is in power Health Minister

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যতদিন, উন্নয়নও ততদিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যতদিন, উন্নয়নও ততদিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আমাদের নির্বাচন আসছে। শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় আছেন, ততদিন দেশে শান্তি-সমৃদ্ধি, উন্নয়ন আছে। দেশের মানুষ পিছিয়ে যেতে চায় না, বিএনপির অন্ধকার যুগে, বোমার যুগে যেতে চায় না। আমরা আশা করবো, জনগণ আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটের শেখ হাসিনার দলকে, শেখ হাসিনার পার্থীকে জয় লাভ করাবে।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যতদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় আছেন দেশের উন্নয়নের ধারাও ততদিন বজায় থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এই ধারা বজায় রাখতে মানুষ আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দেবে বলে মনে করেন তিনি।

শুক্রবার বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন এবং চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আমাদের নির্বাচন আসছে। শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় আছেন, ততদিন দেশে শান্তি-সমৃদ্ধি, উন্নয়ন আছে। দেশের মানুষ পিছিয়ে যেতে চায় না, বিএনপির অন্ধকার যুগে, বোমার যুগে যেতে চায় না। আমরা আশা করবো, জনগণ আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটের শেখ হাসিনার দলকে, শেখ হাসিনার পার্থীকে জয় লাভ করাবে।’

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারকে বিএনপি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে চায়। কিন্তু বিএনপি জানে না, আওয়ামী লীগ ইস্পাতের সরকার। এখানে হাত দিলে হাত কেটে যাবে। কারণ জনগণের জন্য যারা কাজ করে, জনগণ তাদের সঙ্গে আছে। দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘চক্ষু রোগীরা বিনামূল্যে চোখ অপারেশন ও চোখের লেন্স পাচ্ছেন। রোগীদের যে লেন্স দেয়া হচ্ছে, তার প্রতিটি লেন্সের দাম ২০-৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ পাবেন এবং রোগীদের থাকা খাওয়ার ফ্রি ব্যবস্থা করা হয়েছে। মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতি করা এবং দেশের মানুষকে ভালো ও শান্তিতে রাখা আওয়ামী লীগের কাজ। কারণ আমরা মনে করি দেশের মানুষকে ভালো রাখা আওয়ামী লীগের রাজনীতি। এই রাজনীতি আমরা করতে চাই।’

বিএনপির সমালোচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার বিনামূল্যে মানুষের চোখের অপারেশন করে ও চোখের লেন্স পরায়। আর বিএনপির গ্রেনেড হামলায় বহু মানুষের চোখ উঠে গেছে, চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। বিএনপি মানুষের চোখের আলো ছিনিয়ে নেয় আর আওয়ামী লীগ মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দেয়।’

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন এবং চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিনামূল্যে চক্ষু সেবার মাধ্যমে প্রায় ৮ শ লোক নতুন করে চোখের আলো পাবেন। অপারেশন ছাড়া এর আগে প্রায় ৪ হাজার চক্ষু রোগীকে বিভিন্ন চিকিৎসা এবং ৫ হাজার চশমা দেয়া হয়েছে। আগামীতেও মানিকগঞ্জবাসির জন্য বিনামূল্যে চক্ষু সেবার ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় ন্যাশনাল আই কেয়ার এর লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী, কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন, সিভিল সার্জন মো. মোয়াজ্জেম আলী চৌধুরী খান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি
চলতি শীতে নিপা ভাইরাসে ৮ জনের মধ্যে ৫ জনই মারা গেছেন
হাসপাতালেই চেম্বার করতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suspect of sabotage arrested again from jail

জেলে থেকেও নাশকতার আসামি, ফের গ্রেপ্তার

জেলে থেকেও নাশকতার আসামি, ফের গ্রেপ্তার এইচ এম আসলাম হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
খুলনা মহানগর বিএনপির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আসলাম হোসেনকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ। অথচ যে সময়ের ঘটনার অভিযোগে ওই মামলা হয়েছে সে সময় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আসলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অথচ যেদিনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এই নাশকতার অভিযোগ, সেদিন তিনি ছিলেন পুলিশের হেফাজতে।

তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই দিন তিনি ঘটনাস্থলে তো ছিলেই না, ছিলেন অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে পুলিশের জিম্মায়। এই বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে খুলনা সদর থানা এলাকায় আহসান আহমেদ রোডে নিজের ছেলেকে কোচিং সেন্টারে দিতে এসে গ্রেপ্তার হন এইচ এম আসলাম হোসেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে পুলিশ বাদী একটি মামলার অজ্ঞাত আসামির তালিকায় ফেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানা সূত্র জানায়, এইচ এম আসলাম হোসেনকে ৪ ডিসেম্বর সদর থানায় পুলিশের করা এক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলাটি দায়ের করেছিলেন সদর থানার এস আই মো. শাহিন কবির। তাতে ৮০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, যাদের মধ্যে ৩৮ জন এজাহারনামীয় ও বাকিরা অজ্ঞাত।

ওই মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ৩ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে খুলনার লোয়ার যশোর রোডের বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের দক্ষিণ পাশের গেটের সামনে এই মামলার আসামিরা সারাদেশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, কেপিআই ধ্বংস ও নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ও ককটেল বোমা নিয়ে সমবেত হন। সেখান থেকে পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি স্টিলের রামদা, একটি কাঠের বাতা ও তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বাকিদেরকে মামলার আসইম করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, এসব আসামি বর্তমান সরকারকে উচ্ছেদ করার জন্য নাশকতার যড়যন্ত্র করছিল।

মামলাটি ১৯৭৪ সালের দ্য স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টের ১৫(৩)/২৫-ডি ও ১৯০৮ সালের দ্য এক্সপ্লোসিভ সাবস্ট্যান্স অ্যাক্টের ৪ ধারায় রেকর্ড করেছিলেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩ ডিসেম্বর দুপুরে খুলনা সদর থানা এলাকা থেকে এইচ এম আসলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সে সময়ে তাকে গত বছরের ২৬ মে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক করে পরদিন সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

খুলনার জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদেরের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নথিপত্র দেখে নিশ্চিত করেন যে ৪ ডিসেম্বর এইচ এম আসলাম অন্য এক মারামারির মামলায় জেলে ছিলেন। ১৫ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি।

এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানা পুলিশের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে ঘটনাটি জানতে পেরে কোর্ট পুলিশের কাছে থানা থেকে আসলামকে ফেরত চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাৎক্ষণিক আসলামকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিল পুলিশ।

বিষয়টি নিয়ে ডেপুটি পুলিশ কমিশনার তাজুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি কিছু জানি না। পরে জেনে জানানো হবে।’

খুলনা মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘আমাদের খুলনা বিএনপির ২ শতাধিক নেতাকর্মী কারাগারে রয়েছেন। তাদের প্রত্যেককে সরকার বিরোধী নাশকতা মামলার আসামি করা হয়েছে। পুলিশ যে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠাচ্ছে তার বড় প্রমাণ আসলামের এই ঘটনা। বাস্তবে আসলে সেদিন ওইরকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি।’

আসলাম হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আদালত থেকে ওইদিনের ঘটনার সব নথি উদ্ধার করেছি। তাতে স্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে, ঘটনার সময়ে তিনি পুলিশের জিম্মায় ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি বাইরে নাশকতা কীভাবে করলেন?

‘মূল কথা হলো, শনিবার খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সমাবেশকে সামনে রেখে পুলিশ আবার ধড়পাকড় শুরু করেছে। তবে এভাবে আমাদের আন্দোলন দমানো যাবে না।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 3 hours the flight leaves for Osmani

সোয়া ৩ ঘণ্টা পর ওসমানীতে উড়ছে ফ্লাইট

সোয়া ৩ ঘণ্টা পর ওসমানীতে উড়ছে ফ্লাইট ফাইল ছবি
শুক্রবার বেলা সোয়া একটার দিকে এই বন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ঢাকাগামী ৬০২ ফ্লাইটটির চাকা ফেটে রানওয়ে অচল হয়ে পড়ে। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চাকা মেরামতের পর এটি রানওয়ে থেকে সরিয়ে বিমানবন্দরের ফ্লাইট ওঠানামা সচল করা হয়।

সোয়া তিন ঘণ্টা পর সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা চালু হয়েছে।

শুক্রবার বেলা সোয়া একটার দিকে এই বন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ঢাকাগামী একটি ফ্লাইটের চাকা ফেটে রানওয়ে অচল হয়ে পড়ে। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চাকা মেরামতের পর এটি রানওয়ে থেকে সরিয়ে বিমানবন্দরের ফ্লাইট ওঠানামা সচল করা হয়।

নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, বিমানের বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজটি ১৪৮ যাত্রী নিয়ে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে উড্ডয়নের কথা ছিল। এটি রানওয়েতে যাত্রা শুরুর পরপর বিকট শব্দে পেছনের চাকা ফেটে যায়। ওই সময় পুরো উড়োজাহাজে তীব্র ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়।

ওই ফ্লাইটের যাত্রী মোস্তাক হায়াত খান বলেন, ‘হঠাৎ করে বিকট শব্দ হয়। এরপর বিমানটিতে ঝাঁকুনি শুরু হয়। এতে যাত্রীদের সকলেই ভয় পেয়ে যান। কেউ কেউ চিৎকারও শুরু করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঝাঁকুনি শুরু হলে পাইলট বিমানের গতি কিছুটা কমান। এরপর আবার উড্ডয়নের চেষ্টা করেন। তখন আবার ঝাঁকুনি শুরু হয়। পরে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, পেছনের চাকা পাংচার হয়েছে।’

চাকা ফেটে রানওয়েতে উড়োজাহাজ আটকে থাকার কারণে ওসমানীতে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ ছিল বলে জানান বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ। তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণে যাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়নি।

হাফিজ আহমদ বলেন, ‘আটকে পড়া যাত্রীদের বিমান কর্তৃপক্ষ বিকল্প ফ্লাইটে ঢাকায় নিয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজে ঝাঁকুনি, আতঙ্কিত যাত্রীরা অক্ষত
দুই মাস ৫ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে শাহজালালের রানওয়ে
বিমানের নতুন চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hamer Chyla wants justice for the murder of the accused

‘হ্যামার ছ্যালা দোষী লয়, মারার বিচার চায়’

‘হ্যামার ছ্যালা দোষী লয়, মারার বিচার চায়’ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামের বাড়িতে কাঁদছেন নিহত রাকিবের মা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহীতে পিটিয়ে হত্যার শিকারদের একজন রাকিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ছেলের মৃত্যুর খবরে মা বেদনা বেগমের কান্না আর থামছে না।

‘রাতে শুনতে প্যানু যে হাঁর ছ্যালাকে পিটিয়া ম্যারা ফ্যালাছে। হ্যামার ছ্যালা দোষী লয়, হামি হাঁর ছ্যালাকে মারার বিচার চায়।’

আহাজারি করে কথাগুলো বলছিলেন রাকিবুল ইসলামের (রাকিব) মা। রাজশাহীতে পিটিয়ে মেরে ফেলা দুই শ্রমিকের একজন এই রাকিব।

ছেলের মৃত্যুর খবরে মা বেদনা বেগমের কান্না আর থামছে না। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরীতে এই ঘটনা ঘটলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে মায়ের কাছে এই খবর পৌঁছে রাত ১২টায়।

রাজশাহীতে খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকের বাসায় দুই নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় কারখানা মালিকসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। মহানগরীর বিসিক শিল্প এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাকিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। শুক্রবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের মানুষ রাকিবের এমন করুণ মৃত্যুর খবরে হতবাক। তারা বলছেন, রাকিবকে তারা ভালো ছেলে হিসেবেই চেনেন, জানেন।

চৈতন্যপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে রাকিবুল ইসলাম ছিলেন সবার বড়। গত ৮ বছর ধরে তিনি রাজশাহীতে থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। স্ত্রী শ্যামলী খাতুন এবং দুই মেয়ে রাবিয়া বাসরী ও রাইসা খাতুনকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

স্বজনরা জানান, রাকিব নির্মাণ শ্রমিকদের সর্দার বা ঠিকাদার ছিলেন। বিভিন্ন নির্মাণ কাছে তিনি গ্রাম থেকে শ্রমিকদের নিয়ে যেতেন।

প্রতিবেশী শাহানারা বেগম বলেন, ‘বিনা অপরাধে একটা নির্দোষ ছেলেকে ওরা মিটিয়ে ম্যারা ফেলল; এটার সত্য বিচার চাই। দেশে আইন আদালত আছে, থানা-পুলিশ আছে। কোনো কিছু না কর‌্যার পরও কোনো মানুষ এভাবে মারা ফেল্যা দিতে পারে? এখন ওই যে দুটো ছোট ছোট মেয়ে আছে, স্ত্রীটা আছে, এদের কী হবে? এখন পরিবারটার কী হবে?’

আরও পড়ুন:
চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বেঁধে দুই শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Father and son were stabbed to death husband and wife were arrested 4

বাবা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

বাবা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪
র‌্যাব-১৪ সদর দপ্তরের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ময়মনসিংহ সদরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকদের ছুরিকাঘাতে বাবা ও ছেলেকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ সদর দপ্তরের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার সাভার থানাধীন বাইপাইল ও গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন টিএন্ডটি মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের চুরখাই এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ৫২ বছর বয়সী ছেলে কামাল হোসেন, তার ৪০ বছর বয়সী স্ত্রী জাহানারা, তাদের ১৫ বছর বয়সী এক ছেলে এবং নবী হোসেনের ১৯ বছর বয়সী ছেলে মো. নাঈম।

নিহতরা হলেন একই এলাকার ৬০ বছর বয়সী আবুল খায়ের ও তার ২০ বছর বয়সী ছেলে ফরহাদ হোসেন।

র‌্যাব-১৪ সদর দপ্তরের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নিজ জমিতে আবুল খায়ের হাল চাষ করছিল। এ সময় কামাল হোসেনের সঙ্গে জমির মাপযোপ করা নিয়ে তার কথা-কাটাকাটি হয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে কামাল হোসেন তার স্ত্রী, ছেলেসহ কয়েকজনকে ডেকে আনে।

পরে তারা ধারালো দা, চাকু, বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে এসে আবুল খায়েরকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। এ অবস্থায় তার ডাক-চিৎকারে ছোট ছেলে ফরহাদসহ অন্যান্য ছেলে, ভাই ও ভাইয়ের ছেলে বাঁচাতে আসলে কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সবাইকেই এলোপাথারিভাবে মারধর করা হয়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আবুল খায়ের ও তার ছেলে ফরহাদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহত আবুল খায়েরের ছেলে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই হত্যায় জাড়িতরা পলাতক ছিলেন। ঘটনাটি র‌্যাব জানতে পেরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের পালিয়ে থাকার অবস্থান জানতে পেরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে।’

অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
১৬ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার  
লেগুনার হেলপার থেকে গ্যাং লিডার
প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে প্রতারণা  

মন্তব্য

বাংলাদেশ
During the flight the loud noise in the plane barely saved the passengers

উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজে ঝাঁকুনি, আতঙ্কিত যাত্রীরা অক্ষত

উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজে ঝাঁকুনি, আতঙ্কিত যাত্রীরা অক্ষত সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ‘আটকে পড়া যাত্রীদের বিমান কর্তৃপক্ষ বিকল্প ফ্লাইটে ঢাকায় নিয়ে যাবে।’

সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়ন সময়ের বিকট শব্দে একটি বোয়িং উড়োজাহাজের চাকা পাংচার হয়ে গেছে।

ওই সময় পুরো উড়োজাহাজে ঝাঁকুনি শুরু হয়, যাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ১৪৮ যাত্রী, তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ওসমানী বিমানবন্দরের রানওয়েতে শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ওই ঘটনা ঘটে।

সে সময় থেকে ওসমানীতে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। বিকল্প ফ্লাইটে যাত্রীদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, বিমানের বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজটির ১৪৮ যাত্রী নিয়ে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে উড্ডয়নের কথা ছিল। এটি রানওয়েতে যাত্রা শুরুর পরপর বিকট শব্দে পেছনের চাকা ফেটে যায়। ওই সময় পুরো উড়োজাহাজে তীব্র ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়।

ওই ফ্লাইটের যাত্রী মোস্তাক হায়াত খান বলেন, ‘হঠাৎ করে বিকট শব্দ হয়। এরপর বিমানটিতে ঝাঁকুনি শুরু হয়। এতে যাত্রীদের সকলেই ভয় পেয়ে যান। কেউ কেউ চিৎকারও শুরু করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঝাঁকুনি শুরু হলে পাইলট বিমানের গতি কিছুটা কমান। এরপর আবার উড্ডয়নের চেষ্টা করেন। তখন আবার ঝাঁকুনি শুরু হয়। পরে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, পেছনের চাকা পাংচার হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার পর প্রায় ৪০ মিনিট আমরা বিমানের ভেতরে আটকে ছিলাম। পরে আমাদের বিমানবন্দরের লাউঞ্জে আনা হয়।’

চাকা ফেটে রানওয়েতে উড়োজাহাজ আটকে থাকার কারণে ওসমানীতে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রয়েছে জানিয়ে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ‘ওই উড়োজাহাজের চাকা মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। মেরামতের পর এটি রানওয়ে থেকে সরিয়ে বিমানবন্দরের ফ্লাইট ওঠানামা সচল করা হবে।’

বিকেলের দিকে বিমানবন্দেরর কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে পারে বলেও জানান তিনি।

দুর্ঘটনার কারণে যাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়নি জানিয়ে হাফিজ আহমদ বলেন, ‘আটকে পড়া যাত্রীদের বিমান কর্তৃপক্ষ বিকল্প ফ্লাইটে ঢাকায় নিয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
একান্নতে এসেও খোঁড়াচ্ছে বিমান
বাংলাদেশে নতুন বিমানবন্দর তৈরিতে আগ্রহ ভারতের
ইউক্রেনের ফ্লাইটে হামলা: ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ
নতুন আঙ্গিকে আসছে বিমানের মোবাইল অ্যাপ
যাত্রীর সঙ্গে আনা এয়ার ফ্রায়ারে মিলল দেড় কোটি টাকার স্বর্ণ

মন্তব্য

p
উপরে