× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Abduction constable arrested in DB identity
hear-news
player
google_news print-icon

ডিবি পরিচয়ে অপহরণের মামলায় কনস্টেবল গ্রেপ্তার

ডিবি-পরিচয়ে-অপহরণের-মামলায়-কনস্টেবল-গ্রেপ্তার-
ফুলবাড়ীয়া থানা। ছবি: নিউজবাংলা
এসআই মো. শাহীন মিয়া বলেন, ‘ইব্রাহিমের বাবা রফিকুল ইসলাম থানায় মামলা করলে সোমবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সাফায়েতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে থাকা বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের এক কনস্টেবল।

গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য (ডিবি) পরিচয়ে ওই কনস্টেবল এক যুবককে অপহরণ করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন বলে অভিযোগ।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে সোমবার গ্রেপ্তার হওয়া ২৮ বছর বয়সী সাফায়েত গনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাথা ইউনিয়নের মৃত ছোহরাব আলীর ছেলে। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর সার্কেলে দায়িত্বরত।

নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহীন মিয়া।

তিনি জানান, ভুক্তভোগী ইব্রাহিম খলিল ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের চৌধার গ্রামের বাসিন্দা। শনিবার ফুলবাড়িয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান সাফায়েতসহ আরও কয়েকজন। ওই সময় ইব্রাহিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অপহরণকারীরা নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে পরিচয় দেন।

এরপর ইব্রাহিমের সঙ্গে থাকা ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে মুক্তিপণ হিসেবে তার পরিবারের কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

শাহীন মিয়া বলেন, ‘ইব্রাহিমের বাবা রফিকুল ইসলাম থানায় মামলা করলে সোমবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সাফায়েতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে থাকা বাকিদেরও গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার সাফায়েত পুলিশ সদস্য কি না যাচাই-বাছাই চলছে। তাকে মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
আদালতে পুলিশ সদস্যকে ব্লেডের পোঁচ
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে এনেছি: আইজিপি
বিএনপির সমাবেশের কারণে নৌ পুলিশের মহড়া না: ডিআইজি পংকজ
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের তল্লাশি
সুনসান নয়াপল্টন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Awami League does not want peoples vote Nazrul

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউরীতে নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন নজরুল ইসলাম খান। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামে সমাবেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তা চাইলে এই সরকার জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। ভবিষ্যতেও তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তারা আগামীতে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চাইলে জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।

শনিবার বিকেলে বন্দর নগরীর কাজীর দেউরীতে নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্তৃত্ববাদী সরকারের পদত্যাগ এবং বিএনপির ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, বিএনপির উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জয়নাল আবদীন ফারুক, অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, গোলাম আকবর খোন্দকার, এস এম ফজলুল হক, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহবুবের রহমান শামীম।

উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ।

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইউনিয়নে বিএনপি পদযাত্রা করবে জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সারাদেশে চলছে। সেটা আরও বেগবান করতে হবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এ অবৈধ সরকারের পতন হবে।’

আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা সংবিধানকে লঙ্ঘন করে আবার সেটা প্রয়োগের কথা বলছে। এ সরকারের পতনের আন্দোলন ত্বরান্বিত করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন আরও গতিশীল করতে হবে।

‘আমরা একটা মহাযুদ্ধের মধ্যে আছি। এ যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। এ যুদ্ধ গণতন্ত্রের লড়াইয়ের যুদ্ধ, মানুষের ভোটের যুদ্ধ। দেশের মানুষ আজ না খেয়ে আছে। দেশে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যূনতম সু্যোগ-সুবিধা নেই।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মৎস্যজীবী সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, উপজাতি সম্পাদক মা ম্যা চিং, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মজুমদার, হারুনুর রশীদ ভিপি, সহ-কর্মসংস্থান সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, সহ-গ্রাম সরকার সম্পাদক বেলাল আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দীন সাবু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

আরও বক্তব্য দেন- উদয় কুসুম বড়ুয়া, সাচিং প্রু জেরী, ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দিপেন তালুকদার, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আফসার, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এনামুল হক এনাম।

আরও পড়ুন:
টাকা ছাপিয়ে দেশ চালাচ্ছে সরকার: আমীর খসরু
হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল
ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ বিএনপির
বাংলাদেশে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: তোফায়েল 
সিলেটে বিএনপির সমাবেশ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alam on Facebook after Fakhrul Kaders speech

কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম

কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা
হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে শনিবার নিজেদের কর্মসূচিতে বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। এসব বক্তব্যের পর এদিন রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেসবুকে লাইভে এসে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হিরো আলম।

তিনি বলেন, ‘হিরো আলমকে কেউ কোনো দিন জিরো বানাতে পারেনি। যারা আমাকে জিরো বানাতে এসেছে, তারাই এখন জিরো হয়েছে।’

হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?’

ফেসবুক লাইভে আশরাফুল হোসেন বলেন, ‘বিএনপির নেতা ফখরুল ইসলাম স্যার বলেছেন, বর্তমান সরকার আজকে হিরো আলমের কাছে অসহায়। আমি বলতে চাই, আমি হিরো আলম যে অসহায় হয়েছি। এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে। আমার ভোট যে কেড়ে নেয়া হলো তার প্রশ্নের জবাব কে দেবে?’

লাইভের শেষের দিকে তিনি বলেন, ‘আমি হিরো আলম কোনো দলের সঙ্গে জড়িত না। না বিএনপি, না আওয়ামী লীগ, না অন্য কোনো দল। তাই আপনারা আমাকে নিয়ে কোনো মাখামাখি করবেন না। আপনারা একজন আরেকজনকে দোষ দেবেন না আমাকে নিয়ে।’

হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪-এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে এটি দেখার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ফোন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
জামানত হারালেন হিরো আলম
৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম
নির্বাচনে হিরো আলম, ভোটারদের ভাবনা
একতারা নিয়ে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম
হাইকোর্টে এসে এমপি নির্বাচনের সুযোগ ফিরল হিরো আলমের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No cure for Nipah virus Health Minister

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

বাদুড় থেকে সংক্রমিত নিপাহ ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমনটি জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

জাহিদ মালেক জানান, চলতি শীত মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত আটজনের মধ্যে পাঁচজনই মারা গেছেন। এরইমধ্যে আক্রান্তদের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে ২০টি এবং মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ৫টি বেড চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে ও অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন থমকে যাবে, গরীব মানুষের ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। কারন ইতিপূর্বে বিএনপির আমলে আমরা তা দেখেছি।’

বিএনপি করোনাভাইরাসের টিকাবিরোধী প্রচারণা চলিয়েছিল উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছে। কাজেই আমরা নিরাপদে আছি। বিএনপি ভ্যাকসিনকে গঙ্গার জল বলেছিল।’

অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার সাহাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যতদিন, উন্নয়নও ততদিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি
চলতি শীতে নিপা ভাইরাসে ৮ জনের মধ্যে ৫ জনই মারা গেছেন
হাসপাতালেই চেম্বার করতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনে হারার কারণ হতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt sings song of development by kicking people in stomach Selima

জনগণের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে: সেলিমা

জনগণের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে: সেলিমা শনিবার সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দেন বেগম সেলিমা রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, সরকার রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। তাদের দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছে জনগণ। না খেয়ে মরার চেয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে মরা অনেক সম্মানের। তাই জনগণকে এই সরকারের জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘জনগনের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে। উন্নয়ন মানে হলো জনগণের উন্নয়ন। কিন্তু এই সরকার জনগনের কোন উন্নয়ন করেনি। আজ দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা। বিদ্যুতসহ সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধির কারণে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। তাই জনগণ আর এই সরকারকে চায় না।’

শনিবার দুপুরে সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতি নেই। তাদের কেবল আছে দখল আর লুটপাট। এসব করে তারা আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে।’

সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতা সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জগদ্দল পাথরের মতো আমাদের ওপর চেপে বসেছে। রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করেছে। তাদের দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছে জনগণ।

‘না খেয়ে মরার চেয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে মরা অনেক সম্মানের। তাই জনগণকে এই সরকারের জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সরকারকে বিদায় করতে না পারলে রাষ্ট্র মেরামত করা যাবে না। এজন্য বিএনপির ১০ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে হলে হায়েনাদের ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। সরকার যদি গণতন্ত্রের ভাষা না বোঝে তাহলে দেশে শ্রীলংকার অবস্থা হবে।’

যুগ্ন মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘আমরা যখন এখানে সমাবেশ করছি তখন সিলেটে আরেকটি সমাবেশ হচ্ছে। পিস্তল, রাইফেল, বন্দুক নিয়ে শান্তি সমাবেশ করা হচ্ছে। আমাদের চুলকানি দেয়ার জন্যই একই দিনে সমাবেশ করছে আওয়ামী লীগ।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল কাহের শামীম, মিজানুর রহমান, শাম্মী আখতার প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক
সিলেট ও খুলনায় পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, সংঘাতের শঙ্কা
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
নামেই ডিজিটাল নগর সিলেট
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে অশোক-সুহেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 forest guards scared of tigers

৩ বাঘে আতঙ্কিত বনরক্ষীরা

৩ বাঘে আতঙ্কিত বনরক্ষীরা বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি স্টেশনের চান্দেশ্বর ফরেস্ট অফিস এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বাঘগুলো। ছবি: নিউজবাংলা
চান্দেশ্বর ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক বলেন, ‘ এখনও বাঘগুলো অফিসের দক্ষিণ পাশে নদীর তীরে অবস্থান করছে। আমরাও সতর্ক অবস্থানে থেকে বাঘের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।’

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি স্টেশনের চান্দেশ্বর ফরেস্ট অফিস এলাকায় তিনটি বাঘকে ঘুরতে দেখা গেছে। এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে চান্দেশ্বর ফরেস্ট অফিসের পাঁচ বনরক্ষীর মাঝে।

বনরক্ষীদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুর দুইটার দিকে তিনটি বাঘ তাদের অফিস প্রাঙ্গনে ঢুকে পড়ে। শনিবারও বাঘগুলো দেখা গেছে।

চান্দেশ্বর ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক বলেন, ‘ এখনও বাঘগুলো অফিসের দক্ষিণ পাশে নদীর তীরে অবস্থান করছে। আমরাও সতর্ক অবস্থানে থেকে সেগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।’

শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো সামসুল আরেফীন বলেন, এই সময়টা বাঘের প্রজননকাল। তাই সঙ্গীসহ বাঘগুলো নিজস্ব প্রকৃতিতে চলাচল করছে। তাদের কোনো ক্ষতি না করতে বনরক্ষীদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ধরা পড়ল ৬২ কেজি বাগাড়
অর্থছাড় না পাওয়ায় আটকে আছে বাঘ গণনা
চিতা বাঘের গাছে ওঠানামার দৃশ্যে স্তব্ধ নেটিজেনরা
মেছো বাঘ রক্ষায় নতুন উদ্যোগ
রাজ-পরীর সংসারে ৪ বাঘ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The last Hasina cannot be suppressed by showing bloodshot eyes Nanak

রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক

রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক শনিবার সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি। এখন তারা গণতন্ত্রের কথা বলে। দেশে গণতন্ত্র আছে। কিন্তু বিএনপির জনসমর্থন নেই। জনগণের সমর্থন হারিয়ে দলটির নেতারা এখন আবোলতাবোল বলছেন।’

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘সরকারকে নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তবে কোনো রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না।’

শনিবার সিলেটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশ বিকেল ৪টায় শুরু হলেও তার অনেক আগে থেকেই দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থকরা সমাবেশস্থল সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে জড়ো হতে থাকেন।

সমাবেশে নানক বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি। এখন তারা গণতন্ত্রের কথা বলে। দেশে গণতন্ত্র আছে। কিন্তু বিএনপির জনসমর্থন নেই। জনগণের সমর্থন হারিয়ে দলটির নেতারা এখন আবোলতাবোল বলছেন।’

বিএনপিকে নেতাবিহীন দল উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘তারেক রহমানের লন্ডনে রাজকীয় জীবনের টাকা কোথা থেকে আসে।’

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, আব্দুল খালিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক আনোরুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকে যে হাসপাতাল
ধুঁকছে সিলেটের ‘নগর এক্সপ্রেস’
সমাবেশ শেষ হতেই উঠে গেল পরিবহন ধর্মঘট
তত্ত্বাবধায়কের বিরোধীরা হবে গণশত্রু: ফখরুল
ইলিয়াস গুম, গণতন্ত্রও গুম: গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Jubo League leader who beat the journalist in Bogra was arrested

বগুড়ায় সাংবাদিক পেটানো সেই যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়ায় সাংবাদিক পেটানো সেই যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বগুড়ায় যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম শিপুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশের ভাষ্য, বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের সংবাদ করায় ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শনিবার মামলা করা হয়।

বগুড়ায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম শিপুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শহরের কলোনী বাজার থেকে শনিবার দুপুর সোয়া ২ টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার শিপলু বগুড়া জেলা যুবলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি।

হামলার শিকার দুই সাংবাদিক হলেন-বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালেরকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি জে এম রউফ ও দৈনিক বগুড়ার পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম।

পুলিশের ভাষ্য, বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের সংবাদ করায় ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শনিবার মামলা করা হয়।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হামলার সময় সাংবাদিককর হিরো আলমের নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করার সংবাদ লিখছিলেন।

আরও পড়ুন:
বাগেরহাট জেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির, সম্পাদক জেমস
খ্রিষ্টানপল্লিতে হামলার ঘটনায় যুবলীগের ২ নেতা বহিষ্কার
খ্রিস্টান পল্লীতে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দুই দফা হামলা
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু
যুবলীগ নেতার চোখ উপড়ে ফেলা আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে