× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fear of death of 180 Rohingyas recovered at sea 10
hear-news
player
google_news print-icon

সমুদ্রে ১৮০ রোহিঙ্গার মৃত্যুর শঙ্কা, উদ্ধার ১০

সমুদ্রে-১৮০-রোহিঙ্গার-মৃত্যুর-শঙ্কা-উদ্ধার-১০-
নৌকাডুবিতে সমুদ্রে ভাসতে থাকা ১৮০ রোহিঙ্গার মৃত্যু হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। ছবি: ইউনিসেফ
ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল থেকে ছেড়ে যাওয়া নৌকাটি গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ হওয়ার পর সম্ভবত ডুবে যায়। তাদের গন্তব্য কোথায় ছিল তা এখনও জানা যায়নি।

নৌকাডুবির ঘটনায় সমুদ্রে ভাসতে থাকা ১৮০ রোহিঙ্গার মৃত্যু হতে পারে বলে শঙ্কার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। এরই মধ্যে উদ্ধার হওয়া ১০ জনকে ইন্দোনেশিয়ায় নেয়া হয়েছে।

সংস্থাটি একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল থেকে ছেড়ে যাওয়া নৌকাটি গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ হওয়ার পর সম্ভবত ডুবে যায়। তাদের গন্তব্য কোথায় ছিল তা এখনও জানা যায়নি।

শনিবার টুইটে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের স্বজন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। এদের অনেকেই মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

মিয়ানমার থেকে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এদের মধ্যে কয়েক লাখ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২০১৭ সালের ভয়াবহ দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে পালিয়ে আশ্রয় নেয় প্রতিবেশী বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে বেশির ভাগ রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিকত্ব বঞ্চিত করা হয় এবং তাদের দক্ষিণ এশিয়া কয়েকটি দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখা হয়।

এশিয়ার অন্য কোনো দেশে আশ্রয়, খাদ্য ও চাকরির আশায় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে নৌকায় চেপে সমুদ্র পাড়ি দেয়ার সময় প্রায়ই আন্তর্জাতিক জলসীমায় মৃত্যু হয় অনেক রোহিঙ্গার।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের কাজের সুযোগ নেই বললেই চলে। মানব পাচারকারীরা প্রায়ই মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সমুদ্র পাড়ি দিতে তাদের প্রলুব্ধ করে।

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাবিষয়ক অধিকারকর্মীদের দুটি সংগঠন জানিয়েছে গত সপ্তাহে গভীর সমুদ্রে বিকল হয়ে যাওয়া একটি নৌকা থেকে ২০ রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। খাবার ও পানির অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। নৌকাটিতে শতাধিক যাত্রী ছিল। তারা ভারতের উপকূলে দুই সপ্তাহ ধরে আটকে ছিল।

এই মাসের শুরুর দিকে, শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রটির উত্তর উপকূল থেকে ১০৪ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
সাগরে ভাসছে শতাধিক রোহিঙ্গা, অনেক মৃত্যুর শঙ্কা
৮ বাংলাদেশিকে অপহরণ রোহিঙ্গাদের, চায় মুক্তিপণ
৬৫ ভাগ রোহিঙ্গা জন্মনিয়ন্ত্রণের আওতায়
মৌলভীবাজার সীমান্ত এলাকায় ৮ রোহিঙ্গা আটক
এপিবিএনের সঙ্গে গোলাগুলিতে ২ রোহিঙ্গা ‘সন্ত্রাসী’ নিহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
US will not shoot Chinese balloons in the sky

আকাশে ‘চীনা’ বেলুন, গুলি করবে না যুক্তরাষ্ট্র

আকাশে ‘চীনা’ বেলুন, গুলি করবে না যুক্তরাষ্ট্র আকাশসীমায় চীনের নজরদারি বেলুন শনাক্তের কথা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তা। ছবি: রয়টার্স
নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের একজন সাংবাদিকদের বলেন, আকাশসীমায় প্রবেশের পর বেলুনটিকে ‘হেফাজতে’ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। চালকসহ সামরিক বিমান দিয়ে একে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

চীনের একটি গুপ্তচর বেলুন কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় উড়ছে জানিয়ে দেশটির এক কর্মকর্তা বলেছেন, নিরাপত্তা ঝুঁকির শঙ্কায় বস্তুটিকে গুলি না করতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে পরামর্শ দিয়েছেন সামরিক কর্মকর্তারা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তা বেলুনের অবস্থানের বিষয়ে জানান বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আমেরিকার কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আকাশসীমায় বেলুন দেখে একে ধ্বংস করতে উদ্যত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক যুদ্ধবিমান, তবে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা বাইডেনকে পরামর্শ দেন, বেলুনের ধ্বংসাবশেষ নাগরিকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যা মেনে নেন প্রেসিডেন্ট।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তাদের একজন সাংবাদিকদের বলেন, আকাশসীমায় প্রবেশের পর বেলুনটিকে ‘হেফাজতে’ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। চালকসহ সামরিক বিমান দিয়ে একে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

এদিকে ‘বেশি উচ্চতার নজরদারি বেলুন’ শনাক্তের কথা জানিয়েছে কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও।

ওই বেলুনটি চীনের কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে শুক্রবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে পুলিশের বিশেষ ইউনিট নিষিদ্ধ
মারছিল পুলিশ, ‘মা, মা’ বলে কাঁদছিলেন নিকোলস
স্টুডেন্ট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি
ক্যালিফোর্নিয়ায় আবারও গুলি, নিহত ৭
ক্যালিফোর্নিয়ায় ১০ খুনের ১২ ঘণ্টা পর আত্মহত্যা বন্দুকধারীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Adanis three institutions under surveillance in the capital market

পুঁজিবাজারে নজরদারিতে আদানির তিন প্রতিষ্ঠান

পুঁজিবাজারে নজরদারিতে আদানির তিন প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের লোগোর পাশে কর্ণধার গৌতম আদানি। ছবি: সংগৃহীত
অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবারও আদানি গ্রুপের হোল্ডিং কোম্পানি আদানি এন্টারপ্রাইজেসের শেয়ার ২৬ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। গ্রুপের অন্য কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরপতনও অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে ছয় দিনে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিগুলোর ৮ লাখ ৭৬ হাজার কোটি রুপি উধাও হয়ে গেছে।

পুঁজিবাজারে দরপতনের হিড়িকের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি বাড়তি নজরদারি ব্যবস্থায় (এএসএম) রাখা হয়েছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনকুবের গৌতম আদানির মালিকানাধীন আদানি গ্রুপের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে।

ভারতের মুম্বাইভিত্তিক বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ (এনএসই) থেকে বৃহস্পতিবার পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার এ খবর জানায় এনডিটিভি।

নজরদারিতে থাকা প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো আদানি এন্টারপ্রাইজ, আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকনোমিক জোন এবং আম্বুজা সিমেন্টস।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ গ্রুপের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে লেনদেনে প্রতারণা ও শেয়ার দরে কারসাজির অভিযোগ করা হয়। এর পর থেকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আদানি গ্রুপের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরে ধস নামে।

ওই প্রতিবেদনকে মিথ্যা আখ্যা দিয়ে আদানি গ্রুপ বলেছে, তাদের কোম্পানিগুলো সব আইন মেনে চলছে।

বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তিতে কোনো কোম্পানিকে এএসএমের আওতায় রাখা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কোম্পানির আয়ের ওপর গ্রাহকদের অংশীদারত্ব, প্রাইস-আর্নিং রেশিও ইত্যাদি।

এনএসই ও বিএসই জানিয়েছে, আদানি গ্রুপের তিনটি কোম্পানি নির্ধারিত মানদণ্ডে পড়ায় এগুলোকে এএসএমের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবারও আদানি গ্রুপের হোল্ডিং কোম্পানি আদানি এন্টারপ্রাইজেসের শেয়ার ২৬ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। গ্রুপের অন্য কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরপতনও অব্যাহত রয়েছে।

সব মিলিয়ে ছয় দিনে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিগুলোর ৮ লাখ ৭৬ হাজার কোটি রুপি উধাও হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও
ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স
বিশ্বের শীর্ষ ধনীর পাঁচেও নেই আদানি
পুঁজিবাজারে কয়েক ঘণ্টায় ২ লাখ কোটি রুপি উধাও আদানির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Adani Group bought Haifa port in Israel

ইসরায়েলের বন্দর হাইফা কিনল আদানি গ্রুপ

ইসরায়েলের বন্দর হাইফা কিনল আদানি গ্রুপ ফাইল ছবি
আদানি গ্রুপ ইসরায়েলে অধিকতর বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে তারা হাইফা বন্দর কিনল।

১২০ কোটি ডলারে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হাইফা কিনে নিল ভারতের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপ।

হিনডেনবার্গের প্রতিবেদনের জেরে বিধ্বস্ত আদানি গোষ্ঠীর বাজার মূলধন প্রায় ৭ হাজার কোটি ডলার কমার মধ্যেই মঙ্গলবার ওই বন্দর কেনার ঘোষণা আসে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

সুউচ্চ বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করে ভূমধ্যসাগরীয় শহরটিকে পাল্টে দেয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে ভারতীয় এই ব্যবসায়ী গ্রুপের পক্ষে।

আদানি গ্রুপ ইসরায়েলে অধিকতর বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে তারা হাইফা বন্দর কিনল। এছাড়া তারা তেল আবিবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগার (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ল্যাবরেটরি) চালু করতে যাচ্ছে।

জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিপুল পরিমাণ লোকসানের কারণে গৌতম আদানির ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে সম্প্রতি বড় ধরনের ধস নেমেছে।

কৌশলগত কারণে হাইফা বন্দরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করে এবং সবচেয়ে বড় পর্যটকবাহী বিলাসবহুল জাহাজও (ক্রুজ শিপ) এই বন্দরে ভিড়ে। এছাড়া এটি ইসরায়েলের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর।

আরও পড়ুন:
বিশ্বের শীর্ষ ধনীর পাঁচেও নেই আদানি
পুঁজিবাজারে কয়েক ঘণ্টায় ২ লাখ কোটি রুপি উধাও আদানির
ভারতের আদানি এখন বিশ্বের তৃতীয় ধনী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The dream is now in Manikganj

‘স্বপ্ন’ এখন মানিকগঞ্জে

‘স্বপ্ন’ এখন মানিকগঞ্জে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মঙ্গলবার উদ্বোধন হয় স্বপ্নের আউটলেটের। ছবি: নিউজবাংলা
স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, “‘স্বপ্ন’ এখন দেশের ৫১টি জেলায়। মানিকগঞ্জের নতুন এই আউটলেটে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।”

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উদ্বোধন হয়েছে দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্নের আউটলেট।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নতুন এই আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়।

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই পরিচালক তোসাদ্দেক হোসেন খান টিটো, স্বপ্নের হেড অফ বিজনেস এক্সপ্যানশন মো. শামছুজ্জামান, রিজিওনাল ম্যানেজার অফ অপারেশন সাজিদ আহমেদ, ম্যানেজার (প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট) মেহেদী হাসান রাহাত, আউটলেট অপারেশন ম্যানেজার মাসুদুর রহমানসহ অনেকে।

স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, “‘স্বপ্ন’ এখন দেশের ৫১টি জেলায়। মানিকগঞ্জের নতুন এই আউটলেটে আমাদের সেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। আশা করছি স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশে গ্রাহকরা স্বপ্নের এ আউটলেট থেকে নিয়মিত বাজারের সুযোগ পাবেন।”

স্বপ্নের অপারেশন্স ডিরেক্টর আবু নাছের জানান, নতুন এ আউটলেটে থাকছে মাসব্যাপী নানা অফার ও হোম ডেলিভারি সেবা।

স্বপ্নের ২৯৩তম আউটলেটের ঠিকানা: সিটি সেন্টার, ১৬/ঢাকা-আরিচা হাইওয়ে রোড, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, মানিকগঞ্জ।

আরও পড়ুন:
সিলেটের শাহপরাণে স্বপ্নের নতুন আউটলেট
স্বপ্না ভৌমিক এমএন্ডএস’র ভারতেরও প্রধান
বগুড়ার পুলিশ প্লাজায় চেইন শপ ‘স্বপ্ন’
নবীনগর পৌঁছে গেল ‘স্বপ্ন’
স্বপ্ন এখন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
24 lives fell into a bus ditch in Peru

পেরুতে বাস খাদে পড়ে গেল ২৪ প্রাণ

পেরুতে বাস খাদে পড়ে গেল ২৪ প্রাণ দুর্ঘটনাকবলিত বাস। ছবি: সংগৃহীত
পেরুর পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসইউটিআরএএন এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে হতাহতের কোনো সংখ্যা তারা উল্লেখ করেনি।

পেরুর উত্তরাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার দেশটির এল অলটো জেলায় পাহাড়ি রাস্তায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে রয়টার্স

পেরুর পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসইউটিআরএএন এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে হতাহতের কোনো সংখ্যা তারা উল্লেখ করেনি।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, ৬০ জন যাত্রী নিয়ে লিমা থেকে ইকুয়েডর সীমান্তবর্তী টুম্বেসে যাচ্ছিল বাসটি। পথে এটি অরগানোস শহরের কাছে রাস্তার পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়।

পেরুতে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যাও কম নয়।

আরও পড়ুন:
শ্রীমঙ্গলে অটোরিকশায় পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২
অ্যাম্বুলেন্সচাপায় রিকশাচালক নিহত, আহত একই পরিবারের ৪ জন
সড়কে গেল পীর-মুরিদের প্রাণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
55 executions in 26 days in Iran

ইরানে ২৬ দিনে ৫৫ ফাঁসি

ইরানে ২৬ দিনে ৫৫ ফাঁসি ইরানে এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, সরকারবিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকার দায়ে সম্প্রতি ইরানে তিন যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে একজনের বয়স মাত্র ১৮।

ইরানে নতুন বছরের প্রথম ২৬ দিনে ৫৫ জনের ফাঁসি কার্যকরা হয়েছে বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর)। সংস্থাটি বলছে, পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলনরতদের ভয় দেখাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে তেহরান।

এদিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, সরকারবিরোধী আন্দোলনে জড়িত থাকার দায়ে সম্প্রতি ইরানে তিন যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে একজনের বয়স মাত্র ১৮।

আইএইচআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, বছরের প্রথম ২৬ দিনে মাদক মামলার ৩৭ আসামিকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। এছাড়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ইরানে ১০৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এ নিয়ে আইএইচআর-এর পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোঘদ্দাম বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের ভয় দেখাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে ইরান সরকার। কোনো ফাঁসি বরদাস্ত করা হবে না, তা সে রাজনৈতিক হোক বা অরাজনৈতিক।’

সঠিকভাবে হিজাব না পরার অভিযোগে ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যু হয় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন থেকেই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইরানে।

বিক্ষোভ থামাতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ইরান সরকার ধরপাকড় চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এ সংখ্যা উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের ফ্লাইটে হামলা: ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ
‘ইরানে ১০০ বিক্ষোভকারীর সামনে ফাঁসির দড়ি’
ইরানে স্টারলিংকের ১০০ স্যাটেলাইট সক্রিয়: মাস্ক
ইরানে নারীর পোশাকের স্বাধীনতা দাবির ১০০ দিন
মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে ইরানের র‍্যাপারের আপিল গ্রহণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Canada appointed adviser to combat Islamophobia

ইসলামবিদ্বেষ কাটাতে উপদেষ্টা নিয়োগ করল কানাডা

ইসলামবিদ্বেষ কাটাতে উপদেষ্টা নিয়োগ করল কানাডা কানাডার সাংবাদিক আমিরা এলঘাওয়াবি। ছবি: এএফপি
মানবাধিকার কর্মী এলঘাওয়াবি কানাডার দাতব্য সংস্থ রেস রিলেশনস ফাউন্ডেশনের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান ও টরন্টো স্টার পত্রিকার একজন কলামিস্ট। এর আগে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিবিসিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন তিনি।

ইসলামবিদ্বেষ কাটাতে প্রথমবারের মতো উপদেষ্টা নিয়োগ করলো কানাডা সরকার।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার কানাডার ইসলামবিদ্বেষবিরোধী উপদেষ্টা হিসেবে সাংবাদিক আমিরা এলঘাওয়াবির নাম ঘোষণা করা হয়।

এ নিয়ে বিবৃতিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে বলা হয়, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট আমিরা এলঘাবাবি ইসলামভীতি, বর্ণবাদ, জাতিগত বৈষম্য এবং ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টাকে উন্নত করতে কাজ করবেন।

মানবাধিকার কর্মী এলঘাওয়াবি কানাডার দাতব্য সংস্থ রেস রিলেশনস ফাউন্ডেশনের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান ও টরন্টো স্টার পত্রিকার একজন কলামিস্ট। এর আগে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিবিসিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন তিনি।

এলঘাওয়াবিকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘ইসলামবিদ্বেষ ও সব ধরনের ঘৃণা-বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বৈচিত্রতা সত্যিই কানাডার অন্যতম বড় শক্তি, কিন্তু অনেক মুসলমান ইসলামবিদ্বেষের শিকার।’

গত কয়েক বছর ধরে কানাডার মুসলমান সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে একের পর এক ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে।

২০২১ সালের জুনে অন্টারিওতে একটি মুসলিম পরিবারের চার সদস্যকে ট্রাক দিয়ে পিষে হত্যা করেন এক ব্যক্তি। এর চার বছর আগে, কুইবেক সিটির একটি মসজিদে চালানো হামলায় ছয়জন মুসল্লি নিহত এবং পাঁচজন আহত হন।

আরও পড়ুন:
কানাডীয় দূতের সঙ্গে বৈঠক, কিছু জানাবে না বিএনপি
২০২৫ সালে রেকর্ড অভিবাসী নেবে কানাডা
কানাডায় ছুরি হামলার দ্বিতীয় সন্দেহভাজনের মৃত্যু
কানাডায় সন্দেহভাজন হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
কানাডায় সিরিজ ছুরি হামলায় নিহত ১০

মন্তব্য

p
উপরে