× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mayor Atiq is proud of Shaheen College
google_news print-icon

শাহীন কলেজ নিয়ে গর্বিত মেয়র আতিক

শাহীন-কলেজ-নিয়ে-গর্বিত-মেয়র-আতিক
এক্স শাহীন এসোসিয়েশন অব ঢাকার অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
‘এই কলেজের মাঠ আমাকে ডাকে, ক্লাস রুম আমাকে ডাকে। বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্য পুত্র শহীদ শেখ কামাল এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন। তিনি এই মাঠে খেলাধুলা করেছেন, এই ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তার স্মৃতি আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের শক্তি।’

রাজধানীর সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি তার জীবনের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে বলে জানান তিনি।

রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ মাঠে রোববার দুপুরে এক্স শাহীন এসোসিয়েশন অব ঢাকার (ইসাড) পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই মেয়র স্মৃতিচারন করেন প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে। তিনি ইসাড-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

মেয়র আতিক বলেন, ‘শাহীন স্কুল আমাকে আজকের অবস্থানে আসতে সাহায্য করেছে। এখান থেকে আমরা যেমন বিদ্যা অর্জন করেছি, তেমনি শিক্ষাও পেয়েছি। আমি গর্বিত এ প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে।

‘এই কলেজের মাঠ আমাকে ডাকে, ক্লাস রুম আমাকে ডাকে। বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্য পুত্র শহীদ শেখ কামাল এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন। তিনি এই মাঠে খেলাধুলা করেছেন, এই ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তার স্মৃতি আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের শক্তি।’

শহীদ শেখ কামালের নামে কলেজ ভবন ও লাইব্রেরীর নামকরণের আহবান জানান ডিএনসিসি মেয়র। তিনি শিক্ষার্থী ও পথচারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বিএএফ শাহীন কলেজ সংলগ্ন ফুটওভার ব্রীজে অত্যাধুনিক এস্কেলেটর (চলন্ত সিঁড়ি) বসানোর ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, বিএএফ শাহীন কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল জাহিদুর রহমান, ইসাড’র প্রাক্তন সভাপতি ও উপদেষ্টা জিয়া শামসি, বিএএফ শাহীন কলেজের প্রিন্সিপাল গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে এম আব্দুর রাজ্জাকসহ সাবেক শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসকদের টেস্ট বাণিজ্য নয়: মেয়র আতিক
পরিচ্ছন্নতায় অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা: মেয়র আতিকুল
জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি
বিশ্বকাপের খেলা দেখাচ্ছে ডিএনসিসি
এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা ডিএনসিসির

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
DU student missing in Kolkata

কলকাতায় ঢাবি ছাত্র নিখোঁজ

কলকাতায় ঢাবি ছাত্র নিখোঁজ প্রতীকী ছবি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দেলওয়ার হোসেন চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ১৮ জুন কলকাতায় যান। মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি হোটেলে ওঠেন তারা। বুধবার রাতে দেলওয়ার সবার অলক্ষ্যে বাইরে বেরিয়ে যান।

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেল থেকে বুধবার তিনি নিখোঁজ হন। মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন নামের ওই তরুণের খোঁজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মেলেনি।

অনলাইন টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেলওয়ার হোসেন গত বছর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন আগে তিনি কলকাতা যান।

দেলওয়ারের বাবা আবদুল করিম বলেছেন, ‘সে খুব কমই কথা বলতে পারে। শারীরিক অবস্থার কারণে বেশি পথ হাঁটতে পারে না। এর আগে তার জন্ডিস হয়েছিল।’

পুলিশ বলেছে, হোটেল ও সড়কের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে দেলওয়ার পার্ক স্ট্রিটের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন।

পার্ক স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনের এক কর্মকর্তা জানান, দেলওয়ারের পরিবার ১৮ জুন কলকাতা যান। মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি হোটেলে ওঠেন তারা। বুধবার রাতে দেলওয়ার সবার অলক্ষ্যে বাইরে বেরিয়ে যান।

হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি স্থানীয় সময় রাত ১১টা ২৭ মিনিটের দিকে বাইরে বের হন। তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রথমে বুঝতে পারেন তার মা।

দেলওয়ারের পিতা আবদুল করিম পাবনা জেলা সিভিল কোর্টের একজন আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজের পরের রাত পুরোটা সময় ছেলের খোঁজে বাইরে কাটিয়েছি। ঘুমিয়েছি রাস্তায়।

‘আমাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো স্ট্রোক করার পর থেকে সে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ঠিকমতো কথাও বলতে পারে না।’

পার্ক স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনে নিখোঁজের ডায়রি করেছে দেলওয়ারের পরিবার।

থানার সিনিয়র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
HSC exam postponed in flood affected Sylhet division

বন্যা: সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

বন্যা: সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশিই অবনতি হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ৩০ জুন সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে সিলেট বিভাগে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ।

বন্যার কারণে সিলেট বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে ৯ জুলাই থেকে রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কান্তি সরকার বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেট থেকে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

রুটিন অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দুই হাজার ২৭৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের মোট ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

এর আগে সিলেটে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরে সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

আরও পড়ুন:
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Summer holidays reduced in educational institutions

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কমল

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কমল ফাইল ছবি।
এবার গ্রীষ্মের ছুটি থাকার কথা ছিল আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বুধবার (২৬ জুন) থেকে খুলে দেয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।

এবার গ্রীষ্মের ছুটি থাকার কথা ছিল আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বুধবার (২৬ জুন) থেকে খুলে দেয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

তবে শুক্রবারের পাশাপাশি শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে, এবার পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন, যা চলার কথা ২ জুলাই পর্যন্ত।

ছুটি সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো– নতুন কারিকুলামে চলতি বছরে বেশ ঘাটতি রয়েছে। শীত ও অতি গরমের কারণে এবার ১৫ দিনের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেই ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মের ছুটি কাটছাঁট করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে শীতকালীন ছুটি কিছুটা বাড়তে পারে।

এ ছাড়া শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। তাই গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Sonaimuri haze surrounds the dead body of the madrasa student

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা নিহত মাদ্রাসাছাত্র মান্নান মেহেরাজ। ছবি: সংগৃহীত
নিহত শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে মারা গেছে- সিসি টিভি ফুটেজে এমনই দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পানি থেকে তোলার সময় মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদ্রাসাছাত্র খুনের ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। নিহত ১৪ বছরের মান্নান মেহেরাজের মরদেহের সর্বাংশে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন থাকলেও খুনি কে, তা এখনও বের করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে মামলা প্রত্যাহার করতে অব্যাহত হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে নাটেশ্বর ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার পুকুর থেকে নাজেরা বিভাগের ছাত্র মেহেরাজের মরদেহ ভেসে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল। পঁচা-গলা মরদেহটি মাদ্রাসার মোহতামিমের নির্দেশে পুকুর থেকে তুলে আনে ছাত্ররা।

এ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবার গত শুক্রবার (১৪ জুন) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে। অপরদিকে, মাদ্রাসা রোববার (১৬ জুন) এই ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষ।

নিহতের বাবা মো. কামাল বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে শিক্ষক আহসান হাবিবকে আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতে মামলা করেন। আগামী বুধবার (২৬ জুন) এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মান্নান মেহেরাজ তার নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিবকে আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলে। ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে আব্দুল মান্নানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, মাদ্রাসার পুকুর থেকে মেহেরাজের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেন মোহতামিম মহিন উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে তার দাবি ছিল, এটি নিছক একটি দুর্ঘটনা। ছেলেটি পানিতে পড়ে মারা গেছে।

এসময় ছাত্র নিহতের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলার উত্তর মির্জানগর মন্ত্রীর মসজিদের সামনে ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধন করে।

এসময় তারা উল্লেখ করেন, নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিব আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলায় খুন করা হয় মান্নান মেহেরাজকে। এছাড়া গত সোমবার (১০ জুন) থেকে মেহরাজ নিখোঁজ থাকলেও তার পরিবারকে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি, থানা থেকে মামলা নেয়া হয়নি। আদালতে মামলা করায় তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তবে সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহটি মাদ্রাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ছেলেটি পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নিহতের বড়ভাই মো. হানিফ বলেন, ‘পানি থেকে উদ্ধার করার পর দেখতে পাই, মেহরাজের মরদেহের ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল ক্ষতবিক্ষত। দুই পায়ের উরুতে হাতের ছাপ ও গলায় আঙুলের ছাপ রয়েছে।

তিনি জানান, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে পানিতে ডুবে গেছে মান্নান। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা বক্তব্য দিয়েছে, এ ঘটনার একদিন আগে থেকেই মান্নান নিখোঁজ। আর নিখোঁজের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও তা তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়নি।

এছাড়া, সিসি টিভি ফুটেজ অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে পানিতে ডুবে পরদিন বিকেলে মরদেহ ভেসে ওঠে। মরদেহ দেখতে পেয়েও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কিংবা নিহতের পরিবারকে কিছুই জানায়নি। পরে প্রতিবেশীর মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা জানতে পেরে মাদ্রাসায় গিয়ে মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

অন্যদিকে, পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ‘হার্ডডিস্ক মাইজদিতে রয়েছে’ জানায়। এর দুই ঘণ্টা পর মাইজদি থেকে হার্ডডিস্ক এলে সিসি টিভি ফুটেজ দেখানো হয় পুলিশকে।

এদিকে, নিহত মাদ্রাসা ছাত্র মান্নান মেহেরাজ সাঁতার জানত বলে জানিয়েছেন তার ভাই মো. হানিফ।

আরও পড়ুন:
পরিচালকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম
‘ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’
ছাত্রলীগ নেতা হত্যা: মানববন্ধনে নিস্তব্ধতা, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধসহ আহত ৮

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegations of misappropriation of madrasa and orphanage money against the director

পরিচালকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

পরিচালকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এক মাস সময় নিয়েও অভিযুক্ত পরিচালক মাদ্রাসার অর্থের কোনো হিসাব দেননি বলে দাবি প্রতিষ্ঠাতার। কোলাজ: নিউজবাংলা
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর ওয়াদুদ খানের অভিযোগ, হিসাব চাওয়ায় পরিচালক আহসান হাবিব তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেন। এছাড়া আগের সকল শিক্ষক ও স্টাফদের ছাঁটাই করে তিনি তার অনুগত শিক্ষক ও স্টাফ নিয়োগ দিয়েছেন।

মানিকগঞ্জ পৌরসভার দারুল আবরার ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে। প্রতিকার চেয়ে গত মঙ্গলবার মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর ওয়াদুদ খান।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চর-বেউথা এলাকায় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন আব্দুল ওয়াদুদ খান। প্রতিষ্ঠার পর তিন বছর পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

এরপর ২০১৫ সালে মৌখিকভাবে আহসান হাবিবকে মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনার জন্য পরিচালক পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ধীরে ধীরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের জায়গা সম্প্রসারণের জন্য মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক আহসান হাবিবের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।

পরবর্তীতে, ২০১৯ সালে জমি কেনার জন্য পরিচালকের কাছে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া হয়। কিন্তু এর ফলে ওয়াদুর খানের সঙ্গে আহসান হাবিবের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসার অভিভাবকরা একাধিবার চেষ্টা করেও পরিচালক আহসান হাবিবের কাছ থেকে মাদ্রাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব আদায় করতে পারেননি। তখন থেকে শিক্ষার্থীদের পড়লেখার কথা চিন্তা করে স্থানীয় জনিপ্রতিনিধি ও সচেতন ব্যক্তিরা একটি কমিটি গঠন করে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।

বর্তমানে মাদ্রাসায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী পড়লেখা করে। প্রত্যেকের কাছ থেকে পড়ালেখা ও খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ বাবদ সাড়ে ৩ হাজার টাকা আদায় করেন মাদ্রাসার পরিচালক। এরপর মধ্যে প্রায় ৫০জন শিক্ষার্থী অর্ধেক বা বিনা বেতনে পড়ালেখা করে আসছে।

স্থানীয় মো. শাহিনুর ও হারুন অর রশিদ জানান, আব্দুর ওয়াদুদ নিজের জমির ওপর মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। ওই সময় ১৮ মাস মাদ্রাসার শিক্ষকদের নিজ অর্থায়নের বেতন দিয়েছেন তিনি ও তার এক বন্ধু। মাদ্রাসাটিকে অনেক কষ্টে দাঁড় করেছেন তিনি।

তারা বলেন, বর্তমান পরিচালক আহসান হাবিব মাদ্রাসার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ভালোভাবেই সব চলছিল। তার কাছে মাদ্রাসার ফান্ডের টাকার হিসাব চাওয়ার পর থেকেই ওয়াদুদ সাহেবের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়।

তাদের দাবি, আহসান হাবিব একজন ঈমাম। শুনেছি, এর আগে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করেছেন। তিনি ঈমাম হয়ে এত টাকা কোথায় পেলেন যে, এক কোটি ২০ লাখ টাকা দিয়ে জয়নগ এলাকায় আরেকটি মাদ্রাসার নামে জয়াগা কেনেন?

এছাড়াও মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বেরসকারি হাসপাতালে তার একাধিক শেয়ার আছে দাবি করে তারা জানান, পৌরসুপার মার্কেটে দোকানও কিনেছেন তিনি।

স্থানীয় কাউন্সিলর ও মাদ্রাসা পরিচালানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু মোহাম্মদ নাহিদ বলেন, ‘মাদ্রাসার অনুদানের টাকার হিসাব আমাদের দেয়া হয়নি। আমরা দায়িত্ব নেয়ার সময় মাদ্রাসার ব্যাংক হিসাব শূন্য ছিল। এ কারণে পরিচালক মাদ্রাসার কোনো টাকাপয়সা অন্যত্র সরিয়েছেন কি না, তা সঠিক বলতে পারছি না। পরিচালনা কমিটি কোনো রশিদের মাধ্যেমে আমাদের হিসাব বুঝিয়ে দেয় নাই, মৌখিকভাবে হিসাব দিয়েছেন।’

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর ওয়াদুদ খান জানান, ‘আল্লাহকে খুশি করার জন্য নিজের জমিতে উপার্জিত কষ্টের টাকায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠতা করেছি। প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর মৌখিকভাবে আহসান হাবিব হুজুরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেই। তিনি এই সুযোগে মাদ্রাসার নামে আসা অনুদানের টাকা যৌথ ব্যাংক হিসাবে (ইসলামী ব্যাংক মানিকগঞ্জ শাখা) না রেখে নিজের ব্যাংক হিসাবে রাখেন। এরপর মাদ্রাসার জায়গা সম্প্রসারণের জন্য ২০১৯ সালে তার কাছে টাকা চাই এবং দীর্ঘ ৫ বছরের সমস্ত আয়-ব্যয়ের হিসাবও চাওয়া হয়। তবে এক মাসের সময় নিয়েও আজ পর্যন্ত তিনি কোনো হিসাব দেন নাই।’

তার অভিযোগ, হিসাব চাওয়ায় পরিচালক আহসান হাবিব তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেন। এছাড়া আগের সকল শিক্ষক ও স্টাফদের ছাঁটাই করে তিনি তার অনুগত শিক্ষক ও স্টাফ নিয়োগ দিয়েছেন।

মাদ্রাসার ছাত্রদের ভবিষ্যত ও প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতির জন্য পরিচালকের নিকট থেকে হিসাব গ্রহণ এবং পরিচালককে প্রতিষ্ঠান থেকে অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন প্রতিষ্ঠাতা আবদুর ওয়াদুদ খান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আহসান হাবির বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।’ এরপর ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন তিনি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার বলেণ, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম
মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: ১১ মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
এনআইডি-জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতি, ইসি কর্মীসহ গ্রেপ্তার ২
মানিকগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে ছাত্রী নিহত
বন্ধের মধ্যেই চলছিল ক্লাস, সতর্ক করলেন ইউএনও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Job Professor Zakir Hossain is a member of UGC

ইউজিসির সদস্য হলেন জবি অধ্যাপক জাকির হোসেন

ইউজিসির সদস্য হলেন জবি অধ্যাপক জাকির হোসেন জবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন বর্তমানে জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন। যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ এর যুগ্মসচিব নুমেরী জামান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ৪ (১) (বি) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন, অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকাকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে চার শর্তে তাকে নিয়োগ দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

শর্তগুলো উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ নিয়োগের মেয়াদ হবে চার বছর। তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারবে।

অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন বর্তমানে জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

এর আগে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. আবু তাহেরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই গত মার্চে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। এরপর থেকেই ইউজিসির এই পদটি ফাঁকা হয়।

আরও পড়ুন:
জবি কর্মচারীদের ৩ মাসের মধ্যে ক্যাম্পাসের আবাসস্থল ছাড়ার নির্দেশ
‘প্রত্যয় স্কিম’ বাতিল চান জবি শিক্ষকরাও
মধ্যরাতে জবির মসজিদে নারী, ইমামকে অব্যাহতি
ক্যানসারের কাছে হার মানলেন জবি অধ্যাপক
শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে জবিতে মানববন্ধন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three students were beaten and injured in madrasa for playing football

ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম

ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম শিক্ষকের বেত্রাঘাতে জখম শিক্ষার্থী নাইম। ছবি: নিউজবাংলা
ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ঝালকাঠির বাসন্ডা এলাকার নেছারাবাদ এনএস কামিল মাদ্রাসায় ফুটবল খেলার কারণে তিন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে মো. সালাহ উদ্দিন নামের ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষক।

নেছারাবাদ মাদ্রাসার তাহেলি ভবনের দ্বিতীয় তলায় সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে মঙ্গলবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

আহতরা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার মিজানুর রহমানের ছেলে হাবিবুল্লাহ, পটুয়াখালীর ছোট দিঘাই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে রুবায়েত এবং ভোলা জেলা সদরের চরনোয়াবাদ গ্রামের মাহমুদ হাসানের ছেলে ইয়াসিন হাসান নাইম। তাদের সবার বয়স ১৬ বছর। এদের মধ্যে ইয়াসিন হাসান নাইম গুরুতর আহত হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আহতদের সহপাঠিরা বলে, মাদ্রাসার তাহেলী আবাসিক বিভাগের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ, রুবায়েত ও নাইম। সোমবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে বাইরে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল তারা। খেলা শেষে মাদ্রাসায় ফিরলে শিক্ষক মো. সালাহ উদ্দিন তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ফুটবল খেলার অপরাধে তাদের বেত দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে নাইমের সমস্ত শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায়। এরপর শিক্ষকরা তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে মাদ্রাসার একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, সোমবার দুপুরে তাদের ডেকে নিয়ে সালাহ উদ্দিন হুজুর বেত দিয়ে মারতে শুরু করেন। অনেক অনুনয় আর কাকুতি-মিনতি করলেও মন গলেনি তার।

এদিকে, আহত শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে এমন বর্বরোচিত নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবি জানান অনেকে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: ১১ মাস পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
নওগাঁয় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় শিক্ষক কারাগারে

মন্তব্য

p
উপরে