× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Peoples government will be established in movement BNP in Sylhet
hear-news
player
google_news print-icon

আন্দোলনেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে: সিলেটে বিএনপি

আন্দোলনেই-জনগণের-সরকার-প্রতিষ্ঠিত-হবে-সিলেটে-বিএনপি
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটে মিছিল করে বিএনপি। ছবি: নিউজবাংলা
মিছিল-পরবর্তী পথসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘দেশের জনগণ সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে রাস্তায় নেমেছে। জুলুম ও নির্যাতন করে জনতার এই আন্দোলনকে বন্ধ করা যাবে না।’

সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ ১০ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও যুগপৎ আন্দোলনে সিলেটে মিছিল করেছে বিএনপি।

শনিবার দুপুরে সিলেটে জেলা ও মহানগর বিএনপির সম্মিলিত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নগরের রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে মিছিলটি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে চৌহাট্টায় গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল-পরবর্তী পথসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করে রাখা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে না দেয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কারাবন্দি করে সরকার বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করার পাঁয়তারা করছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণ সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে রাস্তায় নেমেছে। জুলুম ও নির্যাতন করে জনতার এই আন্দোলনকে বন্ধ করা যাবে না। চলমান আন্দোলনের মাধ্যমেই সব রাজবন্দিকে মুক্ত করে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। জনগণের দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির কর্মসূচিগুলোতে জনতার জোয়ার নামে। দেশে যে স্বৈরতন্ত্র ও অপশক্তি বিদ্যমান রয়েছে, আমরা সেই অপশক্তিকে উৎখাত করার জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ দমন-পীড়নের নামে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, যা দেশ-বিদেশে নিন্দনীয় হচ্ছে। এসব ঘটনায় এই দেশের জনগণ হিসেবে আমরাও লজ্জিত হচ্ছি। এর জন্য বাংলাদেশ দায়ী নয়, দেশের জনগণ দায়ী নয়, বরং এই ফ্যাসিবাদী সরকার দায়ী। ইনশা আল্লাহ অতি শিগগিরই এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হবে।’

সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল কাইয়ুম জালালি পংকির সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সাখাওয়াত হাসান জীবন, কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মিফতাহ্ সিদ্দিকীসহ অনেকেই।

এ ছাড়াও মিছিলে সিলেটে অবস্থানরত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাসহ বিভিন্ন উপজেলা, পৌর, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশের ব্যারিকেড, মিছিল করল জামায়াত
২০ দলীয় জোটের গোপনে বিলোপে মন ভেঙেছে শরিকদের
বিএনপির ২০ দল ভাঙার খবরে ১২ শরিক গড়ল নতুন জোট
খুলনায় বিএনপির গণমিছিলে নেতৃত্ব দেবেন ড. মঈন খান
স্মৃতিসৌধে এবারও বিএনপির হুড়োহুড়ি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Six domed mosque was visited by 28 foreign tourists

ষাট গম্বুজ মসজিদ ঘুরে দেখলেন ২৮ বিদেশি

ষাট গম্বুজ মসজিদ ঘুরে দেখলেন ২৮ বিদেশি  ষাট গম্বুজ মসজিদের কমপাউন্ডে অবস্থিত জাদুঘর ঘুরে দেখলেন ২৮ বিদেশি পর্যটক। ছবি: নিউজবাংলা
ষাট গম্বুজ মসজিদ ঘুরে দেখে মুগ্ধ হয়ে বিদেশি এক পর্যটক বলেন, ‘এটির স্থাপত্যশৈলী সত্যিই অসাধারণ। আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছি। তবে এই মসজিদের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এটি আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ। আমি বিশ্বের পর্যটকদের অনুরোধ করব, এই স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখার জন্য।’

বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের কমপাউন্ডে অবস্থিত জাদুঘর ঘুরে দেখলেন ২৮ বিদেশি পর্যটক।

২৭ জন সুইস ও একজন জার্মান পর্যটক নিয়ে মোংলা থেকে শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ষাট গম্বুজ মসজিদের সামনে পৌঁছান। এ সময় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমানসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২৮ জন বিদেশি পর্যটক নিয়ে ভারতের বানারস থেকে ছেড়ে আসা বিলাসবহুল প্রমোদতরী এমভি গঙ্গা বিলাস শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মোংলা বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে এসে পৌঁছায়।

ষাট গম্বুজ মসজিদ ঘুরে দেখে মুগ্ধ হয়ে বিদেশি এক পর্যটক বলেন, ‘এটির স্থাপত্যশৈলী সত্যিই অসাধারণ। আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছি। তবে এই মসজিদের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এটি আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ। আমি বিশ্বের পর্যটকদের অনুরোধ করব, এই স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখার জন্য।’

এমভি গঙ্গা বিলাসের ট্যুর অপারেটর জার্নি প্লাসের প্রধান নির্বাহী তৌফিক রহমান জানান, ১৩ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বানারাসে এর উদ্বোধন করেন। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে লং ট্যুর রিভার ক্রুজ। এটি ৩২০০ কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দেবে। বাংলাদেশ-ভারতের ২৭টি নদী ও ৫০টি পর্যটন কেন্দ্রে যাবে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর রোববার যাবে সুন্দরবন। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ভ্রমণ শেষে ১৭ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রামের চিলমারী হয়ে ভারতের আসামে ঢুকবে। ১ মার্চ আসামের ধুপড়ি হয়ে আসামের শেষ সীমান্তের দিপড়ুগড়ে গিয়ে ৫১ দিনের ট্যুর শেষ হবে পর্যটকদের।

আরও পড়ুন:
জঙ্গিবিরোধী অভিযান : চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় পর্যটক নিষিদ্ধ
বিদেশি মুদ্রায় ঋণের সুদহার বাড়িয়ে আগের অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক
সৈকতে পর্যটন মেলা, বিচ কার্নিভাল শুরু
পর্যটন দিবস: ৬ বলে ৩৬ রান চান প্রতিমন্ত্রী
শীতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে কুয়াকাটা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A security guard died after bathing in the river

নদীতে গোসলে নেমে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু

নদীতে গোসলে নেমে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু নিরাপত্তাকর্মী ইয়াছিন আহম্মেদ আবিরের মরদেহ উদ্ধার। ছবি: সংগৃহীত
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা সোহেব আলী বলেন, ‘গজারিয়া থানার পুলিশ এবং নৌ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিখোঁজ নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।’

মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে গোসল করার উদ্দেশে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

গজারিয়া উপজোর গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চর চাষী এলাকায় মেঘনা নদী থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত ২১ বছর বয়সী ইয়াছিন আহম্মেদ আবির ঢাকা আজিমপুর এলাকার মাজেদ মিয়ার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় উপজেলার নতুন চর চাষী সংলগ্ন মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় ইয়াসিন আহম্মমেদ আবির, বিশাল আহমেদ, রাফি আহমেদ নামে তিন তরুণ। তারা তিনজনই গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের নতুন চাষী এলাকার ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানায়, নদীতে গোসল করতে গিয়ে তারা তিনজনই নোঙ্গর করে রাখা একটি বাল্কহেডে উপর ওঠে। এ সময় ইয়াসিন বাল্কহেডের উপর থেকে পানিতে ঝাঁপ দেয়। বেশ কয়েক সেকেণ্ড অতিবাহিত হওয়ার পরেও সে ভেসে না ওঠলে তার সঙ্গে আসা বিশাল ও রাফি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে খোঁজা শুরু করে। বেশ কিছু সময় খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে বিষয়টি তারা কোম্পানির প্রতিনিধির মাধ্যমে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে জানায়।

গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন টিম লিডার দুলাল ব্যানার্জি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সন্ধ্যা ছয়টার সময় মরদেহ উদ্ধার করে।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা সোহেব আলী বলেন, ‘গজারিয়া থানার পুলিশ এবং নৌ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিখোঁজ নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।’

আরও পড়ুন:
নির্মিত ভবনের বিম ভেঙে প্রাণ গেল শ্রমিকের
মধ্যরাতে ঢাকার রাস্তায় মোটরসাইকেল উল্টে গেল যুবকের প্রাণ
সারবোঝাই কার্গো থেকে নদীতে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
মালয়েশিয়ায় কনটেইনারে পাওয়া কিশোরের বাড়ি কুমিল্লায়
ইন্টার্ন চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কক্ষে চিরকুট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case against 16 people including UP Chairman in Brahmanbaria

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের নামে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের নামে মামলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফাইল ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম জানান, মামলাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। এক মাসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের নামে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে।

উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ ভূঁইয়া ও তার সমর্থকদের নামে এ মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী।

ভুক্তভোগী নারী সৈয়দা বদরুননেছা সুহিলপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়ার বাসিন্দা মো. সারওয়ারের স্ত্রী। ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ ভূঁইয়াও একই গ্রামের বাসিন্দা।

গত মঙ্গলবার বদরুননেছা চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের নামে দ্রুত বিচার আইনে আদালতে একটি মামলা করেন। বুধবার তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ জায়গায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ চেয়ে আরেকটি মামলা করেন। বৃহস্পতিবার বদরুননেছার শ্বশুর সামছুল হুদা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আরেকটি মামলা করেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মাসুদুর রহমান জানান, আদালত দ্রুত বিচার আইনের ধারার মামলাসহ দুটি মামলা তদন্ত করে এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত আবদুর রশিদ ভূঁইয়া সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সদস্য। ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায় পুলিশ উল্টো মামলার বাদীদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী। মামলার বাদী সম্পর্কে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশীদের চাচি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ওই নারী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদের চাচা আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ১৯৬৯ নম্বর দলিলমূলে দেড় শতক এবং তার স্বামী ১৩৩২৩ নম্বর দলিলমূলে ৫ শতক জায়গা কেনেন। গত ইউপি নির্বাচনের আগে তাদের সেই জায়গার পেছনে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদের আরেক চাচা রেনু ভূঁইয়ার কাছ থেকে ৫ থেকে ৭ শতকের একটি জায়গা কিনে নেন স্থানীয় কালু মিয়া। ওই জায়গায় যাওয়ার রাস্তা না থাকলেও বিক্রির সময় চেয়ারম্যানের আত্মীয় ওই দম্পতির জায়গা দেখিয়ে নির্ধারিত দাম থেকে দ্বিগুণ মূল্যে দলিল করেন।

এরপর ওই জায়গায় যাওয়ার জন্য রেনু ভূঁইয়া ও কালু মিয়ার পক্ষ হয়ে চেয়ারম্যানসহ তার লোকজন ওই নারীর জায়গার ওপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করতে যায়। এতে ওই নারী বাধা দেন। পরে চেয়ারম্যানসহ তার লোকজন জোরপূর্বক ওই দম্পতির জায়গার ওপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করার হুমকি দেন। এ সময় তাদের হত্যার হুমকিও দেয়া হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি সকাল ৮টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকজন দা, লাঠি, রড, কুড়াল, কোদাল ও শাবল নিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে ওই দম্পতির জায়গার গাছপালা কাটতে শুরু করে। ওই সময় মামলার আসামি রুবেল ভূঁইয়া ওই নারীকে মাটিয়ে ফেলে টানা হেঁচড়া করে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে তার শ্লীলতাহানি করেন।

চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই মমিন ভূঁইয়া ও লিটন মিয়া ভুক্তভোগী নারীর এক আত্মীয়াকে মাটিতে ফেলে চুলে ধরে টানাহেঁচড়া করেন। এরপর তাদের দুইজনের কাছ থেকে মোট সাড়ে তিন ভরি ওজনের স্বর্ণাংলকার ছিনিয়ে নেন তারা। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন তাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে সকাল সোয়া ৯টার দিকে ৯৯৯ এ ফোন করে সাহায্য চান ওই নারী।

মামলার বাদী সৈয়দা বদরুননেছা বলেন, ‘প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ও তার লোকজন অত্যন্ত প্রভাবশালী। আদালতে মামলার করার পর উল্টো পুলিশের হয়রানির শিকার হচ্ছি। টাকা দিয়ে জায়গা কিনে এখন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।’

সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, ‘সেখানে আমার পারিবারিক জায়গা রয়েছে। দুই চাচা আনোয়ার হোসেন ও রেনু ভূঁইয়া দুইজনের কাছে জায়গা বিক্রি করে। ২০০৭ সালে আমাদের একটি পারিবারিক বন্টকনামা করা হয়। সেখানে পেছনের জায়গায় যেতে তিন ফুট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তার বিষয় উল্লেখ করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার দিন কয়েকজন গিয়ে গাছপালা কেটে ফেলে। সে সময় টানাহেঁচড়া হয়ে থাকতে পারে। তবে আমি দেখিনি। জানতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটিতে একটি দা পড়ে থাকতে দেখি। দুর্ঘটনা এড়াতে আমি সেটি হাতে নেই।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম জানান, মামলাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। এক মাসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

তিনি আরও জানান, পুলিশ বাদীপক্ষকে কোনো ধরনের হয়রানি করেনি। এ অভিযোগ সত্য না।

আরও পড়ুন:
লালমনিরহাটে হামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহতের ঘটনায় মামলা
সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
মিথ্যা মামলা করায় ৩ বছরের কারাদণ্ড
শেরপুরে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মী কারাগারে
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League does not want peoples vote Nazrul

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউরীতে নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন নজরুল ইসলাম খান। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামে সমাবেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তা চাইলে এই সরকার জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। ভবিষ্যতেও তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তারা আগামীতে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চাইলে জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।

শনিবার বিকেলে বন্দর নগরীর কাজীর দেউরীতে নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্তৃত্ববাদী সরকারের পদত্যাগ এবং বিএনপির ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, বিএনপির উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জয়নাল আবদীন ফারুক, অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, গোলাম আকবর খোন্দকার, এস এম ফজলুল হক, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহবুবের রহমান শামীম।

উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ।

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইউনিয়নে বিএনপি পদযাত্রা করবে জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সারাদেশে চলছে। সেটা আরও বেগবান করতে হবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এ অবৈধ সরকারের পতন হবে।’

আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা সংবিধানকে লঙ্ঘন করে আবার সেটা প্রয়োগের কথা বলছে। এ সরকারের পতনের আন্দোলন ত্বরান্বিত করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন আরও গতিশীল করতে হবে।

‘আমরা একটা মহাযুদ্ধের মধ্যে আছি। এ যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। এ যুদ্ধ গণতন্ত্রের লড়াইয়ের যুদ্ধ, মানুষের ভোটের যুদ্ধ। দেশের মানুষ আজ না খেয়ে আছে। দেশে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যূনতম সু্যোগ-সুবিধা নেই।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মৎস্যজীবী সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, উপজাতি সম্পাদক মা ম্যা চিং, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মজুমদার, হারুনুর রশীদ ভিপি, সহ-কর্মসংস্থান সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, সহ-গ্রাম সরকার সম্পাদক বেলাল আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দীন সাবু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

আরও বক্তব্য দেন- উদয় কুসুম বড়ুয়া, সাচিং প্রু জেরী, ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দিপেন তালুকদার, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আফসার, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এনামুল হক এনাম।

আরও পড়ুন:
টাকা ছাপিয়ে দেশ চালাচ্ছে সরকার: আমীর খসরু
হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল
ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ বিএনপির
বাংলাদেশে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: তোফায়েল 
সিলেটে বিএনপির সমাবেশ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alam on Facebook after Fakhrul Kaders speech

কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম

কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা
হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে শনিবার নিজেদের কর্মসূচিতে বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। এসব বক্তব্যের পর এদিন রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেসবুকে লাইভে এসে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হিরো আলম।

তিনি বলেন, ‘হিরো আলমকে কেউ কোনো দিন জিরো বানাতে পারেনি। যারা আমাকে জিরো বানাতে এসেছে, তারাই এখন জিরো হয়েছে।’

হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?’

ফেসবুক লাইভে আশরাফুল হোসেন বলেন, ‘বিএনপির নেতা ফখরুল ইসলাম স্যার বলেছেন, বর্তমান সরকার আজকে হিরো আলমের কাছে অসহায়। আমি বলতে চাই, আমি হিরো আলম যে অসহায় হয়েছি। এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে। আমার ভোট যে কেড়ে নেয়া হলো তার প্রশ্নের জবাব কে দেবে?’

লাইভের শেষের দিকে তিনি বলেন, ‘আমি হিরো আলম কোনো দলের সঙ্গে জড়িত না। না বিএনপি, না আওয়ামী লীগ, না অন্য কোনো দল। তাই আপনারা আমাকে নিয়ে কোনো মাখামাখি করবেন না। আপনারা একজন আরেকজনকে দোষ দেবেন না আমাকে নিয়ে।’

হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪-এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে এটি দেখার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ফোন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
জামানত হারালেন হিরো আলম
৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম
নির্বাচনে হিরো আলম, ভোটারদের ভাবনা
একতারা নিয়ে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম
হাইকোর্টে এসে এমপি নির্বাচনের সুযোগ ফিরল হিরো আলমের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No cure for Nipah virus Health Minister

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিপাহ ভাইরাসের চিকিৎসা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

বাদুড় থেকে সংক্রমিত নিপাহ ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মানিকগঞ্জ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে শনিবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমনটি জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিপাহ একটি মারাত্বক ভাইরাস। এতে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়। এ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা নেই। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’

জাহিদ মালেক জানান, চলতি শীত মৌসুমে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত আটজনের মধ্যে পাঁচজনই মারা গেছেন। এরইমধ্যে আক্রান্তদের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে ২০টি এবং মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ৫টি বেড চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে ও অনেক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন থমকে যাবে, গরীব মানুষের ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। কারন ইতিপূর্বে বিএনপির আমলে আমরা তা দেখেছি।’

বিএনপি করোনাভাইরাসের টিকাবিরোধী প্রচারণা চলিয়েছিল উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছে। কাজেই আমরা নিরাপদে আছি। বিএনপি ভ্যাকসিনকে গঙ্গার জল বলেছিল।’

অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার সাহাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যতদিন, উন্নয়নও ততদিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি
চলতি শীতে নিপা ভাইরাসে ৮ জনের মধ্যে ৫ জনই মারা গেছেন
হাসপাতালেই চেম্বার করতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনে হারার কারণ হতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt sings song of development by kicking people in stomach Selima

জনগণের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে: সেলিমা

জনগণের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে: সেলিমা শনিবার সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দেন বেগম সেলিমা রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, সরকার রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। তাদের দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছে জনগণ। না খেয়ে মরার চেয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে মরা অনেক সম্মানের। তাই জনগণকে এই সরকারের জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘জনগনের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে। উন্নয়ন মানে হলো জনগণের উন্নয়ন। কিন্তু এই সরকার জনগনের কোন উন্নয়ন করেনি। আজ দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা। বিদ্যুতসহ সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধির কারণে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। তাই জনগণ আর এই সরকারকে চায় না।’

শনিবার দুপুরে সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতি নেই। তাদের কেবল আছে দখল আর লুটপাট। এসব করে তারা আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে।’

সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতা সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জগদ্দল পাথরের মতো আমাদের ওপর চেপে বসেছে। রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করেছে। তাদের দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছে জনগণ।

‘না খেয়ে মরার চেয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে মরা অনেক সম্মানের। তাই জনগণকে এই সরকারের জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সরকারকে বিদায় করতে না পারলে রাষ্ট্র মেরামত করা যাবে না। এজন্য বিএনপির ১০ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে হলে হায়েনাদের ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। সরকার যদি গণতন্ত্রের ভাষা না বোঝে তাহলে দেশে শ্রীলংকার অবস্থা হবে।’

যুগ্ন মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘আমরা যখন এখানে সমাবেশ করছি তখন সিলেটে আরেকটি সমাবেশ হচ্ছে। পিস্তল, রাইফেল, বন্দুক নিয়ে শান্তি সমাবেশ করা হচ্ছে। আমাদের চুলকানি দেয়ার জন্যই একই দিনে সমাবেশ করছে আওয়ামী লীগ।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল কাহের শামীম, মিজানুর রহমান, শাম্মী আখতার প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক
সিলেট ও খুলনায় পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, সংঘাতের শঙ্কা
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
নামেই ডিজিটাল নগর সিলেট
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে অশোক-সুহেল

মন্তব্য

p
উপরে