× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
JPA 14 party joins but BNP does not
hear-news
player
google_news print-icon
আওয়ামী লীগের সম্মেলন

জাপা, ১৪ দল যোগ দিলেও নেই বিএনপি

জাপা-১৪-দল-যোগ-দিলেও-নেই-বিএনপি
আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও যোগ দেন। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনে দেখা যায়নি বিএনপির কোনো নেতাকে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এই সম্মেলনে অংশ নিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও আব্দুল মঈন খানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে ২২তম জাতীয় সম্মেলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা যোগ দিলেও আসেননি সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তার মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পায়রা উড়িয়ে দেশের সবচেয়ে প্রাচীনতম দলটির জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এবারের জাতীয় সম্মেলনে সারা দেশ থেকে প্রায় ৭ হাজার কাউন্সিলর অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া ডেলিগেট, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আমন্ত্রিত অতিথি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এসেছেন আওয়ামী লীগের এ সম্মেলনে।

সভামঞ্চ থেকে দলের উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম ঘোষণা করেন।

সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আকতার। সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক চুন্নু।

তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বাশার মাইজভাণ্ডারী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মো. মনসুর, গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন ও গণতান্ত্রিক মজলুম পার্টির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।

এ ছাড়া আছেন বাসদের সভাপতি রেজাউর রশিদ খান, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান ও যুগ্ম আহ্বায়ক অসিত কুমার রায় এবং সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া।

আগত অতিথিদের উদ্দেশে দলের উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে দলের পক্ষে থেকে আন্তরিক অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি।’

তবে দেখা যায়নি বিএনপির কোনো নেতাকে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে অংশ নিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও আব্দুল মঈন খানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

শুক্রবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদপ্তর সম্পাদক আবু সায়েমের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের অভ্যর্থনা কমিটির সদস্যরা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেন।

তখনই অবশ্য দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে না যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়া হয়। আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের বলেন, ‘আমাদের সব নেতা কারাগারে। আমরা সম্মেলনে কীভাবে যাব।’

এর জবাবে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম বলেন, ‘এটা সরকারের ব্যাপার। আমরা দলের পক্ষ থেকে এসেছি, আমরা আশা করি, আপনাদের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে যাবে।’

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগের ২২তম সম্মেলন উদ্বোধন শেখ হাসিনার
ওবায়দুল কাদেরের ‘তিন’ নাকি অন্য কেউ
আওয়ামী লীগের সম্মেলনে মেগা প্রকল্পের ছাপ
জয়কে আ.লীগের সম্মেলনে আমন্ত্রণ
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Dhaka topped the ranking again with very unhealthy air

‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে ফের শীর্ষে ঢাকা

‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে ফের শীর্ষে ঢাকা দূষিত বাতাসের মধ্যে রাজধানীতে যান চলাচল। ফাইল ছবি
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে রোববার সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে দূষিত বায়ুর দিক থেকে ১০০টি শহরের মধ্যে প্রথমে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী। আগের দিন শনিবার সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে বাতাসের নিম্নমানে শহরগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল ঢাকা।

বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত ওপরে থাকা ঢাকা ফের শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে রোববার সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে দূষিত বায়ুর দিক থেকে ১০০টি শহরের মধ্যে প্রথমে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী।

আগের দিন শনিবার সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে বাতাসের নিম্নমানে ১০০টি শহরের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল ঢাকা।

ওই র‌্যাঙ্কিংয়ে শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে দূষিত বাতাসে সপ্তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বাতাসের নিম্নমানে শহরগুলোর মধ্যে ১১তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৩৬ গুণ বেশি। আগের দিন কাছাকাছি সময়ে সেটি ছিল ২৭ গুণ বেশি। শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সেটি ছিল ২১ দশমিক ২ গুণ বেশি।

‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে ফের শীর্ষে ঢাকা

র‌্যাঙ্কিংয়ে বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে আজ সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের মুম্বাই ও চীনের চেংদু। চতুর্থ অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর।

‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে ফের শীর্ষে ঢাকা

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ২৩০। এর মানে হলো সে সময়টাতে খুবই অস্বাস্থ্যকর বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে। আগের দিন কাছাকাছি সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৯২। এর অর্থ হলো গতকাল ওই সময়ে অস্বাস্থ্যকর বাতাসে ছিল রাজধানীবাসী।

শুক্র ও বৃহস্পতিবার কাছাকাছি সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৭৬ ও ১৬৩। এর অর্থ হলো দুই দিনই নির্দিষ্ট সময়ে অস্বাস্থ্যকর বাতাস নিতে হয়েছে ঢাকাবাসীকে।

আরও পড়ুন:
দূষিত বাতাসে ‘অদম্য’ ঢাকা
ঢাকার বাতাস আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’
দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ফের শীর্ষে ঢাকা
ঢাবিতে ভর্তির আবেদন শুরু ২৭ ফেব্রুয়ারি, ট্রান্সজেন্ডার কোটা
স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Helpless government even to Hero Alam Fakhrul

হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল

হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
সমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকার হিরো আলমের কাছেও অসহায়। আজকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে পরাজিত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন ব্যক্তিকে জেতাতে নিজেদের প্রার্থীকে গুম করা হয়েছে। এই হচ্ছে আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি।’

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার হিরো আলমের কাছে অসহায় হয়েই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পূর্বঘোষিত ঢাকা বিভাগের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শনিবার বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।
এ সময় যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ ধাপের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘গণপদযাত্রা’।

সমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকার হিরো আলমের কাছেও অসহায়। আজকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে পরাজিত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন ব্যক্তিকে জেতাতে নিজেদের প্রার্থীকে গুম করা হয়েছে। এই হচ্ছে আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘জাতির অস্তিত্ব রক্ষায় আমাদের আন্দোলন। সেই লক্ষ্যেই আমরা দশ দফা ও ২৭ দফা প্রণয়ন করেছি। এর মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে যে তারা একটি দাবিকে আন্দোলন করছে। সেটা হলো এই অবৈধ ভোটারবিহীন সরকারের পদত্যাগ। আমরা বলে আসছি অনির্বাচিত সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে পারে না। আমরা এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আজকে সরকার টিকে আছে চাপার জোরে। গগ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তারা একদিকে ঋণ করছে, আরেকদিকে জনগণের পকেট কাটছে। আজকে তারা জনগণের দিকে তাকায় না। দেশ এখন লুটেরাদের কবলে পড়েছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে হাজার হাজার ভুলে ভরা পাঠ্যপুস্তক তৈরি করেছে। তারা প্রতিনিয়ত আমাদের কৃষ্টি কালচার নষ্ট করছে। সরকার সংসদ থেকে শুরু করে সবকিছু ধ্বংস করে একটি ব্যর্থ জাতি তৈরি করতে চায়। তারা প্রতিনিয়ত জনগণের ঘৃণা কুড়াচ্ছে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু এবং আমিনুল হকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
উপনির্বাচনে ভোটার নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য বানোয়াট: কাদের
উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Many people who were cheated by buying cycles left fake dollars
ব্রিফিংয়ে ডিবি

জাল ডলার ছেড়েছিল চক্র, কিনে প্রতারিত অনেকে

জাল ডলার ছেড়েছিল চক্র, কিনে প্রতারিত অনেকে জাল টাকা, রুপি ও ডলার তৈরি চক্রের চার সদস্যের কাছ থেকে বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের কথা জানায় ডিবি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ডিবি জানায়, সারা দেশে চক্রের এজেন্ট রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি টাকার জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখে এবং সব শেষ ধাপে ৫০ লাখে বিক্রি করতেন এর সদস্যরা। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতেন তারা। বাংলাদেশি মুদ্রার ক্ষেত্রে তারা কম মূল্যমানের নোটও (যেমন: ১০০ ও ২০০ টাকা) জাল করেছিলেন, যা খালি চোখে ধরা প্রায় অসম্ভব।

রোজাকে সামনে রেখে একটি চক্র প্রায় ২০০ কোটি টাকা সমমূল্যের দেশি-বিদেশি জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বলেছে, দেশে সংকটের সুযোগ নিয়ে জাল ডলার বাজারে ছেড়েছিল চক্রের সদস্যরা, যা কম দামে কিনে প্রতারিত হন অনেকে।

জাল টাকা, রুপি ও ডলার তৈরি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন উজ্জল দাস ওরফে সোবহান শিকদার, আবদুর রশিদ, মমিনুল ইসলাম ও শাহ মো. তুহিন আহমেদ ওরফে জামাল। তাদের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা মূল্যের জাল টাকা, ভারতীয় রুপি ও আমেরিকান ডলার, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জালনোট তৈরির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।

মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, পয়লা ফেব্রুয়ারি দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালনোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকারী চক্রের হোতা উজ্জল দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের একটি বাসা থেকে জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকালে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপি ডিবির প্রধান বলেন, চক্রটি মতিঝিল এলাকা থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ, নয়াবাজার ও মিটফোর্ড থেকে রং, ফয়েল সংগ্রহ করে বিভিন্ন দেশের জাল নোট ও স্ট্যাম্প তৈরি করে আসছিল। বর্তমান বিশ্ববাজারে ডলার সংকট হওয়ায় তারা আমেরিকান জাল ডলার তৈরি করে বিদেশেও পাচার করছিল। একই সঙ্গে তারা ভারতীয় জাল রুপিও তৈরি করে।

ডিবি জানায়, সারা দেশে চক্রের এজেন্ট রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি টাকার জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখে এবং সব শেষ ধাপে ৫০ লাখে বিক্রি করতেন এর সদস্যরা। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতেন তারা। বাংলাদেশি মুদ্রার ক্ষেত্রে তারা কম মূল্যমানের নোটও (যেমন: ১০০ ও ২০০ টাকা) জাল করেছিলেন, যা খালি চোখে ধরা প্রায় অসম্ভব।

ডিবির প্রধান বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় ৮-৯ বছর ধরে চক্রটি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পমেয়াদে বাসা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন মূল্যমানের জাল নোট, ভারতীয় রুপি, আমেরিকান ডলারসহ রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত করে আসছিল। তাদের কাছে যে পরিমাণ জাল টাকা তৈরির কাগজ ও অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে আগামী রমজান-ঈদুল ফিতরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প বাজারে ছাড়তে পারত।’

এক প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘সস্তায় পেয়ে বাইরে থেকে ডলার কিনে অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন। এর দায় যে কিনবে তারই। কারণ ডলার কেনা উচিত ব্যাংক অথবা কোনো অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে।

‘আমরা এই চক্রটিকে সেদিন গ্রেপ্তার না করলে পরদিনই জাল নোট আর স্ট্যাম্পগুলো বাজারে চলে যেত। তাদের কিছু এজেন্টের নাম পেয়েছি। আমরা এসব নিয়ে কাজ করছি।’

আরও পড়ুন:
গরু চুরির সময় গৃহবধূকে গাড়িচাপা, চক্রের খোঁজে ডিএমপি ডিবি
ডিবির হারুনের নামে মামলা নেয়নি আদালত
বিএনপি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগে ডিবির হারুনের নামে মামলার আবেদন
জাল ভিসা নিয়ে আমেরিকান দূতাবাসের অভিযোগে ছয়জন গ্রেপ্তার
চালকের গলাকেটে অটোরিকশা ছিনতাই করতো ওরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Deterioration of air quality in Dhaka

ঢাকায় বাতাসের মানের অবনতি

ঢাকায় বাতাসের মানের অবনতি ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক ধরে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি: গ্রিন ল্যাব
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে শনিবার সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে বাতাসের মানে ১০০টি শহরের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী। ওই র‌্যাঙ্কিংয়ে শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে বাতাসের মানে শহরগুলোর মধ্যে সপ্তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত ওপরে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের আরও অবনতি হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে শনিবার সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে বাতাসের মানে ১০০টি শহরের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী।

ওই র‌্যাঙ্কিংয়ে শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে বাতাসের মানে শহরগুলোর মধ্যে সপ্তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বাতাসের মানে শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান ছিল ১১তম।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২৭ গুণ বেশি। গতকাল সকাল সোয়া ৯টার দিকে সেটি ছিল ২১ দশমিক ২ গুণ বেশি।

র‌্যাঙ্কিংয়ে বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শীর্ষে ছিল আফগানিস্তানের কাবুল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের মুম্বাই ও পাকিস্তানের করাচি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৯২। এর মানে হলো সে সময়টাতে অস্বাস্থ্যকর বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।

আগের দুই দিন কাছাকাছি সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৭৬ ও ১৬৩।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’
দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ফের শীর্ষে ঢাকা
ঢাবিতে ভর্তির আবেদন শুরু ২৭ ফেব্রুয়ারি, ট্রান্সজেন্ডার কোটা
স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে
নারীর চোখে দেখা গল্প তারা বলতে পারছে কি?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister will inaugurate the revenue conference on Sunday

রোববার রাজস্ব সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রোববার রাজস্ব সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেশের রাজস্ব ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উন্নয়নে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তিনি একই দিনে এনবিআর নতুন ভবনও উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) দু দিনব্যাপী রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনীম শুক্রবার রাজধানীতে এনবিআর সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বলে বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেশের রাজস্ব ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উন্নয়নে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তিনি একই দিনে এনবিআর নতুন ভবনও উদ্বোধন করবেন।

মুনীম বলেন, সম্মেলনে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), কাস্টমস ও আয় করের ওপর মোট তিনটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকালে এ সব বিষয়ে পৃথক তথ্য কেন্দ্র থাকবে। জনগণ এসব কেন্দ্র থেকে ভ্যাট, কাস্টমস ও আয় কর সম্পর্কে আরও বেশি কিছু জানতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর সদস্য প্রদ্যুৎ কুমার সরকার বলেন, পযার্য়ক্রমে কর রেয়াত হ্রাস পেলে জিডিপিতে করের হার বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, কর রেয়াত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করেছে। গত দুই দশকে এই সুবিধা থেকে আমরা সুফল পেয়েছি।

তিনি জানান, আমাদের জিডিপি এখন ৪৭০ বিলিয়ন ডলার। সরকার কৃষি, বাণিজ্য এবং আরও অন্যান্য খাতসহ বিভিন্ন খাতে কর রেয়াত দিয়েছে। সরকার যে সকল সেক্টরে প্রয়োজন, সেগুলোতে কর রেয়াত দিবে।

এনবিআর সদস্য মাসুদ সাদিক বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) আরোপিত শর্ত অনুযায়ি রাজস্ব বৃদ্ধিতে এনবিআর সঠিক পথেই রয়েছে। তিনি বলেন, কর পুন:নির্ধারন একটি চলমান প্রক্রিয়া। বাজেট প্রণয়নকালে এটি প্রতি বছর করা হয়।

আরও পড়ুন:
‘সার্টিফিকেট অফ মেরিট’ পেলেন ১৭ এনবিআর কর্মকর্তা
অর্থবছরের প্রথমার্ধে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ১৫ হাজার কোটি টাকা
এক দশকে ৩০ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A busy book fair on the first day of the holiday

প্রথম ছুটির দিনেই জমজমাট বইমেলা

প্রথম ছুটির দিনেই জমজমাট বইমেলা প্রথম ছুটির দিনেই বইমেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
অন্বেষা প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, প্রথম ছুটির দিনে এত মানুষ আর কখনই হয়নি। অনেক মানুষ এসেছেন, বই দেখছেন, ক্যাটালগ কালেক্ট করছেন, বইও কিনছেন। তবে পাঠকের চেয়ে দর্শনার্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি।

উদ্বোধনের পর প্রথম ছুটির দিনেই জমে উঠেছে বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে বইমেলা।

উদ্বোধনের তৃতীয় দিনেই এত মানুষের উপস্থিতিকে অবিশ্বাস্য বলছেন অনেকেই। বিকেলে লাইনে দাঁড়িয়ে মেলায় ঢুকতে দেখা যায় বইপ্রেমীদের। সব স্টলেই ছিল বেশ ভিড়।

এবারের মেলায় প্রথম শিশু প্রহর শুরু হয়েছে এদিন সকাল ১১টায়। পরে নির্ধারিত সময়ে প্রবেশ করতে থাকেন বড়রা।

অন্বেষা প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, প্রথম ছুটির দিনে এত মানুষ আর কখনই হয়নি। অনেক মানুষ এসেছেন, বই দেখছেন, ক্যাটালগ কালেক্ট করছেন, বইও কিনছেন। তবে পাঠকের চেয়ে দর্শনার্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি।

মেলা ঘুরে দেখা যায় জনস্রোত। দেশের নানাপ্রান্থ থেকে পাঠকরা আসতে শুরু করেছেন প্রাণের মেলায়। স্টলগুলোও পুরোদমে শুরু করেছে বই বিক্রি কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রন্থ উন্মোচন অংশের সামনে অবস্থিত লিটলম্যাগেও অনেকগুলো স্টলে বই বিক্রির কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। যদিও প্রতিবছরই এখানে অনেকটাই দেরিতে বই বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়।

অনিন্দ্য প্রকাশের প্রকাশক মো. আফজাল হোসাইন বলেন, মেলা উদ্বোধনের পর আজ প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিন। অনেক অনেক পাঠক আসছেন এবং বই কিনছেন। পরবর্তী দিনগুলোতেও আরো ভালো বই বিক্রি হবে বলে আশা করছি। তবে আজ মেলার তৃতীয় দিনেও প্রস্তুতির অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। মেলা প্রাঙ্গণে কোনো পানি ছেটানো হয়নি। এখনো স্টলগুলোর মাঝখানে হাঁটার জায়গায় ইট বসানো হয়নি। আর তা বসানো হবেও না বোধহয়।

পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এর বিক্রয়কর্মী কিবরিয়া বলেন, উদ্বোধনের মাত্র তৃতীয় দিন আজ। কিন্তু মেলায় প্রচুর মানুষজন আসছেন। অনেকেই বই কিনছেন। তবে পাঠকদের চেয়েও দর্শনার্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি। আমরা এভাবে পুরো মাস জুড়ে বই বিক্রিতে ব্যস্ত থাকবো বলে প্রত্যাশা করছি।

মেলায় ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ চোখ পড়লো অন্যধারা প্রকাশনীর দিকে। সামনে গিয়ে দেখা যায় জনস্রোত। বোঝাই যাচ্ছিল হয়তো কোনো জনপ্রিয় লেখককে ঘিরে এই ভিড়।

স্টলের উপরিভাগের একটি বড় ব্যানারে চোখ পড়তেই দেখা যায়, সাদাত হোসাইনের একটি বিখ্যাত উক্তি ‘’আমাকে হারাতে দিলে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তিতে ছেয়ে যাবে তোমার শহর’। স্টলের চারপাশে জনপ্রিয় এই তরুণ লেখককে ঘিরে রেখেছেন প্রায় অর্ধশত পাঠক-দর্শনার্থী।

লেখকের ছদ্মবেশ বইটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন মামুনুর রহমান। সাদাত হোসাইনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তার বইগুলো অনেক মর্মস্পর্শী। তার বইগুলোর লিখা অনেক গভীর অর্থবোধক। ওনার এমন কোনো বই নেই যা আমি পড়িনি। ওনার লিখায় আমি ডুবে যাই।’

বাংলা একাডেমির জানিয়েছ, বইমেলা ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলবে। তবে দর্শক, ক্রেতা ও পাঠকেরা রাত সাড়ে আটটার পর মেলা প্রাঙ্গণে ঢুকতে পারবেন না। সরকারি ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন:
বই মেলায় স্টল বরাদ্দ চেয়ে রিট
বইমেলা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The success of Bangladesh is discussed at the table abroad Commerce Minister

বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে বিদেশে টেবিলে টেবিলে আলোচনা হয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে বিদেশে টেবিলে টেবিলে আলোচনা হয়: বাণিজ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাকালে বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে এখনও বিদেশে টেবিলে টেবিলে আলোচনা হয়। আমি যেখানেই যাই সেখানেই এই আলোচনা শুনি। তারা আমার কাছে জানতে চায়, বাংলাদেশ কিভাবে এতো সাফল্যের সঙ্গে করোনা মোকাবিলা করে এগিয়ে গেল।’

করোনাকালে বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে এখনও বিদেশে টেবিলে টেবিলে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

শুক্রবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিতীয় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাকালে বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে এখনও বিদেশে টেবিলে টেবিলে আলোচনা হয়। আমি যেখানেই যাই সেখানেই এই আলোচনা শুনি। তারা আমার কাছে জানতে চায়, বাংলাদেশ কিভাবে এতো সাফল্যের সঙ্গে করোনা মোকাবিলা করে এগিয়ে গেল।’

তিনি বলেন, ‘করোনা পৃথিবীর সব দেশেই আসলো। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মহান চিন্তা, সিদ্ধান্ত, পাশে থাকা সব মিলিয়েই আমরা এই অঞ্চলে করোনা মোকাবিলায় সেরা দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। সারা পৃথিবীর হিসাব যদি করা হয়, তাহলে আমরা পাঁচ নম্বরে৷

‘আগের চারটি দেশের কোনোটিরই দেশের জনসংখ্যা এক কোটির বেশি হবে না। আমরা খুবই সাফল্যের সঙ্গে এটা করতে পেরেছি। এখন বিদেশিরা এটা নিয়ে আমাদের খুব বাহবা দিচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে আমাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। আমি সবখানেই এসব শুনি।’

টিপু মুনশি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত চেষ্টা করে চলেছেন, যাতে দেশের মানুষ একটু ভালো থাকে। কথা অনেক বলা যাবে, সমালোচনা করলে অনেক করা যাবে। কিন্তু দৃশ্যমান যে সাফল্য সেটাকে স্বীকার করতে হবে।

‘দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে। যদি এটা নাই হতো তাহলে ২০২৬ সালে যে আমাদের গ্র্যাজুয়েশন হবে, আমাদের উন্নয়ন হবে, আমরা একটা অবস্থান থেকে উত্তরণে যাবো, সেটা তো আর এমনি এমনিই জাতিসংঘ করছে না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখান থেকে পড়াশোনা করে অনেক ছাত্রই বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন। আপনাদের কাছে একটি কথা, আমাদের মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে, বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু দেশটা তো আমাদের সবার। দেশের উন্নয়নে, ভালোর জন্য সবাইকেই এক সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

‘আমাদের সময় এখন শেষ, আর বেশিদিন টিকবো বলে মনে হয় না। এখন এই দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে। দেশটাকের আরও এগিয়ে নিতে আপনাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাসিদুল ইসলাম পল্লবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

এ সময় ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষকসহ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ও বর্তমান নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
দাম বাড়ানো না হলে বাজারে চিনি পাওয়া যাবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
রোজায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ
কেন রমজানের আগেই সব কিনতে হবে, প্রশ্ন বাণিজ্যমন্ত্রীর 

মন্তব্য

p
উপরে