× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Metro rail road is getting colorful
google_news print-icon

রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ

রঙিন-হয়ে-উঠছে-মেট্রোরেলের-সড়কদ্বীপ
মেট্রোরেলের নিচের সড়কদ্বীপে বসানো হচ্ছে বাগানবিলাস, গাঁদা, সিলভিয়া, চন্দ্রমল্লিকার গাছ। ছবি: নিউজবাংলা
বহুল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২৮ ডিসেম্বর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে মেট্রোরেল। কাজেই শেষ মুহূর্তে চলছে সাজসজ্জার তোড়জোড়। ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সব কাজ শেষ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়ার তাড়া রয়েছে শ্রমিক এবং কাজের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের। শুক্রবার আগারগাঁও থেকে মিরপুর পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, শেষ মুহূর্তের কাজে ব্যস্ত শ্রমিকরা। কোথাও স্টেশনের পাশে টাইলস লাগানোর কাজ চলছে, কোথাও রং দিচ্ছে, সড়কদ্বীপে গাছ লাগানোর পাশাপাশি চলছে পরিষ্কার করার কাজ।

সড়কদ্বীপ রাঙানো হচ্ছে সাদা-কালো রঙে; বাগানবিলাস, গাঁদা, সিলভিয়া, চন্দ্রমল্লিকার গাছ বসানো হচ্ছে পুরো সড়কদ্বীপে। ক্রমেই মেট্রোরেলের নিচের অংশ রঙিন হয়ে উঠছে।

বহুল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২৮ ডিসেম্বর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে মেট্রোরেল। কাজেই শেষ মুহূর্তে চলছে সাজসজ্জার তোড়জোড়। ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সব কাজ শেষ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়ার তাড়া রয়েছে শ্রমিক এবং কাজের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের।

শুক্রবার আগারগাঁও থেকে মিরপুর পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, শেষ মুহূর্তের কাজে ব্যস্ত শ্রমিকরা। কোথাও স্টেশনের পাশে টাইলস লাগানোর কাজ চলছে, কোথাও রং দিচ্ছে, সড়কদ্বীপে গাছ লাগানোর পাশাপাশি চলছে পরিষ্কার করার কাজ।

রংমিস্ত্রি কামরুল হাসান জানান, দুই দিন ধরে তারা রং করার কাজ করছেন। মেট্রোরেলের নিচের অংশটুকু সাদা ও কালো রঙে রাঙানো হচ্ছে। তবে সাজসজ্জার আর কোনো পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেননি তিনি।

কামরুল বলেন, ‘আমরা শুধু রং করার কাজে আছি। বাকি কাজ হয়তো অন্যরা করবে।’

রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ
মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপে লাগানোর জন্য ট্রাক থেকে নামানো হচ্ছে ফুলের গাছ। ছবি: নিউজবাংলা

আগারগাঁও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপে দেখা গেছে, সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হচ্ছে বাগানবিলাসের গাছ। তিনটি রঙের বাগানবিলাস থাকবে পুরো সড়কদ্বীপে। লাল, সাদা ও হলুদ রঙের কাজগুলো প্রাধান্য পাবে।

এই বাগানবিলাসগুলো রোপণ করা হচ্ছে সড়কদ্বীপের মাঝ বরাবর। আর দুই পাশে রোপণ করা হচ্ছে নানা জাতের সিজনাল ফুলের গাছ।

সড়কদ্বীপে সাজসজ্জার এক অংশের দায়িত্বে আছেন মো. সজিব। সুপারভাইজার হিসেবে থাকা ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আজকে আইল্যান্ডের মাঝ বরাবর বাগানবিলাসের গাছ লাগাচ্ছি। এরপরই সিজন্যাল গাছগুলো রোপণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের উদ্বোধন করা হবে। এর আগেই আমাদের সব কাজ শেষ করতে হবে। ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ

২৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এই মেট্রোরেলের, যার মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ খাতে লাগতে যাচ্ছে নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়া। যা দেশের জনগণকে নিয়ে যাবে প্রযুক্তির নতুন যুগে।

মেট্রোরেল উদ্বোধন ২৮ ডিসেম্বর হলেও যাত্রীরা ২৯ ডিসেম্বরে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রথম দিকে মেট্রোরেল সীমিত আকারে চলাচল করলেও আস্তে আস্তে বাড়বে তার স্বাভাবিক গতি। ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে গতিশীলের পাশাপাশি অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব রাখবে এই মেট্রোরেল।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহনের বিশৃঙ্খলা, সড়কের তুলনায় যানবাহন বেশি হওয়াসহ নানা কারণে প্রায় প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে পড়ছেন কর্মজীবী মানুষ। এই যানজট থেকে রেহাই দিতে যাতায়াতের একটি আধুনিক মাধ্যম হবে মেট্রোরেল।

তাদের মতে, বর্ষাকালে জলজট, সাধারণ দিনে সময়মতো বাস না পাওয়া, অতিরিক্ত ভিড়, বাস কর্মচারীদের দুর্ব্যবহারে ঢাকার মানুষের কাছে নিত্যদিনের ভোগান্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ভোগান্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করে যাত্রীবান্ধব হবে মেট্রোরেল। তবে আপাতত উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলে পুরোপুরি সুফল ভোগ করতে পারবে না সাধারণ মানুষ। এই সুফল পেতে পুরো মেট্রোরেল চালুর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) তথ্য মতে, মেট্রোরেল ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। শুরুর দিকে রাজধানীর দিয়াবাড়ী স্টেশন থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রায় ২০ মিনিট লাগবে। ধাপে ধাপে যাত্রার সময় ১৬ থেকে ১৭ মিনিটে নেমে আসবে।

ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হবে শেরেবাংলানগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় দুই হাজার অতিথি থাকবেন।

রঙিন হয়ে উঠছে মেট্রোরেলের সড়কদ্বীপ
মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএনএ সিদ্দিক বলেন, ‘আগামী ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্য সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। বাড়তি চাকচিক্য না থাকলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান খুব ভালোভাবে করার জন্য চেষ্টা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা ও নানা আনুষ্ঠানিকতার কারণে উদ্বোধনের দিন জনসাধারণের মেট্রোরেলে চড়ার সুযোগ থাকছে না। যাত্রীরা ২৯ ডিসেম্বর থেকে মেট্রোরেলে উঠতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেল উদ্বোধন: ফ্ল্যাটে নতুন ভাড়াটে নয়, ছাদে কাপড় শুকাতে মানা
২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
মেট্রোরেলের টিকিট কাটতে হবে যেভাবে
মেট্রোরেলে প্রথম ৩ মাস সকাল ও বিকেলে চলবে অল্প কিছু ট্রেন
কতটুকু প্রস্তুত কাজীপাড়া শেওড়াপাড়া মেট্রোস্টেশন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Thunderstorms can occur in three categories

বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে

বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে রোববার বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ফাইল ছবি
পূর্বাভাসে রোববারের বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা আছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দিয়েছে।

পূর্বাভাসে রোববারের বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা আছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সিনপটিক অবস্থান নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

দিনভর তাপমাত্রা কেমন থাকবে, তা নিয়ে জানানো হয়, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি
সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা
রাত দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে চার বিভাগে
বজ্রবৃষ্টি হতে পারে ঢাকাসহ ছয় বিভাগে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister asked to keep an eye on hoarders during Ramadan

রমজানে মজুতদারদের ওপর নজর রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

রমজানে মজুতদারদের ওপর নজর রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ আছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৪০ ভাগও আছে। এ রকম বহু দেশ এখন বিরাজমান। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে না। যদিও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখনও ১০ ভাগের নিচেই আছে, কিন্তু তার পরও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে। তো সেদিকে আমাদের সব থেকে লক্ষ রাখতে হবে যে, আমাদের বাজার পরিস্থিতি কেমন।’

আসন্ন রমজানে যেসব ব্যবসায়ী বাড়তি মুনাফার উদ্দেশ্যে পণ্য মজুত করেন, তাদের ওপর নজর রাখার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ তাগিদ দেন।

বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ আছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৪০ ভাগও আছে। এ রকম বহু দেশ এখন বিরাজমান। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে না। যদিও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখনও ১০ ভাগের নিচেই আছে, কিন্তু তার পরও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে। তো সেদিকে আমাদের সব থেকে লক্ষ রাখতে হবে যে, আমাদের বাজার পরিস্থিতি কেমন। আর তা ছাড়া সামনে রোজা আসবে।

‘এই রমজান মাসে আমাদের কিছু কিছু ব্যবসায়ী থাকেন সবসময় মজুতদারি করে যারা দাম বাড়িয়ে কিছু মুনাফা লুটতে চায়। তো সেদিকে বিশেষভাবে নজর আমাদের দিতে হবে। কারণ এটা আশু করণীয় একটা কাজ আমাদের সামনে যে, কোথাও যেন এভাবে, মানে কোনো ভোক্তাদের কোনো রকম হয়রানি হতে না হয়। সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।’

পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে উৎপাদন বাড়াতে হবে। পরনির্ভরশীলতা আমাদের কমাতে হবে এবং এটা যে আমরা করতে পারি, সেটা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা প্রমাণ করেছি।’

আরও পড়ুন:
সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের সেবা করুন: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চান প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Foreign Minister wants global unity to stop genocide in Gaza

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্য চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্য চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৭০ জনের বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এখানে অংশগ্রহণ করছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে গাজায় সহিংসতা, গণহত্যা, জাতিগত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

গাজায় চলমান ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা করে সেখানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বন্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তুরস্কের পর্যটন নগরী আনতালিয়ায় স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় তুরস্কের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল ‘টিআরটি ওয়ার্ল্ড’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেখানে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে অংশগ্রহণরত মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিরতে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গাজায় যা হচ্ছে সেটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। শুধু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, সেখানে জাতিগত নিধন চলছে। সেখানকার মৃত্যু সংখ্যা বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি এবং এর বেশির ভাগ নারী ও শিশু। যুদ্ধের সব ধরনের প্রথা ভঙ্গ করছে ইসরায়েল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যুদ্ধ, গণহত্যা থামানোর জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না এবং যুদ্ধ থামানোর জন্য আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১৯টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৭০ জনের বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এখানে অংশগ্রহণ করছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে গাজায় সহিংসতা, গণহত্যা, জাতিগত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আশা করব মিয়ানমার সীমান্তে আগের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Who is on his way to Singapore for a health checkup?

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের পথে কাদের

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের পথে কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে জানায় সংবাদ সংস্থা বাসস।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশিদের প্রভুত্ব মানবো না: কাদের
দেশে উগ্রবাদের জন্ম বিএনপির হাত ধরে: কাদের
সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে সিআইপি রাজ্জাক খানের শুভেচ্ছা বিনিময়
বিএনপির লক্ষ্য নির্বাচন বানচাল করা: কাদের
ইউরেনিয়াম ঢেলে হত্যার হুমকি দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের: আব্বাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The four day district administrator conference has started

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন শুরু

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন শুরু জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী দিন রোববারের আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ। ছবি: বিটিভি
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত আছেন মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক, সিনিয়র সচিব ও অন্য সচিব, সরকারের অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন, যা চলবে চার দিন ধরে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার সকালে এ সম্মেলন শুরু হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত আছেন মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক, সিনিয়র সচিব ও অন্য সচিব, সরকারের অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করছেন মন্ত্রিপরিষদের যুগ্ম সচিব আনারকলি মাহবুব ও জিয়াউল হক।

মাঠ প্রশাসনকে উজ্জীবিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করে। এ বছর ৩ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রারম্ভিক বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে বাধার চক্রান্ত হলে ভিসা নীতি দেখতে যাব না
অ্যাটলেবের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন জুলাইয়ে
‘বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির প্রধান চালক এশিয়া’
বিশ্বকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে নেবে এশিয়া
৭ বছর পর সিলেট মহানগর বিএনপির সম্মেলন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Despite being a developing country Bangladesh will get tariff benefits for 3 years
ডব্লিউটিওর সম্মেলনে সিদ্ধান্ত

উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরও ৩ বছর শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরও ৩ বছর শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ
সম্মেলনের খসড়া ঘোষণায় বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল ও উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোয় রপ্তানি পণ্যের জন্য স্বল্প বা শূন্য শুল্ক সুবিধা ভোগ করবে।

২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় আসার পর বাংলাদেশ আরও তিন বছর শুল্ক সুবিধা পাবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে এ সংক্রান্ত এক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ আবুধাবিতে ডব্লিউটিওর ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা উন্নয়নশীল দেশের খ্যাতি অর্জনের পরও সেসব দেশের জন্য স্বল্পোন্নত দেশের বাণিজ্য সুবিধা বজায় রাখতে রাজি হন।

শুক্রবার শেষ হওয়া ডব্লিউটিও সম্মেলনের খসড়া ঘোষণায় বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল ও উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোয় রপ্তানি পণ্যের জন্য স্বল্প বা শূন্য শুল্ক সুবিধা ভোগ করবে।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ডব্লিউটিওর বিরোধ নিষ্পত্তি সমঝোতার ২৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের ঘোষণার দিন থেকে সেসব দেশ পরবর্তী তিন বছর এ সুবিধা পাবে।

এছাড়া, সেসব দেশ ডব্লিউটিওর কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার আওতায় তিন বছর পর্যন্ত কারিগরি সহায়তা পাবে।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, এই পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যমান স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

ডব্লিউটিওর কমিটিগুলো ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা ও জেনারেল কাউন্সিল অগ্রগতিবিষয়ক পরবর্তী মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে প্রতিবেদন দেবে।

ডব্লিউটিওর প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় সদ্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সব শুল্ক সুবিধা কার্যকর রাখা না গেলেও সেসব উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও পণ্যের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।

ডব্লিউটিও সদস্য দেশগুলো ই-কমার্সের ওপর আমদানি শুল্ক স্থগিতের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়াতে রাজি হয়েছে।

যদিও আলোচনা এক দিন বাড়িয়ে ১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়, তবে ডব্লিউটিও ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন সরকারি খাদ্য মজুত, মৎস্য খাতে ভর্তুকির মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক বাণিজ্যে ১.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আভাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
CEC warns officials involved in NID caste

এনআইডি জালিয়াতিতে জড়িত কর্মকর্তাদের সিইসির হুঁশিয়ারি

এনআইডি জালিয়াতিতে জড়িত কর্মকর্তাদের সিইসির হুঁশিয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিভ্রান্ত হয়ে, ভুল করে দিতে পারেন, কিন্তু সচেতনভাবে অপরাধ কাজের জন্য কেউ যদি করে, তাহলে আমাদের ট্রলারেন্স জিরো হবে। আমরা ওই ধরনের কর্মকর্তাদের পুলিশে হস্তান্তর করব।’

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

শনিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে জাতীয় ভোটার দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সিইসি বলেন, ‘এনআইডির গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। এটা এখন অপরিহার্য। সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে সংকট দেখা যায়- এদের সংখ্যা খু্ব বেশি নয়। যারা অতি চালাক তারা একাধিক কার্ড করে ফেলেন। তবে এনআইডি এখন অনেকটাই সুষ্ঠু অবস্থায় এসে পৌঁছেছে।’

জাতীয় পরিচয়পত্র করতে গিয়ে কেউ কেউ প্রতারণার আশ্রয় নেয়। এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন সিইসি।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মীদের বলব, সতর্কতার সঙ্গে কাজ করবেন। প্রতারণার জন্যে, বিশেষ করে, জায়গা-জমি বেহাত করার জন্য অবৈধভাবে যে এনআইডি করা হয়, তা কেউ যদি করে থাকে, তাতে আমাদের কারও যেন কমপ্লিসিটি (কুকর্মে সহায়তা) না থাকে।

‘বিভ্রান্ত হয়ে, ভুল করে দিতে পারেন, কিন্তু সচেতনভাবে অপরাধ কাজের জন্য কেউ যদি করে, তাহলে আমাদের ট্রলারেন্স জিরো হবে। আমরা ওই ধরনের কর্মকর্তাদের পুলিশে হস্তান্তর করব।’

‘সঠিক তথ্যে ভোটার হব, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব’- প্রতিপাদ্য নিয়ে ভোটার দিবস পালন করছে ইসি। এ অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন সচিবসহ নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘ভোটার দিবসের একটা বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত- ভোটারদের উজ্জীবিত করা। তারা যেন বৃদ্ধিমত্তার সঙ্গে স্বাধীনভাবে মতামত ব্যক্ত করতে পারেন ব্যালটের মাধ্যমে। তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচন করতে পারেন, তাদের পছন্দের সরকার গঠন করতে পারেন; এটাই মুখ্য।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ভোটে অনাগ্রহী হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। অনেকে মনে করেন- ভোট দিয়ে কী হবে, ভোট সঠিকভাবে দিতে পারবেন কিনা। ভোট নিয়ে যে অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজন ছিল, কিন্তু টোটাল যে জিনিসটা- একটি বড় দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। যার ফলে বেশ কিছু লোক যারা ভোটার ছিলেন, স্বাভাবিকভাবে হয়তবা তারা ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আগ্রহী ছিলেন না; তারা ভোট দিতে আসেননি। এটা হয়ে থাকতে পারে।’

মন্তব্য

p
উপরে