× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNPs Haroons resignation to the Speaker
google_news print-icon

এবার স্পিকারের কাছে বিএনপির হারুনের পদত্যাগ

এবার-স্পিকারের-কাছে-বিএনপির-হারুনের-পদত্যাগ
জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা এসেছিল। পরদিন স্পিকারের হাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন দলের ছয় সংসদ সদস্য। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদ থেকে কেউ পদত্যাগ করতে চাইলে সশরীরে গিয়ে তা জমা দিতে হবে। হারুন সে সময় দেশের বাইরে থাকায় তা জমা দিতে পারেননি।

দলের সিদ্ধান্ত মেনে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদও।

বৃহস্পতিবার সকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এর আগে বিএনপির ছয়জন সংসদ সদস্য পদত্যাগ করেছিলেন।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা এসেছিল। পরদিন স্পিকারের হাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন দলের ছয় সংসদ সদস্য। তারা হলেন ঠাকুরগাঁ-৩ আসনের জাহিদুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের আমিনুল ইসলাম, বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৬ আসনের জি এম সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উকিল আবদুস সাত্তার এবং সংরক্ষিত নারী আসনের রুমিন ফারহানা।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদ থেকে কেউ পদত্যাগ করতে চাইলে সশরীরে গিয়ে তা জমা দিতে হবে। হারুন সে সময় দেশের বাইরে থাকায় তা জমা দিতে পারেননি।

২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জিতে ছয়টি আসনে। আর জাতীয় সংসদে আসনের আনুপাতিক হারে তারা সংরক্ষিত নারী আসনের একটি পায়।

হারুনুর রশীদের পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপির দলীয় সব সংসদ সদস্যের পদত্যাগ নিশ্চিত হলো।

হারুন পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার সময় তার সঙ্গে ছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন ও জি এম সিরাজ।

পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সংসদ থেকে বেরিয়ে হারুন বলেন, ‘বর্তমান সংসদ মহাজোটের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সংসদকে অবিলম্বে বিলুপ্ত করতে হবে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’

গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের যে শরিক দলগুলো ছিল, তাদের সংসদ সদস্যদেরও পদত্যাগের আহ্বান জানান বিএনপি নেতা।
বলেন, ‘সরকার ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চায়; বিএনপি ও তার জোট আগামী নির্বাচনে অংশ না নিলে দেশে কোনো অর্থবহ নির্বাচন হবে না।’

হারুনের আগে পদত্যাগ করা বিএনপির সংসদ সদস্যদের আসনগুলো এরই মধ্যে শূন্য ঘোষণা হয়েছে। পাঁচটি আসনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ দিয়ে ঘোষণা হয়েছে তফসিল।

বিএনপি জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সংসদ থেকে সরে যাওয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২০১১ সালে উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে।

এর প্রতিবাদে ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়ে সহিংস আন্দোলনে যায় বিএনপি-জামায়াত জোট ও সমমনারা। তবে ভোট ঠেকাতে পারেনি তারা।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের আগে আবার আন্দোলনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি তার ২০-দলীয় জোটের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে আরও একটি জোট করে নির্বাচনে যায়। সেই নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে তাদের সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন না বলে জানান। তবে শেষ পর্যন্ত বগুড়া-৬ থেকে নির্বাচিত দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বাকিরা শপথ নেন। সেই আসনে পরে উপনির্বাচনে জয় হয় বিএনপিরই। জেতেন জি এম কাদের।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘটনা এর আগে ঘটেছিল ১৯৯৪ সালে। সে সময় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ বিরোধী দলগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে সংসদ থেকে পদত্যাগ করে।

সে সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। তবে এবার স্পিকার তা সঙ্গে সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির রূপরেখায় সরকার ভয় পেয়েছে: দুদু
বিএনপির রূপরেখা স্টান্টবাজি: কাদের
বেকার ভাতা দেবে বিএনপি, প্রধানমন্ত্রী টানা দুই মেয়াদের বেশি নয়
সরকার না চাইলে নির্বাচনে আসুন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী
ফের চাঁপাইয়ের দখল নেয়ার সুযোগে উৎফুল্ল আওয়ামী লীগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP fabricated information on missing torture Who?

বিএনপির গুম নির্যাতনের তথ্য বানোয়াট: কাদের

বিএনপির গুম নির্যাতনের তথ্য বানোয়াট: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
কাদের বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের দেয়া বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম, হত্যার ঘটনা সর্বৈব মিথ্যা এবং দায়ের করা মামলার সংখ্যার তথ্য সম্পূর্ণ বানোয়াট।’

বিএনপি গুম ও নির্যাতনের বানোয়াট তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সংবাদমাধ্যমে শনিবার পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।

কাদের বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের দেয়া বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম, হত্যার ঘটনা সর্বৈব মিথ্যা এবং দায়ের করা মামলার সংখ্যার তথ্য সম্পূর্ণ বানোয়াট।

‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন মনগড়া তথ্য দিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তথাকথিত গুম, খুন ও মামলার সংখ্যা নিয়ে বিদেশি প্রভুদের কাছ থেকে করুণা ও রাজনৈতিক সমর্থন লাভের আশায় বিএনপি নেতারা ধারাবাহিকভাবে সরকারবিরোধী এ অপপ্রচার চালাচ্ছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢালাওভাবে অপপ্রচার না চালিয়ে রাজনৈতিক কারণে তথাকথিত নিপীড়ন, নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটলে সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ বিএনপি নেতাদের সম্পূর্ণ তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করুন।

‘ঠাকুরগাঁওয়ে মৃত্যুবরণকারী যুবদল নেতা একজন স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মাদকসেবী এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কোনো প্রকার আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সরকার গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে, কিন্তু মির্জা ফখরুল একজন মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ীর মতো একজন অপরাধীর স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে বিরোধীদলের ওপর সরকারের নির্যাতনের অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা নেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।’

আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে দলটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এ নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার যেকোনো মূল্যে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনায় বিদেশি মদদ নেই: কাদের
জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল ভেঙেছে বিএনপির লোকজন: শামীম ওসমান
পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র তৎপরতা নিয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর: কাদের
তারেক বিএনপির অভিশাপ: কাদের
অপরাধে অভিযুক্তরা জেলে থাকলে বিএনপির মায়াকান্না কেন: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A youth was killed in a clash between the A League parties in Munshiganj

মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত সংঘর্ষের পর ওই গ্রাম থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। কোলাজ: নিউজবাংলা
ঘটনার পর পুলিশের অভিযানে একটি পাইপ গান, ৭ রাউন্ড কার্তুজ, একটি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও ৭টি হকিস্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ সদরের ছোট মোল্লাকান্দি গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশি অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ ও বুলেট প্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে পুলিশ গ্রামটিতে অভিযান চালায়।

এর আগে এদিন ভোরে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. ফয়সালের বিপ্লবের অনুসারী আহম্মেদ আলী ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের অনুসারী মো. মামুনের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটে।

এতে পারভেজ খান নামের ২০ বছর বয়সী এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান জানান, পুলিশের অভিযানে একটি পাইপ গান, ৭ রাউন্ড কার্তুজ, একটি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও ৭টি হকিস্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিত্যক্ত অবস্থায় ওইসব আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Strict suppression of any terrorist group Hanif

যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে কঠোরভাবে দমন: হানিফ

যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে কঠোরভাবে দমন: হানিফ কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুক্রবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। ছবি: বাসস
হানিফ বলেন, ‘কুকি-চিন বা কেএনএফ যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীই হোক না কেন, তাদের জায়গা এই বাংলার মাটিতে হবে না। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

যেকোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুক্রবার দুপুরে এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হানিফ বলেন, ‘কুকি-চিন বা কেএনএফ যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীই হোক না কেন, তাদের জায়গা এই বাংলার মাটিতে হবে না। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশে একসময় বাংলা ভাইসহ বড় বড় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্ম হয়েছিল। তাদেরকে যেভাবে নির্মূল করা হয়েছে, এদেরকেও ঠিক সেভাবেই নির্মূল করা হবে। আর এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে পেছন থেকে কারা মদদ দিচ্ছে, তাদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।’

বিরোধীদের বিষয়ে হানিফ বলেন, ‘যারা আজকে সরকারের বিরোধিতা করছেন, তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন রেখে গিয়েছিল? মাথাপিছু আয় ৫৩৫ মার্কিন ডলার থেকে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় তা এখন ২৮০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশ চরম ব্যর্থ রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। এটা যাদের ভালো লাগে না, তারাই এসব আবোল তাবোল কথা বলে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে কথা বলে আর লাভ নেই: হানিফ
বিএনপি এখন বিলুপ্তির পথে: হানিফ
তারেক সন্ত্রাসী নেতা: হানিফ
আন্দোলনের নামে পুলিশ হত্যা করেছে বিএনপি: হানিফ
টাকা দিয়ে নোবেল কিনেছেন ড. ইউনূস: হানিফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Opportunity to check popularity in upazila elections Tajul

উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ: তাজুল

উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ: তাজুল কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁও গ্রামে নিজ বাড়িতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ঈদ পুনর্মিলনীতে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা কাজের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে পেরেছে, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল, মানুষকে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছে, তারা উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।’

দলীয় মনোনয়ন না থাকায় এবারের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘যারা কাজের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে পেরেছে, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল, মানুষকে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছে, তারা উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।’

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁও গ্রামে নিজ বাড়িতে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ঈদ পুনর্মিলনীতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ওই সময় তিনি উপস্থিত সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নিরপেক্ষ থাকার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের যে কেউ চাইলে প্রার্থী হতে পারেন, তবে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোথাও একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে।’

মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দুরাবস্থার মধ্যেও দেশের মানুষ তুলনামূলক ভালো অবস্থায় আছে। দেশে খাদ্য ঘাটতি দূর হয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে।’

ওই সময় মন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মানুষের সক্ষমতা ও রুচি উন্নত হলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। যোগ্যরাই টিকে থাকে। তাই মানবসম্পদ উন্নয়ন অপরিহার্য।’

সমাজে সবাইকে সৎ আচরণ অনুশীলন করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে।’

ঈদ পুনর্মিলনী সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এলজিআরডি মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, হাসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, লক্ষ্ণণপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সেলিম কাদের চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান শামীম, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বিপ্লব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. তাহসীন বাহার সূচসাসহ কাউন্সিলররা। অনুষ্ঠান শেষে তারা এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ওই সময় মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, বিএনপি আসে নিতে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনাকে ঈদের শুভেচ্ছা মোদির
ঈদের ছুটিতে দুই হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
জিম্মি নাবিকরা ভালো আছেন, তবে উদ্ধারের দিনক্ষণ বলা কঠিন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Apolitical politics should be removed from the country forever Foreign Minister

অপরাজনীতি যেন দেশ থেকে চিরতরে দূর হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অপরাজনীতি যেন দেশ থেকে চিরতরে দূর হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ গ্রামে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার সম্মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে আমাদের এই দেশ রচিত হয়েছে। আমাদের এই দেশ থেকে যেন সমস্ত সম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে। এই দেশে যেন আমরা সব সম্প্রদায় এবং সব মত ও পথের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য কাজ করতে পারি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, আমাদের দেশে যে সম্প্রীতি আছে, সেই সম্প্রীতির বন্ধনকে যেন আরও দৃঢ় করতে পারি। একইসঙ্গে আমাদের দেশ থেকে অপরাজনীতি যেন চিরতরে দূর হয়।’

বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সুখবিলাস নিজ গ্রামের বাড়ি জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নির্বাচনি এলাকার জনসাধারণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গণমাধ্যমকর্মীদের ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজকে পবিত্র ঈদের দিন। আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাই।

‘মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের দেশে যে শান্তি-স্থিতি বিরাজমান এবং আজকে বাংলাদেশ যে পৃথিবীর সামনে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, এই উন্নয়ন অগ্রগতি যেন আরও বেগবান হয়।’

তিনি বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার সম্মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে আমাদের এই দেশ রচিত হয়েছে। আমাদের এই দেশ থেকে যেন সমস্ত সম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে। এই দেশে যেন আমরা সব সম্প্রদায় এবং সব মত ও পথের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য কাজ করতে পারি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ফিলিস্তিনের মুসলমানদেরকে সেখানে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। নারী ও শিশুদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে যেন অবিলম্বে শান্তি স্থাপিত হয়। সেখানে ইসরায়েল যে বর্বরতা চালাচ্ছে, সে বর্বরতার যেন চির অবসান হয়। এটিই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা।’

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে তার নেতৃত্বে দেশ যেন আরও এগিয়ে যায়, মহান আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no Eid joy in the families of BNP leaders and workers Rizvi

বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারে ঈদ আনন্দ নেই: রিজভী

বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারে ঈদ আনন্দ নেই: রিজভী বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা বলেন, ‘একদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ওপর স্টিম রোলার চালাচ্ছে, অন্যদিকে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি দেশের গরিব মানুষের টাকা লুটপাট করে ফোর্বস ম্যাগাজিনের শীর্ষ ২০ ধনীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।’

দেশের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছে, কিন্তু বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারে ঈদের আনন্দ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রাজধানীর কাফরুল থানা বিএনপির উদ্যোগে বুধবার ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্মম নির্যাতনে কেউ পা হারিয়েছে, কেউ চোখ হারিয়েছে।

‘আমরা যখন বিএনপির কোনো নেতা-কর্মীর বাসায় যাই, তখনই দেখি ওই কর্মী দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারগুলো তাদের ছেলে, ভাই, বাবা, স্বামীর জন্য চোখের জল নিয়ে ঈদ উদযাপন করছে।

‘১৫ বছরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হয় জেলে, হাসপাতালে গিয়েছেন নয়তো জেল থেকে বের হয়েছেন।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা বলেন, ‘একদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ওপর স্টিম রোলার চালাচ্ছে, অন্যদিকে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি দেশের গরিব মানুষের টাকা লুটপাট করে ফোর্বস ম্যাগাজিনের শীর্ষ ২০ ধনীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, কুইক রেন্টালের মতো উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার লুটেরারা গরিব মানুষের টাকা লুটপাট করে কানাডায় বেগম পাড়া, দুবাইয়ের গুলশান থ্রি, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম বানিয়েছে।’

এটা রূপকথা নয়, বাস্তব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কারণে শুধু বিএনপির নেতা-কর্মীরাই নয়, সাধারণ মানুয়েরও দুর্ভোগ পোহাচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসার বিল পরিশোধ করতে না পেরে বাবা তার ছেলেকে বিক্রি করে দিয়েছেন, চরম দারিদ্র্যের কারণে মা তার সন্তানকে বাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন।’

কাফরুল থানা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আকরামুল হকের সভাপতিত্বে, যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় ও থানা বিএনপির সদস্য ওয়াহিদ আলমের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম, মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান, মহানগর সদস্য হাজি মো. ইউসুফ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের ঈদের আনন্দ ম্লান: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Peoples joy of Eid dimmed due to rise in commodity prices Rizvi

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের ঈদের আনন্দ ম্লান: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের ঈদের আনন্দ ম্লান: রিজভী বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘দেড় লাখের উপরে মিথ্যা মামলায় প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মী আসামি। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতাদের প্রায় প্রতিদিন আদালতে সারা দিন পার করতে হচ্ছে। কেউ কারাগারে, কেউ মানবেতর অবস্থায় ঘরছাড়া।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘প্রতিদিন বিএনপির কেউ না কেউ হত্যা, না হয় গুমের শিকার হচ্ছে। আর না হয় জেলে বন্দি করা হচ্ছে। কারও বিরুদ্ধে আবার মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতাদের প্রায় প্রতিদিন আদালতে সারা দিন পার করতে হচ্ছে। ফলে অধিকাংশ মানুষের চাকরি নেই, বন্ধ হয়ে গেছে ব্যবসা।

‘দেড় লাখের উপরে মিথ্যা মামলায় প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মী আসামি। কেউ কারাগারে, কেউ মানবেতর অবস্থায় ঘরছাড়া।’

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। বলেন, ‘সমাজে তৈরি হয়েছে ধনী ও গরিবের বিশাল ব্যবধান। অধিকাংশ মানুষের সামান্য প্রয়োজন মেটানোই যেন আজ দুঃস্বপ্ন। এবার ঈদযাত্রায় কেবল ঢাকা ছাড়তেই যাত্রীদের ৯৮৪ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

‘ট্রেনে টিকিট পাচ্ছে না মানুষ। ট্রেনের টিকিট কাটার প্রক্রিয়াকে দিন দিন জটিলতর করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে এলিট শ্রেণির বাহনে পরিণত হচ্ছে ট্রেন। কেননা তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষ অনলাইনের এই জটিল ব্যবস্থা বুঝতে অক্ষম। ফলে নিম্ন-মধ্যম আয়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ ট্রেনে চড়ারই অধিকার হারিয়ে ফেলছে।’

বান্দরবানের প্রসঙ্গ টেনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, 'হত্যা, রক্তপাত, ছিনতাই আর ডাকাতি এ দেশে এখন জনজীবনের অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হতাহত হচ্ছে নিরীহ মানুষ।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ যুদ্ধ করিডোর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে কী না প্রশ্ন রিজভীর
সরকার দেশকে প্রতিবেশী দেশের অধীনতার দিকে ঠেলে দিয়েছে: রিজভী
আ. লীগ ও সহযোগী সংগঠন উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছে: রিজভী
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়া আউট প্রচার চালাচ্ছে জনগণ: রিজভী
সরকার জনগণের কাছে সিন্ডিকেট হিসেবে পরিচিত: রিজভী

মন্তব্য

p
উপরে