× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
11 kidnapped fishermen rescued from Sundarbans
google_news print-icon

সুন্দরবন থেকে অপহৃত ১১ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবন-থেকে-অপহৃত-১১-জেলে-উদ্ধার
মোংলা থানার পুলিশ আট জনকে উদ্ধার করেছে।ছবি: নিউজবাংলা
১৫ ডিসেম্বর বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের বেড়ির খাল ও হরমল খালে জেলে বহর থেকে ১১ জনকে অপহরণ করে দস্যুরা। পরে জন প্রতি দশ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়।

সুন্দরবন থেকে অপহৃত ১১ জেলেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জ এলাকা থেকে বুধবার ভোরে তাদের উদ্ধার করা হয়।

শরণখোলা থানার পুলিশ তিন জন এবং মোংলা থানার পুলিশ আট জনকে উদ্ধার করেছে। তবে অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।

এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের বেড়ির খাল ও হরমল খালে জেলে বহর থেকে ১১ জনকে অপহরণ করে দস্যুরা। পরে জন প্রতি দশ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়।

শরণখোলা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন, হানিফ হাওলাদার, সোহেল মল্লিক এবং আসাদুল শেখ।

সুন্দরবন থেকে অপহৃত ১১ জেলে উদ্ধার
শরণখোলা থানার পুলিশ তিন জনকে উদ্ধার করেছে।ছবি: নিউজবাংলা

মোংলা পুলিশের উদ্ধার করা জেলেরা হলেন, আকরাম হোসেন, আনিচ শেখ, মিলন শেখ, রফিকুল ইসলাম খান, শুকুর আলী বেপারি, মনির বেপারি, অলি শিকদার, ও বকতিয়ার বেপারি।

জেলেদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপাল, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, সদর এবং খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায়।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক জানান, জেলেদের অপহরণের খবরে পুলিশ সুন্দরবনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারণে কোনো দস্যুকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
৮ বাংলাদেশিকে অপহরণ রোহিঙ্গাদের, চায় মুক্তিপণ
নিখোঁজের ৫ দিন পর ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬
অপহরণ মামলায় খালাস সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ
অপহরণের অভিযোগ পেয়ে ঘণ্টার মধ্যে যুবককে উদ্ধার
৬ মামলার আসামির উৎপীড়নে বন্ধ স্কুলছাত্রীর পড়ালেখা

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
About 10 lakh people are trapped in flood waters in Sylhet

সিলেটে বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা, পানিবন্দি প্রায় ১০ লাখ মানুষ

সিলেটে বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা, পানিবন্দি প্রায় ১০ লাখ মানুষ সিলেটের বন্যা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব বলেন, ‘নদ-নদীর পানি কমলেও সিলেটের সবগুলো উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত রয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ ও সদর উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় পানি কমার খবর পাওয়া গেছে, তবে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা এখনও কমেনি।’

নদীর পানি কিছুটা কমলেও সিলেটের বন্যা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ইতোমধ্যে সব উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে বন্যার পানি। পানিবন্দি হয়ে আছেন জেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষ।

বৃহস্পতিবার বৃষ্টি না হওয়ায় নতুন করে পানি আর বাড়েনি। নগর এলাকার পানি কিছুটা কমেছে। কমেছে নদীর পানিও।

এদিকে বৃহস্পতিবার সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে এসে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক জানিয়েছেন, সুরমা নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় সিলেটে ঘনঘন বন্যা হচ্ছে। দ্রুত নদী খনন করা হবে।

বুধবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সিলেটে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় বলে জানিয়েছে সিলেট আবহাওয়া অফিস। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব বলেন, ‘সিলেটের আকাশে মেঘ রয়েছে। আগামী দুদিন ভারি বৃষ্টি হতে পারে।’

নদ-নদীর পানি কমলেও সিলেটের সবগুলো উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত রয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ ও সদর উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় পানি কমার খবর পাওয়া গেছে, তবে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা এখনও কমেনি।

কোম্পানীগঞ্জের পাড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা জাফরুল হক বলেন, ‘আজকে ঢল থামায় পানি বাড়েনি, তবে এখনও ঘরের ভেতর গলা সমান পানি। এই পানি কমতে অনেকদিন সময় লাগবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন পরিবার নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছি। কিন্তু এখানে রান্না করা খাবারের সংকট রয়েছে। তাই শুকনো খাবার খেয়েই কাটাতে হচ্ছে।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়। এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে সেবা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশীদ পয়েন্টে সকাল ৬টায় ১৬ দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বেলা ১১টায় তা আরও কমে ১৬ দশমিক ২৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে সকাল ৬টায় ১৩ দশমিক ৫৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরে তা আরও কমতে থাকে। বেলা ১১টায় ১৩ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার।

সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে সকাল ৬টায় ১১ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেলা ১১টায় এই পয়েন্টে ১১ দশমিক ০৭ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এই পয়েন্টেও পানি কমেছে। এ পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার।

সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো ওমর সানি জানান, বন্যায় সিলেট জেলায় প্রায় ১০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। জেলার ১৫৩টি পৌরসভা ও ইউনিয়নের মধ্যে ১৩০টিই প্লাবিত হয়েছে।

তিনি জানান, জেলায় বন্যার্তদের জন্য ৬৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে ৩৬১ টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২১ হাজার ৭০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

সুরমা নদী খননের আশ্বাস

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, ‘সিলেট নগরকে আগাম বন্যার কবল থেকে রক্ষা করতে সুরমা নদী ড্রেজিং করা হবে। নদীতে পলিমাটি থাকার ফলে এর আগেও ড্রেজিং কাজ ব্যাহত হয়েছিল। প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলাপ করেছি দ্রুত সুরমা নদী ড্রেজিং ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সিলেটে বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা, পানিবন্দি প্রায় ১০ লাখ মানুষ
সুরমা নদী খননের আশ্বাস দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

বৃহস্পতিবার সিলেট নগরীর ৩৯ নং ওয়ার্ডের টুকেরবাজার এলাকার শাদীখাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ৯টি স্থানে ড্রেজিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে। নদী ভাঙন, পলিমাটি অপসারণে নিয়মিত নদী খনন করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিশোরগঞ্জের মিটামইন সড়ক দিয়ে পানি পারাপারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
কুড়িগ্রামে বন্যার পদধ্বনি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 lakh people trapped in flood in Moulvibazar

মৌলভীবাজারে বন্যায় পানিবন্দি ২ লাখ মানুষ

মৌলভীবাজারে বন্যায় পানিবন্দি ২ লাখ মানুষ মৌলভীবাজারে বন্যা কবলিত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা তলিয়ে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মনু নদীর পানি শহরের চাঁদনীঘাট এলাকায় বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদী শেরপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার, ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার এবং জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের ছয়টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এতে জেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

জেলার রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল ও সদর উপজেলার ৩৭ ইউনিয়নের ৪৩২টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে।

বন্যা কবলিত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা তলিয়ে গেছে। আঞ্চলিক সড়কের অনেক স্থানে পানি উঠেছে। ডুবে গেছে বাড়িঘর, ফসলের মাঠ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেকেই আবার নিজের বাড়ি-ঘর রক্ষায় বাঁধের ওপর বালির বস্তা ফেলছেন।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মনু নদীর পানি শহরের চাঁদনীঘাট এলাকায় বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদী শেরপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার, ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার এবং জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক উর্মি বিনতে সালাম জানান, বন্যা মোকাবিলায় জেলার মোট ৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বর্তমানে এগুলোতে ৫৭১টি পরিবারে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুন:
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
কুড়িগ্রামে বন্যার পদধ্বনি
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে, চরম জনদুর্ভোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
8 missing claim childs death after boat sinks in Teesta

তিস্তায় নৌকা ডুবে শিশুর মৃত্যু, ৮ জন নিখোঁজের দাবি

তিস্তায় নৌকা ডুবে শিশুর মৃত্যু, ৮ জন নিখোঁজের দাবি তিস্তা নদীতে বুধবার সন্ধ্যায় নৌকাডু‌বির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রহমান বলেন, ‘নৌকাডুবির ঘটনায় বজরা গ্রামের জয়নালের আড়াই বছরের আয়শা খাতুন নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয়দের কাছ থেকে সাত থেকে আটজন নিখোঁজ রয়েছে শোনা গেলেও আমরা নিশ্চিত নই।’

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিয়ের দাওয়াত ‌খেয়ে ফেরার পথে তিস্তা নদীতে নৌকাডু‌বির ঘটনায় আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় অন্তত আটজন নিখোঁজ হয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা, তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

উপজেলার বজরা ইউনিয়নের সাদুয়া দামারহাট এলাকায় বুধবার সন্ধ‌্যার পর এ ঘটনা ঘ‌টে।

‌বিষয়‌টি নি‌শ্চিত করেছেন উলিপু‌র ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আব্বাস উদ্দিন।

তি‌নি বলেন, ‘এক‌টি নৌকায় ২৫ থেকে ২৬ জন যাত্রী নিয়ে দাওয়াত খেয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকায় যাচ্ছিলেন। পথে তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে নৌকা‌টি ডুবে যায়। এতে অন‌্যরা নদী সাঁত‌রিয়ে পা‌র হতে পারলেও সাত থেকে আটজন নিখোঁজ রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।’

উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রহমান জানান, তারাও ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘নৌকাডুবির ঘটনায় বজরা গ্রামের জয়নালের আড়াই বছরের আয়শা খাতুন নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয়দের কাছ থেকে সাত থেকে আটজন নিখোঁজ রয়েছে শোনা গেলেও আমরা নিশ্চিত নই।’

রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার সময় জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ বলেন, ‘এক শিশু নিহত হয়েছে এটা নিশ্চিত, তবে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখনও আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি।’

আরও পড়ুন:
কবি অসীম সাহা মারা গেছেন
রাজধানীতে বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ভারি বর্ষণে এল সালভাদর ও গুয়েতেমালায় ১৩ প্রাণহানি
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ১২, থাকতে পারে বাংলাদেশিও
মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Effect of rain and flood on Moulvibazar tourism

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব টানা বৃষ্টি ও সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির কারণে এবার মৌলভীবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা। ছবি: নিউজবাংলা
কমলগঞ্জ অরণ্য নিবাস রিসোর্টের পরিচালক এহসান কবির সবুজ জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমনিতেই পর্যটন অনেক কম। আমাদের রিসোর্টসহ বেশিরভাগ রিসোর্টে প্রায় ৫০ শতাংশের কম রুম বুকিং হয়েছে। তার ওপরে ঈদের দিন থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা রিসোর্ট থেকে বের হচ্ছেন না। রিসোর্টেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

‘চায়ের রাজধানী’ খ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে ঈদের দিন থেকে টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর পানি বেড়ে সৃষ্ট বন্যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে চা বাগানসহ পর্যটন স্থানগুলো একপ্রকার ফাঁকাই রয়েছে। প্রতিবার ঈদে পর্যটক ও স্থানীয়দের ভিড় লেগে থাকে যেসব স্থানে, সেকানে এবারের চিত্র পুরোপুরি উল্টো

টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে প্রায় ফাঁকা হয়ে রয়েছে এসব দর্শনীয় স্থানগুলো। এমনিতেই এবার পর্যটক কম এসেছে। তার ওপরে সারা দিন বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা হোটেল রিসোর্ট থেকেও বের হতে পারছেন না।

সোমবার (ঈদের দিন) সকাল থেকে বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ রিপোর্ট লেখা অবধি টানা বৃষ্টি হচ্ছে চায়ের রাজ্যে।

এদিকে, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে সিলেটের বন্যার প্রভাব পড়েছে। আগাম বুকিং দেয়া অনেকেই সিলেটের বন্যার সঙ্গে শ্রীমঙ্গলকে মিলিয়ে সেসব বুকিং বাতিল করে দিচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গলের কোথাও বন্যা নেই বলে জানিয়েছেন পর্যটন-সংশ্লিষ্টরা। তবে কমলগঞ্জে বন্যা দেখা দিলেও হোটেল-রিসোর্টে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।

চারদিকে সবুজের সমারোহে সজ্জিত সারি সারি চা বাগানের নয়নাভিরাম দৃশ্য মুগ্ধ করে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের। চা বাগান ছাড়াও বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই), টি মিউজিয়াম, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, হাইল হাওর, মৎস্য অভয়াশ্রম বাইক্কা বিল, নীলকণ্ঠ সাত রঙের চা কেবিন, বধ্যভূমি ৭১, চা-কন্যা ভাস্কর্যসহ নানা স্থান ঘুরে দেখেন দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা। শহর থেকে একটু দূরে লাল পাহাড়, শঙ্কর টিলা, গরম টিলা, ভাড়াউড়া লেক, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী পল্লী, সুদৃশ্য জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ ও হরিণছড়া গলফ মাঠ ঘুরে আনন্দ উপভোগ করেন তারা।

এ ছাড়াও কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, পদ্মা লেক, পাত্রখলা লেক, ক্যামেলীয়া লেক, বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান, মনিপুরী পল্লী, খাসিয়া পল্লী পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রকৃতির টানে তাই পর্যটকরা ছুটে আসেন চায়ের রাজ্যে। তবে এবার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে এলেও এসব পর্যটন স্থানগুলোতে যেতে পারেননি বেশিরভাগ পর্যটকরা।

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে এসেছেন আকাশ জামান। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে, একবারও থামেনি। রিসোর্ট থেকেও বের হতে পারলাম না। রিসোর্টেই কাটতে হচ্ছে সময়। বৃষ্টি উপভোগ করলেও ভালো করে ঘুরতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবার নিয়ে চলে যাব। আবার ছুটি পেলে ঘুরতে আসব।’

শারমিন আনাম তান্নী নামের এক পর্যটক বলেন, ‘বুধবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে কমলগঞ্জে এসেছি। নিজস্ব গাড়ি থাকায় ঘুরতে বেরিয়েছিলাম, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে গাড়ি থেকেই নামতে পারিনি। গাড়ি থেকে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখলাম। প্রায় দুই ঘণ্টার মতো গাড়ি নিয়ে ঘুরে আবার রিসোর্টের দিকে এখন যাচ্ছি। এমন বৃষ্টি জানলে আসতাম না। হোটেল দুই দিন বুকিং দিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার সকালে চলে যাব।’

কমলগঞ্জ অরণ্য নিবাস রিসোর্টের পরিচালক এহসান কবির সবুজ জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমনিতেই পর্যটন অনেক কম। আমাদের রিসোর্টসহ বেশিরভাগ রিসোর্টে প্রায় ৫০ শতাংশের কম রুম বুকিং হয়েছে। তার ওপরে ঈদের দিন থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা রিসোর্ট থেকে বের হচ্ছেন না। রিসোর্টেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

শ্রীমঙ্গল শহরের গ্রীনলিফ গেস্ট হাউজের মালিক এস কে দাশ সুমন বলেন, ‌‘দিন দিন পর্যটকরা দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ট্যুর কোম্পানিগুলো ঈদ কিংবা অন্যান্য ছুটির সময় ভারত, থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার অফার দেয়। এখন বেশিরভাগ পর্যটকই বিদেশমুখি হয়ে যাচ্ছেন।

‘এবার ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমরা হোটেল রিসোর্ট মালিকরা খুব কম আগাম বুকিং পাচ্ছি। মুলত যারা শ্রীমঙ্গলে রাত্রিযাপন করেন, তাদের ৮০ ভাগই আগাম বুকিং দিয়ে আসেন।’

তিনি বলেন, ‘সিলেটে বৃষ্টির কারণে এবার বন্যা হচ্ছে। অনেক পর্যটক ধারণা করছেন, শ্রীমঙ্গলেও বন্যা, কিন্তু শ্রীমঙ্গলে কখনোই বন্যা হয় না। অনেকে সিলেটের সঙ্গে সেটা গুলিয়ে ফেলছেন। এখন শ্রীমঙ্গলের প্রকৃতি অপরূপ সাজে সজ্জিত। সবুজে ভরে আছে সবকিছু।’

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম আহমেদ বলেন, ‘সাধারণত ঈদের আগের দিন থেকে সপ্তাহব্যাপী পর্যটক শ্রীমঙ্গলসহ পুরো জেলায় ঘুরে বেড়ান। তাদের জন্য প্রতিটি হোটেল-রিসোর্টকে নতুন সাজে সজ্জিত করে রাখা হয়। পর্যটকদের জায়গা দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রতিবার। বেশিরভাগ হোটেল-রিসোর্ট হাউসফুল থাকে, কিন্তু এ বছর ঈদের আগের দিন থেকে আজ অবধি খুবই কম বুকিং হয়েছে। বৃষ্টির কারণে পর্যটকরা এখানে এসেও ঘুরতে পারছেন না। এ কারণে এবার পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’

মৌলভীবাজার সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আনিসুর রহমান বলেন, ‘পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি পর্যটন স্পটগুলোতে আমাদের পুলিশ ছিল। পর্যটকরা যেন ঈদের ছুটি কাটিয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

আরও পড়ুন:
ঈদে আগাম বুকিং কম শ্রীমঙ্গলে, বললেন রিসোর্ট মালিকরা
পর্যটক-শূন্যতায় রুমা ও থানচির হোটেল রিসোর্ট ফাঁকা
ঈদ উপলক্ষে চাঙা সিলেটের পর্যটন খাত
ভরা মৌসুমে পর্যটকখরা শেরপুরে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Water is rising in Howar and the flood situation is worsening in Sunamganj

হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি পানি বাড়তে শুরু করায় মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘরসহ বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বেসরকারি হিসেবে সুনামগঞ্জ ৮৮ ইউনিয়নের কমপক্ষে ৮ লাখ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। সুনামগঞ্জ পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘নদীর পানি কমলেও বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পানি বাড়তে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।’

সুনামগঞ্জে নদীর পানি কমলেও হাওর অঞ্চল ও পৌর শহরের পাড়া-মহল্লায় বাড়ছে। বুধবার সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিকাল ৩টায় বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার বা ১ দশমিক ৪১ ফুট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে ভোর থেকে একটানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের নতুন পাড়া, শান্তিবাগ, ধোপাখালী, বাঁধনপাড়া, বলাকা, মোহাম্মদপুর, ষোলঘর, নবীনগর, কাজীর পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একতালা বা কাঁচা ঘরে থাকা মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন। মঙ্গলবার রাত থেকেই অনেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। সকলের চোখেমুখে ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার আতঙ্ক।

এসময় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের মানুষজন। ঝাওয়ার হাওরের পাশে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের ঘরের চাল ছুঁইছুঁই পানি। পরিবার পরিজন নিয়ে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যাচ্ছেন তারা।

এদিকে, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পাহাড়ি ঢল নেমে আগে থেকেই প্লাবিত ছিল সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, শান্তিগঞ্জ, জগন্নাথপুর, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, মধ্যনগর, দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ উপজেলা। এরপর হাওরের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলাজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এর মধ্যে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ছাতক, দোয়ারাবাজার ও সদর উপজেলা।

হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ছাতক উপজেলার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকেছে। উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবতী নীজগাঁও, রতনপুর, বাগানবাড়ি, নোয়াকোট, ধনীটিলা, ছনবাড়ী, দারোগাখালী সড়কসহ ৮-১০টি কাঁচা সড়ক বিলীন হয়ে গেছে। অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন পার করছে।

উপজেলার ইছামতি-ছনবাড়ীবাজার, শিমুলতলা-মুক্তিরগাঁও সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক, ছাতক-জাউয়া, ছাতক-সুনামগঞ্জ, ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের বিভিন্ন নিচু অংশও পানিতে তলিয়ে গেছে।

ছাতক পৌরসভারসহ নোয়ারাই, ছাতক সদর, কালারুকা, উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, জাউয়া, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ, দক্ষিণ খুরমা, ভাতগাঁও, দোলারবাজার ও সিংচাপইড় ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ছাতক- গোবিন্দগঞ্জ সড়কটি প্লাবিত হয়েছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষ পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন। ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের তিনটি স্থানে পানি ওঠায় সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এসব স্থান দিয়ে সুরমা নদীর পানি দেখার হাওরে প্রবেশ করছে।

এদিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন প্লাবিত হচ্ছে।

অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে আসায় শাল্লায় নিম্বাঞ্চলের মানুষের বসতঘরে পানি উঠতে শুরু করেছে। ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের পানি সুরমা ও কুশিয়ারা নদী দিয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মধ্যনগরেও বাড়তে শুরু করেছে নদী ও হাওরের পানি। নদী ও হাওরের পানি বাড়ার কারণে উপজেলার মধ্যনগর-মহিষখলা সড়কের নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘরসহ বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, গ্রামীণ রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় বন্যার পানি উঠেছে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তাহিরপুরে ১০-১৫টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

বেসরকারি হিসেবে জেলার ৮৮ ইউনিয়নের কমপক্ষে ৮ লাখ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানিয়েছেন, পানি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার বা ১ দশমিক ৪১ ফুট ওপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ছাতক উপজেলায় বিপদসীমার ১৪৫ সেন্টিমিটার বা ৪ দশমিক ৭৬ ফুট ওপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও দিরাই উপজেলায় ২৯ সেন্টিমিটার বা ১১ দশমিক ৪২ ইঞ্চি ওপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ১০০ মিলিমিটার, লাউড়ের গড়ে ৭৮ মিলিমিটার, ছাতকে ৮৪ মিলিমিটার এবং দিরাইয়ে ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ কর্মকর্তা বলেন, ‘নদীর পানি কমলেও বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পানি বাড়তে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে ২০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি দশ হাজার মানুষ
ধলাই নদীর বাঁধে দুটি স্থানে ভাঙন, ডুবেছে ৪০ গ্রাম
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Sonaimuri haze surrounds the dead body of the madrasa student

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা

সোনাইমুড়িতে মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ ঘিরে ধোঁয়াশা নিহত মাদ্রাসাছাত্র মান্নান মেহেরাজ। ছবি: সংগৃহীত
নিহত শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে মারা গেছে- সিসি টিভি ফুটেজে এমনই দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পানি থেকে তোলার সময় মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদ্রাসাছাত্র খুনের ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি। নিহত ১৪ বছরের মান্নান মেহেরাজের মরদেহের সর্বাংশে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন থাকলেও খুনি কে, তা এখনও বের করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে মামলা প্রত্যাহার করতে অব্যাহত হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে নাটেশ্বর ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার পুকুর থেকে নাজেরা বিভাগের ছাত্র মেহেরাজের মরদেহ ভেসে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহের মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বস্তাবন্দি ছিল। পঁচা-গলা মরদেহটি মাদ্রাসার মোহতামিমের নির্দেশে পুকুর থেকে তুলে আনে ছাত্ররা।

এ ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্রের পরিবার গত শুক্রবার (১৪ জুন) হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে। অপরদিকে, মাদ্রাসা রোববার (১৬ জুন) এই ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষ।

নিহতের বাবা মো. কামাল বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে শিক্ষক আহসান হাবিবকে আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতে মামলা করেন। আগামী বুধবার (২৬ জুন) এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মান্নান মেহেরাজ তার নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিবকে আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলে। ওই ঘটনা ধামাচাপা দিতে আব্দুল মান্নানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, মাদ্রাসার পুকুর থেকে মেহেরাজের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেন মোহতামিম মহিন উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে তার দাবি ছিল, এটি নিছক একটি দুর্ঘটনা। ছেলেটি পানিতে পড়ে মারা গেছে।

এসময় ছাত্র নিহতের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলার উত্তর মির্জানগর মন্ত্রীর মসজিদের সামনে ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধন করে।

এসময় তারা উল্লেখ করেন, নাজেরা বিভাগের শিক্ষক আহসান হাবিব আরেক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকার করার ঘটনা দেখে ফেলায় খুন করা হয় মান্নান মেহেরাজকে। এছাড়া গত সোমবার (১০ জুন) থেকে মেহরাজ নিখোঁজ থাকলেও তার পরিবারকে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি, থানা থেকে মামলা নেয়া হয়নি। আদালতে মামলা করায় তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তবে সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহটি মাদ্রাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ছেলেটি পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নিহতের বড়ভাই মো. হানিফ বলেন, ‘পানি থেকে উদ্ধার করার পর দেখতে পাই, মেহরাজের মরদেহের ডান হাতের তিনটি আঙ্গুল ক্ষতবিক্ষত। দুই পায়ের উরুতে হাতের ছাপ ও গলায় আঙুলের ছাপ রয়েছে।

তিনি জানান, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে পানিতে ডুবে গেছে মান্নান। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা বক্তব্য দিয়েছে, এ ঘটনার একদিন আগে থেকেই মান্নান নিখোঁজ। আর নিখোঁজের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও তা তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়নি।

এছাড়া, সিসি টিভি ফুটেজ অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে পানিতে ডুবে পরদিন বিকেলে মরদেহ ভেসে ওঠে। মরদেহ দেখতে পেয়েও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কিংবা নিহতের পরিবারকে কিছুই জানায়নি। পরে প্রতিবেশীর মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা জানতে পেরে মাদ্রাসায় গিয়ে মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

অন্যদিকে, পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ‘হার্ডডিস্ক মাইজদিতে রয়েছে’ জানায়। এর দুই ঘণ্টা পর মাইজদি থেকে হার্ডডিস্ক এলে সিসি টিভি ফুটেজ দেখানো হয় পুলিশকে।

এদিকে, নিহত মাদ্রাসা ছাত্র মান্নান মেহেরাজ সাঁতার জানত বলে জানিয়েছেন তার ভাই মো. হানিফ।

আরও পড়ুন:
পরিচালকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ মাদ্রাসায় তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম
‘ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’
ছাত্রলীগ নেতা হত্যা: মানববন্ধনে নিস্তব্ধতা, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধসহ আহত ৮

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10000 people are trapped in water in 20 villages of Teknaf

টেকনাফে ২০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি দশ হাজার মানুষ

টেকনাফে ২০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি দশ হাজার মানুষ মুষলধারে বৃষ্টিতে টেকনাফ উপজেলার প্রায় দশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
পৌরসভার বাসিন্দা আনছার উল্লাহ বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে একমাত্র সম্বল ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। জানি না, এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব! একটি মাত্র আশ্রয়কেন্দ্র হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। সকাল থেকে পরিবারের কেউ খাবার মুখে দিতে পারেনি।’

মুষলধারে বৃষ্টিপাতের কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়িঘর পাহাড় ধসে ভেঙে পড়েছে। এছাড়া পানির নিচে তলিয়ে গেছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। এতে প্রায় দশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এদিকে বুধবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে।

সরেজমিনে টেকনাফ পৌরসভা, হ্নীলা, বাহারছড়া, হোয়াইক্যং, শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প, উখিয়ার পালংখালী, থাইংখালী, বালুখালী, মধুর ছড়া এলাকার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃষ্টির পানিতে প্রায় দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। পাশপাশি কয়েকটি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

টেকনাফে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে স্থানীয়দের ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার দেয়া হবে। এছাড়া বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পের অনেক জায়গায় রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি। এদের তালিকা করা হচ্ছে।’

পৌরসভার বাসিন্দা আনছার উল্লাহ বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে একমাত্র সম্বল ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। জানি না, এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব! একটি মাত্র আশ্রয়কেন্দ্র হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। সকাল থেকে পরিবারের কেউ খাবার মুখে দিতে পারেনি।’

টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আহমদ জানিয়েছেন, টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানের বরজ, বীজতলাসহ ব্রিজ, কালভার্ট ও ২০ কিলোমিটারেরও বেশি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির কারণে আশপাশের ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। দুর্গত এলাকায় গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সাহায্য করা হবে।

এসময় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সুনামগঞ্জে হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরে পানি বেড়েছে
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি সাত লাখ
শ্রীমঙ্গলে টিলা ধসে পুঞ্জির সড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ

মন্তব্য

p
উপরে