× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Govt scared of BNP outline Dudu
hear-news
player
google_news print-icon

বিএনপির রূপরেখায় সরকার ভয় পেয়েছে: দুদু

বিএনপির-রূপরেখায়-সরকার-ভয়-পেয়েছে-দুদু
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ফাইল ছবি
‘দেশকে বাঁচানোর জন্য বিএনপি রূপরেখা দিয়েছে, কিন্তু এই সরকার ও সরকারের সহযোগীরা এটা ভালো চোখে দেখছে না। ভালো না লাগারই কথা। কারণ এই রূপরেখা প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, মানুষের স্বাধীনতা আসবে। দুর্নীতিবাজ, হত্যা ও লুণ্ঠনকারীদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এই জন্যে তারা (আওয়ামী লীগ) রাষ্ট্র সংস্কারের ২৭ দফায় ভয় পেয়েছে।’

বিএনপি ‘রাষ্ট্র মেরামতে’ যে ২৭ দফা রূপরেখা দিয়েছে, তাতে সরকার ও তাদের সহযোগীরা ভয় পেয়েছে বলে মনে করেন বিরোধী দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম নামের একটি সংগঠনের মানববন্ধনে এসব কথা বলেন বিএনপি নেতা।

আগের দিন সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি এই রূপরেখা প্রকাশ করে। এতে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানো, জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যদের ভোট দেয়ার অধিকার নিশ্চিত করা, টানা দুই মেয়াদের বেশি কারও প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি না থাকা, বেকার ভাতা চালুসহ নানা বিষয় উল্লেখ আছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির এই রূপরেখাকে ভাঁওতাবাজি বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তারা ধ্বংস করছে। তারা মেরামত করতে কীভাবে? এটা একটা স্টান্টবাজি।’

দুদু বলেন, ‘দেশকে বাঁচানোর জন্য বিএনপি রূপরেখা দিয়েছে, কিন্তু এই সরকার ও সরকারের সহযোগীরা এটা ভালো চোখে দেখছে না। ভালো না লাগারই কথা। কারণ এ রূপরেখা প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে, মানুষের স্বাধীনতা আসবে। দুর্নীতিবাজ, হত্যা ও লুণ্ঠনকারীদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এ জন্য তারা (আওয়ামী লীগ) রাষ্ট্র সংস্কারের ২৭ দফায় ভয় পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্মার্ট দেশ হবে। সে পর্যন্ত বাংলাদেশ থাকবে কি না আমার সন্দেহ হয়।

‘কারণ ১৪ বছরে দেশের যে অবস্থা করেছে! গণতন্ত্র হরণ করেছে, মানুষের বাকস্বাধীনতা নাই। পুলিশকে বিতর্কিত করা হয়েছে। সরকারি আমলাদের বিতর্কিত করা হয়েছে। এমন কোনো সেক্টর নাই যে বিতর্কিত করা হয় নাই, এমন কোনো পেশা নাই যে বিতর্কিত করা হয় নাই।’

ডিজিটাল করার নামে আওয়ামী লীগ ১০ থেকে ১২ লাখ কোটি টাকা লোপাট করেছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি এমন কোনো ব্যাংক নাই যেগুলো ফোকলা করে দেয়া হয়নি।

‘ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক ছিল। সেই ব্যাংক কবে বন্ধ হয়ে যায়- এ রকম একটা পরিস্থিতিতে চলে গেছে। যারা সরকারকে ঋণ দিত, তারা এখন সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিচ্ছে।’

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসকে হেনস্তা করার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, ‘বাঙালি জাতি অতিথিপরায়ণ। এই দেশে আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের গাড়ি ভেঙে দেয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রদূত গুম হওয়া একটি পরিবারের বাসায় গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে তাতে পুরা বিশ্বে বাঙালি জাতির মাথা হেঁট হয়ে গেছে। এত নিকৃষ্ট হতে পারে কোনো দল, কোনো সরকার, এটা ভাবা যায় না। এখন তারা বলছে, তারা এটা বুঝতে পারে নাই।’

এই ঘটনায় একটি লাভও দেখছেন দুদু। তিনি বলেন, ‘বিএনপি কী অবস্থায় আছে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত এখন বুঝতে পারবেন। আমেরিকা যদিও আগে সাতজনের নামে স্যাংশন দিয়েছিল, তবে এখন আরও ভালো করে বুঝব দেশের পরিস্থিতি কী।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিতে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমাতউল্লাহ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির রূপরেখা স্টান্টবাজি: কাদের
বেকার ভাতা দেবে বিএনপি, প্রধানমন্ত্রী টানা দুই মেয়াদের বেশি নয়
সরকার না চাইলে নির্বাচনে আসুন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bringing the country down a step on the corruption index is intentional Information Minister

টিআই-র দুর্নীতি সূচক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তথ্যমন্ত্রী

টিআই-র দুর্নীতি সূচক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তথ্যমন্ত্রী বুধবার বসুন্ধরা বিপণন কেন্দ্রে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ার শো উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
টিআই’র বিশ্ব দুর্নীতি সূচক-২০২২ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এক ধাপ পিছিয়ে পড়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অনেকেই বলছেন, এটা নির্বাচনের বছর হওয়ায় বিশ্ব বেনিয়াদের প্রেসক্রিপশনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এক পয়েন্ট কমিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনের আগে তো আর কোনো প্রতিবেদন হবে না। আগামী বছর আবার জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে যখন প্রতিবেদন হবে তখন নির্বাচন হয়ে যাবে।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতি সূচকে বাংলাদেশকে এক ধাপ নামানোটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একইসঙ্গে বলেছেন, নির্বাচনের বছর বলে বিশ্ব বেনিয়াদের প্রেসক্রিপশনে এটা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে বসুন্ধরা বিপণন কেন্দ্রে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ার শো উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এর আগে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবার প্রকাশিত টিআই’র বিশ্ব দুর্নীতি সূচক-২০২২ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এক ধাপ পিছিয়ে পড়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকেই বলছেন, এটা নির্বাচনের বছর হওয়ায় বিশ্ব বেনিয়াদের প্রেসক্রিপশনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এক পয়েন্ট কমিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনের আগে তো আর কোনো প্রতিবেদন হবে না। আগামী বছর আবার জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে যখন প্রতিবেদন হবে তখন নির্বাচন হয়ে যাবে।’

ইদানীং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের কার্যক্রম অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে যখন মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করা হলো, তখন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল আগ বাড়িয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে দুর্নীতি হয়েছে বলে। পরে দেখা গেল, দুর্নীতি তো হয়ইনি বরং কানাডার আদালতে বিশ্বব্যাংক হেরে গেছে।

‘বিশ্বব্যাংক আবার এসে প্রস্তাব করেছে যে তারা অর্থায়ন করতে চায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নেননি। কিন্তু ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল তাদের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চায়নি।

‘এভাবে করোনার টিকা এবং আরও নানা বিষয়ের ওপর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নানা বক্তব্য ছিল, যেগুলো অনেকটাই মনে হয়েছে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতো সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন থাকা এবং তাদের কার্যক্রমকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু তাদের কার্যক্রম যদি বিশ্ব বেনিয়াদের প্রেসক্রিপশনে হয় বা তাদের কারও কারও সহায়ক হিসেবে হয় কিংবা কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয় সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

‘বিএনপির সময় পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চারবার এককভাবে, একবার যুগ্মভাবে আফ্রিকার একটি দেশের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি দমন করার জন্য জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছেন। বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে।’

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে বিএনপির সমালোচনা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব তো শিক্ষক ছিলেন, ঢাকা কলেজে পড়াতেন। তাকে বলব, আগে পড়াতেন এখন সম্ভব হলে পড়তে হবে। কারণ ইউরোপের সব দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আমেরিকাসহ সব উন্নত দেশে বিদ্যুতের মূল্য বেড়েছে। কারণ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপরও বাংলাদেশ সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করে যাচ্ছে। ভর্তুকিরও তো একটা মাত্রা আছে। আমাদের অর্থনীতি তো টিকিয়ে রাখতে হবে। সে জন্য মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ভোটে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে বিএনপিকে পরামর্শ তথ্যমন্ত্রীর
কুড়ে ঘর হারিয়ে গেছে, এটিই বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী
সংলাপের কোনো দরকার নেই: তথ্যমন্ত্রী
‘এ বছর দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা বিএনপির’
বিএনপির বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার চেষ্টা ছিল: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP movement from tide to ebb Kader

বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে: কাদের

বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে: কাদের বুধবার যাত্রাবাড়ীতে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬টি আসনের উপনির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।’

বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ভুয়া জোট গঠন করা বিএনপির সবই ভুয়া। তাদের জনগণ বিশ্বাস করে না। তাই বিএনপির আন্দোলনের দৈর্ঘ্য কমে প্রস্থ বেড়ে যাচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় শহীদ শেখ রাসেল পার্কের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির ষড়যন্ত্রমূলক সমাবেশ প্রতিরোধ করা নয়, সতর্ক থাকবে আওয়ামী লীগ। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ করে যাবে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬টি আসনের উপনির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।

‘বিএনপির রাজনীতি ঘোমটা পরা রাজনীতি। ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। বিএনপির আন্দোলনে সরকার ভয় পায়নি, উল্টো বিএনপিই ভয় পেয়েছে।

‘খেলা এখনও শুরু করিনি আমরা। তাতেই বিএনপি পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Constitution becomes impure when unelected government comes in PM

অনির্বাচিত সরকার এলে সংবিধান অশুদ্ধ হয়: প্রধানমন্ত্রী

অনির্বাচিত সরকার এলে সংবিধান অশুদ্ধ হয়: প্রধানমন্ত্রী
টেলিভিশন থেকে নেয়া ছবি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহাভারত অশুদ্ধ হবে না, অশুদ্ধ হবে আমাদের সংবিধান। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা এবং তৎপরবর্তী বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সংবিধান, অনির্বাচিত সরকার এলে সেটি অশুদ্ধ হবে।’

দেশে অনির্বাচিত সরকার আসার পক্ষ নিয়ে বক্তব্য দেয়া তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, অনির্বাচিত সরকার আসলে মহাভারত অশুদ্ধ না হলেও সংবিধান অশুদ্ধ হয়।

বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে খুব জ্ঞানী-বিজ্ঞানী আছেন। তাদের মুখে শুনলাম, দু-চার বছরের জন্য যদি অনির্বাচিত সরকার আসে, তাহলে তো মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না। কারা এগুলো বলেন, সেটা আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

‘অনির্বাচিত সরকার তো আপনারা দেখেছেন। এখানের ছাল ওখানে নিয়ে নানাভাবে দল করার চেষ্টা করেন, রাজনৈতিক নেতাদের খারাপভাবে উপস্থাপন করে অপকর্মের চেষ্টাও করেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহাভারত অশুদ্ধ হবে না, অশুদ্ধ হবে আমাদের সংবিধান। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা এবং তৎপরবর্তী বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সংবিধান, অনির্বাচিত সরকার এলে সেটি অশুদ্ধ হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার মনে হয় যেন কিছু লোক আছে তাদের দেশের স্থিতিশীলতা ভালো লাগে না। তাই একটা স্থিতিশীল পরিবেশকে নষ্ট করার অনেক রকম চক্রান্ত হবে, এটাই স্বাভাবিক। যাই হোক, আমি জনগণের ওপর বিশ্বাস করি, জনগণের জন্য কাজ করি আর দেশের সেবা করা এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘আমার কথাটা হচ্ছে, কারো যদি ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছে থাকে জনগণের কাতারে দাঁড়াবে, নির্বাচন করবে, ভোট করবে, জনগণ যাকে চাইবে তারা ক্ষমতায় আসবে।’

নির্বাচনী ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের অবদানের কথা তুলে ধরে দলটির সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য আজকের ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, আইডি কার্ড, এগুলো তো আমাদেরই প্রস্তাব এবং সেভাবে করা হয়েছে; যেন মানুষ স্বাধীনভাবে তার ভোট দিতে পারে, শান্তিপূর্ণভাবে তার অধিকারটা যেন প্রয়োগ করতে পারে।

‘আমরা সেটাই চাই, সেই ব্যবস্থাটা আমরা কিন্তু করেছি। গণতান্ত্রিক ধারা যাতে অব্যাহত থাকে, তার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। আজকে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই আমরা দেশটাকে উন্নত করতে পেরেছি। পঞ্চদশ সংশোধনী করেছিলাম বলেই কিন্তু আজকে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আছে, গণতান্ত্রিক ধারা আছে। আমাদের অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অগ্নি-সন্ত্রাস সাগরে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা এগুলো তো কোনো আন্দোলন হলো না। এগুলো মোকাবিলা করেও কখনো হেফাজতি আন্দোলন, কখনো হলি আর্টিজানের ধাক্কা, সরকার গঠন করার সাথে সাথে বিডিআরের ঘটনা, একটার পর একটা ঘটনা এসেছে; এর সাথে আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সবগুলো মোকাবিলা করেও আমাদের অর্থনীতির গতি আমরা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি। আর দেশে একটা স্থিতিশীলতা আছে।’

নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা সিট পাবে কোথা থেকে? হ্যাঁ, আমরা কাজের মধ্য দিয়ে মানুষের সমর্থন আদায় করেছি, এটাতো আর আমাদের অপরাধ না। আমাদের তো প্রচেষ্টাই থাকবে জনগণের জন্য কাজ করা।’

বাস্তব সত্য জেনে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা অনেক সময় অনেক কিছু শোনেন। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করেছি যেমন আমাদের সুফল বয়ে এনেছে আবার এর কিছু কুফলও আছে, সন্দেহ নেই। তো যাই দেখেন যাই শুনেন অন্ততপক্ষে বাস্তব চিত্রটা জেনে নিয়ে তারপর একটা মতামত দেবেন।’

আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও বই উল্টে পড়ার মজাই আলাদা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন ডিজিটাল যুগ। ভাষা-সাহিত্য চর্চাও আমরা ডিজিটালাইজড করতে পারি। বইগুলো ডিজিটাল ভার্সনে করতে হবে। অডিও ভার্সনও করা যেতে পারে। প্রত্যেকটা সাহিত্যকর্ম অডিও ভার্সন করতে পারলে চলতে-ফিরতেও শোনা যাবে, পড়া যাবে। সেভাবে আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আমাদের চলা উচিত। যদিও বই উল্টে পড়ার মজাই আলাদা।’

সরকারপ্রধান অনুবাদের ওপর গুরুত্ব বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাকে সারাবিশ্বে আরও বিস্তৃত করতে হলে আমাদের সাতিত্যের বেশি বেশি অনুবাদ করতে হবে। তাই প্রতিবছর বের হওয়া উল্লেখযোগ্য বইগুলোর অনুবাদ করতে হবে।’

এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট এবং বাংলা একাডেমি উদ্যোগ নিতে পারে বলে মতামত তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি শিশু সাহিত্যর প্রসারে কাজ করতে এবং জেলায় জেলায় বইমেলা-সাহিত্য মেলা চালিয়ে যাওওয়ার আহবান জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক এই ছাত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের ওপর উর্দুকে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, এর প্রতিবাদে ১৯৪৮ সালে ২ মার্চ সলিমউল্লাহ মুসলিম হলে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। একটা বিজাতীয় ভাষা, আবার সেটাকে যখন প্রতিবাদ করা হলো তখন বাংলা ভাষাকে আরবি বা উর্দু হরফে লেখার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হলো। সেই অধ্যায় আমাদের দেখতে হয়েছে। আবার পরবর্তীকালে বলা হলো ল্যাটিন হরফে লিখতে হবে। বাঙালি কোনোটাই মানেনি। আমরা সেটা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি, সেটা নিয়ে এগিয়ে যাব।

বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর, পুস্তক প্রকাশক সমিতির সভাপতি আরিফুর রহমান ছোটন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহাম্মদ নূরুল হুদা।

আরও পড়ুন:
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী
অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী
রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Punishment for buying antibiotics without doctors advice Health Minister

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কিনলে শাস্তি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন ওষুধ আইনে অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বলা আছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কেউ অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বা ব্যবহার করলে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে৷ এতে শাস্তির বিষয়টিও আইনে রয়েছে৷ ’

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কেউ অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বা ব্যবহার করলে অপরাধ তাকে শাস্তি পেতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।বুধবার দুপুরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু রোগ ইউনিট, ডায়ালাইসিস সেন্টারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন ওষুধ আইনে অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বলা আছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কেউ অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বা ব্যবহার করলে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে৷ এতে শাস্তির বিষয়টিও আইনে রয়েছে৷ ’
ওষুধ আইন নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ওষুধ আইন নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। ইতোমধ্যে তা মন্ত্রিসভায় পাস হয়ে গেছে। আশা করছি এই সংসদ অধিবেশনে না হলেও আগামী অধিবেশনে আইনটি পাস হবে।’
বক্তব্যে মন্ত্রী সিলেটের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। পরে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় আরও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
চলতি শীতে নিপা ভাইরাসে ৮ জনের মধ্যে ৫ জনই মারা গেছেন
হাসপাতালেই চেম্বার করতে পারবেন চিকিৎসকরা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনে হারার কারণ হতে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The dream of the fall of the government in a silent march is false Kader

নীরব পদযাত্রায় সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া: কাদের

নীরব পদযাত্রায় সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মাগুরা মার্কা ফ্রি-স্টাইলে নির্বাচন আর হবে না। আওয়ামী লীগের লোকদের সমর্থন দেয়ার সুযোগ আছে। আমরা সমর্থন দিয়েছি তার মানে এই নয় যে, নির্বাচন অন্যরকম হবে। মির্জা ফখরুল, বুধবারের নির্বাচন দেখুন।’

‘আপনাদের আন্দোলনের কী খবর? সবাই বলে ভুয়া। সরকার পতন, ১০ তারিখের লাল কার্ড, ৫৪ দল, বিএনপির ২৭ দফা, ১০ দফা, ১৪ দফা, অবশেষে পদযাত্রা। সবই ভুয়া। কেউ মারা গেলে যেমন নীরব পদযাত্রা হয়, আপনাদের পদযাত্রা অনেকটা সেরকম। এ দিয়ে সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে এসব কথা বলেছেন।

দেশব্যাপী রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তিব্বত কলোনি বাজার সংলগ্ন রাস্তায় মঙ্গলবার বিকেলে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ এই শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে।

বুধবার দেশের ৬টি আসনে উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘মাগুরা মার্কা ফ্রি-স্টাইলে নির্বাচন আর হবে না। নির্বাচন নির্বাচনের মতোই হবে। আওয়ামী লীগের লোকদের সমর্থন দেয়ার সুযোগ আছে। আমরা সমর্থন দিয়েছি তার মানে এই নয় যে, নির্বাচন অন্যরকম হবে। মির্জা ফখরুল, বুধবারের নির্বাচন দেখুন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মানুষের শক্তি যখন কমে আসে তার মুখের বিষ তখন উগরে ওঠে। বিএনপির নেতাদের শক্তি কমে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে। দম ফুরিয়ে গেছে বলে লাফালাফি বন্ধ করে এখন নীরব পদযাত্রা।’

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএম মান্নান কচি প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে: কাদের
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের
নতুন সড়ক আর না, পুরনোগুলোই সংস্কার হবে: কাদের
বিএনপির আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jagadish wants to become the president but the obstacle is the EC

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’ রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম কিনতে ইসিতে ঘুরছেন জগদীশ বড়ুয়া পার্থ। ছবি: নিউজবাংলা
জগদীশ বড়ুয়া পার্থ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আমার আবেদন নিচ্ছে না। মনোনয়ন ফরমও দিচ্ছে না। প্রয়োজনে এ নিয়ে আমি হাইকোর্টে যাব।’

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ বড়ুয়া পার্থ। দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বারান্দায় ঘুরছেন কক্সবাজারের এই বাসিন্দা।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের পাশে মঙ্গলবার দেখা গেছে তাকে। কয়েকদিন ধরে ঘুরলেও মনোনয়নপত্র কিনতে পারেননি তিনি। জগদীশ জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র পেতে প্রয়োজনে আইনি লড়াইয়ে যাবেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। যাচাই-বাছাই হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।

জগদীশ বড়ুয়া পার্থ এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে ২৫ জানুয়ারির পর থেকেই মনোনয়নপত্র কেনার জন্য ইসিতে ঘুরছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত তার আবেদনপত্র গৃহীত হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতে হলে বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে। তার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া থাকতে হবে একজন করে প্রস্তাবক ও সমর্থক।

আবেদনপত্র হাতে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে জগদীশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমাদের ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সে সুবাদে তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। কিন্তু দুর্ভাগ্য, এখানে ২৫ তারিখের পর বার বার আসছি। কিন্তু আমাকে মনোনয়ন ফরম দিচ্ছে না। তারা আমার আবেদন গ্রহণ করছে না। রাষ্ট্রপতি পদে আমি একজন প্রার্থী৷’

নিজেকে বাংলাদেশ মঙ্গল পার্টির চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে জগদীশ দাবি করেন, তিনি এর আগে জেলা পরিষদ নির্বাচন করেছেন। ঢাকা-৮ আসনে সংসদ সদস্য পদেও নির্বাচন করেছেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে অনলাইনে আবেদনের জন্য বলা হয়েছে উল্লেখ করে জগদীশ বলেন, ‘অনলাইনে গিয়ে দেখছি ভুয়া। তফসিলে যে টিঅ্যান্ডটি নম্বর দিয়েছে, সেই নম্বরে অনেক ফোন দিয়েছি। পাওয়া যায় না। আজকে আসছি আবেদন নিয়ে।’

এই মনোনয়নপ্রত্যাশী বলেন, ‘(নির্বাচন কমিশনের) জনসংযোগ শাখার (সহকারী পরিচালক) আশাদুল হককে কল দিলে তিনি বলেন বাইরে থাকেন। সবসময় মিটিংয়ে থাকেন। একবার বাইরের অভ্যর্থনা কক্ষে পাঠায়, একবার ভেতরের অভ্যর্থনা কক্ষে পাঠায়। এদিকে ফোনও রিসিভ করছে না তারা। রিসিভ করলে সমস্যা কোথায়? আমি কি নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছি?’

প্রতিবেশী দেশ ভারতে দলিত সম্প্রদায় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে জগদীশ বলেন, ‘আমি বড়ুয়া সম্প্রদায়ের। এই বাঙালি জাতিকে রক্ষা করার জন্য মঙ্গল ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে আমার অধিকার আছে ভালো কথা বলার। আমি নিজের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি। কারও ধার ধারি না।’

কতিপয় এমপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের পর থেকে তারা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। সে রকম ভোট একটাও লাগবে না। আমাকে যে ভোট দেবে এরকম ভোট আমি দেখছি না।

‘এরা যদি রিসিভ না করে, তাহলে আমি হাইকোর্টে যাব। আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি, আমি মামলার পর্যায়ে যাব। যেমন হিরো আলম একতারা প্রতীক নিয়ে (বগুড়া-২ আসন) উপনির্বাচনে গেছে। ঠিক তেমনিভাবে আমি যাব।’

নিজেকে নির্বাচনপ্রিয় মানুষ উল্লেখ করে জগদীশ বলেন, ‘আমি ২০১১ সাল থেকে নির্বাচন করি। আইনি জটিলতা যেটা আছে, এজন্য অবশ্যই আমি লড়াই করব।’

নির্বাচনে নিজের তৈরি করা ইশতেহার তুলে ধরে জগদীশ বলেন, ‘বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকার ওপরে যারা মালিক আছেন, তাদের টাকা বাজেয়াপ্ত করার কথা থাকবে আমার ইশতেহারে। বাংলাদেশে যত খাস জমি আছে, সেগুলো মাথাপিছু ৫ শতাংশ করে দান করব।’

ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আশাদুল হক এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনি আমার কাছে এলে তো হবে না। এ জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তা সিইসির দপ্তরে যেতে হবে। আমার কাছে চাইলে তো হবে না। আমার সঙ্গে ওনার দেখা হয়নি। আমি নির্বাচনী শাখায় যোগাযোগ করতে বলেছি।’

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘বিষয়টি আমার নলেজে নেই। কাল অফিসে গেলে খোঁজ নেব- কে বা কারা বাধার সৃষ্টি করেছে। তবে আইনগতভাবে কোনো বাধা নেই। আইন অনুযায়ী হলে যে কেউ মনোনয়ন ফরম কিনতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট ১৯ ফেব্রুয়ারি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is walking in Dum Furnoi Information Minister

দম ফুরনোয় হাঁটছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

দম ফুরনোয় হাঁটছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ বিএনপিতো আগে মিছিল করত। এখন মিছিলের পরিবর্তে হাঁটা শুরু করেছে। দম ফুরিয়ে গেছে সম্ভবত।’

দম ফুরিয়ে যাওয়ায় বিএনপি হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রামে আরবান ট্রান্সপোর্টেশন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মেট্রোরেলের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম শুরুর অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ বিএনপিতো আগে মিছিল করত। এখন মিছিলের পরিবর্তে হাঁটা শুরু করেছে। দম ফুরিয়ে গেছে সম্ভবত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি যে পদযাত্রা শুরু করেছে, কারও কাছ থেকে নকল করছে সম্ভবত। আপনারা চোখ মেলে দেখুন, কারও কাছ থেকে নকল করছে কি না। তবে পদযাত্রা করুক আর যে যাত্রাই করুক, তাদের এই যাত্রায় তাদের কর্মীরাও নাই। জনগণ তো দূরের কথা, সাধারণ কর্মীরাও এই যাত্রায় শামিল হননি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেছে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। আবার জনগণের কাছে যদি যেতে হয়, তাহলে সেগুলোর জন্য মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’

বিএনপির নির্বাচনে না আসলে এতে কোনো প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমি আশা করি, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে অংশ নেবে। আমরা চাই বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ আগামী দিনের সরকার পছন্দ করুক, সেটি আমরা চাই।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির আন্দোলন পুরোনো গাড়ি স্টার্ট নেয়ার মতো: তথ্যমন্ত্রী
গুজব রোধে ডিসিদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর
বিএনপি আওয়ামী লীগকে দেখে ভয় পাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
জামায়াত ও হেফাজতের সঙ্গে সমঝোতার প্রশ্ন অবান্তর: তথ্যমন্ত্রী
ভোটে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে বিএনপিকে পরামর্শ তথ্যমন্ত্রীর

মন্তব্য

p
উপরে