× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The Prime Minister will inaugurate the metro rail on December 28
google_news print-icon

২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২৮-ডিসেম্বর-মেট্রোরেল-উদ্বোধন-করবেন-প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে উপস্থিত থেকে ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে গঠিত অভ্যর্থনা উপকমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে উপস্থিত থেকে ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল উদ্বোধন করবেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘যারা রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করেছিল, তারাই আবার রাষ্ট্রীয় কাঠামো মেরামত করতে চায়, যা হাস্যকর। ওরা সমালোচনা করুক, আমরা কাজ করে জবাব দেবো।’

১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ না করায় বিএনপির সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, স্বাধীনতার স্মৃতিবিজড়িত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তারা গেলেন না, গেলেন গরুর হাটে। তাদের সব স্বপ্ন কর্পূরের মতো উবে গেছে।’

অভ্যর্থনা উপকমিটির আহ্বায়ক শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

এ ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এম আব্দুল মোমেন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেল উদ্বোধন ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে
কিছুতেই থামছে না মেট্রোরেলে পোস্টার দূষণ
২০৩০ সালের মধ্যে মেট্রোরেলের ৬ লাইন
মেট্রোরেলের দুই স্টেশনে যাত্রী উঠবে কীভাবে
মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলায় ট্রাম্প

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Quota activists protest in DU demanding withdrawal of Prime Ministers speech

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিক্ষোভে যোগ দেয়া ঢাবির সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি আমার মেরুদণ্ডকে আঘাত করেছে। তিনি রাষ্ট্রের মানুষকে দুই ভাগ করতে পারেন না। তিনি তার দল এবং সরকারকে এক পক্ষে নিয়েছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আর আমজনতাকে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে হয় রাজাকারের ট্যাগ তুলে নিতে হবে, না হয় আমরা এখানে জীবন দেব।”

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রোববারের বক্তব্যকে অপমানজনক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে এ বিক্ষোভ শুরু হয়।

বিক্ষোভে ঢাবি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইডেন মহিলা কলেজসহ সাত কলেজ এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন যে, রাজাকারের নাতি-পুতিরা সবকিছু পাবে। মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোটা আর মেধা তো এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান, নাতিপুতি মেধাবী না আর যত রাজাকারের বাচ্চা, নাতিপুতি উনারা মেধাবী, তাই না?’

প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত বক্তব্যকে নিজেদের জন্য অপমানজনক দাবি করে এ বক্তব্য প্রত্যাহারে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা, যারা ‘আমি নই, তুমি নও, রাজাকার রাজাকার’, ‘কে রাজাকার, কে রাজাকার, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’, ‘আমি কেন রাজাকার, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে’ স্লোগান দেন।

বিক্ষোভে যোগ দেয়া ঢাবির সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি আমার মেরুদণ্ডকে আঘাত করেছে। তিনি রাষ্ট্রের মানুষকে দুই ভাগ করতে পারেন না।

“তিনি তার দল এবং সরকারকে এক পক্ষে নিয়েছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আর আমজনতাকে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে হয় রাজাকারের ট্যাগ তুলে নিতে হবে, না হয় আমরা এখানে জীবন দেব।”

ইডেন ছাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ

বিক্ষোভে অংশ নিতে ইডেন মহিলা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা বের হওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এক ছাত্রী।

ঢাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেয়া ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০-১২ জন শিক্ষার্থী আজকের এই মিছিলে আসার জন্য ইডেন কলেজের ভেতরে পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে জড়ো হচ্ছিলাম আর স্লোগান দিচ্ছিলাম। এ সময় কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা এসে আমাদের বাধা দেয় এবং তারা তর্ক-বিতর্ক এমন পর্যায়ে নিয়ে যায় যে, একপর্যায়ে যাদের নিয়ে আমরা মিছিলে যোগ দিচ্ছিলাম, তাদের বেধড়ক পেটায়।

‘তাদের পেটানোর কারণে আমরা যখন মাটিতে পড়ে যাই, তখন তারা আমাদের কিল-ঘুষি যে যা পারে, তা দিয়েই মারে। এমনকি আমাদের ওপর গরম পানিও ছুড়ে মারে।’

এ ছাত্রী আরও বলেন, ‘কলেজ প্রশাসন দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। তারা ছাত্রলীগের কর্মীদের একবারও থামায়নি। মেয়েরা মার খেয়েছে আর তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে।’

বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ইডেন ছাত্রীদের ওপর হামলার পর কেউ যেন কলেজ থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে যোগ দিতে না পারেন, সে জন্য গেট বন্ধ করে রাখা হয়। পরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ কিছু ছাত্রী গিয়ে কলেজের গেট খুলে ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীদের মিছিলে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর
বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের
কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka University hot in the middle of the night

মধ্যরাতে উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মধ্যরাতে উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাবি ক্যাম্পাসে রোববার রাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের বিক্ষোভ। কোলাজ: নিউজবাংলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা যারা কোটা সংস্কারের আন্দোলন করছি, আমাদের সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চরম অপমানজনক কথা বলছেন। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে মাঠে নেমেছেন। এখন গুজব ছড়ানো হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভে ‘আমি রাজাকার, আমি রাজাকার’ স্লোগান দিয়েছেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা এ ধরনের কোন স্লোগান দেননি। তারা বারবার বলেছেন, ‘আমরা রাজাকার নই, আমরা রাজাকার নই।’”

কোটা সংস্কারের আন্দোলন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া একটি বক্তব্যকে অপমানজনক দাবি করে এর প্রতিবাদে রোববার মধ্যরাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবি, কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যারা নিজেদের মেধাবী দাবি করে এ প্রথার সংস্কার চায়, তাদের সবাইকে রাজাকারের সন্তান বা নাতিপুতি বলেছেন।

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন যে, রাজাকারের নাতি-পুতিরা সবকিছু পাবে। মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কোটা আর মেধা তো এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান, নাতিপুতি মেধাবী না আর যত রাজাকারের বাচ্চা, নাতিপুতি উনারা মেধাবী, তাই না?’

প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার রাত সাড়ে ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে বের হতে থাকেন। শুরুতে বের হয়ে আসেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা। এরপর তাদের সঙ্গে যোগ দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্‌দীন হলের শিক্ষার্থীরা।

পরে বিজয় একাত্তর হলে ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের মিছিলে যোগ দিতে বাধা দিচ্ছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। সেই খবরের ভিত্তিতে হলটির গেটে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হলে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা হল ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাদের দফায় দফায় মারামারি হয়।

পরে আন্দোলনকারীরা হলের ফটক খুলে ভেতরে ঢুকে স্লোগান দিয়ে শিক্ষার্থীদের বের করে আনেন। এভাবে তারা মাস্টার দা সূর্যসেন হল, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ভেতরেও ঢুকে শিক্ষার্থীদের ডেকে আনেন।

যে সময় শিক্ষার্থীদের এ বিক্ষোভ শুরু হয় তখন রাত প্রায় ১১টা। নারী শিক্ষার্থীদের হলগুলো রাত ১০টা থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপরও হলগুলোর নারী শিক্ষার্থীরা হলের গেট খোলে রাস্তায় নেমে আসেন এবং মিছিলে যোগ দেন।

ওই সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ‘চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রত্যাহার করতে হবে’ ধরনের স্লোগান দেন।

আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়কে দুই দফায় মিছিল করে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নেন। আর নারী শিক্ষার্থীরা মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। পরে নারী শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যে বাকি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন।

এরপর সেখানে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সারজিস আলমসহ কয়েকজন।

তারা সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, এটি তাদের ব্যানারের কোনো প্রোগ্রাম না। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ বিক্ষোভ করছেন।

ওই সময় আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি শুনব। এরপর তাদের কথা শুনে আমাদের নতুন কোনো কর্মসূচি দেয়ার থাকলে দেব।’

রাত একটায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের হলে ফিরতে শুরু করেন। পরে অনলাইনে এসে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আসিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, “আমরা যারা কোটা সংস্কারের আন্দোলন করছি, আমাদের সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চরম অপমানজনক কথা বলছেন। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে মাঠে নেমেছেন। এখন গুজব ছড়ানো হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভে ‘আমি রাজাকার, আমি রাজাকার’ স্লোগান দিয়েছেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা এ ধরনের কোন স্লোগান দেননি। তারা বারবার বলেছেন, ‘আমরা রাজাকার নই, আমরা রাজাকার নই।’”

আজ সোমবারের কর্মসূচি ঘোষণা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) দুপুর ১২টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে তার এই অপমানজনক বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তা না হলে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের আগামীকাল ১২টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করার আহ্বান জানাচ্ছি। আর কেন্দ্রীয়ভাবে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ মিছিল করব।

‘আমরা চাই, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) ঢাকাস্থ সকল কলেজসমূহের শিক্ষার্থীরা আমাদের সাথে যোগ দেবেন।’

সড়কে বুয়েট শিক্ষার্থীরাও

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে অপমানজনক দাবি করে সড়কে নামেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরাও। রোববার রাত সোয়া একটার দিকে শিক্ষার্থীরা বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে মিছিল বের করেন। তারা মিছিল নিয়ে পলাশী, টিএসসি, বকশীবাজার হয়ে বুয়েটের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জমায়েত হন।

ওই সময় এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আমরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে আমাদের এই শহীদ মিনারে জড়ো হব। এর আগে আপনারা সবাই আমাদের কর্মসূচির ব্যাপারে অবহিত হয়ে যাবেন।’

ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

এদিকে রাত ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের আধা ঘন্টা পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে জড়ো হতে থাকেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করেন ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাও।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা টিএসসিতে থাকা অবস্থায় মহানগর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা প্রবেশ করেননি। তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শেষে রাত আড়াইটার দিকে শাহবাগ মোড় থেকে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ শুরু হয়।

মিছিলটি শাহবাগ, টিএসসি, নীলক্ষেত হয়ে ফের টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়। ওই সময় তারা ‘হই হই, রই রই, জামাত শিবির গেলি কই’, ‘আমার মাটি আমার মা, পাকিস্তান হবে না’, ‘আছিস তো রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’ ধরনের স্লোগান দেন।

এরপর ছাত্রলীগ রাজু ভাস্কর্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

ওই সময় ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। আর বিনয় দেখানোরও সময় নেই। আগামীকাল (সোমবার) থেকে বাংলাদেশের রাজপথে কোনো রাজাকার থাকবে না।

‘ছাত্রলীগের সকল স্তরের সকল ইউনিটকে নির্দেশনা দেয়া যাচ্ছে, আগামীকাল থেকে বাংলাদেশে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে, যারা আমাদের লাখো শহীদের রক্তের সাথে তামাশা করবে, রাজপথেই তাদের সাথে আমরা ফয়সালা করব।’

কর্মসূচি ঘোষণা করে সাদ্দাম বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং লাখো শহীদের রক্তকে অপমান করায় আগামীকাল (সোমবার) বিকেল তিনটায় ছাত্রলীগ রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদী অবস্থান গ্রহণ করবে। এ কর্মসূচিতে ঢাকার সকল ইউনিটকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

‘একই সাথে বাংলাদেশের সকল জেলা, মহানগরে বিকেল তিনটায় একযোগে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The areas of the capital where there will be no gas for 8 hours on Tuesday

রাজধানীর যেসব এলাকায় মঙ্গলবার ৮ ঘণ্টা থাকবে না গ্যাস

রাজধানীর যেসব এলাকায় মঙ্গলবার ৮ ঘণ্টা থাকবে না গ্যাস স্বল্প আঁচে জ্বলা গ্যাসের চুলা। ফাইল ছবি
তিতাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপনকাজের জন্য আগামী ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকা পর্যন্ত মোট আট ঘণ্টা বনানী ডিওএইচএস, শহীদ মঈনুল রোড এবং স্বাধীনতা সরণি এলাকায় সকল শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।’

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপনকাজের জন্য রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় মঙ্গলবার আট ঘণ্টা গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকবে বলে সোমবার জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

তিতাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি প্রতিস্থাপনকাজের জন্য আগামী ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকা পর্যন্ত মোট আট ঘণ্টা বনানী ডিওএইচএস, শহীদ মঈনুল রোড এবং স্বাধীনতা সরণি এলাকায় সকল শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

‘এ ছাড়া উক্ত সময়ে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে। সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

আরও পড়ুন:
২২ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ নেত্রকোনায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
এমপি আনার হত্যা: গ্যাস বাবুকে ঝিনাইদহ কারাগারে স্থানান্তর
পাইপলাইনে লিকেজ, ময়মনসিংহ-নেত্রকোনায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
রাজধানীতে নিজ বাসায় স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
মাগুরছড়া ট্র্যাজেডি দিবসে ১৪ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Memorandum of 12 students in Bangabhaban

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর

বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর বঙ্গভবন অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবনে ঢোকেন। আর বাকি শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের সামনে বসে অবস্থান নেন। দুইটা ৫৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে।

শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন সারজিস আলম, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, হাসিব আল ইসলাম, রিফাত রশিদ, হান্নান মাসুদ, সুমাইয়া আক্তার, আবদুল কাদের।

এর আগে তিন দফায় পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে তাদের পূর্বঘোষিত পদযাত্রা শুরু হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা টিএসসি, শাহবাগ, মৎস্য ভবন মোড় হয়ে শিক্ষা ভবন মোড়ে এলে প্রথম দফায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা, তবে সেখানে কোনো ব্যারিকেড দেয়া ছিল না।

পুলিশ মানব ব্যারিকেড তৈরি করলে সেটি ভেঙে জিপিও মোড়ের দিকে এগিয়ে যান শিক্ষার্থীরা।

পরে জিপিও মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ৷ সেখানে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষার্থীদের আটকে দেয়া হয় এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের অনুরোধ করা হয় আর সামনে না যাওয়ার জন্য। তাদের ১০ জন প্রতিনিধি প্রেরণের প্রস্তাব করে পুলিশ।

এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে বঙ্গভবনে শিক্ষার্থীদের ১২ জন প্রতিনিধি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন এবং বাকি শিক্ষার্থীরা জিপিও মোড়ে বসে পড়েন।

এদিকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট জিপিও মোড়ে অবস্থানের পর সেই মোড়ের ব্যারিকেডও ভেঙে ফেলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের দিকে এগিয়ে যান, তবে পুলিশ ও যানজটের কারণে শিক্ষার্থীরা কয়েক ভাগ হয়ে যান।

কিছু শিক্ষার্থী গুলিস্তান মোড়ে চলে যান আর কিছু শিক্ষার্থী মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে যান। পরে এ শিক্ষার্থীরা পাশের রাস্তা দিয়ে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে এলে বাকি শিক্ষার্থীরা সেখানে থাকা পুলিশের মানব ব্যারিকেডও মাড়িয়ে ১০ থেকে ১২ ফুট এগোলে ফের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। পরে সেখানেই অবস্থান নেন তারা।

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quota agitators marching towards Banga Bhavan

বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের

বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের দুপুর ১২টার দিকে মিছিলসহ পদযাত্রা বের করেন কোটা সংস্কার চাওয়া শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বেলা ১১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে শিক্ষার্থীদের এ পদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি শুরু হয় দুপুর ১২টায়। সেখানে এসে যোগ দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল কলেজ, সাত কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।

জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য রোববার গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা শুরু করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থীদের এ পদযাত্রা রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে অবস্থান করছিল। তারা মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব হয়ে বঙ্গভবনের সামনে যাবেন। এরপর সেখানে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি জমা দেবেন।

এর আগে বেলা ১১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে শিক্ষার্থীদের এ পদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি শুরু হয় দুপুর ১২টায়। সেখানে এসে যোগ দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল কলেজ, সাত কলেজসহ ঢাকার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।

দুপুর ১২টার দিকে মিছিলসহ পদযাত্রা বের করেন কোটা সংস্কার চাওয়া শিক্ষার্থীরা। তাদের ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘সংসদে আইন করো, কোটা সমস্যা দূর করো’ ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

আগের দিন শনিবার কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছিলেন, ‘আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি চলছে। সেটির পাশাপাশি এই কর্মসূচিটি আগামীকাল বেলা ১১টায় এই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হবে।

‘এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সাত কলেজ, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার আশেপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ নিজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা নিয়ে একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three people died due to electrocution in the capital

রাজধানীতে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু

রাজধানীতে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু প্রতীকী ছবি।
শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলাউদ্দিন, রাসেল ও আইউব আলী।

রাজধানীতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলাউদ্দিন, রাসেল ও আইউব আলী।

আলাউদ্দিন ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার মেঘেরা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার সন্তান। রাসেল চট্টগ্রামের পটিয়া থানার কেলিশহর দারোগার হাট গ্রামের রতন দাসের ছেলে। দুজনই পল্লবী এলাকায় থাকতেন। আর আইউব আলী পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার তারাবুনিয়া গ্রামের বেলায়েত শেখের সন্তান।

শুক্রবার দুপুরে পল্লবীর আজিজ মার্কেটের পাশে আসবাব কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আলাউদ্দিন ও রাসেল। তারা দুজনই ওই কারখানায় মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আজিজ বলেন, ‘খবর পেয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ট্রলির ওপর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টির কারণে আসবাব কারখানায় পানি জমে যায়। মালপত্র রেখে পানি সরানোর সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এই দুজন। তবুও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

অপর ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঢাকার সিএমএম আদালতের পাশে আগরবাতি গলিতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আইউব আলী। তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আইউব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম জানান, তার বাবা মিস্ত্রির কাজ করতেন। রাতে কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পথে আগরবাতি গলি এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ন্যাশনাল হাসপাতাল নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যারল কলেজ হাসাপাতালে নিলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কোতোয়ালি থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজীব ঢালী জানান, খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
আইপিএস মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মিস্ত্রির মৃত্যু
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সহোদর দুই শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু
কুকুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাশিয়া থেকে বাড়িতে আসা ছেলের সঙ্গে প্রাণ গেল মায়েরও
নকলায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে দুজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quota activists claim unconstitutional who

কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের

কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধানবিরোধী বলে শনিবার মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিরোধী। কোটা নিয়ে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে।

‘গেল কয়েকটি বছরে কোটা না থাকায় নারীদের অংশগ্রহণ হতাশাজনক। পিছিয়ে পড়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও।’

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কোটার পরিসংখ্যান তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে কোটায় নিয়োগ সবচেয়ে কম। ভারতে ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৯২.৫ শতাংশ, নেপালে ৪৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৫০ শতাংশ চাকরিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ৬০ শতাংশ কোটা চালু রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনের আগে পেনশন নিয়ে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ১৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি আলোচনায় অংশ নেন।

এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘পেনশন স্কিম ২০২৪ না ২০২৫, এ নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তা দূর হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের পহেলা জুলাই থেকে সবার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম।’

শিক্ষকদের অন্যান্য দাবি নিয়ে কাদের বলেন, ‘আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অচিরেই সমাধান হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে