× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Third bail application on behalf of Fakhrul Abbas
google_news print-icon

ফখরুল-আব্বাসের পক্ষে জামিনের তৃতীয় আবেদন

ফখরুল-আব্বাসের-পক্ষে-জামিনের-তৃতীয়-আবেদন
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বাঁয়ে) ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
৯ ডিসেম্বর দুই নেতাকে আদালতে তোলা হলে তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠান ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম। বিএনপির সমাবেশের দুই দিন পর সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম শফিউদ্দিনের আদালতে আবার জামিন আবেদন করা হয়। বিএনপির এই দুই নেতার পাশাপাশি আরও ২২২ জনের জামিন আবেদন নাকচ করে পাঠানো হয় কারাগারে।

রাজধানীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের পক্ষে আবার জামিন আবেদন করা হয়েছে।

দুই দফা জামিন আবেদন নাকচের পর বুধবার তৃতীয় এই আবেদনটি করা হয় ঢাকা মহানগর হাকিম রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালতে। এরপর বৃহস্পতিবার শুনানির দিন নির্ধারিত হয়।

পুলিশের অনুমতি না পাওয়ার পরও গত ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর বিভাগীয় সমাবেশটি নয়াপল্টনেই করার ঘোষণা আসে। ৭ ডিসেম্বর মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনটি করার পর দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

এতে একজন নিহত ছাড়াও আহত হন বেশ কয়েকজন। এক পর্যায়ে পুলিশ দলীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ১৫টি ককটেল উদ্ধারের কথাও জানানো হয়।

সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত দেড় থেকে দুই হাজার বিএনপির নেতা-কর্মীকে আসামি করে পল্টন মডেল থানায়, মতিঝিল এবং শাহজাহানপুর থানায় আলাদা মামলা হয়।

সেই সংঘর্ষের পরদিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবার সংবাদ সম্মেলনে এসে জানান, তারা নয়াপল্টনেই সমাবেশটি করবেন, বাধা দিলে ব্যবস্থা নেবে জনগণ। সেই রাতেই তাকে এবং আব্বাসকে আটক করে ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

৯ ডিসেম্বর দুই নেতাকে আদালতে তোলা হলে তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠান ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম।
বিএনপির সমাবেশের দুই দিন পর সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম শফিউদ্দিনের আদালতে আবার জামিন আবেদন করা হয়। বিএনপির এই দুই নেতার পাশাপাশি আরও ২২২ জনের জামিন আবেদন নাকচ করে পাঠানো হয় কারাগারে।

তারও পরদিন রাজধানীতে নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে সমাবেশ করে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
গাজীপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের মৃত্যু
১৬ ডিসেম্বর নয়াপল্টন থেকে বিএনপির বিজয় মিছিল
‘নির্যাতনকারীর’ তালিকা হচ্ছে, পুলিশকে বিএনপির সতর্কতা
‘বিএনপি অফিসে পুলিশি তাণ্ডব ফ্যাসিবাদের নমুনা’
তল্লাশিতে ভাঙচুর স্বাভাবিক: বিএনপি কার্যালয় নিয়ে তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
One in jail in UP Chairman beating case

ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর মামলায় একজন কারাগারে

ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর মামলায় একজন কারাগারে আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার দুপুরে সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি মাঝগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে গরীব দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের ৫০ ভাগ দাবি করে। চেয়ারম্যান তা দিতে অস্বীকার করলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারপিট ও তার কার্যালয় ভাঙচুর করে।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলালকে মারপিট ও কার্যালয় ভাঙচুরের মামলায় একজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার দুপুরে সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি মাঝগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে গরীব দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের ৫০ ভাগ দাবি করে। চেয়ারম্যান তা দিতে অস্বীকার করলে দুর্বৃত্তরা তাকে মারপিট ও তার কার্যালয় ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

তিনি জানান, এ ঘটনায় বিকেলেই চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতে বনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার চার নম্বর আসামি সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে শুক্রবার দুপুরে সিরাজুলকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

মাঝগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল জানান, নাটোর ৪ আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুর রহমানের লোকজন এসে চালের কার্ডের ৫০ পার্সেন্ট দাবি করে। পরবর্তীতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিচার শুরু
তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
তদন্তাধীন মামলায় গণমাধ্যমে বক্তব্য বন্ধ চেয়ে আইনি নোটিশ
সাভারে সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তার ২
দস্যুতার মামলায় দুই ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, পরে জামিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One and a half million mobile handsets in one IMEI number

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট!

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট! বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিরা। ছবি: সংগৃহীত
টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

মোবাইল ফোনের পরিচয় বহন করে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি তথা আইএমইআই নম্বর। একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে একটি আইএমইআই নম্বর এবং দুটি সিম সংযুক্ত হয়- এমন মোবাইলে দুটি আইএমইআই নম্বর থাকে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে শুধু একটি আইএমইআই নম্বরের নিবন্ধন দিয়ে অন্তত দেড় লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গ্রাহকের হাতে চলে গেছে এসব অবৈধ মোবাইল ফোন। এমন অভিযোগ করেছেন দেশের মোবাইল উৎপাদকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে মোবাইল ডেটাবেজের উপাত্ত তুলে ধরে এ তথ্য জানান টেলিকম অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম।

টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় শাহেদ আলম বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে এখন পাঁচটি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এ ফোনগুলোর বিপরীতে একটি আইএমইআই নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করা আছে ১ লাখ ৫০ হাজারের ওপরে হ্যান্ডসেট। দেড় লাখ হ্যান্ডসেটে আছে একটিমাত্র আইএমইআই নম্বর; সব কপি।

‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর না হওয়া এবং গ্রে-মার্কেটের কারণে আমাদের জন্য একটি মোবাইল ডিভাইস লকিং গাইডলাইন দেয়া হয়েছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই গাইডলাইন কোনো কাজে আসছে না; কেননা এর শর্তগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। সেটে থাকা দুটি সিম স্লটের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে আরেকটা চালু রাখার ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে না।’

এ তথ্য জেনে চমকে ওঠেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘কী বলেন! এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’

এ সময় সেমিনারে উপস্থিত পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী।

জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে যখন অভিযান করি, তখন দেখি আপনাদের মতো এমন অফিস বানিয়ে তারা ব্যবসা করছে এবং হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে। এক অভিযানে ৭০০ মোবাইল জব্দ করি। চীনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ এনে তারা এ মোবাইলগুলো বানাচ্ছে; দুই-তিন মাস চালানোর পর তা নষ্ট হয়ে যায়। শুধু মোবাইল নয়, গাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখেছি। এক নম্বর দিয়ে ২৯টা গাড়ি চলছে।’

সেমিনারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোর নতুন সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ, সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক, এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনইআইআর বাস্তবায়ন করে উজবেকিস্তানে ৭০০ শতাংশ রাজস্ব বেড়েছে। আজারবাইজানের ৯৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখন নিবন্ধিত হয়েছে। নিবন্ধন জটিলতার কারণে বাংলাদেশে এনইআইআর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ মোবাইল অ্যাডাপশন ৪০ শতাংশ বাড়লে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৪.৮ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড অ্যাডাপশন হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১২ শতাংশ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রবিন।

সংগঠনের সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

সেমিনারে মোবাইল উৎপাদকরা দাবি করেন, লাগেজে আনা কর ফাঁকি দেয়া মোবাইল ফোন দেশের মার্কেটগুলোতে বাজারজাত বন্ধে সরকারের মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজরদারি বাড়াতে হবে।

তারা বলেন, এসব অবৈধ ফোন বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে ফোন কারখানাগুলো থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হবেন হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা।

হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা জানান, হ্যান্ডসেট সংযোজনে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেটের বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ লাগেজ-ব্যাগেজে আনা অবৈধ মোবাইল ফোনের দখলে। এতে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। টিকতে না পেরে স্মার্ট ও ফিচারফোন মিলিয়ে ৪০ লাখ উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান জোরদারের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেটকারের ভেতর ২৯৭টি স্মার্টফোন
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sunamganj SA transports Indian illegal goods worth crores of rupees

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহনের অফিসে থাকা অবৈধ ভারতীয় পণ্য বুধবার রাতে জব্দ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস,  দুই বস্তা চকলেট ও চশমা।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তায় সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহন পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা ১৮৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছে টাস্কফোর্স।

আদালতের নিলাম কাগজ জালিয়াতি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর সময় বুধবার রাত ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় অবস্থিত এসএ পরিবহনের কাভার্ড ভ্যান ও কুরিয়ার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস, দুই বস্তা চকলেট ও চশমা। অবৈধ পথে আসা এসব পণ্য জব্দ করে তিনটি বড় কার্গো ট্রাকে ভরে বিজিবির ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য কোটি টাকা।

অবৈধ পণ্য পরিবহনের দায়ে এসএ পরিবহন সুনামগঞ্জ শাখার ম্যানেজারকে এর আগেও দুবার সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিলো ভ্রাম্যমাণ আদালত।

টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে থাকা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ শরীফ বলেন, ‘ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা পণ্য পাচারের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ১৪৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছি। যারা এই পণ্যগুলো পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অবশ্য এসব অবৈধ পণ্য পরিবহনের জন্য কাউকে আটক করা হয়েছে কী না সে তথ্য দেননি তিনি।

অভিযানে অংশ নেন এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক আরিফুর রহমান, সহকারী পরিচালক কৌশিক আহমদ কনকসহ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে ২৮০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ একজন গ্রেপ্তার
বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন
শেরপুরে পৌনে এক কোটি টাকার ভারতীয় চিনি জব্দ
প্রথমবারের মতো ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে নারী ট্রাকচালক
‘চোরাই পণ্যবাহী’ গাড়ির কারণে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণফাঁদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He was hacked to death on his way to appear in a case in Teknaf

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত
নিহতের মা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

কক্সবাজার টেকনাফে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে এলোতাপাড়ি কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ কোনারপাড়া কবরস্থানের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত যুবক টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রীপাড়া গ্রামের মৃত হামিদ হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডের হোতা মো. ফরহাদ ওই এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন জেনে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়। তাকে না পেয়ে তার মা এবং বাড়ির পাশ থেকে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দেয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কক্সবাজারের আদালতে যাচ্ছিলেন। পথে ওই মামলার বাদী পক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে অটোরিকশার গতিরোধ করে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউলের হাতে কোপ দেয়। এ সময় রেজাউল অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। এরপর হামলাকারীরা তাকে ধরে এলোতাপাড়ি ছুরিকাঘাত করে চলে যায়।

স্থানীয় লোকজন রেজাউলকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক নওশাদ আলম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘নিহতের দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র বা লোহার রড ধরনের কিছুর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’

এ ব্যাপারে নিহতের মা সাজিদা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাচ্ছে এমন সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি ওসমান গণি বলেন, ‘পূর্বশত্রুত থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যা মামলা রুজু করার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Protest march and human chain in Jhenaidah demanding Mintus release

মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

মিন্টুর মুক্তির দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এমপি আনার হত্যার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় রিমান্ডে নেয়া ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর মুক্তির দাবি বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে জেলা দোকান মালিক সমিতি ও চেম্বার অফ কর্মাস এবং পরিবেশক সমিতির পক্ষ থেকে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

এসময় জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম মন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, চেম্বার অফ কর্মাসের নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সী মার্কেটের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবিসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, এমপি আনার হত্যার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

মিন্টুকে নির্দোষ দাবি করে তার দ্রুত মুক্তির দাবি জানানো হয় কর্মসূচি থেকে। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তারা।

আরও পড়ুন:
আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে
মিন্টু প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: হারুন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এমপি আনার হত্যার বিচার দাবি মেয়ে ডরিনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former VAT Commissioner Wahida Rahman banned from leaving the country

সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সাবেক কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন বৃহস্পতিবার ওয়াহিদা রহমানের বিদেশ ভ্রমণে ৬০ দিনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। সাবেক এই কাস্টমস কমিশনারের বিরুদ্ধে চারটি মোবাইল অপারেটরকে ১৫২ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের অভিযোগ রয়েছে।

মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)-এর বৃহৎ করদাতা ইউনিটের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। তার বিরুদ্ধে চারটি মোবাইল অপারেটরকে ১৫২ কোটি টাকা সুদ ছাড়ের অভিযোগ রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন। তার বিদেশ ভ্রমণের ওপর ৬০ দিনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

আদালতে শুনানিতে অংশ নেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখের সই করা আদালতের নিষেধাজ্ঞার এই চিঠি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিশেষ পুলিশ সুপারের (ইমিগ্রেশন) কাছে পাঠানো হয়েছে।

দুদকের পাঠানো নোটিশে বলা হয়, ওয়াহিদা রহমান রাষ্ট্রের ১৫২ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন করে আত্মসাৎপূর্বক দণ্ডবিধির ২১৮/৪০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেন।

এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম শেখ বাদী হয়ে মামলা করেন।

দুদকের নোটিশে বলা হয়, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে ওয়াহিদা রহমান দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।

দুদক সূত্রে জানা যায়, চারটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির মধ্যে গ্রামীণফোন লিমিটেডের ৬টি নথিতে ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের ৭টি নথিতে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৮৮ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকাসহ মোট ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা অপরিশোধিত সুদ মওকুফ করেন ওয়াহিদা রহমান।

প্রসঙ্গত, কাস্টমস কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার হিসেবে অবসরে যান। বর্তমানে তিনি পিআরএলে আছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Annas murder Awami League leader Mintu remanded for eight days

আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে

আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটদিনের রিমান্ডে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার (বাঁয়ে) ও সাইদুল করিম মিন্টু। ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে বৃহস্পতিবার ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। আদালত শুনানি শেষে আটদিন মঞ্জুর করে।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মিন্টুকে বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালত শুনানি শেষে মিন্টুর ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

ডিবি পুলিশ গত মঙ্গলবার (১১ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেল মিন্টুকে আটক করে। পরে তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

জানা যায়, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে সাইদুল করিম মিন্টুর যোগাযোগ ছিল। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুর সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল তার।

সংসদ সদস্য আনার হত্যার ঘটনায় এর আগে ৬ জুন রাতে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে ঝিনাইদহ শহরের আদর্শপাড়া থেকে আটক করে নিয়ে যায় ডিএমপির ডিবি পুলিশ। এর দুদিন পর সংসদ সদস্য আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠায়।

প্রসঙ্গত, সংসদ সদস্য আনার ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান। সেখানে গিয়ে ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মন্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে ওই বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনোয়ারুল আজিম আনার। বাড়ি থেকে বেরুনোর পাঁচ দিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এই সংসদ সদস্যের।

এদিকে ২২ মে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে কলকাতার পাশের নিউটাউন এলাকায় সঞ্জিভা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর কক্ষে সংসদ সদস্য আনার খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।

চাঞ্চল্যকার এই হত্যাকাণ্ড তদন্তে নেমেছে দুই দেশের পুলিশ। আটক করা হয়েছে পাঁচজনকে। ইতোমধে গোয়েন্দা পুলিশের টিম ভারত ও নেপাল সফর করেছে।

২৮ মে সন্ধ্যায় সঞ্জিভা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। তবে এগুলো আনারের মরদেহের অংশবিশেষ কি না সেটা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

আনার-কন্যা ডরিনের করা হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাহাজি ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে দুদফা রিমান্ডে নেয়া হয়।

আর হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া জিহাদ হাওলাদার ওরফে কসাই জিহাদকে ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতের আদালত। এছাড়া বর্তমানে কলকাতা পুলিশের হেফাজতে থাকা সিয়ামের বিরুদ্ধে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আমানের সহযোগী সাইফুল মেম্বারকেও রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
মিন্টু প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: হারুন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এমপি আনার হত্যার বিচার দাবি মেয়ে ডরিনের
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর থানায় হাজির
সালিশে মারধর ও জরিমানা করায় মাতব্বরকে হত্যা: পুলিশ
ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের আরও নেতা নজরদারিতে: হারুন

মন্তব্য

p
উপরে