× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hostilities killed 400 mango trees in one night
google_news print-icon

শত্রুতা, এক রাতে ৪০০ আমগাছ নিধন

শত্রুতা-এক-রাতে-৪০০-আমগাছ-নিধন
বাঘার মনিগ্রাম ইউনিয়নের হাবাসপুর গ্রামে রোববার রাতে ৪০০ আম গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা
বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৪০০ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এটি খুবই জঘন্য একটি কাজ। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি, প্রতিপক্ষ সংঘবদ্ধ হয়ে কাজটা করেছে। তাদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাজশাহীর বাঘায় এক রাতে ১৬ চাষির ৪০০ আমগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার রাতে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের হাবাসপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গাছের মালিকদের একজন সাধন কুমার প্রামাণিক বাঘা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

পুলিশ বলছে, ঘটনাটি দুঃখজনক। তদন্ত চলছে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার সকালে আমগাছ কাটার দৃশ্য দেখে দিশাহারা হয়ে পড়েন হাবাসপুর গ্রামের চাষিরা। চাষি আবু সামা জানান, তার ১৮ বছর বয়সী ২৮টি গাছ করাত দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। হাবাসপুর গ্রামে এক রাতে আরও ১৫ চাষির ৪০০ আমগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার হাবাসপুর আমবাগানসমৃদ্ধ এলাকা। এই গ্রামের বেশির ভাগ জমিতে আমগাছ রয়েছে। বাড়ির আঙিনায়ও রয়েছে আমগাছ। যে গাছগুলো কাটা হয়েছে সেগুলো অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় লাগানো। আগে এই জমিতে শুধু ধান চাষ হতো। সম্প্রতি সেখানে আমগাছ লাগানো হয়েছে।

এ ঘটনায় চাষি সাধন কুমার প্রামাণিক বাদী হয়ে সোমবার সকালে বাঘা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে এজাহারে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

হাবাসপুর গ্রামের প্রবীর সরকার জানান, তার প্রায় ১৮ বছর বয়সী ১৮টি আমগাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

নিপেন্দ্রনাথ প্রামাণিক জানান, তার তিন ভাইয়ের ১৮টি গাছ কাটা হয়েছে। তাদের কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। প্রায় ১৭ বছর বয়সী গাছগুলোর কোনোটিতে চার মণ, কোনোটিতে পাঁচ মণ আম হতো। সকালে মাঠে গিয়ে দেখেন, বাগানের ১৮টি গাছ গম ক্ষেতের মধ্যে পড়ে আছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।

সাধন কুমার প্রামাণিকের ১৫টি আর ছোট ভাই রিপনের ১৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছগুলোর বয়স ১৬-১৭ বছর। প্রতিটি গাছে প্রায় পাঁচ মণ করে আম ধরত।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, তিনি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

ওসি বলেন, ‘ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৪০০ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এটি খুবই জঘন্য একটি কাজ। এটা অমানুষের মতো কাজ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি, প্রতিপক্ষ সংঘবদ্ধ হয়ে কাজটা করেছে। তাদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
কলাগাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা
৫০০ সুপারিগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Farmers League leader accused of stealing goats under suspicion

‘সন্দেহের বসে’ ছাগল চুরিতে অভিযুক্ত কৃষকলীগ নেতা

‘সন্দেহের বসে’ ছাগল চুরিতে অভিযুক্ত কৃষকলীগ নেতা ছাগল চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত নেতা সানাউল হক হিরো (বাঁয়ে) এবং ছাগলের মালিক অভিযোগকারী জাহেরা বেগম। কোলাজ: নিউজবাংলা
জাহেরা বেগম নামে এক নারী শুক্রবার তাকে বিবাদী করে থানায় ছাগল চুরির অভিযোগ করেন। এরপর কিছু সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে হয়রানির জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি ওই কৃষকলীগ নেতার।

নওগাঁর বদলগাছীতে ব্যক্তিগত আক্রোশ ও পারিবারিক শক্রতার জেরে বদলগাছী উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে ছাগল চুরির অপবাদ এনে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত নেতা সানাউল হক হিরো।

একই এলাকার জাহেরা বেগম নামে এক নারী শুক্রবার তাকে বিবাদী করে থানায় ছাগল চুরির অভিযোগ করেন। এরপর কিছু সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে হয়রানির জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি ওই কৃষকলীগ নেতার।

বদলগাছী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা সানাউল হক বর্তমানে বদলগাছী উপজেলার কৃষকলীগের সভাপতি।

স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকার বাসিন্দা চা দোকানি জাহেরা বেগমের সঙ্গে ছানাউল হোসেন হিরোর পারিবারিক বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে গত শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে জাহেরা বেগমের আনুমানিক ২৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি ছাগল (খাসি) বিবাদী হিরোর বাড়ির গেটে গেলে এরপর ছাগলটি (খাসি) অনেক খোঁজাখুঁজি করে পায়নি ভুক্তভোগী ওই নারী। পরে বিভিন্নভাবে তিনি জানতে পারেন, ছাগলটি চুরি করে অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন হিরো।

এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।

তবে সরেজমিনে গিয়ে সব কিছুতে অস্পষ্টতা চোখে পড়েছে নিউজবাংলার। অভিযোগপত্রে উল্লিখিত সাক্ষী ও বিবাদীদের কেউেই ছাগল চুরির বিয়টি স্বচক্ষে দেখেননি। সন্দেহের বশবর্তী হয়ে বিবাদীকে অভিযুক্ত করেছেন ছাগলের মালিক জাহেরা বিবি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা রতন ও শাহীনের সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। তারা বলেন, জাহেরা বেগমের সঙ্গে উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি সানাউল হক হিরোর সঙ্গে বিগত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছে। এর আগেও জাহেরা বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগ দিয়ে হিরোকে হয়রানি ও সন্মানহানির চেষ্টা করেছে।

অভিযোগপত্রে উল্লিখিত সাক্ষীদের অন্যতম স্থানীয় বাসিন্দা সানজিদা বলেন, ‘আমরা ছাগল চুরির ব্যপারে কিছুই জানি না। কে বা কারা নিয়েছে বলতে পারছি না। তবে ছাগলটিকে হিরোর বাড়ির সামনে তার ছাগলের সঙ্গে দেখেছিলাম। একটু পর শুনি, ছাগল নাকি হারায় গেছে। আমি ছাগলটাকে হিরোর বাড়ির সামনে দেখেছিলাম, এটুকুই ছাগল মালিককে বলেছি। তবে ছাগল চুরির বিষয়টি আমি নিজ চোখে দেখিনি।’

স্থানীয় আবু বক্কর পলাশ বলেন, ‘এ এলাকায় নেশাখোর বা মাদকসেবীরা প্রতিনিয়ত এসব কাজ করে। এটা তাদের কাজও হতে পারে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জাহেরা বেগম বলেন, ‘হিরোর সঙ্গে আমাদের পরিবারের অনেক দিনের ঝামেলা। এর আগে, ঈদের সময় তার সঙ্গে ঝামেলা ও ঝগড়া হলে আমার ছাগল হারিয়ে যায়; এবারও একই ঘটনা ঘটেছে।’

ছাগল চুরি করতে তিনি নিজে বা সাক্ষীরা কেউ দেখেছেন কি না- জানতে চাইলে এই নারী বলেন, ‘ছাগল চুরি করতে আমি বা যে সাক্ষীর নাম দিয়েছি অভিযোগপত্রে তারা কেউ দেখেননি। তবে আমার সন্দেহ যে, হিরোই ছাগল চুরি করেছে। তার সঙ্গে ঝগড়া হলেই এর দুদিন বাদে আমার জিনিস হারায়। সেই সন্দেহের বসে আমি তার নামে অভিযোগ করেছি।’

তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে সানাউল হক হিরো বলেন, ‘আমাকে সামাজিকভাবে হয়রানি করার জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে, যা সাজানো নাটক। বংশগতভাবে এবং ব্যবসা করে যা আয় উর্পাজন করি, তা-ই আমার ও পরিবারের জন্য যথেষ্ট। অন্যের ছাগল কেন ছুরি করতে যাব?’

প্রতিবেশী জাহেরার সঙ্গে পূর্বশত্রুতার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এর আগেও আমার নামে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এই মহিলা অত্যন্ত খারাপ প্রকৃতির মানুষ। বিভিন্নভাবে মানুষের নামে অভিযোগ দিয়ে তাদের হয়রানি করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এলাকার প্রভাবশালী মহলের চক্রান্তে আমার বিরুদ্ধে চুরির এই অভিযোগ করেছে সে (জাহেরা)। এই মিথ্যা অভিযোগের ফলে পরিবার নিয়ে আমি অপমানজনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছি। আমি চাইব, এই ঘটনার সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হোক।’

বদলগাছী থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জাহেরা বেগম নামের একজন ছাগল চুরির ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। যতটুকু জেনেছি, তাদের মধ্যে পারিবারিক গণ্ডগোল আছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা দরকার। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে । শিগগিরিই ছাগল চুরির সঠিক কারণ জানা যাবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The A League leader has withdrawn the announcement of the prize for Russells viper

রাসেলস ভাইপার নিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহার আ.লীগ নেতার

রাসেলস ভাইপার নিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহার আ.লীগ নেতার পুরস্কারের ঘোষণা শুনে জীবিত রাসেলস ভাইপার ধরে শনিবার ফরিদপুর বনবিভাগের অফিসে হাজির হন রেজাউল। কোলাজ: নিউজবাংলা
প্রথমে রাসেলস ভাইপার সাপ মারতে পারলে এবং পরে জীবিত ধরতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে- এমন ঘোষণা দিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড বাঁধিয়ে ফেলেন ওই নেতা।

জীবিত হোক বা মৃত, কোনো প্রকার রাসেলস ভাইপার সাপের জন্য কোনো পুরস্কার নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। প্রথমে রাসেলস ভাইপার সাপ মারতে পারলে এবং পরে জীবিত ধরতে পারলে ওই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে- এমন ঘোষণা দিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড বাঁধিয়ে ফেলেন তিনি।

এরপর রোববার দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন শামীম হক।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি সভার বিবিধ আলোচনায় শামীম হক ফরিদপুরে রাসেলস ভাইপার সাপ মারতে পারলে ওই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।

সেসময় সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফ এই ঘোষণার পুনরাবৃত্তি করে বলেন, ‘শুধুমাত্র কোতোয়ালি থানার মধ্যে কেউ এই সাপ মারতে পারলে তাকে এই টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। আমাদের সভাপতি সাহেব এই টাকা দেবেন।’

ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। পুরস্কার পেতে বিভিন্ন জায়গায় সাপ মারার উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে। সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গম চরের ৩৮ দাগ এলাকায় শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে জমিতে ঘাস কাটার সময় একটি রাসেলস ভাইপার সাপ দেখতে পেয়ে সেটি লাঠির আঘাতে মেরে ফেলেন ওই গ্রামের মুরাদ মোল্লা নামের ৪৩ বছর বয়সী এক কৃষক। এরপর তিনি সাপটি পদ্মা পাড়ি দিয়ে সিএন্ডবি ঘাটে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন আবু ফকিরের অফিসে নিয়ে যান। আবু ফকির তখন সাংবাদিকদের জানান, মুরাদ মোল্লাকে সভাপতি ঘোষিত পুরস্কার দেয়া হবে।

তবে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা এই পুরস্কারের ঘোষণার পর বনবিভাগের পক্ষ থেকে এটি আইনসিদ্ধ নয় বলে সমালোচনা করা হয়। এরপর অবশ্য রাসেলস ভাইপার সাপ মেরে ফেললে পুরস্কার দেয়ার আগের ঘোষণা থেকে সরে এসে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, মেরে ফেললে নয়, জীবিত অবস্থায় রাসেলস ভাইপার ধরতে পারলে পুরস্কার দেয়া হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ আলী আশরাফ পিয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরিদপুর সদর উপজেলাধীন কেউ যদি নিজেকে রক্ষাকারী পোশাক সম্বলিত হয়ে এবং সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করে জনস্বার্থে রাসেলস ভাইপার সাপটি জীবিত অবস্থায় ধরতে পারেন, তবে তাকে ৫০ হাজার টাকায় পুরস্কৃত করা হবে।

এই ঘোষণা পর আবার স্থানীয়দের মাঝে জীবিত সাপ ধরার উৎসাহ সৃষ্টি হয়।

পরের দিন (শনিবার) সকালে পদ্মার চর থেকে একটি জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপ ধরেন রেজাউল নামের এক যুবক। শনিবার সন্ধ্যায় পাতিলের মধ্যে সাপটি নিয়ে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে হাজির হন সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের কাদেরের বাজার ওই ব্যক্তি।

রেজাউল বলেন, ‘সকালে চরের মধ্যে থেকে ধরছি। সাপটা হাইট্যা যাইতেছিল। গায়ের গেঞ্জি ছুড়ে ওকে ধরছি।’

তিনি বলেন, ‘নেতারা পুরস্কার ঘোষণা করছেন। এজন্য রিস্ক নিয়ে ধরছি। এখন বনবিভাগে জমা দিতে আইছি।’

তবে রোববার দুপুরে ফরিদপুরের বনবিভাগের অফিসে সাপটি নিয়ে গেলে তাকে সাপসহ ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গোলাম কুদ্দুস ভূঁইয়া বলেন, ‘এ ধরনের পুরস্কার ঘোষণা করাটাই তো অবৈধ। মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা! আমরা এটা প্রমাণ করতে যাব কেন? ওই কৃষকের উচিৎ হবে, যেখান থেকে সাপটি ধরেছেন ওই স্থানেই ছেড়ে দেয়া।’

এদিকে রোববার দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহারের বিষয়টি জানিয়ে সকলকে রাসেলস ভাইপার সাপ মারা বা ধরার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান।

শামীম হক তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, জীবিত বা মৃত কোনো প্রকার রাসেলস ভাইপারের জন্য কোনো পুরস্কার নেই।

তিনি লেখেন, বর্তমানে রাসেলস ভাইপার একটি আলোচিত বিষয়, পাশাপাশি জনগণের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বিধায় যেকোনো পুরস্কার বা কৌতূহলবশত এই সাপ নিয়ে অতি উৎসাহী হবেন না। জীবিত বা মৃত কোনো প্রকার রাসেলস ভাইপারের জন্য কোনো পুরস্কার নেই।

তিনি আরও লেখেন, সাপ দেখলে তা ধরা বা মারার চেষ্টা করবেন না। প্রয়োজনে জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩ নম্বরে কল করুন অথবা নিকটস্থ বন বিভাগের অফিসকে অবহিত করুন।

আরও পড়ুন:
রাসেল ভাইপার নিয়ে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাসেল ভাইপার নিয়ে গুজব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ASI shot with his own pistol

নিজের পিস্তলের গুলিতে বিদ্ধ এএসআই

নিজের পিস্তলের গুলিতে বিদ্ধ এএসআই বাংলাদেশ পুলিশের লোগো। ফাইল ছবি
আহত অবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভোলার ইলিশা নৌ-থানায় পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। টেবিলের ওপর রাখা পিস্তল থেকে অসাবধানতাবশত গুলি বের হয়ে মোকতার হোসেন নামের পুলিশের ওই কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইলিশা নৌ-থানার ভেতরে রোববার বিকেলের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত অবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গুলিবিদ্ধ এএসআই মোক্তার হোসেন ইলিশা নৌ-থানায় প্রায় দুই বছর ধরে কর্মরত। তার বাড়ি চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে।

ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে পূর্ব ইলিশা সদর নৌ-থানা পরিদর্শনে যান ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রিপন কুমার সরকার।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, নৌ-থানার এএসআই মোক্তার হোসেন ডিউটিতে যাওয়ার জন্য অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র বুঝে নেয়ার সময় মিস-ফায়ার হয়ে গুলিবিদ্ধ হন। প্রত্যক্ষদর্শী কেউ থানায় না থাকায় এর বেশি জানা যায়নি। ঘটনাটি নৌ-থানায় ঘটায় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কীভাবে ওই এএসআই গুলিবিদ্ধ হলেন, তা তদন্ত হলে জানা যাবে।’

তিনি জানান, ঘটনার সময় থানায় ৮ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। মোকতার বিশেষ অভিযানে চট্টগ্রামের কাপ্তাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে আহত হওয়ার পর তাকে নিয়ে ওসি ও দুজন কনস্টেবল বরিশাল গিয়েছেন; বাকি ৫ জন থানায় আছেন।

এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট থানার ওসি বিদ্যুৎ বড়ুয়াকে ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

তবে একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন নৌ-ঘাটের উপরি টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে নৌ-থানার ওসির সঙ্গে এএসআই মোক্তার হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা চলে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এই ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন:
সহকর্মীকে গুলি করে হত্যার মামলায় কনস্টেবল কাওসার রিমান্ডে
বারিধারায় পুলিশের গুলিতে পুলিশ নিহত: পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ঘোষণা আইজিপির
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব খোয়ালেন পুলিশ সদস্য
এক এসআইয়ের মাথা ফাটালেন আরেক এসআই
৪ বছর ধরে সরকারি গাড়ি পারিবারিক কাজে ব্যবহার করছেন পরিদর্শক শাহানুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fish farming occupied hundreds of canals in Kotalipara

কোটালীপাড়ায় শতাধিক খাল দখল করে মাছ চাষ

কোটালীপাড়ায় শতাধিক খাল দখল করে মাছ চাষ কোটালীপাড়ার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের তারাইল বিলের তারাইল-সোনাখালী খাল দখল করে নির্মল মাঝির বিরুদ্ধে মাছ চাষ করার অভিযোগ। ছবি: নিউজবাংলা
দখলকৃত খাল উদ্ধারে প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। উপজেলা প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করায় জনমনে নানা ধরনের প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা মৎস্যজীবী ও সাধারণ জনগণ দ্রুত দখলকৃত খাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অর্ধশত ছোটবড় বিলের প্রায় শতাধিক সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালী মহল। এর ফলে বিলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, পরিবেশ বিপর্যয়, নৌ-চলাচল ব্যাহত এবং কৃষিকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

দখলকৃত খাল উদ্ধারে প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। উপজেলা প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করায় জনমনে নানা ধরনের প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা মৎস্যজীবী ও সাধারণ জনগণ দ্রুত দখলকৃত খাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলার রামনগরের বিল, রথিয়ারপাড় বিল, মাছপাড়ার বিল, কুমুরিয়া বিল, বৈকণ্ঠপুর বিল, লখণ্ডার বিল, মুশুরিয়ার বিল, পিড়ারবাড়ি বিল, পলোটানা বিল, ধোরাল বিল, চিথলিয়ার বিল, পশ্চিম দিঘলিয়ার বিল, পূর্বপাড়া বিল, চিত্রাপাড়া-শুয়াগ্রাম বিল, সাতুরিয়ার বিল, কান্দি বিল, আশুতিয়ার বিল, পোলশাইল বিল, বর্ষাপাড়া বিল, ছত্রকান্দা বিল, দেওপুরা বিল, সোনাখালি বিল, ফুলবাড়ি বিল, কোনের বাড়ি বিল, বহলতলী বিল, চাটখালির বিল, তারাইল বিল, গোপালপুর বিল, চরগোপালপুর বিল, গৌতমেরা বিল, মাচারতারা বিল, গজালিয়া বিল, তালপুকুরিয়া বিল, হিজলবাড়ি বিল, তারাকান্দর বিল, কুঞ্জবন বিল ও পারকোনা বিলসহ প্রায় অর্ধশত ছোটবড় বিল রয়েছে। এসব বিলের শতাধিক খাল দখলে নিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালীরা।

কোটালীপাড়ায় শতাধিক খাল দখল করে মাছ চাষ
পিঞ্জুরী ইউনিয়নের দেওপুরা বিলের খাল দখলের অভিযোগ পরশ শিকদারের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের দেওপুরা খাল দখল করে মাছ চাষ করেছেন বহলতলী গ্রামের পরশ সিকদার, সোনাখালি কুমলাবতী খাল দখল করে মাছ চাষ করেছেন ইউপি সদস্য লায়েক শেখ, তারাইল খাল দখল করে মাছ চাষ করেছেন নির্মল মাঝি, ফুলবাড়ি খাল দখল করে মাছ চাষ করেছেন ইউছুব আলী দাড়িয়া, কোনেরবাড়ি খাল দখল করে মাছ চাষ করেছেন মুজিবুর রহমান শেখ এবং কুঞ্জবনের খাল দখলে করে মাছ চাষ করেছেন বিপুল বাড়ৈ।

অদৃশ্য কারণে এসব খাল উদ্ধারে উপজেলা প্রশাসন থেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। খাল দখলের কারণে নৌ-চলাচল ও খালগুলোর আশপাশের এলাকার কৃষকদের কৃষিকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিলের পরিবেশ, ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য।

দখলকৃত খাল থেকে আগে যেসব মৎস্যজীবী মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন, তারা এখন প্রভাবশালীদের বাধার মুখে খালে সামতে পারছেন না। যার ফলে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

উপজেলার গজালিয়া গ্রামের মৎস্যজীবী সুরেশ বাড়ৈ বলেন, ‘আগে আমরা এলাকার বিভিন্ন খাল বিল থেকে দেশীয় মাছ ধরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করতাম। এই মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে আমাদের সংসার চলত। এখন আর এসব খালবিল থেকে মাছ ধরতে পারছি না। ফলে আমরা এখন বেকার হয়ে পড়েছি।’

কোটালীপাড়ায় শতাধিক খাল দখল করে মাছ চাষ

পিঞ্জুরী ইউনিয়নের সোনাখালী বিলের কুমলাবর্তী খাল দখল করে ইউপি সদস্য লায়েক শেখ মাছ চাষ করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলা দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম হাজরা মন্নু বলেন, ‘উপজেলার ছোটবড় প্রায় শতাধিক খাল দখল করে মাছ চাষ করছেন প্রভাবশালী। এতে দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন বিলের নকশা দেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব খাল উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।’

উল্লিখিত দখলকারীদের কাছে খাল দখলের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার বলেন, ‘দখলকৃত খালগুলো উদ্ধারে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

আরও পড়ুন:
গবা খাল পরিষ্কারে নেমে গেলেন এমপি আবুল কালাম
খালের পাড়ে বসবে ক্যামেরা, ময়লা ফেললে ব্যবস্থা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 injured in clash over land dispute in Ghazaria

গজারিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৫

গজারিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৫ সংঘর্ষে আহতদের একজন। ছবি: নিউজবাংলা
আহত সাইদুর রহমান বলেন, ‘এটি সংঘর্ষ নয় হামলা। প্রতিপক্ষ কামাল নকতির পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আমাদের আহত করা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আহতরা হলেন- ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামের বছর বয়সী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, তার বাবা ৭২ বছর বয়সী আব্দুল খালেক ঢালী, মা ৬২ বছর বয়সী সালেহা বেগম ও স্ত্রী ২৮ বছর বয়সী রাকিবা আক্তার এবং ওই গ্রামের কামাল নকতির ছেলে ২৫ বছর বয়সী কাউসার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমি-সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামের সাইদুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী কামাল নকতির পরিবারের বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জায়গায় বালি ভরাটসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাসে তাদের মধ্যে একাধিকবার ঝগড়াঝাটি হয়। সবশেষ রোববার দুপুরে গাছের কাঁঠাল পাড়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। সংঘর্ষের ঘটনায় সাইদুর রহমান ও তার বাবারসহ তাদের পরিবারের চারজন আহত হন। এছাড়া অপর পক্ষ কামাল নকতির ছেলে কাউসার আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান স্থানীয়রা।

আহত সাইদুর রহমান বলেন, ‘এটি সংঘর্ষ নয় হামলা। প্রতিপক্ষ কামাল নকতির পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আমাদের আহত করা হয়েছে।’

অপরদিকে, প্রতিপক্ষ কামাল নকতির ছেলে কাউসার পুরো ঘটনার জন্য সাইদুর রহমানকে দায়ী করেছেন।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামরুন্নাহার বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় আহত তিনজন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে আব্দুল খালেক ঢালী ও সাইদুর রহমানের শরীরে ছুরি জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আহত খালেক ঢালীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর দুইজন সাইদুর রহমান ও সালেহা বেগমকে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।’

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার ওসি মো. রাজিব খান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
সিএনজি স্ট্যান্ড দখল নিয়ে পাবনা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নেসকো ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর
শৈলকুপায় পুলিশের সামনে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
মাদারীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অর্ধশতাধিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case under the Pornography Act has been filed against three people including the Chhatra League leader

সেই ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজনের নামে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা

সেই ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজনের নামে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন (ডানে) ও নাজমুল হীরা। ফাইল ছবি
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন হীরাকে। এছাড়া হীরার দুই মামা, যথাক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও তার বড় ভাই মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে আসামি করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ আদালতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তিনজনের নামে পর্ণোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন এক কলেজছাত্রী।

কিশোরগঞ্জের ১ নম্বর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আশিকুর রহমানের আদালতে রোববার দুপুরে এই মামলা করা হয়। ২৩ বছর বয়সী ওই ছাত্রী শহরের একটি সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন হীরাকে। এছাড়া হীরার দুই মামা, যথাক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও তার বড় ভাই মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে আসামি করা হয়েছে।

তারা সবাই শহরের বয়লা তারাপাশা এলাকার বাসিন্দা।

কিশোরগঞ্জের ১ নম্বর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শিখা রাণী দাস এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলাটি এফআইআরের জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারসূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় এই তরুণীর। দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় বিয়ের একমাস পরই তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় এবং তিনি বাপের বাড়িতে চলে আসেন। সেখান থেকে ফের কলেজে যাওয়া শুরু করেন।

কলেজে যাওয়ার পথে প্রায়ই তাকে প্রেম নিবেদন করতেন নাজমুল হোসেন হীরা। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চলে শারীরিক সম্পর্ক। এসময় নাজমুল হীরা কৌশলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ করে রাখেন।

পরে বিষয়টি হীরার মামা আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও মোশাররফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে জানান মেয়েটি। তখন সুমন ও বাবুল মেয়েটিকে হুমকি দিয়ে বলেন- তাদের ভাগ্নের সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করলে শহরে থাকতে দেবে না।

এভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মেয়েটিকে বেশ কিছুদিন থামিয়ে রাখেন তারা। পরে বাধ্য হয়েই নাজমুল হীরার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হয় মেয়েটি। এভাবে টানা এক মাস অতিক্রান্ত হলে আবারও হীরাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন তিনি। এক পর্যায়ে ২০২৩ সালের ৮ জুন গোপনে কাজী ডেকে বিয়েও করেন তারা। বিয়ের পরে তিনি জানতে পারেন, নাজমুল হীরা বিবাহিত; বাড়িতে তার স্ত্রী রয়েছে। বিষয়টি জানার পর মৌখিকভাবে হীরাকে তালাক দিয়ে চলে আসেন তিনি।

পরবর্তীতে হীরা আবারও যোগাযোগ স্থাপন করে শারীরিক সম্পর্ক না রাখলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহেূর্তের ভিডিও ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দেন। এভাবে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল করে দুইবারে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করেন তিনি। এই টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কেনেন তিনি।

হীরার পর একই পন্থা অবলম্বন করেন তার মামা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন। তিনিও ভয় দেখিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে আদায় করে একটি আইফোন ও একটি স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন কেনেন। সুমনের বড় ভাই মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুল আদায় করেন নগদ তিন লাখ টাকা। তিনিও কেনেন একটি পালসার মোটরসাইকেল।

এভাবে তাদের টাকা দিতে দিতে বর্তমানে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন বলে এজাহারে বলা হয়েছে।

তবে এত কিছুর পরও তাদের অন্তরঙ্গ মূহুর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

মেয়েটির অভিযোগ, ‘নাজমুল হীরার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়ার কারণেই সে এমনটা করেছে। আর এক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করেছেন তার মামা সুমন ও বাবুল।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাজমুল হোসেন হীরা বলেন, ‘যিনি মামলা করেছেন তিনি তার বিবাহিত স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে আমি নিজেও মামলা করেছি। সে মামলায় আমার স্ত্রী সাক্ষী। কিছু লোকের কুপরামর্শে সে হয়তো এমনটা করেছে।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ঘটনাটিকে ‘ষড়যন্ত্র’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার ভাগ্নে হীরার সঙ্গে মেয়েটি বিয়ে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে হীরা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল, কিন্তু এখন কী কারণে মেয়েটি ভাগ্নের বিষয় টেনে এনে বড় ভাইসহ আমাকে মামলার আসামি করেছে, সেটা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
চিনিকাণ্ডে ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা: ইনান
চিনি চোরাচালান চক্রে কিশোরগঞ্জ ছাত্রলীগ সভাপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mother Boals of Yamuna are in trouble when they come to lay eggs in new water

নতুন পানিতে ডিম ছাড়তে এসে বিপাকে যমুনার মা বোয়ালরা

নতুন পানিতে ডিম ছাড়তে এসে বিপাকে যমুনার মা বোয়ালরা যমুনা নদীতীরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ছোটবড় ডিমওয়ালা বোয়াল মাছ। কোলাজ: নিউজবাংলা
মাছ ধরে শিকারীরা খুশি হলেও সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য অধিদপ্তর বলছে, ডিমওয়ালা এসব মাছ ধরায় মাছের বংশবৃদ্ধি হ্রাসের আশঙ্কা রয়েছে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জের যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ ফুলজোড়, করতোয়া, বড়াল ও হুড়া সাগড় নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে যমুনা নদী ও চলনবিলের নদনদী ও খালবিলে এসেছে ঝাঁকে ঝাঁকে প্রচুর পরিমাণে ছোটবড় বোয়াল মাছ। উৎসবের আমেজে জাল, জুইতা ও টেঁটা দিয়ে সেসব মাছ ধরছেন সৌখিন ও পেশাজীবী মাছ শিকারীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যমুনা নদীতীরবর্তী সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, এনায়েতপুর, শাহজাদপুর, চৌহালী উপজেলাসহ চলনবিল এলাকার বিভিন্ন এলাকায় রোববার সকালে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরা পড়েছে।

মাছ ধরে শিকারীরা খুশি হলেও সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য অধিদপ্তর বলছে, ডিমওয়ালা এসব মাছ ধরায় মাছের বংশবৃদ্ধি হ্রাসের আশঙ্কা রয়েছে।

মাছ শিকারীরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীর কাঁঠালিয়া হিজুলিয়ায় এলাকায় ঝাঁকে ঝাঁকে ছোটবড় বোয়াল মাছ ধরা পড়ছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিভিন্ন ওজনের বোয়াল মাছ ধরা পড়ছে। এ মাছগুলোর মধ্যে অধিকাংশ মাছ ৫ থেকে ৭ কেজি ওজনের।

চৌহালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘গতরাতে আমরা ১০ জন শখের বশে যমুনা নদীর খাষপুকুরিয়া এলাকায় বোয়াল মাছ ধরতে গিয়েছিলাম। মাছ ধরার সরঞ্জামাদি জাল ও ছোরা নদীতে পাতার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৩ থেকে ৬ কেজি ওজনের ১০টি বোয়াল মাছ ধরা পড়ে। মাছগুলো সবাই ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছি।’

তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘চলনবিলে বন্যার নতুন পানি প্রবেশ করায় নদনদী ও খালবিলে পানিতে ভরে যাচ্ছে। এই পানিতে ডিম ছাড়ার জন্য মা বোয়াল মাছ কম পানিতে এসে লাফালাফি করছে। সেই সুযোগে পেশাদার ও সৌখিন মাছ শিকারীরা দল বেঁধে প্রতিদিন এসব জায়গা থেকে ছোটবড় বিভিন্ন ওজনের বোয়াল মাছ ধরছেন।’

তিনি জানান, শনিবার সকালে শ্যামপুর গ্রামের আশিকুর রহমান নামের এক মাছ শিকারী ৯ কেজি ওজনের একটি বোয়াল মাছ ধরেন। মাছটি ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন তিনি।

একই উপজেলার হামকুড়িয়া পশ্চিমপাড়ার সৌখিন মাছ শিকারী জুলমাত হোসেন বলেন, ‘রোববার সকালে তাড়াশ উপজেলার ৮ নম্বর ব্রিজ এলাকার একটি খাল থেকে ১০ কেজি ওজনের তিনটি ডিমওয়ালা বোয়াল মাছ ধরি। এর মধ্যে দুটি মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি করে অন্যটা বাড়িতে নিয়ে যাই।’

ফুলজোড় নদীতে মাছ ধরতে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পাঁচজনে মিলে শখের বশে নদীতে মাছ ধরতে এসেছি। জাল, ফছকা (মাছ ধরার সরঞ্জাম) নিয়ে ওঁৎ পেতে থাকি। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ৮টি বোয়াল ধরা পড়েছে।

‘নতুন পানির মাছগুলো অনেক স্বাদের হবে। তাই মাছগুলো বাড়িতে নিয়ে পরিবারের সঙ্গে রান্না করে খাব।’

চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর হাসান মজুমদার বলেন, ‘মৎস্য অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন নদ-নদীর মাছ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এখন পর্যাপ্ত মাছ ধরা পড়ছে।’

তবে শিকারীদের ডিমওয়ালা মা মাছ না ধরার জন্য পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।

তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ বলেন, ‘মা মাছ ধরলে মাছের বংশবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ডিমওয়ালা মা মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মা মাছ নিধনের বিরুদ্ধে শিগগিরই চলনবিল এলাকায় মৎস্য শিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হবে।’

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান বলেন, ‘যমুনাসহ বিভিন্ন নদনদীর মাছ সংরক্ষণের জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কারণেই এখন যমুনা নদীতে বোয়ালসহ বিভিন্ন ধরনের বড় বড় মাছ ধরা পড়বে।’

তবে ডিমওয়ালা মাছ না ধরার জন্য সৌখিন ও পেশাজীবী মাছ শিকারীদের পরামর্শ দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
দিল্লিতে ফের বিপৎসীমার ওপরে যমুনার পানি
ফের বাড়ছে যমুনার পানি, দিল্লিতে উচ্চ সতর্কতা
দিল্লিতে ফের বিপৎসীমার ওপরে যমুনার পানি
দিল্লির ব্যস্ততম সড়ক প্লাবিত, সেনা সাহায্য চাইলেন কেজরিওয়াল  
রিট খারিজ, যমুনা নদী নিয়ে প্রকল্প থাকবে

মন্তব্য

p
উপরে