× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
After 16 years Oli is going to BNP central office
hear-news
player
google_news print-icon

১৬ বছর পর বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন অলি

১৬-বছর-পর-বিএনপি-কেন্দ্রীয়-কার্যালয়ে-যাচ্ছেন-অলি
সংঘর্ষ ও অভিযানের পর বুধবার রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ছিল লণ্ডভণ্ড অবস্থা। ছবি: নিউজবাংলা
এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন রাজ্জাক নিউজবাংলাকে জানান, বিএনপি ত্যাগ করার ১৬ বছর পর অলি আহমদ নয়াপল্টনে দলটি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় তিনি সেখানে যাবেন। এ সময় তার সঙ্গে এলডিপির সিনিয়র নেতারা থাকবেন।

বিএনপি ত্যাগ করার পর প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন সাবেক স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তিনি পুলিশি অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপির কার্যালয়টি পরিদর্শনে যাবেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট পরিচয়ে।

২০১৪ সালে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ২০ দলীয় জোটের এক সমাবেশে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে অলি আহমেদ সেখানে গেলেও দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেননি।

এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন রাজ্জাক নিউজবাংলাকে জানান, বিএনপি ত্যাগ করার ১৬ বছর পর অলি আহমদ নয়াপল্টনে দলটি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় তিনি সেখানে যাবেন। এ সময় তার সঙ্গে এলডিপির সিনিয়র নেতারা থাকবেন।

অলি আহমদ এর আগে বিএনপি অফিসে পুলিশি অভিযানের সমালোচনা করে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিএনপির কার্যালয়ে যারা হামলা করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল যারা ভেঙেছে তাদের বিচার এ বাংলার মাটিতেই হবে। আমি বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই।’

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন বিএনপির মিছিল, উত্তেজনার শঙ্কা
ওবায়দুল কাদেরই কি আবার সাধারণ সম্পাদক?
নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Awami League does not want peoples vote Nazrul

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউরীতে নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন নজরুল ইসলাম খান। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামে সমাবেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তা চাইলে এই সরকার জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। ভবিষ্যতেও তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তারা আগামীতে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চাইলে জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।

শনিবার বিকেলে বন্দর নগরীর কাজীর দেউরীতে নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্তৃত্ববাদী সরকারের পদত্যাগ এবং বিএনপির ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, বিএনপির উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জয়নাল আবদীন ফারুক, অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, গোলাম আকবর খোন্দকার, এস এম ফজলুল হক, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহবুবের রহমান শামীম।

উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ।

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইউনিয়নে বিএনপি পদযাত্রা করবে জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সারাদেশে চলছে। সেটা আরও বেগবান করতে হবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এ অবৈধ সরকারের পতন হবে।’

আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা সংবিধানকে লঙ্ঘন করে আবার সেটা প্রয়োগের কথা বলছে। এ সরকারের পতনের আন্দোলন ত্বরান্বিত করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন আরও গতিশীল করতে হবে।

‘আমরা একটা মহাযুদ্ধের মধ্যে আছি। এ যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। এ যুদ্ধ গণতন্ত্রের লড়াইয়ের যুদ্ধ, মানুষের ভোটের যুদ্ধ। দেশের মানুষ আজ না খেয়ে আছে। দেশে মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যূনতম সু্যোগ-সুবিধা নেই।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মৎস্যজীবী সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, উপজাতি সম্পাদক মা ম্যা চিং, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মজুমদার, হারুনুর রশীদ ভিপি, সহ-কর্মসংস্থান সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, সহ-গ্রাম সরকার সম্পাদক বেলাল আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শাহাবুদ্দীন সাবু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

আরও বক্তব্য দেন- উদয় কুসুম বড়ুয়া, সাচিং প্রু জেরী, ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দিপেন তালুকদার, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্না, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আফসার, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এনামুল হক এনাম।

আরও পড়ুন:
টাকা ছাপিয়ে দেশ চালাচ্ছে সরকার: আমীর খসরু
হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল
ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ বিএনপির
বাংলাদেশে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: তোফায়েল 
সিলেটে বিএনপির সমাবেশ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alam on Facebook after Fakhrul Kaders speech

কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম

কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা
হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে শনিবার নিজেদের কর্মসূচিতে বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। এসব বক্তব্যের পর এদিন রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেসবুকে লাইভে এসে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হিরো আলম।

তিনি বলেন, ‘হিরো আলমকে কেউ কোনো দিন জিরো বানাতে পারেনি। যারা আমাকে জিরো বানাতে এসেছে, তারাই এখন জিরো হয়েছে।’

হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?’

ফেসবুক লাইভে আশরাফুল হোসেন বলেন, ‘বিএনপির নেতা ফখরুল ইসলাম স্যার বলেছেন, বর্তমান সরকার আজকে হিরো আলমের কাছে অসহায়। আমি বলতে চাই, আমি হিরো আলম যে অসহায় হয়েছি। এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে। আমার ভোট যে কেড়ে নেয়া হলো তার প্রশ্নের জবাব কে দেবে?’

লাইভের শেষের দিকে তিনি বলেন, ‘আমি হিরো আলম কোনো দলের সঙ্গে জড়িত না। না বিএনপি, না আওয়ামী লীগ, না অন্য কোনো দল। তাই আপনারা আমাকে নিয়ে কোনো মাখামাখি করবেন না। আপনারা একজন আরেকজনকে দোষ দেবেন না আমাকে নিয়ে।’

হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪-এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে এটি দেখার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ফোন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
জামানত হারালেন হিরো আলম
৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম
নির্বাচনে হিরো আলম, ভোটারদের ভাবনা
একতারা নিয়ে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম
হাইকোর্টে এসে এমপি নির্বাচনের সুযোগ ফিরল হিরো আলমের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no alternative to elections in the establishment of democracy

‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নির্বাচনের বিকল্প নেই’

‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নির্বাচনের বিকল্প নেই’ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ করে গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ। ছবি: নিউজবাংলা
এনপিপি সভাপতি ও ‘গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ’-এর সমন্বয়ক শেখ ছালাউদ্দিন ছালু বলেন, ‘‘আমরা মনে করি নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। জনগণ যদি ভোট কেন্দ্রে যায় তাহলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে। আমরা গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত, জঙ্গিবাদ ও দৃশ্যমান নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং রমজান মাস সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবিতে শনিবার সমাবেশ করেছে ‘গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ’। সমাবেশে ১৮ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ও গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ-এর সমন্বয়ক আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু। সংগঠনটি ৭ জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে।

সভাপতির বক্তব্যে শেখ ছালাউদ্দিন ছালু বলেন, ‘গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চের মূল চেতনা হচ্ছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সুসংহত করা। আমরা উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করি। আন্দোলনের নামে ধংসাত্মক কর্মকাণ্ড, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যা-অপপ্রচার এবং অপরাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা শান্তির রাজনীতি, দেশের উন্নয়ন ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় বিশ্বাসী।

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। জনগণ যদি ভোট কেন্দ্রে যায় তাহলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে। আমরা গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।’

গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এনপিপি’র মহাসচিব ও গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য মো. ইদ্রিস চৌধুরী, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হাই মণ্ডল, জাগপা সভাপতি ও গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চের সদস্য সচিব এ কে এম মহিউদ্দিন আহাম্মেদ (বাবলু), ন্যাশনাল আওয়ামী পাটি-ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান ও গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চের দপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুল হাই সরকার, এনপিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মঞ্চের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য শেখ আবুল কালাম, মিসেস আশা সিদ্দিকা, মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান, সৈয়দ মাহমুদুল হক আক্কাছ, শেখ জামাল উদ্দিন, সেলিম মাহমুদ, মো. ইমরুল কায়েস ও ফেরদৌসী আক্তার (নীলা মল্লীক)।

আরও বক্তব্য দেন- এনপিপির ভাইস চেয়ারম্যান জাবেদ কামাল, যুগ্ম মহাসচিব মেহেদী হাসান রনি, ডেমোক্রেটিক পার্টি বাংলাদেশ (ডিপিবি)-এর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন খান, ন্যাপ ভাসানীর মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ নাগরিক কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মো. শহীদুন্নবী ডাবলু, বাংলাদেশ কনজারভেটিভ পার্টির (বিসিপি) চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান দেশ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিজিএ চেয়ারম্যান এ আর এম জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের সভাপতি খাজা মহিবউল্যাহ শান্তিপুরী ও বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. শাহাদাৎ হুসাইন।

আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ পার্টির সভাপতি মো. আসাদুল হক হাজরা হিমন, এনপিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ন্যাশনাল পিপলস যুব পার্টির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কে এম শামছুল আলম মিশুক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ন্যাশনাল পিপলস শ্রমিক পার্টির সভাপতি মো. আবুল কালাম জুয়েল, ন্যাশনাল পিপলস ওলামা পার্টির সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ লোকমান সাইফী, শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান সুমন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt sings song of development by kicking people in stomach Selima

জনগণের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে: সেলিমা

জনগণের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে: সেলিমা শনিবার সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দেন বেগম সেলিমা রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, সরকার রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। তাদের দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছে জনগণ। না খেয়ে মরার চেয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে মরা অনেক সম্মানের। তাই জনগণকে এই সরকারের জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘জনগনের পেটে লাথি মেরে সরকার উন্নয়নের গান গাইছে। উন্নয়ন মানে হলো জনগণের উন্নয়ন। কিন্তু এই সরকার জনগনের কোন উন্নয়ন করেনি। আজ দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা। বিদ্যুতসহ সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধির কারণে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। তাই জনগণ আর এই সরকারকে চায় না।’

শনিবার দুপুরে সিলেট নগরের রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতি নেই। তাদের কেবল আছে দখল আর লুটপাট। এসব করে তারা আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে।’

সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতা সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জগদ্দল পাথরের মতো আমাদের ওপর চেপে বসেছে। রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করেছে। তাদের দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছে জনগণ।

‘না খেয়ে মরার চেয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে মরা অনেক সম্মানের। তাই জনগণকে এই সরকারের জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সরকারকে বিদায় করতে না পারলে রাষ্ট্র মেরামত করা যাবে না। এজন্য বিএনপির ১০ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে হলে হায়েনাদের ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। সরকার যদি গণতন্ত্রের ভাষা না বোঝে তাহলে দেশে শ্রীলংকার অবস্থা হবে।’

যুগ্ন মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘আমরা যখন এখানে সমাবেশ করছি তখন সিলেটে আরেকটি সমাবেশ হচ্ছে। পিস্তল, রাইফেল, বন্দুক নিয়ে শান্তি সমাবেশ করা হচ্ছে। আমাদের চুলকানি দেয়ার জন্যই একই দিনে সমাবেশ করছে আওয়ামী লীগ।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল কাহের শামীম, মিজানুর রহমান, শাম্মী আখতার প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক
সিলেট ও খুলনায় পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, সংঘাতের শঙ্কা
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
নামেই ডিজিটাল নগর সিলেট
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে অশোক-সুহেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The last Hasina cannot be suppressed by showing bloodshot eyes Nanak

রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক

রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না: নানক শনিবার সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি। এখন তারা গণতন্ত্রের কথা বলে। দেশে গণতন্ত্র আছে। কিন্তু বিএনপির জনসমর্থন নেই। জনগণের সমর্থন হারিয়ে দলটির নেতারা এখন আবোলতাবোল বলছেন।’

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘সরকারকে নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তবে কোনো রক্তচক্ষু দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দমানো যাবে না।’

শনিবার সিলেটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশ বিকেল ৪টায় শুরু হলেও তার অনেক আগে থেকেই দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থকরা সমাবেশস্থল সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে জড়ো হতে থাকেন।

সমাবেশে নানক বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আমাদের সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি। এখন তারা গণতন্ত্রের কথা বলে। দেশে গণতন্ত্র আছে। কিন্তু বিএনপির জনসমর্থন নেই। জনগণের সমর্থন হারিয়ে দলটির নেতারা এখন আবোলতাবোল বলছেন।’

বিএনপিকে নেতাবিহীন দল উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘তারেক রহমানের লন্ডনে রাজকীয় জীবনের টাকা কোথা থেকে আসে।’

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, আব্দুল খালিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক আনোরুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকে যে হাসপাতাল
ধুঁকছে সিলেটের ‘নগর এক্সপ্রেস’
সমাবেশ শেষ হতেই উঠে গেল পরিবহন ধর্মঘট
তত্ত্বাবধায়কের বিরোধীরা হবে গণশত্রু: ফখরুল
ইলিয়াস গুম, গণতন্ত্রও গুম: গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP nominates Hero Alam to humiliate Parliament Quader

সংসদকে হেয় করতে বিএনপি হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে: কাদের

সংসদকে হেয় করতে বিএনপি হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে: কাদের শনিবার রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল মাঠে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন যে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায় রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এতো দরদ উথলে উঠলো তার। তিনি ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে।’

বগুড়ার দুটি আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বিএনপির প্রার্থী ছিলেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, সংসদকে ছোট করার জন্য বিএনপি হিরো আলমকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে।

বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন যে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায় রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এতো দরদ উথলে উঠলো তার। তিনি ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে। কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে।’

বিএনপির চলমান আন্দোলনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পথ হারিয়ে বিএনপির পতন যাত্রা শুরু হয়েছে। তাদের মিছিলের প্রস্থ বড়, দৈর্ঘ্য কমে গেছে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে বিএনপির আন্দোলনে ভাটা পড়েছে।’

বিএনপি মহাসচিবকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পাকিস্তান আমল তো ভালো ছিল, এখন পাকিস্তানের কী অবস্থা? বাংলাদেশের ৬ মাস আমদানির রিজার্ভ আছে। পাকিস্তানে ৩ সপ্তাহের রিজার্ভও নেই।

‘ক্ষুধায় পুরো পাকিস্তান আজ কাঁপছে। সেই পাকিস্তান আপনার ভালো লাগে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু আপনারা যদি ক্ষমতায় যান বাংলাদেশ আজকের পাকিস্তান হবে।’ ফখরুল সাহেবরা বাংলাদেশকে পেয়ারের পাকিস্তান বানাতে চাইলেও আওয়ামী লীগ তা হতে দেবে না বলে মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলটির দ্বিতীয় শীর্ষ এই নেতা।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডা. মহিউদ্দিন জালাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ। শান্তি সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ।

আরও পড়ুন:
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের
নতুন সড়ক আর না, পুরনোগুলোই সংস্কার হবে: কাদের
বিএনপির আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই: কাদের
ইসি সামর্থ্য অনুযায়ী ইভিএমে ভোট করলেও আপত্তি নেই: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Helpless government even to Hero Alam Fakhrul

হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল

হিরো আলমের কাছেও অসহায় সরকার: ফখরুল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
সমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকার হিরো আলমের কাছেও অসহায়। আজকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে পরাজিত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন ব্যক্তিকে জেতাতে নিজেদের প্রার্থীকে গুম করা হয়েছে। এই হচ্ছে আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি।’

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার হিরো আলমের কাছে অসহায় হয়েই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পূর্বঘোষিত ঢাকা বিভাগের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শনিবার বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।
এ সময় যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ ধাপের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘গণপদযাত্রা’।

সমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকার হিরো আলমের কাছেও অসহায়। আজকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে পরাজিত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন ব্যক্তিকে জেতাতে নিজেদের প্রার্থীকে গুম করা হয়েছে। এই হচ্ছে আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘জাতির অস্তিত্ব রক্ষায় আমাদের আন্দোলন। সেই লক্ষ্যেই আমরা দশ দফা ও ২৭ দফা প্রণয়ন করেছি। এর মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ প্রমাণ করেছে যে তারা একটি দাবিকে আন্দোলন করছে। সেটা হলো এই অবৈধ ভোটারবিহীন সরকারের পদত্যাগ। আমরা বলে আসছি অনির্বাচিত সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে পারে না। আমরা এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আজকে সরকার টিকে আছে চাপার জোরে। গগ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তারা একদিকে ঋণ করছে, আরেকদিকে জনগণের পকেট কাটছে। আজকে তারা জনগণের দিকে তাকায় না। দেশ এখন লুটেরাদের কবলে পড়েছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে হাজার হাজার ভুলে ভরা পাঠ্যপুস্তক তৈরি করেছে। তারা প্রতিনিয়ত আমাদের কৃষ্টি কালচার নষ্ট করছে। সরকার সংসদ থেকে শুরু করে সবকিছু ধ্বংস করে একটি ব্যর্থ জাতি তৈরি করতে চায়। তারা প্রতিনিয়ত জনগণের ঘৃণা কুড়াচ্ছে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু এবং আমিনুল হকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
উপনির্বাচনে ভোটার নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য বানোয়াট: কাদের
উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি

মন্তব্য

p
উপরে