× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Case against mosquito breeding grounds Mayor Atiqul
hear-news
player
google_news print-icon

মশার প্রজননক্ষেত্র পেলে মামলা: মেয়র আতিকুল

মশার-প্রজননক্ষেত্র-পেলে-মামলা-মেয়র-আতিকুল
মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র বলেন, ‘ঢাকা শহরের কোনো জায়গা মালিকানা ছাড়া নাই। ঢাকার প্রতিটি জায়গা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অথবা কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন। অতএব মালিক বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের জায়গা ও জলাশয় পরিষ্কার করতে হবে।’

রাজধানী ঢাকার কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জায়গায় মশার প্রজননক্ষেত্র পেলে মামলার মতো পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে কিউলেক্স মশার প্রকোপ-নিয়ন্ত্রণে করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেয়র বলেন, ‘ঢাকা শহরের কোনো জায়গা মালিকানা ছাড়া নাই। ঢাকার প্রতিটি জায়গা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অথবা কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন। অতএব মালিক বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের জায়গা ও জলাশয় পরিষ্কার করতে হবে।

‘আমি সবাইকে সাত দিন সময় দিচ্ছি। সাতদিন পর আমি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবো। ডিএনসিসির ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালাবে। কোথাও কচুরিপানা বা মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মশার প্রজননক্ষেত্র পেলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেয়া হবে না। নিয়মিত মামলা দেয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি এয়ারপোর্টের পার্শ্ববর্তী খাল, জলাশয় ও ডোবাগুলোতে মশার চাষ হচ্ছে। এগুলো সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষসহ অন্য সংস্থার অধীন। জলাশয়গুলোতে প্রচুর পরিমানে কচুরিপানা। এই কচুরিপানা পরিষ্কার না করলে আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে যতই মশার ওষুধ দেই না কেন মশা নিধন করা সম্ভব না। সবাইকে নিজেদের খাল, জলাশয় ও ডোবা পরিষ্কার করতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

এ সময় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগকে সব সংস্থা ও হাউজিং সোসাইটিগুলোর সাথে সমন্বয় করে পহেলা জানুয়ারি থেকে এক বছরের কর্মপরিকল্পনা নির্দিষ্ট করে একটি ক্যালেন্ডার প্রনয়ণের নির্দেশ দেন তিনি।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ‘শুধু কিউলেক্স মশা নয়। এডিস মশাও এখনো রয়েছে। আমাদের মশক নিধন কার্যক্রম ও অভিযান চলমান। দুই ভবনের মাঝখানে খালি জায়গায় অনেকে ময়লা ফেলে দেন। দয়া করে এটি বন্ধ করুন। স্থানীয় জনগণ ও হাউজিং সোসাইটির উদ্যোগে এগুলো বন্ধে কাজ করুন। অনেক হাউজিং সোসাইটি মশার ওষুধ ছিটানোর মেশিন কিনেছেন। আমরা সেসব সোসাইটিকে ডিএনসিসি থেকে বিনামূল্যে মশার ওষুধ সরবরাহ করবো।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বাসা-বাড়ির ও অন্যান্য ভবনের পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ সরাসরি বৃষ্টির পানি নামার সারফেস ড্রেনে দিয়ে শহরের খাল ও জলাশয় দূষণ করছে। আমরা বার বার বলেছি প্রতিটি ভবনে অ্যাট সোর্সে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বাড়িধারা এলাকায় আমাদের বর্জ্যবিভাগ থেকে ইতিমধ্যে সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী ৪ জানুয়ারি এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। সারফেস ড্রেনে পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা অধ্যাপক কবিরুল বাসার বলেন, ‘মানুষ এখন অনেক সচেতন। সবাই জানেন কেন এবং কোথায় মশার জন্ম হয়। কিন্তু মানুষ মশা নিয়ন্ত্রণে সম্পৃক্ত হচ্ছে না। মশা নিয়ন্ত্রণে মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি সম্পৃক্ত হতে হবে। একা কারও পক্ষেই মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।’

মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্য সংস্থার প্রতিনিধি এবং ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, ডিএনসিসির মশক নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
যে সংস্থার জলাশয় সে সংস্থাকেই পরিষ্কার রাখতে হবে: মেয়র আতিকুল
অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে বড় প্রস্তুতির বিকল্প নেই: মেয়র আতিকুল
মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Kamal pass rate in HSC is GPA five

উচ্চ মাধ্যমিকে কমল পাসের হার, জিপিএ ফাইভ

উচ্চ মাধ্যমিকে কমল পাসের হার, জিপিএ ফাইভ এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত নটরডেম ও ভিকারুননিসা নূন কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
গত বছর অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আগেরবার এ হার ছিল ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। সে দিক থেকে গত বছর অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় পাসের হার কমেছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।

বন্যাসহ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ফাইভ।

গত বছর অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আগেরবার এ হার ছিল ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। সে দিক থেকে গত বছর অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় পাসের হার কমেছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।

এইচএসসি ও সমমানে এবার জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ পরীক্ষার্থী। আগেরবার এ সংখ্যাটি ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯। এর মানে হলো এবার জিপিএ ফাইভ কম পেয়েছে ১২ হাজার ৮৮৭ শিক্ষার্থী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে বুধবার বেলা ১১টা ৪৬ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে বেলা সোয়া ১১টার পর পরীক্ষার ফলের ‍অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা ফল হস্তান্তর করেন।

দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান।

মন্ত্রী জানান, এইচএসসিতে ৯ বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৩১ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে এ হার ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

২০২২ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬। ছাত্রীর সংখ্যা ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১।

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ
ভিক্ষুকের কাছে এইচএসসির ৫০টি খাতা, থানায় নিয়ে গেলেন পথচারী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The order for allotment of stalls in the fair on the condition of not keeping three books

৩ বই না রাখার শর্তে আদর্শকে মেলায় স্টল বরাদ্দের নির্দেশ

৩ বই না রাখার শর্তে আদর্শকে মেলায় স্টল বরাদ্দের নির্দেশ হাইকোর্ট। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার আপত্তি থাকা তিনটি বই আদালতে জমা এবং তিনটি বই বিক্রি করবেন না মর্মে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়। বুধবার আদালত শুনানি শেষে স্টল বরাদ্দের নির্দেশ দেন।

তিনটি বই না রাখার শর্তে অমর একুশে বইমেলায় আদর্শ প্রকাশনীকে স্টল বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

আপত্তি থাকা তিনটি বই আদালতে জমা এবং বইগুলো বিক্রি করা হবে না মর্মে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয় মঙ্গলবার। এক দিন পর আদালত শুনানি শেষে স্টল বরাদ্দের নির্দেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অনীক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সেলিম আযাদ।

বইমেলায় স্টল বরাদ্দ না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে রিট করেন আদর্শ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মো. মাহবুবুর রহমান।

রিট আবেদনে বলা হয়, ‘শুধু একটি বইয়ের জন্য মেলায় পুরো প্রকাশনীর অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ সে বইটি ব্ল্যাকলিস্টেড বা কালো তালিকাভুক্ত নয়। বাংলা একাডেমি আইন-২০১৩ অনুযায়ী তাদের এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো বৈধতা নেই।

‘একই সঙ্গে প্রতি বছর একাডেমি থেকে যে নীতিমালা করা হয়, তারও ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলা একাডেমি। তাদের এ সিদ্ধান্ত সংবিধানের বাক-স্বাধীনতার বিরোধী।’

আরও পড়ুন:
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী
হুমকি থাকলে লেখক-প্রকাশকদের নিরাপত্তা দেবে ডিএমপি
এশরার লতিফের ‘নক্ষত্র-নূপুর’ আসছে বইমেলায়
বইমেলার নীতিমালা দেখতে টাস্কফোর্স গঠন
কাগজে হাহাকার, প্রভাব পড়বে বইমেলাতেও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The report of the case of spreading rumors about Mayor Tapas was filed

মেয়র তাপসকে নিয়ে গুজব ছড়ানোর মামলার প্রতিবেদন পেছাল

মেয়র তাপসকে নিয়ে গুজব ছড়ানোর মামলার প্রতিবেদন পেছাল মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ফাইল ছবি
গত বছরের ২৮ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ব্যক্তিগত সহকারী মনিরুল ইসলাম অজ্ঞাতপরিচয় ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় দুজনের নাম ও তিনটি পেজের নাম উল্লেখ করা হয়।

রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে নিয়ে গুজব রটানোর অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়েছে।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর এই প্রতিবেদন জমার জন্য আগামী ১৯ মার্চ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি।

গত বছরের ২৮ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ব্যক্তিগত সহকারী মনিরুল ইসলাম অজ্ঞাতপরিচয় ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় দুজনের নাম ও তিনটি পেজের নাম উল্লেখ করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ‘ইলিয়াস হোসাইন মিডিয়া’ নামের একটি পেজ থেকে ভিডিও সম্প্রচার করা হয়েছে। রাকিবুর রহমান ফাহিম নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘বাংলাদেশ টাইমস’ নামের একটি পেজে প্রকাশিত ভিডিও শেয়ার করা হয়।

এ ছাড়া তাজউদ্দীন আহমেদ রাসেল নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘আইনিউজবিডি ডটকম’ নামের একটি পেজে প্রকাশিত ভিডিও শেয়ার করা হয়।

মামলায় বলা হয়, এসব ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুকে ফিরে না পেলে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেত না: তাপস
খাল দখল দেখে তাপসের দুঃখ
বুড়িগঙ্গা আদি চ্যানেলের প্রশস্ততা ১০ গুণ বেড়েছে: মেয়র তাপস
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শেখ মণি মেধাবীদের রাজনীতিতে এনেছিলেন: তাপস
হাসপাতালগুলোকেই চিকিৎসা বর্জ্য পৃথক করতে হবে: তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mysterious death of a girl in Jatrabari

যাত্রাবাড়ীতে এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু  

যাত্রাবাড়ীতে এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু   প্রতীকী ছবি
ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ওই কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বাবা বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বাসায় এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ, জানালার ফাঁকা দিয়ে দেখি আমার মেয়ের গলায় ওড়না প্যাঁচানো ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে নেয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত বলে জানান।’

ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নিউমোনিয়ার চিকিৎসায় উত্তপ্ত রডের খোঁচা, হাসপাতালে মৃত্যু শিশুর
খামার পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
আইনজীবী বকস কল্লোল মারা গেছেন
ইউনাইটেডের ভুল চিকিৎসায় পাইলট ভাইয়ের মৃত্যু, দাবি আমেরিকান তালার
নওগাঁর সাবেক এমপি সামসুল আলম প্রামাণিকের মৃত্যু  

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abnormalities in the anus of the deceased madrasah student

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন প্রতীকী ছবি
নিহত ১৪ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন কামরাঙ্গীর চরে নুরিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়ে গত শুক্রবার ওয়াজ মাহফিলে পাগড়ি পান। পাগড়ি গ্রহণ শেষে তিনি বাসায় ফেরেন। এরপর থেকে বাসাতেই ছিলেন তিনি।

ঢাকার কামরাঙ্গীর চরের রসুলপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির সময় তার পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন পেয়েছে পুলিশ। এই শিশু শিক্ষার্থী কারও দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।

সোমবার রাতে তাকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় পায় পরিবারের সদস্যরা। পরে মধ্যরাতে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন কামরাঙ্গীর চরে নুরিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়ে গত শুক্রবার ওয়াজ মাহফিলে পাগড়ি পান। পাগড়ি গ্রহণ শেষে সে বাসায় ফেরে। এরপর থেকে ওই শিক্ষার্থী বাসাতেই ছিল।

কামরাঙ্গীর চর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, গতকাল ওর মাদ্রাসার যাওয়ার কথা। কিন্তু যেতে চাইনি। রাতে একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে অনেকক্ষণ ভেতরে থাকলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। ভেতরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

শিশু শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, আত্মহত্যা করলে পায়ুপথে বীর্য ও মল আসে। এই ভিকটিমের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এর বাইরে তার পায়ুপথ স্ফিত ছিল। যেটা দেখে আমাদের সন্দেহ হয়েছে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্ত করিয়েছি। ডাক্তার কোনো কিছু জানাননি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।

এ ঘটনায় এরইমধ্যে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে, তবে তদন্তে যৌন নির্যাতন বা অন্য কিছু পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর।

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসার মেয়েশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ
বন্ধুর প্রেমিকাকে ধর্ষণের মামলায় ইমাম, মাদ্রাসাশিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৩
শিশু পর্নোগ্রাফি: গুগলের তথ্যে ধরা বরগুনার মাদ্রাসাছাত্র
শিশুকে মাদ্রাসার ভেতরে ধর্ষণ, নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Those who put up posters on Metrorail should be removed at their own risk Who

যারা মেট্রোরেলে পোস্টার লাগিয়েছেন, নিজ দায়িত্বে সরান: কাদের

যারা মেট্রোরেলে পোস্টার লাগিয়েছেন, নিজ দায়িত্বে সরান: কাদের সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিদর্শনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: ফেসবুক থেকে নেয়া
মন্ত্রী বলেন, ‘মেট্রোরেলের পিলারে যারা পোস্টার লাগিয়েছেন, তারা নিজ দায়িত্বে সেগুলো সরাবেন। অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মেট্রোরেলের পিলারে যারা পোস্টার লাগিয়েছেন তাদের নিজ দায়িত্বে তা সরাতে বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘মেট্রোরেলের পিলারে যারা পোস্টার লাগিয়েছেন, তারা নিজ দায়িত্বে সেগুলো সরাবেন। অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ সময় ইজিবাইকগুলোকে নীতিমালায় আনার কাজ শেষের দিকে জানিয়ে তিনি বলেন, ইজিবাইকগুলোকে একটা নীতিমালার মধ্যে আনা হচ্ছে। যার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এই সরকারের আমলে সড়ক যোগাযোগে পরিবর্তন এখন দৃশ্যমান। সড়কে নিরাপত্তা সবাই চায়। তাই সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা।

রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে সম্পর্কে কিছু জানি না। আজকে আমাদের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এটা এজেন্ডা আকারে আসতে পারে। আজকে সবকিছু হয়ে যাবে এমন নয়।

তিনি বলেন, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তার আগেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে।

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বায়ুদূষণে বাংলাদেশের অবস্থান অবশ্যই লজ্জার। এসব মানুষেরই সৃষ্টি। প্রতিরোধে যে ব্যবস্থা সংশ্লিষ্টদের, সেগুলো খুবই বাজে।

আরও পড়ুন:
বালিয়াডাঙ্গিতে সাম্প্রদায়িক হামলার দ্রুত বিচার হবে: কাদের
হিরো আলমকে নিয়ে কিছু বলিনি: কাদের
অনির্বাচিত সরকারের পথ তৈরি করতে চায় বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP has given two more days of walking program in the capital

রাজধানীতে আরও দুদিন হাঁটার কর্মসূচি দিল বিএনপি

রাজধানীতে আরও দুদিন হাঁটার কর্মসূচি দিল বিএনপি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
সরকারের পদত্যাগ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে বিএনপি ঢাকায় আবারও দু দিন পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে। ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি রাজধানীর গোপিবাগ ব্রাদার্স ক্লাব মাঠ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত পালন করবে এ কর্মসূচি।

রাজধানী ঢাকায় আরও দুদিন পদযাত্রা কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। ৯ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দলটির মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতা-কর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করবেন।

মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জানান, সরকারের পদত্যাগ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে বিএনপি ঢাকায় আবারও দু দিন পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে। ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি রাজধানীর গোপিবাগ ব্রাদার্স ক্লাব মাঠ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত পালন করবে এ কর্মসূচি।

এ ছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি রাজধানীর শ্যামলী ক্লাব মাঠ থেকে রিংরোড, শিয়ামসজিদ, তাজমহল রোড, নূরজাহান রোড ও মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড হয়ে বসিলা পর্যন্ত পদযাত্রা করবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলাম, কামরুজ্জামান রতন ও আমিনুল হক।

এর আগে গত মাসে তিন দিন এবং চলতি মাসে এক দিন রাজধানী ঢাকায় দুপুর ২টা থেকে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ এবং বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এ কর্মসূচি পালন করেছে। ২৮, ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি ছিল এই কর্মসূচি।

আরও পড়ুন:
অনির্বাচিত সরকারের পথ তৈরি করতে চায় বিএনপি: কাদের
আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট চায় না: নজরুল
টাকা ছাপিয়ে দেশ চালাচ্ছে সরকার: আমীর খসরু

মন্তব্য

p
উপরে