× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNPs march on the day of the Awami League conference is a threat of tension
google_news print-icon

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন বিএনপির মিছিল, উত্তেজনার শঙ্কা

আওয়ামী-লীগের-সম্মেলনের-দিন-বিএনপির-মিছিল-উত্তেজনার-শঙ্কা
নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ৬ ডিসেম্বর সংঘর্ষের পরের দৃশ্য। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
একই দিন বিবদমান রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা মুখোমুখি হলে কী হতে পারে, সেই উদাহরণ সামনেই আছে। বিএনপির ক্ষমতায় থাকার শেষ দিন ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বায়তুল মোকাররম এলাকায় অবস্থান নেয়া জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে সে সময় আন্দোলনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। প্রাণ হারায় অন্তত আটজন। সেই সহিংসতা পরে ছড়িয়ে যায় দেশজুড়ে। তিন দিনের সংঘর্ষে প্রাণ হারায় অন্তত ২৩ জন।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির কর্মসূচি নয়াপল্টনে নাকি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে- এই নিয়ে বিরোধে এক সপ্তাহের উত্তেজনা, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, প্রাণহানি শেষে শহরের এক প্রান্তে গোলাপবাগ মাঠে শান্তিপূর্ণভাবেই হলো বিএনপির সমাবেশ। তবে সেই সমাবেশ থেকে যে কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে, সেটি নিয়ে আবার উত্তেজনার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গোলাপবাগে বিএনপির দেয়া ১০ দফা দাবিতে ছিল না নতুন কিছু। এতদিন ধরে তোলা দাবিগুলোই একটি জায়গায় তুলে ধরেছে তারা। দাবি আদায়ে যে কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে, সেটিও নমনীয়। সরকার পতনের দাবিতে মিছিল করবে তারা।

উদ্বেগটি এ কারণে যে এই মিছিলটি দলটি এমন দিন করবে, যেদিন রাজধানীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে সারা দেশ থেকে আসা দলের কাউন্সিলররা সেদিন যাবেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। ২৪ ডিসেম্বর সম্মেলন করার এই ঘোষণা আসে গত ২৮ অক্টোবর।

প্রায় দেড় মাস পর বিএনপি যখন তাদের এই মিছিলের দিনক্ষণ ঠিক করে, তখন ক্ষমতাসীন দলের এই কর্মসূচি মাথায় ছিল কি না, সে বিষয়ে নেতারা কিছু বলছেন না। তবে সংঘাত হবে না, এমন কথা বলছেন তারা।

বিএনপি সরকারবিরোধী সমমনা সব দলকে নিয়ে যে যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে, সেটির প্রকাশ হতে পারে সেই ২৪ ডিসেম্বরেই। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিয়ে অকার্যকর করে দেয়া ২০-দলীয় জোটে দুই যুগের সঙ্গী জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও ১১টি ছোট দলও সেদিন একই কর্মসূচি নিয়ে নামার ঘোষণা দিয়েছে।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন বিএনপির মিছিল, উত্তেজনার শঙ্কা
১০ ডিসেম্বর গোলাপবাগের সমাবেশ থেকে ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীসহ সারা দেশে গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। দলটির সমমনারাও পরে একই কর্মসূচি দিচ্ছে

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, একসঙ্গে কর্মসূচি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি করবে তারা। এই জোটও যদি সেদিন রাস্তায় নামে, পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মীরা যদি এক হন, তাহলে শীতের এই মৌসুমে দেখা যেতে পারে রাজনৈতিক উত্তাপ।

একই দিন বিবদমান রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা মুখোমুখি হলে কী হতে পারে, সেই উদাহরণ সামনেই আছে। বিএনপির ক্ষমতায় থাকার শেষ দিন ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বায়তুল মোকাররম এলাকায় অবস্থান নেয়া জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে সে সময় আন্দোলনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। প্রাণ হারায় অন্তত আটজন।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন বিএনপির মিছিল, উত্তেজনার শঙ্কা
নগরীতে একই দিনে দুই পক্ষের রাজনৈতিক কর্মসূচির পর ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ব্যাপক সহিংসতায় ঘটে প্রাণহানি। এরপর সারা দেশে তিন দিনে নিহত হয় আরও ২৩ও

মহাজোটের কর্মসূচি সেদিন ছিল মুক্তাঙ্গন ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে। সেখানে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পর বায়তুল মোকাররম এলাকায় অবস্থান নেয়া জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে প্রথমে কথার লড়াই, এরপর শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। সেই সহিংসতা পরে ছড়িয়ে যায় দেশজুড়ে। তিন দিনের সংঘর্ষে প্রাণ হারায় অন্তত ২৩ জন।

কর্মসূচি আগেই ঠিক করা ছিল: বিএনপি

এমন উদাহরণ থাকার পরও আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন কেন ঢাকায় বড় কর্মসূচি দিতে হলো- এমন প্রশ্নে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রত্যেক দলেরই রাজনৈতিক ক্যালেন্ডার থাকে। এই কর্মসূচি কবে কখন হবে সেটা আগেই নির্ধারণ ছিল। আমরা সে অনুযায়ীই কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।’

বিএনপির কর্মসূচির ক্যালেন্ডারটি কবে ঠিক করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে এই নেতার কাছ থেকে জানা যায়নি।

সেদিন সংঘাতের আশঙ্কা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের গোলাপবাগের সমাবেশ আপনারা দেখেছেন। কোনো সংঘাত কি দেখেছেন? আমাদের গণমিছিলও হবে শান্তিপূর্ণ। কোনো সংঘাত হবে না। তবে সরকার যদি বাধা সৃষ্টি করে, তবে সেটা সিচুয়েশন ডিমান্ডে অন্য রকম হবে।’

একই প্রশ্নে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হচ্ছে, হবে। তার সঙ্গে আমাদের কর্মসূচির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা যেকোনো দিন কর্মসূচি রাখতে পারি। এটা আমাদের রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক অধিকার।’

পায়ে পা পা দিয়ে ঝগড়া

২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন বিএনপির কর্মসূচি দেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ক্ষমতাসীন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিএনপি এখন যদি পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করতে চায়, আমাদের তো কিছু করার নাই। আসলে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। যাদের দল আসলে স্কাইপের মাধ্যমে চলে, সেই দল তো সেই স্টাইলেই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে দেখা যাক, কী হয়।’

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন বিএনপির মিছিল, উত্তেজনার শঙ্কা
বিএনপি যেদিন গণমিছিলের ডাক দিয়েছে তার দেড় মাস আগেই আওয়ামী লীগ তার ২২ তম জাতীয় সম্মেলনের দিন তারিখ ঘোষণা করে। ২৪ অক্টোবর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারা দেশ থেকে আসনের নেতা-কর্মীরা

আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তারা (বিএনপি) শান্তিপূর্ণ মিছিল করলে আওয়ামী লীগ বাধা দেবে না। কিন্তু বিএনপি জামায়াত যদি মিছিলের নামে সহিংসতা করতে চায় আমরা তাদের ছেড়ে দেব না।’

একই পক্ষে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমাদের কাউন্সিলের ঘোষণা অনেক আগেই ছিলেন। ওইদিন বিএনপির এমন কর্মসূচি পায়ে পা দিয়ে বিপদ ডেকে আনার মতো।’

একই দিন রাজধানীতে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিকে ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা করছেন কি না, জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ফারুক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অন্তত আমি দেখছি না। কন্ট্রোলে আছে সব।’

আরও পড়ুন:
সেই নয়াপল্টনে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
কার্যালয়ে মোশাররফ গয়েশ্বর আমান, গ্রেপ্তার নিয়ে ক্ষোভ
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে পুলিশের খবরদারি ‘মানবাধিকার পরিপন্থি’
ফখরুল ও রিজভীর বাসায় বিএনপি নেতারা
বিএনপির ৬ এমপির আসন শূন্য

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
EC ordered to withdraw OC of five police stations
তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন

পাঁচ থানার ওসি প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির

পাঁচ থানার ওসি প্রত্যাহারের নির্দেশ ইসির
কুমিল্লার দেবীদ্বার, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানা ও আনোয়ারা এবং পটুয়াখালীর দুমকী থানার ওসিদের সোমবারের মধ্যে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

উপজেলা পরিষদের চলমান নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পাঁচ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার ইসির উপসচিব মো. মিজানুর রহমান মহাপুলিশ পরিদর্শককে এই নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কুমিল্লার দেবীদ্বার থানা, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানা, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানা ও আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জদের সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে আজই (সোমবার) সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে (তদন্ত) ৩১ মে পর্যন্ত দায়িত্ব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এছাড়া পটুয়াখালীর দুমকী থানার ওসিকে ওই উপজেলা পরিষদের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে আজই (সোমবার) সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে (তদন্ত) দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন।

এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Governments aim is not to save people in disaster but to punish Tarek Nazrul

দুর্যোগে মানুষ বাঁচানো নয়, সরকারের লক্ষ্য তারেককে শাস্তি দেয়া: নজরুল

দুর্যোগে মানুষ বাঁচানো নয়, সরকারের লক্ষ্য তারেককে শাস্তি দেয়া: নজরুল বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘দেশ যখন দুর্যোগে, তখন দেশের মানুষকে বাঁচানো প্রধান কাজ না। জনগণের সম্পদ রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কাজ না। সরকারের কাছে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা।’

তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকর করা হবে- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘দেশ যখন দুর্যোগে, তখন দেশের মানুষকে বাঁচানো প্রধান কাজ না। জনগণের সম্পদ রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কাজ না। তাদের কাছে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা।’

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিএনপির এই বর্ষীয়াণ নেতা এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, কারাবন্দি নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা জেলা বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, টাকার অবমূল্যায়ন, দুর্নীতি, অনাচার, মানবাধিকার হরণ, ব্যাংক লুট, রাষ্ট্রীয় দেনা বৃদ্ধি, সাবেক সেনা ও পুলিশ প্রধান আন্তর্জাতিক স্যাংশনের মুখে পড়ার পরও সেগুলো কোনোটাই মূল কাজ নয়। মূল কাজ তারেক রহমানকে এনে শাস্তি দেয়া। তবে আমি বলতে চাই, তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে হবে না। তিনি নিজেই বীরের বেশে দেশে আসবেন।

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের ওপর সরকারের মূল রাগের কারণ হচ্ছে, তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে বেগবান ও জোরদার করেছেন। দেশের ডান, বামসহ সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্রের পক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের মানুষ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটও দেননি।’

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো, নির্বাহী কমিটির সদস্য তমিজ উদ্দিন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
কমলগঞ্জে বিএনপি নেতার স্বেচ্ছায় অব্যাহতি
হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপি নেতা
জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় খুশি হওয়ার কিছু নেই: ফখরুল
জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন লু: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister will visit the areas affected by the cyclone

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূল অতিক্রম করার পরের দিন সোমবার খুলনার উপকূলীয় এলাকায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা
কাদের বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে যাবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি। দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

কাদের বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে যাবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি। দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

ওই সময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে করণীয় কী
দেশজুড়ে দিনভর হতে পারে বৃষ্টি, থাকতে পারে জলোচ্ছ্বাস
উপকূল পার হয়েছে ‘রিমাল’, কিছুটা দুর্বল হতে পারে
দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন তারেক জিয়াকে ফিরিয়ে আনব: প্রধানমন্ত্রী
আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে একজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Anars seat in the parliament was declared vacant after receiving proof of death

মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়ার পর সংসদে আনারের আসন শূন্য ঘোষণা

মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়ার পর সংসদে আনারের আসন শূন্য ঘোষণা আনোয়ারুল আজীম আনার। ফাইল ছবি
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, আনোয়ারুল আজীম আনারের ঘটনাটি অন্য সংসদ সদস্যদের মৃত্যুর ঘটনার চেয়ে একেবারেই আলাদা। তাই অন্তত একটি অকাট্য প্রমাণ হাজির না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে অপেক্ষা করতে চায় সংসদ সচিবালয়। তবে ৫ জুন অনুষ্ঠেয় বাজেট অধিবেশনের আগেই বিষয়টির সুরাহা হবে।

সংসদীয় আসন-৮৪ (ঝিনাইদহ-৪)-এর সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের পদ শূন্য ঘোষণা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আনার ভারতের কলকাতায় ‘হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এমন খবর মিললেও তার মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি।

ভারত বা বাংলাদেশ সরকারও এমপি আনারের মৃত্যুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানায়নি। অবশ্য বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান হত্যাকাণ্ডের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংসদ সদস্য আনারের মৃত্যুর নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় আসনটি এখনই শূন্য ঘোষণার পক্ষপাতী নয় সংসদ সচিবালয়।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অন্য সংসদ সদস্যদের মৃত্যুর ঘটনার চেয়ে এই ঘটনাটি একেবারেই আলাদা। তাই অন্তত একটি অকাট্য প্রমাণ হাজির না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে অপেক্ষা করতে চায় সংসদ সচিবালয়। তবে ৫ জুন অনুষ্ঠেয় বাজেট অধিবেশনের আগেই বিষয়টির সুরাহা হবে।

কোনো সংসদ সদস্যের মৃত্যু, পদত্যাগ বা অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো আসন খালি হলে সংসদ সচিবালয় থেকে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আসনটি শূন্য (মৃত্যুর তারিখ থেকে) ঘোষণা করা হয়। পরে গেজেটের কপি পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে। নির্বাচন কমিশন ওই শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের আয়োজন করে।

তবে অন্য মৃত্যুর ঘটনা এবং আনোয়ারুল আজীম আনারের ‘মৃত্যুর’ ঘটনা এক নয়। অতীতে যেসব সংসদ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন বা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, তার প্রমাণ হিসেবে তাদের মরদেহ পাওয়া গেছে। দাফন বা সৎকার হয়েছে। কিন্তু ভারতে ‘হত্যাকাণ্ডের’ শিকার হওয়া আনোয়ারুল আজীম আনারের মৃত্যুর ঘটনাটি কোনো সোর্স থেকে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহও পাওয়া যায়নি। এমনকি কবে মারা গেছেন সেটাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অবশ্য আনারের হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের দিনই (২২ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসন শূন্য ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা এখন কোনো সিদ্ধান্ত নেব না। আমরা আরও অপেক্ষা করব।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা খুবই ব্যতিক্রমধর্মী। আগে এ ধরনের ঘটনা কখনোই ঘটেনি। আমাদের সামনে কোনো নজির নেই। কার্যপ্রণালি বিধিতেও এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। এটা তো অনুমাননির্ভর।’

হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, ‘তাদের হত্যার বিষয়টি দৃশ্যমান ছিল। তাদের ডেডবডি পাওয়া গেছে এবং জানাজা হয়েছে। সে হিসাবে তাদের আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সময় সরকারের পক্ষ না জানালেও সংসদ নিশ্চিত হয়েছিল যে তারা মারা গেছেন। কারণ সবই চোখের সামনে ঘটেছিল। কাজেই ওই ঘটনার সঙ্গে এটা মেলানোর কোনো সুযোগ নেই।’

আনারের বিষয়ে স্পিকার আরও বলেন, ‘এখানে সমস্যা হচ্ছে তার দেহ পাওয়া যায়নি। তাই আমরা অপেক্ষা করছি। আমাদের কোনো একটা নির্ভরযো‌গ্য সূত্র থেকে জানতে হবে। ওনার মৃত্যুসনদ বা কোনো কাগজ আমাদের কাছে আসতে হবে, যেখানে প্রমাণ হবে উনি মারা গেছেন। না হলে আমরা কীভাবে বুঝব উনি মারা গেছেন? সেটার প্রমাণটা কী? শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না।

সংসদ অধিবেশনের আগে কার্য‌-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হবে ৫ জুন। সেখানে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন বলেও স্পিকার জানান। ওই বৈঠকে কমিটির সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট হওয়া যাবে বলে আশা করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা: ডিবির তদন্ত দল কলকাতায়
আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা করে দেশ ছাড়েন ‘কসাই জিহাদ’
এমপি আনারকে আগেও দু’বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে: ডিবি
এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন
এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cyclone Rimal Chhatra League will distribute awareness miking food

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’: সচেতনতামূলক মাইকিং, খাবার বিতরণ করবে ছাত্রলীগ

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’: সচেতনতামূলক মাইকিং, খাবার বিতরণ করবে ছাত্রলীগ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের লোগো। ফাইল ছবি
ছাত্রলীগের বার্তায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে, সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে, মাইকিং করে, শুকনো ও রান্না করা খাবার, খাবার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করে, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সংস্কার করে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে এবং স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করে পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’

ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে নানা কার্যক্রম চালাবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সংগঠনটি এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

ছাত্রলীগের বার্তায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে, সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে, মাইকিং করে, শুকনো ও রান্না করা খাবার, খাবার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করে, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সংস্কার করে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে এবং স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করে পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’

এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী শহীদের রক্তস্নাত সংগঠন, বাংলার ছাত্রসমাজের আস্থার ঠিকানা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আসন্ন প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবে।

‘অতীতে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়কালীন সময়ে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে, অগ্নিকাণ্ড বা ভবন ধসে উদ্ধারকাজ চালিয়ে, মহামারি করোনাকালীন অসহায়-অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, কৃষকের ধান কেটে নিরাপদে ঘরে পৌঁছে দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সমাজ ও মানুষের প্রতি তাঁর কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করেছে।’

আরও পড়ুন:
ছয় ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার বেগে উত্তরে এগোল ‘রিমাল’
উপকূলে ৮-১২ ফুট জলোচ্ছ্বাস, পাহাড়ে হতে পারে ভূমিধস
ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ কখন অতিক্রম করতে পারে উপকূল
১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় কোন কোন জেলা
পায়রা মোংলা বন্দরে ১০ নম্বর, কক্সবাজার চট্টগ্রামে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Beware of Fake Journalists Who

ভুয়া সাংবাদিকের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: কাদের

ভুয়া সাংবাদিকের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
কাদের বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে, সাংবাদিকের নামে লেখা নেই, পড়া নেই, সংবাদ বোঝে না, এর ধারেকাছেও নেই, এমন অনেকেই দেখি সরকারি অফিসে গিয়ে বসে থাকে। এরা সত্যিকারের সাংবাদিক নয়। এই ভুয়া সাংবাদিকের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

ভুয়া সাংবাদিকদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে রোববার দুপুরে তিনি এ আহ্বান জানান।

কাদের বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে, সাংবাদিকের নামে লেখা নেই, পড়া নেই, সংবাদ বোঝে না, এর ধারেকাছেও নেই, এমন অনেকেই দেখি সরকারি অফিসে গিয়ে বসে থাকে। এরা সত্যিকারের সাংবাদিক নয়। এই ভুয়া সাংবাদিকের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’

আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনার বিরোধী নয় মন্তব্য করে দলটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা আমরাও করি, কিন্তু তা গঠনমূলক হওয়া প্রয়োজন।’

ওই সময় ফিলিস্তিনের গাজায় শিশু ও নারীদের হত্যা এবং গণহত্যার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিহত ১০৮ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

আরও পড়ুন:
ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলার অনুমতি প্রধানমন্ত্রীর: কাদের
গজারিয়ায় যুগান্তর ও যমুনার প্রতিনিধির ওপর হামলা
ভারতে মেট্রোরেলে ভ্যাট নেই, বাংলাদেশে কেন: কাদের
সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকবেন কেন, প্রশ্ন কাদেরের
সরকারের ধারাবাহিকতায় এত উন্নয়ন: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The exact reason behind the killing of MP Anna Harun is not yet known

এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন

এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন রাজধানীর মিণ্টো রোডের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘খুনিরা কলকাতার ফ্ল্যাটে এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার পর চারটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে তাদেরকে ফোন করে।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক লেনদেন, আধিপত্য বিস্তারসহ অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানা যায়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

রাজধানীর মিণ্টো রোডে ডিবি’র সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিন সদস্যের একটি দল শনিবার রাত বা রোববার সকালের মধ্যে ভারতের উদ্দেশে রওনা হবে।

বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশও সংসদ সদস্য আনার হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করছে। তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সফর করেছে।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘অপহরণের পর খুনিরা এমপি আনারকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। তারপর খুনিরা তার একটি ফোন অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। উদ্দেশ্য, এটা বুঝানো যে তিনি অন্য জায়গায় আছেন।

‘এছাড়া খুনিরা তাকে হত্যার পর চারটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে তাদেরকে ফোন করে।’

মরদেহ পাওয়া যায়নি অথচ পুলিশ কেন এটাকে হত্যাকাণ্ড বলছে- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘এমন অনেক মামলা আছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে লাশ পাওয়া যায়নি।’

প্রসঙ্গত, এমপি আনার চিকিৎসার জন্য ১১ মে কলকাতায় যান এবং ১৪ মে থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ২২ মে বলেন, কলকাতার অদূরে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এমপি আনারের মৃত্যুর ঘটনায় ২২ মে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার তিন আসামির আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো

মন্তব্য

p
উপরে