× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNPs call for protest in that Nayapaltan
google_news print-icon

সেই নয়াপল্টনে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির

সেই-নয়াপল্টনে-বিক্ষোভের-ডাক-বিএনপির
বিএনপি নেতা-কর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষের পর দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে রাখে পুলিশ। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
গত ১২ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে দেশের সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ থেকে বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশস্থল হিসেবে নয়াপল্টনের নাম ঘোষণা করে। তবে পুলিশ তাদেরকে অনুমতি দেয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সেখানে না গিয়ে নয়াপল্টনেই জড়ো হওয়ার ঘোষণার পর বুধবার পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় সংঘর্ষ। শেষমেশ সমাবেশটি হয় নয়াপল্টন থেকে কিলোমিটার পাঁচেক দূরে ঢাকার এক প্রান্ত গোলাপবাগে।

অনুমতি না পাওয়ায় রাজধানীর বিভাগীয় সমাবেশ বিএনপি যেখানে করতে পারেনি, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে সেই নয়াপল্টনেই দেয়া হয়েছে বিক্ষোভের ডাক।

গত শনিবার রাজধানীর এক প্রান্ত গোলাপবাগ মাঠের সমাবেশ থেকে ১৩ ডিসেম্বর এই দাবিতে যে মিছিলের ঘোষণা দেয়া হয়েছে, সেটি কিছুটা পাল্টে এখন সমাবেশও যোগ করেছে তারা।

জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার এই সমাবেশটি হবে নয়াপল্টনে। অর্থাৎ দলীয় কার্যালয়ের সামনেই জমায়েত হবে দলটির নেতা-কর্মীরা।

সোমবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, যিনি গত শনিবার মিছিলের ঘোষণা জানিয়েছিলেন।

বিএনপি চেয়াপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান নিউজবাংলাকে জানান, দুপুর ২টায় এই মিছিল শুরু হবে নয়াপল্টন কার্যালয় সামনে থেকে। পরে হবে সমাবেশ।

এতে প্রধান অতিথি থাকবেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান।

সেই নয়াপল্টনে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
নয়াপল্টনে বুধবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

গত ১২ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে দেশের সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ থেকে বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশস্থল হিসেবে নয়াপল্টনের নাম ঘোষণা করে। তবে পুলিশ তাদেরকে অনুমতি দেয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। সেখানে না গিয়ে নয়াপল্টনেই জড়ো হওয়ার ঘোষণার পর বুধবার পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় সংঘর্ষ।

পরে দলীয় কার্যালয়ে চলে অভিযান। গ্রেপ্তার হয় কয়েক শ নেতা-কর্মী। সংঘর্ষের দিন সহিংসতার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাসকেও।

সমাবেশের দুই দিন আগে নাটকীয়ভাবে বিএনপি নয়াপল্টন ছেড়ে কমলাপুর স্টেডিয়াম বা মিরপুর বাঙলা কলেজ মাঠ নিয়ে আলোচনা শুরু করে। এরপর আগের দিন ঠিক হয় গোলাপবাগ মাঠের বিষয়টি।

সেই সংঘর্ষের পর থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত নয়াপল্টন ও বিএনপির কার্যালয় ছিল পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। বিভাগীয় সমাবেশের পরের দিন তালা খুলে দিলে সেখানে যায় দলটির নেতাকর্মীরা। পরদিন সকাল ১১টার দিকে যান স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। করেন সংবাদ সম্মেলন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘১০ দফা দিয়েছি। এই ১০ দফাকে সমর্থন করে যারা যুগপৎ আন্দোলন করবে তারাও কর্মসূচি দিয়েছে। নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ১৩ ডিসেম্বর নয়াপল্টন অফিসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল করবে বিএনপি।’

সেই নয়াপল্টনে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয় ঘিরে বুধবার পুলিশের অ্যাকশন। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রতিটি সমাবেশে বাধা দিয়েছে সরকার। সরকার কোন ভিত্তিতে এই ঘটনা ঘটাল তা আমাদের হিসাবে মেলে না। তাদের হিসাবে খেলা কিন্তু বিএনপি এই খেলায় বিশ্বাস করে না।’

তিনি কথা বলেন গত বুধবারের সংঘর্ষ নিয়েও। বলেন, ‘জনগণ বিক্ষুব্ধ, জনগণ রায় দিয়েছে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় আনা আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্ভব না। জনগণ সরকারকে আর চায় না। ৭ ডিসেম্বরের আচরণ প্রমাণ করে গায়ের জোরের সরকার।’

বিএনপির গোলাপবাগের সমাবেশে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি জনসমাগম হয়েছে বলেও দাবি করেন মোশাররফ। বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরে যা প্রত্যাশা করেছিলাম তার থেকে বেশি জনসমাগম হয়েছে। তারপর সরকার যদি এটাকে ব্যর্থ বলে তাহলে কিছু বলার নেই। সরকার দিশেহারা, তারা কোন সময় কী বলবে তা নিয়ে আমরা ভ্রুক্ষেপ করি না। দেশের জনগণও জানে সরকার যা বলে তা করে না।’

বুধবারের সংঘর্ষের পর পুলিশ কার্যালয় ভাঙচুর, প্রয়োজনীয় নথি ও অর্থ গায়েব করে দিয়েছে বলে দলটি যে অভিযোগ করেছে, তার প্রতিকারে মামলা করবেন নি কা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘গতকাল (রোববার) অফিসে আসতে পেরেছি, কী কী খোয়া গেছে তার তালিকা করছি। তারপর সীদ্ধান্ত নেব কী করব।’

আরও পড়ুন:
নয়াপল্টনে দিনভর কর্মীদের আনাগোনা, নেতারা নেই
বেআইনি জমায়েত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নয়, যুক্তরাষ্ট্রকে তথ্যমন্ত্রী
ফখরুল-আব্বাস কারাগারে
ফখরুলসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতাদের মুক্তি চায় বাম জোট
সন্দেহ হলে কমলাপুরে ট্রেন যাত্রীদেরও ব্যাগ তল্লাশি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Dhakas air quality is good today

ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’

ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘ভালো’ ফাইল ছবি
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার বাতাসের মান মঙ্গলবার ‘ভালো’ পর্যায়ে রয়েছে। সকাল ৯টায় ৩৮ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শহরটির স্থান ৭৭তম।

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার বাতাসের মান সাধারণত ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে থাকে। মাঝেমাধ্যে খুব বৃষ্টি হলে ‘মধ্যম’ পর্যায়ে চলে আসে। কিন্তু বাতাসের মান যে ‘ভালো’ পর্যায়ে আসে এমনটা দেখা যায় না। ব্যতিক্রম ঘটল আজ।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার বাতাসের মান মঙ্গলবার ‘ভালো’ পর্যায়ে রয়েছে। সকাল ৯টায় ৩৮ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শহরটির স্থান ৭৭তম। খবর ইউএনবির

একিউআই স্কোর ৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মধ্যম’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৫০ এর নিচে হলে ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান 'সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর', ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে 'খুব অস্বাস্থ্যকর' বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ভারতের দিল্লি, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও পাকিস্তানের লাহোর যথাক্রমে ২১৬, ১৭৩ ও ১৬২ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম তিনটি স্থান দখল করেছে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The waterlogging of the capital is prolonged due to torrential rains
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাব

অঝোর ধারার বৃষ্টিতে রাজধানীর জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে

অঝোর ধারার বৃষ্টিতে রাজধানীর জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা। ছবি: ফোকাস বাংলা
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সোমবার ভোররাত থেকে বিরতিহীন বৃষ্টি ঝরছে রাজধানীতে। ডুবে গেছে নগরীর বহু সড়ক ও অলি-গলি। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। অনেক এলাকায় বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। রাতেও সেই ভোগান্তি পিছু ছাড়েনি। কারণ বৃষ্টি ঝরেই চলেছে।

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সড়ক মোড়ে পানি জমেছে হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। বিরামহীন বৃষ্টি ঝরতে থাকায় নগরের সড়ক থেকে পানি নামার ফুরসত পাচ্ছে না। ফলে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সোমবার ভোররাত থেকে বিরতিহীন বৃষ্টি ঝরছে রাজধানীতে। ডুবে গেছে নগরীর বহু সড়ক ও অলি-গলি। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। অনেক এলাকায় বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। রাতেও সেই ভোগান্তি পিছু ছাড়েনি। কারণ বৃষ্টি ঝরেই চলেছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজধানীতে ১১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

অঝোর ধারার বৃষ্টিতে রাজধানীর জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে
রাজধানী ঢাকায় অঝোর ধারার বৃষ্টি। ছবি: নিউজবাংলা

রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, গ্রিন রোড, শান্তিনগর, মলিবাগ মোড়, নিউমার্কেট, পলাশী, আজিমপুর, লালবাগ, হাজারীবাগ, জিগাতলা, সায়েদাবাদ, শনির আখড়া, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, মিরপুর ১০, ১৩ ও ১৪ নম্বর, বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট যেতে নতুন রাস্তা, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, মোহাম্মদপুরের কিছু অংশ, মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকা, মোহাম্মদপুর, ইসিবি, গুলশান লেকপাড় এলাকার সংযোগ সড়ক এবং এসব সড়কের আশপাশের অলি-গলিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

রাস্তাঘাটে পানি জমায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানামুখী বিড়ম্বনায় পড়েছেন কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়া নগরবাসী। অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা-ভ্যান দিয়ে সড়ক পারাপার হতে দেখা গেছে মানুষজনকে।

স্থানে স্থানে জলাবদ্ধ সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বন্ধ হয়ে আছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডি ২৭ নম্বর মোড়ে বেশ কয়েকটি প্রাইভেট গাড়ি আটকে থাকতে দেখা যায়।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় দেখা যায়, বৃষ্টিতে অনেক দোকানপাট বন্ধ। মার্কেটের যেসব দোকান খোলা সেগুলোতেও ক্রেতা নেই। অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা।

নিউমার্কেট সংলগ্ন নূরজাহান মার্কেট ও ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেটের সামনে পানি জমে আছে। চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের সামনের সড়ক, নিউমার্কেট কাঁচাবাজার সড়কও জলাবদ্ধ। বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষকে পানি মাড়িয়ে ভোগান্তি মাথায় নিয়ে চলতে হয়।

এদিকে অঝোর বৃষ্টিতে মিরপুরের শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী সুমাইয়া আফরিন বলেন, ‘কোমর সমান উচ্চতার পানি জমেছে রাস্তায়। হাতে গোনো কিছু বাস ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করছে না।’

এদিকে রাস্তায় জমে থাকা পানি সরাতে কাজ করছেন সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। বিশেষ করে কাজীপাড়ার মেট্রো রেলের নিচে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সেই পানি বের করার জন্য চেষ্টা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কুইক রেসপন্স টিম। মিরপুর ৬০ ফিট সড়কেও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।

গুলশানের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আহমেদ হোসেন বলেন, ‘আমার বাসা মোহাম্মদপুরে। সকালে অফিসে আসার সময় ভোগান্তিতে পড়েছিলাম। বৃষ্টির কারণে অনেক রাস্তায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সেটা এখন আরও বেড়েছে। অফিস থেকে বের হয়ে রাস্তায় আটকে আছি। কোনো যানবাহন পাচ্ছি না। জানি না শেষ পর্যন্ত কিভাবে বাসায় পৌঁছব।’

বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রয়োজনে কাজে বের হওয়া এমন বহু মানুষ। মূল সড়ক ছাড়া অলিগলিতেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চলাফেরা করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। গণপরিবহনে উঠতে পোহাতে হচ্ছে তীব্র ভোগান্তি। গণপরিবহন বলতে দুই-একটি যা মিলছে তা কেবলই বাস।

সিটি করপোরেশনের তৎপরতা

এদিকে কোথাও জলাবদ্ধতা হলে বা পানি জমে থাকলে হটলাইনে যোগাযোগ করার (১৬১০৬) আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

জলাবদ্ধতা যেন স্থায়ী না হয় সেজন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কুইক রেসপন্স টিম কাজ করছে।

ডিএনসিসির মুখপাত্র মকবুল হোসাইন জানান, আওতাধীন ১০ জোনের জন্য ১০টি কুইক রেসপন্স টিম ঠিক করা আছে। জলাবদ্ধতা যেন স্থায়ী না হয় সে লক্ষ্যে তারা কাজ করছে। জরুরি সেবা ১৬১০৬ নম্বরেও রাজধানীবাসীর ফোন আসামাত্র টিম ছুটে যাচ্ছে।

জলাবদ্ধতা নিরসনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনও (ডিএসসিসি)। এছাড়াও করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় বৃষ্টিপাতজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ৯১টি দল। এসব দলে ৫ জন করে কর্মী রয়েছেন।

সোমবার বিকেলে ডিএসসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ফলে করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে সম্মানিত নগরবাসীকে ০১৭০৯৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করা হলো। নগরবাসীর এ সংক্রান্ত ফোন পেলে করপোরেশন থেকে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৮০টি এবং প্রকৌশল বিভাগের ১১টি দল কাজ করছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ড একটি করে এবং কয়েকটি ওয়ার্ডে ২/৩টি করে দল কাজ করছে। পাশাপাশি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে প্রকৌশল বিভাগ থেকে ১১টি দল কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরায় ফের ঢাল হলো সুন্দরবন
পটুয়াখালীতে বসতঘরে গাছ পড়ে বৃদ্ধ নিহত
ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’: ভোলায় ঘরের নিচে চাপা পড়ে নারী নিহত
উপকূলজুড়ে ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষত
পায়রা, মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Storm forecast at 20 30 km per hour in Dhaka

ঢাকায় ২০-৩০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

ঢাকায় ২০-৩০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টি। ছবিটি মিরপুর রোড থেকে তোলা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
শুধু তা-ই নয়, দমকা হাওয়ার আকারে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ভোর থেকেই একটানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে রাজধানী ঢাকায়। এর সঙ্গে সারা দিন থেকে থেকে দমকা হাওয়া বয়ে চলছে। তবে এই বাতাসের গতিবেগ আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

শুধু তা-ই নয়, দমকা হাওয়ার আকারে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

আজ সারাদিন রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি থেকে ২৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯ জেলা, দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ছয় জেলায় ১০ প্রাণহানি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tree branches fell in the storm and disrupted metro rail movement

ঝড়ে গাছের ডাল পড়ে মেট্রোরেল চলাচল ব্যাহত

ঝড়ে গাছের ডাল পড়ে মেট্রোরেল চলাচল ব্যাহত ছবি: সংগৃহীত
সমস্যার সমাধান করে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পূর্ণ রুটে অর্থাৎ মতিঝিল পর্যন্ত ফের মেট্রোট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

শাহবাগ-সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশনের মাঝামাঝি স্থানে ভায়াডাক্টের ওপর ঝড়ে গাছের ডাল এবং মতিঝিল স্টেশন-সংলগ্ন এলাকায় সোলার প্যানেল পড়ায় ওই অংশে মেট্রোরেল চলাচল কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ফেসবুকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার কথা জানায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

সেসময় উত্তরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত মেট্রোট্রেন চলাচল অব্যহত আছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পরবর্তীতে ওই পোস্টের কমেন্টে জানানো হয়, সমস্যার সমাধান করে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পূর্ণ রুটে অর্থাৎ মতিঝিল পর্যন্ত ফের মেট্রোট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Control room of DSCC is operational to resolve waterlogging

জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু

জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু ছবি: সংগৃহীত
ডিএনসিসির বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ফলে করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে নগরবাসীকে ০১৭০৯৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করা হলো। নগরবাসীর এ সংক্রান্ত ফোন পেলে করপোরেশন থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবজনিত বৃষ্টিপাতের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ সমস্যা সমধানে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ৫ কর্মীর সমন্বয়ে গঠিত ৯১টি দল।

সোমবার বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ফলে করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে নগরবাসীকে ০১৭০৯৯০০৮৮৮ নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করা হলো। নগরবাসীর এ সংক্রান্ত ফোন পেলে করপোরেশন থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, মাঠ পর্যায়ে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৮০টি এবং প্রকৌশল বিভাগের ১১টি দল কাজ করছে। এ বিভাগ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি থেকে ২/৩টি করে দল কাজ করছে। পাশাপাশি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে প্রকৌশল বিভাগ থেকে ১১টি দল মাঠে রয়েছে।

করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ এবং প্রকৌশল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ গঠিত এসব দলের কার্যক্রম তদারকি করছেন, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। একইসঙ্গে করপোরেশনের কাউন্সিলররাও বৃষ্টির পানি যাতে জমে থাকতে না পারে, সেজন্য মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

অনেক জায়গায় নর্দমাগুলোর ক্যাচপিটে (যেদিক দিয়ে পানি সড়ক হতে নর্দমায় প্রবেশ করে) পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছে। তাই নগরবাসীর কাছে জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের সুফল পৌঁছে দিতে ঢাকাবাসীকে যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার অনুরোধ জানিয়েছেন মেয়র।

আরও পড়ুন:
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে ছয় জেলায় ১০ প্রাণহানি
বাগেরহাটে ৪৫ হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত
সাতক্ষীরায় ফের ঢাল হলো সুন্দরবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister will visit the areas affected by the cyclone

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূল অতিক্রম করার পরের দিন সোমবার খুলনার উপকূলীয় এলাকায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা
কাদের বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে যাবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি। দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন তিনি।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

কাদের বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে যাবে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি। দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

ওই সময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে করণীয় কী
দেশজুড়ে দিনভর হতে পারে বৃষ্টি, থাকতে পারে জলোচ্ছ্বাস
উপকূল পার হয়েছে ‘রিমাল’, কিছুটা দুর্বল হতে পারে
দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন তারেক জিয়াকে ফিরিয়ে আনব: প্রধানমন্ত্রী
আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে একজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All routes from Sadarghat have been stopped

সদরঘাট থেকে সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ

সদরঘাট থেকে সব রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণার পর রোববার সন্ধ্যায় সদরঘাটের চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে শনিবার রাত ১০টা থেকে সব রুটের ছোট-বড় সব ধরনের লঞ্চ ও স্টিমার চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমালʼ-এর প্রভাবে নৌপথ উত্তাল হয়ে ওঠায় রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খেয়া নৌকাগুলোকেও নদী পারাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে শনিবার রাত ১০টা থেকে সব রুটের ছোট-বড় সব ধরনের লঞ্চ ও স্টিমার চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, টার্মিনাল এলাকা পুরোপুরি সুনসান। মানুষের চলাচল নেই, নেই হাঁক-ডাক। পন্টুনেও কোনো লঞ্চ বাঁধা ছিলো না। অনেকে লঞ্চ বন্ধের খবর পেয়ে বিকল্প হিসেবে বাসে যাতায়াতের পথ খুঁজছেন। অনেকে ঘাট থেকে প্রাইভেট কারযোগে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন।

লঞ্চ-সংশ্লিষ্টরা জানান, আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় না আসা পর্যন্ত ঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়া নিরাপদ হবে না। আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএ’র নির্দেশনা অমান্য করারও সুযোগ নেই।

এদিকে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ কারণে সকাল ৬টা থেকে সব ধরনের লঞ্চ এবং নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশের আগ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।’

এছাড়াও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম খান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে যাত্রীসাধারনের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে শনিবার রাত ১০টা থেকে ঢাকা নদী বন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপথের সব লঞ্চ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সব বিভাগে হতে পারে রেকর্ড বৃষ্টি, ঢাকায় জলাবদ্ধতার শঙ্কা
ঝালকাঠিতে উত্তাল নদীতে ট্রলারে যাত্রী পারাপার
ঘূর্ণিঝড় শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব মন্ত্রণালয়ের কর্মীদের ছুটি বাতিল
সাগর উত্তাল, নির্দেশনা না মেনে কক্সবাজারে পর্যটক
বাংলাদেশ, ভারতের কোন কোন অঞ্চলে পড়বে ‘রিমালের’ প্রভাব

মন্তব্য

p
উপরে