× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Wood is being burnt in a brick kiln in Madaripur
google_news print-icon

মাদারীপুরে ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ

মাদারীপুরে-ইটভাটায়-পোড়ানো-হচ্ছে-কাঠ
ইটভাটায় পোড়ানোর জন্য জড়ো করা হয়েছে কাঠ। ছবি: নিউজবাংলা
চলতি বছরে প্রতি টন কয়লা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা। এ ছাড়া ডিপো থেকে ভাটা পর্যন্ত কয়লা আনতে ট্রাকে ভাড়া লাগছে টনপ্রতি ২ হাজার টাকা। অন্যদিকে এক টন কাঠের দাম প্রায় ৮ হাজার টাকা। কয়লার তুলনায় কাঠ পোড়ালে প্রায় চার গুণ বেশি লাভ হয়।

আইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ইটের ভাটায় মানসম্মত কয়লা ব্যতীত অন্য কোনো জ্বালানি ব্যবহার করা যাবে না । তবে প্রশাসনের তদারকির অভাবে নির্বিঘ্নে মাদারীপুরের প্রায় সব ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে ইট। এতে একদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে উজাড় হচ্ছে বন-জঙ্গল।

ইটভাটার মালিকদের দাবি, কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ ভাটায় কাঠ পোড়াতে বাধ্য হচ্ছেন।

প্রশাসন বলছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে।

সদর উপজেলার পাঁচখোলা এলাকায় এসবিএস ইটভাটায় কয়েক হাজার মণ গাছের গুঁড়ি স্তূপ করে রাখা। কাঠ টুকরা করতে পাশেই বসানো হয়েছে অস্থায়ী স’মিল। এ যেন গাছ পোড়ানোর মহোৎসব।

শুধু এই ইটভাটা-ই নয়, জেলার ৭৪টি ইটভাটার বেশির ভাগই এ মৌসুমে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। ফলে উজাড় হচ্ছে বন-জঙ্গল, ভারসাম্য হারাচ্ছে জীববৈচিত্র্য। পরিবেশে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষের রোগবালাই বেড়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা চায় এলাকাবাসী।

আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। কিছু বললে উল্টো আমাদের ওপর হামলা করে। ফলে কারো নাম বলতেও ভয় পাই। প্রশাসন আসে, তারা টাকা-পয়সা নিয়ে আর কিছু করে না। তাই আমরাও অনেক সময় মুখ খুলি না। আগামী দিনে এমন চললে কিছু করার থাকবে না।’

মাদারীপুরে ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ

ভাটার এমএমএস ইটভাটার মালিক হেদায়েত হোসেন বলেন, ‘চলতি বছরে প্রতি টন কয়লা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা। এ ছাড়া ডিপো থেকে ভাটা পর্যন্ত কয়লা আনতে ট্রাকে ভাড়া লাগছে টনপ্রতি ২ হাজার টাকা। অন্যদিকে এক টন কাঠের দাম প্রায় ৮ হাজার টাকা। কয়লার তুলনায় কাঠ পোড়ালে প্রায় চার গুণ বেশি লাভ হয়। তাই অনেক ভাটায় কয়লার পরিবর্তে গাছ পোড়ানো হয়।’

এ ব্যাপারে মাদারীপুরের অন্যতম পরিবেশবাদী সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের নির্বাহী পরিচালক রাজন মাহমুদ বলেন, ‘ইটের ভাটায় কাঠ ব্যবহার করলে বেশি পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে মিশে। অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়। অচিরেই কাঠ পোড়ানো বন্ধ না হলে পরিবেশ মারাত্মক হুমকিতে পড়বে। তাই যারা কাঠ পোড়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনোভাবেই কাউকে ছাড় দেয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে আমরা বৃহৎ আন্দোলনে নামব।’

জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, ‘কাঠ পোড়ানো ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। কোনো অপশক্তিই রুখতে পারবে না। চলতি মৌসুমে তিনটি ইটভাটায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে। কাউকে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন:
বগুড়া-টাঙ্গাইলসহ চার জেলার অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ
ইটভাটা বন্ধ করতেই হবে: মেয়র আতিক
চেয়ারম্যানের ইটভাটায় সিসা কারখানা, বাড়ছে রোগব্যাধি
ফসলি জমি রক্ষায় বীর মুক্তিযোদ্ধার লড়াই
ইটভাটাগুলো ভাঙা হয়নি, দেয়া হয়েছে আঁচড়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Unhealthy air in Dhaka during the holidays is the third lowest

ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে তৃতীয়

ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস, নিম্ন মানে তৃতীয় মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৯ গুণ বেশি।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বাতাসের নিম্ন মানে প্রথম সারিতে রয়েছে ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ১৫৭ স্কোর নিয়ে ১১৮টি শহরের মধ্যে বায়ুর নিম্ন মানে তৃতীয় ছিল ঢাকা।

একই সময়ে প্রথম ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিনশাসা ও ভারতের দিল্লি।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৯ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৫৭। এর মানে হলো ওই সময়টাতে নিঃশ্বাসের সঙ্গে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’
বৃষ্টির পর ঢাকার বাতাসের মানের উন্নতি
ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে চতুর্থ ঢাকা
ঢাকার বাতাসের মান ‘মধ্যম’ পর্যায়ে
ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The temperature of Sylhet is breaking records every day

প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস

প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস ফাইল ছবি
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, ‘দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে গরম বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে এই সময়ে গরম কিছুটা কমে। তবে আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে।’

সিলেটজুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই জনপদের তাপমাত্রা।

শুক্রবার বেলা ৩টায় সিলেটের তাপমাত্রা ছিলো ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলিসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে পারদ ওঠে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা মৌসুমের সর্বোচ্চ ছিল। একদিন পরই সে রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায়।

তাপমাত্রা বাড়ায় বেড়েছে গরমও। গত তিন-চারদিন ধরে টানা গরমে নগরবাসীর হাঁসফাঁস অবস্থা; বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা রয়েছেন কষ্টে।

গত ১৬ মে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় সিলেটের তাপমাত্রা। তখন সেটিই ছিল মৌসুমের সর্বোচ্চ। তার পর থেকে ধারাবিহকভাবে বেড়ে চলছে এ জেলার পারদ।

সিলেটে গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। মাঝখানে সোমবার বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা কমার কোনো লক্ষণ নেই।

এদিকে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং। ফলে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন সিলেটবাসী।

শুক্রবার অফিস-আদালত ও স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তেমন কেউ বাইরে সড়কে বের হননি। ফলে দুপুর পর্যন্ত নগরের সড়কগুলো ছিলো অনেকটাই ফাঁকা। তবে গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরে থাকাও দায় হয়ে উঠেছে।

নগরের শিবগঞ্জ এলাকার গৃহিনী তাসনিম আক্তার বলেন, ‘বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ থাকায় আজ বাইরে বের হতে হয়নি, কিন্তু রান্নাবান্না তো করতে হচ্ছে! এই গরমে ঘরে বসে থাকাই দায়; সেখানে চুলার কাছে গেলে তো মনে হয় শরীরে আগুন ধরে যাচ্ছে। এরইমধ্যে কিছুক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ফলে ঘরে থাকারও উপায় নেই।’

নগরের কিন ব্রিজ এলাকায় রিকশা থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন চালক কায়সার আহমদ।

তিনি বলেন, ‘শীত-গরম যেটাই বাড়ুক, সবসময়ই মোদের রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। নাহলে খাওয়া জুটবে না, কিন্তু এই গরমে রিকশা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই কিছুক্ষণ পরপর ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে নিচ্ছি।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, ‘দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে গরম বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে এই সময়ে গরম কিছুটা কমে। তবে আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে।’

তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Low winds during holidays mean fourth Dhaka

ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে চতুর্থ ঢাকা

ছুটির দিনে বাতাসের নিম্ন মানে চতুর্থ ঢাকা মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৩ গুণ বেশি।

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ছুটির দিন শুক্রবার দুপুরে ঢাকার অবস্থান চতুর্থ।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১২৭ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

একই সময়ে যথাক্রমে ১৭৫ ও ১৫৬ স্কোর নিয়ে তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে ছিল গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিনশাসা ও পাকিস্তানের লাহোর।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৩ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১২৭। এর মানে হলো ওই সময়টাতে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ছিল ঢাকার বাতাস।

আরও পড়ুন:
দূষিত বাতাসে ঢাকা শীর্ষে
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে বাতাসের নিম্ন মানে তৃতীয় ঢাকা
ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Remal may hit the coast of Bangladesh on Sunday

উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’

উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’ ছবি: আবহাওয়া অধিদপ্তরের সৌজন্যে
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ বাংলাদেশ, মিয়ানমার বা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা অঞ্চলের দিকেই। তবে এর গতিপথ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে গতিপথ স্থির হবে। তখন বলা যাবে যে এটি কোথায় আঘাত হানতে পারে।

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে, যা ঘনীভূত হয়ে ধাপে ধাপে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে। ‘রেমাল’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি ২৬ মে রোববার সরাসরি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে বুধবার জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ বাংলাদেশ, মিয়ানমার বা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা অঞ্চলের দিকেই। তবে এর গতিপথ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে।

রাতে একটা গতিপথ থাকছে, সকালে আরেকটা। তাই লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত এমনই থাকবে। নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। তবে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তখন গতিপথ স্থির হবে। সে সময় স্পষ্টভাবে বলা যাবে, এটা কোনো এলাকায় বা স্থানে আঘাত হানতে পারে।

তিনি বলেন, বুধবার লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতি বা শুক্রবারের মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। শুক্রবার রাত বা পরদিন শনিবার সকালের দিকে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, “ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ২৬ মে সকাল ৬টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করতে পারে।

“ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের অগ্রবর্তী অংশ উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারে রোববার সকাল ৬টার পর। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাব্য সময় রোববার দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল ৬টার মধ্যে। ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের পেছন দিকের অর্ধেক অংশ পুরোপুরি স্থলভাগে প্রবেশ করতে রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি জোয়ারের সময় উপকূলে আঘাত হানা শুরু করলে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

‘খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোর উপকূলে আঘাতের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়াসহ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

‘ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে শুক্রবার থেকে, যা ২৮ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ওপর মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে ২৫, ২৬ ও ২৭ মে। অপেক্ষাকৃত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ২৪ ও ২৮ মে।’

বৃহস্পতিবার থেকেই সমুদ্র উত্তাল হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত, যা বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার ওপরে রয়েছে। এর বিস্তৃতি ভারতের হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে পূর্ব বাংলাদেশ পর্যন্ত। এ ছাড়া রেমালের প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হতে পারে, যা শুক্রবার নাগাদ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে, ওই নিম্নচাপ বলয় উত্তর-পূর্বে সরে এসে নিম্নচাপ তৈরি করতে পারে। এ ছাড়া এটিই পরে শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার মতো অনুকূল পরিস্থিতি সাগরে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, হতে পারে ঘনীভূত
বৃষ্টি হতে পারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The heatwave subsides and there is a glimpse of rain

তাপপ্রবাহ কমে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

তাপপ্রবাহ কমে ঝড়-বৃষ্টির আভাস দেশের সব বিভাগে ঝড়বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
এদিকে তাপপ্রবাহ নিয়ে সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে রোববার দেশের সব বিভাগে কমবেশি ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

এদিকে তাপপ্রবাহ নিয়ে সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তাপপ্রবাহের সতর্কতায় বলা হয়েছে, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

তাছাড়া সার্বিকভাবে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka air is bearable during holidays

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত শীর্ষ দশে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতি হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শনিবার সকালে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম মানের’ বাতাস পেয়েছে রাজধানীবাসী।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ৯১ স্কোর নিয়ে বাতাসের মানের দিক থেকে ১১৯টি শহরের মধ্যে ১৮তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে শীর্ষে ছিল ভারতের দিল্লি।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯১। এর মানে হলো সে সময়টাতে মধ্যম মানের বা সহনীয় বাতাস নিতে পেরেছেন রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’
তালিকায় উন্নতি, তবু অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka air is bearable during holidays

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত শীর্ষ দশে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতি হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার দুপুরে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম মানের’ বাতাস পেয়েছে রাজধানীবাসী।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ৯০ স্কোর নিয়ে বাতাসের মানের দিক থেকে ১১৯টি শহরের মধ্যে ১৩তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে শীর্ষে ছিল ভারতের দিল্লি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল চীনের চেংদু ও মিসরের কায়রো।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯০। এর মানে হলো সে সময়টাতে মধ্যম মানের বা সহনীয় বাতাস নিতে পেরেছেন রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
তালিকায় উন্নতি, তবু অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
মানে উন্নতি, তবু ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

p
উপরে