× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Want to hold a peaceful rally Fakhrul
google_news print-icon

শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই: ফখরুল

শান্তিপূর্ণ-সমাবেশ-করতে-চাই-ফখরুল
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
‘আগামী ১০ তারিখে আমাদের যে কর্মসূচি রয়েছে তা যেন শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারি, এজন্য সরকারকে সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই যে গ্রেপ্তার নির্যাতন, এর তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।‘

রাজধানীতে বিএনপির ঘোষিত সমাবেশের তিন দিন আগে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ করতে সরকারের সহযেগিতা চেয়েছেন। বলেছেন, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে সরকারকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

আগামী শনিবার রাজধানীতে সমাবেশের স্থল নিয়ে বিরোধের মধ্যে বুধবারের সংঘর্ষের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনের ফুটপাতে অবস্থানের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা বারবার ডিএমপি কমিশনারকে কথা দিয়েছি, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব। আশা করেছিলাম, আজকে আমরা ডিএমপির কাছ থাকে সমাবেশের অনুমতি পাব। সেই আশায় আমরা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়েছিলাম।

‘কিন্তু সরকার আমাদের সঙ্গে বিট্রে করেছে। তারা সশস্ত্রভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি দলের কার্যালয়ে প্রবেশ করার জন্য সবার সঙ্গে কথা বলেছি। কমিশনার, হোম মিনিস্টার.. কিন্তু কথা বলে লাভ নেই। ইনফ্যাক্ট এখানে কোনো সরকারই নেই।’

বিএনপি সমাবেশটি করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

সমাবেশস্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকে।

পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, বিএনপির কাজ বিএনপি করবে- দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ।

বিকেলে মির্জা ফখরুল অবস্থান নেন দলীয় কার্যালয়ের সামনে। তিনি সেখানে অবস্থানের সময়েই দরজা ভেঙে পুলিশ ঢুকে কার্যালয়ে। গ্রেপ্তার করে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে। আটক করা হয় আরও অনেককে।

পুলিশ কর্মকর্তারা ফখরুলকে জায়গা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানান। তবে তিনি অনড় থাকেন। বলেন, ‘আজ আমি যাব না, এখানেই থাকব। হোম মিনিস্টার আমাকে এখানে আসতে বলেছেন। তারপরও আসার পর আমাকে ঢুকতে (দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে) দেয়া হয়নি।’

পরে অভিযানের নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। দলীয় কার্যালয় থেকে কেন্দ্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাসহ অন্তত দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ ব্যাগ-ট্যাগ নিয়ে ঢুকেছে। এগুলোকে বিস্ফোরক হিসেবে দেখাবে। এসব দেখিয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করবে। এর চেয়ে খারাপ কাজ আর কিছু হতে পারে না।’

‘এটা ন্যক্কারজনক হামলা। পুলিশ গেইট বন্ধ করে ভেতরে তল্লাশির নামে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। ভেতরে বিস্ফোরক ঢুকিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার ব্যবস্থা করছে। এটা অসাংবিধানিক’- বলেন বিএনপি নেতা।

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ নিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই

এই সংঘর্ষের পর শনিবার বিএনপির সমাবেশ অনিশ্চিত হয়ে গেল কি না, এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে ফখরুল সমাবেশটি করতে চান।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ তারিখে আমাদের যে কর্মসূচি রয়েছে তা যেন শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারি, এজন্য সরকারকে সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই যে গ্রেপ্তার নির্যাতন এর তার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।‘

আরও পড়ুন:
বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে কাঁদানে গ্যাস
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ফখরুলের অবস্থান
বিএনপি কার্যালয় ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ১, আহত ১৮
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Power sector in deep crisis Rizvi

বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে: রিজভী

বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে: রিজভী রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: ফোকাস বাংলা
রিজভী বলেন, ‘তাপমাত্রা এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, অথচ দেশের মানুষ সকাল-সন্ধ্যা লোডশেডিংয়ে ভুগছে।’

দেশের বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে নিমজ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। খবর ইউএনবির

রিজভী বলেন, ‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘কাদের দাবি করেছেন, দেশের মানুষ শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ তার কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে স্বল্প পরিসরে হলেও লোডশেডিং থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘তাপমাত্রা এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, অথচ দেশের মানুষ সকাল-সন্ধ্যা লোডশেডিংয়ে ভুগছে।’

‘বিএনপি দেশের মানুষকে উপেক্ষা করে বিদেশি প্রভুর কাছে ধরনা দিচ্ছে’ ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের নিন্দা করেন রিজভী।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সম্ভবত স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। কারণ তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচন ভুলে গিয়েছিলেন, যখন ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুজাতা সিং আওয়ামী লীগকে তাদের সমর্থন করতে এবং এইচএম এরশাদকে নির্বাচনে যোগদান করানোর জন্য বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।’

এটি একটি সার্বভৌম দেশে হস্তক্ষেপের স্পষ্ট লক্ষণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক, জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল), সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
First Trade Permit to Shift Chemical Warehouse from Old Dhaka to Shyampur

পুরান ঢাকা থেকে শ্যামপুরে রাসায়নিক গুদাম স্থানান্তরের প্রথম বাণিজ্য অনুমতি

পুরান ঢাকা থেকে শ্যামপুরে রাসায়নিক গুদাম স্থানান্তরের প্রথম বাণিজ্য অনুমতি ফাইল ছবি
এর ফলে দীর্ঘ এক যুগ পর রাসায়নিক গুদাম হিসেবে প্রথম কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য অনুমতি দিল দক্ষিণ সিটি।

নিমতলী ও চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডের পর পুরান ঢাকা থেকে শ্যামপুরে রাসায়নিক গুদাম (কেমিক্যাল গোডাউন) স্থানান্তরিত করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য অনুমতি (ট্রেড লাইসেন্স) দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

রোববার বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এর ফলে দীর্ঘ এক যুগ পর রাসায়নিক গুদাম হিসেবে প্রথম কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্য অনুমতি দিল দক্ষিণ সিটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজধানীর শ্যামপুরে বাস্তবায়িত ‘অস্থায়ী ভিত্তিতে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য নির্মিত গুদাম’ প্রকল্পে স্থানান্তরিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ‘মেসার্স রয়েল টন লেকার কোটিং’ নামক রাসায়নিক প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্য অনুমতি নবায়ন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

শ্যামপুরে স্থানান্তরিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাণিজ্য অনুমতি নবায়নের আবেদন করা হলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানকে নবায়নকৃত এই বাণিজ্য অনুমতি দেয়।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘শ্যামপুরে স্থানান্তরিত হওয়ায় আমি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে অন্যান্য রাসায়নিক গুদাম ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও সেখানে স্থানান্তরিত হবে। নিরাপদ হবে আমাদের পুরাতন ঢাকার সামগ্রিক পরিবেশ।’

যেসব প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরিত হবে না, পর্যায়ক্রমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘শ্যামপুরে অস্থায়ী ভিত্তিতে যে রাসায়নিক গুদামগুলো নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে অগ্নি নির্বাপণের আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়াও খোলামেলা পরিবেশ হওয়ার সেখানে ঝুঁকির মাত্রাও অনেক কম। পাশাপাশি এসব রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ৩১০ একর জায়গার ওপর যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে আমরা জেনেছি। জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টিকারী এসব রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠান যদি সেখানে স্থানান্তরিত না হয় তাহলে আমরা সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করব।’

গত বছরের ৪ জুন শ্যামপুরে ‘অস্থায়ী ভিত্তিতে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য নির্মিত গুদাম’ প্রকল্প চালু করা হয়। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সেসব গুদাম উদ্বোধন করেন।

এ ছাড়া নিমতলী অগ্নিকাণ্ডের পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২০১৩ সাল থেকে পুরান ঢাকায় অবস্থিত এসব রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠানকে এবং চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডের পর ২০১৯ সাল থেকে রাসায়নিক গুদাম ও প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিস্ফোরক জাতীয় রাসায়নিক ব্যবহৃত হয় এ ধরনের প্লাস্টিক কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে বাণিজ্য অনুমতি দেয়া ও বাণিজ্য অনুমতি নবায়ন বন্ধ রাখে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three of the 11 admitted have received clearance from the Burn Institute
বেইলি রোডের আগুন

বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন

বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন বেইলি রোডে গত বৃহস্পতিবার আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনের সামনে উৎসুক লোকজনের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের ঘটনায় আমাদের হাসপাতালে যে ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত আমরা ১১ জনকে ছুটি দিতে পেরেছি। তাদের অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। স্টেবল আছেন তারা এবং ভালো ফিল করছেন। সুস্থ থাকায় তাদের ১১ জনকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।’

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ধরা আগুনে দগ্ধ হয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া ১১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

হাসপাতালটিতে এখনও চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনজন, যাদের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগীদের অবস্থা জানাতে রোববার প্রতিষ্ঠানটিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম।

বেইলি রোডের ভবনটিতে আগুনে প্রাণহানি হয় ৪৬ জনের। এ ঘটনায় দগ্ধ ১৪ জনকে ভর্তি করা হয় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের ঘটনায় আমাদের হাসপাতালে যে ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন, তার মধ্যে আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত আমরা ১১ জনকে ছুটি দিতে পেরেছি। তাদের অবস্থা এই মুহূর্তে ভালো আছে। স্টেবল আছেন তারা এবং ভালো ফিল করছেন। সুস্থ থাকায় তাদের ১১ জনকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।

‘হাসপাতালে এই মুহূর্তে ভর্তি আছেন তিনজন। এই তিনজনও ইমপ্রুভমেন্টের (উন্নতি) দিকেই আছেন। তাদের আগের শ্বাসককষ্ট, কাশি অপেক্ষাকৃত কম, তবে তারা এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নন। এদের মধ্যে দুজনের আগে থেকে শ্বাসকষ্ট ছিল এবং আরেকজনের শরীরে কিছু ব্যথা-বেদনা রয়েছে। তো সবকিছু মিলিয়ে তারা পরিপূর্ণ সুস্থ নন বলে এই তিনজনকে এখন পর্যন্ত ভর্তি রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ seeking closure of restaurants in residential areas of the capital

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

রাজধানীর বেইলি রোডসহ আবাসিক এলাকাগুলোতে রেস্তোরাঁর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ রোববার রিটটি করেন।

রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ঢাকার আবাসিক এলাকায় বেইলি রোডসহ কোনো রকমের রেস্টুরেন্টসহ বাণিজ্যিক কোনো কর্মকাণ্ড যাতে না করে, তাহা বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা চেয়ে আমি রিট করেছি এবং এই রিটটি আজকে শুনানি করব।’

আরও পড়ুন:
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After collecting DNA samples the post mortems of the three bodies were completed
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
রমনা থানার এসআই হাবিবুর রহমান শনিবার বিকেলে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জাকিয়া তাসনিম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। যাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে তারা হলেন- বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী, মিনহাজ উদ্দিন ও অজ্ঞাত যুবক।

রাজধানী বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী সাংবাদিকসহ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জাকিয়া তাসনিম (লেকচারার) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।

যাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে তাদের একজন হলেন বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। ২৬ বছর বয়সী এই তরুণীর পিতা সাহাবুল আলম ওরফে সবুজ শেখ, বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকশা উপজেলার বনগ্রাম গ্রামে। তার মাতা বিউটি বেগম।

তিন বোনের মধ্যে বৃষ্টি ছিলেন সবার বড়। তিনি কুষ্টিয়া মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকায় এসে ইডেনে মহিলা কলেজে দর্শন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। পাশাপাশি ‘দ্য রিপোর্ট’ নামে একটি নিউজ পোর্টালে সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে নারী সাংবাদিক বৃষ্টি খাতুনের বাবা সাহাবুল আলম মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন- এটা আমার মেয়ের মরদেহ। এর পাশাপাশি সনাতন ধর্মের কয়েকজন দাবি করেন যে নিহত ওই সাংবাদিকের নাম বৃষ্টি খাতুন নয়, তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী।

‘নাম-পরিচয় নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে রমনা কালী মন্দিরের সভাপতি শুক্রবার রাতে রমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মেয়েটি সনাতন ধর্মের। তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। সে প্রায় সময় রমনা কালীমন্দিরে পূজো দিত। তার বাড়ি ভারতে।’

এসআই হাবিবুর আরও বলেন, ‘বৃষ্টির কপাল ঝলসানো ছিল। গলায় তুলসির মালা ও বাম হাতে লাল সুতা বাঁধা ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে। মরদেহ নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখন আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।’

হাবিবুর রহমান জানান, এছাড়া আগুনের ওই ঘটনায় প্রাণ হারানো কে এম মিনহাজ উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার পিতা মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ খান মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদরের গাছতলা গ্রামে দাফন করার জন্য নিয়ে যান। ২৬ বছর বয়সী মিনহাজ রাজধানীর বাসাবো খেলার মাঠ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি কম্পিউটার সফটওয়্যারের কাজ করতেন।

ময়নাতদন্ত শেষে অজ্ঞতনামা অপর যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী এই তরুণের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পরিচয় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
নীলক্ষেতে গাউসুল আজম মার্কেটে আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Letter to mark and seal dangerous buildings

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সিলগালা করতে চিঠি

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সিলগালা করতে চিঠি রাজউক ভবন। ফাইল ছবি
রাজধানীতে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন কতগুলো রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে সিলগালা করে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় কারা দায়ী তা জানতে চেয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

শনিবার আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এ চিঠি দেন।

চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কেজি কটেজ ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, ভবনটি যে ধরনের বাণ্যিজিকভাবে জন্য ব্যবহার হয়েছে তার অনুমোদন ছিল না এবং ভবনের সিঁড়ি নিয়ম অনুযায়ী তৈরি হয়নি। ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে বারবার ভবনের এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও কেন কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

চিঠিতে তিনি বলেন, এ বিষয়গুলোর ব্যাপারে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল সেটির সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। ঘটনায় যাদের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে তাদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া, রাজধানীতে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন কতগুলো রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে সিলগালা করে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এই চিঠির একটি অনুলিপি গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সচিব, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Remand 4 along with Kacchi Bhais manager and owner of Tea Chumuk
বেইলি রোড ট্রাজেডি

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪ আগুনে পুড়েছে ভবনটি, প্রাণ গেছে বহু মানুষের। ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় কাচ্চি ভাইয়ের ব্যবস্থাপক ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

শনিবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন তাদের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড প্রাপ্তরা হলেন- কাচ্চি ভাইয়ের ব্যবস্থাপক জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ মহিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবনটিতে থাকা চুমুক নামের একটি খাবার দোকানের দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই নামের পর একটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসানকে আটক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও একজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ভয়াবহ ওই আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারানো ৪৬ জনের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮টি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
কক্সবাজারের পথে কাস্টমস কর্মকর্তা, স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ
বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

মন্তব্য

p
উপরে