× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
High Court reprimands Shyamoli Travels for not paying compensation
hear-news
player
google_news print-icon

ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় শ্যামলী ট্রাভেলসকে হাইকোর্টের ভর্ৎসনা 

ক্ষতিপূরণ-না-দেয়ায়-শ্যামলী-ট্রাভেলসকে-হাইকোর্টের-ভর্ৎসনা 
ফাইল ছবি
শ্যামলী এনআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশকে উদ্দেশ্য করে জ্যেষ্ঠ বিচারক কেএম কামরুল কাদের বলেন, ‘মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম লোকটি মারা গেল, পরিবারের বাকি সদস্যরা পঙ্গু হয়েছে। আপনারা একটি বারের জন্য খোঁজ-খবরও নিলেন না। আপনারা মানুষের পর্যায়ে নেই।’

অ্যাম্বুলেন্সে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সবজি বিক্রেতা আয়নালের পরিবারকে দীর্ঘদিন পরও কোনো আর্থিক সহায়তা না করায় শ্যামলী এন আর পরিবহনকে ভর্ৎসনা করেছে হাইকোর্ট।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে জারি করা রুলের শুনানিকালে বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ ভর্ৎসনা করে।

শ্যামলী এনআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশকে উদ্দেশ্য করে জ্যেষ্ঠ বিচারক কেএম কামরুল কাদের বলেন, ‘মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম লোকটি মারা গেল, পরিবারের বাকি সদস্যরা পঙ্গু হয়েছে। আপনারা একটি বারের জন্য খোঁজ-খবরও নিলেন না। আপনারা মানুষের পর্যায়ে নেই।’

বিচারক বলেন, ‘আপনারা আইন বাস্তবায়ন করতে দিচ্ছেন না। সড়কে যা ইচ্ছা তাই করছেন। আর কত? টাকা লুট করছেন। আপনারা কোনো মানুষের পর্যায়ে নেই।’

এ সময় বিচারক রিটকারিদের আইনজীবী শিশির মনিরকে ডেকে বলেন, ‘তারা (বাস কর্তৃপক্ষ) কি কোনো টাকা দিয়েছেন?’

তখন আইনজীবী বলেন, ‘না, মাই লর্ড কোনো টাকা দেয়নি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তিন সন্তান পঙ্গু হয়েছেন।’

তখন বিচারক শ্যামলী এনআরের এমডি রাকেশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার অথচ এখানে আপনার অবহেলা দেখা যায়। আপনারা কি মানুষের পর্যায়ে আছেন। লাশ নিতে গিয়ে মানুষ মারা গেল, আপনারা একজন দেখতেও গেলেন না। আপনাদের কি মানবিকতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘আপানারা চালকদের কোনো শিক্ষা দেন না। আপনাদের চালকেরা কোনো কিছুর তোয়াক্কা করে না। কাউকে পরোয়া করে না। যত্রতত্র গাড়ি চালান। এটা ঠিক না। পুলিশও এসব দেখে না। ভাবখানা যেন পুলিশের থেকেও আপনারা পাওয়ারফুল।’

গাড়ি চালকদের পর্যাপ্ত ঘুমের সুযোগ দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করে আদালত।

পরে আদালত দুই পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে বসে অবিলম্বের টাকা দিতে নির্দেশ দিয়ে আগামী ১৪ ডিসেম্বর বুধবার ফের আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়।

আদালতে রিটকারিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির, আর শ্যামলী এনআর ট্রাভেলেসের পক্ষে ছিলেন তাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সবজি বিক্রেতা আয়নালের পরিবারে সদস্য ও আহতদের জন্য ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত ৭ আগস্ট রুল জারি করে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে সড়ক পরিবহন আইনের অধীনে গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের ফান্ড গঠনে কি অগ্রগতি হয়েছে তা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালতের নোটিসে সাড়া না দেয়ায় শ্যামলী এনআর ট্রাভেলেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে তলব করে হাইকোর্ট। বুধবার তিনি হাজির হন।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘ঢাকার রূপনগরের সবজি বিক্রেতা আয়নাল হোসেন নিহতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিস দেয়া হয়েছিল। শ্যামলী পরিবহনের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তারা এ বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়।’

চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বেুলেন্সে গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। বগুড়ার শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ঘোগা সেতুর পাশে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সচটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে আয়নাল হোসেনের মৃত্যু হয়। পর অ্যাম্বুলেন্সের চালকেরও মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন আয়নাল হোসেনের তিন ছেলে ফরিদ হোসেন, ফরহাদ হোসেন ও ফিরোজ হোসেন।

আরও পড়ুন:
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
ঢাবিতে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভে ১১ দফা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The project director was beaten and vandalized by the contractors in Chittagong

চট্টগ্রামে প্রকল্প পরিচালককে ঠিকাদারদের মারধর, ভাংচুর

চট্টগ্রামে প্রকল্প পরিচালককে ঠিকাদারদের মারধর, ভাংচুর রোববার প্রকল্প পরিচালককে ঠিকাদারদের মারধরের পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম ইয়াজদানীর দপ্তরে ৮-১০ জন ঠিকাদার ঢুকে তর্ক জুড়ে দেন। একপর্যায়ে তারা প্রকল্প পরিচালকের ওপর হামলা চালান। ঠিকাদাররা তাকে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) একটি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালককে মারধর করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার। নগরের টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ের চারতলায় রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঠিকাদাররা প্রকল্প পরিচালকের কক্ষের টেবিল ও বাইরের নামফলক ভাংচুর করেন।

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, স্বচ্ছতার মাধ্যমে হওয়া টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাজ না পেয়ে ঠিকাদাররা ওই হামলা চালিয়েছেন।

সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম নগরীর সড়ক উন্নয়নে ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে এখন ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টের (ইজিপি) মাধ্যমে ২২০ কোটি টাকার দরপত্র প্রক্রিয়ার মূল্যায়ন চলছে। নানা কারণে হামলাকারীরা সেই প্রক্রিয়ায় কাজ পাচ্ছেন না। তাতে ক্ষুব্ধ ছিলেন তারা।

হামলার শিকার মো. গোলাম ইয়াজদানী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী। তাকে গত বছরের ১৪ আগস্ট ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতায় এয়ারপোর্ট রোডসহ বিভিন্ন সড়কসমূহ উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

চসিক সূত্র বলেছে, রোববার নগরের আন্দরকিল্লায় পুরোনো নগর ভবনে সাধারণ সভা হয়। সেই সভা শেষ করে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে টাইগারপাসে অস্থায়ী প্রধান কার্যালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম ইয়াজদানী। তিনি দপ্তরে ঢোকার পর পরই ৮-১০ জন ঠিকাদার অনুমতি ছাড়াই তার কক্ষে ঢুকে তর্ক জুড়ে দেন। একপর্যায়ে তারা অতর্কিতভাবে প্রকল্প পরিচালকের ওপর হামলা চালান। ঠিকাদাররা তাকে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। অফিস সহকারী তিলক দে প্রকল্প পরিচালককে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। হামলার পর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন ওই ঠিকাদাররা।

রোববার সন্ধ্যায় প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নামফলক ভেঙে ফেলা হয়েছে। কার্যালয়ের এখানে-ওখানে ভাঙা কাচ। এ সময় মো. গোলাম ইয়াজদানী বলেন, ‘আমি ঘটনার পর থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছি। এ নিয়ে এখন আর কথা বলতে চাচ্ছি না।’

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের প্রকল্প পরিচালককে মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম সিটির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হামলাকারী ঠিকাদারদের মধ্যে মো. সাহাবুদ্দিন, মো. ফেরদৌস, হাবিব, সুভাস, কঙ্কন, নাজিম ও ফিরোজ ছিলেন। এই সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’

হামলার বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই অ্যাকশনে যাচ্ছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে কারা ছিলেন। ছবি বের করছি। সাহাবুদ্দিন নামে একজনের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজ দেয়া হচ্ছে। এখানে তো মামার বাড়ির কোনো আবদার নেই। নিয়ম অনুযায়ী যদি এই ঠিকাদাররা কাজ না পান আমাদের কী করার আছে? আমরা মামলা করব।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘আমি রোববার সিটি করপোরেশনে যাইনি। হামলার অভিযোগ সঠিক নয়।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ
যাত্রীর অন্তর্বাসে দেড় কোটি টাকার স্বর্ণ
সার্ভার হ্যাক করে ৫ হাজার জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি
আদালত থেকে পালানো আসামি ফের মাদক নিয়ে গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, আটক ২০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Body on fire due to quarrel with husband

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে গায়ে আগুন

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে গায়ে আগুন ফাহমিদা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রী ফাহমিদাকে উদ্ধার করতে গিয়ে স্বামী পারভেজ খানও দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়ায় ফাহমিদা আক্তার নামে এক গৃহবধূ দগ্ধ হয়েছেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে স্বামী পারভেজ খানও দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ থানাধীন আমবাগিচার বাসায় রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পারভেজ খান জানান, তিনি লঞ্চে লস্কর পদে কর্মরত। তার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার পোশাক শ্রমিক। রোববার বিকেলে বাজার থেকে মাছ ও মুরগি এনে ফ্রিজে রাখতে বললে স্ত্রী অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে স্ত্রীর সঙ্গে তার সামান্য তর্ক-বিতর্ক হয়। এই ঘটনার জের ধরে ফাহমিদা অভিমান করে রান্নাঘর থেকে কেরোসিন নিয়ে নিজের গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনিও দগ্ধ হন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন জানান, ফাহমিদা আক্তারের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন:
শুটিং স্পটে দগ্ধ অভিনেত্রী আঁখি
ধামরাইয়ে দগ্ধ ৫ জনই মারা গেলেন
ধামরাইয়ে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু
গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন: দগ্ধ শিশুর মৃত্যু
উত্তরখানে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former UP member stabbed to death

সাবেক ইউপি সদস্যকে টেঁটা দিয়ে হত্যা

সাবেক ইউপি সদস্যকে টেঁটা দিয়ে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ফাইল ছবি
নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম জানান, সাবেক ইউপি সদস্য অলি মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার ইকবালের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে প্রতিপক্ষ তাকে টেঁটা বিদ্ধ করে কুপিয়ে হত্যা করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে টেঁটা বিদ্ধ করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ওলি মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে। তিনি ওই এলাকার মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে এবং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য।

রোববার রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের তাতুয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম জানান, সাবেক ইউপি সদস্য অলি মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার ইকবাল হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তবে অলি মিয়া বাড়িতে থাকতেন না। একজনের জানাযা নামাজে শরিক হতে দীর্ঘদিন পর তিনি নিজ বাড়িতে আসেন।

পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ তাতোয়াকান্দি গ্রামে ওলি মিয়াকে একা পেয়ে হামলা চালায়। অলি মিয়া দৌড় দিলে হামলাকারীরা তার দিকে টেঁটা ছুড়ে মারে। টেঁটা তার মুখ ও গলায় বিদ্ধ হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করে প্রতিপক্ষ।

ইকবাল ও তার সমর্থকরা চলে গেলে স্থানীয়রা ওলি মিয়াকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সিরাজুল ইসলাম আরও জানান, ইকবালের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় মেয়ের সাক্ষ্য
‘গাড়ি চালকের সাহায্যে বাসায় ঢুকে সাংবাদিক আফতাবকে হত্যা’
বরিশালে বিষ মিশিয়ে দুই নারীকে হত‌্যা: পুলিশ
প্রেমিকের পিটুনিতে প্রাণ গেল মেয়ের বাবার
মাকে পাঁচ টুকরো করে হত্যার মামলায় ছেলেসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Japanese mother will have 2 children

জাপানি মায়ের জিম্মায় থাকবে ২ শিশু

জাপানি মায়ের জিম্মায় থাকবে ২ শিশু দুই কন্যার সঙ্গে বাংলাদেশি আমেরিকান ইমরান শরীফ ও জাপানি স্ত্রী নাকানো এরিকো। ছবি: সংগৃহীত
২০০৮ সালের ১১ জুলাই জাপানের এরিকো ও বাংলাদেশি আমেরিকান ইমরান শরীফ জাপানি আইন অনুযায়ী বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা টোকিওতে বসবাস শুরু করেন। ১২ বছরের সংসারে তারা তিন কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। তারা হলো জেসমিন মালিকা, লাইলা লিনা ও সানিয়া হেনা।

জাপানি নারী নাকানো এরিকোর জিম্মায় থাকবে তার দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা। একই সঙ্গে মেয়েদের নিয়ে জাপানেও যেতে পারবেন তিনি।

ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান রোববার এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২২ জানুয়ারি দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৯ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছিল আদালত।

২০০৮ সালের ১১ জুলাই জাপানের এরিকো ও বাংলাদেশি আমেরিকান শরীফ ইমরান বিয়ে করেন জাপানি আইন অনুযায়ী। এরিকো পেশায় একজন চিকিৎসক। বিয়ের পর তারা টোকিওতে বাসবাস শুরু করেন। তাদের ১২ বছরের সংসারে তিন মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন এরিকো। তারা হলো জেসমিন মালিকা, লাইলা লিনা ও সানিয়া হেনা। তাদের কন্যারা টোকিওর চফো সিটিতে আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের (এএসআইজে) শিক্ষার্থী ছিল।

২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি শরীফ ইমরান বিয়েবিচ্ছেদের (ডিভোর্স) আবেদন করেন। ২১ জানুয়ারি ইমরান এএসআইজে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে তার মেয়ে জেসমিন মালিকাকে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ মা এরিকোর সম্মতি না থাকায় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। পরে ইমরান তার মেয়ে জেসমিন ও লিনাকে স্কুলবাসে বাড়ি ফেরার পথে বাসস্টপ থেকে অন্য একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।

২৫ জানুয়ারি ইমরান তার আইনজীবীর মাধ্যমে এরিকোর কাছে তার সন্তানদের পাসপোর্ট হস্তান্তরের আবেদন করেন। এরিকো তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর ২৮ জানুয়ারি এরিকো টোকিওর পারিবারিক আদালতে তার সন্তানদের জিম্মার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চেয়ে মামলা করেন। আদালত ৭, ১১ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শিশুদের সঙ্গে পারিবারিকভাবে সাক্ষাতের আদেশ দেয়। ইমরান আদালতের আদেশ ভঙ্গ করে মাত্র একবার মায়ের সঙ্গে দুই মেয়ের সাক্ষাতের সুযোগ দেন।

এরিকোর অভিযোগ, ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ইমরান তার মেয়েদের জন্য নতুন পাসপোর্টের আবেদন করেন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন পাসপোর্ট নেন। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি ইমরান তার দুই মেয়ে জেসমিন ও লাইলাকে নিয়ে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।

এরপর মা এরিকো বাংলাদেশে এসে মামলা করেন এবং সন্তানের খোঁজ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। বিষয়টি গড়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ পর্যন্ত। আপিল বিভাগ ৩ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন বিচারিক আদালতকে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর দুই কন্যাকে নিয়ে মা নাকানো এরিকো জাপানে যেতে চাইলে আটকে যান বিমানবন্দরে।

এ ঘটনায় ২৯ ডিসেম্বর বাবা ইমরান শরিফ ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালতে মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
দুই কন্যা নিয়ে ফের বিবাদে জাপানি মা ও বাংলাদেশি বাবা
দুই কন্যাসহ জাপানি মা ফেরত বিমানবন্দর থেকে
স্বামীর বিরুদ্ধে জাপানি নারীর অবমাননার আবেদন খারিজ
দুই মেয়েকে নিয়ে জাপান যেতে মায়ের আবেদন
জাপানি মায়ের কাছেই থাকবে দুই শিশু, থাকতে হবে বাংলাদেশে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Chief Justice urged not to act which harms the Judiciary

বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কাজ না করার আহ্বান প্রধান বিচারপতির

বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কাজ না করার আহ্বান প্রধান বিচারপতির রোববার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
‘কারণে-অকারণে আইনজীবীরা অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে এ কথা শুনতে চাই না। কার দোষ, কার দোষ না, সেটা আমি বলতে চাই না। আমরা এমন কোনো কাজ করব না যাতে জুডিশিয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা বিচার প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো কাজ না করতে আইনজীবীসহ বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

রোববার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।

বারের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করে প্রধান বিচারপতি বলেন, খেলা বিশ্বব্যাপী আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয়, যেটা আমরা দেখেছি বিশ্বকাপে। খেলাধুলায় শরীর-মন ঠিক থাকে।

তিনি বলেন, ‘কারণে-অকারণে আইনজীবীরা অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে এ কথা শুনতে চাই না। কার দোষ, কার দোষ না, সেটা আমি বলতে চাই না। আমরা এমন কোনো কাজ করব না যাতে জুডিশিয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা বিচার প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

তিনি বলেন, ‘বার যদি বেঞ্চকে সম্মান করে তাহলে বেঞ্চ সম্মানিত হবে। আর বেঞ্চ যদি আইনজীবীকে সম্মান করে তাহলে আইনজীবীরা সম্মানিত হবেন। একে অপরকে সম্মান করে কথা বলা উচিত। অসহিষ্ণু না হয়ে আমাদের ধৈর্য্য ধারণ করে জুডিশিয়ারির সম্মান রক্ষা করতে হবে।

‘জুডিশিয়ারিকে হেফাজত করা ও শক্তিশালী করা আমার একার পক্ষে সম্ভব না। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান এবং আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সমিতির সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল জানান, প্রতি বছর আইনজীবীদের জন্য বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও আয়োজন করা হয়েছে। এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ব্যাডমিন্টন, লুডু, টেবিল টেনিস, পুলসহ বিভিন্ন ইনডোর খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি
ধর্মের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো অজ্ঞতা: প্রধান বিচারপতি
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় চাই শক্তিশালী বিচার বিভাগ: প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত
সুপ্রিম কোর্ট প্রিমিয়ার লিগ উদ্বোধন করলেন প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accuseds phone conversation with his mother from jail revealed the mystery of the murder

জেল থেকে মায়ের সঙ্গে আসামির ফোনালাপে হত্যারহস্য উদঘাটন

জেল থেকে মায়ের সঙ্গে আসামির ফোনালাপে হত্যারহস্য উদঘাটন গ্রেপ্তার মো. আরিফ। ছবি: নিউজবাংলা
গ্রেপ্তারের পর কারাগার থেকে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে ফোনালাপে জানান, অন্য কোনো ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়া এক আসামির ফোনালাপে।

মায়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কারাগার থেকে মাকে হত্যা মামলার কথা জানিয়েছিলেন মো. আরিফ। পরে রিমান্ডে নেয়া হলে পুলিশের কাছে আগের হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন তিনি।

রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি জানান, গত ২২ জানুয়ারি ভোরে যাত্রাবাড়ীর ধলপুর কমিউনিটি সেন্টারের পাশের সড়কে ছুরিকাঘাতে খুন হন খলু মিয়া। সিসি টিভি ফুটেজে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যেতে দেখা যায় কয়েকজনকে।

হাফিজ আক্তার জানান, খলু মিয়া নারায়ণগঞ্জের রূপসী এলাকায় গার্মেন্টস কর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ওইদিন গাইবান্ধা থেকে সোনালী পরিবহনে করে রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটায় গোলাপবাগে পৌঁছান তিনি। সেখান থেকে হেঁটে যাওয়ার সময় ছুরিকাঘাতের শিকার হন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ক্লুলেস এ ঘটনার তদন্তে নেমে বেশকিছু ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করেও কোন কুলকিনারা করতে পারছিল না থানা পুলিশ। এরই মধ্যে ২৬ জানুয়ারি একটি ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী এলাকার নিজ বাসা থেকে আরিফকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর কারাগার থেকে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে ফোনালাপে জানান, অন্য কোনো ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, আরিফের এই বক্তব্য সন্দেহজনক হওয়ায় খলু মিয়া হত্যা মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এর ভিত্তিতে আরিফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

তিনি জানান, রিমান্ডে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদেই বেরিয়ে আসে খলু মিয়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য। একপর্যায়ে খলু মিয়াকে খুনের দায় স্বীকার করেন আরিফ, পরে তার হেফাজত থেকে খলু মিয়ার খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।

আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হাফিজ আক্তার জানান, একাধিক ছিনতাই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হওয়ায় আরিফ দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ বাসায় অবস্থান না করে পলাতক ছিলেন। কিন্তু খুনের ঘটনার পরপর পুলিশি তৎপরতা দেখে হত্যার ঘটনা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আগের ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার হতে তিনি বাসায় অবস্থান করছিলেন।

তিনি জানান, ঘটনার সময় আরিফ সহযোগীদের নিয়ে একটি ছুরিসহ ধলপুর নতুন রাস্তায় একটি ব্যাটারির দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। খলু মিয়া রাস্তা দিয়ে আসার পথে তারা তার গলায় ছুরি ধরলে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে খলুর বুকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যান আরিফসহ কয়েকজন।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা, ধারালো ছুরি উদ্ধার
সীমান্তে হত্যা চোরাচালান বন্ধে কাঁটাতার মিছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lagunas helper to gang leader

লেগুনার হেলপার থেকে গ্যাং লিডার

লেগুনার হেলপার থেকে গ্যাং লিডার সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বিডিএসকে’ গ্যাং এর প্রধান হৃদয় ওরফে হিটার হৃদয়সহ আটজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রুপের সদস্যদের মাধ্যমে হৃদয় মোহাম্মদপুর, আদাবর ও বেড়িবাধ এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা পরিচালনা, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত।

হিটার হৃদয় গত ২ থেকে ৩ বছর ধরে মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘বিডিএসকে’ (ব্রেভ ডেঞ্জার স্ট্রং কিং) গ্যাং এর নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। সে স্থানীয় একটি স্কুল থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। হৃদয় বিভিন্ন সময়ে লেগুনার হেলপার হিসেবে কাজ করত। পাশাপাশি ‘বিডিএসকে’ গ্যাং পরিচালনা করত।

সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বিডিএসকে’ গ্যাং এর প্রধান হৃদয় ওরফে হিটার হৃদয়সহ আটজন সদস্যকে দেশি ও বিদেশি অস্ত্রসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও ফরিদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ফরিদপুর, রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ স্টেশন, মোহাম্মদপুর বেড়িবাধ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ‘বিডিএসকে’ গ্রুপের লিডার শ্রীনাথ মন্ডল ওরফে হৃদয় ওরফে হিটার হৃদয়, রবিন ইসলাম ওরফে এসএমসি রবিন, রাসেল ওরফে কালো রাসেল, আলামিন ওরফে ডিশ আলামিন, লোমান ওরফে ঘাড়ত্যাড়া লোমান, আশিক ওরফে হিরো আশিক, জোবায়ের ইসলাম ওরফে চিকনা জোবায়ের, সুমন ওরফে বাইট্টা সুমনকে গ্রেপ্তার করে।

রোববার দুপুরে র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রুপের সদস্যদের মাধ্যমে হৃদয় মোহাম্মদপুর, আদাবর ও বেড়িবাধ এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা পরিচালনা, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সে একাধিকবার কারাভোগ করেছে।

তিনি আরও জানান, ৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টায় রাজধানীর আদাবর তিন রাস্তার মোড় এলাকায় একজন ভুক্তভোগীকে জখম করে তার কাছে থাকা মোবাইল ও টাকা ছিনতাইকারীরা নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই ভুক্তভোগীকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। একইভাবে কিছুদিন আগে একই এলাকার এক কলেজ শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও একই কায়দায় ছিনতাইকারীরা মোটা অংকের অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

র‌্যাব উক্ত ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে উল্লেখিত সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। যেখানে দেখা যায়, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মোহাম্মদপুরে তাদের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি চাপাতি, ১টি রামদা, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ৪টি চাকু (বড় ও ছোট), ২টি হাঁসুয়া, ১টি কাঁচি এবং ১টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে খন্দকার আল মঈন জানান, ‘বিডিএসকে গ্যাং এর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সদস্য রয়েছে। তাদের গ্যাং লিডার হৃদয়ের নেতৃত্বে গত ২ থেকে ৩ বছর আগে গ্যাং গঠন করে। এই গ্রুপের সদস্যরা আগে সবুজ বাংলা গ্রুপ, টপ টেন গ্রুপ ও ভাই বন্ধু গ্রুপের অন্তর্ভূক্ত ছিল। গ্রেপ্তারকৃতরা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চুরি-ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত।

তিনি আরও জানান, তারা বিভিন্ন সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ আশেপাশের এলাকায় মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত। তারা এই এলাকাগুলোতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবেও কাজ করত। এ ছাড়াও তারা মাদকসেবনসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশের নামে মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদক মামলায় যাবজ্জীবন পাওয়া ভিপি লিমন র‌্যাবের কব্জায়
ব‌রিশা‌লে সাজাপ্রাপ্ত ব‌হিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফের নির্বাচনি প্রচার প্রধান গ্রেপ্তার
সরকারি চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৫
মদের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ছেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

মন্তব্য

p
উপরে