× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Stop arms race and give importance to health education PM
hear-news
player
google_news print-icon

অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে স্বাস্থ্য-শিক্ষায় গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী

অস্ত্র-প্রতিযোগিতা-বন্ধ-করে-স্বাস্থ্য-শিক্ষায়-গুরুত্ব-দিন-প্রধানমন্ত্রী
ডায়াবেটিসের বৈশ্বিক দূত হিসেবে মঙ্গলবার পর্তুগালের লিসবনে বিশ্ব ডায়াবেটিস কংগ্রেসের জন্য দেয়া ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং আমাদের জনগণের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহার করতে হবে।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নিতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করে সব মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে।

দরিদ্রদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে ইনসুলিন এবং জীবন রক্ষাকারী অন্যান্য ওষুধ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলেও মনে করেন সরকারপ্রধান।

ডায়াবেটিসের বৈশ্বিক দূত হিসেবে মঙ্গলবার পর্তুগালের লিসবনে বিশ্ব ডায়াবেটিস কংগ্রেসের জন্য দেয়া ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডায়াবেটিস আক্রান্ত সব রোগী এবং সেবাদানকারীদের পক্ষে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই আন্তর্জাতিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে এবং আমাদের জনগণের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবার অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতিকে সামনে এনেছে। বৈষম্য মোকাবিলায় আমাদের সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডায়াবেটিস এবং অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত প্রত্যেকের কাছে সঠিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে একটি শান্তির বিশ্ব থাকা দরকার।’

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গবেষণায় বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাজনৈতিক সদিচ্ছাকে সচল করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সংস্থার নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনকে (আইডিএফ) গ্লোবাল ডায়াবেটিস কমপ্যাক্ট বাস্তবায়নে সহায়তার আহ্বান জানান রোগটির বৈশ্বিক দূত শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক অর্থায়নের কোনো বিকল্প নেই।’

ডব্লিউএইচওর হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৪২ কোটি ২০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছে। এ রোগে প্রতিবছর প্রায় ১৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। বাংলাদেশে শিশুসহ ৮৫ লাখেরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিস ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অসুস্থতা নিয়ে বসবাস করে।

নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মতো কিছু জীবনযাত্রার পরিবর্তন ডায়াবেটিস আক্রান্তদের সুস্থ রাখতে পারে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সঠিক ওষুধ এবং সতর্কতার মাধ্যমে একজন ডায়াবেটিস রোগী নিয়মিত জীবন উপভোগ করতে পারেন।’

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিরাময়ে আইডিএফের কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি ২৪০টি জাতীয় ডায়াবেটিস সমিতিকে এক ছাতার নিচে একত্রিত করেছে এবং এটি সত্যিই অনন্য এক অর্জন।’

সরকারের গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি কমিউনিটি সচেতনতার মাধ্যমে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

দেশের সরকারি হাসপাতালে ডায়াবেটিস রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সারা দেশে ১৮ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষিত পেশাদাদের মাধ্যমে ডায়াবেটিস পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে।’

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন দেশজুড়ে ডায়াবেটিস নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

আরও পড়ুন:
নবীন অফিসাররাই হবে একচল্লিশের সৈনিক: প্রধানমন্ত্রী
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে ডব্লিউএইচএফকে পাশে চান প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় চট্টগ্রাম
টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী
উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Body on fire due to quarrel with husband

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে গায়ে আগুন

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে গায়ে আগুন ফাহমিদা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রী ফাহমিদাকে উদ্ধার করতে গিয়ে স্বামী পারভেজ খানও দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়ায় ফাহমিদা আক্তার নামে এক গৃহবধূ দগ্ধ হয়েছেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে স্বামী পারভেজ খানও দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ থানাধীন আমবাগিচার বাসায় রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পারভেজ খান জানান, তিনি লঞ্চে লস্কর পদে কর্মরত। তার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার পোশাক শ্রমিক। রোববার বিকেলে বাজার থেকে মাছ ও মুরগি এনে ফ্রিজে রাখতে বললে স্ত্রী অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে স্ত্রীর সঙ্গে তার সামান্য তর্ক-বিতর্ক হয়। এই ঘটনার জের ধরে ফাহমিদা অভিমান করে রান্নাঘর থেকে কেরোসিন নিয়ে নিজের গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনিও দগ্ধ হন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন জানান, ফাহমিদা আক্তারের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন:
শুটিং স্পটে দগ্ধ অভিনেত্রী আঁখি
ধামরাইয়ে দগ্ধ ৫ জনই মারা গেলেন
ধামরাইয়ে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু
গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন: দগ্ধ শিশুর মৃত্যু
উত্তরখানে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League does not run away but works with the people Sheikh Hasina

আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা রোববার রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে কাজ করে। এই সংগঠন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া সংগঠন। এই সংগঠন যখনই ক্ষমতায় এসেছে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য রাজশাহীর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকায় ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচন আসবে এই বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতেই। আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই।

রোববার বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আধ ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্যের অনেকটা অংশ জুড়েই প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তথ্য তুলে ধরেন। জনসভায় বক্তব্য দেয়ার আগে তিনি রাজশাহীর ২৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং ৬টি উন্নয়ন কাজের ভিত্তি স্থাপন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণকে দিতে আসে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে জনগণ পায়। এটা হলো বাস্তব কথা।’

‘৯৬ সালে সরকার গঠন করার পরই আমরা চেষ্টা করেছি বাংলাদেশকে উন্নত গড়তে। ৪০ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া- কেউই এদেশের মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তা দেয়নি বা চিন্তাও করেনি। আওয়ামী লীগ সরকার এসে বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আজকে বিরোধী দল অনেক কথাই বলে। তারা আমাদেরকে নোটিশ দেয়। আবার বলে আমরা নাকি পালানোর পথ পাব না। বিএনপি-জামায়াত জোটকে জিজ্ঞাসা করি- পালায় কে? আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। পিছু হটে না। জিয়াউর রহমান তো বাধা দিয়েছিলেন, আমাকে দেশে আসতে দেবেন না। আমি বাধা অতিক্রম করেই দেশে ফিরেছিলাম।

‘আবার ২০০৭ সালে যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসে, তখন‌ও আমি বিদেশে গিয়েছিলাম। আমাকে দেশে ফিরতে দেবে না। আমি জোর করে দেশে ফিরে এসেছিলাম। আমার বিরুদ্ধে মার্ডার কেস দেয়া হয়েছিল। আমি বলেছিলাম- আমি যাব, এই কেস আমি মোকাবেলা করব। আমি দেশে ফিরে এসেছি শুধু বাংলার মানুষের কথা চিন্তা করে।’

আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আওয়ামী লীগ পালায় না। পালায় বিএনপির নেতারাই। বিএনপি নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। কাকে নিয়ে? দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত তাদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে। যে নাকি ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিয়েছিল। আর কোনোদিন রাজনীতি করবে না বলে দেশ থেকে ভেগে গিয়েছিল, পালিয়ে গিয়েছিল।

দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা-তারেক। এমনকি খালেদা জিয়া তারেক-কোকোর মাধ্যমে যে টাকা পাচার করেছিলেন মানি লন্ডারিং করে, ৪০ কোটি টাকা আমরা বাংলাদেশে ফেরত নিয়ে এসেছি। তাদের পাচার করা টাকা। এর জবাব কি তারা দিতে পারবে?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে কাজ করে। এই সংগঠন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া সংগঠন। এই সংগঠন যখনই ক্ষমতায় এসেছে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।

‘আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ৪০ ভাগ দারিদ্র সীমা আমরা ২০ ভাগে নামিয়েছি। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা ভাতা- সব ভাতা দিয়ে যাচ্ছি। মা-বোনদের মাতৃত্বকালীন ভাতা আমরা দেই। দেশের একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য। কোনো মানুষ না খেয়ে কষ্ট পাবে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রাজশাহী সব সময় অবহেলিত ছিল। কিছুক্ষণ আগেই আমরা কতগুলো প্রকল্প উদ্বোধন করলাম। ২০০৯ সাল থেকে এই ১৪ বছরে শুধু রাজশাহী জেলা ও মহানগরে ১০ হাজার ৬৬০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প আমরা বাস্তবায়ন করে দিয়েছি। কিছুক্ষণ আগে ১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ২৬টি প্রকল্প উদ্বোধন করলাম। ৩৭৫ কোটি টাকার ৬টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলাম। এই প্রকল্পগুলো আমি আপনাদের জন্য উপহার হিসেবে দিয়ে গেলাম।’

তিনি বলেন, ‘এই রাজশাহীর কী অবস্থা ছিল আপনারা একবার চিন্তা করে দেখুন। ২০০১ সালের কথা চিন্তা করেন। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায়। প্রতিনিয়ত রাজশাহীতে ঘটেছে হত্যা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, ধর্ষণ আর নির্যাতন। এই রাজশাহীর ফাহিমা, মহিমা, রাজুফার ওপর কিভাবে পাশবিক অত্যাচার করেছে বিএনপির ক্যাডার বাহিনী এবং জামায়াত জোট। একটা বাচ্চা মেয়েকে গ্যাং রেপ করা হলো তার বাবা-মা নৌকায় ভোট দিয়েছিল বলে।

‘আরে নৌকায় ভোট না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। দেশ স্বাধীন না হলে তাদের নেতা জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল প্রমোশন পেত না। এটা তারা ভুলে যায়। দেশ স্বাধীন না হলে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারত না খালেদা জিয়া। প্রধানমন্ত্রী হতে পারত না। সেই নৌকার ওপর এত রাগ কেন?’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের কোনো ভালো তারা সহ্য করতে পারে না। এটাই হলো বাস্তবতা। খুনিদেরকে খালেদা জিয়া পুরস্কৃত করে, জিয়াউর রহমান পুরস্কৃত করে। জনগণের ভোট চুরি করে তদেরকে পার্লামেন্টে বসায়। যুদ্ধাপরাধীদের জিয়াউর রহমান এমপি-মন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছে।

‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। সেই ডিজিটালের মাধ্যমে তারা আমাদের গীবত গায়, অপপ্রচার চালায়। আর মানুষকে উস্কানি দেয়। এটাই তাদের কাজ।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং করোনার জন্য বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। আমরা যে জিনিস ৬ ডলারে কিনতাম তা কিনতে হবে ৬৮ ডলারে। যে জিনিস ২০০ ডলারে কিনতাম তা কিনতে হবে ৬০০ ডলারে। তারপরও আমরা থেমে থাকিনি। আমরা এক কোটি মানুষের জন্য টিসিবির কার্ড করে দিয়েছি।

‘চাল, ডাল, তেল, চিনি- প্রতিটি জিনিস অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনে আনলেও আমরা তা কম মূল্যে সাধারণ মানুষকে দিচ্ছি; যেন মানুষের কোনো কষ্ট না হয়। আমরা এদেশের প্রতিটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা যে ওয়াদা দেই তা রক্ষা করি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বলেছিলাম, রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন করব। আল্লাহর রহমতে আমরা তা করেছি। ২০২০-এ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আর ২০২১-এ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী করে আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আগামীতে বাংলাদেশকে আমরা আরও উন্নত করতে চাই। প্রতিটি মানুষ কাজ পাবে। শিল্প-কলকারখানা করে দিচ্ছি।

‘এই রাজশাহীতে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগই ছিল না। এখন ডিজিটাল সেন্টার, ট্রেনিং সবকিছু করে দিয়েছি। এখানে শিল্প-কলকারখানা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে দিয়েছি। এখানে মানুষের আরও ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। এখানে আন্তর্জাতিক কোনো ক্রিকেট খেলা হয় না। কারণ এখানে উন্নত মানের কোননোহোটেল নাই। অনেক বিত্তশালী আছে রাজশাহীতে। তাদেরকে বলব, আপনার একটা উন্নতমানের হোটেল করেন। আমরা যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখানে করতে পারি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনার সময়ে আমি আসতে পারিনি। আজকে আপনাদের মাঝে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনারা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। গত নির্বাচনে নৌকা মার্কায় আপনারা ভোট দিয়েছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলছি- আগামী নির্বাচনে আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ যেন করতে পারি সেজন্য আপনারা নৌকায় ভোট দেবেন প্রত্যাশা করি।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামারের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, কাজী জাফরউল্লাহ, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী
৪০০ বাস-ট্রাকে রাজশাহী যাচ্ছেন নওগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
সারদায় পুলিশের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 ships with goods from Ruppur center in Mongla

রাশিয়া থেকে রূপপুরের মালামাল নিয়ে ২ জাহাজ মোংলায়

রাশিয়া থেকে রূপপুরের মালামাল নিয়ে ২ জাহাজ মোংলায় রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারি নিয়ে মোংলা বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ আনকা সান। ছবি: নিউজবাংলা
ভানুয়াতুর পতাকাবাহী ‘এমভি আনকা সান’ জাহাজটি বন্দরের ৭ নম্বর এবং লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমভি স্পোডিল্লা’ জাহাজটি মোংলা বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করেছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে বাগেরহাটের মোংলা সমুদ্র বন্দরে পৌঁছেছে রাশিয়ার দুটি জাহাজ। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় জাহাজ দুটি মোংলা বন্দরে ভেড়ে।

ভানুয়াতুর পতাকাবাহী ‘এমভি আনকা সান’ জাহাজটি বন্দরের ৭ নম্বর এবং লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমভি স্পোডিল্লা’ জাহাজটি বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করেছে।

জাহাজ দুটি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং নভরসতি বন্দর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল বহন করে এনেছে।

আরও পড়ুন: আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা: রূপপুরের পণ্যসহ রুশ জাহাজকে ভিড়তে মানা

‘এমভি আনকা সান’ জাহাজে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৯৭৯ প্যাকেজের ১৪০০ দশমিক ৪২ টন মেশিনারি এসেছে। এছাড়া ‘এমভি স্পোডিল্লা’ জাহাজে এসেছে ৪৩৬ প্যাকেজের ৫১৮ দশমিক ৪২১ টন মেশিনারি পণ্য।

রাশিয়া থেকে রূপপুরের মালামাল নিয়ে ২ জাহাজ মোংলায়
মোংলা বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভিড়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি স্পোডিল্লা’। ছবি: নিউজবাংলা

বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাহীন মজিদ বলেন, ‘রাশিয়া থেকে আসা জাহাজ দুটিতে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক হাজার ৯শ’ টন মেশিনারি এসেছে। এসব মেশিনারি দুই দিনের মধ্যে খালাস করে সড়ক পথে রূপপুরের নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
রুশ জাহাজ ফের‌তেও ‘পেছাবে না রূপপুরের কাজ’
রাশিয়া জেনেশুনেই নিষেধাজ্ঞার জাহাজ পাঠিয়েছে: মোমেন
আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা: রূপপুরের পণ্যসহ রুশ জাহাজকে ভিড়তে মানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I want the promise of voting by boat Sheikh Hasina

নৌকায় ভোটের ওয়াদা চাই: শেখ হাসিনা

নৌকায় ভোটের ওয়াদা চাই: শেখ হাসিনা জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভোট হবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে। নৌকায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২৯৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদশে যেন করতে পারি আপনার এ জন্য নৌকায় ভোট দেবেন।’

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করে আবারও সরকার গঠন করতে রাজশাহীবাসীর কাছে ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় রোববার বিকেলে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভোট হবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে। নৌকায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদশে যেন করতে পারি, আপনার এ জন্য নৌকায় ভোট দেবেন।’

এ সময় জনসভাস্থলে উপস্থিত জনতা প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে হাত তুলে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়েন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। একদিনে ১০০ সেতু, ১০০ সড়ক কোনো সরকার করতে পেরেছে? আওয়ামী লীগ পেরেছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল বলে বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। কে দিয়েছে? এই বাংলাদেশ, আওয়ামী লীগ সরকার। উন্নত দেশও পারে নাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির ক্ষমতায় এসে খুন, হত্যা, ধর্ষণ এগুলো হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। তোদের নেতা জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হতে পারতো না। খালেদা জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না। ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এখন ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্বক্যাপী মুদ্রাস্ফীতি। আমরা ১ কোটি মানুষের জন্য টিসিবির কার্ড করে দিয়েছি। হতদরিদ্ররা বিনা পয়সায় চাল পাচ্ছে।মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। বিএনপি কি করে; মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস। তারা আন্দোলনের নামে বহু অফিস পুড়িয়েছে। কোনো মানুষ জীবন্ত মানুষকে পুরিয়ে মারতে পারে? তারা মেরেছেন।

‘তারা উসকানি দেয়। বাংলাদশের মানুষের ভালো তারা সহ্য করতে পারেনা। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, জনগণের ভোট চুরি করে বিএনপি তাদের পার্লামেন্টে বাসায়।’

আরও পড়ুন:
নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The country is self sufficient today because they voted by boat Prime Minister

নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। একদিনে ১০০ সেতু, ১০০ সড়ক কোনো সরকার করতে পেরেছে? আওয়ামী লীগ পেরেছে।’

নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছে বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় রোববার বিকেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। একদিনে ১০০ সেতু, ১০০ সড়ক কোনো সরকার করতে পেরেছে? আওয়ামী লীগ পেরেছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল বলে বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। কে দিয়েছে? এই বাংলাদেশ, আওয়ামী লীগ সরকার। উন্নত দেশও পারে নাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। তোদের নেতা জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হতে পারতো না। খালেদা জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না। ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এখন ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্বক্যাপী মুদ্রাস্ফীতি। আমরা ১ কোটি মানুষের জন্য টিসিবির কার্ড করে দিয়েছি। হতদরিদ্ররা বিনা পয়সায় চাল পাচ্ছে।মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। বিএনপি কি করে; মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস। তারা আন্দোলনের নামে বহু অফিস পুড়িয়েছে। কোনো মানুষ জীবন্ত মানুষকে পুরিয়ে মারতে পারে? তারা মেরেছেন।

‘তারা উসকানি দেয়। বাংলাদশের মানুষের ভালো তারা সহ্য করতে পারেনা। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, জনগণের ভোট চুরি করে বিএনপি তাদের পার্লামেন্টে বাসায়।’

এ সময় আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে রাজশাহীবাসীর প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘ভোট হবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে। নৌকায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদশে যেন করতে পারি, আপনার এ জন্য নৌকায় ভোট দেবেন।’

জনসভাস্থলে উপস্থিত জনতা প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে হাত তুলে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়েন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী
কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People should be reassured if they have the police on their side Prime Minister

পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে রোববার ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সহায়তা দরকার। পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়, সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

যেকোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণের সহায়তা দরকার জানিয়ে পুলিশ বাহিনীকে মানুষের আস্থা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে রোববার ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকার রাজারবাগ ও রাজশাহীর সারদায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে বীরত্বের সঙ্গে লড়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

রাজধানীর গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে প্রাণ হারানো দুই পুলিশ সদস্যের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে এ বাহিনীর সদস্যদের কৃতিত্বের কথা তুলে ধরেন।

জঙ্গিবাদ, মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, করোনাভাইরাসের সময়ে দাফন ও বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দেয়ায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন বাহিনীর সদস্যরা।

পুলিশের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তার কন্যা বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বাহিনীর অগ্রগতির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। পুলিশের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, যাতে করে অপরাধ মোকাবিলা সহজ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পাঠ্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা বাহিনীর পেশাদারত্বে সহায়ক হবে বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সহায়তা দরকার। পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়, সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

ওই সময় পুলিশ তার পেশাদারত্ব ও সহমর্মিতা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশের চাবিকাঠি ডিজিটাল কানেকটিভিটি: প্রধানমন্ত্রী
সাফল্য-ব্যর্থতা জনগণই বিচার করবে: প্রধানমন্ত্রী
‘প্রতিটি শিশুকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The cold may increase at night

শীত বাড়তে পারে রাতে

শীত বাড়তে পারে রাতে রাতে শীত বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ছবি: টুইটার
তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পেরে এবং অন্য অঞ্চলে তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, দেশজুড়ে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে সামান্য।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দেয়া হয়েছে।

রাতে তাপমাত্রা সামান্য কমলে শীতের অনুভূতিও কিছুটা বাড়তে পারে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃত। এ ছাড়া উপমহাদেশীয় উচ্চতাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য জায়গাগুলোর কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পেরে এবং অন্য অঞ্চলে তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে, তবে কোন ধরনের পরিবর্তন, সেটি স্পষ্ট করা হয়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শনিবার দেশের সর্বোচ্চ ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে। রোববার দেশের সর্বনিম্ন ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পাবনার ঈশ্বরদীতে।

আরও পড়ুন:
মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে নওগাঁর শ্রমজীবীরা
১৬ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
৫.৬ ডিগ্রিতে কাঁপছে শ্রীমঙ্গল
শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ৩ বিভাগ ও ৭ জেলায়
শীত আরও কমতে পারে রোববার থেকে

মন্তব্য

p
উপরে