× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Awami League will be on guard on December 10 Who
hear-news
player
google_news print-icon

১০ ডিসেম্বর পাহারায় থাকবে আওয়ামী লীগ

১০-ডিসেম্বর-পাহারায়-থাকবে-আওয়ামী-লীগ
সোমবার নোয়াখালী শহরে শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্নে ঐক্যের বিকল্প নেই। নোয়াখালীর স্বার্থে, রাজনীতির স্বার্থে আমার ভাই আব্দুল কাদের মির্জা ও একরামুল করিম চৌধুরী এমপিকে ক্ষমা করে দিয়েছি। নোয়াখালীতে আমি কলহ রাখতে চাই না।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘১০ ডিসেম্বর বিএনপি নাকি রাজপথ ও ঢাকা দখল করবে। ফখরুল সাহেবকে বলতে চাই- আমাদের নেতাকর্মীরা মহানগর, জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় পাহারায় থাকবে।’

সোমবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘বিএনপি বিআরটিসির বাস পুড়িয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-সিলেট সড়কে শেখ হাসিনার ভিত্তিপ্রস্তর রাতের অন্ধকারে পুড়িয়েছে। ১০ ডিসেম্বর তারা আগুন আর লাঠি নিয়ে আসবে পার্টি অফিসে। সেজন্য তারা এখানেই সমাবেশ করতে চায়। আর ফখরুল সাহেব সেজন্য বিশাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে বলেন খাঁচা।’

তিনি বলেন, ‘খেলা হবে স্লোগানটা মির্জা ফখরুলের পছন্দ নয়। আরও কারও কারও পছন্দ নয়। কিন্তু যে স্লোগান জনগণ পছন্দ করে সেই স্লোগান আমি দিয়েই যাবো। খেলা হবে।’

নোয়াখালী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্নে ঐক্যের বিকল্প নেই। আমি কারও অন্ধ সমর্থক নই। যারা কাজ করে আমি তাদের পক্ষে কথা বলি।

‘নোয়াখালীর স্বার্থে, রাজনীতির স্বার্থে আমার ভাই আব্দুল কাদের মির্জা ও একরামুল করিম চৌধুরী এমপিকে আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। নোয়াখালীতে আমি কোনো কলহ রাখতে চাই না। আমি কলহমুক্ত আওয়ামী লীগ চাই।’

নোয়াখালী জেলা শহরের শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ওবায়দুল কাদের।

জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এএইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী এবং ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

সম্মেলনে অধ্যক্ষ এএইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের। সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় ১৭ ডিসেম্বর কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে এই পদে নেতা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে নজর রাখবে আ.লীগ: কাদের
বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Fakhruls statement about voters in the by election is fabricated Kader

উপনির্বাচনে ভোটার নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য বানোয়াট: কাদের

উপনির্বাচনে ভোটার নিয়ে ফখরুলের বক্তব্য বানোয়াট: কাদের আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বুধবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনগুলোয় ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তিনি বিএনপির এক হিসাব তুলে ধরে বলেছেন, উপনির্বাচনগুলোয় ভোটার উপস্থিতি ৫ শতাংশের বেশি হয়নি, যা সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।’

দেশের ছয়টি আসনের উপনির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতি নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাকে ‘বানোয়াট’ আখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা শুক্রবার এক বিবৃতিতে এমন আখ্যা দেন।

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ছয়টি আসনে বুধবার যে উপনির্বাচন হয়, তাতে সামগ্রিক ভোটার পরিস্থিতি ৫ শতাংশের বেশি হয়নি বলে বৃহস্পতিবার দাবি করেন মির্জা ফখরুল।

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, কোনো আসনে ভোটার উপস্থিতি ১৫ থেকে ২৫ শতাংশের বেশি নয়, তবে বিএনপির হিসাব বলছে, সংখ্যাটা ৫ শতাংশের বেশি হবে না।

ওই বক্তব্যের এক দিন পর দেয়া বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, উপনির্বাচনে সরকার পরিবর্তনের বিষয় থাকে না বলে জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এ নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ কম থাকে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ভোট দেবে।

উপনির্বাচন নিয়ে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বুধবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনগুলোয় ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তিনি বিএনপির এক হিসাব তুলে ধরে বলেছেন, উপনির্বাচনগুলোয় ভোটার উপস্থিতি ৫ শতাংশের বেশি হয়নি, যা সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।’

কাদের আরও বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে এ ধরনের নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন। প্রচণ্ড শীত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভোটাররা ভোট দিতে এসেছিলেন। সবগুলো উপনির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোটাররা ভোট প্রদান করেছেন।’

‘এমনকি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪৫ শতাংশের মতো। উপনির্বাচনে যেহেতু সরকার পরিবর্তনের কোনো বিষয় থাকে না, সেহেতু জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এটা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ কম থাকে।’

আরও পড়ুন:
উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে: কাদের
উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি
বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Remembrance of the Rajbari womens group released after 4 months

৪ মাস পর কারামুক্ত রাজবাড়ী মহিলা দলের স্মৃতি

৪ মাস পর কারামুক্ত রাজবাড়ী মহিলা দলের স্মৃতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বিএনপি নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ছবি: নিউজবাংলা
মুক্তির পর স্মৃতি বলেন, ‘আমি সঠিক কথাই লিখেছিলাম। সত্যি কথা বলার অপরাধে চার মাস মাসুম দুটি বাচ্চা রেখে আমাকে জেল খাটতে হয়েছে। এতে আমার কোনো আফসোস নেই। কারণ আমি জানি পুরো বাংলাদেশের মানুষ আমার পাশে ছিল। আর আমার দলের জন্য চার মাস কেন, চার বছরও জেল খাটতে পারি।’

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি ও ফুচকা উৎসবের নামে ‘অশ্লীল নৃত্য’ আয়োজনের অভিযোগে করা আলাদা দুটি মামলায় প্রায় চার মাস কারাগারে থাকা রাজবাড়ীর মহিলা দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

রাজবাড়ী জেলা কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুক্তি পান তিনি।

মুক্তির পর স্মৃতি বলেন, ‘আমি সঠিক কথাই লিখেছিলাম। সত্যি কথা বলার অপরাধে চার মাস মাসুম দুটি বাচ্চা রেখে আমাকে জেল খাটতে হয়েছে। এতে আমার কোনো আফসোস নেই।

‘কারণ আমি জানি পুরো বাংলাদেশের মানুষ আমার পাশে ছিল। আর আমার দলের জন্য চার মাস কেন, চার বছরও জেল খাটতে পারি।’

স্মৃতি আরও বলেন, ‘একজন সমাজকর্মী হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করি। রাত-বিরাতে মুমূর্ষু রোগীর জন্য বের হই; তাদের রক্ত জোগাড় করে দিই। এ জন্য অনেক খারাপ কথা শুনতে হয়েছে, কিন্তু যাদের উপকার হয়েছে, তাঁরা খুশি হয়েছেন।’

স্মৃতি রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি জেলা মহিলা দলের সদস্য। দুই সন্তানের এ জননী শহরের বেড়াডাঙ্গা এলাকায় থাকেন।

স্মৃতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আপত্তিকর’ পোস্টের বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন সামসুল আরেফিন চৌধুরী নামের আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে ৫ অক্টোবর রেকর্ড করা হয়। ওই দিনই স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ৩১ আগস্ট স্মৃতি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন, যাতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে ‘আপত্তিকর’ কথা লেখেন। অনেকে পোস্টটি দেখায় প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন ও মানহানি হয়।

মামলায় রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে বিফল হন স্মৃতি। এরপর ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। এর শুনানি নিয়ে ৩১ অক্টোবর তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয় হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে ২ নভেম্বর তার জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

চেম্বার আদালত বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠায়। এর ধারাবাহিকতায় ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগে শুনানি হয়। পরে ১৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ স্মৃতিকে ছয় মাসের জামিন দেয়।

স্মৃতির বাবা আবদুস সাত্তার মল্লিক বলেন, ‘বাংলাদেশে জামিন হয়, কিন্তু মুক্তি মেলে না। আমার বাচ্চা আমার কাছে ফিরে এসেছে। আমার বুকের মানিক। আমার খুব ভালো লাগছে।’

রাজবাড়ী জেলা বারের আইনজীবী ও স্মৃতির মনোনীত আইনজীবী নেকবর হোসেন মনি জানান, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির মামলা ও ফেসবুক গ্রুপ ‘খাদক বাঙ্গালী’র আয়োজনে রাজবাড়ী শিশু পার্কে অশ্লীল নৃত্য আয়োজন করার অভিযোগে মামলায় জামিন পান স্মৃতি। সন্ধ্যায় জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

সোনিয়া আক্তার স্মৃতি জামিন পেলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
রাজবাড়ীর মহিলা দলের সেই স্মৃতির জামিন বহাল
স্মৃতিসৌধের আশপাশের বাসিন্দাদের তথ্য নিচ্ছে পুলিশ
আপাতত জামিন পাচ্ছেন না সেই স্মৃতি
শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবে যে খাবারগুলো
স্মৃতিসৌধে গাছ পড়ে দর্শনার্থীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mujibnagar University is located in Meherpur

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় ফাইল ছবি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে মেহেরপুর জেলা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ লক্ষ্যে একটি বিল পাস হয়েছে।

অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবঈ পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য।

আচার্য নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ দেবেন। কোনো ব্যক্তি একাদিক্রমে বা অন্য কোনোভাবে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদের বেশি নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। আচার্য যেকোনো সময় উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী, সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে নির্বাচিত হতে প্রার্থী হতে চাইলে ওই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনে আচার্যের অনুমোদন নিয়ে ‘বিজনেস ইনকিউবেটর’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। বিজনেস ইনকিউবেটর হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত কোনো বিজনেস ইনকিউবেটর, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সব সহযোগিতা দেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কর্তৃক কোনো উদ্ভাবন, মেধাস্বত্ব, আবিষ্কার বা প্রক্রিয়া, বাজারজাত এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সহযোগিতা প্রদান।

আরও পড়ুন:
সবার জন্য পেনশন, সংসদে বিল পাস
সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা
দেশে শনাক্ত এইচআইভি রোগী ৯৭০৮
পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসে ১০ বছরের কারাদণ্ড
বিদেশে বাড়ি-গাড়ির খবরের সত্যতা জানতে চান চুন্নু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Seeing the development BNP is suffering from internal combustion Kader

উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে: কাদের

উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই জনপদে দুইজন মানুষ কোনোদিন অস্তিত্ব হারাবেন না। একজন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমাদের স্বাধীনতার জন্য। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবেন।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের একের পর এক উন্নয়ন কাজ দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে। কত যে জ্বালা! পদ্মা সেতুর জ্বালা, মেট্রোরেলের জ্বালা, বঙ্গবন্ধু ট্যানেলের জ্বালা, উড়াল সেতুর জ্বালা, ১০০ সেতুর জ্বালা, ১০০ সড়কের জ্বালা। এই জ্বালায় তারা মরে যাচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল ৪ নম্বর সেক্টরে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-১ নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আছে রূপপুর, মাতারবাড়ি, পায়রা, রামপাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সমুদ্র বিজয়, সীমান্ত বিজয়। এসবই শেখ হাসিনার উন্নয়নের অর্জন। এই অর্জন বিএনপি সইতে পারছে না।’

আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর সরকার পতন, তারেক রহমানের আগমন সবই ভুয়া। বিএনপির আন্দোলন ও সরকার পতন সবই ভুয়া। ‘বিএনপি শুরু করেছে বিক্ষোভ দিয়ে, এখন করছে নীরব পদযাত্রা। পথ হারিয়ে বিএনপি এখন পদযাত্রায়।

‘আপনাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। কাজেই আপনারা প্রস্তুত থাকুন, সামনে খেলা হবে, ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা। ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও অস্ত্র পাচারের বিরুদ্ধে খেলা হবে?’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এই জনপদে দুইজন মানুষ কোনোদিন অস্তিত্ব হারাবেন না। একজন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমাদের স্বাধীনতার জন্য। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবেন।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে: কাদের
নীরব পদযাত্রায় সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া: কাদের
পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে: কাদের
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Not more than 5 percent of the votes were cast in the by election Fakhrul

উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল

উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। পত্র-পত্রিকায় ছাপা হওয়া ছবিগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন বুধবার একেবারে ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হয়েছে। গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করে ফেলেছে।’

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েনি বলে দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে বিএনপি মহাসচিব এমনটা দাবি করেন। ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবারের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এই যৌথসভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। বুধবারের তথাকথিত উপনির্বাচনে ভোট প্রদানের হার তাদের হিসাব অনুযায়ী ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। তবে আমাদের হিসাবমতে এটা ৫ শতাংশের বেশি না।

‘পত্র-পত্রিকায় ছাপা হওয়া ছবিগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন একেবারে ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হয়েছে। গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করে ফেলেছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা যখনই কর্মসূচি দিচ্ছি, একই সময়ে তারা পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে। তারা যে ভাষা ব্যবহার করছে সেটা সম্পূর্ণভাবে সন্ত্রাস করছে। একদিকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পুলিশের সন্ত্রাস। এর মাধ্যমে তারা আন্দোলন দমন করতে চায়। এর প্রতিবাদে ৪ ফেব্রুয়ারি সমাবেশ করবে বিএনপি।’

২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুল চিঠি দিয়েছিলেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা তো বহু লোককে চিঠি দিয়েছি, বহু দেশকে চিঠি দিয়েছি। অবশ্যই দিয়েছি। এটা তো অস্বীকার করিনি।

‘দেশে চলমান শাসন ব্যবস্থা, দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস, মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, দুর্নীতি-লুটপাট, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গুম-খুন, প্রতি মুহূর্তে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে সরকার। এগুলা আমরা সারা পৃথিবীকে জানিয়েছি।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম এ জাহিদ হোসেন, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মীর সরাফত আলী সপু, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি
কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP meeting about Gano Forum and Peoples Party

গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক

গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বৈঠক করে বিএনপি। ছবি: নিউজবাংলা
বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে জনগণকে বাঁচাতে ১০ দফার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন বেগবান করব। নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য।’

গণফোরামের একাংশ এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এবং যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টুর নেতৃত্বে দলটির পক্ষে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়ীদ, অ্যাডভোকেট এ.কে.এম. জগলুল হায়দার আফ্রিক, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আবদুল কাদের ও সভাপতি পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সরকার।

পিপলস পার্টি থেকে বৈঠকে অংশ নেন পার্টির চেয়ারম্যান বাবুল সর্দার চাখারী, মহাসচিব আবদুল কাদের, কো-চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রণো ও প্রেসিডিয়াম সদস্য বিলকিস খন্দকার।

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে রাষ্ট্রের জনগণকে বাঁচাতে ১০ দফার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন বেগবান করব। নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি
কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি
নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতা-কর্মীর জামিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Votes in Bogra and Brahmanbaria are less because of BNP

বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম বিএনপির কারণে: ইসি

বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম বিএনপির কারণে: ইসি নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার অনুষ্ঠিত ৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে কম ভোট পড়ার কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশন তিনটি কারণের উল্লেখ করেছে। তার মধ্যে বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় ভোট কম কাস্ট হয়েছে।

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে কম ভোট পড়ার সুনির্দিষ্ট তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বলেছে, ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি ভালো। তবে বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম কাস্ট হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। কমিশনের দাবি, ভোট শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

কমিশনার রাশেদা বলেন, ‘বগুড়া মূলত বিএনপির ঘাঁটি। আর সেই দল ভোটে আসেনি। আর উপনির্বাচনে এমনিতেই ভোট একটু কম কাস্ট হয়। আবার এই ভোটে সংসদ সদস্যদের বাকি মেয়াদকাল কম হওয়ায় ভোটার আগ্রহ পায়নি।’

বুধবার ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ ও ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ৩ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উপনির্বাচনের ভোট হয়। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এদিকে অনিয়মের কারণে দু’বার উপনির্বাচন হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনে যে ভোট পড়েছে তার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম ভোট পড়েছে এই ৬ আসনের নির্বাচনে।

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৩৮ শতাংশ। আর এই ৬ আসনে গড়ে ভোট পড়েছে ২৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। তবে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সময়কালে ফরিদপুরে-২ আসনে ভোট পড়োছিল ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

তবে এই কমিশনের করা কোনো সংসদীয় আসনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে, মাত্র ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এছাড়া বগুড়া-৪ আসনে ২৩ দশমিক ৯২, বগুড়া-৬ আসনে ২২ দশমিক ৩৪, চাঁপানবাবগঞ্জ-২ আসনে ৩৪ দশমিক ৭৯ এবং চাঁপানবাবগঞ্জ-৩ আসনে ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে ইসির কোনো পর্যবেক্ষণ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটার উপস্থিতি ভাল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বগুড়ায় একটু কম।’

এই কমিশনার বলেন, ‘বগুড়া বিএনপির দুর্গ। এটা সবাই জানেন। ওখানে বেশিরভাগ ভোটার বিএনপির। বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। সঙ্গত কারণেই ওখানে বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে যাননি। এ কারণে ওখানে কম ভোট কাস্ট হয়েছে।

‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও একই ব্যাপার। বিএনপি এখানেও ভোটে আসেনি। একটি বড় দল, ওখানেও তাদের সমর্থন আছে। সেই সমর্থকরা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেননি।’

ভোট কাস্টিং কম হওয়ার আরেকটি কারণ তুলে তিনি বলেন, ‘এই সংসদ সদস্যদের মেয়াদকাল খুব কম, আট মাস বা নয় মাস। এই অল্প সময়ের জন্য আসলে ভোটাররা আগ্রহ বোধ করেন না।’ তবে সার্বিকভাবে ভোটের এই উপস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট বলে মনে করেন এই কমিশনার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ইলেকশন ম্যাকানিজম হিসেবে দেখছেন এই কমিশনার। তিনি বলেন, ‘যারা ম্যাকানিজম করে তারা তো আর আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে তা করে না। এটি আসলে কৌশল।’

জাতীয় নির্বাচনে যদি একই কৌশল হয় তখন ইসির ভূমিকা কী হবে- এমন প্রশ্নে ইসি রাশেদা বলেন, ‘কৌশল দেখা ইলেকশন কমিশনের কাজ না। ৩৯টি দলের কে কী ম্যাকানিজম করছে এটা কমিশনের পক্ষে খুঁজে বের করা সম্ভবও না। এটা যার যার রাজনৈতিক কৌশল।’

সিসিটিভি ক্যামের না থাকায় ভোট পর্যবেক্ষণে সমস্যা হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘সরাসরি আর মাধ্যম হয়ে আসা- এ দুটি ক্ষেত্রে পার্থক্য তো থাকবেই। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে অবশ্যই ভালো হয়। এটা আমরা চোখ দিয়ে দেখতে পারছি।

‘সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে নির্বাচন আরও স্বচ্ছ হতো। আর তা যদি না-ই হতো তাহলে সব মহল থেকে আমাদের কেন জানানো হলো যে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করেন? আমি মনে করি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে আরও বেশি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারব কমিশন। আর তা বলতেও দ্বিধা নেই।’

আরও পড়ুন:
দোকানে এসে শোনেন আজ ভোট
ইভিএমে ত্রুটি, দুইবারে ভোট
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট আজ
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা

মন্তব্য

p
উপরে