× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Van driver killed after being hit by a truck in Nilphamari
google_news print-icon

নীলফামারীতে ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

নীলফামারীতে-ট্রাকের-ধাক্কায়-ভ্যানচালক-নিহত
প্রতীকী ছবি
ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে ভাদুরদরগা থেকে কালীগঞ্জ যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ভ্যানটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সহিদার মারা যান।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় সহিদার রহমান নামের এক অটোচালকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের খারিজা গোলনা দীঘিরপারে আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত ৫৫ বছর বয়সী সহিদার কালীগঞ্জ ময়মনসিংহ এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জলঢাকা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রহিম জানান, ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে ভাদুরদরগা থেকে কালীগঞ্জ যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ভ্যানটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সহিদার মারা যান।

আরও পড়ুন:
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
শ্রীনগরে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
নওগাঁয় বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবক নিহত
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The explosion was not caused by the gas released from the cylinder

বিস্ফোরণ নয়, সিলিন্ডারের ছেড়ে দেয়া গ্যাসে ভাসানচরে অগ্নিকাণ্ড

বিস্ফোরণ নয়, সিলিন্ডারের ছেড়ে দেয়া গ্যাসে ভাসানচরে অগ্নিকাণ্ড নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের মাঝে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের তারিখ ছিল। নতুন সিলিন্ডার নিতে সফি আলম তার আগের সিলিন্ডারের তলানিতে থেকে যাওয়া গ্যাস ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেন। সেসময় পাশের কক্ষের আবদুস শুক্কুরের স্ত্রী আমিনা খাতুন এবং অপর কক্ষে আব্দুল হাকিমের মেয়ে রোমানা গ্যাসের চুলা জ্বালাতে দিয়াশলাই জ্বালালে ওই ছেড়ে দেয়া গ্যাস বাতাসে মিশে আগুন ধরে যায়।’

নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ পাঁচ শিশুরই মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও এর কারণ ছিল এতদিন অজানা। তবে পাঁচদিন পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা গেছে।

সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে সিলিন্ডারের গ্যাস ছেড়ে দেয়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বলেন, ‘শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের মাঝে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের তারিখ ছিল। এর আগের দিন সকালে ৮১ নম্বর ক্লাস্টারের ২৪ বছর বয়সী সফি আলম নতুন সিলিন্ডার নিতে তার ব্যবহৃত সিলিন্ডারের তলানিতে থেকে যাওয়া গ্যাস ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেন। সেসময় পাশের কক্ষের আবদুস শুক্কুরের স্ত্রী আমিনা খাতুন এবং অপর কক্ষে আব্দুল হাকিমের মেয়ে রোমানা গ্যাসের চুলা জ্বালাতে দিয়াশলাই জ্বালালে ওই ছেড়ে দেয়া গ্যাস বাতাসে মিশে ৩, ৫, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর কক্ষসহ বারান্দায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পাঁচ শিশুসহ মোট নয়জন দগ্ধ হন।

তাদের উদ্ধার করে ভাসানচর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে গুরুতর সাতজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ পাঁচ শিশু ৫ বছরের রবি আলম, সোহেল, ৪ বছরের রাসেল এবং তিন বছরের মুবাশিরা ও রোমানার মৃত্যু হয়।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ‘সাবধানতা অবলম্বন না করে অবহেলা করে সিলিন্ডার থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়ায় আগুনের সুত্রপাত হয়। এ ঘটনায় ৮১ নম্বর ক্লাস্টারের সফি আলমের বিরুদ্ধে ভাসানচর থানায় বুধবার রাতে মামলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মামলার একমাত্র অভিযুক্ত সফি আলমের দুই শিশু সন্তানও এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

‘তিনি নিজেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। তাকে ভাসানচর হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সুস্থ হলে এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮১ নম্বর ক্লাস্টারের একটি কক্ষে রান্নার চুলার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৫ শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হন।

আহতদের প্রথমে নোয়াখালীর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠান।

আরও পড়ুন:
ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিস্ফোরণ: দগ্ধ পাঁচ শিশুরই মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The couple at the UNO office with a complaint against the chairman
ঠাকুরগাঁওয়ে ঘর থেকে বের করে দরোজায় তালা

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নালিশ নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে সেই দম্পতি

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নালিশ নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে সেই দম্পতি ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নালিশ করতে বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও সদর ইউএনও কার্যালয়ে যান বৃদ্ধ দম্পতি। ছবি: নিউজবাংলা
বৃদ্ধ আব্দুল হালিম বলেন, ‘ইউএনও স্যার যা প্রশ্ন করেছেন উত্তর দিয়েছি। চেয়ারম্যান আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে তালা দিলেন, হুমকি-ধমকি দিলেন- এসব বিষয় জানিয়ে নালিশ করেছি এবং বিচার চেয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।’

ঠাকুরগাঁওয়ে ভাড়া বাসা থেকে বের করে দিয়ে দরোজায় চেয়ারম্যানের তালা ঝুলিয়ে দেয়া ও নানামুখী ভয় দেখানোর ঘটনায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে নালিশ জানিয়েছেন বৃদ্ধ দম্পতি আব্দুল হালিম ও জোৎস্না বেগম।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটন সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে দীর্ঘ সময় ধরে কার্যালয়ে বসে ওই বৃদ্ধ দম্পতির কথা শুনে আইন অনুযায়ী তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ইউএনও মো. বেলায়েত হোসেন।

ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মৌখিকভাবে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নালিশ জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী ওই দম্পতি।

বৃদ্ধ দম্পতির ভাষ্যমতে, সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পৌর শহরের দক্ষিণ সালন্দর শান্তিনগর এলাকায় স্কুল শিক্ষিকা ফারহানা ইসলাম কলির বাসায় ভাড়াটে হিসেবে ওঠেন তারা। কয়েকদিন পর ভোরের দিকে ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটন তাদের ঘুম থেকে ডেকে তুলে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির বাইরে বের করে দেন এবং বাড়ির দরোজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।

জানা যায়, ওই বাড়ির জায়গা নিয়ে চেয়ারম্যানের লোকজন ও বাড়িওয়ালার মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সেদিন ভুক্তভোগী দম্পতি জীবিকার তাগিদে অন্যত্র থাকায় তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি পরিদর্শনকারীদের। পরে তাদের দেখা করতে বলা হলে ওই বৃদ্ধ দম্পতি ইউএনওর কার্যালয়ে যান এবং তাদের সমস্যার কথা ইউএনও’র কাছে তুলে ধরেন।

ভাড়াটে বৃদ্ধ আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমি এর আগেও ইউএনও স্যারের সঙ্গে দেখা করতে কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু স্যার সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় দেখা করা সম্ভব হয়নি। আজ (বৃহস্পতিবার) দেখা করেছি। তিনি অনেকক্ষণ ধরে আমাদের কথা শুনেছেন।

‘স্যার আমাদের যা প্রশ্ন করেছেন সব উত্তর দিয়েছি। চেয়ারম্যান আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে তালা দিলেন, হুমকি-ধমকি দিলেন- এসব নালিশ করেছি ও বিচার চেয়েছি। এছাড়াও আমার ঘরের যেসব জিনিসপত্র চেয়ারম্যানের লোকজন সরিয়েছে সেসব জিনিস উদ্ধারের জন্য স্যারের সহযোগিতা চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘বলা হচ্ছে- আমার নিজস্ব বাসা ছেড়ে ভাড়া বাসায় কেন উঠেছি? আমি স্যারকে পরিষ্কার করেছি বিষয়টি। বলেছি, টাকার অভাবে আমি আমার মেয়ের বিয়ে দিতে পারছি না। বাড়ি বিক্রির জন্য আমি এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়েছি। কিন্তু বাড়ি খালি না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি জমি রেজিস্ট্রি নিচ্ছে না।

‘তখন বাড়ি খালি করার জন্য আমি স্কুল শিক্ষিকাকে অনুরোধ করে বলি- তাদের তো অনেক জায়গা জমি, যেন আমাকে একটি থাকার ঘর তুলে দেন। আমি প্রতি মাসে ভাড়া দেব। তখন তিনি আমাকে তার জায়গায় দুটো ঘর তুলে দেন। এখন ওই জায়গা নিয়ে কারও সঙ্গে বিরোধ থাকলে এখানে আমাদের তো দোষ নেই। আমাদের থাকতে না দিলে থাকতাম না।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান লিটন। তিনি এর আগে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। আমি দুদিন সেখানে গিয়েছি। গণমাধ্যমকর্মীরাও গিয়েছিল।’

সে সময় তিনি বাড়ির দরোজায় তালা ঝুলানো ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এদিকে ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন বাড়িওয়ালা স্কুল শিক্ষিকা ফারহানা ইসলাম কলি।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ একাধিকবার ঘটনাস্থলে এসেছে। কিন্তু এখনও আমাদের এজাহার মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি। আইনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। নিশ্চয় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। সেখানে ইউএনও স্যারও পরিদর্শন করেছেন। মামলা নেয়ার মতো ঘটনা হলে আমরা মামলা নেব। আমরা তদন্ত করছি।’

ইউএনও মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ওই বৃদ্ধ দম্পতি আজ (বৃহস্পতিবার) আমার কার্যালয়ে এসেছেন এবং আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য আমার এখান থেকে যতদূর করা যায় করব।’

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসককে একটি লিখিত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা রয়েছে এই সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার।

আরও পড়ুন:
বৃদ্ধ দম্পতির বাড়ির দরজার তালা গেল কোথায়?
ভাড়া বাসায় ‘চেয়ারম্যানের দেয়া’ তালা খোলার অপেক্ষায় দম্পতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Madrasa teacher detained again on the charge of Balatkar

ফের বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

ফের বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক বলাৎকারে অভিযুক্ত দেবীগঞ্জ পৌর শহরের আলহেরা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
দুই বছর আগেও এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে ও মারধর করে তিনি এই অপকর্ম করতেন বলে সেসময় অভিযোগ পাওয়া যায়।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে হাফেজ মিজানুর রহমান নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে দেবীগঞ্জ পৌর শহরের আলহেরা মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়। সেইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশে মাদ্রাসার ভুক্তভোগী ৬ ছাত্রকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ গোড় গ্ৰামের বাসিন্দা। আলহেরা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, আবাসিক ও অনাবসিক- দুই ব্যবস্থাতেই পাঠদান করে আলহেরা মাদ্রাসা। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ পায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তারা পুলিশকে না জানিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করে।

চাকরিচ্যুত হওয়ার পর ওই শিক্ষক মাদ্রাসায় অবস্থান নিলে বুধবার বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনার খবরে অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে রাত ৮টার দিকে মাদ্রাসায় জড়ো হন তারা।

পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বিবেচনায় ৯৯৯ ফোন করে সহযোগিতা চায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

দুই বছর আগেও এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে ও মারধর করে তিনি এই অপকর্ম করতেন বলে সেসময় অভিযোগ পাওয়া যায়।

আলহেরা মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই প্রধান বলেন, ‘৭/৮ বছর ধরে এখানে শিক্ষকতা করছেন মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার এক অভিভাবক তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনলে, ওইদিনই তাকে জরুরি মিটিংয়ের মাধ্যমে বরখাস্ত করা হয়।’

দেবীগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীকে বলাৎকার: মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে
মাদারীপুরে মাদ্রাসার ৪ ছাত্রকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ
মাদ্রাসার ছাত্রকে ‘আছাড় মেরে’ মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার অভিযোগ
পালাতে গিয়ে পাঁচতলার কার্ণিশে আটকা, অতঃপর…

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chairman Mujibul sacked for threatening Ambassador Haas

রাষ্ট্রদূত হাসকে হুমকি দেয়া চেয়ারম্যান মুজিবুল বরখাস্ত

রাষ্ট্রদূত হাসকে হুমকি দেয়া চেয়ারম্যান মুজিবুল বরখাস্ত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
বিভিন্ন সময়ে নানা বিতর্কিত বক্তব্য ও কার্যক্রমে ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবু হক ব্যাপকভাবে আলোচিত-সমালোচিত। আর এসব কারণে ইউপি চেয়ারম্যান হয়েও বেশ কয়েকবার জাতীয় গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্টদূত পিটার হাসকে হুমকি দেয়া চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সেই ইউপি চেয়ারম্যান অবশেষে বরখাস্ত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে নানা বিতর্কিত বক্তব্য ও কার্যক্রমে ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবু হক ব্যাপকভাবে আলোচিত-সমালোচিত। আর এসব কারণে ইউপি চেয়ারম্যান হয়েও বেশ কয়েকবার জাতীয় গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

করোনা মহামারির সময়ে বয়সের চেয়ে বড় স্থানীয় খেটেখাওয়া লোকজনকে ঘরের বাইরে বের হওয়ার অজুহাতে পিটিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন মুজিবুল হক। বিগত ইউপি নির্বাচনে জনসভায় প্রকাশ্যে নিজের লোক দিয়ে ভোট নেয়ার হুমকি দিলে সে সময় চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপরও তিনি লাগামহীন কথাবার্তা বলে গেছেন।

সবশেষ গত বছরের নভেম্বর মাসে হরতালবিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে পেটানোর হুমকি দিয়ে ফের আলোচনায় আসেন।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনে জেলা প্রশাসক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। অভিযোগপত্রে এসব বিষয় উঠে আসে। মুজিবুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা যুক্তিযুক্ত নয় মর্মে সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মূলত তাকে বরখাস্ত করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Myanmar the sound of gunfire again bullets are falling from the plane

মিয়ানমারে ফের গুলির শব্দ, বিমান থেকে পড়ছে গোলাও

মিয়ানমারে ফের গুলির শব্দ, বিমান থেকে পড়ছে গোলাও ফাইল ছবি
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতের জেরে সোমবার বিকেল ৪টার পর থেকে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল না, কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়রা।

তিন দিন শান্ত থাকার পর কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ও হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে আবারও বিস্ফারণের বিকট শব্দের পাশাপাশি বিমান থেকেও চলছে গোলাবর্ষণ।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতের জেরে সোমবার বিকেল ৪টার পর থেকে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল না, কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়রা।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী উনচিপ্রাং, কাঞ্জরপাড়া এবং হ্নীলা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ফুলেরডেইল সহ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নাফ নদের ওপারে অন্তত ২ থেকে ৩ কিলোমিটার ভেতরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বলিবাজার ও নাকপুরা এলাকা ঘিরে সরকারি বাহিনীর সাথে আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত চলছে। এতে গোলাগুলি ও মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসে এপারেও।

এ সময় আকাশের অনেক উঁচু থেকে চক্কর দিতে দিতে বিমানে মর্টার শেল বা বোমা বর্ষণেরও ঘটনা দেখা গেছে।

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর সদস্যরা আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ নেয়া বলিবাজার এলাকায় এই হামলা চালিয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করেছেন। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন তারা।

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, ‘তিন দিন পর সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। ভোর থেকে থেমে থেমে শুরু হয় গোলাবর্ষণের বিকট শব্দ। সকাল ৯টার পর তা থেমে যায়।’

তিনি বলেন, ‘সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত টানা বিকট শব্দ ভেসে এসেছে। ওই সময় মিয়ানমারের বলিবাজার ও নাকপুরা পাড়ার দিকে আকাশে বিমানের চক্কর দিতে দেখা গেছে। বিমান থেকে গুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। তবে দুপুরের পর থেকে শব্দ কমলেও এখনো থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।’

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, ‘তিন দিন পর আবারও গোলাগুলি শব্দ শোনা গেছে। সীমান্তের লোকজন আতঙ্কিত রয়েছেন।’

টেকনাফের উনচিপ্রাং এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় সাংবাদিক তাহের নঈম বলেন, ‘সীমান্ত পরিস্থিতি ৩ দিন ধরে একটু স্বাভাবিক ছিল। তিন দিন পর আবারও বিস্ফোরণের শব্দে নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’

এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যদের তৎপর রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির টেকনাফে ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ।

আরও পড়ুন:
২৩ দিন পর খুলল ঘুমধুম সীমান্তের পাঁচ স্কুল
টেকনাফ সীমান্ত শান্ত, মিয়ানমারে গুলির শব্দও কম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gas cylinder explosion in Bhasanchar Rohingya camp kills five children

ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিস্ফোরণ: দগ্ধ পাঁচ শিশুরই মৃত্যু

ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিস্ফোরণ: দগ্ধ পাঁচ শিশুরই মৃত্যু নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ প্রাণ হারানো শিশুটি তিন বছর বয়সী রুশমিদা। সে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আব্দুর শুক্কুরের মেয়ে। বিস্ফোরণে তার শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। 

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে দগ্ধ পাঁচ শিশুর সবারই মৃত্যু হলো।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ চমেক (চমেক) হাসপাতালে বুধবার রাতে শিশুটির মৃত্যু হয়।

বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ প্রাণ হারানো শিশুটি তিন বছর বয়সী রুশমিদা। সে ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আব্দুর শুক্কুরের মেয়ে। বিস্ফোরণে তার শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, এ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গ্যাসের সিলিন্ডারের পাইপের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ দুজন বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন ২২ বছর বয়সী জোবায়দা ও ২৪ বছর বয়সী আমেনা খাতুন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ নয়জনের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে আমেনা খাতুন ছাড়া বাকি সবারই শ্বাসনালি দগ্ধ হয়।

হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮১ নম্বর ক্লাস্টারে শনিবার সকালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ শিশুসহ নয়জন দগ্ধ হন।

দগ্ধদের প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসক সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠালে পাঁচ শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The teacher who cut the hair of 9 students for not wearing hijab was suspended

হিজাব না পরায় ৯ ছাত্রীর চুল কাটা শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

হিজাব না পরায় ৯ ছাত্রীর চুল কাটা শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
বুধবার বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে বিজ্ঞান ক্লাস চলছিল। রুমিয়া সরকার ক্লাস নিচ্ছিলেন। এ সময় ধর্মী আচার-আচরণ নিয়ে কথা হয়। ক্লাসের ৯ জন শিক্ষার্থী ক্লাসে হিজাব ছাড়া ছিল। শিক্ষিক রুমিয়া পর্দার আলোচনা করতে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। সে সময় শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেন তিনি।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে হিজাব না পরায় বিদ্যালয়ের ৯ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ ওঠা শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরের পর উপজেলার সৈয়দপুর আব্দুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই ঘটনার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত রুমিয়া সরকার বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান এবং স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিষয়ের শিক্ষক।

বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে বিজ্ঞান ক্লাস চলছিল। রুমিয়া সরকার ক্লাস নিচ্ছিলেন। এ সময় ধর্মী আচার-আচরণ নিয়ে কথা হয়। ক্লাসের ৯ জন শিক্ষার্থী ক্লাসে হিজাব ছাড়া ছিল। শিক্ষিক রুমিয়া পর্দার আলোচনা করতে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। সে সময় শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেন তিনি।

সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী বলে, আমার একটাই হিজাব ছিল। ওই হিজাবটা ময়লা হয়ে যাওয়ায় ধুয়ে দিয়েছিলাম। এ জন্য পরে যেতে পারিনি। ম্যাডামকে অনেক অনুরোধ করে বলেও আমি রক্ষা পাইনি। ম্যাডাম আমাদের চুল কেটে দিল।

ভুক্তভোগীদের শিক্ষার্থীদের এক অভিভাবক মো. কহিনুর বলেন, ধর্মের বিষয়টি অন্তর থেকে করতে হয়। বাচ্চারা হিজাব না পরে ভুল করছে। এটি তাদের বুঝিয়ে বলতে পারতো। এটা না করে ৯টা বাচ্চার কারো ৪ আঙ্গুল,কারো ৬ আঙ্গুল করে চুল কেটে দিল। এটি অন্যায় করেছে। মেয়েরা খুব কান্নাকাটি করছে। স্কুলে আসতে চাচ্ছিল না। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে ।

সৈয়দপুর আব্দুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিয়া মো. ফরিদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ওই শিক্ষিক কাঁচি কোথায় পেলেন জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছেই ছিল।

আব্দুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি গোলাম মাহমুদ বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, তদন্ত কমিটি হয়েছে, জড়িত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমাদিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সকালে ৯ জনের মধ্যে চার শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি। হিজাব না পরায় চুল কাটার বিষয়টি জানতে পেরেছি।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এ বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাক,স্কুল কমিটির লোকজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে স্কুলে বসেছিল।ধর্মীয় রিতিনীতিতে উৎসাহিত করতে ওই শিক্ষিক এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে এমন একটি ঘটনা কাম্য নয়।

মন্তব্য

p
উপরে