× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Brazil defeated Argentina in the field
hear-news
player
google_news print-icon

জবিতে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল

জবিতে-আর্জেন্টিনাকে-হারাল-ব্রাজিল
খেলার আগে দুই পক্ষের খেলোয়াড়রা। ছবি: নিউজবাংলা
খেলার আয়োজক কমিটির সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সাদেক বলেন, ‘খেলা আমাদের মানসিক শক্তি বাড়ায়। বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে আমাদের যে উত্তেজনা তা আরও বেড়েছে এই প্রীতি ম্যাচে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দল সমর্থনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। িএ ম্যাচে ব্রাজিল দল জয়লাভ করেছে।

শুক্রবার বিকেলে কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের মাঠে ওই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

খেলায় প্রথম থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিল সমর্থকরা। খেলা শুরুর ১০ মিনিটে রাজুর গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল সমর্থক দল। এরপর আর্জেন্টিনা সমর্থক দল তাদের আক্রমণ শক্তিশালী করার চেষ্টা করলে ১৬ মিনিটে রাজুর আরও একটি গোল হজম করে তারা।

দুই গোল হজমের পর আর্জেন্টিনা দল চেষ্টা চালাতে থাকে গোল পরিশোধ করার। খেলার ২০ মিনিটে আসে সফলতাও। গোল করে ব্যবধান কমান আর্জেন্টিনা সমর্থক দলের জাহিদ। পরে আর কোনো গোল না হওয়ায় ব্রাজিল সমর্থক দল জয়ী হয়।

খেলা শেষে ব্রাজিল সমর্থক দলের অধিনায়ক নাজমুল সাগর বলেন, ‘আমরা একটি প্রীতি ম্যাচ খেললাম। বিভাগের প্রত্যেকের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক মজবুত করতে আজকের এ প্রীতি ম্যাচ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।’

আর্জেন্টিনা সমর্থক দলের অধিনায়ক তাজ হাসান বলেন, ‘একটি খেলায় হার-জিত থাকবেই। খেলা খেলার জায়গায়। এর জন্য আমাদের বন্ধুত্ব বা ভাইয়ের সম্পর্ক নষ্ট হোক এটা আমরা চাই না। প্রীতি ম্যাচ আনন্দ করার জন্যই।’

খেলার আয়োজক কমিটির সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সাদেক বলেন, ‘খেলা আমাদের মানসিক শক্তি বাড়ায়। বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে আমাদের যে উত্তেজনা তা আরও বেড়েছে এই প্রীতি ম্যাচে।’

এ সময় ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে খেলা যেন এই মাঠের মধ্যেই থাকে। এ খেলার জন্য কেউ কারোর ওপর মনোমালিন্য যেন না হয়।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিউটন হাওলাদার।

আরও পড়ুন:
জবিতে যিশুখ্রিষ্টের প্রাক-জন্মদিন উদযাপন
জবিতে ভর্তির তৃতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ গ্রাফিতি
গবেষণা প্রকল্পে অনুদান পেলেন জবির ৩০ শিক্ষক
জবি ক্যাম্পাসে বদ্ধ নর্দমা, মশার রাজত্ব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
999 called the dead body of the young woman

৯৯৯-এ ফোন, মিলল তরুণীর মরদেহ

৯৯৯-এ ফোন, মিলল তরুণীর মরদেহ এনজিও কর্মী নিশাত আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
বাড়ির মালিক গফুর সওদাগর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসার দ্বিতীয় তলায় নিশাতের রুমের দিকে যায় আমার মেয়েরা। বরাবরের মতোই তার বাসার দরজা ভেড়ানো ছিল। ধাক্কা দিতেই দরোজা খুলে যায়। মেয়েরা তার দেহ ঝুলন্ত দেখতে পায়। তারপর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।’

কক্সবাজার শহরের পশ্চিম বাহারছড়া এলাকায় এক নারী এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম নিশাত আহমেদ।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।

নিশাত আহমেদ শহরের পশ্চিম বাহারছড়া এলাকার গফুর সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি চকরিয়ার ডুলাহাজারায়। তিনি আন্তর্জাতিক একটি এনজিও সংস্থায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাড়ির মালিক গফুর সওদাগর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসার দ্বিতীয় তলায় নিশাতের রুমের দিকে যায় আমার মেয়েরা। বরাবরের মতোই তার বাসার দরজা ভেড়ানো ছিল। ধাক্কা দিতেই দরোজা খুলে যায়। মেয়েরা তার দেহ ঝুলন্ত দেখতে পায়। তারপর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।’

ঘটনাস্থলে থাকা কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ‘৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ পেয়েছি। মরদেহ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
মসজিদের মেস ঘরে খাদেমের ঝুলন্ত মরদেহ
ধানমন্ডির রাস্তায় হুইল চেয়ারে মরদেহ
বংশালের গলিতে রক্তাক্ত মরদেহ
নিখোঁজের ৪ দিন পর টয়লেটের ট্যাংকে মা-ছেলের মরদেহ
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Half a million people suffer due to lack of bridges

সেতুর অভাবে দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ

সেতুর অভাবে দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ সেতুর অভাবে নৌকায় নদী পার হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। ছবি: নিউজবাংলা
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের পল্লি সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণে সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী বলেন, ‘স্থানীয় প্রকৌশলী এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে আমি সেতু নির্মাণের এলাকা পরিদর্শন করে এসেছি। শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘোড়াউত্রা নদীর উপর মাইজচর ও দিলালপুর সংযোগ সেতু নির্মিত হবে।’

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দুটি ইউনিয়নের ৫০ হাজারের বেশি মানুষের। সেতুর অভাবে হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপজেলা সদরে যেতে হলে নৌকাই একমাত্র ভরসা এখানকার বাসিন্দাদের। ফলে যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এ অঞ্চলের বাসিন্দারা।

উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ঘোড়াউত্রা নদী পার হতে হয় ছোট ছোট নৌকা দিয়ে। বর্ষায় উত্তাল ঢেউয়ে অনেক সময় নৌকা ডুবে ঘটে দুর্ঘটনা আর শুকনো মৌসুমে কাঁদা-পানিতে ভিজে নৌকায় ওঠতে হয় তাদের।

এতে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না শিক্ষার্থীরা। উৎপাদিত কৃষি পণ্যের সঠিক মূল্যও পাচ্ছে না কৃষক। চরম ভোগান্তি পোহায় কয়েকশ শিক্ষার্থীসহ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র পথ এ নদী। এই নদী পার হয়েই শিক্ষার্থীদের যেতে হয় উচ্চ শিক্ষার জন্য। স্বাস্থ্য সেবা নিতে ও সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং বাজারেও যেতে হয় একই পথে। উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নের লোকজন পার হন দিলালপুর ঘাট দিয়ে।

এ ছাড়াও পাশ্ববর্তী হুমাইপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এ ঘাট দিয়ে পার হন। বর্ষা মৌসুমে বাড়ির ঘাট থেকে নৌকায় উঠতে পারলেও শুকনো মৌসুমে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে এসে নদী পার হতে হয় তাদের। জোয়ারের সময় নদীতে পানি বাড়লে ইঞ্জিনচালিত নৌকা তীরে ভিড়ে তবে পানি কমে গেলে বাধে বিপত্তি।

দিলালপুর আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী হেরা মনি বলেন, ‘বছরের অধিকাংশ সময় নদীতে অনেক পানি থাকে। এই সময়ে নদী পার হতে অনেক ভয় লাগে। অনেক সময় নৌকা দিয়ে নদী পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। শুকনো মৌসুমে পানি কমে গেলে নদী পার হতে গিয়ে কাঁদা লেপ্টে জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। এই অবস্থায় ওইদিন আর স্কুলে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।’

বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জায়েদ উল্লাহ ফুরকান বলেন, ‘এই নদীতে সেতু না থাকায় সারা বছর আমাদের খুবই কষ্ট করতে হয়। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে গেলে আমাদেরকেও এর অংশীদার করতে হবে। তাই সেতু নির্মাণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চাই।’

দিলালপুর আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আ. কাইয়ুম জানান, মাইজচর ইউনিয়নের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। তারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বিদ্যালয়ে আসে। যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। ঘোড়াউত্রা নদীতে একটি সেতু নির্মিত হলে শিশুরাও বিদ্যালয়ে আসতে আগ্রহী হবে। ফলে পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোতেও শিক্ষার হার বাড়বে।

মাইজচর গ্রামের কৃষক হোসেন আলী বলেন, ‘এ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রচুর পরিমাণ সবজি উৎপাদন হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এখানকার কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য না পাওয়াতে সবজি উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে হাজার হাজার মানুষ কষ্ট করছে। ঘোড়াউত্রা নদীতে একটি সেতু নির্মিত হলে কৃষকেরাও তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে। আমাদেরও কষ্ট দূর হবে।’

মাইজচর ইউনিয়নের বাসিন্দা জাহানারা বেগম বলেন, ‘একটা বিরিজের লাগি সারাডা জীবন কষ্ট কইরে গেলাম। অহনও করতাছি। বিরিজ আর অইলো না। আমরার দাবি এহানো একটা বিরিজ দরহার।’

সেতুর অভাবে দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ
নদী পার হওয়ার জন্য অপেক্ষারত মানুষেরা। ছবি: নিউজবাংলা

মাইজচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাবারক মিয়াজি বলেন, ‘উপজেলা সদর থেকে আমাদের ইউনিয়নটি একেবারেই বিচ্ছিন্ন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই নদীতে সেতু নির্মাণের দাবি থাকলেও সেতু নির্মাণ হয়নি। এ নদী পার হতে গিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এ ছাড়াও কেউ অসুস্থ হলে সময়মতো চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না। অনেক সময় নদী পার হওয়ার আগেই বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই অবস্থায় আমাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মো. আফজল হোসেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক সেতু নির্মাণের এলাকা পরিদর্শন করেছেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের পল্লি সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণে সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী বলেন, ‘স্থানীয় প্রকৌশলী এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে আমি সেতু নির্মাণের এলাকা পরিদর্শন করে এসেছি। শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘোড়াউত্রা নদীর উপর মাইজচর ও দিলালপুর সংযোগ সেতু নির্মিত হবে।’

আরও পড়ুন:
শহরের অংশ হয়েও গ্রামেই বসবাস তাদের
বাড়ির প্রাচীর বানাবেন, তাই রাস্তা সরাতে হবে
১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ ৬ কিমির রাস্তা
রংপুরের বাস বন্ধ, রাজশাহী টার্মিনালে এসে হতাশ অনেকে
কুড়ি বছর ধরে ভোগাচ্ছে তিন কিলোমিটার রাস্তা 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Silgala 20 thousand tons of rice stored in the godown

গোডাউনে মজুদ ২০ হাজার টন চাল, সিলগালা

গোডাউনে মজুদ ২০ হাজার টন চাল, সিলগালা বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে বাগেরহাটের ফকিরহাটে এএমএম জুট মিলের গোডাউন থেকে বিপুল চাল জব্দ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব-৬ খুলনার কোম্পানি কমান্ডার মো. বদরুদ্দৌজা বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গুদামে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ চাল পাওয়া যায়। এই চালগুলো অতিরিক্ত দামে বিক্রির জন্য সেখানে রাখা হয়েছিল।’

বাগেরহাটের ফকিরহাটে অতিরিক্ত মুনাফার জন্য মজুদ করা ২০ হাজার টন চাল জব্দ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্য্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার লখপুর এলাকার এএমএম জুট মিলের গোডাউন থেকে এই চাল জব্দ করা হয়।

অবৈধ মজুদের অপরাধে গুদামের দায়িত্বে থাকা অলোক চক্রবর্ত্তী নামের এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সে সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত গুদামটিকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রুবাইয়া বিনতে কাশেম ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হিসেবে এই আদেশ দেন। এ সময় র‌্যাব-৬ খুলনার কোম্পানি কমান্ডার মো. বদরুদ্দৌজা, বাগেরহাট জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকাঈ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

গোডাউনে মজুদ ২০ হাজার টন চাল, সিলগালা
চাল জব্দ করার পর এএমএম জুটি মিলের গোডাউন সিলগালা করে দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

র‌্যাব-৬ খুলনার কোম্পানি কমান্ডার মো. বদরুদ্দৌজা বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গুদামে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ চাল পাওয়া যায়। এই চালগুলো অতিরিক্ত দামে বিক্রির জন্য সেখানে রাখা হয়েছিল।’

তবে গুদামের দায়িত্বে থাকা অলোক চক্রবর্ত্তীর দাবি, জব্দ চালগুলো সরকারি গুদামে দেয়ার জন্য আমদানি করা হয়েছিল। কিন্তু চালগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আর গুদামে দেয়া যায়নি। চালের পরিমাণ ১ হাজার ১৮৯ টন।’

জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা মো. সুজাত হোসেন খান বলেন, ‘খাদ্য অধিদপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী এই চাল আমদানি করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে চালের মান খারাপ উল্লেখ করে চালগুলো আর সরকারি খাদ্য গুদামে দেয়নি চাল ব্যবসায়ী। আসলে এর মধ্যে মাত্র দুই-তিন বস্তা চাল খারাপ হতে পারে। বাকিগুলোর মান ভাল।

‘গুদামে ২০ হাজার টন চাল রয়েছে। জুট মিলে এত চাল থাকার কথা নয়। সব চাল ভালো থাকা সত্ত্বেও তারা নষ্ট বলে উল্লেখ করছে। মূলত অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ চাল মজুদ করা হয়েছিল।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাল আমদানিকারক বৈধ কাগজপত্র ও খাদ্য বিভাগের নির্দেশনা নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করবেন। জেলা প্রশাসক তার কাগজপত্র, চালের পরিমাণ, স্থানীয় সাক্ষীদের বক্তব্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন। আপাতত গুদামটি সিলগালা থাকবে।’

আরও পড়ুন:
দেশি চাল প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরলেই জব্দ
সরকারি গুদামে ধান-চাল দিচ্ছেন না মিল মালিকরা
জব্দ হওয়া ১১৩০ বস্তা চাল উধাওয়ের ঘটনায় মামলা
চাল-গমের দাম সহনীয় রাখতে এগিয়ে এলো বাংলাদেশ ব্যাংক
৬ প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির অনুমতি দিতে চিঠি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I was hiding under stress Asif

মানসিক চাপে আত্মগোপনে ছিলাম: আসিফ

মানসিক চাপে আত্মগোপনে ছিলাম: আসিফ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
এক সময়কার বিএনপি নেতা আসিফ বলেন, নির্বাচনে নানা কারণে মানসিক চাপে ছিলাম। আর এই চাপ থেকে মুক্ত হতে নির্বাচন থেকে সরে গিয়েছিলাম। যেহেতু ২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন শেষ হয়েছে, তাই বাড়িতে ফিরে এসেছি।

মানসিক চাপের কারণেই ভোটের আগে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ।

স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা থেকে আশুগঞ্জে ফেরার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি সাংবাদিকদের এমনটি জানান।

এক সময়কার বিএনপি নেতা আসিফ বলেন, নির্বাচনে নানা কারণে মানসিক চাপে ছিলাম। আর এই চাপ থেকে মুক্ত হতে নির্বাচন থেকে সরে গিয়েছিলাম। যেহেতু ২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন শেষ হয়েছে, তাই বাড়িতে ফিরে এসেছি।

আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নিসা মেহরিন জানান, ভয়ের কারণে তার স্বামী আত্মগোপনে ছিলেন । তাই তিনি নিজের ফোনটিও নিয়ে যাননি।

এর আগে আবু আসিফ নিজের রাজধানীর বসুন্ধরার বাসায় অবস্থান করছিলেন বলে জানান পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার জানান, আবু আসিফ আহমেদ নিখোঁজ থাকার বিষয়ে তার স্ত্রী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আসিফের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি তাকে নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিচারক বদলির আল্টিমেটামের সময় বাড়ালেন আইনজীবীরা
আশুগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০
বিচারককে গালির ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি নারী বিচারকদের
‘অন্নদা উৎসবে’ অংশ নেবে ২ হাজার সাবেক ছাত্র
পার্চিংয়ে কমছে খরচ, বাড়ছে ফলন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jubo League leader beat 2 journalists for reporting Hero Alams news

হিরো আলমের নিউজ করায় ২ সাংবাদিককে মারলেন যুবলীগ নেতা

হিরো আলমের নিউজ করায় ২ সাংবাদিককে মারলেন যুবলীগ নেতা ভোটের মাঠে হিরো আলম। ফাইল ছবি
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বগুড়ার উপনির্বাচনে আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের সংবাদ প্রকাশ করার জেরে দুই সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।

বুধবার রাতে সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া শহরের টেম্পল রোডের জেলা আওয়ামী লীগ অফিস-সংলগ্ন টাউন ক্লাবে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার দুজন হলেন বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি জে এম রউফ এবং স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম।

মারধরের ঘটনার পর থেকে পালিয়ে আছেন বগুড়া জেলা যুবলীগের সহসভাপতি অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শিপুল।

হামলার শিকার জে এম রউফ জানান, তিনি টাউন ক্লাবের অফিসে (ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে) বসে উপনির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ লিখছিলেন। ওই কক্ষে স্থানীয় সাংবাদিক প্রদীপ মহন্ত ও জহুরুল ইসলাম ছাড়াও তার আরও দুই বন্ধু উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবলীগ নেতা শিপুল মদ্যপ অবস্থায় সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় আমি হিরো আলমের সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও অফিসের মেইলে পাঠিয়েছি বলে অফিসে ফোনে জানাচ্ছিলাম। এটি শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে অশালীন ভাষায় গালাগাল শুরু করেন শিপুল। তিনি আমাদের ওপর হামলা করেন।

জে এম রউফ বলেন, হামলার বিষয়ে শিপুলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করব। সেই প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

আরেক সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘শিপুল মদ্যপ অবস্থায় এসেই অকথ্য ভাষায় কথা বলছিল। হিরো আলমের নিউজের কথা শুনেই আরও ক্ষিপ্ত হয়। প্রথমে তাকে অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়। কিছুক্ষণ পরে আবার এসে মারপিট শুরু করে শিপুল। আমার জামার কলার দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ধরেছিল।’

এ বিষয়ে জানতে শরিফুল ইসলাম শিপুলকে ফোন করা হলে তিনি তা ধরেননি।

জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু বলেন, শরিফুল ইসলাম শিপুল জেলার প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি। এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার খবর পেয়ে রাতেই সদর থানা ও সদর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু ততক্ষণে শিপুল পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি বলে জানায় পুলিশ।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে বুধবার বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোটে লড়েন হিরো আলম। এর মধ্যে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি।

আরও পড়ুন:
হিরো আলমের ভোটের ফল খতিয়ে দেখার নির্দেশ সিইসির
হিরো আলমের অভিযোগের ভিত্তি নেই: ইসি
ভোটের ফল পাল্টে দিয়েছে, আদালতে যাব: হিরো আলম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Votes in Bogra and Brahmanbaria are less because of BNP

বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম বিএনপির কারণে: ইসি

বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম বিএনপির কারণে: ইসি নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার অনুষ্ঠিত ৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে কম ভোট পড়ার কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশন তিনটি কারণের উল্লেখ করেছে। তার মধ্যে বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় ভোট কম কাস্ট হয়েছে।

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে কম ভোট পড়ার সুনির্দিষ্ট তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বলেছে, ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি ভালো। তবে বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম কাস্ট হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। কমিশনের দাবি, ভোট শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

কমিশনার রাশেদা বলেন, ‘বগুড়া মূলত বিএনপির ঘাঁটি। আর সেই দল ভোটে আসেনি। আর উপনির্বাচনে এমনিতেই ভোট একটু কম কাস্ট হয়। আবার এই ভোটে সংসদ সদস্যদের বাকি মেয়াদকাল কম হওয়ায় ভোটার আগ্রহ পায়নি।’

বুধবার ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ ও ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ৩ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উপনির্বাচনের ভোট হয়। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এদিকে অনিয়মের কারণে দু’বার উপনির্বাচন হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনে যে ভোট পড়েছে তার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম ভোট পড়েছে এই ৬ আসনের নির্বাচনে।

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৩৮ শতাংশ। আর এই ৬ আসনে গড়ে ভোট পড়েছে ২৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। তবে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সময়কালে ফরিদপুরে-২ আসনে ভোট পড়োছিল ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

তবে এই কমিশনের করা কোনো সংসদীয় আসনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে, মাত্র ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এছাড়া বগুড়া-৪ আসনে ২৩ দশমিক ৯২, বগুড়া-৬ আসনে ২২ দশমিক ৩৪, চাঁপানবাবগঞ্জ-২ আসনে ৩৪ দশমিক ৭৯ এবং চাঁপানবাবগঞ্জ-৩ আসনে ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে ইসির কোনো পর্যবেক্ষণ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটার উপস্থিতি ভাল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বগুড়ায় একটু কম।’

এই কমিশনার বলেন, ‘বগুড়া বিএনপির দুর্গ। এটা সবাই জানেন। ওখানে বেশিরভাগ ভোটার বিএনপির। বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। সঙ্গত কারণেই ওখানে বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে যাননি। এ কারণে ওখানে কম ভোট কাস্ট হয়েছে।

‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও একই ব্যাপার। বিএনপি এখানেও ভোটে আসেনি। একটি বড় দল, ওখানেও তাদের সমর্থন আছে। সেই সমর্থকরা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেননি।’

ভোট কাস্টিং কম হওয়ার আরেকটি কারণ তুলে তিনি বলেন, ‘এই সংসদ সদস্যদের মেয়াদকাল খুব কম, আট মাস বা নয় মাস। এই অল্প সময়ের জন্য আসলে ভোটাররা আগ্রহ বোধ করেন না।’ তবে সার্বিকভাবে ভোটের এই উপস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট বলে মনে করেন এই কমিশনার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ইলেকশন ম্যাকানিজম হিসেবে দেখছেন এই কমিশনার। তিনি বলেন, ‘যারা ম্যাকানিজম করে তারা তো আর আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে তা করে না। এটি আসলে কৌশল।’

জাতীয় নির্বাচনে যদি একই কৌশল হয় তখন ইসির ভূমিকা কী হবে- এমন প্রশ্নে ইসি রাশেদা বলেন, ‘কৌশল দেখা ইলেকশন কমিশনের কাজ না। ৩৯টি দলের কে কী ম্যাকানিজম করছে এটা কমিশনের পক্ষে খুঁজে বের করা সম্ভবও না। এটা যার যার রাজনৈতিক কৌশল।’

সিসিটিভি ক্যামের না থাকায় ভোট পর্যবেক্ষণে সমস্যা হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘সরাসরি আর মাধ্যম হয়ে আসা- এ দুটি ক্ষেত্রে পার্থক্য তো থাকবেই। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে অবশ্যই ভালো হয়। এটা আমরা চোখ দিয়ে দেখতে পারছি।

‘সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে নির্বাচন আরও স্বচ্ছ হতো। আর তা যদি না-ই হতো তাহলে সব মহল থেকে আমাদের কেন জানানো হলো যে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করেন? আমি মনে করি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে আরও বেশি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারব কমিশন। আর তা বলতেও দ্বিধা নেই।’

আরও পড়ুন:
দোকানে এসে শোনেন আজ ভোট
ইভিএমে ত্রুটি, দুইবারে ভোট
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট আজ
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jobs abroad More than 600 applications at the fair in Sherpur

বিদেশে চাকরি: শেরপুরে মেলায় ৬ শতাধিক আবেদন

বিদেশে চাকরি: শেরপুরে মেলায় ৬ শতাধিক আবেদন বৃহস্পতিবার শেরপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে চাকরি মেলায় আবেদন করেন বিদেশগমনেচ্ছুরা। ছবি: নিউজবাংলা
যোগনীমুরা থেকে আসা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘নারীরা দালাল বা অন্য প্রতিষ্ঠনের মাধ্যমে বিদেশে গেলে যৌন নির্যাতনসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। তবে বোয়েসেল-এর মাধ্যমে গেলে হয়রানির আশঙ্কা নেই বলে আমরা শুনেছি। তাই আবেদন করেছি।’

বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে পুরুষ ও নারী কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে দিনব্যাপী চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরে। বৃহস্পতিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এই মেলার আয়োজন করে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)। এই আয়োজন জেলা জুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং জেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপী এ মেলা শুরু হয় সকাল ১০টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার।

জেলার ৬ শতাধিক চাকরী প্রত্যাশী পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ স্বশরীরে মেলায় হাজির হয়ে আবেদন করেন। প্রবাস প্রত্যাগত এবং প্রবাসীরাও মেলায় অংশ নেন।

কামারেরচরের রফিক মিয়া বলেন, ‘দালালের মাধ্যমে বিদেশে গেলে নানাভাবে প্রতারিত হতে হয়। অনেকে জমি বিক্রি করে বা ধারদেনা করে বিদেশে গিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। কারণ দালালের কাজ ও কথায় কোনো মিল থাকে না। এমন সুযোগ করে দেয়ায় এখন আমরা সরকারিভাবে নিরাপদে বিদেশে যেতে পারব।’

যোগনীমুরা থেকে আসা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘নারীরা দালাল বা অন্য প্রতিষ্ঠনের মাধ্যমে বিদেশে গেলে যৌন নির্যাতনসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়। তবে বোয়েসেল-এর মাধ্যমে গেলে হয়রানির আশঙ্কা নেই বলে আমরা শুনেছি। তাই আবেদন করেছি।’

বিদেশে চাকরি: শেরপুরে মেলায় ৬ শতাধিক আবেদন
শেরপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার আয়োজিত চাকরি মেলায় বিপুলসংখ্যক প্রার্থী ভিড় করেন। ছবি: নিউজবাংলা

ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বোয়েসেল নৈতিক নিরাপদ ও সাশ্রয়ী অভিবাসন নিশ্চিত করে। দক্ষ হয়ে বিদেশে গেলে কোনো সমস্যা হয় না। আমরা সারাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠাচ্ছি।

‘অতীতে দালালের মধ্যেমে বিদেশে গিয়ে অনেকে নানাভাবে প্রতারিত হয়েছে। এখন বোয়েসেল-এর মাধ্যেমে বিনা ভোগান্তিতে হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ ইউরোপের নানা দেশে যাওয়া যাবে।’

এদিকে চাকরির এই মেলা ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বোয়েসেল-এর মাধ্যমে সরকারিভাবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সহজ উপায়ে বিদেশে কর্মী পাঠানোর নানা বিষয় তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন:
সরকারি চাকরিতে সাড়ে ৩ লাখ পদ খালি

মন্তব্য

p
উপরে