× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP leaders and workers in the Eidgah field of Rajshahi in the mood of the festival
hear-news
player
google_news print-icon

উৎসবের আমেজে রাজশাহীতে বিএনপি নেতা-কর্মীরা

উৎসবের-আমেজে-রাজশাহীতে-বিএনপি-নেতা-কর্মীরা
রাজশাহীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহীতে বৃহস্পতিবার থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বাসে আসার সুযোগ নেই। এ কারণে নেতা-কর্মীরা অনেকেই এসেছেন বুধবার সারাদিনে। আবার কিছু নেতা-কর্মী বৃহস্পতিবার এসেছেন ট্রাক ভাড়া করে। রাজশাহী অভিমুখী প্রতিটি ট্রেনেই আসছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

রাজশাহীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে দুই রাত কাটলো বিএনপি নেতা-কর্মীদের। সময় যত যাচ্ছে মাঠে নেতা-কর্মীর উপস্থিতি বাড়ছে। অনেকটা উৎসবের আমেজে নেতা-কর্মীরা দিনরাত পার করছেন ঈদগাহ মাঠে।

গল্প, হাঁটাহাঁটি আর কিছুক্ষণ পর পর দলীয় স্লোগান দিয়ে কর্মীরা সময় পার করছেন। তুলছেন সেলফি। ভিডিও করছেন। অনেকেই ফেসবুকে লাইভও করছেন।

রাজাশাহী মাদ্রাসা মাঠে চলছে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের মঞ্চ তৈরির কাজ। এই মাঠে নেতা-কর্মীদের এখনও প্রবেশের অনুমতি মেলেনি। মাঠের ভেতরে শুধু মঞ্চ তৈরির কাজে নিয়োজিত মিস্ত্রীরা আর বেশ কিছু পুলিশ সদস্যের অবস্থান। কিন্তু এরই মধ্যে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী বিভিন্ন জেলা থেকে এসে হাজির হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বাসে আসার সুযোগ নেই। এ কারণে নেতা-কর্মীরা অনেকেই এসেছেন বুধবার সারাদিনে। আবার কিছু নেতা-কর্মী বৃহস্পতিবার এসেছেন ট্রাক ভাড়া করে। রাজশাহী অভিমুখী প্রতিটি ট্রেনেই আসছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। সবগুলো ট্রেনই আসছে বিএনপি নেতা-কর্মীতে ঠাসা হয়ে। উত্তরাঞ্চলের সবগুলো জেলা থেকে এরই মধ্যে দলটির নেতা-কর্মীরা এসেছেন। শনিবার দুপুর পর্যন্ত লোকজন আসবে বলে জানচ্ছেন উপস্থিত নেতারা।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ জুড়ে দেখা গেল উৎসবের আমেজ। পুরো ঈদগাহ মাঠ জুড়ে তাবু টানানো হয়েছে। বাঁশ আর শামিয়ানায় ঢাকা পড়েছে এই মাঠ। জেনারেটরের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বড় বড় তাঁবুর একেকটিতে একেক জেলার নেতারা অবস্থান করছে। রাত গভীর হলেও বেশীরভাগ নেতা-কর্মীই সামনের রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছেন। কেউবা আবার পাশের পদ্মা নদীর পাড়ে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। নেতাদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন, ভিডিও করছেন। ফেসবুকে লাইভ করছেন।

উৎসবের আমেজে রাজশাহীতে বিএনপি নেতা-কর্মীরা
রাজশাহীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা

কিছুক্ষণ পরপরই নেতা-কর্মীরা স্লোগানে মুখর করে তুলছেন পুরো এলাকা। কেউ একজন স্লোগান শুরু করলে যেন শত শত নেতা-কর্মী তার সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। আবার তাঁবুর ভেতরে মাঝে মধ্যেই চলছে গানের আসর। কখনও দল বেঁধে আবার কখনও একক গান। সব মিলিয়ে নিজেরা নিজেরাই চাঙ্গা থাকার চেষ্টা করছেন তারা।

শুক্রবার কাকডাকা ভোর থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে ঈদগাহ মাঠ। সূর্য উঠতে না উঠতেই শুরু হয় রান্নার আয়োজন। বড় বড় ডেগচিতে হচ্ছে খিচুড়ি রান্না।

নওগাঁ তেকে আসা বিএনপি কর্মী আব্দুল জলিল জানান, তারা তিনদিনের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার এসেছেন এই মাঠে। নিজেরাই তাঁবু টানান। নিজেরাই রান্না করছেন। একসঙ্গে রান্না হচ্ছে। তাঁবুর ভেতরে বসে কয়েকজনকে মুড়ি খেতে দেখা গেল। তারা বললেন, শুকনা খাবার নিয়ে এসেছেন আপদকালীন হিসেবে। কোন খাবার না জুটলে যাতে এগুলো খাওয়া যায়। নেতা-কর্মীরা খাবার ছাড়াও সঙ্গে করে এনেছেন শীতের পোশাক। কাঁথা, বালিশ আর কম্বল এনেছেন অনেক নেতা-কর্মীই।

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করছেন ওইসব এলাকার নেতারা। সেইসঙ্গে রাজশাহীর বিএনপি, যুবদল ছাত্রদল নেতারাও তাদের সঙ্গে দেখা করছেন, আড্ডা দিচ্ছেন।

শুক্রবার সকালে ঈদগাহ মাঠে যান বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তারা মাঠের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন, খোঁজ নেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দুই নেতা।

মিজানুর রহমান মিনু নেতা-কর্মীদের দেখিয়ে বলেন, ‘দেখেন কত নেতা-কর্মী এসেছে। বাস বন্ধ করে, বাধা দিয়ে তাদের থামানো যায়নি। তারা দূর-দুরান্ত থেকে আসা নেতা-কর্মী। আজও আসবে এর চাইতে আরও কয়েকগুন। আর রাজশাহী জেলা ও মহানগরের নেতা-কর্মীতো এখনও আসেই নি। আগামীকাল সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চাই।’

মিনু বলেন, ‘আমাদের যত নেতা-কর্মী আসবেন মাঠে তাদের জায়গা দেয়ার সুযোগ নেই। পুরো রাজশাহী শহর ভরে যাবে বিএনপি নেতা-কর্মীতে।’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে ৪ ধর্মগ্রন্থ, রাজশাহীতে কী?
সমাবেশ কোথায় হবে তা সময়ই বলে দেবে: আব্বাস
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশস্থল পুলিশের দখলে
‘গায়েবি’ মামলা বন্ধে আইজিপির কাছে বিএনপি
সমাবেশে সরকারকে লাল কার্ড দেখাল জনগণ: সেলিমা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP threw Sattar in the dustbin

‘বিএনপি সাত্তারকে ডাস্টবিনে ছুড়েছে’

‘বিএনপি সাত্তারকে ডাস্টবিনে ছুড়েছে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইলে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া সাবেক এমপি উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সমর্থনে বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, বিএনপি তাকে (উকিল আব্দুস সাত্তার) টিস্যু পেপারের মতো ছুড়ে ফেলে দিয়েছে ডাস্টবিনে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এই অসহায় মানুষটির পাশে দাঁড়ালেন। সাত্তার ভাই আমাদের দলের কেউ নন। তার সুহৃদ আমরা। তাকে বিএনপি লাথি মেরেছে। তাই তার পাশে আমরা দাঁড়িয়েছি, আপনারাও তার পাশে থাকবেন।

বিএনপি উকিল আব্দুস সাত্তারকে টিস্যু পেপারের মতো ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইলে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া সাবেক এমপি উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সমর্থনে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোববার তিনি এমন মন্তব্য করেন।

আহমদ হোসেন বলেন, ‘‌বিএনপি তাকে (উকিল আব্দুস সাত্তার) টিস্যু পেপারের মতো ছুড়ে ফেলে দিয়েছে ডাস্টবিনে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এই অসহায় মানুষটির পাশে দাঁড়ালেন। সাত্তার ভাই আমাদের দলের কেউ নন। তার সুহৃদ আমরা। তাকে বিএনপি লাথি মেরেছে। তাই তার পাশে আমরা দাঁড়িয়েছি, আপনারাও তার পাশে থাকবেন। ’

তিনি আরও বলেন, ‘‌বিএনপি একটি বিচিত্র দল। একটি মানুষ পাঁচবার এমপি হলো, জীবনের অনেক কিছু দিল। আর তাকে এভাবে ফেলে দিলো। এক ছাগলের তিন বাচ্চা। দুইটা দুধ খায়, আর একটা লাফায়। বাংলাদেশে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা হচ্ছে বিএনপি।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, সংরক্ষিত এমপি উন্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সিনিয়র সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ঠাকুর রাব্বি প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
পার্চিংয়ে কমছে খরচ, বাড়ছে ফলন
৫ সপ্তাহ আগেই অস্ত্রোপচার, জন্ম নিল চার শিশু
ছাত্রদের বের করে দিয়ে আ.লীগের বর্ধিত সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবে হলো ‘রাশিয়া-ইউক্রেনপন্থিদের’ সংঘর্ষ
পিঠা উৎসবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভালো দিক উপস্থাপনের ডাক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League does not run away but works with the people Sheikh Hasina

আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা রোববার রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে কাজ করে। এই সংগঠন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া সংগঠন। এই সংগঠন যখনই ক্ষমতায় এসেছে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য রাজশাহীর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকায় ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচন আসবে এই বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতেই। আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই।

রোববার বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আধ ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্যের অনেকটা অংশ জুড়েই প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তথ্য তুলে ধরেন। জনসভায় বক্তব্য দেয়ার আগে তিনি রাজশাহীর ২৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং ৬টি উন্নয়ন কাজের ভিত্তি স্থাপন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণকে দিতে আসে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে জনগণ পায়। এটা হলো বাস্তব কথা।’

‘৯৬ সালে সরকার গঠন করার পরই আমরা চেষ্টা করেছি বাংলাদেশকে উন্নত গড়তে। ৪০ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া- কেউই এদেশের মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তা দেয়নি বা চিন্তাও করেনি। আওয়ামী লীগ সরকার এসে বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আজকে বিরোধী দল অনেক কথাই বলে। তারা আমাদেরকে নোটিশ দেয়। আবার বলে আমরা নাকি পালানোর পথ পাব না। বিএনপি-জামায়াত জোটকে জিজ্ঞাসা করি- পালায় কে? আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। পিছু হটে না। জিয়াউর রহমান তো বাধা দিয়েছিলেন, আমাকে দেশে আসতে দেবেন না। আমি বাধা অতিক্রম করেই দেশে ফিরেছিলাম।

‘আবার ২০০৭ সালে যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসে, তখন‌ও আমি বিদেশে গিয়েছিলাম। আমাকে দেশে ফিরতে দেবে না। আমি জোর করে দেশে ফিরে এসেছিলাম। আমার বিরুদ্ধে মার্ডার কেস দেয়া হয়েছিল। আমি বলেছিলাম- আমি যাব, এই কেস আমি মোকাবেলা করব। আমি দেশে ফিরে এসেছি শুধু বাংলার মানুষের কথা চিন্তা করে।’

আওয়ামী লীগ পালায় না, জনগণকে নিয়ে কাজ করে: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আওয়ামী লীগ পালায় না। পালায় বিএনপির নেতারাই। বিএনপি নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। কাকে নিয়ে? দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত তাদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে। যে নাকি ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিয়েছিল। আর কোনোদিন রাজনীতি করবে না বলে দেশ থেকে ভেগে গিয়েছিল, পালিয়ে গিয়েছিল।

দুর্নীতিতে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা-তারেক। এমনকি খালেদা জিয়া তারেক-কোকোর মাধ্যমে যে টাকা পাচার করেছিলেন মানি লন্ডারিং করে, ৪০ কোটি টাকা আমরা বাংলাদেশে ফেরত নিয়ে এসেছি। তাদের পাচার করা টাকা। এর জবাব কি তারা দিতে পারবে?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে কাজ করে। এই সংগঠন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া সংগঠন। এই সংগঠন যখনই ক্ষমতায় এসেছে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।

‘আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ৪০ ভাগ দারিদ্র সীমা আমরা ২০ ভাগে নামিয়েছি। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা ভাতা- সব ভাতা দিয়ে যাচ্ছি। মা-বোনদের মাতৃত্বকালীন ভাতা আমরা দেই। দেশের একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য। কোনো মানুষ না খেয়ে কষ্ট পাবে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রাজশাহী সব সময় অবহেলিত ছিল। কিছুক্ষণ আগেই আমরা কতগুলো প্রকল্প উদ্বোধন করলাম। ২০০৯ সাল থেকে এই ১৪ বছরে শুধু রাজশাহী জেলা ও মহানগরে ১০ হাজার ৬৬০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প আমরা বাস্তবায়ন করে দিয়েছি। কিছুক্ষণ আগে ১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ২৬টি প্রকল্প উদ্বোধন করলাম। ৩৭৫ কোটি টাকার ৬টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলাম। এই প্রকল্পগুলো আমি আপনাদের জন্য উপহার হিসেবে দিয়ে গেলাম।’

তিনি বলেন, ‘এই রাজশাহীর কী অবস্থা ছিল আপনারা একবার চিন্তা করে দেখুন। ২০০১ সালের কথা চিন্তা করেন। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায়। প্রতিনিয়ত রাজশাহীতে ঘটেছে হত্যা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, ধর্ষণ আর নির্যাতন। এই রাজশাহীর ফাহিমা, মহিমা, রাজুফার ওপর কিভাবে পাশবিক অত্যাচার করেছে বিএনপির ক্যাডার বাহিনী এবং জামায়াত জোট। একটা বাচ্চা মেয়েকে গ্যাং রেপ করা হলো তার বাবা-মা নৌকায় ভোট দিয়েছিল বলে।

‘আরে নৌকায় ভোট না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। দেশ স্বাধীন না হলে তাদের নেতা জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল প্রমোশন পেত না। এটা তারা ভুলে যায়। দেশ স্বাধীন না হলে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারত না খালেদা জিয়া। প্রধানমন্ত্রী হতে পারত না। সেই নৌকার ওপর এত রাগ কেন?’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের কোনো ভালো তারা সহ্য করতে পারে না। এটাই হলো বাস্তবতা। খুনিদেরকে খালেদা জিয়া পুরস্কৃত করে, জিয়াউর রহমান পুরস্কৃত করে। জনগণের ভোট চুরি করে তদেরকে পার্লামেন্টে বসায়। যুদ্ধাপরাধীদের জিয়াউর রহমান এমপি-মন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছে।

‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। সেই ডিজিটালের মাধ্যমে তারা আমাদের গীবত গায়, অপপ্রচার চালায়। আর মানুষকে উস্কানি দেয়। এটাই তাদের কাজ।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং করোনার জন্য বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। আমরা যে জিনিস ৬ ডলারে কিনতাম তা কিনতে হবে ৬৮ ডলারে। যে জিনিস ২০০ ডলারে কিনতাম তা কিনতে হবে ৬০০ ডলারে। তারপরও আমরা থেমে থাকিনি। আমরা এক কোটি মানুষের জন্য টিসিবির কার্ড করে দিয়েছি।

‘চাল, ডাল, তেল, চিনি- প্রতিটি জিনিস অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনে আনলেও আমরা তা কম মূল্যে সাধারণ মানুষকে দিচ্ছি; যেন মানুষের কোনো কষ্ট না হয়। আমরা এদেশের প্রতিটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা যে ওয়াদা দেই তা রক্ষা করি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বলেছিলাম, রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন করব। আল্লাহর রহমতে আমরা তা করেছি। ২০২০-এ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আর ২০২১-এ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী করে আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আগামীতে বাংলাদেশকে আমরা আরও উন্নত করতে চাই। প্রতিটি মানুষ কাজ পাবে। শিল্প-কলকারখানা করে দিচ্ছি।

‘এই রাজশাহীতে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগই ছিল না। এখন ডিজিটাল সেন্টার, ট্রেনিং সবকিছু করে দিয়েছি। এখানে শিল্প-কলকারখানা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে দিয়েছি। এখানে মানুষের আরও ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। এখানে আন্তর্জাতিক কোনো ক্রিকেট খেলা হয় না। কারণ এখানে উন্নত মানের কোননোহোটেল নাই। অনেক বিত্তশালী আছে রাজশাহীতে। তাদেরকে বলব, আপনার একটা উন্নতমানের হোটেল করেন। আমরা যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখানে করতে পারি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনার সময়ে আমি আসতে পারিনি। আজকে আপনাদের মাঝে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনারা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। গত নির্বাচনে নৌকা মার্কায় আপনারা ভোট দিয়েছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলছি- আগামী নির্বাচনে আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ যেন করতে পারি সেজন্য আপনারা নৌকায় ভোট দেবেন প্রত্যাশা করি।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামারের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, কাজী জাফরউল্লাহ, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী
৪০০ বাস-ট্রাকে রাজশাহী যাচ্ছেন নওগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
সারদায় পুলিশের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Media creates balance of power CEC

ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করে মিডিয়া: সিইসি

ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করে মিডিয়া: সিইসি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রোববার আরএফইডি-এর নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিইসি হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘মিডিয়াকে দেশ থেকে একেবারে ব্ল্যাকআউট করে দিলে কিন্তু ডিজাস্টার হয়ে যাবে। রাষ্ট্রই বিনষ্ট হয়ে যাবে। মিডিয়া আমাদের জ্ঞান, মেধা ও দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করে।’

দেশের গণমাধ্যমের কারণে ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি হয় বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, ‘মিডিয়ার কারণে আমরা চাপে থাকি। কী বলতে কী বলে ফেলি। কোনটা বলতে হবে, কোনটি গোপন রাখতে হবে। কারণ মিডিয়া তো সব প্রচার করে দেবে।’

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রোববার নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর নতুন কমিটির দায়িত্বগ্রহণ ও পুরনো কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে খুব একটা বেশি কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না বলে মনে করেন সিইসি। বলেন, ‘মিডিয়াকে দেশ থেকে একেবারে ব্ল্যাকআউট করে দিলে কিন্তু ডিজাস্টার হয়ে যাবে। রাষ্ট্রই বিনষ্ট হয়ে যাবে। মিডিয়া আমাদের জ্ঞান, মেধা ও দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদ সংগ্রহ করবেন, পরিবেশন করবেন। আমাদের মধ্যে যদি কোনো বিচ্যুতি ঘটে এবং সেটি যদি আপনাদের দৃষ্টিতে চলে আসে, সেটি কেন প্রচার করবেন না? আমার বিচ্যুতি ঘটবে কেন? সেগুলো আপনারা করবেন। আর আপনারা সেটি করেন বলেই ক্ষমতার মধ্যে অনেকটা ভারসাম্য তৈরি হয়।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সাধারণ নির্বাচন আসছে। এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক কারণে, ঐতিহাসিক কারণে। সেই নির্বাচনটা ঘনিয়ে আসছে। এখানে আপনাদের ভূমিকা যদি বস্তুনিষ্ঠ হয়। নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মিডিয়ার কারণে তারাও সচেতন থাকেন। এমনকি যারা শক্তিমান তারাও মিডিয়ার ভূমিকাকে মূল্যায়ন করেন, যদি তারা বিবেকবান হন।’

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান ও নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP announced the next time and place of the movement

আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি

আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি বিএনপির পদযাত্রা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ী থেকে পদযাত্রা শুরু হবে, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ক্ষমতাসীন সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে বিএনপির চলমান পদযাত্রার পরবর্তী সময় ও স্থান চূড়ান্ত করেছে দলটি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ী থেকে পদযাত্রা শুরু হবে, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আহবায়ক আব্দুস সালাম। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু।

পরদিন সোমবার দুপুর ২টায় গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হবে পদযাত্রা, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি সদস্য সচিব আমিনুল হক।

মঙ্গলবার দুপুর ২টায় মুগদা স্টেডিয়াম থেকে পদযাত্রা শুরু করবে বিএনপি, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য মির্জা আব্বাস। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। সঞ্চালনায় থাকবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু।

এর আগে গতকাল শনিবার রাজধানীতে পদযাত্রা করে বিএনপি। বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে থেকে শুরু হয়ে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার আবুল হোটেলের সামনে গিয়ে এটি শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপির পদযাত্রা দুপুরে
বিএনপি নেতা খোকনের বাড়িতে আগুন দেয়ার অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে হয়রানির অভিযোগ রাজশাহী বিএনপির
যুগপৎ আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক শুক্রবার
চার দিন দুপুর ২টা থেকে ঢাকায় পদযাত্রা করবে বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kader said many things about BNPs march

বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের

বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির এখন পদযাত্রা…পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা, পদমযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা, পদযাত্রা মানে পেছন যাত্রা, পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা। মরণযাত্রা শুনেছেন না? ওই মরণযাত্রা হচ্ছে বিএনপির।’

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির বেশ কিছু অর্থ দাঁড় করিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব মানে দাঁড় করান।

বক্তব্যের শুরুতে রাজশাহী নগরীতে জনতার ঢল নেমেছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনসভাস্থলের ধারণক্ষমতার ১০ গুণ বেশি মানুষ বাইরে বসে আছেন।

ওই সময় তিনি বিএনপির রাজশাহীর সমাবেশে উপস্থিতির সঙ্গে আজকের জনসমাগমের তুলনা করেন।

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, বিএনপি ১০ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি সরকারের পতন ঘটাতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে।

ওই সময় বিএনপির পদযাত্রার বেশ কিছু অর্থ করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির এখন পদযাত্রা…পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা, পদমযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা, পদযাত্রা মানে পেছন যাত্রা, পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা। মরণযাত্রা শুনেছেন না? ওই মরণযাত্রা হচ্ছে বিএনপির।’

রাজধানীর বাড্ডা থেকে শনিবার পদযাত্রা শুরুর আগে দেয়া বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে ক্ষমতাসীনদের পালিয়ে যেতে হবে।

ওই বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ পালিয়ে যায় না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে বিদেশ পালিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister at Rajshahi public meeting

রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রোববার জনসভার মঞ্চে উঠে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সকালে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নিয়ে বেলা সোয়া ৩টার দিকে জনসভাস্থল ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে রোববার দুপুর থেকে শুরু হওয়া জনসভায় যোগ দিয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সকালে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নিয়ে বেলা সোয়া ৩টার দিকে জনসভাস্থল ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করেন তিনি।

গাড়ি থেকে নেমে মঞ্চে উঠে আওয়ামী লীগ সভাপতি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। পরে তিনি বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন ও প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ওঠার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় তার জনসভাস্থল। রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রোববার সকাল ৮টার দিকে মাঠে ঢুকতে শুরু করেন, যেটি দুপুরের আগেই ভরে যায়।

ভোর থেকেই জনসভা এলাকায় আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো রাজশাহী মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়।

দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আয়োজিত এই জনসভা শুরু হয়, যাতে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা জনসভা পরিচালনা করছেন।

সভার শুরুতে চারটি ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রেজোয়ানুল হক পিনু মোল্লাহ।

আওয়ামী লীগ নেতা তন্ময় শর্মা পবিত্র গীতা, খায়রুল বাসার টোটন বাইবেল পাঠ এবং শ্রাবণী বড়ুয়া ত্রিপিটক পাঠ করেন।

সভার শুরুতেই বক্তব্য দেন নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য নিজামুদ্দিন জলিল জয়। এরপর একে একে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

জনসভাস্থল ভরে যাওয়ায় অনেক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন আশপাশের এলাকায়। িনগরীর ১৩টি পয়েন্ট লাগানো হয়েছে বড় পর্দা, যেগুলোতে সরাসরি প্রচার করা হচ্ছে জনসভা।

জনসভাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছে। সকাল থেকেই পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ ও র‌্যাব তল্লাশি চালিয়ে সভাস্থলে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন নেতা-কর্মীদের। জনসভাস্থলে সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশের জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা লেন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশের চাবিকাঠি ডিজিটাল কানেকটিভিটি: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The prime ministers meeting place is packed to the brim

কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল

কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ। ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রোববার সকাল ৮টার দিকে জনসভার মাঠে ঢুকতে শুরু করেন। দুপুরের আগেই পুরো মাঠ ভরে যায়।

রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আগমনের আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে তার জনসভাস্থল ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ।

রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা রোববার সকাল ৮টার দিকে মাঠে ঢুকতে শুরু করেন। দুপুরের আগেই পুরো মাঠ ভরে যায়।

ভোর থেকেই জনসভা এলাকায় আসতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো রাজশাহী মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়।

দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আয়োজিত এই জনসভা শুরু হয়, যাতে সভাপতিত্ব করছেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা জনসভা পরিচালনা করছেন।

সভার শুরুতে চারটি ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রেজোয়ানুল হক পিনু মোল্লাহ।

আওয়ামী লীগ নেতা তন্ময় শর্মা পবিত্র গীতা, খায়রুল বাসার টোটন বাইবেল পাঠ এবং শ্রাবণী বড়ুয়া ত্রিপিটক পাঠ করেন।

সভার শুরুতেই বক্তব্য দেন নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য নিজামুদ্দিন জলিল জয়। এরপর একে একে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

জনসভাস্থল ভরে যাওয়ায় অনেক নেতা-কর্মী অবস্থান নেন আশপাশের এলাকায়।

নগরীর ১৩টি পয়েন্ট লাগানো হয়েছে বড় পর্দা, যেগুলোতে সরাসরি প্রচার করা হচ্ছে জনসভা।

জনসভাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলেছে। সকাল থেকেই পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ ও র‌্যাব তল্লাশি চালিয়ে সভাস্থলে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন নেতা-কর্মীদের।

জনসভাস্থলে সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশের জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা লেন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশের চাবিকাঠি ডিজিটাল কানেকটিভিটি: প্রধানমন্ত্রী
সাফল্য-ব্যর্থতা জনগণই বিচার করবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে