× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The body of the youth was recovered from Khagrachari
hear-news
player
google_news print-icon

খাগড়াছড়িতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

খাগড়াছড়িতে-যুবকের-মরদেহ-উদ্ধার
প্রতীকী ছবি
গুইমারা থানার ওসি মুহাম্মদ রশীদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় ও পেটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়।

খাগড়াছড়ির গুইমারায় সড়কের উপর থেকে রমজান আলী নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জালিয়াপাড়া-মহালছড়ি সড়কের সিন্দুকছড়ির পক্সখীমুড়া এলাকা থেকে শুক্রবার ভোর রাতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রমজান আলী চট্টগ্রামের পাহাড়তলী আমবাগান বাস্তুহারা এলাকার ইউনুস সিকদারের ছেলে।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রশীদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় ও পেটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
শয়নকক্ষে গৃহবধূর গলা কাটা দেহ
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে হিসাবরক্ষকের ঝুলন্ত দেহ
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
999 called the dead body of the young woman

৯৯৯-এ ফোন, মিলল তরুণীর মরদেহ

৯৯৯-এ ফোন, মিলল তরুণীর মরদেহ এনজিও কর্মী নিশাত আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
বাড়ির মালিক গফুর সওদাগর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসার দ্বিতীয় তলায় নিশাতের রুমের দিকে যায় আমার মেয়েরা। বরাবরের মতোই তার বাসার দরজা ভেড়ানো ছিল। ধাক্কা দিতেই দরোজা খুলে যায়। মেয়েরা তার দেহ ঝুলন্ত দেখতে পায়। তারপর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।’

কক্সবাজার শহরের পশ্চিম বাহারছড়া এলাকায় এক নারী এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম নিশাত আহমেদ।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।

নিশাত আহমেদ শহরের পশ্চিম বাহারছড়া এলাকার গফুর সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি চকরিয়ার ডুলাহাজারায়। তিনি আন্তর্জাতিক একটি এনজিও সংস্থায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাড়ির মালিক গফুর সওদাগর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসার দ্বিতীয় তলায় নিশাতের রুমের দিকে যায় আমার মেয়েরা। বরাবরের মতোই তার বাসার দরজা ভেড়ানো ছিল। ধাক্কা দিতেই দরোজা খুলে যায়। মেয়েরা তার দেহ ঝুলন্ত দেখতে পায়। তারপর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।’

ঘটনাস্থলে থাকা কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ‘৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ পেয়েছি। মরদেহ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
মসজিদের মেস ঘরে খাদেমের ঝুলন্ত মরদেহ
ধানমন্ডির রাস্তায় হুইল চেয়ারে মরদেহ
বংশালের গলিতে রক্তাক্ত মরদেহ
নিখোঁজের ৪ দিন পর টয়লেটের ট্যাংকে মা-ছেলের মরদেহ
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ICB case for embezzlement of Tk 207 crore from UFS

ইউএফএসের ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতে আইসিবির মামলা

ইউএফএসের ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতে আইসিবির মামলা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ইউএফএস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হামজা আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
২০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ইউনিভার্সাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (ইউএফএস) লিমিটেডসহ ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অনেককে আসামি করা হয়েছে। ১১ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

চারটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১৫৮ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফেরার হওয়ার খবর সংবাদমাধ্যমে আসার পর আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তৎপর হয়েছে ফান্ডগুলোর ট্রাস্টি রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (আইসিবি)। তবে এবার জানা গেল লোপাট করা অর্থের পরিমাণ আরও বেশি।

২০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ইউনিভার্সাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (ইউএফএস) লিমিটেডসহ ১১ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে আইসিবি। ১১ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) খতিয়ে দেখছে।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ইউনিভার্সেল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে আইসিবির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।’

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণামূলকভাবে টাকা আত্মসাৎ করার অপরাধ চিহ্নিত হয়েছে। আত্মসাৎকৃত ২০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা উদ্ধার করতে এ মামলা করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ইউএফএস, ইউএফএসের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমগীর ফারুখ চৌধুরী, কোম্পানির এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীর, পরিচালক ইসরাত আলমগীর, আলিয়া হক আলমগীর, মাহিদ হক, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, মোসাম্মত উম্মে ইসলাম সোহানা, সৈয়দা শেহরীন হোসেন, তারিক মাসুদ খান, সৈয়দা মেহরীন হুসেইনসহ অজ্ঞাতনামাসহ অনেকে।

এর আগে চারটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১৫৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা নিয়ে ১৩ অক্টোবর দুবাই পাড়ি জমান প্রতিষ্ঠানটির এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীর। বর্তমানে তিনি সিঙ্গাপুরে রয়েছেন। ২০১৮ সাল থেকে তহবিল সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল বলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির তদন্তে উঠে আসে।

এই জালিয়াতির ক্ষেত্রে ব্যাংকের প্রতিবেদন জালিয়াতি এবং ভুয়া এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিড রেট) দেখিয়ে বিএসইসিকে অন্ধকারে রাখা হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ৪ বছর নিষ্ক্রিয় ছিল ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান (গ্যারান্টি দেয়া প্রতিষ্ঠান) আইসিবি।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি এ খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ২ জানুয়ারি এমডির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চায় হাইকোর্ট। পাশাপাশি সৈয়দ আলমগীরের দুবাই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানাতে নির্দেশ দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও আইসিবিকে ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়।

৩ জানুয়ারি ইউএফএস ও এর এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীরসহ ১৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিত বা জব্দ করা হয়। মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এ কথা জানিয়ে চিঠি পাঠায়।

এ তালিকায় নাম আছে ইউনিভার্সাল ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস লিমিটেড, ইউএফএসের এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীর, আলিয়া হক আলমগীর, মাহিদ হক, তারেক মাসুদ খান, মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, মোসা. উম্মে ইসলাম সোহানা, ইশরাত আলমগীর, সৈয়দা মেহরীন রহমান, সৈয়দ আলমগীর ফারুক চৌধুরী ও সৈয়দা শেহরীন হুসাইনের।

অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার তালিকায় আরও আছে- ইউএফএস-আইবিবিএল শরিয়া ইউনিট ফান্ড, ইউএফএস-পপুলার লাইফ ইউনিট ফান্ড ৩৮, ইউএফএস-ব্যাংক এশিয়া ইউনিট ফান্ড এবং ইউএফএস-পদ্মা লাইফ ইসলামিক ফান্ড।

এদিকে বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজারের স্বার্থে ইউএফএস ও তাদের সব ফান্ডের নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে শেয়ারবাজারে নিষিদ্ধ করা হয়। বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়, ইউএফএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় চারটি ফান্ড ইউএফএস-আইবিবিএল শরিয়া ইউনিট ফান্ড, ইউএফএস-পপুলার লাইফ ইউনিট ফান্ড, ইউএফএস-পদ্মা লাইফ ইসলামিক ইউনিট ফান্ড ও ইউএফএস-ব্যাংক এশিয়া ইউনিট ফান্ডের নিরীক্ষা করে আসছে আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। নিরীক্ষক মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর অনুসন্ধানের জন্য তদন্তের শুনানিতে উপস্থিত হয়নি। এ থেকে স্পষ্ট যে, তদন্ত কমিটির সঙ্গে নিরীক্ষক অপেশাদার আচরণ করেছে। তাই, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জের অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ধারা ২০-এ দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ম্যানেজার, ট্রাস্টি, কাস্টোডিয়ান, ইস্যুকারী এবং সম্পদ ব্যবস্থাপককে নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে যে, নিরীক্ষক আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে ইউএফএসের অধীনে থাকা কোনো মিউচ্যুয়াল ফান্ডের নিরীক্ষার অনুমতি দেয়া হবে না। কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে, নিরীক্ষককে কোনো মিউচুয়াল ফান্ড এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীক্ষক হতে অনুমতি দেবে না কমিশন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত জারি থাকবে।

এ ছাড়া কোম্পানিটির ফান্ড সংশ্লিষ্টদের কাছে ২৩টি তথ্য চায় কমিশন, যা ৮ জানুয়ারির মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছিল। বিএসইসির চিঠিতে যেসব তথ্য চাওয়া হয়ে, সেগুলো হলো-ইউএফএসের ব্যবস্থাপনার ইউএফএসইপিএল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং ইউএফএসইপিএল প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ডের আগের ও বর্তমানের সব আর্থিক প্রতিবেদন, ফান্ড দুটির সব ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্য, ফান্ড দুটিতে উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ও তাদের ব্যাংক হিসাবের স্টেটমেন্ট, ফান্ডগুলোর গ্রাহক ও তাদের টাকার পরিমাণের তথ্য, ফান্ড দুটিতে বিনিয়োগ কমিটির সদস্যদের তালিকা।

সে সঙ্গে ফান্ড দুটির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যেসব ব্যবসায় বিনিয়োগ আছে সেগুলো ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ জমা দিতে বলা হয়। ফান্ডগুলোর পোর্টফোলিওতে থাকা কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থার বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

ফান্ড দুটির বিনিয়োগের অবস্থা এবং নির্দিষ্ট সীমার বিষয়ে প্রকাশ করা তথ্য, অতালিকাভুক্ত কোম্পানিতে ফান্ড দুটির বিনিয়োগের বিষয়ে ট্রাস্টি থেকে প্রাপ্ত কনসেন্ট লেটার, ফান্ডগুলোর সম্পদ মূল্য ও শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা ফি এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য কমিশনে জমা দিতে বলা হয়েছিল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Silgala 20 thousand tons of rice stored in the godown

গোডাউনে মজুদ ২০ হাজার টন চাল, সিলগালা

গোডাউনে মজুদ ২০ হাজার টন চাল, সিলগালা বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে বাগেরহাটের ফকিরহাটে এএমএম জুট মিলের গোডাউন থেকে বিপুল চাল জব্দ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব-৬ খুলনার কোম্পানি কমান্ডার মো. বদরুদ্দৌজা বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গুদামে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ চাল পাওয়া যায়। এই চালগুলো অতিরিক্ত দামে বিক্রির জন্য সেখানে রাখা হয়েছিল।’

বাগেরহাটের ফকিরহাটে অতিরিক্ত মুনাফার জন্য মজুদ করা ২০ হাজার টন চাল জব্দ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্য্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার লখপুর এলাকার এএমএম জুট মিলের গোডাউন থেকে এই চাল জব্দ করা হয়।

অবৈধ মজুদের অপরাধে গুদামের দায়িত্বে থাকা অলোক চক্রবর্ত্তী নামের এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সে সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত গুদামটিকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রুবাইয়া বিনতে কাশেম ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হিসেবে এই আদেশ দেন। এ সময় র‌্যাব-৬ খুলনার কোম্পানি কমান্ডার মো. বদরুদ্দৌজা, বাগেরহাট জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকাঈ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

গোডাউনে মজুদ ২০ হাজার টন চাল, সিলগালা
চাল জব্দ করার পর এএমএম জুটি মিলের গোডাউন সিলগালা করে দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

র‌্যাব-৬ খুলনার কোম্পানি কমান্ডার মো. বদরুদ্দৌজা বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গুদামে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ চাল পাওয়া যায়। এই চালগুলো অতিরিক্ত দামে বিক্রির জন্য সেখানে রাখা হয়েছিল।’

তবে গুদামের দায়িত্বে থাকা অলোক চক্রবর্ত্তীর দাবি, জব্দ চালগুলো সরকারি গুদামে দেয়ার জন্য আমদানি করা হয়েছিল। কিন্তু চালগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আর গুদামে দেয়া যায়নি। চালের পরিমাণ ১ হাজার ১৮৯ টন।’

জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা মো. সুজাত হোসেন খান বলেন, ‘খাদ্য অধিদপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী এই চাল আমদানি করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে চালের মান খারাপ উল্লেখ করে চালগুলো আর সরকারি খাদ্য গুদামে দেয়নি চাল ব্যবসায়ী। আসলে এর মধ্যে মাত্র দুই-তিন বস্তা চাল খারাপ হতে পারে। বাকিগুলোর মান ভাল।

‘গুদামে ২০ হাজার টন চাল রয়েছে। জুট মিলে এত চাল থাকার কথা নয়। সব চাল ভালো থাকা সত্ত্বেও তারা নষ্ট বলে উল্লেখ করছে। মূলত অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ চাল মজুদ করা হয়েছিল।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাল আমদানিকারক বৈধ কাগজপত্র ও খাদ্য বিভাগের নির্দেশনা নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করবেন। জেলা প্রশাসক তার কাগজপত্র, চালের পরিমাণ, স্থানীয় সাক্ষীদের বক্তব্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন। আপাতত গুদামটি সিলগালা থাকবে।’

আরও পড়ুন:
দেশি চাল প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরলেই জব্দ
সরকারি গুদামে ধান-চাল দিচ্ছেন না মিল মালিকরা
জব্দ হওয়া ১১৩০ বস্তা চাল উধাওয়ের ঘটনায় মামলা
চাল-গমের দাম সহনীয় রাখতে এগিয়ে এলো বাংলাদেশ ব্যাংক
৬ প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির অনুমতি দিতে চিঠি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ seeking stall allocation in book fair

বই মেলায় স্টল বরাদ্দ চেয়ে রিট

বই মেলায় স্টল বরাদ্দ চেয়ে রিট ফাইল ছবি।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, একটি বইয়ের জন্য মেলায় পুরো প্রকাশনীর অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ সে বইটি কালো তালিকাভুক্ত নয়। বাংলা একাডেমি আইন-২০১৩ অনুযায়ী তাদের এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো বৈধতা নেই।

অমর একুশে বই মেলায় আদর্শ প্রকাশনীকে স্টল বরাদ্দ না দেয়ার বাংলা একাডেমির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও সভাপতিসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মো. মাহবুবুর রহমান। তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আছেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

আগামী সপ্তাহে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রিট আবেদনে আদর্শ প্রকাশনীকে স্টল বরাদ্দ না দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকাশনীটিকে স্টল বরাদ্দ দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ‘শুধু একটি বইয়ের জন্য মেলায় পুরো প্রকাশনীর অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অথচ সে বইটি ব্যান্ড লিস্টেড বা কালো তালিকাভুক্ত নয়। বাংলা একাডেমি আইন-২০১৩ অনুযায়ী তাদের এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো বৈধতা নেই।

‘একইসঙ্গে প্রতিবছর একাডেমি থেকে যে নীতিমালা করা হয়, তারও ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলা একাডেমি। তাদের এ সিদ্ধান্ত সংবিধানের বাক-স্বাধীনতার বিরোধী।’

আরও পড়ুন:
বইমেলা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী
হুমকি থাকলে লেখক-প্রকাশকদের নিরাপত্তা দেবে ডিএমপি
বইমেলার নীতিমালা দেখতে টাস্কফোর্স গঠন
কাগজে হাহাকার, প্রভাব পড়বে বইমেলাতেও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The little girl will stay with her Japanese mother one day

ছোট মেয়ে একদিন বাবা, একদিন জাপানি মায়ের কাছে থাকবে

ছোট মেয়ে একদিন বাবা, একদিন জাপানি মায়ের কাছে থাকবে দুই কন্যার সঙ্গে বাংলাদেশি আমেরিকান ইমরান শরীফ ও জাপানি স্ত্রী নাকানো এরিকো। ছবি: সংগৃহীত
দুই শিশুকে জাপানি মায়ের জিম্মায় রাখার যে রায় হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বাবার আপিল শুনানি হবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি। সে পর্যন্ত ছোট মেয়েটি এক দিন মায়ের কাছে এবং আরেক দিন বাবার কাছে থাকবে।

বাংলাদেশি ইমরান শরীফ ও জাপানি নারী নাকানো এরিকোর ছোট সন্তান নাকানো লায়লা লিনা (৯) আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক দিন মায়ের কাছে এবং আরেক দিন বাবার কাছে থাকবে বলে রায় দিয়েছে আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই শিশুকে জাপানি মায়ের জিম্মায় রাখার যে রায় হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বাবার আপিল শুনানি হবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি। সে পর্যন্ত ছোট মেয়েটি এক দিন মায়ের কাছে এবং আরেক দিন বাবার কাছে থাকবে।

আদেশের আগে বিচারক বলেন, ‘লিনার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সে বাবার কাছে থাকতে চায়, না হয় ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে যেতে চায়। সে মায়ের সাথে জাপানে যেতে চায়নি। তবে বলেনি যে, মায়ের কাছে থাকবে না। ’

এদিকে লিনা সাংবাদিকদের বলেছে, ‘আমি বাবাকে ভালোবাসি। বাংলাদেশে থাকতে চাই। মায়ের কাছে যাবো না।’

এর আগে ২৯ জানুয়ারি ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের রায়ে বলা হয়, জাপানি নারী নাকানো এরিকোর জিম্মায় থাকবে তার দুই শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা। একই সঙ্গে মেয়েদের নিয়ে জাপানেও যেতে পারবেন তিনি।

২০০৮ সালের ১১ জুলাই জাপানের এরিকো ও বাংলাদেশি আমেরিকান শরীফ ইমরান বিয়ে করেন জাপানি আইন অনুযায়ী। এরিকো পেশায় একজন চিকিৎসক। বিয়ের পর তারা টোকিওতে বাসবাস শুরু করেন। তাদের ১২ বছরের সংসারে তিন মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন এরিকো। তারা হলো জেসমিন মালিকা, লাইলা লিনা ও সানিয়া হেনা। তাদের কন্যারা টোকিওর চফো সিটিতে আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের (এএসআইজে) শিক্ষার্থী ছিল।

২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি শরীফ ইমরান বিয়েবিচ্ছেদের (ডিভোর্স) আবেদন করেন। ২১ জানুয়ারি ইমরান এএসআইজে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে তার মেয়ে জেসমিন মালিকাকে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ মা এরিকোর সম্মতি না থাকায় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। পরে ইমরান তার মেয়ে জেসমিন ও লিনাকে স্কুলবাসে বাড়ি ফেরার পথে বাসস্টপ থেকে অন্য একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।

২৫ জানুয়ারি ইমরান তার আইনজীবীর মাধ্যমে এরিকোর কাছে তার সন্তানদের পাসপোর্ট হস্তান্তরের আবেদন করেন। এরিকো তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর ২৮ জানুয়ারি এরিকো টোকিওর পারিবারিক আদালতে তার সন্তানদের জিম্মার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চেয়ে মামলা করেন। আদালত ৭, ১১ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শিশুদের সঙ্গে পারিবারিকভাবে সাক্ষাতের আদেশ দেয়। ইমরান আদালতের আদেশ ভঙ্গ করে মাত্র একবার মায়ের সঙ্গে দুই মেয়ের সাক্ষাতের সুযোগ দেন।

এরিকোর অভিযোগ, ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ইমরান তার মেয়েদের জন্য নতুন পাসপোর্টের আবেদন করেন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন পাসপোর্ট নেন। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি ইমরান তার দুই মেয়ে জেসমিন ও লাইলাকে নিয়ে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।

এরপর মা এরিকো বাংলাদেশে এসে মামলা করেন এবং সন্তানের খোঁজ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। বিষয়টি গড়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ পর্যন্ত। আপিল বিভাগ ৩ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন বিচারিক আদালতকে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর দুই কন্যাকে নিয়ে মা নাকানো এরিকো জাপানে যেতে চাইলে আটকে যান বিমানবন্দরে।

এ ঘটনায় ২৯ ডিসেম্বর বাবা ইমরান শরিফ ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালতে মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
জাপানি মায়ের কাছেই থাকবে দুই শিশু, থাকতে হবে বাংলাদেশে
জাপানি দুই শিশু নিয়ে আপিলের আদেশ ১৩ ফেব্রুয়ারি
জাপানি মায়ের কাছে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকবে দুই শিশু
জাপানি মায়ের কাছে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে দুই শিশু
জাপানি দুই শিশু মায়ের কাছে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Majid the leader of Albadar who was sentenced to death was teaching in the madrasa

মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছিলেন ফাঁসির আদেশ পাওয়া আলবদর নেতা মজিদ

মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছিলেন ফাঁসির আদেশ পাওয়া আলবদর নেতা মজিদ গ্রেপ্তার মো. আব্দুল মজিদ। ছবি: নিউজবাংলা
নেত্রকোণা থেকে ঢাকা হয়ে পালিয়ে মাদারীপুরে গিয়ে একটি কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছিলেন তিনি; বুধবার মাদারীপুর সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী সাত অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আলবদর নেতা মো. আব্দুল মজিদকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

নেত্রকোণা থেকে ঢাকা হয়ে পালিয়ে মাদারীপুরে গিয়ে একটি কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছিলেন তিনি; বুধবার মাদারীপুর সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

২০১৫ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরুর পর পরই আত্মগোপনে যান আলবদর নেতা ৮২ বছর বয়সী মজিদ। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে ফাঁসির আদেশ দেয়।

র‌্যাব বলছে, ১৯৭১ সালে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী সাত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি নেত্রকোণা থেকে পালিয়ে ঢাকায় আসেন। এরপর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে মাদারীপুরে একটি কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে পলাতক জীবন শুরু করেন।

র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৭০ সালে গঠিত জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী এই মজিদ নেত্রকোণার পূর্বধলা থানা জামায়াত ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রাজাকারদের প্রধান বাহিনী আলবদর পূর্বধলা রামপুর থানা কমিটির প্রধান ছিলেন তিনি।

তিনি জানান, পূর্বধলা রামপুর মৌদাম গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেকসহ তারা আপন দুই ভাই এবং পাঁচজন চাচাতো ভাই মিলে একই বাড়িতে সাতজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট দুপুরে আব্দুল মজিদ দলবল নিয়ে আব্দুল খালেকের বাড়িতে আক্রমণ করে। সে সময় বাড়িতে থাকা আব্দুল খালেকসহ মুক্তিবাহিনীর সবাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, হত্যার পর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেকের লাশটি পার্শ্ববর্তী কংস নদীতে ফেলে দেয় তারা। এই হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি আব্দুল খালেকের বাড়িতে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়। ঘটনার সময় আব্দুল খালেকের ভাই আব্দুল কাদের বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রাণে বেঁচে যান।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আব্দুল মজিদসহ ৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন আব্দুল কাদের। পরে মামলার তদন্তে আরও তিনজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।

র‌্যাব অধিনায়ক জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা সাতটি অভিযোগই প্রমাণ হলে ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সাতজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। বিচার চলাকালে মামলার দুই আসামি আহম্মদ আলী ও আব্দুর রহমান মারা যায় এবং রায় হওয়ার পর পলাতক অবস্থায় মারা যায় আরও দুই আসামি। মজিদ গ্রেপ্তার হলেও মামলার আরও দুই আসামি আব্দুল খালেক তালুকদার ও কবির খাঁ বর্তমানে পলাতক।

আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান অবস্থায় ২০১৫ সালে আব্দুল মজিদ তার নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে আসে এবং ফকিরাপুল এলাকায় কিছুদিন আত্মগোপনে থাকে। এরপর আত্মীয়ের সহযোগিতায় মাদারীপুরে গিয়ে আত্মগোপন করে একটি কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে পলাতক জীবন শুরু করে এই ব্যক্তি। ২০১৫ সাল থেকে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালীন সে কখনই আদালতে হাজিরা দেয়নি।

র‌্যাব জানিয়েছে, আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মজিদ সাধারণত জনসমাগম স্থান, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ছাড়াও তার ব্যক্তিগত পরিচয় প্রকাশ পায় এমন স্থান এড়িয়ে চলতো। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন:
ফাঁসির আদেশ পাওয়া দুই যুদ্ধাপরাধী গ্রেপ্তার
পলাতক যুদ্ধাপরাধী খলিলের মৃত্যুদণ্ড
যুদ্ধাপরাধীর সম্পত্তি পরিত্যক্তর বিধান রেখে খসড়া পাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Charge sheet against cricketer Al Amin in wife torture case

স্ত্রী নির্যাতনের মামলায় ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

স্ত্রী নির্যাতনের মামলায় ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ক্রিকেটার আল আমিন হোসেন। ফাইল ছবি
ঢাকার মহানগর হাকিম আতাউল্লাহর আদালতে বৃহস্পতিবার অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক সোহেল রানা। বিচারক অভিযোগপত্র দেখেছেন মর্মে স্বাক্ষর করেন।

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল আমিন হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

ঢাকার মহানগর হাকিম আতাউল্লাহর আদালতে বৃহস্পতিবার এ অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক সোহেল রানা।

বিচারক অভিযোগপত্র দেখেছেন মর্মে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তী বিচারেরর জন্য মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এ বদলির আদেশ দেন বিচারক।

গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় আল আমিনের নামে স্ত্রী ইসরাত জাহানের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।

ইশরাত জাহানের অভিযোগ, তাকে অত্যাচার করে বাসা থেকে বের করে দিয়েছেন আল আমিন। দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর এমন অত্যাচার চালাচ্ছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ক্রিকেটার আল-আমিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
আদালতে স্ত্রীকে তালাকের কথা জানালেন আল আমিন
এখনও কিছু হয়নি: আল আমিন
স্ত্রীর মামলায় ক্রিকেটার আল আমিনের জামিন
জামিনের পরদিনই ক্রিকেটার আল আমিনের নামে আরেক মামলা

মন্তব্য

p
উপরে