× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Order to submit public works report on Salam Murshedis house by January 16
google_news print-icon

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: গণপূর্তের প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট

সালাম-মুর্শেদীর-বাড়ি-গণপূর্তের-প্রতিবেদন-চেয়েছে-হাইকোর্ট
সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী। ছবি: সংগৃহীত
সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হওয়ায় অবৈধ দখলমুক্ত করে সরকার নিজ জিম্মায় নিতে পারে বলে মত দেয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়ি নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন ১৬ জানুয়ারির মধ্যে হাইকোর্টে জমার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।

একই সঙ্গে গণপূর্ত যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে তা দুদকে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালত গণপূর্তের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান, সাঈদ আহমেদ রাজা। অন্যদিকে রিটকারী সুমনের পক্ষে ছিলেন অনিক আর হক।

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হওয়ায় অবৈধ দখলমুক্ত করে সরকার নিজ জিম্মায় নিতে পারে বলে মত দেয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাজউকের আইন বিভাগের জবাব জমা দেয়া হয়েছে হাইকোর্টে।

এর আগে ১ নভেম্বর সরকারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে বাড়ি বানানোর অভিযোগে সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সম্পত্তি সম্পর্কিত সব কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান, গণপূর্ত সচিব ও সালাম মুর্শেদীকে আদেশ দেয় আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ৬ নভেম্বর এই রিট করার পর রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট।

এর আগে সালাম মুর্শেদীর বাড়িটির বৈধতা যাচাইয়ে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত সেপ্টেম্বরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রধান ছিলেন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অধিশাখা-৯-এর যুগ্ম সচিব মো. মাহমুদুর রহমান হাবিব। সদস্যসচিব রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং সদস্য ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং শাখা-১১-এর উপসচিব জহুরা খাতুন।

তদন্ত প্রতিবেদন ও হাইকোর্টে রাজউকের আইন শাখার জবাবের অনুলিপি পেয়েছে নিউজবাংলা। এতে সালাম মুর্শেদীর বাড়িটি জাল দলিলের মাধ্যমে অবৈধ দখলের প্রমাণ উল্লেখ করে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সম্পদের দখল সরকারের বুঝে নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

যা আছে তদন্ত প্রতিবেদন ও রাজউকের আইন বিভাগের জবাবে

মন্ত্রণালয়ের কমিটির তদন্তের পর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরেজমিন পরিদর্শন ও গুলশান আবাসিক এলাকার লে-আউট নকশা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রোড নং ১০৪ ও রোড নং ১০৩-এর সংযোগস্থলের কর্নারের প্লট/বাড়িটি (২৭ নং প্লট) অবস্থান বিবেচনায় ১০৪ নং রাস্তায় অবস্থিত। এটি ১৯৮৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত ৯৭৬৪(১) নং পৃষ্ঠার ৪৬ নং ক্রমিকে ‘খ’ তালিকাভুক্ত পরিত্যক্ত বাড়ি।

সবশেষ জরিপ/সিটি জরিপে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিইএন(ডি) ব্লকের ২৭ নং প্লটের ৫২০৪ ও ৫২০৫ দাগসমূহ সিটি জরিপের ৯ নং খতিয়ানভুক্ত, যা সরকারের পক্ষে গণপূর্ত নগর উন্নয়ন বিভাগ ঢাকার নামে রেকর্ডভুক্ত।

তদন্ত কমিটি বলেছে, বাস্তবে ওই এলাকায় রাজউকের লে-আউট নকশায় কথিত বাড়ির অস্তিত্ব বিদ্যমান নেই। এ ক্ষেত্রে সুকৌশলে ওই এলাকার ১০৪ নং রোডের ওই বাড়িটি ১০৩ নং রোড দেখিয়ে জাল কাগজপত্র তৈরি করে হস্তান্তর-নামজারিসহ অন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি তাদের সুপারিশে উল্লেখ করে ‘অবৈধ দখলভুক্ত প্লটটি অবিলম্বে সরকারের দখলে আনার’ সুপারিশও করেছে। সেই সঙ্গে এ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

একই তথ্য উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে পাঠানো জবাবে রাজউকের আইন বিভাগ বলেছে, ‘সার্বিক পর্যালোচনায় গুলশান আবাসিক এলাকার ১০৪ নং রাস্তার সিইএন (ডি) ব্লকের ২৭ নং বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা হতে অবমুক্ত ব্যতিরেকে যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তার বৈধতার বিষয়ে সুস্পষ্ট দালিলিক প্রমাণ অনুপস্থিত। তর্কিত বাড়িটির হস্তান্তর প্রক্রিয়া বিধিসম্মত হয়নি।’

তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্যসচিব রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তিন সদস্যের কমিটি তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। আমরা তদন্তে যা যা পেয়েছি তার সবই স্পষ্ট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় খুলনা আ. লীগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
After two years of disappearance it was found that Mofizul was murdered
মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল নাটোরের গুরুদাসপুরে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাটি খুঁড়ে চাঁচকৈড় পুরানপাড়া মহল্লার একটি বালিকা মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকের পাশ থেকে মফিজুলের পুঁতে রাখা দেহাবশেষ উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘নিহত মফিজুলের স্বজনরা মনে করেছিলেন, অভিমান বা অন্য কোনো কারণে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। একসময় হয়ত বাড়িতে ফিরেও আসবেন। আশায় প্রতীক্ষার প্রহর গুণছিলেন তার স্বজনরা, কিন্তু দুই বছর পর সবাই জানতে পারলেন, খুন হয়েছেন তিনি।’

এ যেন সিনেমাকেও হার মানায়। স্বজনরা মনে করেছিলেন, মফিজুল একদিন ফিরে আসবেন; কিন্তু নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল তিনি খুন হয়েছেন; প্রেমের সম্পর্কের জেরে খুন হয়েছেন দুবছর আগেই।

এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুরে। রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাটি খুঁড়ে চাঁচকৈড় পুরানপাড়া মহল্লার একটি বালিকা মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকের পাশ থেকে মফিজুলের পুঁতে রাখা দেহাবশেষ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে গেপ্তার করা হয়েছে।

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইসলাম জানান, বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে চাকরির সুবাদে গুরুদাসপুর উপজেলার খলিফাপাড়া মহল্লার এক সন্তানের পিতা মাফিজুলের সঙ্গে একই মহল্লার গৃহবধূ তানজিলা খাতুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে তানজিলার সঙ্গে তার স্বামী আল হাবিবের দাম্পত্যে বিবাদ দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে তানজিলার বাবা আবু তাহের খলিফার কাছে অভিযোগ করেন হাবিব।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জামাতা হাবিবকে সঙ্গে নিয়ে মফিজুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আবু তাহের খলিফা। প্রেমিকের কারণে সংসারে অশান্তি হচ্ছে ভেবে তাদের পরিকল্পনায় শামিল হন তানজিলাও।

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল কৌশলে মাফিজুলকে তারা চাঁচকৈড় বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে মফিজুলের হাত-পা বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ আটকে তারা তিনজনসহ আরও কয়েকজন মিলে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাকে হত্যা করেন। পরে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মাফিজুলের মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখেন তারা।

ছেলে নিখোঁজ হয়েছে ভেবে মাফিজুলের মা গুরুদাসপুর থানায় ২০২২ সালের ৭ মে থানায় জিডি করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর তানজিলা-হাবিব দম্পত্তির মধ্যে কলহ আরও বেড়ে যায়। এ কারণে ২০২২ সালের মে মাসে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করেন তানজিলা। ওই মামলায় নাটোর কারাগারে যান আল হাবিব।

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

এরপর দীর্ঘদিন কারাবাসে থাকায় গুরুদাসপুরের খলিফাপাড়া মহল্লার জাকির মুন্সি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কারাগারে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে আল হাবিবের। আলাপচারিতায় আল হাবিব হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জাকির মুন্সিকে জানান।

জাকির জামিনে মুক্তি পেয়ে নিহত মাফিজুলের পরিবারকে ঘটনাটি খুলে বলে। সবশেষ দুদিন আগে কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন আল হাবিব।

শুক্রবার রাতেই নিহত মাফিজুলের মা মাইনুর বেগম বাদী হয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ও র‌্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে আবু তাহের খলিফা, মেয়ে তানজিলা খাতুন, জামাই আল হাবিব সরকার ও তাদের প্রতিবেশী আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার শিকার মাফিজুলের পুঁতে রাখা দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘নিহত মফিজুলের স্বজনরা মনে করেছিলেন, অভিমান বা অন্য কোনো কারণে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। একসময় হয়ত বাড়িতে ফিরেও আসবেন।

‘আশায় প্রতীক্ষার প্রহর গুণছিলেন তার স্বজনরা, কিন্তু দুই বছর পর সবাই জানতে পারলেন, খুন হয়েছেন মাফিজুল।’

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন স্থানীয়রা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Where did the skeleton go from the grave?

কবর থেকে কঙ্কাল গেল কোথায়

কবর থেকে কঙ্কাল গেল কোথায় ছবি: নিউজবাংলা
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তারা জানান, এই কবরস্থানে তাদের পূর্বপুরুষদের দাফন করা হয়েছে। অনেক সময় তাদের কথা মনে পড়লে কবর জিয়ারত করেন তারা, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘মরেও শান্তি নাই’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

মানিকগঞ্জের জান্নাতুল বাকি কবরস্থান থেকে ১৮টি কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের নবগ্রাম এলাকায় অবস্থিত ওই কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

মহাদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘রোববার সকালে স্থানীয়রা কবরস্থানের পাশের রাস্তা দিয়ে কাজে যাওয়ার পথে কবরের মাটি খোড়া দেখে কবরস্থান কমিটির লোকজনকে জানান। পরে তারা গিয়ে দেখেন, রাতের আঁধারে কারা ১৮টি কঙ্কাল চুরি করে নিয়ে গেছে। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।’

এর আগেও এই কবরস্থান থেকে কয়েকবার কঙ্কাল চুরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তারা জানান, এই কবরস্থানে তাদের পূর্বপুরুষদের দাফন করা হয়েছে। অনেক সময় তাদের কথা মনে পড়লে কবর জিয়ারত করেন তারা, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘মরেও শান্তি নাই’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

শিবালয় থানার ওসি আব্দুর রউফ সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাতের আঁধারে কারা কী উদ্দেশ্যে কঙ্কাল চুরি করেছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।

জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
দাফনের পর মরদেহ মিলল বাঁশঝাড়ে
কঙ্কাল চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
কবরস্থান থেকে ৫ নারীর কঙ্কাল চুরি
‘একেকটি কঙ্কাল বিক্রি হয় সাড়ে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায়’
কবরস্থান থেকে রাতারাতি ১১ কঙ্কাল উধাও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of uncle nephew due to alcohol consumption at Gaye Turan event

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ‘মদ্যপানে’ মামা-ভাগ্নের মৃত্যু

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ‘মদ্যপানে’ মামা-ভাগ্নের মৃত্যু নিহত দীপু সরকার (বাঁয়ে) ও প্রসেনজিৎ সরকার। কোলাজ: নিউজবাংলা
নিহত দীপুর মামাতো ভাই সঞ্জয় সরকার বলেন, ‘শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর এলাকায় আমার বোনের গায়ে হলুদ ছিল। এ উপলক্ষে দীপু ও প্রসেনজিৎসহ ৬/৭ জন যুবক দেশীয় মদ্যপান করে আনন্দ করেন।’

মানিকগঞ্জ সদরে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেশীয় মদ্যপানে দীপু সরকার ও প্রসেনজিৎ সরকার নামের দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত দুই যুবক সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে বলে জানা গেছে।

শনিবার রাতে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।

২১ বছর বয়সী প্রসেনজিৎ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বয়রা ইউনিয়নের দাসকান্দি বয়ড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ২৯ বছর দীপু সরকার গাজীপুরের ভাওয়াল কলেজ পাড়া এলাকার সতীশ সরকারের ছেলে।

নিহত দীপুর মামাতো ভাই সঞ্জয় সরকার বলেন, ‘শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর এলাকায় আমার বোনের গায়ে হলুদ ছিল। এ উপলক্ষে দীপু ও প্রসেনজিৎসহ ৬/৭ জন যুবক দেশীয় মদ্যপান করে আনন্দ করেন।’

তিনি বলেন, ‘সারা রাত আনন্দ করার পর শনিবার সকালে দীপু ও প্রসেনজিৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাড়িতে বিশ্রামের পর অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যায় তাদের হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন, কিন্তু পরিবারের লোকজন দীপুকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে না নিয়ে মানিকগঞ্জ কর্ণেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে এবং প্রসেনজিৎকে মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে দুই হাসপাতাল থেকেই চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, দীপুর মরদেহ বলড়া শ্মশানে দাহ করা হয়েছে। আর প্রসেনজিতের মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া আহত আরও চারজন নবাবগঞ্জের বান্দুরা হেলাল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. হাবিল হোসেন বলেন, ‘নিহত প্রসেনজিত সরকারের মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। এ বিষয়ে হরিরামাপুর থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

‘প্রাথমিক অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে, তারা বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
কালিয়াকৈরে একদিনে চার যুবকের মৃত্যু
শিক্ষাসফরে ‘মদ্যপান’: দুই শিক্ষক বরখাস্ত, তদন্তে কমিটি
শিক্ষাসফরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্যপান, ভিডিও ভাইরাল
হাজারীবাগে প্রেমিকের বন্ধুর বাসায় তরুণীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After four months the girl returned to her mothers arms

চার মাস পর মায়ের কোলে ফিরল মেয়ে

চার মাস পর মায়ের কোলে ফিরল মেয়ে রোববার আদালতের নির্দেশে পুলিশ মেয়েটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে। ছবি: নিউজবাংলা
শিপা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে ফিরে পেতে গত ২৯ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা করি। মামলার চার মাস পর আজ আমি আমার বুকের ধনকে ফিরে পেয়েছি।’

চার মাসের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে মেয়েকে নিজের জিম্মায় ফিরে পেয়েছেন সুনামগঞ্জের এক নারী।

রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ আদালতের নির্দেশে পুলিশ ওই শিশুকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে।

মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, ৬ বছর আগে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে ঈসা খানের সঙ্গে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত হাবিজ মিয়ার মেয়ে শিপা বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর শিপা বেগমকে তার স্বামী মারধর করলে তিনি ৩১ অক্টোবর স্বামীর নামে আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিপা বেগমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়েটিকে আটকে রাখে।

এ বিষয়ে শিপা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে ফিরে পেতে গত ২৯ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা করি। মামলার চার মাস পর আজ আমি আমার বুকের ধনকে ফিরে পেয়েছি।’

জগন্নাথপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শিশুটিকে তার বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four restaurants in Tangail fined for not having fire extinguishing system

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় টাঙ্গাইলে চার রেস্তোরাঁকে জরিমানা

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় টাঙ্গাইলে চার রেস্তোরাঁকে জরিমানা ছবি: নিউজবাংলা
টাঙ্গাইল শহরের সুগন্ধা রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা, সুরুচি রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা, ছেফাত রেস্তোরাঁকে ১০ হাজার টাকা ও ঝাউবন রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় টাঙ্গাইল শহরের চার রেস্তোরাঁকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার বিকেলে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে সদর উপজেলা প্রশাসন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে অভিযানে আরও ছিলেন টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ইনস্পেক্টর রবিউল ইসলামসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বরত ইউএনও হাসান বিন মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও বহুতল ভবনে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় শহরের সুগন্ধা রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা, সুরুচি রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা, ছেফাত রেস্তোরাঁকে ১০ হাজার টাকা ও ঝাউবন রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এদের কারো অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ইনস্পেক্টর রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যাদের ভবন ও রেস্তোরাঁয় অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নেই, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন
রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bail of Dr Yunus in money laundering case

মানি লন্ডারিং মামলায় ড. ইউনূসের জামিন

মানি লন্ডারিং মামলায় ড. ইউনূসের জামিন ফাইল ছবি
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন বরলে শুনানি শেষে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন বরলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। আর এ আবেদনের বিরোধিতা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর। পরে শুনানিতে বিচারক ইউনুসসহ আট আসামির জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এই মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। দুদক ১৩ জনকে আসামি করলেও অভিযোগপত্রে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসানের নাম যুক্ত করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, সাবেক এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও এস এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, আইনজীবী ইউসুফ আলী ও জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান এবং গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাইনুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে পারভীন মাহমুদ জামিনে রয়েছেন। বাকি ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধভাবে রূপান্তর করায় মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ৩০ মে দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ মামলা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ seeking closure of restaurants in residential areas of the capital

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

রাজধানীর বেইলি রোডসহ আবাসিক এলাকাগুলোতে রেস্তোরাঁর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ রোববার রিটটি করেন।

রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ঢাকার আবাসিক এলাকায় বেইলি রোডসহ কোনো রকমের রেস্টুরেন্টসহ বাণিজ্যিক কোনো কর্মকাণ্ড যাতে না করে, তাহা বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা চেয়ে আমি রিট করেছি এবং এই রিটটি আজকে শুনানি করব।’

আরও পড়ুন:
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

p
উপরে