× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 officials of Sonali Bank were dismissed on the charges of irregularities and corruption
google_news print-icon

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

অনিয়ম-দুর্নীতির-অভিযোগে-সোনালী-ব্যাংকের-৩-কর্মকর্তা-বরখাস্ত
সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখার বর্তমান ব্যবস্থাপক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মহসিন আলী জানান, এ শাখার ৩ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের তথ্য বুধবার জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের অনিয়ম এবং দুর্নীতি তদন্তে ধরা পড়ায় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের বেনাপোল শাখার ব্যবস্থাপকের বদলির পর এবার ৩ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার তাদের বরখাস্তের আদেশ দিয়েছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এই কর্মকর্তারা হলেন প্রিন্সিপাল অফিসার মহিদুল ইসলাম, সাদেক আলী ও অফিসার (ক্যাশ) দবির হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখার বর্তমান ব্যবস্থাপক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মহসিন আলী।

তিনি জানান, এ শাখার তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের তথ্য বুধবার জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের অনিয়ম এবং দুর্নীতি তদন্তে ধরা পড়ায় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্তের জন্য সোনালী ব্যাংকের একটি দল কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, গেল সপ্তাহেই যশোরের প্রধান শাখায় বদলি করা হয়েছে বেনাপোল শাখা ব্যবস্থাপক প্রিন্সিপাল অফিসার আক্তার ফারুককে।

ব্যাংকসূত্রে জানা গেছে, খালিদ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি একাধিক এলসির মাধ্যমে ভারত থেকে কয়েক কোটি টাকার ফল আমদানি করে। এসব পণ্যের চালানগুলো খালাস নিতে আমদানিকারকের পক্ষে কাস্টম হাউসে বিল অফ এন্ট্রি জমা দেয় বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট আলেয়া এন্টারপ্রাইজ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মো. শান্ত।

কিন্তু তারা আমদানিপণ্যের বিপরীতে আসা ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ না করেই সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখার ছাড়পত্র (রিলিজ অর্ডার) নিয়ে আমদানিকরা মালামাল খালাস করে নিয়ে যায়। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এলে তাদের একটি দল গেল সপ্তাহে বেনাপোল সোনালী ব্যাংকে অভিযান চালায়।

সোনালী ব্যাংক যশোর অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমদানি করা পণ্যের শুল্ক পরিশোধ না করে চালানের কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে একটি প্রতিষ্ঠান। পরে আমরা শুল্ক আদায় করেই ছাড়পত্র দিয়েছি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

‘তদন্তের স্বার্থে শাখা ব্যবস্থাপক আক্তার ফারুককে গত সপ্তাহে যশোরে বদলি করা হয়েছে। আজ বুধবার আরও তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তে যারা দোষী হবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বেসিক ব্যাংকের অর্থ লোপাট নিয়ে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদনের নির্দেশ
টাকায় ঋণ পাবে বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান
সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির চুক্তি
কর্মকর্তাদের অনিয়ম, দুর্নীতি ধামাচাপা দেন ডিজিএম
ব্যাংকিং খাত নিয়ে ভিডিওর যথার্থতা যাচাইয়ের নির্দেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bashundhara Cement Annual Sales Conference 2024 Held

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের আয়োজনে ‘উদ্ভাবন এবং কৌশলের মাধ্যমে বিক্রয় দক্ষতা’ শিরোনামে দিনব্যাপী ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরা, ঢাকায় এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বসুন্ধরা সিমেন্টের ৩০০ জনেরও বেশি বিক্রয় প্রতিনিধির অংশগ্রহণে বিক্রয় সম্মেলনটি দুর্দান্ত সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয়েছে, যা বসুন্ধরা গ্রুপ ও সিমেন্ট শিল্পের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সম্মেলনটি সিমেন্ট শিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি, বিক্রয় বিশেষজ্ঞ ও স্টেকহোল্ডারদের মেলবন্ধনের মাধ্যমে এই শিল্পের অভূতপূর্ব বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের দিকে আলোকপাত করেছে।

সম্মেলনে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- বসুন্ধরা গ্রুপের ‘সেক্টর সি’-এর সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ‘প্লানড, ডিসিপ্লিনড ও সায়েন্টিফিক সেলস কল এবং সেলসম্যানশিপ-ভালো সিমেন্ট সেলসম্যানের বৈশিষ্ট্য’ বিষয়ে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এম জাহিদ উদ্দিন, চিফ অপারেটিং অফিসার (মিডল ইস্ট অ্যান্ড আফ্রিকা ডিভিশন) কে এম শাহেদ জাহিদ, ‘সেলস অপারেশন, টার্গেট সেটিং এবং অন্যান্য সেলস অপারেশনাল আসপেক্টস’ বিষয়ে প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা শাহ জামাল সিকদার এবং ‘কর্পোরেট কাস্টমার হ্যান্ডেলিং” বিষয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আইআরকেএম সালাহউদ্দিন বিশ্বাস।

সম্মেলনে বসুন্ধরা গ্রুপ, সেক্টর সি থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন- চিফ অপারেটিং অফিসার মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, হেড অফ এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন মোহাম্মদ ইমরান বিন ফেরদৌস, হেড অফ মার্কেটিং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্মেলন জুড়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রাণবন্ত আলোচনা, কর্মশালা ও নেটওয়ার্কিং সেশনে যুক্ত থেকে নতুন সম্পর্ক ও সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেন।

ইভেন্টটির মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশ ও এর বাইরে সিমেন্ট বিক্রয়ের ভবিষ্যত গঠনে আলোকপাত করা হয়।

বসুন্ধরা সিমেন্ট বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ এর সাফল্য বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের চালিকাশক্তি হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
USTDAs Study Grant to CDNet on Expanding Internet Connectivity
সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান

ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণে সিডিনেটকে ইউএসটিডিএর সমীক্ষা অনুদান মঙ্গলবার সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর তা তুলে ধরেন সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা ড. নাফিজ সরাফাত এবং ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং। ছবি: সংগৃহীত
সিডিনেটের পরিচালক ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

ইউএস ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (ইউএসটিডিএ) বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল সাবমেরিন ক্যাবল (বাঘা-১)-এর উন্নয়নের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণের জন্য মঙ্গলবার বাংলাদেশি টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি সিডিনেট কমিউনিকেশনস লিমিটেডকে (সিডিনেট) সমীক্ষা অনুদান অনুমোদন করেছে।

সাব-সি ক্যাবল শহর ও গ্রাম উভয় ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত করবে। সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ফ্লোরিডাভিত্তিক এপি টেলিকম এলএলসি-কে নির্বাচিত করেছে সিডিনেট।

ইউএসটিডিএ ও সিডিনেট ষষ্ঠ ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেখানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ রোমুয়াল্ডেজ মার্কোস জুনিয়র মূল বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে ইউএসটিডিএর পরিচালক এনোহ টি. ইবং বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে আমরা সিডিনেটের মতো অংশীদারদের সঙ্গে সাব-সি ক্যাবল প্রকল্পগুলোর একটি পোর্টফোলিও তৈরি করছি। তারা সাব-সি ফাইবার অপটিক ক্যাবল সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের দেশগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড ক্ষমতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এজেন্সি একটি অংশীদারত্বভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করে, যা প্রকল্পের বিকাশকারী, যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত, সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সমমনা ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের সম্পদ ও ক্ষমতাকে কাজে লাগায়। এসব প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ বাঘা-১।’

সাব-সি ক্যাবলগুলো বিশ্বব্যাপী যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা বাস্তবায়িত হলে বাঘা-১ ক্যাবলটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যান্ডউইথড বৃদ্ধি করবে, যা নিরাপদ উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রসারিত করতে এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

ইউএসটিডিএর গবেষণা বাংলাদেশে একটি বিশ্বস্ত সাব-সি ক্যাবল সিস্টেম স্থাপনের জন্য সবচেয়ে কৌশলগত পথ চিহ্নিত করার বিকল্পগুলো মূল্যায়নে সিডিনেটকে সহায়তা করবে।

সিডিনেটের পরিচালক এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত অনুষ্ঠানে বলেন, ‘বাঘা-১ বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত সংযোগকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং ফাইভ-জি পরিষেবা, আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার ও আন্তর্জাতিক হাইপারস্কেলারের জন্য উদীয়মান ডিজিটাল পরিষেবাগুলোর জন্য ব্যাপক সুযোগ উন্মুক্ত করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য আরও কানেক্টেড এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলার এই অগ্রযাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, ‘ইউএসটিডিএর সমীক্ষা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উন্নত ইন্টারনেট ব্যবহার আরও সহজ ও সুবিধাজনক করবে।’

দ্রুতগতির ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও কানেক্টেড করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব স্থাপন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

ইউএসটিডিএ বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের অগ্রাধিকারের লক্ষ্যগুলো যেমন এগিয়ে নেয়, তেমনি বৈশ্বিক অবকাঠামো, বিনিয়োগের জন্য অংশীদারত্ব, ডিজিটাল সংযোগ এবং সাইবার নিরাপত্তা অংশীদারত্ব ও সমৃদ্ধ প্রকল্প প্রস্তুতি সুবিধার জন্য ইন্দো-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা পালন করে থাকে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Infinix budget phone Smart 8 Pro is available all over the country

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’। ছবি: ইনফিনিক্স
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশের বাজারে সম্প্রতি এসেছে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’।

ব্র্যান্ডটির স্মার্ট সিরিজের নতুন সংযোজন এ বাজেট ফোন।

সাশ্রয়ী মূল্য ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এটি তরুণদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জারের সাহায্যে ডিভাইসটি দ্রুত চার্জ করা যায়। বারবার চার্জ দেয়ারও প্রয়োজন হয় না। একবার সম্পূর্ণ চার্জে ব্যবহারকারীরা টানা ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও দেখতে পারবেন।

এন্ট্রি-লেভেলের স্মার্টফোন হিসেবে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ দুর্দান্ত বলে দাবি করেছে ইনফিনিক্স।

কোম্পানিটি জানায়, ব্যবহারকারীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এ ডিভাইসে আরও আছে ইনফিনিক্স পাওয়ার ম্যারাথন সমাধান। আল্ট্রা-পাওয়ার-সেভিং মোড ব্যবহার করে মাত্র ৫ শতাংশ চার্জেও অনায়েসেই দুই ঘণ্টা কথা বলা যায়।

ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে উন্নত অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৩৬ চিপসেট। এটি নিরবচ্ছিন্ন মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও স্ট্রিমিং নিশ্চিত করে। ডিভাইসটিতে আছে ৪ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।

পছন্দের অ্যাপ, ছবি, ভিডিওসহ নানা কিছু সহজেই সংরক্ষণ করতে এতে আছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ। পাশাপাশি মাইক্রোএসডির সাহায্যে এর ধারণক্ষমতা ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে ম্যাজিক রিংযুক্ত ৬.৬ ইঞ্চি এইচডি+ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে। এ ম্যাজিক রিংয়ের মাধ্যমে চার্জিং স্ট্যাটাস এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন নির্বিঘ্নে দেখা যায়।

৯০ হার্টজের রিফ্রেশ রেটের কারণে ব্রাউজিংয়ের সময় পাওয়া যাবে না কোনো ল্যাগ, যা ব্যবহারকারীদের স্বাচ্ছন্দ্যময় টাচের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

ডিভাইসটির রিং ফ্ল্যাশলাইটযুক্ত ৫০ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল এআই ক্যামেরার সাহায্যে স্বল্প আলোতেও সুন্দর ছবি তোলা যায়। ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্য চমৎকার সেলফি তুলতে পারবেন।

তরুণদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয় ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। টিম্বার ব্ল্যাক, শাইনি গোল্ড ও রেইনবো ব্লু—এ তিন ট্রেন্ডি রঙে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।

সারা দেশের ইনফিনিক্স অফিশিয়াল রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। ফোনটির দাম ১১ হাজার ৪৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স
যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The price of gold rose to an all time high of Tk 119544

স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা

স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৮০ হাজার ৮৬৬ টাকায় বিক্রি করা হবে।

দেশের বাজারে আবারও ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এই দফায় সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৯৮৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। দেশের বাজারে স্বর্ণের এই দাম এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তাতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার থেকে নতুন এই দর কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৮০ হাজার ৮৬৬ টাকায় বিক্রি করা হবে।

এর আগে ১৯, ১২, ৮, ৬ ও ৫ মে পাঁচ দাফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ১৯ মে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৭৮ টাকা, ১২ মে ১ হাজার ৮৩২ টাকা, ৮ মে ৪ হাজার ৫০২ টাকা, ৬ মে ৭৩৫ টাকা এবং ৫ মে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়। রোববার আবার দাম বাড়ানোর ফলে ছয় দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়লো মোট ১০ হাজার ৩৮১ টাকা।

স্বর্ণের দাম দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

আরও পড়ুন:
টানা ছয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
পঞ্চম দফায় দেশে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ৩১৫ টাকা
পাঁচ দিনে চতুর্থবারের মতো কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ১১২৯৩১ টাকা
টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে স্বর্ণের দাম
দেশে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমে ভরি ১১৪১৫১ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh Bank clarified the issue of journalist entry

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায় সংস্থাটি।

সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত বুধবার সংস্থাটি এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায়, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মর্মে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।

জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে ওই বার্তায় জানায় তারা। খবর বাসস

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশের জনসাধারণের নিকট সকল প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদানে বদ্ধপরিকর। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রদানযোগ্য সকল তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশেনে কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করছে তারা। যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কিত গণমাধ্যমে প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদান, তার ব্যাখ্যা ও সম্পূরক তথ্যাদি প্রদানে নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে ও পরিচালক পর্যায়ের দুইজন কর্মকর্তা সহকারী মুখপাত্র হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। যেকোনো সংবাদকর্মী অফিস চলাকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে প্রবেশ করে এই কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য গ্রহণ করতে পারেন।

এছাড়া কোনো বিশেষ প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রবেশ পাস গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট সংবাদকর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞিপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রেস কনফারেন্স, প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছে।

এ ছাড়াও অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তার সংরক্ষিত সকল অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে আসছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The price of gold increased by 1 thousand 178 taka for the fifth round

স্বর্ণের দাম পঞ্চম দফায় ভরিতে বাড়ল এক হাজার ১৭৮ টাকা

স্বর্ণের দাম পঞ্চম দফায় ভরিতে বাড়ল এক হাজার ১৭৮ টাকা ফাইল ছবি।
টানা পঞ্চম দফায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা। আর এর মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা পঞ্চমবারের মতো বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) এক হাজার ১৭৮ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।

তবে এক ভরি স্বর্ণের অলঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে এক লাখ ৩১ হাজার টাকার বেশি, যা দেশের বাজারে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। স্থানীয় বাজারে এর আগে কখনোই স্বর্ণালঙ্কারের দাম এতটা উচ্চতায় ওঠেনি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির এই ঘোষণা দিয়েছে। বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত এই দাম রোববার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস এর আগে চলতি মে মাসের ৫, ৬, ৮ ও ১২ তারিখ চার দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে ভরিপ্রতি ৫ মে এক হাজার ৫০ টাকা, ৬ মে ৭৩৫ টাকা, ৮ মে ৪ হাজার ৫০২ টাকা ও সবশেষ ১২ মে ১ হাজার ৮৩২ টাকা বাড়ানো হয়। শনিবার দাম বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে পাঁচ দফায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল মোট ৯ হাজার ২৯৭ টাকা।

টানা পাঁচ দফা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির আগে আট দফায় ভরিতে মোট ১০ হাজার ২৬২ টাকা কমানো হয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা। ‌আর ২১ ক্যারেটের দাম ভরিতে এক হাজার ১৩১ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৩ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের ভরি ৯৫৬ টাকা বাড়িয়ে ৯৬ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭৯৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অবশ্য স্বর্ণের গহনা কিনতে ক্রেতাদের এরচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে স্বর্ণের গহনা বিক্রি করা হয়। সেসঙ্গে ভরি প্রতি মজুরি ধরা হবে ন্যূনতম ৬ শতাংশ। ফলে রোববার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের ব্যয় হবে এক লাখ ৩১ হাজার ৪৯১ টাকা। এতো বেশি দামে এর আগে দেশের বাজারে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি হয়নি।

স্বর্ণালঙ্কারের দামে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হলেও দেশের বাজারে এরচেয়েও বেশি দামে স্বর্ণ বিক্রির রেকর্ড রয়েছে। ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে ২০ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণ সর্বোচ্চ এক লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সে সময় এক ভরি স্বর্ণালঙ্কারের সর্বনিম্ন দাম এক লাখ ২৯ হাজার ১১৯ টাকা নির্ধারিত ছিল।

স্বর্ণের অলঙ্কারের দামে সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টির কারণ মজুরি। আগে ভরিপ্রতি মজুরি ধরা হতো ন্যূনতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। কিন্তু এ নিয়ম পরিবর্তন করে ১৪ মে ভরিপ্রতি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শতাংশ। এতেই নতুন দামে স্বর্ণালঙ্কারের ক্ষেত্রে ভরিপ্রতি ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে সাত হাজার ১০৮ টাকা।

এদিকে বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ালেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি দুই হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

আরও পড়ুন:
ভরিতে সাড়ে ৪ হাজার টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের দাম এক দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল
টানা অষ্টমবারের মতো কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ১০৯১৬৩ টাকা
স্বর্ণের দাম আরও কমেছে
টানা ছয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Half of the electrical products in the market are counterfeit and unauthorized
এমডব্লিউবির গবেষণা

বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন

বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন ঢাবির মার্কেটিং বিভাগে শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে এমডব্লিউবি। ছবি: নিউজবাংলা
গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির।

বাংলাদেশে ইলেকট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকার। এসব পণ্যের বাজার গত দুই দশক ধরে অব্যাহতভাবে বেড়ে চললেও এর অর্ধেক স্থান দখল করে আছে নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য।

ইলেকট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের ওপর মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশের (এমডব্লিউবি) করা একটি গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমডব্লিউবির করা গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

মার্কেটিং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান ও আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল ও দিকনিদেশর্না তুলে ধরেন।

এ সময় মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম ও আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এমডব্লিউবির পক্ষ থেকে জানানো জানানো হয়, এই গবেষণায় গুণগত (কোয়ালিটেটিভ) ও পরিমাণগত (কেয়ান্টিটেটিভ)- দুই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই গবেষণার জন্য সারা দেশের ২ হাজার ১৬ জন ব্যবহারকারী, ১০৩ জন খুচরা বিক্রেতা ও ৯৯ জন ইলেক্ট্রিশিয়ানকে নমুনা হিসেবে বেছে নেয়া হয়। এছাড়া ৫ জন বৈদ্যুতিক পণ্য বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকারও নেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই গবেষণার আওতাধীন পণ্যগুলো ছিল- সুইচ, সকেট, হোল্ডার, মাল্টি-প্লাগ, সার্কিট ব্রেকার, মিটার ও বিভিন্ন হালকা পণ্য যেমন: এলইডি লাক্স, এলইডি টিউব, এলইডি প্যানেল, ব্র্যাকেট এলইডি, জিএলএস, অ্যানার্জি এফিশিয়েন্সি বাল্ব ও ইমার্জেন্সি লাইটিং।

প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি বড় ও অপার সম্ভাবনাময় শিল্প। বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতা এবং ২ হাজার ৫০০ উদ্যোক্তাসহ মোট ৫ লাখেরও বেশি মানুষ এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। দুই ক্যাটাগরির পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের বাজার তিন হাজার ৩৭৫ কোটি এবং লাইটিং পণ্যের বাজার ২ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।

গবেষণা বলছে, পণ্যের গড় প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ। যদি আগামী দিনগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই খাতটি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বড় খাত হিসেবে আবির্ভূত হবে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, এই বাজারের প্রায় অর্ধেকই নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য দখল করে আছে। তবে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে।

যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির। আর এজন্য তারা গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানায়।

গবেষণার ফল অনুযায়ী, দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুপারস্টার গ্রুপ উভয় প্রকার পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

গবেষণার তথ্যানুসারে, ইলেক্ট্রিক্যাল ব্র্যান্ডেড পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৯ শতাংশ, ওয়ালটন ১৭ শতাংশ, ক্লিক ১৭ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৯ শতাংশ, ওসাকা ৪ শতাংশ এবং ব্লিঙ্ক, এমইপি ও লাক্সারি প্রত্যেকে ৩ শতাংশ করে বাজার দখল করে আছে। অন্যদিকে, ব্রান্ডেড লাইটিং পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৫.৫৯ শতাংশ, ক্লিক ১৩ শতাংশ, ওয়ালটন ১২ শতাংশ, ট্রান্সটেক ১০ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৮ শতাংশ ও ফিলিপস ৭ শতাংশ বাজার দখল করে আছে।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ও লাইটিং পণ্যে গুরুতর কী কী সমস্যা দেখা যায় সেসবও জানতে চাওয়া হয় গবেষণায় অংশ নেয়াদের কাছ থেকে।

সেই তথ্যানুসারে, ২৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছে, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা লুজ কানেকশন। দ্বিতীয় প্রধান সমস্যা হলো ইলেক্ট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট। ২০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী এর পক্ষে মত দিয়েছেন।

বাকি সমসস্যগুলো হলো- ওয়ারেন্টি কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই পণ্য ড্যামেজ হয়ে যাওয়া, ওভারহিটিং ইত্যাদি।

অন্যদিকে, লাইটিং পণ্যের ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হলো- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাইটের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, লাইটের ক্ষণস্থায়ী জীবন, মিটমিট করা, অধিক বিদ্যুৎ গ্রহণ করা ও ওভারহিটিং।

এমডব্লিউবি বলছে, এই শিল্পের অগ্রগতির পেছনে মূলত গত ২৫ বছরে ব্যাপক বিদ্যুতায়ন, অব্যাহত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান আয়, দ্রুত ও পরিকল্পিত নগরায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সরকারের গৃহীত সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

এই শিল্পের কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটিও তুলে ধরা হয়েছে গবেষণার ফল উপস্থাপনে। গ্রে-মার্কেটের আধিপত্য, অসম প্রতিযোগিতা, ব্যবহারকারীদের ব্র্যান্ডের পণ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবসহ আরও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

দুর্দান্ত সম্ভাবনাময় এই শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য সুপারিশ হিসেবে এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, দেশীয় কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য সরকারের বিদ্যমান ট্যাক্স পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন করতে হবে যাতে কোম্পানিগুলো কম ব্যয়ে পণ্যের কাঁচামাল আমদানি করতে পারে।

পাশাপাশি এ সমস্ত শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ গড়ে তোলার জন্য সরকার ও ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপদ ও মানসম্মত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন অধ্যাপক মিজান।

মন্তব্য

p
উপরে