× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Revision of RPO EC receives Ministrys reply
hear-news
player
google_news print-icon

আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি

আরপিও-সংশোধন-মন্ত্রণালয়ের-জবাব-পেল-ইসি

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান সংশোধনের অগ্রগতি জানতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দেয়া চিঠির জবাব দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়ে দীর্ঘ তিন মাস পর অবশেষে এই জবাব পেল ইসি।

আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আসাদুজ্জামান নূর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মঙ্গলবার এ জবাব দেয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) খসড়া প্রস্তাবের পর গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে পাঠানো ইসির দুটি চিঠি উপেক্ষা করা হয়। কমিশন সবশেষ চিঠিতে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছিল। অবশেষে সেই চিঠির জবাব মিলেছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যমান আরপিওতে বেশকিছু সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়। ভোট বাতিলে ইসির ক্ষমতা ও ভোট বন্ধে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়ানো, প্রার্থীর এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখালে বা কেন্দ্রে যেতে বাধা দিলে শাস্তির বিধান, সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে শাস্তি, দলের সর্বস্তরের কমিটিতে নারী প্রতিনিধিত্ব রাখতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেয়া, দায়িত্বে অবহেলায় কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতা বাড়ানো, প্রার্থীদের আয়কর সনদ জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করাসহ বেশকিছু বিষয়ে সংস্কার চায় বর্তমান কমিশন৷

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ‘আরপিও-এর সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নীতিনির্ধারণী বিষয়। সংবিধান ও বিদ্যমান আরপিও-এর বিধানগুলোর সঙ্গে ওইসব প্রস্তাব সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা সে বিষয়সহ সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম চলমান।

‘রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ এবং অ্যালোকেশন অফ বিজনেস অ্যামং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো বিল আকারে প্রস্তুতপূর্বক নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনসহ জাতীয় সংসদে উত্থাপনের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ওপর ন্যস্ত।

‘লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ সরকারের নির্বাহী বিভাগের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে সর্বদা সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছে। ইতিপূর্বে নির্বাচন কমিশন থেকে আরপিওসহ নির্বাচন সংক্রান্ত অন্য যেসব আইন, বিধি, প্রবিধি, প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি নতুনভাবে প্রণয়ন বা সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সেসব প্রস্তাব সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সূচারুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।’

আইন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘আরপিও-এর প্রস্তাবিত সংশোধনগুলোর ওইরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া মাত্রই বিল আকারে প্রস্তুতপূর্বক নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গাইবান্ধার মতো ভোট রংপুরে চায় না ইসি
ইভিএমে রি-রাইটের সুযোগ নেই: ইসি আলমগীর
বিএনপি নির্বাচনে আসবে: ইসি আনিছুর
নিবন্ধন চেয়ে আবেদন ৮০ নয়, ৯৮ বা তার চেয়ে বেশি
নাকফুল, বাবেস, মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ নিবন্ধন চায় যারা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP has lost its way and started the march Kader

পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে: কাদের

পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনও পালিয়ে যায়নি। ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে। রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে আছে। রিমোট কন্ট্রোলে অদৃশ্য নির্দেশে চলা আন্দোলন করে বাংলাদেশে জেতা যাবে না।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে। তাদের রাজনীতি ভুলের চোরাগলিতে আটকে গেছে। পদযাত্রা করে তা উদ্ধার করা যাবে না।’

সোমবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অব্যাহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনও পালিয়ে যায়নি। ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে। রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে আছে।

‘রিমোট কন্ট্রোলে অদৃশ্য নির্দেশে চলা আন্দোলন করে বাংলাদেশে জেতা যাবে না।’

মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবু্ব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবিরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত সহিংস রাজনীতির উসকানি দিচ্ছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এদের প্রতিহত করতে হবে।

আরও পড়ুন:
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের
নতুন সড়ক আর না, পুরনোগুলোই সংস্কার হবে: কাদের
বিএনপির আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই: কাদের
ইসি সামর্থ্য অনুযায়ী ইভিএমে ভোট করলেও আপত্তি নেই: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The office of the vice chancellor in Chabi was vandalized due to the lack of jobs of Chhatra League workers

ছাত্রলীগ কর্মীর চাকরি না হওয়ায় চবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর

ছাত্রলীগ কর্মীর চাকরি না হওয়ায় চবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
চবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মঈনুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘ছাত্রলীগের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ছেলেকে চাকরি না দিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন নেতা ও জামাত-শিবির মদদপুষ্ট নিয়োগপ্রার্থীকে নেয়া হচ্ছে। আমাদের দাবি এদেরকে বাদ দিতে হবে।’

শিক্ষক পদে ছাত্রলীগ কর্মীর চাকরি না হওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে শাটল ট্রেন অবরোধ করে রেখেছে তারা।

চবির সিন্ডিকেট সভা চলাকালে সোমবার বিকাল চারটার দিকে ভাঙচুর চালানো হয়।

চবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মঈনুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘ছাত্রলীগের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ছেলেকে চাকরি না দিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন নেতা ও জামাত-শিবির মদদপুষ্ট নিয়োগপ্রার্থীকে নেয়া হচ্ছে। আমাদের দাবি এদেরকে বাদ দিতে হবে।’

ছাত্রলীগ কর্মীর চাকরি না হওয়ায় চবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর

তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত জামাত-শিবির মদদপুষ্ট নিয়োগপ্রার্থীকে বাদ দেয়া হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত ট্রেন অবরোধ থাকবে।’

চবির প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূইয়া বলেন, ‘ভাঙচুর কেন হয়েছে সেটা তদন্ত সাপেক্ষে বুঝা যাবে। নিয়োগের বিষয়ে এক্সপার্ট বোর্ড যাদের ভালো মনে করছে তাদের নিয়েছে। শাটলের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’

আরও পড়ুন:
চারুকলার সংকট নিরসনে কমিটি ঘোষণা চবির
চবির মার্কেটিং বিভাগের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সিরেমনির জমকালো আয়োজন
উৎসবে রঙিন চবির মার্কেটিং বিভাগ
তৃতীয় দিনে গড়াল চবি চারুকলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
চবির চারুকলার শিক্ষার্থীদের ২২ দাবিতে ক্লাস বর্জন ও অবস্থান কর্মসূচি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The commission wants CCTV cameras in the twelfth vote

‘দ্বাদশ ভোটে সিসিটিভি ক্যামেরা চায় কমিশন’

‘দ্বাদশ ভোটে সিসিটিভি ক্যামেরা চায় কমিশন’
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ইভিএম কেনা বা ব্যবহারের জন্য প্রকল্প পাস করার বিষয় থাকলেও সিসি ক্যামেরার জন্য এমন কিছু লাগে না বলে মনে করি। তারপরও নির্বাচনী বাজেটের ব্যাপার আছে। সব মিলিয়ে এটা সিদ্ধান্তের প্রশ্ন।’

‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার হলে সবার জন্যই ভালো হয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) শতভাগ ইচ্ছা রয়েছে। তবে এখানে অর্থনীতি একটি বড় বিষয়। এ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি।’

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা এসব কথা বলেন।

ইভিএম কেনা বা ব্যবহারের জন্য প্রকল্প পাস করার বিষয় থাকলেও সিসি ক্যামেরার জন্য এমন কিছু লাগে না বলে মনে করেন রাশেদা সুলতানা। তিনি বলেন, ‘ওই রকম বিষয় নয়, যদি প্রজেক্ট পাস করতে না হয়...। নির্বাচনী বাজেটের ব্যাপার। সিসি ক্যামেরা বাদ দিয়েছি এমনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আবার আমরা আনবই- এমন সিদ্ধান্তও হয়নি।’

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন হতে আর বছরখানেক আছে উল্লেখ করে ইসি রাশেদা বলেন, ‘এই এক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটাও আমরা বুঝতে পারব। সব মিলিয়ে এটা সিদ্ধান্তের প্রশ্ন।

‘সিসি ক্যামেরা দিয়ে ভোট করব কি করব না এ বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত হয়নি। আইনে কোথাও বলা নেই যে ভোটে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার করতেই হবে। তবে কমিশন চাইলেই তো আর নিজে নিজে তা করতে পারবে না। সবকিছু মিলিয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি যদি পারমিট করে তবে আমরা অবশ্যই করব। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে (ব্যবহার) করেছি।’

রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ভোটে সিসি ক্যামেরার একটা ইফেক্টিভ রেজাল্ট আছে। তবে ব্যবহার করতে চাইলে একটা বড় বাজেট লাগবে। তিন শ’ আসনে এর ব্যবহার করতে চাইলে একটা ম্যানেজমেন্ট বা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেটা কীভাবে করা যায়, আদৌ সম্ভব কি না, করলে কতটুকু করা যায়- এসব বিষয় নিয়ে আমরা এক ধরনের আলোচনা করে আসছি।’

নির্বাচনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে কমিশন সমন্বয় করছে বলেও জানান রাশেদা সুলতানা।

আরও পড়ুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নিখোঁজের ঘটনায় ইসির কমিটি
ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করে মিডিয়া: সিইসি
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামানত দ্বিগুণ
পুঁজিবাজারে জেনেবুঝে বিনিয়োগের পরামর্শ বিএসইসি চেয়ারম্যানের
ইভিএম নিয়ে ধোঁয়াশায় ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EC committee on missing independent candidate in Brahmanbaria

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নিখোঁজের ঘটনায় ইসির কমিটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নিখোঁজের ঘটনায় ইসির কমিটি নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। ফাইল ছবি
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘কমিশন ওখানকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে- যেভাবে যেখান থেকে পারো ওনাকে উদ্ধার করো। ওনাকে তারা উদ্ধার করতে পারবে না এটা আমরা বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের আগেই যদি (উদ্ধার) হয় তাহলে ভালো হয়। কমিশন নিজে গিয়ে তো তাকে ধরে আনতে পারবে না।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসারকে নিয়ে গঠিত কমিটিকে দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা সোমবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে ইসি রাশেদা বলেন, ‘তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। রিপোর্ট আসুক। তারপর কী হয় দেখা যাবে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসারকে বলেছি তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে। ঘটনাটা আসলে কী, এর সত্যতা কতটুকু। রিপোর্ট পাওয়ার পর সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।’

তিনি জানান, ‘কমিশন ওখানকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে- যেভাবে যেখান থেকে পারো ওনাকে উদ্ধার করো। ওনাকে তারা উদ্ধার করতে পারবে না এটা আমরা বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের আগেই যদি (উদ্ধার) হয় তাহলে ভালো হয়। কমিশন নিজে গিয়ে তো তাকে ধরে আনতে পারবে না।’

বুধবার অনুষ্ঠেয় ৬ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘প্রার্থীরা তাদের মতো করে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছেন। ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ। ক্যামেরা নেই এবার। ব্যালটে নয়, ইভিএমে ভোট হবে।

‘মেশিন যা দরকার তার চেয়ে দেড় গুণ বেশি দেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু সম্ভব রক্ষা করার জন্য নির্দেশনা দেয়া আছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করে মিডিয়া: সিইসি
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামানত দ্বিগুণ
পুঁজিবাজারে জেনেবুঝে বিনিয়োগের পরামর্শ বিএসইসি চেয়ারম্যানের
ইভিএম নিয়ে ধোঁয়াশায় ইসি
ভোটের পরিবেশ অনুকূলে নয়: সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Everyone knows who escapes Mirza Fakhrul

কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল

কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১/১১ সরকারের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা-কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তা সবাই জানে। তখন দেশে ছিলেন একজন, তিনি হলেন খালেদা জিয়া।’

‘আওয়ামী লীগ পালায় না’- রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এক এগারোতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা পালিয়েছিল তা সবাই জানে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পদযাত্রা শুরু আগে দেয়া বক্তব্যে সোমবার দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে ১০ দফা দাবিতে এ পদযাত্রার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।

ফখরুল বলেন, ‘১/১১ সরকারের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারা-কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তা সবাই জানে। তখন দেশে ছিলেন একজন, তিনি হলেন খালেদা জিয়া।’

তিনি বলেন, ‘কোনো দিকে পালাবার পথ নেই। কোন দিকে পালাবেন ? তাই এখনও বলছি, সময় আছে আমাদের দাবি ১০ দফা এই দাবি মানে মানে মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন। সংসদ বাতিল করুন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আসুন। নতুন কমিশন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন দিন।’

পদযাত্রা প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের পদযাত্রা, গণতন্ত্রের জয়যাত্রা। আমাদের এই পদযাত্রা মানুষের অধিকার আদায়ের পদযাত্রা। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জয়যাত্রা।’

সরকার জনগণের পকেটের টাকা কেড়ে নিচ্ছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ‘এই পুরান ঢাকায় গ্যাস নেই। শুধু পুরান ঢাকা নয়, গোটা বাংলাদেশে এখন গ্যাস নেই। ওরা গ্যাসও খেয়ে ফেলেছে। আবার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। প্রত্যেকটি পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে নিয়েছে। জনগণের পকেট থেকে টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে। আর সেই টাকা তারা বিদেশে পাচার করছে।’

বক্তব্য শেষে যাত্রাবাড়ী থেকে জুরাইন রেলগেটের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পদযাত্রায় অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরতক উল্লাহ বুলু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব রকিফুল আলম মঞ্জু প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি
নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতা-কর্মীর জামিন
জিততে পারবে না জেনে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির টালবাহানা: হাছান
পদত্যাগ না করলে পালানোর পথ পাবেন না: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death Yatra or Awami Leagues Mourning Yatra Gayeshwar

মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর

মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর সমাবেশে বক্তব্য দেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি: নিউজবাংলা
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ভবিষ্যতে তো আপনাদের জন্য শোক মিছিল করার কেউ থাকবে না। সুতরাং এই শোক মিছিলের মধ্য দিয়েই এই অবৈধ সরকারকে পতন করব। এই মাফিয়া সরকারের হাত থেকে এই দেশকে জনগণের হাতে তুলে দেব।’

বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ‘মরণযাত্রা’ বলে যে মন্তব্য করেছেন, তার জবাবে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘মরণযাত্রা না। এই যাত্রা আপনাদের জন্য আগাম শোকযাত্রা।’

সোমবার দুপুরে যাত্রাবাড়ীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পদযাত্রা করার আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ কথা বলেন বিএনপি নেতা গয়েশ্বর। ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ ১০ দফা দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে এ পদযাত্রা হয়।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘এটা আমাদের কোনো মরণযাত্রা না। আপনারা মরলে জানাজা পড়ানোর লোক থাকে না। তাই আমরা আগাম আপনাদের জন্য শোক মিছিল করছি।

‘ভবিষ্যতে তো আপনাদের জন্য শোক মিছিল করার কেউ থাকবে না। সুতরাং এই শোক মিছিলের মধ্য দিয়েই এই অবৈধ সরকারকে পতন করব। এই মাফিয়া সরকারের হাত থেকে এই দেশকে জনগণের হাতে তুলে দেব।’

তিনি বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার সব ব্যাংক খালি করে দেশকে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়েছে। এদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়তে হবে। এই পদযাত্রার মাধ্যমেই রাজপথ দখল করা হবে এবং এই স্বৈরাচার সরকারকে পতন করা হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘দেশের জনগণের একটাই দাবি- নিরপেক্ষ নির্বাচন। এই মুদ্রা পাচারকারী শিশু হত্যাকারী সরকারকে এ দেশের জনগণ আর দেখতে চায় না। কিন্তু এ সরকার জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে।

‘দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাধারণ জনগণ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। এ আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ তাদের মালিকানা ফেরত পাবে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে পদযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি
নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতা-কর্মীর জামিন
জিততে পারবে না জেনে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির টালবাহানা: হাছান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League rally 14 times bigger than BNP in Rajshahi Hasan

রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান

রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের জনসভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপিও রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশ করেছিল জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কত গুণ বড় সমাবেশ হয়েছে, সেটা অনুমান করা কঠিন, তবে বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৪ গুণ বড় তো বটেই।’

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশের চেয়ে আওয়ামী লীগের জনসভা ১৪ গুণ বড় বলে দাবি করেছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন তিনি।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে রোববার জনসভা করে আওয়ামী লীগ, যাতে অংশ নেন দলটির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা অসাধারণ সভা হয়েছে। পুরো রাজশাহী শহরই জনসভাস্থলে পরিণত হয়েছিল। মাদ্রাসা মাঠের বাইরে কমপক্ষে আরও ১০ থেকে ১২ গুণ মানুষ ছিল।’

বিএনপিও রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশ করেছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কত গুণ বড় সমাবেশ হয়েছে, সেটা অনুমান করা কঠিন, তবে বিএনপির সমাবেশের চেয়ে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৪ গুণ বড় তো বটেই।

‘আকাশ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও সমাবেশটি দেখেছেন। এটি অভাবনীয়। আমাদের ধারণার বাইরে সমাবেশটি হয়েছে। পুরো শহরজুড়ে মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা, সমাবেশে যাওয়ার জন্য আগ্রহ আমি দেখেছি শুরু থেকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি, তার দলের প্রতি জনগণের যে সমর্থন রয়েছে, গতকালের জনসভা সেটিই প্রমাণ করে।’

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও মানুষকে ভোট ও ভাতের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম ও লড়াই করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে আমি সবিনয়ে অনুরোধ জানাব আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখানোর জন্য; নিজের দলের চেহারাটাও দেখার জন্য।

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচারে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করে কারা বন্ধ করেছিল? বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। সেখানে ন্যায়বিচার নয়, বিচারটাই বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।’

মন্ত্রী বলেন, “কারাগারের অভ্যন্তরে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়। সেই বিচারও বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। আর ভোটের অধিকার? জিয়াউর রহমানের সময় সাত্তার সাহেবের সময়, খালেদা জিয়ার সময়, এরশাদ সাহেবের সময় স্লোগান ছিল ‘১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা।’ এখন মানুষ সেই স্লোগান দেয় না। সেই সংস্কৃতি তারাই চালু করেছে।”

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন বিএনপিই করেছিল। তারা এক মাসের বেশি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি।

‘আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখলেই উনি উত্তরটা পেয়ে যাবেন। এ দেশে মানবাধিকারের লঙ্ঘন শুরু করেছেন জিয়াউর রহমান।’

আরও পড়ুন:
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী
কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল
পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী
৪০০ বাস-ট্রাকে রাজশাহী যাচ্ছেন নওগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
সারদায় পুলিশের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে