× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The brick kiln is still running without permission from the Department of Environment
google_news print-icon

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, তবুও চলছে ইটের ভাটা

পরিবেশ-অধিদপ্তরের-ছাড়পত্র-নেই-তবুও-চলছে-ইটের-ভাটা
খুলনা জেলা প্রশাসন থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ১৫৩টি ইটভাটার ৫৩টিতে ছাড়পত্র ছাড়াই ইট তৈরি করা হচ্ছে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না পাওয়া ভাটাগুলোকে আমরা জরিমানা করেছি। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা ছাত্রপত্র জোগাড় করবে। না পারলে ভাটা লোকালয় থেকে সরিয়ে নেবে।’

খুলনা জেলা প্রশাসন থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৯টি উপজেলায় ইটের ভাটা ১৫৩টি। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে মাত্র ১০০টি ইটের ভাটাকে। বাকি ৫৩টি ছাড়পত্র না পেয়েও ইট তৈরি করে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দাকোপ উপজেলায় একটি, বটিয়াঘাটায় চারটি, ফুলতলায় ১৩টি, দিঘলিয়ায় চারটি, রূপসায় ৬৮টি, তেরখাদায় ৭টি, কয়রায় তিনটি, ডুমুরিয়ায় ৪১টি ও পাইকগাছায় ১২টি ইটভাটা লাইসেন্সপ্রাপ্ত।

অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী খুলনায় বৈধ ইটভাটা রূপসায় ৬৩টি, ডুমুরিয়ায় ২০টি, বটিয়াঘাটায় পাঁচটি, তেরখাদায় ৯টি ও দিঘলিয়ায় তিনটি। বাকিগুলোর ছাড়পত্র নেই।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত পদ্ধতি এবং নির্ধারিত দরখাস্ত-ফি, দলিলাদি ও তথ্যাদি প্রদানসাপেক্ষে ইট প্রস্তুতকরণের লাইসেন্সের জন্য ইটভাটা যে জেলায় অবস্থিত সেই জেলার জেলা প্রশাসক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার কাছে দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীন ইস্যুকৃত পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতীত কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবেন না।’

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, তবুও চলছে ইটের ভাটা

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী আবাসিক, সংরক্ষিত বা বাণিজ্যিক এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, সরকারি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন বন, অভয়ারণ্য, বাগান বা জলাভূমি, কৃষিজমি, প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা, ডিগ্রেডেড এয়ার শেডে ইটের ভাটা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয় না। এ ছাড়া সরকারি বনাঞ্চলের সীমারেখা থেকে ২ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ও বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা অনুরূপ কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে কোনো ইট ভাটার ছাড়পত্র দেয়া হয় না।

খুলনার ফুলতলা উপজেলায় ইটের ভাটাগুলো লোকালয়ের ভেতরে হওয়ায় সেখানে কোনো ভাটাকে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়নি। তবে ওই ভাটার মালিকরা এসব আমলে না নিয়ে বছরের পর ধরে ভাটা পরিচালনা করছেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, তবুও চলছে ইটের ভাটা

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না পাওয়া ভাটাগুলোকে আমরা জরিমানা করেছি। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা ছাত্রপত্র জোগাড় করবেন। না পারলে ভাটা লোকালয় থেকে সরিয়ে নেবেন।’

অন্যদিকে নদীর জায়গা, কৃষিজমি বর্গা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে হওয়ায় ডুমুরিয়া উপজেলার ২১টি ইটের ভাটাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, তবুও চলছে ইটের ভাটা

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান বলেন, ‘নদীর জায়গা দখল করায় কয়েকটি ভাটার ছাড়পত্র নেই। আমি এখানে নতুন এসেছি। ইটের ভাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। সব কিছুর কাগজপত্র দেখে অভিযান চালাতে সময় লাগবে।’

একইভাবে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে ঘনবসতি এলাকায় রয়েছে কয়রার এবিএম নামের ভাটা। পাইকগাছায় কৃষি জমির মধ্যে এআরবি ব্রিকস, যমুনা ব্রিকস, এসকেবি ব্রিকসসহ ১২টি ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে, যাদের কোনো ছাড়পত্র নেই। এসব ভাটা থেকে নির্গত হচ্ছে পরিবেশগত দূষক, যা বায়ুমণ্ডলে মিশে স্বাস্থ্য, কৃষি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

খুলনা অঞ্চলের নদ-নদী ও পরিবেশ নিয়ে ২৫ বছর ধরে গবেষণা করছেন গৌরাঙ্গ নন্দী।

তিনি বলেন, ‘ইটভাটা থেকে দূষিত গ্যাস ও তাপ আশপাশের জলাভূমি, জীবজন্তু, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। অথচ নিয়ম না মেনে পরিবেশ ছাড়পত্র না নিয়ে যেখানে-সেখানে ইটভাটা গড়ে তোলা হয়েছে এবং হচ্ছে। কৃষিজমি নষ্ট, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এমন প্রক্রিয়ায় ইটভাটাগুলোয় ইট তৈরি বন্ধ করতে হবে। আইনের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত মাত্রায় কার্বন ও সালফার নিঃসরণ, বসতবাড়ি, কৃষিজমি, টিলাসংলগ্ন সমতলে ইটভাটা স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি মাটির ইটের বিকল্প হিসেবে যেসব উপকরণ ও পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, তার ব্যবহার বাড়াতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আইন মোতাবেক প্রতি তিন বছর পর পর জেলা প্রশাসন থেকে ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এ ছাড়া প্রতি বছর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়। যেগুলোকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় না, তাদের এক বছর সময় দেওয়া হয় ভাটা সরিয়ে নেওয়ার জন্য। এর বাইরে যেসব ভাটা ছাড়পত্র ছাড়া চলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মধুমতিতে মিলে প্রবাহ ফিরে পেতে যাচ্ছে পাঁচুড়িয়া খাল
১৫ হাজার কি.মি. হেঁটে যে বার্তা নিয়ে এলেন যুবক
ইটভাটা বন্ধ করতেই হবে: মেয়র আতিক
বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে চাই পরিবেশবান্ধব শিল্প
চেয়ারম্যানের ইটভাটায় সিসা কারখানা, বাড়ছে রোগব্যাধি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
359 shelters ready for rain in Bagerhat

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র

বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র বাগেরহাটে মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

নদী তীরবর্তী এ এলাকায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টিপাত, তবে সকাল থেকে আকাশ কখনো রোদ আবার কখনো মেঘাচ্ছন্ন ছিল।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে শনিবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে ‘রেমাল’

এদিকে নদীতে থাকা মাছ ধরার ট্রলারগুলো উপকূলের ছোট ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা। এরই মধ্যে রেমাল মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক খালিদ হোসেন বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় বাগেরহাটে ৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ও তিন হাজার ৫০৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ৬৪৩ টন চাল ও পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

‘জেলার ৯টি উপজেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিলের পাশাপাশি উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকায় গুলো নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’: ভারি বৃষ্টিতে চেন্নাইয়ে পাঁচজনের মৃত্যু
উত্তরপশ্চিমে সরেছে মিগজাউম, বন্দরে ২ নম্বর সংকেত
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ কোন বন্দর থেকে কত দূরে
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে কী জানা গেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What do the different signals on the port mean?

বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সতর্ক সংকেত নির্দেশক লাল পতাকা। ফাইল ছবি
যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রেই সমুদ্রবন্দরগুলোকে বিভিন্ন সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব সংকেতের কোনটির কী অর্থ, তা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রেই এমন সতর্ক সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব সংকেতের কোনটির কী অর্থ, তা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

সমুদ্রবন্দরের জন্য বিভিন্ন সংকেত

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত: জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে, যেখানে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার, যা সামুদ্রিক ঝড়ে পরিণত হতে পারে।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত: দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ছেড়ে যাওয়া জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত: বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার হতে পারে।

৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। ঘণ্টায় বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ৫১ থেকে ৬১ কিলোমিটার, তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

৫ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্ছাবহুল এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর ঝঞ্ছাবহুল সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নম্বর বিপদ সংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্ছাবহুল সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরের ওপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঝঞ্ছাবিক্ষুব্ধ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার ঊর্ধ্বে হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরের ওপর বা নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে।

১১ নম্বর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত: আবহাওয়া বিপদ সংকেত প্রদানকারী কেন্দ্রের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় কর্মকর্তা আবহাওয়াকে অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করছেন।

নদীবন্দরের জন্য সংকেত

১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত: বন্দর এলাকায় ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে পড়তে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শন করা হয়। এ সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।

২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকা নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড় (যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার) বা একটি কালবৈশাখী ঝড়ের (যার গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব) কবলে পড়তে পারে। নৌযান এ ঝড়ের যেকোনো একটিতে পড়তে পারে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যের নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৩ নম্বর নৌ বিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় দ্রুতই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব ধরনের নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে। ঝড়টি দ্রুতই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

আরও পড়ুন:
উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত
কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি
প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The deep depression moved northward to signal number three

উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত

উত্তর দিকে অগ্রসর হলো গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে তিন নম্বর সংকেত সাগরতীরে ঝোড়ো হাওয়া। ফাইল ছবি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এই এলাকায় (১৮.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (২৫ মে, ২০২৪) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।’

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি শনিবার আবহাওয়ার সাত নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এই এলাকায় (১৮.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (২৫ মে, ২০২৪) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।’

নিম্নচাপের প্রভাব নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বলা হয়, ‘গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।’

বন্দরে সতর্কতা সংকেত নিয়ে বলা হয়, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

‘উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হলো।’

আরও পড়ুন:
কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি
প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rickshaw pullers and day laborers will also stay in flats PM

রিকশাচালক দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী

রিকশাচালক দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বঙ্গবাজারে শনিবার সকালে ঢাদসিকের চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু বড়লোকেরাই ফ্ল্যাটে থাকবে সেটা হতে পারে না। আমাদের রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে। স্বল্প ভাড়া। কেউ যদি প্রতিদিন ভাড়া দিতে চায়, সেই ব্যবস্থা আছে। কেউ যদি সাত দিনের ভাড়া দিতে চায়, সে ব্যবস্থা আছে। কেউ মাসের ভাড়া দিতে চাইলে সে ব্যবস্থাও হবে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ পরিবার তুলেছি।’

ঢাকায় কাঁচা কোনো বস্তি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বলেছেন, রিকশাচালক ও দিনমজুররাও যাতে ফ্ল্যাটে থাকতে পারে, সে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

রাজধানীর বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতান, পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত আট সারির বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণি (ইনার সার্কুলার রিং রোড), ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর এবং শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবাজারে সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুইচ টিপে প্রকল্পগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে সরকারপ্রধান বলেন, ‘মানুষের কল্যাণের লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। বস্তিবাসীর জন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করে দিচ্ছি। যে বস্তিতে যে রকম ভাড়া, সে রকম ভাড়াই দেবে, কিন্তু তারা ফ্ল্যাটে থাকবে।

‘শুধু বড়লোকেরাই ফ্ল্যাটে থাকবে সেটা হতে পারে না। আমাদের রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে। স্বল্প ভাড়া। কেউ যদি প্রতিদিন ভাড়া দিতে চায়, সেই ব্যবস্থা আছে। কেউ যদি সাত দিনের ভাড়া দিতে চায়, সে ব্যবস্থা আছে। কেউ মাসের ভাড়া দিতে চাইলে সে ব্যবস্থাও হবে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ পরিবার তুলেছি।’

পরিবেশ রক্ষার গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের এক টুকরো জমি আছে, তারা একটা ফুলের গাছ, একটা ফলের গাছ হলেও লাগান। যাদের গ্রামের বাড়ি আছে, সেখানে যেন অনাবাদি জমি না থাকে, সেই দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। এতে আরও বক্তব্য দেন ঢাদসিকের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ ইব্‌রাহিম।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ লেখাপড়া করে কাজ পায় না। সেখানে আমরা স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিয়েছি। যারা কম্পিউটার শিখবে, ডিজিটাল সিস্টেম শিখবে, তারা ছাড়াও অন্য সকলে এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে। কোম্পানির আইন পরিবর্তন করে এক ব্যক্তি যাতে কোম্পানি খুলতে পারে সেই ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।

‘একটা কর্মসংস্থান ব্যাংক করেছি, যে ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে আমাদের তরুণরা অন্তত দুই লাখ টাকা নিতে পারে। এককভাবে বা কয়েকজনের মিলে যাতে বিভিন্ন ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন।’

পাস করে চাকরির সন্ধানে না ছোটার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নিজেই নিজের বস হবেন। নিজের চাকরি দেবেন, নিজে উদ্যোক্তা হবেন, নিজের চাকরি দিতে পারবেন। সেভাবে তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে। তার জন্য ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে।

‘সারা বাংলাদেশে আমরা কম্পিউটার ট্রেনিং এবং ইনকিউবেটর সেন্টার করে দিচ্ছি। স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করে দিচ্ছি। ট্রেনিংয়ের সাথে সাথে সব ধরনের সুযোগ আমরা করে দিচ্ছি। শুধু দেশে নয়, বিদেশে কাজ করতে গেলেও উপযুক্ত ট্রেনিং নিয়ে যাওয়া ভালো। দালাল ধরে টাকা খরচ করে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরার চেয়ে নিজের দেশে থেকে কাজ করা অনেক লাভবান। এ ব্যাপারে মানুষকে একটু উজ্জীবিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যুব সমাজকে লেখাপড়া করতে হবে। মাদক, নেশা, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। একটা মাদকাসক্ত সন্তান যদি থাকে তাহলে সেই পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। তোমরা বাবা-মাকে কষ্ট দাও কেন? নিজেকে কষ্ট দাও কেন?

‘যারা মাদক সেবন করে তারা পরবর্তীতে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে যায়। নিজেদের ঘর-সংসার হয় না, কিছু হয় না। জনগণকে একটা সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবাজারে ঢাদসিকের চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর
বঙ্গবাজার বিপণি বিতান ও সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন শনিবার
বিমান ঘাঁটির বিনিময়ে ক্ষমতায় ফেরার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী
এমপি আনারের নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Granddaughter Khilkhil reiterated her demand for a national holiday on Nazruls birthday

নজরুলের জন্মদিনে জাতীয় ছুটির দাবি পুনর্ব্যক্ত নাতনি খিলখিলের

নজরুলের জন্মদিনে জাতীয় ছুটির দাবি পুনর্ব্যক্ত নাতনি খিলখিলের ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে শনিবার সকালে কাজী নজরুল ইসলামের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কবির নাতনি খিলখিল কাজী। ছবি: নিউজবাংলা
কাজী নজরুলের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি জাতীয়ভাবে গাওয়ার দাবি জানিয়ে খিলখিল কাজী বলেন, ‘আমাদের উচিত যেকোনো জাতীয় প্রোগ্রামে কবির এই গানটি গাওয়া। কারণ এই গানটি দেশের মুক্তির চেয়ে মানুষের মুক্তির কথা বেশি বলেছেন।’

কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন কবির নাতনি খিলখিল কাজী।

নজরুলের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে থাকা কবির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এ দাবির কথা জানান তিনি।

খিলখিল বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমরা কবির জন্মদিনকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করার আবেদন জানিয়ে এসেছি, তবে এখনও সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। কেন করা হচ্ছে না সেটি আমি জানি না।’

কোনো সরকারি দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, না। আমরা কোনো লিখিত আবেদন করিনি, শুধু প্রতি বছর আপনাদের সামনে এসেই বলেছি।’

খিলখিল কাজী বলেন, ‘কবির রচনাবলি আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই রচনাবলিকে অনুবাদ করে বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এটি সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো ভাবেই করা যেতে পারে।’

কাজী নজরুলের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি জাতীয়ভাবে গাওয়ার দাবি জানিয়ে খিলখিল কাজী বলেন, ‘আমাদের উচিত যেকোনো জাতীয় প্রোগ্রামে কবির এই গানটি গাওয়া। কারণ এই গানটি দেশের মুক্তির চেয়ে মানুষের মুক্তির কথা বেশি বলেছেন।

‘গানটি আমাদের আলোকিত পথে এগিয়ে যাওয়ার দিক নির্দেশনা দেয়। এই গানটি আমাদের মুক্তি এবং এগিয়ে যাওয়ার কথা বলে। গানটি কবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা।’

আরও পড়ুন:
সংকটে প্রেরণা নজরুল: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister lays the foundation stone of four projects of DHADSIK in Bangabazar

বঙ্গবাজারে ঢাদসিকের চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গবাজারে ঢাদসিকের চার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীর বঙ্গবাজারে শনিবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুইচ টিপে প্রকল্পগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ইয়াসিন কবির জয়/ফোকাস বাংলা
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়া প্রকল্পগুলো হলো বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতান, পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত আট সারির বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণি (ইনার সার্কুলার রিং রোড), ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর এবং শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর বঙ্গবাজারে শনিবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুইচ টিপে প্রকল্পগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

প্রকল্পগুলো হলো বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতান, পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত আট সারির বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণি (ইনার সার্কুলার রিং রোড), ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর এবং শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান।

উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা ১০ তলা বিশিষ্ট বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতানে পাঁচটি সাধারণ সিঁড়ি ও ছয়টি অগ্নি প্রস্থান সিঁড়িসহ পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিপণি বিতানের প্রতিটি ব্লকের জন্য আলাদা বাহির ও প্রবেশদ্বার থাকবে।

ভবনে বৈদ্যুতিক যান্ত্রিক কক্ষ এবং প্রতিটি ব্লকের প্রতি তলায় চারটি করে শৌচাগার থাকবে। এ ছাড়া ভবনের ভূমিতলে ১৬৯টি গাড়ি ও ১০৯টি মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে।

পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের আট সারির বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মণি সরণির নির্মাণকাজেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

৯৭৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের আওতায় ১০ কিলোমিটার নর্দমা (ড্রেন), ১০ কিলোমিটার পথচারী হাঁটার পথ (ফুটপাত), তিনটি উড়াল সেতু (ভেহিক্যাল ওভারপাস), তিনটি পথচারী পারাপার সেতু (ওভারব্রিজ), দুই কিলোমিটার সংরক্ষণকারী দেয়াল (রিটেইনিং ওয়াল), তিনটি মসজিদ, ছয়টি যানবাহন বিরতির স্থান (বাস-বে) ও ছয়টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এতে ঢাকা শহরের ভেতরে বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি বহুলাংশে যানজট নিরসন হবে।

নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি হ্রদে নজরুল সরোবর নির্মাণ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি। শনিবার এ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে ‘নজরুল সরোবর’ নামের উন্মুক্ত বিনোদন মঞ্চে একটি ঘাটলা, উন্মুক্ত মিলনায়তন, পথচারীদের হাঁটার পথ, গণপরিসর, রেস্তোরাঁ, বসার স্থান (বেঞ্চ), দৃষ্টিনন্দন বাতি, পর্যাপ্ত সবুজায়ন ও শব্দযন্ত্র (সাউন্ড সিস্টেম) স্থাপনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও নজরুল ইসলামের স্মৃতিময় মুহূর্ত ও সাহিত্যকর্ম সংবলিত ফলক স্থাপন করা হবে।

শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের আধুনিকীকরণ কাজেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (শাহবাগে জিয়া শিশু পার্কের নতুন নাম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যান করা হয়েছে)। প্রায় ৬০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এ শিশু উদ্যানের আধুনিকায়নের কাজ করা হবে।

১৯৭৯ সালে স্থাপিত এ পার্কে আগে ১১টি রাইড ছিল। আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেখানে মেগা ডিস্ক, সুপার এয়ার রেস, ফ্লাইং ক্যারোস্যাল, গ্যালিয়ন, ১২ডি থিয়েটার, মাইন কোস্টার, ক্লাইম্বিং কার, সুপার হ্যাপি সুইং, ওয়াটার ম্যানিয়াসহ অত্যাধুনিক ১৫ ধরনের রাইড বসানো হবে।

আরও পড়ুন:
ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে এলাকা ভাগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
বঙ্গবন্ধুর নামে ‘শান্তি পদক’ দেবে সরকার
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বঙ্গবাজার বিপণি বিতান নির্মাণ কাজ উদ্বোধন ২৫ মে
পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The deep depression is at a distance of less than 500 km from Coxs Bazar Payra port

কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি

কক্সবাজার, পায়রা বন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে গভীর নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপটি দেশের সমুদ্রবন্দরের আরও কাছে এসেছে। ছবি: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।’

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি কোন সমুদ্রবন্দর থেকে কত দূরে অবস্থান করছে, তা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি শনিবার আবহাওয়ার ছয় নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (১৭.৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৭ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (২৫ মে, ২০২৪) সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।’

গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।’

বন্দরে সতর্কতামূলক সংকেত নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হলো।’

আরও পড়ুন:
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, হতে পারে ঘনীভূত
বৃষ্টি হতে পারে
দুই বিভাগ ও চার জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ

মন্তব্য

p
উপরে