× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
People under Awami League Hasan Mahmud
hear-news
player
google_news print-icon

আওয়ামী লীগের ভিত জনগণ: হাছান মাহমুদ

আওয়ামী-লীগের-ভিত-জনগণ-হাছান-মাহমুদ
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আওয়ামী লীগের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রাষ্ট্রদূতদের আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বক্তব্য রাখার সময় অবশ্যই কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলা উচিত। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাষ্ট্রদুতকে তা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও বিএনপিসহ তাদের দোসররা তাদের কাছে গিয়ে ধর্না দেয়।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভিত হচ্ছে জনগণ। আমরা জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করেছি পরপর তিনবার। কোনো বিদেশি শক্তি আমাদের ক্ষমতায় বসায়নি। কোনো বিদেশি শক্তি বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনও করতে পারেনা। বিএনপি বিদেশিদের পদলেহন করে বলে তাদের মন্তব্য নিয়ে বিএনপির এত মাথাব্যথা।

৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শুক্রবার সন্ধ্যায় দলের এক আয়োজনে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী। এ সময় বিদেশিদের বিভিন্ন বক্তব্য বর্তমান সরকারের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এমন বক্তব্যের জেরে ড. হাছান মাহমুদ একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি বিভিন্ন দূতাবাসে রাত-বিরাতে ধর্ণা দেয়। তারা যতনা জনগণের কাছে যাচ্ছে, তার বেশি রাতের বেলা দূতাবাসে ধর্না দেয়। ধর্না দিয়ে তাদের হাতে পায়ে ধরে। তাদের বলে আপনারা কিছু বলুন। সে কারণে কেউ কেউ কোনো কোনো সময় বক্তব্য দেন। এই মন্তব্য করার জন্য বিএনপিই তাদের উৎসাহিত করে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘রাষ্ট্রদূতদের আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বক্তব্য রাখার সময় অবশ্যই কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলা উচিত। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাষ্ট্রদুতকে তা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও বিএনপিসহ তাদের দোসররা তাদের কাছে গিয়ে ধর্না দেয়।’

‘কোন বিদেশি কি বলল তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। যারা বিদেশি শক্তির পদলেহন করে, তারা এরকম বক্তব্য রাখতে পারে। আমির খসরু সাহেবরা বিদেশিদের পদলেহন করে, সেজন্য বিদেশিরা কি বলল, না বলল সেটা নিয়ে তাদের এত মাথাব্যথা।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সারাদেশে নানা সমাবেশ করছে। এই সমাবেশ করতে গিয়ে তারা চাঁদাবাজি করছে। চট্টগ্রামের সমাবেশের জন্য তারা ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছে। চট্টগ্রামের বহু ব্যবসায়ী আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। বলেছে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিএনপি চাঁদা আদায় করেছে।’

শনিবার কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের জনসভা প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা সাক্কু বলেছেন তার পরিবারের ৭৬টি ফ্ল্যাট নেতাকর্মীদের থাকার জন্য দিয়েছেন। প্রথমত ৭৬টি ফ্ল্যাট কীভাবে আসল সেটা একটা বড় প্রশ্ন। বিভিন্ন জায়গা থেকে নেতাকর্মীদের এনে সেখানে তারা পিকনিকের আয়োজন করছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন শুক্রবার যশোরে আওয়ামী লীগের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। স্টেডিয়াম ছাড়িয়ে জনসভা বহুদুর পর্যন্ত ছিল। চট্টগ্রামের জনসভাও পলোগ্রাউন্ড ছাড়িয়ে বহু বিস্তৃত হবে। পলোগ্রান্ডে যত মানুষ হবে তারচে বহুগুণ বেশি মানুষ হবে পলোগ্রাউন্ডের বাইরে। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ ঘটবে।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন এমপি।

সমন্বয় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহফুজুর রহমান মিতা, দিদারুল আলম, খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, দক্ষিণ জেলার সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান।

আরও পড়ুন:
আগের রাতে পিকনিক আমেজ কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে
কুমিল্লার সমাবেশস্থলে ‘ভাইয়ের নামে’ স্লোগান
ধর্মঘটের আশঙ্কায় নেতাকর্মীরা সমাবেশে আসছেন ট্রেনে
মিছিলে সামনে থাকা নিয়ে বিএনপি কর্মীর মধ্যে হাতাহাতি
আবার ভোট দিন, যা চাইবেন তার বেশি দেব: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Mujibnagar University is located in Meherpur

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মেহেরপুরে হচ্ছে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় ফাইল ছবি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে মেহেরপুর জেলা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ লক্ষ্যে একটি বিল পাস হয়েছে।

অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলের ওপর আনীত সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

১০ জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ-১৯৭৩ এর বিধানাবঈ পরিপালন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য।

আচার্য নির্ধারিত শর্তে স্বনামধন্য একজন শিক্ষাবিদকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ দেবেন। কোনো ব্যক্তি একাদিক্রমে বা অন্য কোনোভাবে উপাচার্য হিসেবে দুই মেয়াদের বেশি নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না। আচার্য যেকোনো সময় উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মচারী, সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো পদে নির্বাচিত হতে প্রার্থী হতে চাইলে ওই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে ইস্তফা দেবেন।

বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনে আচার্যের অনুমোদন নিয়ে ‘বিজনেস ইনকিউবেটর’ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। বিজনেস ইনকিউবেটর হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত কোনো বিজনেস ইনকিউবেটর, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সব সহযোগিতা দেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থী কর্তৃক কোনো উদ্ভাবন, মেধাস্বত্ব, আবিষ্কার বা প্রক্রিয়া, বাজারজাত এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সহযোগিতা প্রদান।

আরও পড়ুন:
সবার জন্য পেনশন, সংসদে বিল পাস
সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা
দেশে শনাক্ত এইচআইভি রোগী ৯৭০৮
পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসে ১০ বছরের কারাদণ্ড
বিদেশে বাড়ি-গাড়ির খবরের সত্যতা জানতে চান চুন্নু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Seeing the development BNP is suffering from internal combustion Kader

উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে: কাদের

উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই জনপদে দুইজন মানুষ কোনোদিন অস্তিত্ব হারাবেন না। একজন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমাদের স্বাধীনতার জন্য। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবেন।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের একের পর এক উন্নয়ন কাজ দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে। কত যে জ্বালা! পদ্মা সেতুর জ্বালা, মেট্রোরেলের জ্বালা, বঙ্গবন্ধু ট্যানেলের জ্বালা, উড়াল সেতুর জ্বালা, ১০০ সেতুর জ্বালা, ১০০ সড়কের জ্বালা। এই জ্বালায় তারা মরে যাচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল ৪ নম্বর সেক্টরে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-১ নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আছে রূপপুর, মাতারবাড়ি, পায়রা, রামপাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সমুদ্র বিজয়, সীমান্ত বিজয়। এসবই শেখ হাসিনার উন্নয়নের অর্জন। এই অর্জন বিএনপি সইতে পারছে না।’

আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর সরকার পতন, তারেক রহমানের আগমন সবই ভুয়া। বিএনপির আন্দোলন ও সরকার পতন সবই ভুয়া। ‘বিএনপি শুরু করেছে বিক্ষোভ দিয়ে, এখন করছে নীরব পদযাত্রা। পথ হারিয়ে বিএনপি এখন পদযাত্রায়।

‘আপনাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। কাজেই আপনারা প্রস্তুত থাকুন, সামনে খেলা হবে, ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা। ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও অস্ত্র পাচারের বিরুদ্ধে খেলা হবে?’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এই জনপদে দুইজন মানুষ কোনোদিন অস্তিত্ব হারাবেন না। একজন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমাদের স্বাধীনতার জন্য। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবেন।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে: কাদের
নীরব পদযাত্রায় সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া: কাদের
পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে: কাদের
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Not more than 5 percent of the votes were cast in the by election Fakhrul

উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল

উপনির্বাচনে ৫ ভাগের বেশি ভোট পড়েনি: ফখরুল বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। পত্র-পত্রিকায় ছাপা হওয়া ছবিগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন বুধবার একেবারে ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হয়েছে। গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করে ফেলেছে।’

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েনি বলে দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে বিএনপি মহাসচিব এমনটা দাবি করেন। ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবারের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এই যৌথসভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। বুধবারের তথাকথিত উপনির্বাচনে ভোট প্রদানের হার তাদের হিসাব অনুযায়ী ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। তবে আমাদের হিসাবমতে এটা ৫ শতাংশের বেশি না।

‘পত্র-পত্রিকায় ছাপা হওয়া ছবিগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন একেবারে ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হয়েছে। গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করে ফেলেছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা যখনই কর্মসূচি দিচ্ছি, একই সময়ে তারা পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে। তারা যে ভাষা ব্যবহার করছে সেটা সম্পূর্ণভাবে সন্ত্রাস করছে। একদিকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পুলিশের সন্ত্রাস। এর মাধ্যমে তারা আন্দোলন দমন করতে চায়। এর প্রতিবাদে ৪ ফেব্রুয়ারি সমাবেশ করবে বিএনপি।’

২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুল চিঠি দিয়েছিলেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা তো বহু লোককে চিঠি দিয়েছি, বহু দেশকে চিঠি দিয়েছি। অবশ্যই দিয়েছি। এটা তো অস্বীকার করিনি।

‘দেশে চলমান শাসন ব্যবস্থা, দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস, মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, দুর্নীতি-লুটপাট, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গুম-খুন, প্রতি মুহূর্তে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে সরকার। এগুলা আমরা সারা পৃথিবীকে জানিয়েছি।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম এ জাহিদ হোসেন, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মীর সরাফত আলী সপু, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি
কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP meeting about Gano Forum and Peoples Party

গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক

গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বিএনপির বৈঠক গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার গণফোরাম ও পিপলস পার্টিকে নিয়ে বৈঠক করে বিএনপি। ছবি: নিউজবাংলা
বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে জনগণকে বাঁচাতে ১০ দফার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন বেগবান করব। নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য।’

গণফোরামের একাংশ এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এবং যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টুর নেতৃত্বে দলটির পক্ষে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়ীদ, অ্যাডভোকেট এ.কে.এম. জগলুল হায়দার আফ্রিক, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আবদুল কাদের ও সভাপতি পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সরকার।

পিপলস পার্টি থেকে বৈঠকে অংশ নেন পার্টির চেয়ারম্যান বাবুল সর্দার চাখারী, মহাসচিব আবদুল কাদের, কো-চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রণো ও প্রেসিডিয়াম সদস্য বিলকিস খন্দকার।

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে রাষ্ট্রের জনগণকে বাঁচাতে ১০ দফার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন বেগবান করব। নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
খুলনায় সমাবেশ নিয়ে অনুমতির অপেক্ষায় বিএনপি
কে পালায় তা সবাই জানে: মির্জা ফখরুল
মরণযাত্রা না, আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা: গয়েশ্বর
আন্দোলনের পরবর্তী সময় ও স্থান জানাল বিএনপি
নাশকতার মামলায় বিএনপির ৪২ নেতা-কর্মীর জামিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Votes in Bogra and Brahmanbaria are less because of BNP

বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম বিএনপির কারণে: ইসি

বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম বিএনপির কারণে: ইসি নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার অনুষ্ঠিত ৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে কম ভোট পড়ার কারণ হিসেবে নির্বাচন কমিশন তিনটি কারণের উল্লেখ করেছে। তার মধ্যে বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় ভোট কম কাস্ট হয়েছে।

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে কম ভোট পড়ার সুনির্দিষ্ট তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বলেছে, ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি ভালো। তবে বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় বগুড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কম কাস্ট হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। কমিশনের দাবি, ভোট শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

কমিশনার রাশেদা বলেন, ‘বগুড়া মূলত বিএনপির ঘাঁটি। আর সেই দল ভোটে আসেনি। আর উপনির্বাচনে এমনিতেই ভোট একটু কম কাস্ট হয়। আবার এই ভোটে সংসদ সদস্যদের বাকি মেয়াদকাল কম হওয়ায় ভোটার আগ্রহ পায়নি।’

বুধবার ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ ও ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ৩ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উপনির্বাচনের ভোট হয়। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এদিকে অনিয়মের কারণে দু’বার উপনির্বাচন হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনে যে ভোট পড়েছে তার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম ভোট পড়েছে এই ৬ আসনের নির্বাচনে।

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৩৮ শতাংশ। আর এই ৬ আসনে গড়ে ভোট পড়েছে ২৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। তবে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সময়কালে ফরিদপুরে-২ আসনে ভোট পড়োছিল ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

তবে এই কমিশনের করা কোনো সংসদীয় আসনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে, মাত্র ১৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এছাড়া বগুড়া-৪ আসনে ২৩ দশমিক ৯২, বগুড়া-৬ আসনে ২২ দশমিক ৩৪, চাঁপানবাবগঞ্জ-২ আসনে ৩৪ দশমিক ৭৯ এবং চাঁপানবাবগঞ্জ-৩ আসনে ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে ইসির কোনো পর্যবেক্ষণ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোটার উপস্থিতি ভাল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বগুড়ায় একটু কম।’

এই কমিশনার বলেন, ‘বগুড়া বিএনপির দুর্গ। এটা সবাই জানেন। ওখানে বেশিরভাগ ভোটার বিএনপির। বিএনপি নির্বাচনে আসেনি। সঙ্গত কারণেই ওখানে বিএনপির ভোটাররা কেন্দ্রে যাননি। এ কারণে ওখানে কম ভোট কাস্ট হয়েছে।

‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও একই ব্যাপার। বিএনপি এখানেও ভোটে আসেনি। একটি বড় দল, ওখানেও তাদের সমর্থন আছে। সেই সমর্থকরা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেননি।’

ভোট কাস্টিং কম হওয়ার আরেকটি কারণ তুলে তিনি বলেন, ‘এই সংসদ সদস্যদের মেয়াদকাল খুব কম, আট মাস বা নয় মাস। এই অল্প সময়ের জন্য আসলে ভোটাররা আগ্রহ বোধ করেন না।’ তবে সার্বিকভাবে ভোটের এই উপস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন সন্তুষ্ট বলে মনে করেন এই কমিশনার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ইলেকশন ম্যাকানিজম হিসেবে দেখছেন এই কমিশনার। তিনি বলেন, ‘যারা ম্যাকানিজম করে তারা তো আর আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে তা করে না। এটি আসলে কৌশল।’

জাতীয় নির্বাচনে যদি একই কৌশল হয় তখন ইসির ভূমিকা কী হবে- এমন প্রশ্নে ইসি রাশেদা বলেন, ‘কৌশল দেখা ইলেকশন কমিশনের কাজ না। ৩৯টি দলের কে কী ম্যাকানিজম করছে এটা কমিশনের পক্ষে খুঁজে বের করা সম্ভবও না। এটা যার যার রাজনৈতিক কৌশল।’

সিসিটিভি ক্যামের না থাকায় ভোট পর্যবেক্ষণে সমস্যা হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘সরাসরি আর মাধ্যম হয়ে আসা- এ দুটি ক্ষেত্রে পার্থক্য তো থাকবেই। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে অবশ্যই ভালো হয়। এটা আমরা চোখ দিয়ে দেখতে পারছি।

‘সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে নির্বাচন আরও স্বচ্ছ হতো। আর তা যদি না-ই হতো তাহলে সব মহল থেকে আমাদের কেন জানানো হলো যে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করেন? আমি মনে করি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে আরও বেশি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারব কমিশন। আর তা বলতেও দ্বিধা নেই।’

আরও পড়ুন:
দোকানে এসে শোনেন আজ ভোট
ইভিএমে ত্রুটি, দুইবারে ভোট
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট আজ
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
CEC directed to look into Hero Alams poll results

হিরো আলমের ভোটের ফল খতিয়ে দেখার নির্দেশ সিইসির

হিরো আলমের ভোটের ফল খতিয়ে দেখার নির্দেশ সিইসির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে ১০ কেন্দ্রে ফলাফল পাল্টানোর অভিযোগ তুলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। গণমাধ্যমে এটি দেখার পর সিইসি ফোন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।

বগুড়া-৪ আসনে উপনির্বাচনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমের ভোটের ফলাফল খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

হিরো আলমের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহমুদ হাসানকে বৃহস্পতিবার টেলিফোনে এ নির্দেশ দেন সিইসি।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে ১০ কেন্দ্রে ফলাফল পাল্টানোর অভিযোগ তুলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। গণমাধ্যমে এটি দেখার পর সিইসি ফোন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।

বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলার মোট ১১২টি কেন্দ্রে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৭৮ হাজার ৫২৪টি। এর মধ্যে ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (মশাল)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আশরাফুল হোসেন (একতারা) পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট।

এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘নন্দীগ্রাম উপজেলার ৩৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০টির ভোট না গণনা করেই ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। এই কেন্দ্রগুলো কতোগুলো ভোট পেলাম তা জানানো হলো না আমাকে। ’

জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান বলেন, ‘হিরো আলমের ভোটের ফলাফল নিয়ে সিইসি ফোন দিয়েছেন। তিনি ফলাফল খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন। এ জন্য আমরা বগুড়া-৪ আসনের সব কেন্দ্রের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইভিএম মেশিনে পড়া ভোটের হিসাব সঠিক আছে। আমরা হিরো আলমকেও কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের কপি দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
একতারা নিয়ে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম
হাইকোর্টে এসে এমপি নির্বাচনের সুযোগ ফিরল হিরো আলমের
বগুড়ায় ২ প্রার্থীর ম‌নোনয়ন বৈধ, হাইকোর্টে যাচ্ছেন হিরো আলম
ইসি ফেরালে হাইকোর্টে যাবেন হিরো আলম
চার বছরের ব্যবধানে ‘কোটিপতি’ হিরো আলম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leader Abu Asif of Brahmanbaria has been found

পাওয়া গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিখোঁজ প্রার্থী আসিফকে

পাওয়া গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিখোঁজ প্রার্থী আসিফকে আবু আসিফ আহমেদ
এসপি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আসার পর সরাসরি তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে বুঝতে পারবো আসল ঘটনা কি হয়েছিল; তিনি কোথায় গিয়েছিলেন এবং কেন গিয়েছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক বিএনপি নেতা আবু আসিফ আহমেদের খোঁজ মিলেছে।

নানা ঘটনার পর ওই আসনের ভোটে বিএনপির দলছুট নেতা আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার জয়ী হওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে তার খোঁজ মেলার তথ্য দেয়া হয়েছে।

ছয় দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আবু আসিফ। ঘটনা তদন্তে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে একটি কমিটিও গঠন করেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন আসিফের খোঁজ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান,আবু আসিফ আহমেদ নিখোঁজ থাকার বিষয়ে তার স্ত্রী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আসিফের সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, জিডি তদন্তের ক্ষেত্রে আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তিনি ঢাকায় আছেন। এখন তিনি বসুন্ধরার বাসায় আছেন, শিগগিরিই ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আসবেন।

এসপি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আসার পর সরাসরি তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে বুঝতে পারবো আসল ঘটনা কি হয়েছিল; তিনি কোথায় গিয়েছিলেন এবং কেন গিয়েছিলেন।

বুধবারের নির্বাচন সামনে রেখে গত শুক্রবার রাত থেকে আসিফের খোঁজ মিলছিল না। এমন পরিস্থিতিতে আবু আসিফের স্ত্রী ও বাসার কেয়ারটেকারের মধ্যকার একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তৈরি হয় নতুন প্রশ্ন-তাহলে কি ভোটের আগে এই স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে যান?

ওই ফোনালাপে উঠে আসে আসিফ নিখোঁজ হওয়ার আগের ঘটনা। স্বেচ্ছায় আত্মগোপনের জন্য জিনিসপত্র গুছিয়ে দেয়া ও সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখার কৌশলের বিষয়ও রয়েছে ওই টেলি কথোপকথনে।

আবু আসিফ আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও এই আসন থেকে পাঁচবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য উকিল আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হন আসিফ। তার প্রতীক ছিল মোটরগাড়ি।

নির্বাচনে সাত্তারকে জেতাতে আওয়ামী লীগের তৎপরতার অভিযোগ করেন অনেকেই। এ অবস্থাতেই আসিফের স্ত্রী মেহেরুননিছা মেহরীন নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘প্রতিনিয়ত আমাদের হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। বাড়িতে পুলিশ এসে অযথা তল্লাশি করে হয়রানি করছে। বাড়ির সামনেও কিছু পুলিশ আসা-যাওয়া করছে। এতে আমি অনেকটাই আতঙ্কিত!’

গত ১১ ডিসেম্বর উকিল আব্দুস সাত্তার বিএনপির অন্য সংসদ সদস্যদের সঙ্গে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। এতে আসনটি শূন্য হয়। পরে আসনটিতে উপনির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। ভোটে আসনটি থেকে আওয়ামী লীগের কোনো দলীয় কোনো প্রার্থী ছিল না।

মন্তব্য

p
উপরে