× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The strike called in protest against taking the bus to the police station has been called off
hear-news
player
google_news print-icon

বাস থানায় নেয়ার প্রতিবাদে ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার

বাস-থানায়-নেয়ার-প্রতিবাদে-ডাকা-ধর্মঘট-প্রত্যাহার
পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুজাউল কবির বলেন, ‘জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। এটির একটি সুন্দর সমাধান হয়েছে। আমরা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের কর্মসূচি প্রত্যাহার ঘোষণা করছি।’

সড়কে রাখা তিনটি বাস থানায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে ডাকা পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) জাহাঙ্গীর হোসেন এবং পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ এহসান শাহ্-এর সঙ্গে পরিবহন শ্রমিক নেতাদের সভা শেষে আসে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা।

পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সুজাউল কবির বলেন, ‘জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। এটির একটি সুন্দর সমাধান হয়েছে। আমরা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের কর্মসূচি প্রত্যাহার ঘোষণা করছি।’

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিপন কুমার মদক সন্ধ্যায় জানান, যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

জেলার ওয়েজখালী এলাকার সড়ক থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে শ্যামলী, মামুন ও সাকিল পরিবহনের তিনটি বাস জব্দ করে পুলিশ।

এ ঘটনায় চালক-শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন বৃহস্পতিবার রাতেই। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে যায় বাস চলাচল।

বাস থানায় নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান শাহ্ বলেন, ‘সড়কের ওপরে বাস রাখলে জনগণের ভোগান্তি হয়। প্রতি আইনশৃঙ্খলা সভাসহ বিভিন্ন সভায় এ বিষয়টি বারবারই আলোচনা হয়।

‘তাই ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনটি বাস পুলিশ লাইনসে এনে রাখা হয়েছে। এটিকে ইস্যু করে ধর্মঘট ডেকে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলা যুক্তিযুক্ত হবে না।’

আরও পড়ুন:
থানায় বাস, প্রতিবাদে পরিবহন ধর্মঘট সুনামগঞ্জে
হবিগঞ্জে চলছে বাস ধর্মঘট, চার দিনে ক্ষতি ৫ কোটি
পরিবহনসহ অত্যাবশ্যকীয় সেবায় ধর্মঘট ডাকলে সাজা
সিলেটে চলছে পরিবহন ধমর্ঘট
জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটিতে ধর্মঘট ডাকলে সাজা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Indebtedness Farmers expressed their anger before the inquiry committee

ঋণখেলাপ: তদন্ত কমিটির সামনে ক্ষোভ ঝাড়লেন কৃষকরা

ঋণখেলাপ: তদন্ত কমিটির সামনে ক্ষোভ ঝাড়লেন কৃষকরা কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঋণের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে তদন্ত কমিটি। ছবি: নিউজবাংলা
ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ না করায় ২০২১ সালে ৩৭ জন কৃষকের নামে ব্যাংক মামলা করে। সম্প্রতি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত ২৫ নভেম্বর ১২ জন কৃষককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। বিষয়টি নিউজবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

বকেয়া ঋণ কারও ছিল ৪০০ টাকা, কারও ৯০০ টাকা। কেউ আবার পুরো টাকাই সুদসহ পরিশোধ করেছেন। তারপরও ঋণখেলাপের দায়ে জেল খাটতে হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীর ভাড়ইমারী গ্রামের কৃষকদের।

সোমবার ভাড়ইমারী গ্রামে অভিযুক্ত কৃষকদের বাড়ি বাড়ি অনুসন্ধানে গিয়ে এসব বিষয় জানতে পেরেছেন তদন্ত কমিটির তিন সদস্য। কয়েক কৃষক তাদের সামনে ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভাড়ইমারী উত্তরপাড়া সবজি চাষি সমবায় সমিতির সভাপতি বিলকিস নাহারের বাড়িতে যান তদন্ত দলের সদস্যরা।

বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের ডিজিএম (পরিদর্শন) আহসানুল গণির নেতৃত্বে এ কমিটিতে রয়েছেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপক (পরিদর্শন ও আইন) আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রকল্প ঋণ) আমিনুল ইসলাম রাজীব।

এ সময় উপস্থিত কৃষক আব্দুস সামাদ, মজনু প্রামানিক ও আতিয়ার রহমানের সঙ্গে তদন্ত দলের সদস্যরা কথা বলেন। পরে তারা ঋণখেলাপে অভিযুক্ত কৃষকদের বাড়িতে যান।

এ সময় কৃষকদের কাছে তারা জানতে চান- ঋণের টাকা তারা কেন পরিশোধ করেননি, ঋণের কিস্তি পরিশোধের রশিদ আছে কি-না এবং কার কাছে তারা কিস্তির টাকা জমা দিয়েছেন।

এ ছাড়াও মামলার আগে ব্যাংক তাদের ঋণ পরিশোধের কোনো নোটিশ দিয়েছিল কি-না।

তদন্ত দলের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ঋণের দায়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া ৩৭ কৃষকের মধ্যে আতিয়ার রহমান ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সুদসহ ৪৯ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। তার বকেয়া রয়েছে মাত্র ৪৩৩ টাকা। এরপরও তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

মোছা. রহিমা বেগম নামে এক নারী কৃষক ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। তার বকেয়া রয়েছে ৯০০ টাকা।

মজনু প্রামাণিক নামে অপর একজন ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করেছেন ৫৫ হাজার টাকা।

তদন্ত দল কৃষকদের কাছে ঋণ পরিশোধের তথ্য জানতে চাইলে কৃষকেরা তেমন কোনো রশিদ দেখাতে পারেননি। তবে তারা মুখে মুখে পরিশোধের হিসাব ও তারিখ জানান। সেসব তথ্য ব্যাংকের স্টেটমেন্টের সঙ্গেও মিলে যায়।

এ সময় কয়েকজন নিজেদের সামান্য বকেয়ার কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা তদন্ত দলের কাছে প্রশ্ন তোলেন- টাকা পরিশোধ করেও কেন জেল খাটতে হলো?

কৃষকদের এমন প্রশ্নে তদন্ত দলের সদস্যরা চুপ হয়ে যান।

গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের শিকার কৃষক আব্দুস সামাদ বলেন, ‘সব টাকা পরিশোধ করেছি। তারপরও কেন আমাকে তিন দিন কারাগারে থাকতে হলো। এ দায়ভার ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। আমাদের হয়রানি করা হয়েছে।’

কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘চল্লিশ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সুদসহ সমুদয় টাকা পরিশোধ করেছি। এরপরও কারাগারে যেতে হয়েছে। এজন্য ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়ী। যদি ঋণ পরিশোধ না করে থাকি, তবে কেন আমাদের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়নি। উকিল নোটিশ পাঠালেই জানতে পারতাম ঋণ পরিশোধ হয়নি। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা না করে সরাসরি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এবং পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না।’

ভাড়ইমারী উত্তরপাড়া সবজি চাষি সমবায় সমিতির সভাপতি বিলকিস নাহার বলেন, ‘ব্যাংকের মাঠকর্মীরা এসে কৃষকের কাছ থেকে কিস্তি নিয়েছেন। কিস্তির টাকা তারা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন কি-না জানি না। ব্যাংক আমার বিরুদ্ধেও চেক জালিয়াতির একটি মামলা করেছে। আমি সেই মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছি।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মহির মণ্ডল জানান, এলাকার ৩৭ জন কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বিষয়ে কোনো কৃষকই আগে জানতেন না। ঋণ পরিশোধের জন্য তাদের কোনো নোটিশও দেয়া হয়নি। তদন্ত কমিটির সদস্যরাও কৃষকদের বিরুদ্ধে মামলার আগে নোটিশ দেয়া হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

তদন্তকে লোক দেখানো বলেও মন্তব্য করেন মহির মণ্ডল।

এ প্রসঙ্গে তদন্ত দলের প্রধান আহসানুল গণি বলেন, ‘মূলত গ্রুপ ঋণের কারণেই সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখানে ব্যাংকের কিছু করার ছিল না। তবে যাদের কম টাকা বকেয়া, তাদের বাদ দেয়া যেত। এটা হয়তো ভুলবশত হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি দেখা হবে।’

১০ লাখ টাকা পরিশোধের পরও এত বকেয়া কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘১৫ শতাংশ সুদ হারে ঋণ দেয়া হয়েছিল। কিছু কৃষক টাকা পরিশোধ না করায় চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ বেড়ে গেছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ঈশ্বরদী উপজেলার ভাড়ইমারী গ্রামের ৪০ জন কৃষক দলগত ঋণ হিসেবে ১৬ লাখ টাকা গ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে কেউ ২৫ হাজার, কেউ ৪০ হাজার টাকা করে ঋণ পান।

ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ না করায় ২০২১ সালে ৩৭ জন কৃষকের নামে ব্যাংক মামলা করে। সম্প্রতি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত ২৫ নভেম্বর ১২ জন কৃষককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।

বিষয়টি নিউজবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। এ অবস্থায় গত ২৭ নভেম্বর পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক শামসুজ্জামান গ্রেপ্তার ১২ কৃষকসহ ৩৭ জনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন:
ঋণখেলাপি মামলায় ১২ কৃষক কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Limons attempted murder case against RAB is also displeased with the PBI report

র‌্যাবের বিরুদ্ধে লিমন হত্যাচেষ্টা মামলা, পিবিআই প্রতিবেদনেও নারাজি

র‌্যাবের বিরুদ্ধে লিমন হত্যাচেষ্টা মামলা, পিবিআই প্রতিবেদনেও নারাজি বাবা-মায়ের সঙ্গে পা হারানো লিমন হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
বর্তমানে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনবিভাগের সহকারী প্রভাষক লিমন বলেন, ‘র‌্যাব অন্যায়ভাবে আমাকে গুলি করে পঙ্গু করে দিয়েছে। আমি অনেক কষ্ট করে মানুষের ভালোবাসায় পড়াশোনা শেষ করেছি ঠিকই, কিন্তু আমার পা হারানোর কষ্ট ভুলতে পারছি না।’

অভিযোগ ছিল, ২০১১ সালের ২৩ মার্চ ঝালকাঠির রাজাপুরে সেই সময়ের কলেজছাত্র লিমন হোসেনকে হত্যার উদ্দেশে গুলি করেছিল র‌্যাব। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ লিমনের একটি পা কেটে ফেলতে হয়।

ওই বছরেরই ১০ এপ্রিল র‌্যাবের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলাটি করেন লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম।

দীর্ঘ ১১ বছর পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তবে এ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সোমবার আদালতে নারাজিপত্র দিয়েছেন মামলার বাদী হেনোয়ারা বেগম।

সোমবার বেলা ১২টায় ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে নারাজিপত্রটি দাখিল করা হয়। এ অবস্থায় নারাজির শুনানির জন্য আগামী ৩ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আদালতের বিচারক এ এইচ এম ইমরুনুর রহমান।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র নিয়োজিত লিমনের মায়ের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আককাস সিকদার নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ মার্চ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় তৎকালীন কলেজছাত্র লিমন হোসেন গুলিবিদ্ধ হন।

পরে লিমনের বাম পা হাটু থেকে কেটে ফেলেন রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় বরিশাল র‌্যাব-৮ এর তৎকালীন ডিএডি লুৎফর রহমান, কর্পোরাল মাজহারুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আব্দুল আজিজ, নায়েক মুক্তাদির হোসেন, সৈনিক প্রহ্লাদ চন্দ এবং কার্তিক কুমার বিশ্বাস সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬ র‌্যাব সদস্যকে অভিযুক্ত করে ঝালকাঠির আদালতে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন লিমনের মা।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানা পুলিশের এসআই আব্দুল হালিম তালুকদার ২০১২ সালের ১৪ আগস্ট আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে র‌্যাব সদস্যদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন।

লিমনের মা হোনোয়রা বেগম ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ৩০ আগস্ট ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে নারাজি দাখিল করেন।

আদালত ২০১৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তার নারাজি আবেদন খারিজ করে দেয়। পরে খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ২০১৩ সালের ১৮ মার্চ রিভিশন আবেদন করেন হেনোয়রা বেগম।

২০১৮ সালের ১ এপ্রিল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস কে এম তোফায়েল হাসান রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন। রিভিশন মঞ্জুর হওয়ার পর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেলিম রেজা মামলাটি তদন্তের জন্য ২০১৮ সালের ২২ এপ্রিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতে আবারও থানা পুলিশের মতো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, লিমনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা সত্য। তবে কারা তাকে গুলি করেছে তার কোনো সাক্ষী প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে সাক্ষী ও প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করা হবে।

তবে এই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করে লিমনের মা দাবি করেন, তার ছেলে সন্ত্রাসী ছিলেন না। একটি ভালো ছেলেকে র‌্যাব গুলি করে পঙ্গু করে দিয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও সঠিক বিচার দাবিও করেন তিনি।

উল্লেখ্য র‌্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে পা হারানো লিমন হোসেন ২০১৩ সালে এইচএসসি, ২০১৮ সালে আইন বিষয়ে অনার্স, ২০১৯ সালে এল এল এম পাস করেন।

২০২০ সালে তিনি সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনবিভাগের সহকারী প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

সাংবাদিকদের লিমন বলেন, ‘র‌্যাব অন্যায়ভাবে আমাকে গুলি করে পঙ্গু করে দিয়েছে। আমি অনেক কষ্ট করে মানুষের ভালোবাসায় পড়াশোনা শেষ করেছি ঠিকই, কিন্তু আমার পা হারানোর কষ্ট ভুলতে পারছি না। যতদিন বেঁচে আছি ততদিন যারা আমাকে পঙ্গু করেছে তাদের বিচার দাবি করবো।’

২০১১ সালে ঘটনার পর লিমনকে সন্ত্রাসী দাবি করে র‌্যাব লিমনসহ আট জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে এবং সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে দুটি মামলা করেছিল। দুটি মামলাতেই লিমনসহ বাকি আসামিরা আদালত থেকে ২০১৮ সালে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন।

ঘটনার শুরু থেকে লিমনকে আইনি সহায়তা দিচ্ছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাইয়ের আগাম গোয়েন্দা তথ্য না থাকা ব্যর্থতা: র‌্যাব
বিএনপির সমাবেশ ঘিরে থাকবে র‌্যাবের চেকপোস্ট-হেলিকপ্টার
তুমব্রু সীমান্তে ডিজিএফআই কর্মকর্তা নিহত: ৩১ জনের নামে মামলা
তুমব্রু সীমান্তে সংঘর্ষ: আহত র‍্যাব সদস্যের মাথায় অস্ত্রোপচার
মাদকবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষে ডিজিএফআই কর্মকর্তা নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Murder of Sagira Morshed Testimony on 12 December

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: সাক্ষ্য গ্রহণ ১২ ডিসেম্বর

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: সাক্ষ্য গ্রহণ ১২ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন সগিরা মোর্শেদ। ছবি: সংগৃহীত
সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে। মামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে ৩২ বছর আগে দুর্বৃত্তের গুলিতে সগিরা মোর্শেদ নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পিছিয়েছে। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক রফিকুল ইসলামের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য্য ছিল। কিন্তু এদিন সগিরা মোর্শেদের মেয়ে সাদিয়া চৌধুরী অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করে। মামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

আলোচিত এ মামলায় ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। গত বছরের ১৬ জানুয়ারি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালতে মামলাটির অভিযোগপত্র জমা দেন।

৩২ বছর আগের আলোচিত এই মামলার আসামিরা হলেন সগিরা মোর্শেদের ভাশুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, হাসান আলীর স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহিন, শ্যালক আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান ও ভাড়াটে অপরাধী মারুফ রেজা। তাদের মধ্যে সায়েদাতুল মাহমুদা জামিনে আছেন। বাকি তিনজন কারাগারে।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

মামলায় বলা হয়েছে, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ বাসা থেকে বের হয়ে তার দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া বড় মেয়ে সারাহাত সালমাকে নিতে স্কুলের দিকে যাচ্ছিলেন। স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্রই দুষ্কৃতকারীরা তার হাতের বালা ধরে টান দেয়। বালা দিতে অস্বীকার করায় সগিরাকে গুলি করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

ওই দিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন সগিরার স্বামী সালাম চৌধুরী। প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক ঘটনায় জড়িত দুজনকে শনাক্ত করলেও গোয়েন্দা পুলিশ মন্টু ওরফে মরণ নামে একজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

পরে আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তে বর্তমান আসামিদেরও নাম আসে।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দীক। সাক্ষ্য নেয়া হয় সাতজনের।

সাক্ষ্যে বাদীপক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্তের সময় আসামি মন্টু এবং তৎকালীন (১৯৮৯) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের নিকটাত্মীয় মারুফ রেজা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু মারুফ রেজার নাম বাদ দিয়েই অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

সাক্ষ্য গ্রহণ চলার সময় মারুফ রেজার নাম আসায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ১৯৯১ সালের ২৩ মে মামলার অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয় ঢাকার বিচারিক আদালত। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজা রিভিশন আবেদন করেন।

এ অবস্থায় ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট মামলাটির অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিতের পাশাপাশি অধিকতর তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেয়।

পরের বছর ২৭ আগস্ট জারি করা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

এ মামলার সবশেষ তদন্ত কর্মকর্তা গত বছর বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নজরে আনলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ।

এরপর বিষয়টি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে তোলা হয়। আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।

আরও পড়ুন:
গফরগাঁওয়ে যুবক খুন, আটক ৩
হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার
৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired girl burnt to death Accused arrested

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন আসামি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাড্যা এলাকায় নিয়ে যান।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছিলেন।

আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান। তবে আসামির পরিচয় বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তিনি দেননি। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

কেরানীগঞ্জের সুভাড্যা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকা থেকে গত সোমবার রাত ১১টার দিকে দগ্ধ ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বাদল্লাপুর এলাকায়।

শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে সোমবার রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

তরুণীর ছোট বোনের অভিযোগ ছিল, হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় তরুণীর ছোট ভাই হত্যা মামলা করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীর সঙ্গে ঘটনার ১০ থেকে ১২ দিন আগে আলাপ হয় আসামির। পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাড্যা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা
৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The driver claimed that he did not know that anyone was trapped in the car

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে পেছন থেকে ধাওয়া করে থামানো হয় আজাহার জাফরের প্রাইভেটকার। ছবি: নিউজবাংলা
জনতার পিটুনিতে আহত গাড়িচালক ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি পুলিশকে বলেছেন, কেউ তার গাড়ির সঙ্গে আটকে আছেন, সেটা তার জানা ছিল না। তবে পুলিশ বলছে, তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির নিচে চাপা পড়ে নিহত গৃহবধূ রুবিনা আক্তারকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর শাহ। পুলিশের কাছে তার দাবি, গাড়িতে একজন আটকে থাকার বিষয়টি টেরই পাননি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থানা পুলিশের কাছে তিনি এ দাবি করেন বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ। তবে পুলিশ বলছে, গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি থামেননি, বরং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

গাড়িটি আটকের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফরকে পিটুনি দেয় জনতা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওসি নূর মোহাম্মদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য আমরা পাইনি। গাড়িতে লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো কাগজ ছিল না।’

প্রতি সপ্তাহে নিজ বাসা তেজগাঁও তেজকুনি পাড়া থেকে হাজারিবাগে যেতেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। অন্যান্য সপ্তাহের মতো শুক্রবার ননদের স্বামীর মোটরসাইকেল চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে এভাবেই টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনা আক্তারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাড়ির চালকক আজাহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহাবাগ থানার পুলিশ পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে কথা হয় রুবিনার ভাগ্নে আশিকুর রহমান রাতুলের সঙ্গে। তিনি জানান, রুবিনার স্বামী মারা গেছেন দু বছর আগে। তাদের এক ছেলে রয়েছে। সে ক্লাস এইটে পড়ে।

রাতুল বলেন, ‘আমরা মামলা করব। আমার খালাকে হত্যা করা হয়েছে। থানায় যাচ্ছি।’

রুবিনার মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শহিদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, নিহত মহিলা দেবরের সঙ্গে বাইকে করে শ্বশুর বাড়ি থেকে তার বাপের বাড়ি হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘এরপরও উনি গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে চলে যান। তাকে থামানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। উনি টিএসসি পৌঁছলে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি না থামিয়ে আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে থামতে বাধ্য করে। এই সম্পূর্ণ সময় সেই নারীটি গাড়ির সঙ্গে ছেঁচড়ে গেছেন।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা তাই আমরা একটা মামলা নেব। উনার গাড়িটা সিজ করেছি। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

কোন আইনে মামলা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা সেই শিক্ষকের নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। সম্ভবত ওনার স্ত্রীর নম্বর। তিনি ওনার অবস্থা জানার পর মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের কারো সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে তিনি গাড়ি চালানোর সময় সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সেগুলোসহ আমরা বিস্তারিত জানতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It will be murder case DC Ramana

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে চালককে আটকে পিটুনি দেয় পথচারীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীকে প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মামলা হবে জানিয়ে রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এটি অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, ওই নারী দেবরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি হাজারীবাগে যাচ্ছিলেন। তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ওই নারী সড়কে পড়ে যান ও প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘তবে চালক গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে তাকে নিয়ে যান। অনেক চেষ্টা করেও তাকে থামানো যায়নি। উনি টিএসসি পৌঁছালে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি গাড়ি না থামিয়ে নীলক্ষেত মোড়ের দিকে চলে যান। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে থামায়।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থাও সঙ্কটাপন্ন।’

ডিসি আরও বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ওই শিক্ষকের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। তবে ঘটনা জানাতে যোগাযোগের পর থেকে মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে সাবেক ওই শিক্ষক সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সে বিষয়ে জানা যেত।’

নিহতদের পক্ষে এখন পর্যন্ত কেউ মামলা করতে আসেননি জানিয়ে ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘উনারা হয়তো ব্যস্ত আছেন। কিছুক্ষণ পর আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’

এ বিষয়ে দুর্ঘটনার শিকার নারীর পরিবারকে সর্বোচ্চ আইনগত সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী রুবিনা আক্তার তিনি গৃহবধূ ছিলেন। থাকতেন তেজগাঁওয়ে। তার ১২ বছরের একটি ছেলে আছে। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন।

অন্যদিকে গাড়িচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আজাহার জাফর শাহ।

আরও পড়ুন:
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
মেয়েকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে বাসচাপায় মা-বাবাও নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shishu Ayats father is also threatened to be cut into 6 pieces

হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার

হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়াত হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা
আয়াতের বাবা সোহেল বলেন, “একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। অচেনা নম্বর থেকে আমাকে টেক্সট দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ওই নম্বর থেকে এসএমএস দিয়ে সে বলছে, ‘তোর মেয়েকে ছয় টুকরা করেছি, তোকেও করব।’ আমি পুলিশকে জানাইছি। সে ভয়েস বার্তাও দিছে।”

চট্টগ্রামে শিশু আয়াতকে হত্যায় কেবল আসামি আবির নয়, একটি চক্র জড়িত বলে দাবি করেছেন আয়াতের বাবা সোহেল রানা।

তার অভিযোগ, আয়াতের মতো তাকেও হত্যার পর ৬ টুকরা করা হবে বলে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি দেয়া হয়েছে। পুলিশকে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।

আয়াত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এসব অভিযোগ জানান সোহেল।

তিনি বলেন, “একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। অচেনা নম্বর থেকে আমাকে টেক্সট দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ওই নম্বর থেকে এসএমএস দিয়ে সে বলছে, ‘তোর মেয়েকে ছয় টুকরা করেছি, তোকেও করব।’ আমি পুলিশকে জানাইছি। সে ভয়েস বার্তাও দিছে।”

সোহেল আরও বলেন, ‘আমার মেয়েকে এমন নৃশংসভাবে শুধু কি আবির আলীই হত্যা করেছে? এখানে একটা চক্রও থাকতে পারে। তারা মিলেমিশে এ ঘটনা ঘটিয়েছে কি না তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

‘তা না হলে আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাওয়া থেকে সরে যেতে কারা হুমকি দিচ্ছে?’

হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া বার্তা প্রসঙ্গে সোহেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাকে মেসেজ দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আবার ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে বলছে, আবিরকে নাকি সে (হুমকিদাতা) পালিয়ে যেতে বলেছিল। পালিয়ে না যাওয়ায় পুলিশ ধরে ফেলছে। আমার মেয়েকে ছয় টুকরা করছে, আমাকেও নাকি ছয় টুকরা করবে। তাছাড়া মারার আগে আয়াতকে নাকি ধর্ষণ করা হয়েছিল।

‘২৮ তারিখ প্রথম মেসেজ দিয়েছিল। তখন তেমন গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু পরে দেখি আরও মেসেজ পাঠিয়েছে। সকালে ভয়েস মেসেজ দিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। আমরা পুলিশকে জানাইছি।’

আয়াত হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মনোজ কুমার দে বলেন, ‘আমাকে মঞ্জুর সাহেব (আয়াতের দাদা) ফোন করেছিলেন। আমি আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছি। স্থানীয় থানায় ডায়েরি করারও পরামর্শ দিয়েছি।’

নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে গত ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয় আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা।

এর ৯ দিন পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত সন্দেহে আয়াতের পরিবারের ভাড়াটিয়া আবির আলীকে আটকের কথা জাানায় পিবিআই।

পিবিআইয়ের দাবি, আটকের পর আয়াতকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছেন আবির। ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য আয়াতকে অপহরণচেষ্টার সময় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এরপর শনিবার প্রথমবার আবিরকে দুই দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারে সাগরপাড়ে অভিযান চালায় পিবিআই। এরপর সোমবার আবিরকে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন মঙ্গলবার আবিরের মা-বাবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে আকমল আলী সড়ক এলাকার সাগরপাড় স্লুইস গেটের পাশ থেকে আয়াতের খণ্ডিত দুই পা উদ্ধার করে পিবিআই। পরদিন একই এলাকা থেকে আয়াতের টুকরা মাথা উদ্ধার করা হয়।

আয়াত নিখোঁজের ১৭তম দিন শুক্রবারও মরদেহের বাকি অংশের খোঁজে সাগরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে পিবিআই।

আরও পড়ুন:
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়
আলামত নষ্ট করার বিদ্যা ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ

মন্তব্য

p
উপরে