× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Order to arrest Babul Akhtar
hear-news
player
google_news print-icon

বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তারে আদেশ

বাবুল-আক্তারকে-গ্রেপ্তারে-আদেশ
সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ফাইল ছবি
চট্রগ্রামে পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্প্রতি তাকে (বাবুল আক্তার) গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশ। আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।’

এবার পিবিআই পুলিশ সুপার নাঈমার মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম আব্দুল হালিম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি তাকে (বাবুল আক্তার) গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশ। আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।’

এর আগে ১৭ অক্টোবর সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ও সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), চট্টগ্রাম মেট্রোর প্রধান পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা।

মামলায় বাবুলের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া ও ছোট ভাই হাবিবুর রহমান লাবুকেও আসামি করা হয়।

তারও আগে ২৭ সেপ্টেম্বর বাবুল, ইলিয়াস, ওয়াদুদ মিয়া ও লাবুকে আসামি করে ঢাকার ধানমন্ডি থানায় একই অভিযোগে মামলা করেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। ওই মামলায় ১০ নভেম্বর বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর স্ত্রী মিতু হত্যার ঘটনায় বাবুলের করা মামলায় তাকেসহ ৭ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। ১০ অক্টোবর আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে।

আদালতে পিবিআইয়ের অভিযোগপত্র জমা দেয়ার আগে ৩ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্ত নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন ইলিয়াস হোসেন।

৮ সেপ্টেম্বর হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার ও পিবিআইয়ের চট্টগ্রাম মেট্রোর প্রধান পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানাসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেন বাবুল। ২৫ সেপ্টেম্বর সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে নগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু।

এ ঘটনায় জঙ্গিরা জড়িত দাবি করে বাবুল আক্তার মামলা করেন পাঁচলাইশ থানায়। তদন্ত শেষে পিবিআই গত বছরের ১২ মে এ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

হত্যায় ‘বাবুল জড়িত’ বলে সন্দেহ হলে একই দিন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন আরেকটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় বাবুলসহ ৮জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ এ মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখায়।

বাবুলের করা মামলায় পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৪ অক্টোবর আদালতে নারাজি দেন বাবুলের আইনজীবী। আদালত ৩ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়। পরে আদালত বাবুলকে নিজের করা মামলাতেই গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়।

এর মধ্যে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের করা মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। এতে ওই মামলায় গ্রেপ্তার আসামি বাবুলসহ অন্যদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। মামলায় পাওয়া সব তথ্য-উপাত্ত বাবুল আক্তারের করা মামলায় একীভূত করতেও আবেদন জানানো হয়।

পিবিআইয়ের অধিকতর তদন্তে বাবুল আক্তারের করা মামলায় তাকেই আসামি করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৩ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩-১৪ সালে বাবুল আক্তার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত ছিলেন। সে সময় সেখানে কর্মরত এক বিদেশি উন্নয়নকর্মীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারীর বাসার নিরাপত্তাকর্মী সরওয়ার আলম ও গৃহকর্মী পম্পি বড়ুয়ার আদালতে দেয়া জবানিতে ওই বাসায় বাবুলের যাতায়াতের বিষয়টি উঠে আসে।

তা ছাড়া বাবুল আক্তারকে উপহার দেয়া ওই নারীর একটি বই জব্দ করে পিবিআই। সেই বইয়ে প্রথম দেখা ও তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়ে বাবুলের হাতে লেখা কিছু তথ্য রয়েছে।

পিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে বলা হয়, খুনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ৬ জন। অস্ত্র সরবরাহ করেন আরেকজন। কিলিং মিশনের নেতৃত্ব দেন বাবুলের ‘সোর্স’ মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা।

২০১৬ সালে মিতু খুনের পর গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে দেয়া ওয়াসিম ও আনোয়ারের জবানবন্দিতে কামরুলের নির্দেশে খুনের কথা উঠে আসে। এরপর ২০২১ সালের ২৩ অক্টোবর আসামি এহতেশামুল হক ভোলা তার জবানবন্দিতে জানান, বাবুলের নির্দেশে তার সোর্স মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা মিতুকে খুন করে বলে জানান।

জবানবন্দিতে ভোলা বলেছিলেন, নির্দেশ না মানলে তাকে ‘ক্রসফায়ারে’ দেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন বাবুল। তবে ঘটনার কয়েক দিন পর কামরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে পুলিশে ধরে নেয়ার কথা বললেও, পুলিশ বলেছে তিনি নিখোঁজ।

বাবুল ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা, এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা, মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খাইরুল ইসলাম ওরফে কালু ও শাহজাহান মিয়া। এর মধ্যে মুসা ও খাইরুল ছাড়া বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।

যে চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন সাইদুল ইসলাম শিকদার ওরফে সাক্কু, আবু নাছের, নুরুন্নবী ও মো. রাশেদ। এর মধ্যে রাশেদ ও নুরুন্নবী হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন পর পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
All wards will have gymnasiums Mayor Tapas

সব ওয়ার্ডে হবে ব্যায়ামাগার: মেয়র তাপস

সব ওয়ার্ডে হবে ব্যায়ামাগার: মেয়র তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
‘৭৫টি ওয়ার্ডে মাত্র ১৭টি শরীরচর্চা কেন্দ্র আছে। আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের সঙ্গে একটি শরীরচর্চা কেন্দ্র রাখতে চাই। সেজন্য নতুন প্রকল্প নিচ্ছি। নতুন ৩৬টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই জনগণের জন্য ব্যায়ামাগার সেবা নিশ্চিত করতে চাই।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যায়ামাগার নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে করপোরেশনের দ্বিতীয় পরিষদের সপ্তদশ বোর্ড সভা হয়। সেখানে ডিএসসিসির আওতাধীন ব্যায়ামাগারসমূহ পরিচালনা নীতিমালা-২০২২ অনুমোদন দেয়া হয়।

মেয়র তাপস বলেন, ‘আমাদের ৭৫টি ওয়ার্ডে মাত্র ১৭টি শরীরচর্চা কেন্দ্র আছে। আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রের সঙ্গে একটি শরীরচর্চা কেন্দ্র রাখতে চাই। সেজন্য নতুন প্রকল্প নিচ্ছি। নতুন ৩৬টি সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই জনগণের জন্য ব্যায়ামাগার সেবা নিশ্চিত করতে চাই।

‘ব্যামাগারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নীতিমালা করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের আলোকে এলাকাভেদে ব্যায়ামাগারগুলোর ভাড়া নির্ধারণ করা হবে। বিদ্যমান আয়তন, সুবিধাদি ও যন্ত্রপাতি বিবেচনা করে ব্যায়ামাগারগুলোকে ক, খ ও গ তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। যারা ব্যায়ামাগার পরিচালনা করবেন তাদের অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে।’

সভায় করপোরেশনের কাউন্সিলরা ছাড়াও ডিএসসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের চেয়ে বাংলাদেশের উন্নতি দ্রুত: তাপস
মেয়র তাপসকে নিয়ে গুজব ছড়ানোর মামলার প্রতিবেদন পেছাল
ঢাকা এখন আর বর্জ্যের শহর নয়: মেয়র তাপস
ফার্মেসি খোলা ২৪ ঘণ্টা, তাপসের নির্দেশ নাকচ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
মেয়র তাপসের মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wasar Takseem has received a salary of Tk 580 million in 13 years

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি
হাইকোর্টে জমা দেয়া ওয়াসার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকসিম এ খান বেতন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন। ভ্যাট বাবদ কাটার পর তার মোট বেতন-ভাতা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান গত ১৩ বছরে বেতন-ভাতা বাবদ ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন।

হাইকোর্টে মঙ্গলবার ওয়াসার জমা দেয়া এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

১৩ বছরে ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা হিসেবে কত টাকা নিয়েছেন তার হিসাব চেয়ে ১৭ আগস্ট আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জমা দেয়া প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকসিম এ খান বেতন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন।

এ থেকে ভ্যাট বাবদ কাটার পর মোট বেতন-ভাতা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

প্রতিবেদনটি বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

ওয়াসার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ এম মাসুম ও মাহসিব হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আব্বাস উদ্দিন।

তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে রিট করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)। রিটের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

রিট শুনানি শেষে তাকসিম এ খানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দেয় আদালত। তাকে অপসারণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা ওয়াসা এমডির বেতন-ভাতার হিসাব দিতেই হবে
এবার ওয়াসার এমডির ব্যাংক হিসাব তলব
ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরের বেতনের হিসাব চায় হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The husband committed suicide by killing his wife

রাজধানীতে গলাকাটা স্ত্রীর পাশে ঝুলছিলেন স্বামী

রাজধানীতে গলাকাটা স্ত্রীর পাশে ঝুলছিলেন স্বামী মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ফাইল ছবি
খবর পেয়ে পুলিশ ভাড়া বাসার দরজা ভেঙে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন কাজলা এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ ভাড়া বাসার দরজা ভেঙে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতরা হলেন- বেবী আক্তার ও তার স্বামী রবিউল ইসলাম।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর আসে কাজলা এলাকায় একটি বাসায় স্ত্রীকে হত্যার পর এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে। পরে ঘটনাস্থলে দরজা ভেঙে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তাদের পারিবারিক কলহ চলছিল বলে জানতে পেরেছি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার খেলা দেখে আর ফেরা হলো না সাদেকুরের
ঘরে রক্তাক্ত মরদেহ, ভগ্নিপতি আটক
নিখোঁজের তিন দিন প‌র বাগা‌নে প্রবাসীর স্ত্রীর মর‌দেহ
ঢাবি ও ঢাকা মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় দুই মরদেহ
খালে ভাসছিল অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired young woman accused of being raped and then burnt to death

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ ফাইল ছবি
মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার বাক প্রতিবন্ধী তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার পর সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামাল এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ৯৯৯ এ কল পেয়ে সোমবার গভীর রাতে সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকায় গিয়ে দগ্ধ অবস্থায় ওই তরুণীকে পাওয়া যায়। তাকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তাকে হত্যার অভিযোগে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে আটক একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মৃত তরুণীর এক আত্মীয় বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যার দিকে আমার শ্যালিকাকে এলাকার কয়েকজন ফুসলিয়ে বাড়ির কাছ থেকে নিয়ে যায়। পুলিশের মাধ্যমে মধ্যরাতে আমরা তার খোঁজ পাই। এলাকা থেকে তিন জন নিখোঁজ আছে। তাদের উপর আমাদের সন্দেহ হয়।’

মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ঢুকে রোহিঙ্গা মাঝিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু
টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Only police permission left for BNPs Rajshahi rally

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি সমাবেশ সামনে রেখে আগেই চলে আসা নেতাকর্মীদের জন্য একটি প্যান্ডেল নির্মাণে বাধা দেয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উজ্জিবিত। চলছে প্রস্তুতিও। সমাবেশের মাইকিং চলছে শহরজুড়ে। নেতা-কর্মীদের সমাগম নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে ছোট বড় মিটিং-মিছিল। চলছে লিফলেট বিতরণ।

কিন্তু সমাবেশস্থল নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি বিএনপির। ৩ ডিসেম্বর সমাবেশ, অথচ মঙ্গলবার পর্যন্ত তারা পুলিশের অনুমতি পায়নি।

তবে জেলা প্রশাসক রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন বিএনপিকে। ১ ডিসেম্বর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা এই মাঠে প্রস্তুতি শুরু করবেন। নেতারা আশাবাদি, শীঘ্রই তারা পুলিশেরও অনুমতি পাবেন।

এদিকে এখনও পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় মাঠের প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ নেই তাদের। মঞ্চ বানাতে গিয়ে মঙ্গলবার বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় নেতারা। একটি প্যান্ডেল তৈরির সময় পুলিশি বাধার মুখে তা ভেঙে নিতে বাধ্য হন মঞ্চ প্রস্তুতকারীরা।

ইতোমধ্যেই সমাবেশকে সামনে রেখে ১ ডিসেম্বর থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে নেতা-কর্মীদের আগে ভাগেই রাজশাহী আনার কথা ভাবছে বিএনপি নেতারা।

নেতা-কর্মীদের থাকার জন্যই মাদ্রাসা ময়দানের সামনে একটি ফাঁকা জায়গায় সোমবার সকাল থেকে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সেই প্যান্ডেল ভেঙে নিতে বাধ্য করে।

তবে পুলিশের এমন ভূমিকায় নমনীয় বিএনপি। তারা আশাবাদি, এই মাঠেই তারা সমাবেশ করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘পুলিশ প্যান্ডেল ভাঙেনি। পুলিশের সঙ্গে আমাদের খুব ভালোভাবেই কথা হচ্ছে। কোনো অসুবিধা নেই। পুলিশ আমাদের মাদ্রাসা ময়দানেই সমাবেশ করার অনুমতি দেবে।’

মিনু আরও বলেন, ‘নানাভাবে সরকার এই সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে এখানে সফল একটি সমাবেশ হবে। জনতার ঢল নামবে মাদ্রাসা মাঠে।’

রাজশাহী নগর পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার মো. আবদুর রকিব বলেন, ‘যে স্কুলের মাঠে বিএনপি সমাবেশ করবে বলছে, সেই স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছে। বুধবার পরীক্ষা হবে, বৃহস্পতিবার সকালেও একটা পরীক্ষা আছে। তাই এখনও সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

এদিকে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠের নিয়ন্ত্রক জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, ‘মাদ্রাসা মাঠ ঐতিহাসিক মাঠ। তারা সেই মাঠই চান। তাদের অনুরোধের কারণে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা রয়েছে। পরের দিন ১ ডিসেম্বর থেকে তারা মাঠ ব্যবহার করতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Militant robbery 3 accomplices of accused remanded

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা।

ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার মামলায় আসামি ঈদী আমিনের তিন আশ্রয়দাতার তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাকিল আহম্মদের আদালতে তাদের হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

শুনানি শেষে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

রিমান্ড পাওয়া তিনজন হলেন- খোতেজা আক্তার লিপি, নাসির মিয়া ও তানভীর হোসেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর আসামি ঈদী আমিন আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর বিচারক তাকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠান।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে গত ২০ নভেম্বর ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় জামিন পাওয়া দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

সিটিটিসি ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন উপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। এই কাজে জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য
জামিনে থাকা জঙ্গি অমি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abbas the former mayor of Katakhali is free on bail

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী এক বছর পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে আব্বাস আলীকে জামিন দিয়েছেন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি সন্ধ্যায় মুক্তি পান। কারাফটক থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোডাউন করে নিয়ে যান সমর্থকরা।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্বাস আলী পর পর দুবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মেয়র হন। তিনি ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও দলটির জেলা কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

এ রেকর্ড ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ারিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল মমিন। এরপর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম আরেকটি মামলা করেন কাটাখালী থানায়।

সে বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে র‌্যাব ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র।

আরও পড়ুন:
মেয়র আব্বাসের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস: র‍্যাব
মেয়র আব্বাস আটক
মেয়র আব্বাস কোথায়
মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মন্তব্য

p
উপরে