× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Salt farmers in the field ahead of the market
google_news print-icon

বাজার চড়া, তাই আগাম মাঠে লবণ চাষিরা

বাজার-চড়া-তাই-আগাম-মাঠে-লবণ-চাষিরা
মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই মাঠে নেমে গেছেন লবণ চাষিরা। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিন্ডিকেটের চক্রান্তে পা না দিয়ে আমদানি বন্ধ রাখলে চাষিরা দীর্ঘদিনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে। অন্যদিকে বিসিক বলছে, চাষিরা আগাম মাঠে নামায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে উৎপাদন।

সর্বোচ্চ দামে এখন বিক্রি হচ্ছে লবণ। ফলে মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই মাঠে নেমে গেছেন লবণ চাষিরা। প্রস্তুতি চলছে, কোথাও আবার উৎপাদনও হচ্ছে। আমদানী বন্ধ থাকলেই ন্যায্য পাবেন চাষিরা, লবণ শিল্পের সুদিন ফিরবে– সে আশায় বুক বেঁধেছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিন্ডিকেটের চক্রান্তে পা না দিয়ে আমদানি বন্ধ রাখলে চাষিরা দীর্ঘদিনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে। অন্যদিকে বিসিক বলছে, চাষিরা আগাম মাঠে নামায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে উৎপাদন।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিকের) তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের লবণের চাহিদার ৮০ ভাগই কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে মেটানো হয়ে থাকে। এ মৌসুমে কক্সবাজার সদর, ঈদগাও, চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, টেকনাফ ও বাঁশখালীর ৩৮ হাজার চাষি মাঠে নেমে গেছেন পুরো দমে। করছেন মাঠ প্রস্তুত।

এবার প্রায় ৭০ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ লাখ ৮৫ হাজার টন।

লবণ চাষ যেসব জায়গায় হয়, সেখানে অন্য কোনো ফসল হয় না। ফলে টার্গেট পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বিসিক। বর্তমানে ১ লাখ ৮০ হাজার টন লবণ মাঠে মজুদ রয়েছে। এর ফলে লবণ আমদানি করেনি সরকার। ইতোমধ্যে চলতি মৌসুমে কুতুবদিয়ায় ১০০ টন লবণ উৎপাদন হয়েছে।

চাষিরা বলছেন, মণ প্রতি লবণ উৎপাদনে খরচ হয় ২৫০ টাকা, অথচ বাজারমূল্য এখন ৫০০ থেকে ৫৫০টাকা। তাই আগেই চাষে নেমেছেন তারা।

বাজার চড়া, তাই আগাম মাঠে লবণ চাষিরা

সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীর চাষি মোহাম্মদ তৈয়ব। লবণ চাষে তার অভিজ্ঞতা দুই যুগের বেশি। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লবণ চাষের ভরা মৌসুম হচ্ছে ফাল্গুন-চৈত্র মাস। আরও চার মাস লবণ উৎপাদন হয় ভালো। রোদ থাকলে চৈত্র মাসে এক কানিতে ১২০ মণ পর্যন্ত লবণ উৎপাদন হয়। কিন্তু লবণের ন্যায্য মূল্য নিয়ে সংশয় কাটে না। এ কারণে অনেকে লবণ চাষ ছেড়ে দিয়েছেন। দীর্ঘদিন চাষ করার কারণে আমরা ছেড়ে যেতে পারছি না। আশা রাখছি এবার ভালো উৎপাদন ও ন্যায্য মূল্য পাব।’

জমির মালিকদের উপর ক্ষোভ জানিয়ে কুতুবদিয়ার চাষী আজিম উদ্দিন বলেন, ‘তাদের কাছে জিম্মি লবণচাষিরা। বছর বছর লবণ চাষের জমির ইজারা মূল্য বাড়ানো হচ্ছে, এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে অন্যান্য খরচ। এতে লবণের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ফলে লবণের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় প্রান্তিক চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

মহেশখালীর লবণ চাষী আব্দু মোনাফ বলেন, ‘গেল কয়েক বছর ধরে বিদেশি লবণ আমদানির অজুহাতে ন্যায্য মূল্য বঞ্চিত আমরা। তাই অনেকে এ মৌসুমে লবণ চাষে আসেনি। যারা এসেছে, তারাও ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন। আবাহাওয়ার সমস্যা তো থাকবেই।’

এ ছাড়া লবণ চাষকে কেন্দ্র করে ইসলামপুরে গড়ে উঠেছে ৪০টি রিফাইনারি কারখানা। এর মধ্যে ৩০-৩৫টি কারখানা এখন সচল আছে। একটি রিফাইনারি কারখানা চালু করতে হলে সপ্তাহে কমপক্ষে ৭০ টন লবণ প্রয়োজন। লবণ রিফাইনারিতে প্রতিটি কারখানায় ৩০-৪০ জন শ্রমিক কাজ করে। তাদের কাজ দিতে হলে সপ্তাহে ৭০ টন ‘র’ লবণ প্রয়োজন বলে জানান মালিকরা।

বাজার চড়া, তাই আগাম মাঠে লবণ চাষিরা

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত মৌসুমের ১ লাখ ৮০ হাজার টন লবণ মাঠে মজুদ আছে। আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত অব্যাহত থাকলে এবার চাষীরা বেশি উপকৃত হবেন, আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

বাংলাদেশ লবণ চাষি সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘লবণ আমদানি চক্র সুকৌশলে সোডিয়াম সালফেট (মিল-কারখানায় ব্যবহৃত লবণ) নাম দিয়ে দেশে অহরহ নিয়ে আসছে সোডিয়াম ক্লোরাইড তথা খাদ্যলবণ। এসব লবণ তারা চীন থেকে আমদানি করে সরাসরি বাজারজাত করছেন। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। আমদানিনির্ভর কিছু লবণ মিল মালিক সবসময়ই লবণ আমদানির জন্য অনুমতি পেয়ে থাকেন। তারা চান দেশীয় লবণ শিল্প চিরতরে বন্ধ হয়ে যাক। বিপরীতে সুফল হিসেবে তারা দেশের টাকা লুটেপুটে খাক।’

তিনি বলেন, ‘গত মৌসুমের ১ লাখ ৮০ হাজার টন লবণ মাঠে মজুদ আছে। লবণ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত অব্যাহত থাকলে এ মৌসুমে ভাল দাম পাব। যার ফলে বাড়বে চাষির সংখ্যা। বেড়ে যাবে লবণ উৎপাদনও।’

কক্সবাজার বিসিকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে জানান, প্রায় ৭০ হাজার একর জমিতে লবণ চাষের সম্ভাবনা দেখছেন তারা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কক্সবাজারের লবণ দিয়ে দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে আশা করছেন তিনি। এবারের লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ লাখ ৮৫ হাজার মেট্টিক টন, যা পূরণে মাঠ পর্যায়ের চাষিদের নানা সহযোগিতা দিতে জবে বলে জানান বিসিকের এই কর্মকর্তা।

মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, ‘একটি চক্র লবণ শিল্পকে ধ্বংস করে ফায়দা লুটতে চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, লবণ চাষিরা যাতে ন্যায্যমূল্য পায়, তা নিশ্চিত করবেন। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। লবণ চাষিরা প্রধানমন্ত্রীর উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে বিধায় এখন সুফল পাচ্ছে।’

বাজার চড়া, তাই আগাম মাঠে লবণ চাষিরা

লবণ শিল্পের ইতিহাস বলছে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে কক্সবাজার জেলায় লবণ চাষ শুরু হয়। সপ্তদশ শতাব্দীতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সহায়তায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে লবণ ব্যবসা বিকাশ লাভ করলেও অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইংরেজ সরকার এ দেশে লবণ উৎপাদন নিষিদ্ধ করে ইংল্যান্ড থেকে লবণ আমদানি শুরু করে। এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে উপকূলীয় জমি পরিষ্কার করে সাগরের পানি সূর্যে ও তাপে বাষ্পীভূত করার মাধ্যমে এক ব্যক্তি লবণ চাষ শুরু করেন।

১৯৪৭ সালে কক্সবাজার সদর উপজেলার গোমাতলী মৌজাতে এক ব্যক্তি ১২০ একর জমি দীর্ঘ মেয়াদি বন্দোবস্ত নিয়ে লবণ চাষ শুরু করেন। সে থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লবণ উৎপাদনের যাত্রা শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
কৃষি বিভাগের সহায়তা চান পঞ্চগড়ের পান চাষিরা
লবণ চাষিদের ঋণসীমা বাড়ল
কৈখালীর কিশোরীদের নিরাপদ পিরিয়ডে পাশে দাঁড়াল সেনোরা
‘বড় বিপদে আছি বাপু’
সার সংকটে চা চাষিরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The embankment was built on the banks by the volunteers of the locals

স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে গড়াই তীরে হলো বেড়িবাঁধ

স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে গড়াই তীরে হলো বেড়িবাঁধ নদীভাঙন রোধে শুক্রবার প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছেন দোরাননগর গ্রামের শতাধিক গ্রামবাসী। ছবি: নিউজবাংলা
এলাকাবসী জানান, গত বর্ষা মৌসুমে তিন কিলোমিটার জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত পাঁচ বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অনেকবার এ বিষয়ে আবেদন করেও কোনো ফল পাননি তারা। যে কারণে উপায়ান্তর না পেয়ে নিজেরাই এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

গড়াই নদীর ভাঙন থেকে নিজেদের ঘরবাড়ি, ফসলি খেতসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রক্ষায় নিজ উদ্যোগে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার দোরাননগর গ্রামের বাসিন্দারা।

নদীভাঙনের আশঙ্কা মাথা নিয়ে প্রতিরাতে ঘুমাতে যেতে হয় ওই গ্রামের বাসিন্দাদের। গত কয়েক বছরে ভাঙনে এ গ্রামের গড়াই তীরবর্তী বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ফসলি খেত বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙন রোধে শুক্রবার প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছেন দোরাননগর গ্রামের শতাধিক গ্রামবাসী।

এলাকাবসী জানান, গত বর্ষা মৌসুমে তিন কিলোমিটার জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত পাঁচ বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অনেকবার এ বিষয়ে আবেদন করেও কোনো ফল পাননি তারা। যে কারণে উপায়ান্তর না পেয়ে নিজেরাই এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

দোরাননগর গ্রামের বাসিন্দা প্রকৌশলী রথীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘প্রতি বছর গড়াই নদীর ভাঙনে আমাদের দোরাননগর গ্রামের রাস্তা, বসতবাড়ি বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে সমাজের বিত্তবান মানুষের আর্থিক সহায়তায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘গত বছর গ্রামবাসীর উদ্যোগে ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশ, কাঠ দিয়ে ৮টি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। সেটির রুপান্তর ঘটিয়ে এবার নতুন করে ইট, বালু, রড দিয়ে তৈরি কংক্রিটের পিলার দিয়ে সেটিকে মজবুত করা হচ্ছে।’

এই বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে আগামী বর্ষা মৌসুমে গোটা গ্রাম নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে বলে জানান তিনি।

ওই এলাকার বাসিন্দা ডা. পঙ্কজ কান্তি মণ্ডল বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা ভাঙনের মুখে পড়ছি। এতে বাড়িঘর রাস্তাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। যে কারণে এবার ইট বালু, সিমেন্ট, লোহার রড দিয়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর নিজস্ব অর্থায়নেই এটি করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মমতাজ মহল বলেন, ‘আমি বিষয়টি মাত্র জানলাম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Illegal hoarders of food are enemies of the country Food Minister

খাদ্যের অবৈধ মজুতকারীরা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যের অবৈধ মজুতকারীরা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাধানগরে নির্বাচন-পরবর্তী সুধী সমাবেশে বক্তৃতা করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
অবৈধ মজুতকারীরা বিএনপির দোসর উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে চায়, বেকায়দায় ফেলতে চায়। আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আপনারা যে ভোট দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’

খাদ্যের অবৈধ মজুত করে যারা সংকট তৈরি করে তাদের ‘দেশের শত্রু’ বলে আখ্যায়িত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

শুক্রবার বিকেলে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাধানগরে শিবনদীর উপরে ১৯২ মিটার দীর্ঘ নবনির্মিত সেতুর চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অবৈধ মজুতকারীরা বিএনপির দোসর উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে চায়, বেকায়দায় ফেলতে চায়। আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আপনারা যে ভোট দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের দুই দিন আগে হঠাৎ করে অসৎ ব্যবসায়ীরা চালের দাম ৮/১০ টাকা বাড়িয়ে দেয়। তারা মনে করেছিল, অন্য কেউ খাদ্যমন্ত্রী হলে বুঝতে বুঝতে একমাস পার হয়ে যাবে। যখন তারা দেখেছে মন্ত্রী সাধন মজুমদার হয়েছে, তখন তারা বেকায়দায় পড়েছে; আমাদেরও বেকায়দায় ফেলেছে।

‘চালের বাজার ঠিক রাখতে জেলায় জেলায় বৈঠক করতে হয়েছে। মজুতবিরোধী অভিযানও চালাতে হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ সে চেতনার পক্ষে রায় দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাধানগর সেতু রাজশাহী ও নওগাঁ জেলার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হবে সড়ক যোগাযোগ ক্ষেত্রে। গ্রামের সঙ্গে শহুরের মানুষের যোগাযোগ সহজ ও দ্রুততর হওয়ার ফলে কৃষক সহজেই তার পণ্য বাজারজাত করতে পারবে।’

বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক আবেদ হোসেন মিলন, সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, সহ-সভাপতি ঈশ্বর চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র প্রামাণিকসহ প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Leaving the office assistant to inspect the room the teachers notebook disappeared during the banquet
এসএসসি পরীক্ষা

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও বৃহস্পতিবার শেরপুরের আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে এক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে দিয়ে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করানোর পর এক পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চার কক্ষ পরিদর্শককে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই চারজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দ্র সচিব সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

শুক্রবার সন্ধায় বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন নিউজবাংলাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অফিস সহকারীর নাম মাছুদা আক্তার। তিনি বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত।

পরীক্ষাকেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার শ্রীবরদীর ওই কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে ৭৯ জন্য পরীক্ষার্থী ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত কক্ষ পরিদর্শকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবের কাছে ৭৯টি ওএমআর শিট জমা দিলেও খাতা জমা দেন ৭৮টি। তবে কোন পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়েছে, তা জানা যায়নি।

কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোছা. মারুফা আক্তার, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার ও গোপালখিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারিমা খাতুন।

কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

কেন্দ্র সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাতা হারানোর বিষয়টি জানার পর আমরা কেন্দ্রের দায়িত্বরত চারজনকে অব্যহতি দিয়েছি। তাদের নামে রাতে থানায় জিডিও করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে অফিস সহকারী যে ডিউটি করছিলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সহকারী কেন্দ্র সচিব আমাকে লিখিত দিয়েছিলেন, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার একজন সহকারী শিক্ষক।’

শ্রীবরদী ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত চার শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার পরবর্তী সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। তাদের নামে থানায় জিডি করা হয়েছে।’

এছাড়া বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
জাল প্রবেশপত্রে এসএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার
বাবার মরদেহ বাসায় রেখে এসএসসির কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী
ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eastern Railways embezzlement of crores of rupees was not completed even in 23 days

পূর্ব রেলওয়ের কোটি টাকা আত্মসাৎ, কিনারা হয়নি ২৩ দিনেও

পূর্ব রেলওয়ের কোটি টাকা আত্মসাৎ, কিনারা হয়নি ২৩ দিনেও চট্টগ্রাম নগরীতে পূবাঞ্চল রেলওয়ের কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলছেন, ‘মালামাল সরবরাহ বাবদ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য টাকা গত ২৮ ডিসেম্বর চারটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে ভুয়া বিল-ভাউচারে পাঁচ নম্বর চেকটি আমাদের কেউ গ্রহণ করেননি। ওই চেকের টাকা রেলওেয়ের অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আত্মসাৎ করা হয়েছে।’

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনার কোনো কিনারা হয়নি দীর্ঘ ২৩ দিনেও। চিহ্নিত হয়নি টাকা আত্মসাৎকারীরা। এ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি রিপোর্টও দেয়নি। কোনো মামলাও হয়নি।

তদন্ত কমিটির প্রধান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জয়শ্রী মজুমদার রশ্মি বলেন, ‘আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে আমি কোনো কিছু বলতে পারব না। তদন্ত শেষ হলে বলা যাবে।’

একই বিষয়ে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাবরক্ষক ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল আসিফ বলেন, ‘তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ করতে আরও সময় লাগবে।’

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দপ্তর পাহাড়তলী থেকে পণ্য কেনার জন্য কোনো ধরনের টেন্ডার আহ্বান করা হয়নি। কেনা হয়নি কোনো পণ্যও। কিন্তু পণ্য কেনাকাটা হয়েছে বলে ভুয়া বিল-ভাউচার দাখিল করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘দ্য কসমোপলিটন করপোরেশন’-এর নামে ৩১ জানুয়ারি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল থেকে ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নেয়।

এদিকে টেন্ডার ছাড়া ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি জানাজানির পর পূর্বাঞ্চল রেলে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় ১১ ফেব্রুয়ারি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাব ও অডিট শাখার ৭ কর্মকর্তা–কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্ত হওয়া সাত কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন- রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাবরক্ষক মামুন হোসেন, মো. আবু নাছের, শিমুল বেগম, সৈয়দ সাইফুর রহমান, অডিটর পবন কুমার পালিত, জুনিয়র অডিটর ইকবাল মো. রেজাউল করিম ও অফিস সহায়ক মাকসুদুর রহমান।

পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারি চার সদস্যের কমিটি গঠন করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জয়শ্রী মজুমদার রশ্মিকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। এছাড়া হিসাবরক্ষক আব্দুল্লাহ আল আসিফকে সদস্যসচিব, সুগ্রীব চাকমা ও মো. জহিরুল ইসলামকে সদস্য করা হয়।

কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। একইসঙ্গে কমিটিকে বলা হয়েছিল, কসমোপলিটন করপোরেশনকে পরিশোধ করা বিলটি জরুরিভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন। কীভাবে বিলটি পাস ও পরিশোধ করা হলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে বিষয়ে সুপারিশ করতে হবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব অধিকর্তা মো. সাইদুর রহমান সরকার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পেলে সব পরিষ্কার হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, গেল অর্থবছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স দ্য কসমোপলিটন করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে রেলের বেশকিছু সরঞ্জাম কেনা হয়। এর মধ্যে চারটি কাজের বিল তিন কোটি ৬২ লাখ টাকা কসমোপলিটনকে পরিশোধের জন্য হিসাব বিভাগকে চিঠি দেন প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ফরিদ উদ্দীন। সে টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

তবে সমস্যা সৃষ্টি হয় এই টাকার বাইরে আরও ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে তুলে নেয়ায়। রেলওয়েকে কোনো পণ্য না দিয়েই এত টাকা নিয়ে যাওয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

গত ৩১ জানুয়ারি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হলেও ৮ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি জানতে পেরেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব অধিকর্তার দপ্তর (এফএঅ্যান্ডসিএও)। এ কাজে রেলের হিসাব বিভাগ থেকে শুরু করে ব্যাংকের কর্মীরাও জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

অপরদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কসমোপলিটন করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী নাবিল আহসান টাকা উত্তোলনের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘মালামাল সরবরাহ বাবদ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য টাকা গত ২৮ ডিসেম্বর চারটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে ভুয়া বিল-ভাউচারে পাঁচ নম্বর চেকটি অর্থাৎ ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে নেয়া হয়। এই চেক কসমোপলিটন করপোরেশনের পক্ষে কেউ গ্রহণ করেননি। ওই চেকের টাকা রেলওেয়ের অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এখানে আমাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
When the time comes BNP will prosecute all murders and disappearances Minu

সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: মিনু

সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: মিনু শুক্রবার নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সান্ত্বনা দেন মিজানুর রহমান মিনুসহ বিএনপির অন্যান্য নেতা। ছবি: নিউজবাংলা
মিজানুর রহমান মিনু শুক্রবার নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদ ও কারাবন্দি বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী সিটির সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ছয় শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। এসব ঘটনার বিচার হয়নি। সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি।’

শুক্রবার বিকেলে নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদ ও কারাবন্দি বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।

নওগাঁ পৌরসভার রজাকপুর এলাকায় নিহত কামাল আহমেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং রাজশাহীর সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, নওগাঁ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ রিপন, শেখ রেজাউল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ হায়দার, সদস্য সচিব রুহুল আমিন মুক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘কামাল আহমেদকে হত্যার ঘটনার পর তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি এই ঘটনার রহস্য পর্যন্ত উদঘাটন করতে পারেনি। অথচ নিহতের স্বজনেরা ও এলাকাবাসী সবাই জানে কামালকে নিহতের ঘটনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জড়িত। ঘাতকদের সবাই চেনে। বিএনপির সুসময় এলে এই হত্যার বিচার করা হবে। সব অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয়া হবে।’

এ সময় নিহত বিএনপি নেতা স্ত্রী ও সন্তানদের সান্ত্বনা দেন মিজানুর রহমান৷ দ্রুতই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাদেরকে আর্থিক অনুদানের আশ্বাস দেন তিনি।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে নওগাঁ-সান্তাহার সড়কের ইয়াদ আলীর মোড় এলাকায় কামাল আহমেদকে বহনকারী অটোরিকশার গতি রোধে হামলা করে হেলমেট ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক কামাল আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন নওগাঁ সদর থানায় নিহত কামাল আহমেদের ছেলে নবাব আলী অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত কামাল আহমেদ নওগাঁ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি। এছাড়া তিনি নওগাঁ জেলা ট্রাক বন্দোবস্তকারী কমিটির সাবেক সভাপতি।

এদিকে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলাম নওগাঁ কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। মতিবুল নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে: নজরুল
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী
একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জনগণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়: বিএনপি
ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চলবে: বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 hospital workers were arrested by beating mentally unstable people

মানসিক ভারসাম্যহীনকে ‘পিটিয়ে হত্যা’, ২ হাসপাতালকর্মী গ্রেপ্তার

মানসিক ভারসাম্যহীনকে ‘পিটিয়ে হত্যা’, ২ হাসপাতালকর্মী গ্রেপ্তার ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটালে ঢুকে পড়েন ভুক্তভোগী হান্নান শেখ। ছবি: নিউজবাংলা
গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে ভুক্তভোগী যুবক হান্নান শেখ প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় তলায় প্রবেশ করলে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ঢাকার সাভারে একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের স্টাফদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার দুই দিন পর প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের দুলাভাই ময়নুল ইসলাম লিয়াকত বাদী হয়ে শুক্রবার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে আশুলিয়ার কাঁইচাবাড়ি এলাকায় মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে ভুক্তভোগী হান্নান শেখ প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় তলায় প্রবেশ করলে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাঁইচাবাড়ী এলাকার মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তাকর্মী ৫৫ বছর বয়সী মো. মুসলিম ও একই এলাকার প্রতিষ্ঠানটির স্টাফ ২৮ বছর বয়সী মো. সাইফুল শেখ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পাবনা সদর থানার ভাড়ারা মধ্যজামুয়া এলাকার মোহাম্মদ আলী শেখের ছেলে ভুক্তভোগী হান্নান শেখ অনেক দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। গত ৭-৮ মাস আগে পাবনার নিজ বাড়ি থেকে হারিয়ে গেলে অনেক খোঁজ করেও সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনার পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে হান্নান শেখের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন স্বজনরা। পরে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে ভুক্তভোগী হান্নান শেখ মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটালের তৃতীয় তলায় প্রবেশ করেন। সে সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফরা তাকে চোর ভেবে ব্যাপক মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে হান্নান সঙ্গাহীন হয়ে পড়লে তাকে গুরুতর অবস্থায় আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে জানতে মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটালে গেলে প্রতিষ্ঠানটির কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আব্দুল মালেক ফায়েক বলেন, ‘আমি তো এখন ওখানে নেই। উকিল সাহেবের কাছে আছি। এখন কথা বলতে পারব না।’

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান বলেন, ‘হান্নান শেখ নামে এক যুবক মাউন্ট নার্সিং ইনস্টিটিউটের ভেতরে প্রবেশ করলে চোর সন্দেহে তাকে মারধর করেন হাসপাতালটির লোকজন। পরে তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবক মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।’

তিনি বলেন, ‘আজ ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় একটি হত্যা মামলা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটির এক নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are dozens of A League candidates in Chakaria in upazila elections

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চকরিয়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের যেসব নেতারা দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। কোলাজ: নিউজবাংলা
ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে নির্বাচনে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের ডজনখানেক প্রার্থীকে ভোটের মাঠ গরম করতে দেখা যাচ্ছে।

এসব নিয়ে দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া না হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলায় ব্যাপক কোন্দলের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত।

তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, এবারের উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের ‘নৌকা’ প্রতীক দেবে না দলটি। যার কারণে দলীয় প্রতীক পাওয়ার জন্য ঢাকায় তদবির চালিয়ে সময় নষ্ট না করে মাঠপর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে মনোযোগী হয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে এর মধ্যেও দলীয় সমর্থন আদায় করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন অনেকে। দলীয় সমর্থন পেলে ভোটে জয়ের পথ অনেকটা মসৃণ হয়ে যাবে বলে কারণ হিসেবে মনে করছেন তারা।

গণসংযোগসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যোগাযোগ বৃদ্ধি করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব তারা।

১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলার সবশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী। এবারও তিনি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ আমাকে চায়। দলীয় প্রতীক যেহেতু এবার নেই, তাই কে প্রার্থী হবে- সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণ আবারও প্রমাণ করবে, আমার বিগত দিনের সফলতা কী ছিল।’

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে যাদের নামে গুঞ্জন রয়েছে, তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক একেএম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরওয়ার আলম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরে হাবিব তছলিম, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন- বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পূজা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি হায়দার আলী ও বেলাল উদ্দিন শান্ত।

এদিকে, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে নির্বাচনি কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী বা নেতা-কর্মীর তৎপরতা দেখা যায়নি। জাতীয় পার্টির প্রার্থীদেরও দেখা মিলছেনা আপাতত। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে অনেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা স্থানীদের।

আরও পড়ুন:
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

p
উপরে