× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Life for 5 convicts in child abduction and murder
google_news print-icon

শিশুকে অপহরণ ও হত্যায় ৫ আসামির যাবজ্জীবন

শিশুকে-অপহরণ-ও-হত্যায়-৫-আসামির-যাবজ্জীবন
এপিপি বলেন, ‘দুই আসামি ওসমান ও সোহেল আদালতে ইমন হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তারা জানায়, ইমনের বাবা প্রবাসী হওয়ায় তাকে অপহরণ করলে অনেক টাকা পাওয়া যাবে বলে ধারণা করে। এ কারণে তারা ইমনকে তুলে নিয়ে যায়।’

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে শিশু ইমন হত্যা মামলায় ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো. এরফান উল্লাহ মঙ্গলবার দুপুরে তাদের এ রায় দেন।

দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন বেলকুচি উপজেলার চর মকিমপুর গ্রামের মো. ওসমান, মো. সোহেল, মো. কাওছার এবং তামাই গ্রামের আল-আমিন ও মো. হিরন।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন মো. আলহাজ ও মো. গোলাম।

বাদীপক্ষের এপিপি মশিউর রহমান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শিশু ইমন নিখোঁজ হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত টয়লেটে তার মরদেহ দেখে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় শিশুর চাচা সানোয়ার হোসেন শিশুর মা মমতা খাতুনের চাচা আলহাজসহ ৮ জনের নামে মামলা করেন। তাতে বলা হয়, মমতার সঙ্গে টাকার লেনদেন সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে ইমনকে হত্যা করা হয়।

এপিপি বলেন, ‘দুই আসামি ওসমান ও সোহেল আদালতে ইমন হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তারা জানায়, ইমনের বাবা প্রবাসী হওয়ায় তাকে অপহরণ করলে অনেক টাকা পাওয়া যাবে বলে ধারণা করে। এ কারণে তারা ইমনকে তুলে নিয়ে যায়। তবে শিশুটি অনেক চিৎকার করছিল বলে তার মুখ চেপে ধরে তারা। এক পর্যায়ে শিশুটি মারা যায়।

‘আদালতে তাদের জবানবন্দি ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এসব প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় দেন।’

আরও পড়ুন:
টয়লেট পেপার দিয়ে আত্মহত্যা ঠেকানোর চেষ্টা!
নওগাঁয় ধানক্ষেতে বৃদ্ধের মরদেহ
যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা
ছুরিকাঘাতে শ্রমিক খুন, সহকর্মী আটক
স্ত্রীকে হত্যায় মৃ্ত্যুদণ্ড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A youth was killed in a clash between the A League parties in Munshiganj

মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত সংঘর্ষের পর ওই গ্রাম থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। কোলাজ: নিউজবাংলা
ঘটনার পর পুলিশের অভিযানে একটি পাইপ গান, ৭ রাউন্ড কার্তুজ, একটি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও ৭টি হকিস্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ সদরের ছোট মোল্লাকান্দি গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশি অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ ও বুলেট প্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে পুলিশ গ্রামটিতে অভিযান চালায়।

এর আগে এদিন ভোরে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. ফয়সালের বিপ্লবের অনুসারী আহম্মেদ আলী ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের অনুসারী মো. মামুনের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটে।

এতে পারভেজ খান নামের ২০ বছর বয়সী এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান জানান, পুলিশের অভিযানে একটি পাইপ গান, ৭ রাউন্ড কার্তুজ, একটি বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও ৭টি হকিস্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিত্যক্ত অবস্থায় ওইসব আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fugitive accused in Natore rape case arrested

নাটোরে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নাটোরে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার গ্রেপ্তারকৃত সাজিদ আলী। ছবি: র‌্যাব
র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর বিকেলে প্রতিবেশী সাজিদ আলী ভুক্তভোগীকে কৌশলে নিজের ঘরে নিয়ে যান। পরে ঘরের দরোজা আটকে তাকে ধর্ষণ করেন তিনি।

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সাজিদ আলী নামের ধর্ষণ মামলার এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শনিবার সকালে র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

২১ বছর বয়সী সাজিদ উপজেলার ডাকারমারিয়া এলাকার বাসিন্দা।

নাটোর র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক আবদুল্লাহ মওদুদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর বিকেলে প্রতিবেশী সাজিদ আলী ভুক্তভোগীকে কৌশলে নিজের ঘরে নিয়ে যান। পরে ঘরের দরোজা আটকে তাকে ধর্ষণ করেন তিনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করলে আসামি সাজিদ আত্মগোপনে চলে যান।

পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি গ্রেপ্তারের জন্য র‌্যাবের সহযোগিতা চান। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব সদস্যরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সাজিদ আলীর অবস্থান শনাক্ত করেন।

শেষ পর্যন্ত শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মাল্লাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। পরে গ্রেপ্তারকৃত সাজিদকে বাগাতিপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন:
কিশোর গ্যাংয়ের হাত থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আহত সেই বাবা মারা গেছেন
মাদারীপুরে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার
সর্বহারা নেতা রাজ্জাক হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৫
বন কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার
বান্দরবানে কেএনএফের তিন সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hard stone Vishnu idol recovered in Munshiganj

মুন্সীগঞ্জে কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জে কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল দশটার দিকে রামপালের খানকা দালালপাড়া এলাকায় ফসলি জমির পাশে রাস্তা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদরের রামপালে এক কৃষকের কাছ থেকে প্রায় ৩৭ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের একটি বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূর্তিটির আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ কোটি টাকা।

শনিবার সকাল দশটার দিকে রামপালের খানকা দালালপাড়া এলাকায় ফসলি জমির পাশে রাস্তা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, তিনদিন আগে ফসলি জমি থেকে মূর্তিটি পাওয়া গেলেও বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করেন ওই কৃষক।

জমির মালিক মো. রিপন জানান, গত ১০ এপ্রিল খানকা দালালপাড়া এলাকায় তাদের ফসলি জমিতে মাটি কাটার সময় কৃষক খোরশেদ ৬ ইঞ্চি গভীর থেকে মূর্তিটি দেখতে পেয়ে বাসায় নিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ভয়ে নিজেই পুলিশকে খবর দেন তিনি।

খোরশেদকে জমিটি বাৎসরিক ফিসের বিনিময়ে চাষাবাদের জন্য দেয়া হয়েছিলো বলেও জানান তিনি।

হাতিমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক এনামুল হক জানান, মূর্তিটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে মূর্তিটি হস্তান্তর করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Schoolboy dies after falling from brick laden tractor

ইটবোঝাই ট্রাক্টর থেকে পড়ে যাওয়া স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ইটবোঝাই ট্রাক্টর থেকে পড়ে যাওয়া স্কুলছাত্রের মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত
নিহতের দুলাভাই বিজয় অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিবেশি হাবিবুল্লাহ টাকার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে তাকে একপ্রকার জোর করে ডেকে নিয়ে যায়। বুধবার সকাল ৮টায় দুর্ঘটনা ঘটলেও হেদায়েত উল্লাহ বিষয়টি লুকিয়ে রাখেন।’

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ইটবোঝাই ট্রাক থেকে পড়ে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থী ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকার প্রবাসী মোহাম্মাদ আলীর ১৪ বছরের ছেলে মেহেদী হাসান মৃদুল।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

স্থানীয় ও মৃদুলের স্বজনরা জানান, সে কালিকাপ্রসাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১০ এপ্রিল প্রতিবেশি ট্রাক্টর মালিক হাবিবুল্লাহর ভাই হেদায়েত উল্লাহ নামের এক ব্যক্তি মৃদুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে জেলার কুলিয়ারচর উসমানপুর এলাকায় ট্রাক্টর থেকে পড়ে গিয়ে গুরুত্বর আহত হয় সে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

নিহতের দুলাভাই বিজয় অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিবেশি হাবিবুল্লাহ টাকার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে তাকে একপ্রকার জোর করে ডেকে নিয়ে যায়। বুধবার সকাল ৮টায় দুর্ঘটনা ঘটলেও হেদায়েত উল্লাহ বিষয়টি লুকিয়ে রাখেন। এরপর বেলা ১২টায় অন্য মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা বাজিতপুর হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে ডাক্তার তাকে ঢাকায় প্রেরণ করে। পরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়।’

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানা ওসি মো. সারোয়ার জাহান বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়তদন্ত শেষে ভৈরবে আনতে বলা হয়েছে। এই বিষয়ে নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু
নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক
গুলশানে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় ইউনাইটেড হাসপাতালের কর্মী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Woman killed by lover in Panchgarh

পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে নারী খুন

পঞ্চগড়ে প্রেমিকের হাতে নারী খুন ফাইল ছবি
শাহনাজের স্বামী মজিদ গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকতেন। বছর দুয়েক আগে প্রতিবেশী রাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহনাজ। একসময় অজানা কারণে তাদের প্রেম ভেঙ্গে যায়।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে প্রেমিকের হাতে শাহনাজ পারভীন নামে এক নারী খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দুই সন্তানের মা ওই নারীকে হত্যার পর ওই যুবক পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ঈদের সকালে দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের মতিয়ারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

২৫ বছর বয়সী শহনাজ পরভীন ওই এলাকার আব্দুল মজিদের স্ত্রী। এ দম্পতির ঘরে ৬ বছরের একটি মেয়ে ও একটি ৪ মাস বয়সী এক সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, শাহনাজের স্বামী মজিদ গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন স্থানে কাজ করার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকতেন। বছর দুয়েক আগে প্রতিবেশী রাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহনাজ। একসময় অজানা কারণে তাদের প্রেম ভেঙ্গে যায়।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে স্বামীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগাহে গেলে আগে থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঁৎ পেতে থাকা রাজু শাহনাজের বাড়িতে যান। সেখানে শাহনাজের বড় মেয়ের সামনেই শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গলা কেটে শুহনাজের মৃত্যু হয়।

এদিকে শিশুটির কান্না ও চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে শাহনাজের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা পুলিশে খবর দেন।

দেবীগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘মরদেহের পাশ থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাকত রাজুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে একইসঙ্গে আইনগত বিষয়ও প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ
ঈদে বাড়ি যেতে দেরি হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে অভিমানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case in Sadarghat 5 deaths

সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা

সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা করেছেন।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা করেছেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মামুন অর-রশিদ।
তিনি জানান, দুই লঞ্চের মাষ্টার ও ম্যানেজারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অবহেলাজনিত বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালানোর কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওসি জানান, এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই পাঁচজনকে আটক করা হয়। এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাষ্টার (চালক) আব্দুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাষ্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাষ্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮), দ্বিতীয় শ্রেণির মাষ্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোদাচ্ছের হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ঢাকা নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পল্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করে থাকা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬ এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ ৫ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

মিডফোর্ড হাসপাতালে লাশের সুরতহালের দায়িত্বে থাকা সদরঘাট নৌ থানার এসআই কুমারেশ ঘোষ জানান, এক লঞ্চকে আরেক লঞ্চ ধাক্কা দেয়। ওই ধাক্কায় লঞ্চের মোটা রশি ছিঁড়ে মানুষের গায়ে ধাক্কা লেগেছে। আর এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাটে দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ফারহান-৬ লঞ্চটি জোরে পার্কিং করতে যাওয়ায় তাসরিফের রশি ছিঁড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। এ দুর্ঘটনার পর এমভি ফারহান ও এমভি টিপুর যাত্রা বাতিল করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেছি।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ১১ নম্বর পন্টুনের সামনে ঢাকা থেকে ভোলাগামী এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি টিপু-১৩ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে পন্টুনে নোঙর করা ছিল। লঞ্চ দুটির মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় এম ভি ফারহান-৬ লঞ্চটি এম ভি টিপু-১৩ কে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে এম ভি টিপু-১৩ ধাক্কা দেয় এম ভি তাসরিফ-৪-কে। এ সময় এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়।

ছিঁড়ে যাওয়া সেই দড়িটিই পন্টুনের আশপাশে থাকা পাঁচজনকে সজোরে আঘাত করে। সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)। তারা তিনজন একই পরিবারের সদস্য। বাকি দুজন হলেন পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন হাওলাদার (৩৮) এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে রবিউল (১৯)।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিএর ক্রয় ও সংরক্ষণ পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম কমিটির আহ্বায়ক, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন কমিটির সদস্য।

কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ হতে প্রতি মৃত ব্যক্তির নমিনির কাছে দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হওয়া ৪ কিশোরের প্রাণ গেল সড়কে
সদরঘাটে দুর্ঘটনা: দুই লঞ্চের মাস্টার ম্যানেজারসহ পাঁচজন আটক
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি, দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of businessman injured in beating in Teknaf

টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু কক্সবাজারের টেকনাফে মারধরে নিহত হন জুতা ব্যবসায়ী সাবের। ছবি: সংগৃহীত
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, এ ঘটনায় সাবেরের বড় ভাই বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভায় পিটুনিতে আহত এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মারধরে প্রাণ হারানো ব্যবসায়ীর নাম মোহাম্মদ সাবের (৩৫), যিনি টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

টেকনাফ পৌরসভা বার্মিজ মার্কেটে জুতার দোকান ছিল সাবেরের।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে বৃহস্পতিবার সাবেরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মৌলভী মোহাম্মদ সাদেক বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় কথাকাটাকাটির জেরে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা মো. ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে সাবেরকে দোকান থেকে বাইরে এনে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেন। পরে সাবেরকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য আরেকটি হাসপাতালে নেয়ার পথে সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সাবেরের বড় ভাই মৌলভী সাদেক বলেন, ‘মারা যাওয়ার আগে আমার ভাই হামলার বর্ণনা দিয়েছেন। হামলারকারীদের নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ ইয়াসিন।

‘এ ঘটনায় হয়ে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। ইয়াসিনকে প্রধান করে একটি হত্যা মামলা করা হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, এ ঘটনায় সাবেরের বড় ভাই বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন:
নওগাঁয় অতিরিক্ত মদ পানে তিন বন্ধুর মৃত্যু: চিকিৎসক
পুলিশ হেফাজতে সাবেক যুবদল নেতার মৃত্যু, ওষুধ খেতে না দেয়ার অভিযোগ পরিবারের
মাগুরায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ নদীতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু
দুর্বৃত্তের হামলায় পা বিচ্ছিন্ন হওয়া যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

p
উপরে