× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The mayor held a lottery for allotment of shops
hear-news
player
google_news print-icon

দোকান বরাদ্দে লটারি করলেন মেয়র

দোকান-বরাদ্দে-লটারি-করলেন-মেয়র
লটারি করছেন ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র বলেন, দোকান বরাদ্দে আগে নানাবিধ অনিয়ম হয়েছে। বহুবিধ জটিলতার সম্মুখীন হয়েছেন অনেকে। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আমরা দোকান বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস প্রকাশ্য লটারির মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোর প্রাঙ্গণে এ লটারি হয়।

ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা, ঢাকেশ্বরী মন্দির রোডসাইড মার্কেট ও আজিমপুর আধুনিক নগর মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়।

মেয়র বলেন, দোকান বরাদ্দে আগে নানাবিধ অনিয়ম হয়েছে। বহুবিধ জটিলতার সম্মুখীন হয়েছেন অনেকে। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আমরা দোকান বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছি।

প্রতারণা ও জালিয়াতি সম্পর্কে আপনারা সজাগ থাকবেন। সন্দেহ হলে তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি আমাদের অবগত করবেন। অবৈধ উপায়ে কেউ দোকান বরাদ্দ দিতে পারবে না। সকলের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে তা নির্ধারণ হবে।

ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকের সঞ্চালনায় লটারি কার্যক্রমে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকরামুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন, বাবর আলী মীর, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন বিশ্বাসসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লটারিতে মোট ২৩৫ জনকে দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
নীলক্ষেত তুলা মার্কেটে ১৫০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ
অদক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান শুরু
রেড জোনে ফের উচ্ছেদ
গুলিস্তানে সহস্রাধিক হকার উচ্ছেদ 

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Even during the crisis fruit import has increased 3 and a half times

সংকটকালেও ফল আমদানি বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ

সংকটকালেও ফল আমদানি বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ ফ্রেশ ফ্রুটস ক্যাটাগরিতে রয়েছে আপেল, কমলা, নাশপাতি, আঙুর, মাল্টা, মান্দারিন, আনার, ড্রাই চেরি, ড্রাগন ও স্ট্রবেরিসহ ৫২ রকমের ফল। ছবি: নিউজবাংলা
সব ধরনের ফল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয় ব্যাংকের ঋণসুবিধা। কিন্তু সুস্বাদু ও পুষ্টিকর আপেল, আঙুর, কমলা, মাল্টাসহ কোনো ফলের আমদানিই কমেনি। বরং প্রতি মাসে আগের মাসের তুলনায় তা বেড়ে চলেছে।

দেশে ডলার সংকটের মধ্যে মে মাসে ফল আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে সরকার। জুলাইতে বন্ধ করে দেয়া হয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংকের ঋণসুবিধা। মনে করা হচ্ছিল, এসবের প্রভাবে দাম বেড়ে যাওয়ায় ফলের আমদানি কমে আসবে। কিন্তু ঘটেছে তার উল্টোটা। কমেনি, বরং আরও বেড়েছে ফলের আমদানি।

সুস্বাদু ও পুষ্টিকর আপেল, আঙুর, কমলা, মাল্টাসহ কোনো ফলের আমদানি কমেনি। প্রতি মাসে আগের মাসের তুলনায় তা বেড়ে চলেছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের পঞ্চম মাস নভেম্বরে প্রথম মাস জুলাইয়ের চেয়ে বিভিন্ন ধরনের ফল আমদানি ৬১ হাজার ৫৪০ মেট্রিক টন বেশি হয়েছে। শতকরা হিসাবে যা ২২০ শতাংশ বেশি।

জুলাইয়ে ফল আমদানি হয়েছিল ২৭ হাজার ৯৪৫ টন। নভেম্বরে তা প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেড়ে ৮৯ হাজার ৪৮৪ টনে উঠেছে।

নভেম্বর মাস শেষ হওয়ার কয়েক দিন আগে তথ্য সংগ্রহ করায় পুরো মাসের আমদানির হিসাব পাওয়া যায়নি। পুরো মাসের হিসাব করলে ব্যবধানটা আরও বাড়বে।

সংকটকালেও ফল আমদানি বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘ফ্রেশ ফ্রুটস’ ও ‘ড্রাই ফ্রুটস’- এই দুই ক্যাটাগরিতে দেশে সব ধরনের ফল আমদানি করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘ফ্রেশ ফ্রুটস’ ও ‘ড্রাই ফ্রুটস’- এই দুই ক্যাটাগরিতে দেশে সব ধরনের ফল আমদানি করা হয়। ড্রাই ফ্রুটস ক্যাটাগরিতে খেজুর, কিশমিশ ও বাদাম আমদানি করা হয়। ফ্রেশ ফ্রুটস ক্যাটাগরিতে রয়েছে আপেল, কমলা, নাশপাতি, আঙুর, মাল্টা, মান্দারিন, আনার, ড্রাই চেরি, ড্রাগন, স্ট্রবেরিসহ ৫২ রকমের ফল।

এসব ফল আমদানি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, নিউজিল্যান্ড, মিসর, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ভারত, থাইল্যান্ড, তিউনিশিয়া, পোল্যান্ড ও ব্রাজিল থেকে।

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক রাকিব হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের চাহিদার ৪০ শতাংশের মতো ফল দেশেই উৎপাদন হয়, বাকিটা আমদানি করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমদানি করা এসব ফলের উৎপাদন দেশে নেই বললেই চলে। এ কারণে এসব ফলের প্রায় সবটাই আমদানি করে চাহিদা পূরণ করা হয়। সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়ে থাকে আপেল, কমলা, আঙুর ও মাল্টা।’

চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর দেশে বিপুল পরিমাণ ফল আমদানি করতে হয়। এর জন্য ব্যয় হয় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে। এই চাপ সামাল দিতে ব্যয় সংকোচনের জন্য নানা পদক্ষেপ নেয় সরকার। সেই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে আমদানি ব্যয় কমাতে নেয়া হয় বিভিন্ন পদক্ষেপ। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ যাতে আরও কমে না যায়, সে জন্য নেয়া হয় এ সব পদক্ষেপ।

সংকটকালেও ফল আমদানি বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ

জুলাইতে বন্ধ করে দেয়া হয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংকের ঋণ সুবিধা। তবে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর আপেল, আঙুর, কমলা ও মাল্টাসহ কোনো ফলের আমদানি কমেনি। ছবি: নিউজবাংলা

২৪ মে অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসজাত পণ্যের পাশাপাশি সব ধরনের ফল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বা রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) আরোপ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

তার আগে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কহার ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। এরপর সেটি দাঁড়ায় ২৩ শতাংশে। প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকেই তা কার্যকর করা হয়।

ফল আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি (সিডি) ২৫ শতাংশ, ভ্যাট ১৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ এবং অ্যাডভান্স ট্রেড ভ্যাট ৪ শতাংশ নির্ধারিত ছিল।

ওই ঘোষণার পর থেকে এর সঙ্গে বাড়তি ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক পরিশোধ করতে হয় আমদানিকারকদের।

এত সব বিধিনিষেধের পরেও ধারাবাহিকভাবে ফল আমদানি বেড়েছে। জুলাই মাসে ফল আমদানি হয় ২৭ হাজার ৯৪৫ মেট্রিক টন। আগস্টে ৭ হাজার ৫৩৯ মেট্রিক টন বেড়ে ফল আমদানি হয় ৩৫ হাজার ৪৮৫ মেট্রিক টন।

আগস্টের তুলনায় ১০ হাজার ৩০৬ মেট্রিক টন আমদানি বৃদ্ধি পায় সেপ্টেম্বরে। আমদানি হয় ৪৫ হাজার ৭৯১ মেট্রিক টন ফল।

অক্টোবরে আমদানি দাঁড়ায় ৫৩ হাজার ৬৮১ মেট্রিক টনে, যা আগের মাসের তুলনায় ৭ হাজার ৮৯১ মেট্রিক টন বেশি।

নভেম্বরে আমদানি হয়েছে ৮৯ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন, যা আগের মাসের তুলনায় ৩৫ হাজার ৮০৩ মেট্রিক টন, যা প্রায় ৬৭ শতাংশ বেশি।

এই তথ্যে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের চেয়ে সদ্য শেষ হওয়া নভেম্বর মাসে ২২০ শতাংশের বেশি ফল আমদানি হয়েছে। অর্থাৎ জুলাই মাসের চেয়ে নভেম্বরে ফল আমদানি বেড়েছে ৬১ হাজার ৫৩৪ টন।

তবে গত বছরের তুলনায় এই সময়ে ফল আমদানি কমেছে ১৭ শতাংশের বেশি। গত বছর জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে ফল আমদানি হয় ৩ লাখ ৪ হাজার ৯১৭ দশমিক ২২ মেট্রিক টন।

সংকটকালেও ফল আমদানি বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ

ফ্রেশ ফ্রুটস ক্যাটাগরিতে আপেল, কমলা, নাশপাতি, আঙুর, মাল্টা, আনার, ড্রাই চেরি, ড্রাগন ও স্ট্রবেরিসহ ৫২ রকমের ফল আমদানি করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

বিপরীতে চলতি বছর আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৮৬ দশমিক ৯১ মেট্রিক টন, যা আগের বছরের তুলনায় ৫২ হাজার ৫৩০ দশমিক ৩১ মেট্রিক টন বা ১৭ দশমিক ২২ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, ‘ডলারের দাম বেড়ে গেছে। অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়েছে। আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে, ফলেও দাম বেশি পড়ছে।

বেশি দামে বিক্রি করতে গেলে মানুষ কিনছে না। তার ওপর ডলার সংকট থাকায় আমদানির এলসি খুলতেও সমস্যা হচ্ছে। তাহলে আমদানি কমবে না কেন? তাই ফল আমদানি কমেছে।’

আমদানির পরিসংখ্যান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সারা দেশে আমাদের সংগঠনের সদস্য রয়েছে। যে যার প্রয়োজন মতো আমদানি করে। কত আমদানি হচ্ছে সেটার হিসাব আমাদের কাছে নেই, রাখাও সম্ভব নয়। সদস্যরা বিভিন্নভাবে আমদানি ও বিক্রি করে থাকে।’

ফল আমদানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি ছিল না বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জিএম আবুল কালাম আজাদ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ফলের ওপর বা কমার্শিয়াল এলসির ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল না বা নেই। এক্সটার্নাল সাইডে অসুবিধার কারণে ডলারের যে ডিমান্ড, সাপ্লাইয়ে সমস্যার কারণেই একটু সমস্যা হতে পারে। তবে কেউ যদি ওপেন করে বিধিনিষেধ নেই, কারণ এটা হলো খাদ্যদ্রব্য।’

তিনি বলেন, ‘আমদানি যে হচ্ছে, তা আশপাশের ছোটোখাটো দোকানে ফলের সমারোহ দেখলেই বোঝা যায়। আজকেও কমলা কিনলাম ২০০ টাকা কেজি। ভালো এবং অনেক বড় বড় কমলা। তার মানে যতটা চিন্তা করা হচ্ছে, অবস্থা ততটা খারাপ নয়। আমদানিতে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি।’

অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও ফলের ক্রেতা কমেনি। মতিঝিলের খুচরা ফল বিক্রেতা সালমান ইসলাম বলেন, ‘ফলের সরবরাহও আছে, ক্রেতাও আছে। দাম বেশি। বিক্রি একটু কম। তাই বলে ক্রেতা নাই, এমন না।’

তিনি বলেন, ‘আগের বছর বাজারে যে পরিমাণ আমদানি হতো, তার চেয়ে কম হচ্ছে। এইটা পাইকারি বাজারে গেলেই বোঝা যায়। আগের যেখানে ১০ ট্রাক মাল নামতে দেখা যেত, সেখানে ৭ ট্রাক দেখা যায়।’

আমদানিকারক সংগঠনের নেতা রাকিব হোসেন বলেন, ‘ফল খাওয়া বিলাসিতা নয়। এটা মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজন। এ জন্য মানুষ এটাকে আর বাড়তি খরচ মনে করে না। এ জন্য ফলের চাহিদা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শুল্কারোপ ও ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে খরচ বেড়েছে ফল আমদানিতে, যার কারণে প্রতিটি ফলের দামই বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় বিক্রি কিছুটা কম, আমদানিও কম। তবে ক্রেতা এখনও আছে।’

আমদানি খরচ বৃদ্ধির প্রভাবে ফলের দাম বেড়েছে। খুচরা বাজারে ফল কেজিতে বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা বিক্রেতা ইলিয়াস হোসেন কিরণ বলেন, ‘ফুজি আপেল আগে বিক্রি করতাম ১৮০ টাকা কেজি, সেটা এখন ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। মাল্টা ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সেটা এখন ২৫০০ টাকা। কমলার কেজি ছিল ১২০ টাকা, বর্তমানে সেটা ২০০ টাকা কেজি। এখন মৌসুম শুরু হয়েছে। ভারতীয় কমলা আসতে শুরু করেছে। দাম হয়তো একটু কমতে পারে।’

ক্রেতা জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘ফলের দাম তো অনেক বেশি। আগের তুলনায় কম কিনি। পরিবারের সদস্যদের পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য না কিনে উপায় নেই।’

আরও পড়ুন:
দেরিতে আমদানি মূল্য পরিশোধের সুযোগ বাড়ল
বিশ্ববাজারে সারের পড়তি দামে স্বস্তি, আমদানি হচ্ছে ২ লাখ টন
আমদানি বিল যথাসময়ে পরিশোধ না করলে লাইসেন্স বাতিল
ব্যাংকগুলোকে আমদানি পণ্যের মূল্য যাচাইয়ের নির্দেশ
সরকারিভাবে পণ্য আনার আগেই ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hatil wants to increase the export market

রপ্তানির বাজার বাড়াতে চায় হাতিল

রপ্তানির বাজার বাড়াতে চায় হাতিল হাতিল ফার্নিচারের অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
‘২০২১-২০২২ অর্থবছরে আমাদের ফার্নিচার রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১০ মিলিয়ন ডলার। আগের বছরের তুলনায় এটা ৩৯ শতাংশ বেশি। সম্ভাবনাময় এই খাতের উন্নয়নের গতি এখনও মন্থর।’

দেশের বাজারে ক্রেতাদের আসবাবের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির বাজার বাড়াতে চায় হাতিল ফার্নিচার।

রাজধানীতে শনিবার ডিলার্স কনফারেন্স করে হাতিল। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘করোনা মহামারী মোকাবিলা করে দেশের ফার্নিচার শিল্প সফলতার সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে আছে সরকারের আন্তরিকতা, ফার্নিচার শিল্পের উদ্যোক্তাদের নিষ্ঠা এবং দেশের ক্রেতা-সাধারণের অকুন্ঠ সমর্থন।

‘বিশ্ববাজারে শিল্পখাতটির যে বিপুল সম্ভবনা, তার খুব সামান্য অংশের বাস্তবায়ন ঘটেছে। বিশ্বজুড়ে ফার্নিচার ব্যবহারের ট্রেন্ড দেখলে বোঝা যায় প্রতিবছর মার্কেট বড় হচ্ছে। ২০২১ সালে গ্লোবাল ফার্নিচার মার্কেটের সাইজ ছিল প্রায় ৬৫০ বিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালে এই মার্কেটর সাইজ ধারণা করা হয় প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলার।’

হাতিল চেয়ারম্যান বলেন, ‘২০২১-২০২২ অর্থবছরে আমাদের ফার্নিচার রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১০ মিলিয়ন ডলার। আগের বছরের তুলনায় এটা ৩৯ শতাংশ বেশি। সম্ভাবনাময় এই খাতের উন্নয়নের গতি এখনও মন্থর।’

অনুষ্ঠানে হাতিলের পরিচালক মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান, মশিউর রহমান এবং সফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

হাতিল একমাত্র বাংলাদেশি ব্র্যান্ড যাদের বিদেশে সর্বোচ্চ সংখ্যক আউটলেট আছে। দেশব্যাপী ৭০টির অধিক শো-রুমের মাধ্যমে কোম্পানিটি ক্রেতাদের সমসাময়িক আসবাবের চাহিদা মেটাচ্ছে। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে।

সম্প্রতি ভারতে চালু হয়েছে হাতিলের ২৮তম শোরুম। ভারতের মিজোরাম, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাব, হরিয়ানা, জম্মু ও কাশ্মীর এবং চণ্ডিগড়সহ বিভিন্ন রাজ্যে শোরুম আছে তাদের। পাশাপাশি ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে দুটি শোরুম আছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং ইউরোপেও ফার্নিচার রপ্তানি করে হাতিল।

আরও পড়ুন:
হাতিলের শোরুম মতিঝিলে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
LPG Price increased for 12 kg cylinder

ফের বাড়ল এলপিজির দাম

ফের বাড়ল এলপিজির দাম দোকানে সাজিয়ে রাখা এলপিজি সিলিন্ডার। ফাইল ছবি
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজির ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৪৬ টাকা। সেই হিসাবে এখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫১ টাকার জায়গায় হয়েছে ১ হাজার ২৯৭ টাকা।

টানা দ্বিতীয়বার দেশে বাড়ল রান্নায় ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৪৬ টাকা। সেই হিসাবে এখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫১ টাকার জায়গায় হয়েছে ১ হাজার ২৯৭ টাকা।

ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে রোববার নতুন দাম ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সচিব খলিলুর রহমান খান, সদস্য মকবুল-ই-ইলাহি, আবু ফারুকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিইআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নভেম্বর মাসের জন্য প্রতি টনে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের ঘোষিত সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) ৬১০ ডলার। ডিসেম্বর মাসে তা বেড়ে ৬৫০ ডলার হয়েছে। প্রোপেন ও বিউটেনের ৩৫:৬৫ অনুপাত অনুযায়ী প্রতি টনে গড় সৌদি সিপি ৬৫০ ডলার বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করেছে কমিশন।

বিইআরসি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বলেন, গত মাসের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে।

তিনি জানান, ১৬টি প্রতিষ্ঠানের এলসি সেটেলমেন্টের ভিত্তিতে ডলারের দাম ধরা হয়েছে ১০৫ টাকা ২২ পয়সা, যা গত মাসের তুলনায় ১ টাকা ৩ পয়সা কম। গত মাসে ছিল ১০৬ টাকা ২৫ পয়সা।

এর আগে নভেম্বরে ও কেজি প্রতি ৪.২৫ টাকা দর বাড়ে এলপিজির। ১২ কেজির সিলিন্ডার ১২শ টাকা থেকে বেড়ে দাড়ায় ১২৫১ টাকা। অক্টোবরে যা ছিল ১২০০ টাকা।

টানা কয়েকমাস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর মে মাসে থেকে কমতে থাকে এলপিজি গ্যাসের দাম। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ন্ত গ্যাসের দাম এপ্রিলে (১২ কেজি) গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৩৯ টাকায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় এ বছর।

এপ্রিল মাসে (সৌদি আরামকো) সর্বোচ্চ দর ওঠে প্রোপেন ৯৪০ বিউটেন ৯৬০ ডলার। ২০১৪ সালের পর আর কখনও এতো বেশি দরে বেচাকেনা হয়নি বাংলাদেশে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত জ্বালানিটি।

২০২১ সালের ১২ এপ্রিলের আগে পর্যন্ত এলপিজির দর ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন বলা হয়েছিল, আমদানি নির্ভর এই জ্বালানির সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তি মূল্য ধরা হবে। সৌদির দর উঠানামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠানামা করবে। অন্য কমিশন অরপরিবর্তিত থাকবে। ঘোষণার পর থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।

এলপিজি আমদানিকারকরা অপরেশনাল কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। এ নিয়ে ১১টি কোম্পানি বিইআরসিতে লিখিত আবেদন দেয়। তাদের দাবি হলো, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় জাহাজ ভাড়া বেড়েছে, অভ্যন্তরীণ রুটেও ভাড়া বেড়েছে।

সম্প্রতি কমিশনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে তারা। সেখানে গণশুনানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোম্পানিগুলো আবেদন জমা দিলেই গণশুনানি গ্রহণ হবে।

আরও পড়ুন:
আখাউড়া দিয়ে ত্রিপুরায় গেল ৩৬ টন এলপিজি
তিন মাস বাড়ার পর কমল এলপিজির দাম
‘যুদ্ধের প্রভাবে’ আবার বাড়ল এলপিজির দর
এলপিজির দাম সিলিন্ডারে বাড়ল ১৫১ টাকা
এলপিজির দাম সিলিন্ডারে বাড়ল ৬২ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If you keep the price of sugar high you will go to jail Commerce Minister

চিনির দাম বেশি রাখলে জেলে যেতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

চিনির দাম বেশি রাখলে জেলে যেতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি। ফাইল ছবি
টিপু মুনশি বলেন, ‘আপনারা দেখছেন আমাদের ভোক্তা অধিকার বিভিন্ন জায়গায় হানা দিচ্ছে, জরিমানা করছে৷ এখন আমরা চিন্তা করছি, এর বাইরে যদি প্রয়োজন হয় জেলের ব্যবস্থা করে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।’

সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কেউ বেশি দামে চিনি বিক্রি করলে তাকে প্রয়োজনে কারাগারে পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সচিবালয়ে এক সভা শেষে রোববার তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানান। গত নভেম্বরে চিনির দাম নির্ধারণ করে দেয়ার পরও তা বাস্তবায়ন না হওয়ার বিষয়ে জানতে চান সাংবাদিকরা।

মন্ত্রী বলেন, ‘একটা কথা ঠিক, বাজারে যারা ব্যবসায়ী তারা ফেরেশতা না। কিন্তু আমরা যে দাম নির্ধারণ করে দেই, সেটা দিতে হবে তা কিন্তু নয়। দাম কত হওয়া উচিত সেটা নির্ধারণ করে দেই। তার পরও দেখি কোথাও কোথাও চিনি নিয়ে সুবিধা নিয়েছে। তবে আমাদের কাগজপত্র বলে প্রচুর পরিমাণ চিনি রয়েছে, পাইপলাইনেও আছে৷’

টিপু মুনশি বলেন, ‘আপনারা দেখছেন, আমাদের ভোক্তা অধিকার বিভিন্ন জায়গায় হানা দিচ্ছে, জরিমানা করছে৷ এখন আমরা চিন্তা করছি এর বাইরে যদি প্রয়োজন হয় জেলের ব্যবস্থা করে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘চিনির দামটা যেটুকু বেশি আছে, সেটা কমে আসবে। আজকে একটু কথা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে যে আসছে তাকে বলেছি, চিনির ওপর ডিউটি যদি একটু কমানো যায় বা কনসিডার করা যায় তাহলে দামের ওপর প্রভাব পড়বে বা দাম কমে যাবে।

‘আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ চিনি আছে। অন্য বছরের তুলনায় প্রচুর চিনি রয়েছে। আর আমদানি তো ওপেন আছে৷ বাজারে যা মজুত আছে, সেটা কোনো অবস্থায় দেশের জন্য বিপজ্জনক নয়। আমরা শুধু সাধারণ মানুষ যাতে কম দামে চিনি পায়, সে ব্যবস্থা করছি।’

গত মাসে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চিনি ও তেলের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০২ ও প্যাকেটজাত চিনি ১০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে বাজারে সেই নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে না।

দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটা ভোক্তা অধিকার আছে, তারা সেটা দেখছে। আমরা আমাদের মতো করে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। কে কী বলেছে, সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আমার দেখার বিষয় যে দাম হওয়া উচিত, যেটা নির্ধারণ করা হয়েছে সেটা।’

তিনি বলেন, ‘যারা চিনি উৎপাদন করে তাদের নিয়মিত গ্যাস সাপ্লাই দরকার। সেখানে সমস্যা হলে তারা আর কাজ করতে পারবে না। আমরা সবাই জানি, কোথাও কোনো না কোনো সমস্যা আছে। আজকে সব কিছু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরো ভালো করে দেখার জন্য আমরা চিন্তা করেছি, কিছু নির্ধারিত নির্দেশনা দিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি করা হবে। শিগগিরই এই কমিটি করা হবে।

‘এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংককেও বলেছি, তারা যদি একটি ক্রাইসিস সেল খোলে। এই সেল দেখবে কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে। কেননা আমরা লক্ষ্য করছি, যতটা না সমস্যা হচ্ছে, তার থেকে বেশি অপপ্রচার হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘পত্রিকায় আসছে ১০০টি এলসি বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও বলেছে। এ দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার এলসি হয়। এই ১০০টি এলসি বন্ধ হলো যে কারণে সেটা হলো, প্রতিটিই ছিল অতিমূল্যের জন্য। এই ১০০টির নিউজ বেশি করে হলো। অথচ ৯০০টি যে ভালোভাবে হলো, সেটা কেউ প্রচার করল না। এখানে সচেতন হতে হবে।

‘দেশে যদি কোনো আগাম পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সে জন্য প্রতি তিন মাসে আমরা এই কমিটির একটি সভা করব। আজকের আলোচনায় অনেক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা বলেছেন, তাদের এলসি ওপেন নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। আজকের আলোচনায় যে যে সমস্যার কথা বলেছেন, যে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রিলেটেড সেগুলো সব কিছু বাণিজ্যসচিব নোট করেছেন। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আমাদের কর্মকর্তাদের পাঠাব৷ কোথায় কী অ্যাকশন নিয়ে কাজ হবে, প্রয়োজনে তাদের চিঠি দেব।’

আসন্ন রমজানে যাতে কোনো সমস্যা না হয়- এ জন্য প্রস্তুতি নেয়ার কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আলোচনায় আরেকটি বিষয় উঠে আসছে, সেটা হলো রমজান আগামী মার্চ মাসে শুরু হবে৷ সে সময় যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে জন্য এলসিসহ অন্য বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা দেখবেন বলে জানিয়েছেন। আমরা এসব বিষয়ে সতর্ক রয়েছি। শিগগিরই আমরা বড় বড় ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসব। কোনো অবস্থায় রমজান মাসে সাধারণ ভোক্তারা যাতে বিপদ-আপদ বা সমস্যায় না পড়ে, সে বিষয়ে সতর্ক নজর রয়েছে।’

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে এলসি খোলা সংকট, এর মধ্যে সামনে রমজান মোকাবিলায় কী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রমজান মাসকে সামনে রেখে আজকে রাতারাতি সব কিছু বদলে দেয়া যাবে না। আজকের অবস্থা, বৈশ্বিক সব কিছু ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কী আছে, সব কিছু আপনারা জানেন। আমরা অন্তত যে দাম আসছে, সেটাকে কনসিডারেশনে নিয়ে বা লোকসান করে কেউ বিক্রি করবে না। তবে আমাদের যেটা দরকার হলো রিজনেবল দামে যেন যথেষ্ট পরিমাণ পণ্য রমজান মাসে আসে।’

তিনি বলেন, ‘সিটি গ্রুপ বলেছে, তারা নব কিছুর জন্য পরিকল্পনা নিয়েছে। যেখানে সমস্যা এলসি নিয়ে সেটাও তারা কথা বলে নেবে। দু-এক দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকও রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বিষয় সার্বিক বিবেচনায় নিয়েছেন।

‘তাদের যে প্রতিনিধি আসছেন তাদের বলা হয়েছে কাল-পরশুর মধ্যে তারা একটা পরিষ্কার নির্দেশনা দেবেন। সুতরাং রমজান মাসে দাম কমে যাবে সেটা বলছি না, অন্তত আজকের বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে যে দাম হওয়া উচিত, সেটা মাথায় রেখে পণ্যের সরবরাহ বা পণ্য পাওয়া যায়।’

আরও পড়ুন:
ফের বেড়ে সয়াবিন তেল ১৯০, চিনি ১০৮
তেল, চিনি সংকটের সুরাহা কবে
টিসিবির জন্য সাড়ে ১২ হাজার টন চিনি কিনছে সরকার
এবার বাড়ল দেশি চিনির দাম, কেজিতে ১৪ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The price of vegetables is high even in season

মৌসুমেও দাম চড়া সবজির

মৌসুমেও দাম চড়া সবজির কারওয়ান বাজারেও অনেকটা চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। ছবি: নিউজবাংলা
শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি আমদানির শুরুর দিকে প্রতি পিস বিক্রি হতো ৬০ টাকায়। এখন সেটা ৩০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে বাঁধাকপি এখনও ৫০ টাকার ওপরে। কোথাও ৫০ আবার কোথাও ৬০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও কমছে না দাম। ফুলকপি, মুলা, বেগুন ও পেঁপে ছাড়া ৫০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। শীতকালীন সবজির মৌসুমেও সবজির এমন দামকে চড়া বলছেন ক্রেতারা। যদিও বিক্রেতাদের দাবি, দাম কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আরও কয়েকটি বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি আমদানির শুরুর দিকে প্রতি পিস বিক্রি হতো ৬০ টাকায়। এখন সেটা ৩০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে বাঁধাকপি এখনও ৫০ টাকার ওপরে। কোথাও ৫০ টাকা পিস আবার কোথাও ৬০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ক্রেতা নাসিমা চৌধুরী বলেন, ‘এখনও বাঁধাকপির দাম ৫০ টাকা! তাহলে দাম আর কোথায় কমল? শুধু শীতকালীন সবজি নয়, সব জিনিসের দামই বেশি।’

বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৪০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা, মরিচ ৪০ টাকা, টম্যাটো ১০০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হয়েছে।

এসব সবজির দাম গত ১৫ দিন আগেও যেমন ছিল তেমনই রয়েছে।

তবে বিক্রেতা শাওন দাবি করেন সবজির দাম কমেছে। তিনি বলেন, ‘পেঁপে, ফুলকপি- এগুলোর দাম তো কমছে, আর কত কমবে?’

মৌসুমেও দাম চড়া সবজির
অনেকটা চড়া দামেই কারওয়ান বাজার থেকে সবজি কিনছেন ক্রেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

আরেক বিক্রেতা আলী রিয়াজের দাবি সবজির দাম কমেছে। পটোল, বেগুনের মতো সবজির দাম কেন কমেনি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো শেষ হয়ে যাবে, মৌসুম শেষ, তাহলে কীভাবে দাম কমবে?’

কথা হয় ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ডাক্তার ফয়সাল ইমনের সঙ্গে। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনও সেরকমভাবে দাম কমেনি। ফুলকপি ও শিম কিছুটা কমেছে, বাকি সব সবজির দামি অনেক বেশি।’

বিক্রেতা মো. বাদশা জানান, কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এ ছাড়া আদার দাম কিছুটা কমে দেশি আদা ১০০ টাকা এবং চায়না আদা ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। দাম অপরিবর্তিত থেকে দেশি রসুন ৬০ এবং চায়না রসুন ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে সোনালি মুরগির দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা। এ ছাড়া অপরিবর্তিত থেকে ব্রয়লার ১৪৫ থেকে ১৫০, লেয়ার ২৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতা ইয়াসিন।

আরও পড়ুন:
আবার বাড়ছে ডিমের দাম
কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণহীন
রাত ৮টার পর মার্কেট-দোকান বন্ধের নির্দেশ
কাঁচাবাজারে পড়েনি ধর্মঘটের প্রভাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
80 thousand tons of fertilizer is being bought to keep the production normal

উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে কেনা হচ্ছে ৮০ হাজার টন সার

উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে কেনা হচ্ছে ৮০ হাজার টন সার ফসলের মাঠে সার ছিটাচ্ছেন কৃষক। ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের জানান, কানাডা ও মরক্কো থেকে সার কেনা হবে। এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিএডিসি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে কিনবে ৫০ হাজার টন এমওপি সার। এতে ব্যয় হবে ৩৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

কৃষিপণ্য উৎপাদন ঠিক রাখতে ৮০ হাজার টন সার কিনছে সরকার, যাতে ব্যয় হবে ৫১০ কোটি টাকা।

বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের জানান, কানাডা ও মরক্কো থেকে এ সার কেনা হবে।

এর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে কিনবে ৫০ হাজার টন মিউরেট অফ পটাশ (এমওপি) সার। এতে ব্যয় হবে ৩৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

মরক্কো থেকে কেনা হবে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার। সে জন্য ১৫০ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় ব্যয়প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ ছাড়া ‌ঢাকা স্যানিটেশন ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় পূর্ত এবং পরামর্শক নিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়, যাতে ব্যয় হবে ৭০০ কোটি টাকার বেশি।

সভায় ছয়টি দরপ্রস্তাব পাস হয়। এতে সরকারের ব্যয় হবে ৩ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংক, এডিবি, এআইআইবি ও দেশীয় ব্যাংকের ঋণ হিসেবে থাকছে ১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
যৌতুকের মামলায় মডেল সারিকার স্বামীকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
আর্জেন্টিনার হারের মাঠে ব্রাজিলের জয়
পূর্ণশক্তির দল নিয়ে সার্বিয়ার মুখোমুখি ব্রাজিল
আরও ১ লাখ ৪০ হাজার টন সার কিনবে সরকার
আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ‘বামবা-চ্যানেল আই’ কনসার্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government will buy 2 crore 2 million liters of soybeans

২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন কিনবে সরকার

২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন কিনবে সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেল। ফাইল ছবি
ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, ২ কোটি ২০ লাখ লিটার তেল কিনতে ব্যয় দাঁড়াবে ২৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। লিটারপ্রতি তেলের দাম পড়বে ১৫৬ টাকা ৯৮ পয়সা। এর আগে এ তেল কিনতে লিটারপ্রতি সরকারের ব্যয় হয় ১৬২ টাকা ৯৪ পয়সা।

বাজারে ভোজ্যতেলের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমায় রাখতে টিসিবির মাধ্যমে খোলাবাজারে বিক্রির জন্য ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার।

বুধবার ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে এ প্রস্তাব। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সভার পর ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, ২ কোটি ২০ লাখ লিটার তেল কিনতে ব্যয় দাঁড়াবে ২৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। লিটারপ্রতি তেলের দাম পড়বে ১৫৬ টাকা ৯৮ পয়সা।

আগে এ তেল কিনতে লিটারপ্রতি সরকারের ব্যয় হয় ১৬২ টাকা ৯৪ পয়সা।

কোন প্রতিষ্ঠান থেকে তেল কেনা হবে তা জানাননি সচিব।

স্থানীয় বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য প্রায় ২০০ টাকা, তবে ভর্তুকি দামে কার্ডধারীদের মধ্যে লিটারপ্রতি ১১০ টাকায় তেল বিক্রি করছে টিসিবি।

আরও পড়ুন:
ফের বেড়ে সয়াবিন তেল ১৯০, চিনি ১০৮
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব
টিসিবির জন্য ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার
অজুহাতের শেষ নেই, ঘোষণার পরও কমছে না দাম
১ কোটি ৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনছে সরকার

মন্তব্য

p
উপরে