× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Argument with judge Khulnas 3 lawyer leaders insulted
hear-news
player
google_news print-icon

বিচারকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা: খুলনার ৩ আইনজীবী নেতাকে ভর্ৎসনা

বিচারকের-সঙ্গে-বাগবিতণ্ডা-খুলনার-৩-আইনজীবী-নেতাকে-ভর্ৎসনা
সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
খুলনা বার সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চাচ্ছি। আমাকে মাফ করে দিন।’ এ সময় আদালতে থাকা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, ‘আমরা লজ্জিত, তাদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাচ্ছি।’

এক বিচারকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার ঘটনায় খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ তিন আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করেছে হাইকোর্ট।

সভাপতি সাইফুল ইসলাম ছাড়াও খুলনা বারের সদস্য শেখ নাজমুল হোসেন ও শেখ আশরাফ আলী পাপ্পু।

মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের এ ভর্ৎসনা করে।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে আজ এ তিন আইনজীবী হাজির হন। পরে তাদের পক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকিরসহ একাধিক আইনজীবী।

শুনানির সময় আদালত খুলনা আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে উদ্দেশ করে বলে, ‘আপনি একজন বিচারকের সঙ্গে যে আচরণ করেছেন কোনো সভ্য সমাজের মানুষ এ আচরণ করতে পারে না।’ কোনো সভ্য লোক কি বিচারকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করতে পারে এমন প্রশ্নও করে আদালত।

বিচারক বলেন, ‘বার সভাপতি হয়ে আদালতে দাপট দেখাচ্ছেন। তাদের পক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনারা কেন এসব মানুষের পক্ষ নিয়ে আদালতে আসেন? আপনারা তাদের পক্ষে দাঁড়ালে আমরা বিব্রত হই।’

মানুষ কতটা নিচু হলে একজন বিচারকের সঙ্গে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে পারে- এমনটি উল্লেখ করে বিচারক বলেন, ‘একজন আইনজীবীর কথা হবে ভদ্রতাসুলভ। বরং আপনারা যেটা করেছেন সেটা চর দখলের মতো করে।’

তখন খুলনা বার সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চাচ্ছি। আমাকে মাফ করে দিন।’

এ সময় আদালতে থাকা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, ‘আমরা লজ্জিত, তাদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাচ্ছি।’

আদালত বলে, আইনজীবীরা যদি আদালতের সঙ্গে এ রকম আচরণ করেন তাহলে আদালত, বার কিছুই থাকবে না। তারা ফৌজদারি অপরাধ করেছেন।

তিন আইনজীবীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি ছাড়াও সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা, নাহিদ সুলতানা যুথি, রবিউল আলম বুদু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

এ সময় ওই তিন আইনজীবীর পক্ষে না দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বিচারক বলেন, ‘যারা আদালত অবমাননা করে, বিচারকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে, আপনারা তাদের পক্ষ নিয়ে আসবেন না।’

পরে এ বিষয়ে আগামীকাল আদেশের জন্য রেখে আজকের জন্য মুলতবি রাখে।

গত ১ নভেম্বর খুলনা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের সাবেক বিচারক (বর্তমানে যুগ্ম জেলা জজ) নির্মলেন্দু দাশের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ তিন আইনজীবীকে তলব করে আদেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর খুলনা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের সাবেক বিচারক (বর্তমানে যুগ্ম জেলা জজ) নির্মলেন্দু দাশের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ তিন আইনজীবীর বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর একটি মোকদ্দমায় আইনজীবী পিযুষ কান্তি দত্ত জেরা করছিলেন। সে সময় খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শেখ আশরাফ আলী পাপ্পু, শেখ নাজমুল হোসেন, জেসমিন পারভিন, এম এম সাজ্জাদ আলী, এস এম তারিক মাহমুদ তারা (সাধারণ সম্পাদক), সুস্মিতা, সাদিক সাদ, মিল্টন বাগচী, রাজুসহ একাধিক আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে আদালতকক্ষে প্রবেশ করেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে গুঞ্জন করতে থাকেন।

তখন বিচারক বলেন, ‘আপনারা বসেন’। কিন্তু তারা তার কথায় কর্ণপাত না করে তাদের মতো গুঞ্জন করতে থাকেন। একপর্যায়ে বারের সভাপতি সাইফুল ইসলাম কৈফিয়ত তলবের সুরে বলেন, ‘আমরা একটা মোকদ্দমায় উভয় পক্ষ সময়ের দরখাস্ত করেছিলাম, আপনি সেই দরখাস্ত নামঞ্জুর করেছেন। এরপর জিপি সাহেব হাতে লেখা দরখাস্ত দিয়েছেন। তারপর সাক্ষী হয়েছে। পরে আমরা সময়ের দরখাস্ত দিলে নেয়া হয়নি। কেন নেয়া হয়নি এবং সময়ের দরখাস্ত কেন নামঞ্জুর করলেন, আমাকে বলতে হবে।' তখন বিচারক বলেন, 'সভাপতি সাহেব আপনি এভাবে আমার কাছে জানতে চাইতে পারেন?' উনি বলেন, 'কিভাবে পারি। কোনভাবে জানব, বলেন।' বিচারক বলেন, 'আপনি আমার কাছে সময়ের আবেদন করছেন। আমি নামঞ্জুর করছি। আদেশে কারণ দেখে নিবেন। কিন্তু আপনি আমার কাছে এখন কৈফিয়ত তলব করলে তো হবে না।'

তখন তিনি (উক্ত আইনজীবী) বলেন, 'কৈফিয়ত চাচ্ছি তো। কারণ আপনি যখন টাকা নিয়ে, ঘুষ নিয়ে অবৈধভাবে সিদ্ধান্ত দেন, সেটার তো জবাব আমরা চাই না।'

তিনি আবার বলেন, 'আপনি টাকা নিয়ে, ঘুষ নিয়ে বে-আইনিভাবে কাজ করেন...'। তিনি (সংশ্লিষ্ট বিচারক) বলেন, 'না না, এভাবে বলতে পারেন না।' উক্ত আইনজীবী ধমক দিয়ে বলেন, 'দাঁড়ান আপনি।'

আরও পড়ুন:
২৬৩ বিচারপতি-আইনজীবীর স্মরণে ফুলকোর্ট রেফারেন্স
বিচারককে গালির অভিযোগে আইনপেশায় ১৫ দিন বিরতির নোটিশ
বিচারকের বিরুদ্ধেই জমি দখলের অভিযোগ
নাশতা খেয়ে হাসপাতালে বিচারক দম্পতি, ভাতিজি ‘পলাতক’
আদালতকে প্রতারণায় বিচারকের মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Where did the body of the verse go?

কোথায় গেল আয়াতের টুকরো দেহ

কোথায় গেল আয়াতের টুকরো দেহ শিশু আয়াত ও আসামি আবির আলী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘আমরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফুটেজ পেয়েছি। যার একটি নেভী গেট এলাকার। রিকশায় করে আবির পলিথিনে মোড়া টুকরো মরদেহ নিয়ে যাচ্ছেন, এমন দৃশ্য আছে সেখানে। আরেকটি ফুটেজ একটি দোকানের। সেখান থেকে আবির বঁটি, স্কচটেপ ও এন্টি-কাটার কিনেছেন।’

চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় ৫ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যার তদন্তে অগ্রগতি থাকলেও খুঁজে পাওয়া যায়নি তার মরদেহ। শিশুর টুকরো দেহের সন্ধানে তল্লাশি চলছে সাগরপাড় ও আশপাশে। জোয়ার-ভাটায় দেহাংশগুলো হারিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আসামি গ্রেপ্তারের কথা জানালেও তার স্বীকারোক্তি না মেলায় কিছুটা জটিলতা রয়ে গেছে তদন্তে। গ্রেপ্তার আবির আলীর জবানবন্দি রেকর্ড করাকেই এখন গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা। সেক্ষেত্রে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার না হলেও তদন্ত অনেকটাই এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন তারা।

সন্দেহভাজন আসামি আবির আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পিবিআই। শুক্রবার রাতে মামলা হলেও এজাহারে তার নাম না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কোথায় গেল আয়াতের টুকরো দেহ
শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। ছবি: সংগৃহীত

তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে দাবি করে পিবিআই জানায়, শিশু আয়াতকে হত্যার কাজে ব্যবহার করা রক্তমাখা বঁটি ও এন্টি-কাটার উদ্ধার হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিএনএ পরীক্ষায় অপরাধ প্রমাণ করা যাবে। প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সাগরে মরদেহ উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

পিবিআই পরিদর্শক ইলিয়াস খান বলেন, ‘আমরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফুটেজ পেয়েছি। যার একটি নেভি গেট এলাকার। রিকশায় করে আবির পলিথিনে মোড়া টুকরো মরদেহ নিয়ে যাচ্ছেন এমন দৃশ্য আছে সেখানে। আরেকটি ফুটেজ একটি দোকানের। সেখান থেকে আবির বঁটি, স্কচটেপ ও এন্টি-কাটার কিনেছেন।’

তথ্য বিশ্লেষণে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, অপহরণ ও হত্যার পর আয়াতের মরদেহ আবির প্রথমে নিয়ে যান তার বাবার বাসায়। তার বাবা আজহারুল ইসলাম এ সময় বাসায় ছিলেন না। সেখান থেকে পলিথিনে পেঁচিয়ে কিছুক্ষণ পর মরদেহটি নেয়া হয় আকমল আলী সড়কে আবিরের মায়ের বাসায়।

মাকে কৌশলে আবির পাঠিয়ে দেন আয়াতের বাড়িতে। এরপর ফাঁকা বাসার বাথরুমে নিয়ে আয়াতের মরদেহ খণ্ডিত করে পলিথিনে লুকিয়ে রাখেন। পরদিন সাগরপাড় এলাকা ও স্লুইসগেট নালায় ৬ টুকরো মরদেহ ফেলা হয় বলে আবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন।

আয়াতের বাবা সোহেল রানা শুক্রবার রাতে ইপিজেড থানায় মামলা করেছেন। সেখানে তিনি আসামি হিসেবে আবিরের নাম উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, ‘পিবিআই একজনকে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করেছে। বাদী সোহেল রানা এজাহার লিখে এনে জমা দিয়েছেন। আমরা তা গ্রহণ করেছি। মামলা হয়েছে, এটা পিবিআই তদন্ত করছে। আসামি পরেও যোগ হতে পারে, এতে তদন্তে সমস্যা হবে না।’

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় আয়াতের বাবা সোহেল রানা মামলার বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

আয়াতের দাদা মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘মামলা করছে সোহেল, ক্যামনে কী করছে জানি না। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। যারে (আবির) পুলিশ ধরেছে, তার আমরা ফাঁসি চাই।’

স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী জিয়া হাবিব আহসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ অলরেডি হত্যার আলামত পেয়েছে। রক্তমাখা বঁটি, এন্টি-কাটার- এগুলো তো গুরুত্বপূর্ণ আলামত। আর গ্রেপ্তার করা আসামির স্বীরোক্তিমূলক জবানবন্দি পেলে অপরাধ প্রমাণে তেমন কিছুই লাগবে না।’

গ্রেপ্তার আবিরকে শনিবার বিকেলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেন সয়ারের আদালতে হাজির করা হয়। ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তাকে জিজ্ঞাসাবাদে ২ দিনের রিমান্ড দেন।

গত ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার বন্দরটিলার নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয় শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা।

নিখোঁজের ৯ দিন পর পিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সন্দেহভাজন আবির আলীকে গ্রেপ্তার করে। আবির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আয়াতকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেন বলে দাবি পিবিআই কর্মকর্তাদের।

আরও পড়ুন:
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়
আলামত নষ্ট করার বিদ্যা ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
চাচার ট্রলির চাকার নিচে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gold smuggling 12 arrested including three Indians

স্বর্ণ চোরাচালান: তিন ভারতীয়সহ আটক ১২

স্বর্ণ চোরাচালান: তিন ভারতীয়সহ আটক ১২ প্রতীকী ছবি
দর্শনাগামী পূর্বাশা পরিবহন ও রয়েল পরিবহনের দুটি বাসের ১২ যাত্রীকে আটক করে পাঁচজনের পায়ুপথ ও সাতজনের লাগেজের হ্যান্ডল বার, মানিব্যাগ ও কাঁধ ব্যাগের বিভিন্ন অংশে লুকানো মোট ৭ হাজার ৪৩২ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

স্বর্ণ চোরাচালানের সময় রাজধানীতে তিন ভারতীয় নাগরিকসহ ১২ জনকে আটক করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানতে পারে যে ২৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মিরপুরে মাজার রোড থেকে বাবুবাজার ব্রিজ হয়ে দর্শনাগামী পূর্বাশা পরিবহন ও রয়েল পরিবহনের যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান হতে পারে।

‌গোপন এই সংবাদের ভিত্তিতে সংস্থার উপ-পরিচালক সানজিদা খানমের নেতৃত্বে কাস্টমস গোয়েন্দাদের দুটি দল বাস দুটিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুলকুটিয়া এলাকায় থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন কয়েক যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। পরে সন্দেহভাজন যাত্রীদের শরীরে এক্স-রে পরীক্ষা করে ১২ জনের কাছে স্বর্ণ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। তাদের মধ্যে তিনজন ভারতীয় নাগরিক।

স্বর্ণ চোরাচালান: তিন ভারতীয়সহ আটক ১২
পূর্বাশা পরিবহন ও রয়েল পরিবহনের যাত্রীদের কাছে পাওয়া যায় চোরাচালানের স্বর্ণ। ছবি: নিউজবাংলা

আটকদের ৫ জনের পায়ুপথ ও ৭ জনের লাগেজের হ্যান্ডল বার, মানিব্যাগ ও কাঁধ ব্যাগের বিভিন্ন অংশে বিশেষভাবে লুকায়িত অবস্থায় মোট ৭ হাজার ৪৩২ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তাদের কাছে এসব স্বর্ণ আমদানি বা কেনার সপক্ষে বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

আটক তিন ভারতীয় নাগরিক হলেন- নবী হুসাইন, শাহাজাদা ও মোহাম্মদ ইমরান। অন্যরা হলেন- রাহাত খান, মোহসিন আল মাহমুদ, কাজী মামুন, সৈয়দ আমীর হোসেন, শামীম, মামুন, বশির আহমেদ কামাল, মামুন সরকার এবং আতিকুর রহমান মীনা।

আরও পড়ুন:
শাহজাদপুর সীমান্তে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার
স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল, ভরি ৮৪২১৪ টাকা
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ২৩৩৩ টাকা
বিমানের সিটে ৬ কেজি স্বর্ণ
বিমানবন্দরের ডাস্টবিনে ৩০ স্বর্ণের বার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Basic Bank Scam ACC Requests Malaysia For Clues

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন হলফনামা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার ৭৭ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির (এমএলএআর) আওতায় এই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শনিবার নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন হলফনামা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বেসিক ব্যাংক দুর্নীতির মামলায় মোহম্মদ আলীর জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা ৫৬ মামলার মধ্যে ১২ মামলার আসামি ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর জামিন শুনানিতে ৮ নভেম্বর হালনাগাদ তথ্য চেয়েছিল হাইকোর্ট। সে অনুসারে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হচ্ছে।

মামলায় আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন শাখা থেকে প্রায় দুই হাজার ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ দুই হাজার ৯৯১ টাকা, যা সুদসহ দুই হাজার ৫৯০ কোটি ৪৯ লাখ ৯১ হাজার চারশ’ ৫৩ টাকা আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাথমিক অনুসন্ধান করে মোট ৫৬টি মামলা করেছে।

মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন। তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো- আত্মসাৎকৃত অর্থ সম্পূর্ণরূপে নগদে উত্তোলনের মাধ্যমে টাকার অবস্থান গোপন করা হয়েছে। মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের শনাক্তকরণ ও তাদের জবানবন্দি গ্রহণ (১৬১ ধারায়) কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সব সাক্ষীর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বর্ণিত মামলায় আলামত প্রচুর এবং ব্যাংকের বিশাল পরিমাণ কাগজপত্র থেকে প্রকৃত সব আলামত শনাক্ত করা সময়সাধ্য। প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়াটিও এই মামলায় বেশ জটিল।

এছাড়া মামলার প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য মালয়েশিয়ায় এমএলএআর করা হয়েছে। সে সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও আলামত এখনও পাওয়া যায়নি।

মামলাগুলোর আগের তদন্ত কর্মকর্তারা বদলি হয়ে যাওয়ায় একাধিকবার তদন্তকারী কর্মকর্তাও পরিবর্তন করা হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্তকাজ এগিয়ে চলছে। আসামি ও আলামত শনাক্ত করা, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা ও এমএলএআর-এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশ থেকে মামলার প্রয়োজনীয় আলামত পাওয়া সাপেক্ষে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যথাসম্ভব দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

৫৬ মামলায় আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা উদ্ধার/ব্যাংকে জমা করা হয়েছে।

এ মামলায় ৮২ জন ঋণগ্রহীতা ছাড়াও বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফকরুল ইসলাম, ডিএমডি ফজলুস সোবহান, সাবেক ডিএমডি শেখ মঞ্জুর মোরশেদ, জিএম এ. মোনায়েম খান, জিএম মোহাম্মদ আলী ওরফে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ ব্যাংকের ২৭ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা, প্রিন্সিপাল/প্রধান শাখা, দিলকুশা শাখা এবং শান্তিনগর শাখাসহ মোট চারটি শাখার ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে গুলশান থানায় ২৩টি, মতিঝিল থানায় ১২টি ও পল্টন থানায় ২১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তা ২৭ জন, ব্যবসায়ী ৮২ জন, বেসরকারি সার্ভেয়ার ১১ জনসহ মোট ১২০ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট
বেসিক ব্যাংকের কত টাকা জব্দ, সাত দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: জি বি হোসেনকে বিদেশ যেতে মানা
বেসিক ব্যাংকে শুধুই দীর্ঘশ্বাস
বেসিক ব্যাংকের নতুন এমডি আনিসুর রহমান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A League attacked and vandalized BNP office injured 10

বিএনপি কার্যালয়ে ‘আ.লীগের’ হামলা ভাঙচুর, আহত ১০

বিএনপি কার্যালয়ে ‘আ.লীগের’ হামলা ভাঙচুর, আহত ১০ বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম হিলালী জানান, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচি চলছিল। বেলা ৩টার দিকে হঠাৎ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে হামলা চালান। তারা কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিল ও আসবাব ভাঙচুর করেন। হামলায় বিএনপির অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফর রহমান ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে।

হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে বিএনপি।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম হিলালী জানান, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচি চলছিল। বেলা ৩টার দিকে হঠাৎ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে হামলা চালান। তারা কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিল ও আসবাব ভাঙচুর করেন।

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের হামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি বাবুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সুধীন্দ্র চন্দ্র দাস, কৃষক দলের সদস্য দুলাল মিয়া, যুবদলের তোফাজ্জল, মুশফিক ও সাফিন। তাদের নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বারহাট্টা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাইনুল হক কাশেম বলেন, ‘আমাদের দলের কোনো নেতা-কর্মী বিএনপির কার্যালয়ে হামলা করেনি। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল হতে পারে।’

বারহাট্টা থানার ওসি লুৎফর রহমান বলেন, ‘কৃষক দলের কর্মসূচি এবং আওয়ামী লীগের মিছিল চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা মারামারি হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগেরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুনেছি। তবে আমরা গিয়ে কাউকে পাইনি।’

আরও পড়ুন:
৭১ টিভির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাকে অব্যাহতি
কুমিল্লায় ৭১ টিভির গাড়ি ভাঙচুর
পরাজিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ
বরিশাল শহরে জ‌মি নি‌য়ে বিরোধ, পাল্টাপাল্টি হামলা
প্রতিমন্ত্রী স্বপনের লোকজনের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attack on BNP rally day in Khulna Death of sick leader

খুলনার বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলায় আহত নেতার মৃত্যু

খুলনার বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলায় আহত নেতার মৃত্যু ২২ অক্টোবর খুলনায় বিভাগীয় গণসমাবেশে আসার পথে হামলার শিকার হন বিএনপি নেতা জিকো। ছবি: নিউজবাংলা
নিহত সাজ্জাদুর রহমান জিকো ফুলতলা উপজেলার পয়গ্রাম কসবা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে আসার পথে হামলার শিকার এক নেতা দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে খুলনার ফুলতলা উপজেলার পয়গ্রাম কসবা এলাকায় নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। খুলনা মহানগর বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিলটন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত সাজ্জাদুর রহমান জিকো ফুলতলা উপজেলার পয়গ্রাম কসবা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

খুলনা মহানগর বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান মিলটন বলেন, ‘২২ অক্টোবর খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশে আসার পথে শাসকদলের সন্ত্রাসীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তাকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই সময় চিকিৎসকরা তার মাথায় ১২টি সেলাই দিয়েছিলেন। তাকে দেখতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘জিকো হাসপাতাল থেকে বাড়িতে গেলে অসুস্থ অবস্থায় আবারও তাকে মারে করে শাসকদলের সন্ত্রাসীরা। এজন্য তিনি অসুস্থতা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শুক্রবার বাদ আসর তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

এদিকে বিএনপি কর্মী জিকোর মৃত্যুতে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার রাতে ই-মেইলে দেয়া বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘সরকার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য বিএনপি নেতা জিকোকে হত্যা করেছে। একদিন এই হত্যাকান্ডের বিচার খুলনার মাটিতেই হবে। যারাই এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের আইনের মুখোমুখি হতেই হবে।’

আরও পড়ুন:
নতুন বাংলাদেশ গড়বেন তারেক: আমির খসরু
মিছিলে সামনে থাকা নিয়ে বিএনপি কর্মীর মধ্যে হাতাহাতি
সমাবেশে আসা বিএনপি নেতা-কর্মীদের ৩ জুমার নামাজ
১০ ডিসেম্বর না হলেও সরকার পতন দূরে নয়: নোমান
আমরা খেলা করি না: খন্দকার মোশাররফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested along with husband of agricultural officer with drugs

মাদকসহ কৃষি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

মাদকসহ কৃষি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাদকসহ গ্রেপ্তার কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার। ছবি: নিউজবাংলা
আড়াইহাজারের ফতেহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রাম থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার, তার স্বামী মোতাহার হোসেন সেলিম ও গাড়িচালক আজিজুল হককে আটক করে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পাঁচ হাজার ইয়াবা বড়িসহ এক কৃষি কর্মকর্তা, তার স্বামী ও তাদের প্রাইভেটকারের চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রাম থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার, তার স্বামী মোতাহার হোসেন সেলিম ও গাড়িচালক আজিজুল হককে আটক করা হয়। রাতে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির হোসেন শুক্রবার রাতে জানান, ইয়াবা কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ এ কৃষি কর্মকর্তা ও তার স্বামীকে আটক করা হয়। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

এ কর্মকর্তার ভাষ্য, গ্রেপ্তার দম্পতি দক্ষিণপাড়া গ্রামে নিজেদের বাড়িতে থাকেন। তারা সেখান থেকেই গোপনে দীর্ঘদিন ইয়াবার কারবার পরিচালনা করছেন।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানান, আড়াইহাজার উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি অফিসার আকলিমা আক্তার ও তার স্বামী ইয়াবার কারবারে জড়িত বলে খবর পায় পুলিশ। এর ভিত্তিতে তাদের ওপর পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়।

তিনি জানান, শুক্রবার রাজধানী থেকে আকলিমা ও তার স্বামী পাঁচ হাজার ইয়াবা বড়ি কিনে ভাড়া করা প্রাইভেটকারে নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের বাড়ির কাছে পুলিশের একটি দল অবস্থান নেয়।

প্রাইভেটকারটি সেখানে এলে পুলিশ সেটি থামিয়ে তল্লাশি করে। ওই সময় পাঁচ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।

ওসি আরও জানান, জব্দ করা ইয়াবা ও প্রাইভেটকারসহ আটক তিনজনকে আড়াইহাজার থানায় নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
পথচারীর পকেটে ইয়াবা: জামিন নাকচ এএসআইয়ের
ইয়াবায় জর্জরিত সৌদি আরব
কনডমে ভরে ইয়াবা পাচার, নারীসহ আটক ৫
চার লাখ ইয়াবাসহ আটক ৫, রাইফেল জব্দ
প্রতিমন্ত্রীর বোনের বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ভাগনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Babys bloody body in sack

শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়

শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়
শিশুর পরিবারের বরাতে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আবু বকর নিখোঁজ ছিল। তাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শিমরাইলকান্দির পুকুরপাড়ে বস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় দেহ পাওয়া যায়।

ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহরে পুকুরপাড়ে পড়ে থাকা বস্তা থেকে ৫ বছরের শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শহরের শিরাইকান্দি এলাকায় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত ৫ বছরের আবু বকর কান্দিপাড়া এলাকার হাসান মিয়ার ছেলে।

এসব নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোকাম্মেল হোসেন রেজা।

তিনি শিশুর পরিবারের বরাতে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আবু বকর নিখোঁজ ছিল। তাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শিমরাইলকান্দির পুকুরপাড়ে বস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় দেহ পাওয়া যায়। তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল জানান, শিশুটিকে গলাকাটা অবস্থায় আনা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা মোজাম্মেল জানান, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় তিনি জানাননি।

আরও পড়ুন:
আলামত নষ্ট করার বিদ্যা ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ
কোথায় গেল ছোট্ট আয়াত!

মন্তব্য

p
উপরে