× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hanging body of housewife recovered in Shajahanpur
hear-news
player
google_news print-icon

শাজাহানপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

শাজাহানপুরে-গৃহবধূর-ঝুলন্ত-দেহ-উদ্ধার
শাজাহানপুরের গাজীর বস্তি থেকে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নারীকে উদ্ধার করেন তার স্বামী। পরে পুলিশের সহায়তায় হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর শাজাহানপুরের একটি বাসা থেকে এক গৃহবধূকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অচেতন ওই নারীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গৃহবধূর নাম মুনিয়া বেগম। তার বয়স ২৪। শাজাহানপুরের গাজীর বস্তি থেকে সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নারীকে উদ্ধার করেন তার স্বামী। পরে পুলিশের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।

মৃত গৃহবধূর নাম মুনিয়া বেগম। তার বয়স ২৪। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায়। তার তিন সন্তান রয়েছে।

মুনিয়া স্বামী মনির বলেন, ‘আমি পিকআপ চালক। সকালে আমি বের হই। দুপুরের দিকে আমার স্ত্রী আমাকে মোবাইল ফোনে জানায়, সে অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খেয়েছি, তুমি বাসায় এসো। বিকেলে বাসায় গিয়ে দরজা বন্ধ পাই। পরে দরজা খুলে দেখি ফ‍্যানের সঙ্গে গলায় উড়না পেঁচানো অবস্থায় সে ঝুলছে। এই অবস্থা দেখে আমার ভাইরা শাহজাহানপুর থানা পুলিশকে খবর দেন।’

এ বিষয়ে শাহজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাকিম বলেন, ‘বাড়িতে গিয়ে গলায় উড়না পেঁচানো গৃহবধূকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাই। হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

‘ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।’

আরও পড়ুন:
মসজিদের টয়লেটে যুবকের মরদেহ
বাইকের সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত
জমির পাশ থেকে নার্সারি কর্মীর মরদেহ উদ্ধার
ঘরে নবদম্পতির মরদেহ
যুবকের মরদেহ বালু নদীতে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Non contributory pension scheme for farm laborers essential Menon

ক্ষেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি: মেনন

ক্ষেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি: মেনন শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল বৈঠকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। ছবি: নিউজবাংলা
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমরা সচিবদের বৃদ্ধ বয়সের নিরাপত্তা দিচ্ছি। অন্য কর্মকর্তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। তাহলে কৃষিকাজে যারা আছেন তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা কীভাবে দিতে পারব? এ জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম খুবই জরুরি।’

ক্ষেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন আয়োজিত ‘খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবীদের জন্য জমাবিহীন পেনশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমরা সচিবদের বৃদ্ধ বয়সের নিরাপত্তা দিচ্ছি। অন্য কর্মকর্তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। তাহলে কৃষিকাজে যারা আছেন তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা কীভাবে দিতে পারব? এ জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম খুবই জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘ইউনিভার্সেল পেনশন স্কিম বা খেতমজুরদের জন্য জমাবিহীন পেনশনের কথা যা-ই বলি না কেন, এটা সরকারের দয়া-দক্ষিণা নয়, তারা নাগরিক হিসেবেই এটা পেতে পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ বিষয়টি চালু রয়েছে।’

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এখন একটা অভিযোগ প্রায় শোনা যায় যে গ্রামে কাজের জন্য লোক পাওয়া যায় না। এ ছাড়া এত বেশি তাদের দাম এখন, তাদের দিয়ে পোষানো সম্ভব হয় না। এ কথাটি প্রায়ই শোনা যায়।

‘তার মানে এই না যে গ্রামে তাদের অনেক কর্মসংস্থান করা হয়েছে এবং তারা অনেক ভালো সুযোগসুবিধা পাচ্ছে। তারা মূলত দেশের বাইরে চলে যায় ভালো সুযোগসুবিধার জন্য। যার ফলে সেখানে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়ে গেছে। গ্রামের ৭২ শতাংশ নারী এখন কৃষিকাজে অংশ নিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার দাবি করে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বাজেটে এবারও বহু টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে বলা হয় বয়স্ক ভাতা দেয়া হচ্ছে, বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

‘আমি একসময় সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলাম। বর্তমানে আমি স্থায়ী কমিটির সভাপতি, এ বিষয়ে আমার একটু ধারণা আছে। সরকারের একটা সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল এখানে আছে। কিন্তু কিন্তু যে ব্যক্তি এই ভাতার ৫০০ টাকা পান তার আসলে তেমন কিছুই হয় না। শুধু আত্মসম্মানটা বাঁচে।’

আরও পড়ুন:
সর্বজনীন পেনশন উদ্যোগে ঢিমেতাল
সংসদে উঠল সর্বজনীন পেনশন বিল
সর্বজনীন পেনশনে মন্ত্রিসভার সায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no alternative to greater preparedness to prevent fire accidents Mayor Atiqul

অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে বড় প্রস্তুতির বিকল্প নেই: মেয়র আতিকুল

অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে বড় প্রস্তুতির বিকল্প নেই: মেয়র আতিকুল গোলটেবিল বৈঠকে মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টসশিল্পে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যে নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স গার্মেন্টসশিল্প মানতে পারবে, সেটা কেন সিটি করপোরেশন এলাকার বহুতল ভবনগুলো মানতে পারবে না? সবার জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।’

অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি ও জীবন বাঁচাতে বড় আকারের পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ও ইলেকট্রনিক্স সেইফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইস্সাব) যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে অগ্নিনিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জসমূহ’ শিরনামে এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রত্যকটি বহুতল ভবনে মানসম্মত কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকার জোর দাবি জানিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি ও জীবন বাঁচাতে বড় আকারের পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। নানা কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটতেই পারে কিন্তু আমরা যদি নির্বাপণের জন্য প্রস্তুতি না নিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকি দিন শেষে ক্ষয়ক্ষতি আমাদেরই হবে। আগুনে পুড়ে মানুষের মত্যুর মিছিল দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেই হবে না। নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টসশিল্পে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যে নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স গার্মেন্টসশিল্প মানতে পারবে, সেটা কেন সিটি করপোরেশন এলাকার বহুতল ভবনগুলো মানতে পারবে না? সবার জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।’

এ সময় তিনি বহুতল ভবনগুলোর চাকচিক্যের পাশাপাশি বিল্ডিং কোড, ফায়ার সেফটিসহ অন্য নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে নিশ্চিত করার কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০ ফিটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে দুর্ঘটনা-পরবর্তী কার্যক্রম চালানো ব্যাহত হবে। কোনো ধরনের উদ্ধার সরঞ্জাম বা গাড়ি ওই এলাকায় প্রবেশ করতেই পারবে না। তাই ২০ ফিটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে সিটি করপোরেশন তা উন্নয়নের জন্য কোনো বরাদ্দ দেবে না।’

আলোচনায় ডিএনসিসি মেয়র সব ভবনের পাশাপাশি যেকোনো অনুষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় নির্দেশনা, ফায়ার সেফটির সম্পর্কে শিক্ষাসহ সিনেমা হলগুলোতে সিনেমা শুরুর আগে এবং বিরতির সময় ফায়ার সেফটি-বিষয়ক জনসচেতনামূলক তথ্য চিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি জোর দিতে বলেন।

গোলটেবিল বৈঠকে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

আরও পড়ুন:
মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suhrawardy Udyan full of slogans is waiting for the Prime Minister

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মঞ্চ। ছবি: নিউজবাংলা
মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন এটি। এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সম্মেলনে সাফিয়া খাতুনকে সভাপতি ও মাহমুদা বেগমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বেলা ৩টায় সম্মেলনস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তিনি সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।

সকাল থেকেই এই সম্মেলনস্থল রঙিন সাজে সাজতে শুরু করে। শাড়িসহ বর্ণিল পোশাক আর নানা সাজে উপস্থিত হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা।

একে একে আসেন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটরা। সঙ্গে তাদের ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন। তখন থেকেই স্লোগান দিচ্ছেন তারা।

মঞ্চ আগে থেকেই প্রস্তুত করা হয়। চালানো হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়া। মঞ্চের সামনে অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামী লীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আর সম্মেলনস্থল ঘিরে আছেন মহিলা লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয়েছে নানাভাবে।

মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন এটি। এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সম্মেলনে সাফিয়া খাতুনকে সভাপতি ও মাহমুদা বেগমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন হয়নি।

আরও পড়ুন:
মহিলা আ.লীগের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
জয়পুরহাট মহিলা আ.লীগের নেতৃত্বে শাম্মিম-সাবিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Special discount in Bangkok Hospital for Bangladeshis

বাংলাদেশিদের জন্য ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ ছাড়

বাংলাদেশিদের জন্য ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ ছাড় শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টার ভবনের মাহমুদ সেমিনার হলে আয়োজিত ‘মর্ডান মেডিক্যাল টেকনলোজি অফ ব্যাংকক হসপিটালবিষয়ক প্রেস ব্রিফিং। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যাংকক হসপিটালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শক্তিরঞ্জন পাল বলেন, ‘আমাদের হসপিটালে রেডিয়েশনের মাধ্যমে টিউমার ধ্বংস করা হয়, যেখানে অপারেশন লাগে না। তিন দিন পর রোগী বাড়ি যেতে পারেন। তাছাড়া উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে যেকোনো রোগ চিহ্নিত করা হয়।’

থাইল্যান্ডের ব্যাংকক হসপিটালে বিশেষ ছাড়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের উন্নত চিকিৎসা দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অস্ত্রোপচার ছাড়াই টিউমারের চিকিৎসা, ক্যানসার ও হৃদরোগ সারানোর কথাও বলা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টার ভবনের মাহমুদ সেমিনার হলে আয়োজিত ‘মর্ডান মেডিক্যাল টেকনলোজি অফ ব্যাংকক হসপিটালবিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন ব্যাংকক হসপিটালের ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শক্তিরঞ্জন পাল।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হসপিটালে রেডিয়েশনের মাধ্যমে টিউমার ধ্বংস করা হয়, যেখানে অপারেশন লাগে না। তিন দিন পর রোগী বাড়ি যেতে পারেন। তাছাড়া উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করে যেকোনো রোগ চিহ্নিত করা হয়।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে থাই অ্যাম্বাসেডর মাখওয়াদি সুমিতমোর বলেন, ‘ব্যাংকক হসপিটাল কোভিড মহামারির মধ্যেও চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছে। বাংলাদেশসহ সব দেশের জন্য, যারা ব্যাংকক হসপিটালে চিকিৎসা নিতে আসবেন সবাইকে আমরা উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে তাদের সেবাদান করব। এর প্রসার আরও বাড়াতে চাই। মেডিক্যাল সার্ভিসসংক্রান্ত যেকোনো সহযোগিতা করতে ব্যাংকক হসপিটাল প্রস্তুত।’

বিশেষজ্ঞ শক্তিরঞ্জন পাল আরও বলেন, ‘ব্যাংকক হসপিটাল ৫০ বছর ধরে সেবাদান করে আসছে। থাইল্যান্ডের বাইরেও আমাদের হসপিটাল আছে। মেডিক্যাল সংক্রান্ত যেকোনো চেকআপ এবং চিকিৎসায় অত্যাধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করা হয় যেগুলো অনেক ব্যবয়বহুল। তবে ব্যাংকক হসপিটাল উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে এই সেবাগুলো কম খরচে দিচ্ছে।’

‘এখন খাবারের অনিয়ম, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের জন্য হার্টের রোগ, ক্যানসার এই রোগগুলো বাড়ছে। টেকনোলজি ব্যবহার করে আমরা খুব সহজেই এগুলো চিহ্নিত করতে পারি। ডাক্তার এবং স্পেশালিষ্ট অ্যাডভান্স হচ্ছে। একটা সময় বলা হতো ‘ক্যানসার হ্যাজ নো অ্যান্সার। কিন্তু এখন আমরা বলি, ক্যানসার হ্যাজ সাম অ্যান্সার।

তিনি বলেন, ‘আমরা হার্ট ডিজিস এবং ক্যানসারের জন্য উন্নত টেকনলোজি ব্যবহার করছি।

‘করোনারি হার্ট ডিজিজ যেটা পুরুষদের বেশি হলেও এখন নারীদেরও হচ্ছে। এর সঙ্গে ব্রেন স্ট্রোকও সম্পর্কিত বিষয়ে উন্নত চিকিৎসা দেয়া। ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার এগুলোর কারণে হার্ট ডিজিজ বাড়ে। আমরা এগুলোর জন্য তিনটি মাধ্যমে – টেকনলোজি, দক্ষ টেকনেশিয়ান ও মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিমওয়ার্ক- কাজ করছি।

প্রতিটি রোগের জন্যই এই তিনটার প্রয়োগ সঠিকভাবে করে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি। এছাড়া থাইল্যান্ডে নার্সিং কেয়ার খুবই উন্নত এবং আন্তরিক। তারা তাদের টিমওয়ার্কের মাধ্যমে উন্নত সেবা দিয়ে আসছে।

গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে শক্তিরঞ্জন বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য স্পেশাল ডিসকাউন্ট রয়েছে। সেটা কোন ধরনের কেস সেটার ওপর ভিত্তি করে ছাড় দেয়া হয়। আমাদের স্পেশাল এক্সরে রয়েছে। এবং সব কিছুই উন্নত টেকনলোজির মাধ্যমে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. নীলাঞ্জন সেন, ব্যাংকক হার্ট হসপিটালের ক্রিয়াংকাই হেংগুসামি, ডিরেক্টর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর রাফ ক্রিউয়ার এবং আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
বিনা মূল্যে ২২ কোটি টাকার চিকিৎসা পেল রাইয়ান
‘নার্সের ভুলে’ রোগীর মৃত্যু
ভুল অপারেশনে বিউটির দুঃসহ এক বছর
ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর-সংঘর্ষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two dead bodies in 24 hours in DU and Dhaka Medical

ঢাবি ও ঢাকা মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় দুই মরদেহ

ঢাবি ও ঢাকা মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় দুই মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি
অপর মরদেহটি পাওয়া যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাসেল টাওয়ারের বিপরীত পাশ থেকে। তার বয়স আনুমানিক ৩২। তার নাম, ঠিকানা জানে না কেউ। ঢাকা মেডিক্যালের বারান্দায় পাওয়া যায় আনুমানিক ৬০ বছর বয়সী একজনের লাশ। তারও পরিচয় জানা যায়নি।

রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। তাদের একজন ভবঘুরে ছিলেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এর একটি পাওয়া যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায়, একটি মরদেহ পাওয়া যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মেডিক্যালের বহির্বিভাগের আলট্রাসনোগ্রাফির কক্ষের বারান্দা থেকে আনুমানিক ৬০ বছর বয়সী একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সেখানকার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি। বলেন, ‘আমরা শাহবাগ থানাকে জানিয়েছি। সিআইডি ক্রাইম সিন আসলে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় জানা যেতে পারে।’

অপর মরদেহটি পাওয়া যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাসেল টাওয়ারের বিপরীত পাশ থেকে। তার বয়স আনুমানিক ৩২। তার নাম, ঠিকানা জানে না কেউ। তিনি ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার রাতে মরদেহটি উদ্ধার করেন শাহবাগ থানার উপ পরিদর্শক দীপক বালা। তিনি বলেন, ‘আমরা লোক মারফত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি চিত অবস্থায় লুঙ্গি দিয়ে মুখ ঢাকা। পরে তাকে উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যালের মর্গে পাঠান হয়।’

আশেপাশের লোকদের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এই যুবক এখানে থাকতেন। তিনি এখানেই ঘুমাতেন এবং মাদকাসক্ত ছিল বলে জানতে পেরেছি।

‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।’

আরও পড়ুন:
খালে ভাসছিল অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ
বাবা-মায়ের মারামারিতে প্রাণ গেল শিশুর
‘নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে পালিয়েছে আরেক নৈশপ্রহরী’
জমিতে কৃষি শ্রমিকের মরদেহ
শাজাহানপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We are committed to bilateral relations Ambassador of Nepal

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: নেপালের রাষ্ট্রদূত

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: নেপালের রাষ্ট্রদূত শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। ছবি: নিউজবাংলা
নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘পর্যটনসহ নানা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-নেপালের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে দুই দেশ পারস্পারিক সম্পর্কের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেমি পর্বতারোহীদের আমরা সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশ-নেপাল সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘পর্যটনসহ নানা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-নেপালের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে দুই দেশ পারস্পারিক সম্পর্কের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেমি পর্বতারোহীদের আমরা সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক দুই দেশের জনগণের সম্পর্কে পরিণত হয়েছে৷ পর্যটকরা হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিচরণ করছেন। তাদের নানা পদক্ষেপে দুই দেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি আদান প্রদান ঘটছে। আমরা এই সহযোগিতাকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’

নেপালের রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সময় নেপালের পর্বতে আরোহনকারী বাংলাদেশিরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিনিধিত্ব করেছে। হিমালয়ের দুর্গম পাদদেশে বসবাসকারী জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং তাদের সংস্কৃতিকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডোলমা খাং বিজয় তার অন্যতম নিদর্শন। এ অভিযানে অংশ নেয়া বাংলাদেশী ও নেপালি পর্বতারোহীদের আমি অভিন্দন জানাই।’

বাংলাদেশ-নেপাল কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে হিমালয়ের ডোলমা খাং পর্বতশিখর বিজয় উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের গভর্নিং বডির চেয়ারপারসন হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ-নেপাল কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ডোলমা খাং অভিযান সফল হওয়ার অভিনন্দন জানাচ্ছি, এসব অভিযান মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগ্রত করে। বাংলাদেশের পুর্নজাগরণের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব কর্মকাণ্ডের উদ্যোগ নিতে হবে। সর্ববয়সী লোকজনকে এসকল উদ্দীপনা দানকারী অভিযানে উৎসাহিত করতে হবে।’

ডোলমা খাং হিমালয় পর্বতমালার অন্যতম শীর্ষ শৃঙ্গ, এর উচ্চতা ২১ হাজার ৪৪৩ ফুট। গত ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ ও নেপালের আট পর্বত আরোহী ডোলমা খাং অভিযানে নামেন। তবে বিরূপ আবহাওয়ার জন্য ১৬ হাজার ৪০০ ফুট উচ্চতায় অভিযান পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

এরপর দ্বিতীয়বারের প্রচেষ্টায় ২ নভেম্বর নেপালের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দুই দেশের আট পর্বতারোহী ডোলমা খাং শীর্ষে আরোহন করেন।

আরও পড়ুন:
হেঁটে বাংলাদেশ ভ্রমণে নেপালি যুবক
নেপালে বন্যা ভূমিধসে ৩৩ প্রাণহানি
বিমানবন্দর থেকে আটক করা হলো লামিছানেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rabindra Sangeet Utsav returned to the stage after three years

তিন বছর পর মঞ্চে ফিরল রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব

তিন বছর পর মঞ্চে ফিরল রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শুক্রবার তেত্রিশতম জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব শুরু হয়েছে (বাঁয়ে), উৎসবে সম্মাননা দেয়া হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম ও সঙ্গীতশিল্পী রফিকুল আলমকে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম বলেন, ‘জগতের বিপুল কর্মযজ্ঞের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম। আমি আজ তার নামাঙ্কিত সম্মাননা পেলাম জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা থেকে৷ এ সম্মাননাটি আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের৷’ রফিকুল আলম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত এ সম্মাননা আমার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যেন এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো৷’

করোনাকাল পেরিয়ে প্রায় তিন বছর পর মঞ্চে ফিরল বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা।

শুক্রবার সকাল ১০টায় ‘এই জীবনের ব্যথা যত এইখানে সব হবে গত’- স্লোগান নিয়ে শুরু হলো দুই দিনের রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব।

কবিগুরুর গানের সুরে সুরে সংস্কৃতির লড়াইকে বেগবান করার প্রত্যয়ের কথা জানায় সংস্থাটি।

রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দুই দিনের উৎসব ভাগ করা হয়েছে তিন অধিবেশনে।

সকাল ১০টায় প্রথম অধিবেশনে ছিল দুই পর্ব। প্রথমেই দেয়া হয় গুণীজন সম্মাননা।

তেত্রিশতম জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসবে সম্মাননা দেয়া হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম ও সঙ্গীতশিল্পী রফিকুল আলমকে। তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও অর্থ মূল্য তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম বলেন, ‘জগতের বিপুল কর্মযজ্ঞের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম। আমি আজ তার নামাঙ্কিত সম্মাননা পেলাম জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা থেকে৷ এ সম্মাননাটি আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের৷’

রফিকুল আলম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত এ সম্মাননা আমার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যেন এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো৷’

সংস্থার সভাপতি তপন মাহমুদ বলেন, ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দুই শব্দসৈনিককে সম্মাননা দিতে পেরে আমরা গর্বিত।’ এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পীযুষ বড়ুয়া।

উদ্বোধনী অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে ছিল আমন্ত্রিত পাঁচটি দলের সমবেত পরিবেশনা। এতে অংশ নেয় সঙ্গীতভবন, উত্তরায়ণ, সুরতীর্থ, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী (বাফা) ও বিশ্ববীণা।

রবীন্দ্রনাথের পূজা-প্রেম পর্যায়ের গানের পাশাপাশি বৈচিত্র্য পর্যায়ের গান দিয়ে সাজানো এই পর্বটি দর্শক শ্রোতাদের বিমোহিত করে। এই পর্বের শুরুতেই মঞ্চে আসেন সঙ্গীতভবনের শিল্পীরা। তারা পর পর গেয়ে শোনান ‘লহো লহো তুলে লহো নীরব বীণাখানি’ ও ‘হেমন্তে কোন বসন্তেরই বাণী/ পূর্ণশশী ওই-যে দিল আনি’।

তাদের পরিবেশনার পর মঞ্চে আসেন উত্তরায়ণের শিল্পীরা। তারাও গেয়ে শোনান দুইটি গান- ‘সত্য মঙ্গল প্রেমময় তুমি, ধ্রুবজ্যোতি তুমি অন্ধকারে’ও ‘প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে/ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে’। সুরতীর্থের শিল্পীর গান ‘কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে’ ও ‘কান্নাহাসির-দোল-দোলানো পৌষ-ফাগুনের পালা’।

বুলবুল ললিতকলা একাডেমি (বাফা)-এর শিল্পীরা শোনান ‘এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছে’ ও ‘এখন আর দেরি নয়, ধর্ গো তোরা হাতে হাতে ধর গো’।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি হয় বিশ্ববীণা শিল্পীদের কণ্ঠে সমবেত গানের মধ্য দিয়ে। তারা শোনান ‘হায় হেমন্তলক্ষ্মী, তোমার নয়ন কেন ঢাকা-’ও ‘একি মায়া, /লুকাও কায়া/জীর্ণ শীতের সাজে’।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলম পর পর গেয়ে শোনান ‘উত্তর বায় জানায় শাসন/পাতলো তপের শুষ্ক আসন’ ও ‘ওই জানালার কাছে বসে আছে /করতলে রাখি মাথা—’ শিরোনামে দুইটি গান। তার আগে সংবর্ধিত বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর’- এর কয়েকটি চরণ আবৃত্তি করেন।

অগ্রহায়ণের মিষ্টি সকালে মঞ্চে প্রদীপ জ্বালিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। উৎসবের সূচনা হয় সংগঠনের রীতি অনুযায়ী জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে। এর পর সংস্থা শিল্পীরা দুইটি কোরাস পরিবেশন করেন। গান দুইটি ছিল ‘ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা’ ও ‘তোমার সুরের ধারা ঝরে যেথায় তারি পারে’।

মাঝখানে বিরতি দিয়ে বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন। এতে অংশ নেন প্রায় অর্ধশতাধিক শিল্পী। প্রথম দিনের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন- খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুম, বুলা মাহমুদ, তানজিমা তমা, অনিকেত আচার্য, সাগরিকা জামালী, বিষ্ণু মণ্ডল, কনক খান, সীমা সরকার আবদুর রশীদ, রিফাত জামাল মিতু, খোকন দাস, আজিজুর রহমান তুহিন, শর্মিলা চক্রবর্তী আহমেদ শাকিল হাশমী, সাজ্জাদ হোসেন, জাফর আহমেদ, রাবিতা সাবাহ, ছন্দা রায়, নির্ঝর চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন শনিবার একই মঞ্চে বিকেল ৫টা থেকে হবে আবৃত্তি ও সঙ্গীতানুষ্ঠান।

উৎসবের সারা দেশ থেকে প্রায় ২০০ শিল্পী একক ও দলীয় পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছেন।

তাদের মধ্যে রয়েছেন বুলবুল ইসলাম, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, রোকাইয়া হাসিনা, অদিতি মহসিন, ড. অরূপ রতন চৌধুরী, চঞ্চল খান, লিলি ইসলামসহ বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী।

দুই দিনের অনুষ্ঠানে গানের পাশাপাশি আবৃত্তি পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছেন বাকশিল্পী আশরাফুল আলম, জয়ন্ত রায়, বেলায়েত হেসেন. মাহমুদা আখতার ও রেজিওয়ালী লীনা।

৩৩তম উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে করোনাকালে যে শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কবি ও সংস্কৃতজন মারা গেছেন তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

আরও পড়ুন:
রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব শুরু শুক্রবার
১০ ভাষায় গাওয়া হবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সুজন হাজংয়ের গান
কারামুক্তির পর ‘দুঃখিত’ রাজীব গান্ধীর হত্যাকারী

মন্তব্য

p
উপরে