× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Resignation is the only option before the government Dudu
hear-news
player
google_news print-icon

পদত্যাগই সরকারের সামনে একমাত্র পথ: দুদু

পদত্যাগই-সরকারের-সামনে-একমাত্র-পথ-দুদু
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএন‌পির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি: নিউজবাংলা
‘এই সরকারকে যেতেই হবে। তাদের সামনে একটাই পথ আছে- পদত্যাগ করা, পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়া। নির্বাচন কমিশন পুনরায় গঠন করা। আগে থেকেই তারা এই কাজটা করলে প্রস্থানটা সম্মানজনক হবে।’

বিএন‌পির ভাইস চেয়ারম‌্যান শামসুজ্জামান দুদু ব‌লে‌ছেন, ‘সরকারের সামনে এখন একটাই পথ খোলা আছে- পদত্যাগ করা। তারা ঠান্ডামাথায় চিন্তা করে যত তাড়াতাড়ি পদত্যাগ করবে তত তাড়াতাড়ি এ দেশের মানুষ মুক্তি পাবে।’

বিএন‌পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম‌্যান তা‌রেক রহমা‌নের জন্ম‌দিন উপল‌ক্ষে সোমবার এক আ‌লোচনা সভায় তি‌নি এ কথা ব‌লেন। ঢাকা রি‌পোর্টার্স ইউ‌নি‌টিতে এই আলোচনার আয়োজন করে ‘অর্পণ বাংলাদেশ’।

দুদু ব‌লেন, ‘আমার মনে হয় না এই সরকারের সময় খুব বেশিদিন আছে। যদি আপনা থেকেই সম্মানের সঙ্গে এই সরকার চলে যায় তাহলে ভালো।

‘এই সরকারকে যেতেই হবে। প্রতারণা করে গুন্ডামি করে ক্ষমতায় থাকা যাবে এটা ভাবা ঠিক হবে না। তাদের সামনে একটাই পথ আছে পদত্যাগ করা, পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়া। নির্বাচন কমিশন পুনরায় গঠন করা। আগে থেকেই যদি তারা এই কাজটা করে তাহলে সম্মানজনক প্রস্থান হবে। আমরা কাউকে অসম্মান করতে চাই না। এখন সরকার সম্মান নিয়ে যাবে না অসম্মানিতভাবে হবে, সেটা তাদের চিন্তাভাবনা করা উচিত।’

দুদু বলেন, ‘দেশের মানুষ ভালো নেই। গত ৫০ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে এত খারাপ অবস্থায় কখনো এ দেশের মানুষ ছিল না। দুর্নীতিগ্রস্ত এই সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী ছাড়া ৯৯ শতাংশ মানুষ কষ্টে আছে।

‘মানুষ শুধু যে অর্থ ও খাদ্যসংকটে আছে তা নয়। নিরাপত্তাসংকটেও আছে। মানুষ বাইরে বের হয়ে আর ঘরে ফিরতে পারবে তার নিশ্চয়তা নেই।

‘কাগজের সংকট, শিক্ষা উপকরণের সংকট, কৃষি উপকরণের সংকট, উৎপাদিত দ্রব্যমূল্যের সংকট- সর্বত্র কেবলই সংকট। শ্রমিকদের মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাদের বেতন দিচ্ছে না, ছাঁটাই করছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অবস্থাও ভালো না।’

ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনও টের পেয়েছেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে তাদের আশ্রিত তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরাও এ দেশে থাকতে পারবেন না। কেন থাকতে পারবেন না? বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তো ছিলেন। আওয়ামী লীগও ছিল। এখন এ প্রশ্ন উঠছে কেন? কারণ, এসব তথাকথিত বুদ্ধিজীবী এত অপকর্ম করেছেন যে তারা বুঝতে পেরেছেন তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই। আর পায়ের নিচে মাটি না থাকলে থাকবেন কীভাবে? এটাই বাস্তবতা।’

আ‌য়োজক সংগঠ‌নের সভাপ‌তি বি‌থিকা বিন‌তে হোসাইনের সভাপ‌তি‌ত্বে সভায় আরও বক্তব‌্য দেন বিএন‌পির নির্বাহী ক‌মি‌টির সদস‌্য আবু না‌সের মো. রহমতুল্লাহ, ঢাকা মহানগর দ‌ক্ষিণ বিএন‌পির সদস‌্য ই‌ঞ্জি‌নিয়ার ইশরাক হো‌সেন, জিনাফ সভাপ‌তি লায়ন মিয়া মো. আ‌নোয়ার প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির সমাবেশের জন্য উপযুক্ত পূর্বাচল: তথ্যমন্ত্রী
তারেকের দেশে ফেরার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: মোশাররফ
নয়াপল্টন কার্যালয়ে যুবদল কর্মীদের হামলা, ক্ষুব্ধ ফখরুল
সমাবেশ শেষ হতেই উঠে গেল পরিবহন ধর্মঘট
‘খুবই বিপদগ্রস্ত’ অর্থনীতিতে উদ্বিগ্ন দুদু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
That is why BNP does not want to hold a rally in Suhrawardy

যে কারণে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করতে চায় না বিএনপি

যে কারণে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করতে চায় না বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২০১৮ সালে বিএনপির সমাবেশ (বাঁয়ে), নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির সমাবেশ ও রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
বিএনপি তাদের বড় কর্মসূচিগুলো করার ক্ষেত্রে এর আগে বরাবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি চেয়ে এসেছে। অনুমতি না পেলে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে নয়াপল্টনে তাদের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেছে দলটি। কিন্তু এবার ভেন্যুর পছন্দ উল্টে গেল কেন?

ঢাকা মহানগর পুলিশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দিয়ে রাখলেও নয়াপল্টনেই সমাবেশের ব্যাপারে অনড় বিএনপি। ফলে ঢাকায় সমাবেশের ভেন্যু নিয়ে টানাপড়েন থেকেই গেছে।

বিএনপি দেশজুড়ে তাদের ধারাবাহিক গণসমাবেশের সমাপ্তি টানবে আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে গণসমাবেশ করে। প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি এই সমাবেশ নিয়ে উদ্দীপ্ত।

সমাবেশের জন্য তাদের পছন্দ রাজধানীর ব্যস্ত সড়কদ্বীপ নয়াপল্টন, যেখানে তাদের দলীয় কার্যালয় অবস্থিত। সে জন্য অনুমতি চেয়ে ডিএমপির কাছে চিঠিও দিয়েছে দলটি। তবে ক্ষমতাসীন দল বলছে সোহরাওয়াদী উদ্যানে সমাবেশ করতে।

গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামে শুরু হওয়া বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের শেষ কর্মসূচি এই ১০ ডিসেম্বর। এই সমাবেশ থেকে দলটি ঘোষণা করবে আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামের রূপরেখা। তেমনটাই বলা হচ্ছে দলের পক্ষ থেকে।

কিন্তু সমাবেশের স্থান নিয়ে জটিলতার রেশ ধরে চলছে পাল্টাপাল্টি হুশিয়ারি।

বিএনপি তাদের বড় কর্মসূচিগুলো করার ক্ষেত্রে এর আগে বরাবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি চেয়ে এসেছে, যার অনেকগুলোর ক্ষেত্রে সরকার অনুমতি দেয়নি। সে সময় বিএনপি বিকল্প ভেন্যু হিসেবে নয়াপল্টনে তাদের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেছে।

এবার ভেন্যুর পছন্দ উল্টে গেল কেন এবং বিশেষ করে নয়াপল্টনেই সমাবেশ করার ব্যাপারে বিএনপির অনড় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দলটির নীতিনির্ধারকরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তারা নয়াপল্টনে সমাবেশ করবেন। এমনকি, সরকার যাতে এ নিয়ে কোনো সংঘাত-উস্কানির পথে না যায়, সেই আহ্বানও রেখেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, এরই মধ্যে বিএনপি থেকে একটি প্রতিনিধি দল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার নানান প্রতিকূলতা নিয়ে রিপোর্ট জমা দেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের ব্যাপারে তাঁদের অনড় থাকার নির্দেশ দেন।

অনুমতি পাওয়া সত্ত্বেও সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করতে না চাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয় বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারকের কাছে। তারা জানান, তারা মনে করছেন সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করতে দেয়াটা সরকারের একটি ‘চাল’। এর পিছনে অসত উদ্দেশ্য রয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বনায়ন ও অন্যান্য স্থাপনার কারণে জায়গা অনেক সংকুচিত হয়েছে, তা ছাড়া প্রবেশদ্বার এতোটাই ছোট যে নেতাকর্মীদের ঢোকা বা বের হওয়াতে অনেক বিশৃংখলা হবে, যেখানে আমরা লাখো মানুষ নিয়ে এই সমাবেশ করছি।

‘তা ছাড়া এত বড় সমাবেশে নানা কাজ থাকে। মিনিমাম পাঁচ-ছয় দিন আগে থেকে মঞ্চ তৈরির কাজ করতে হয়। সে ক্ষেত্রে সেখানে ছাত্রলীগের কাউন্সিল ৬ ডিসেম্বর হলেও পরবর্তী তিন দিনে বিএনপির সমাবেশের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা অসম্ভব।'

দলের একজন ভাইস চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের সন্দেহ হচ্ছে সরকারের গতিবিধি দেখে। সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতিই চাইলাম না, তাও যেচে অনুমতি দিয়ে দিল। আবার ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখও পেছাল। এতে সন্দেহ আরও বেড়ে গেছে। এটা নিশ্চয় সরকারের একটি চাল। কোনো অসৎ উদ্দেশ্য তাদের আছে।

‘উদ্যান চার দেয়ালে ঢাকা। গেটটাও সংকীর্ণ। আমাদের ধারণা ওই দিন তারা একটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করার ফাঁদ পাততেছে।’

সেক্ষেত্রে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সমাবেশ কেন– জানতে চাইলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা পল্টনেই সমাবেশ করব। সিদ্ধান্ত এটাই।’

এতে জনদুর্ভোগ হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওই দিন শনিবার। ছুটির দিন।’

পল্টনেই সমাবেশে অনড় থাকা সরকারের প্রতি জেদের বহিঃপ্রকাশ কিনা– এমন প্রশ্ন করা হলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখানে জেদাজেদির কিছু নেই। নয়াপল্টন আমাদের কার্যালয়। আমাদের ঘর। আগে-পরেও এখানে সমাবেশ হয়েছে, এখন সমস্যা কী? এই জেদের প্রশ্ন বরঞ্চ সরকারকে করুন। তাদের উদ্দেশ্য কী, জানতে চান।’

গয়েশ্বর চন্দ্রের সাথে যোগ করে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পল্টন নেতাকর্মীদের পরিচিত জায়গা। এখানে তারা রিল্যাক্সড মুডে পার্টিসিপেট করতে পারবে। এখানে কর্মসূচি করে তারা অভ্যস্ত। আশেপাশের হোটেল আছে, খাবার-দাবার খেয়ে নিয়ে পারবে।

‘এখানে যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন, তারাও অভিজ্ঞ। কীভাবে কাকে ডিল করতে হবে, তারা জানেন। সব মিলিয়ে নয়াপল্টনেই করতে চাই।'

অন্যান্য বিভাগীয় গণসমাবেশের মতো এবারও কয়েক দিন আগে থেকে সারা দেশের সঙ্গে ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ঢাকার আবাসিক হোটেলগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীরা রুম ভাড়া পাবেন না। তা ছাড়া হোটেলে থাকলে গ্রেপ্তারও হতে পারেন। তারা অলরেডি গ্রেপ্তার শুরু করেছে। এমন অবস্থার মধ্যে নেতাকর্মীদের সমাবেশস্থলে এসেই থাকতে হতে পারে। নয়াপল্টন দলটির নেতাকর্মীদের চেনা জায়গায়। সেখানে কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ভাসানী ভবনে মহানগর কার্যালয়সহ আশপাশে নেতাকর্মীরা থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।’

তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে। ক্যাম্পাসে এবং আশপাশের এলাকায় সব সময় ছাত্রলীগের সরব উপস্থিতি থাকে। বিএনপি নেতাকর্মীরা সেখানে নানাভাবে বাধা পেতে পারেন।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমাদের বলা হয়েছিল পল্টনে মিটিং করেন, কোনো সমস্যা নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আগে পল্টন ময়দান ছিল, যেখানে বিএনপি জনসমাবেশ করতো সব সময়। পাকিস্তান আমল থেকে ওখানে সমাবেশ করা হতো, সে মাঠটা আর এখন রাখা হয়নি, সেটা খেলার মাঠ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরে রেসকোর্স ছিল, রেসকোর্সে এখন অনেক অট্টালিকা হয়েছে। ওখানে একটা কোণার মধ্যে মিটিং করলে কেমন হবে?’

মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে শর্তযুক্ত এই অনুমতির খবরের পরপরই নয়াপল্টনে সমাবেশ করার পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের হুঁশিয়ারি, ‘বাড়াবাড়ি’করলে বিএনপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:
‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করতে পারে’
‘খেলা হবে’র সমালোচনায় রাজনীতিবিদরা
স্বাধীনতার ডাক আসে বলে সোহরাওয়ার্দী বিএনপির অপছন্দ: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপির আট সমাবেশের সমান জমায়েত পলোগ্রাউন্ডে: কাদের
যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Blocking the victory the committee demanded a blockade of Dhaka College Chhatra League

জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের

জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির দাবিতে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা রোববার রাতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার রাতে নীলক্ষেত এলাকায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের পথ রোধ করে কমিটির দাবি জানান ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তারা নীলক্ষেত থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত সব সড়ক অবরোধ করেন। রাত সাড়ে ১২টায় অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

নতুন কমিটির দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সায়েন্স ল্যাব মোড়, নিউমার্কেট, নীলক্ষেতসহ ঢাকা কলেজের আশপাশের সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। কমিটি না দেয়া পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। অবশ্য রাত সাড়ে ১২টায় অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

রোববার রাতে এ ঘটনার আগে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অবরোধের মুখে পড়েন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। নীলক্ষেত এলাকার বাসায় ফেরার পথে তারা জয়কে থামিয়ে কমিটির দাবি জানান। এ সময় জয় তাদেরকে কমিটি দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে উপস্থিত সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে জয় বাসায় ফিরে যান।

জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের
রাত সাড়ে ১২টায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা

জয় চলে যাওয়ার পর ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা নীলক্ষেত থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত সব সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় পুরো এলাকার সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পুলিশ প্রশাসন ও ছাত্রলীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে রাত সাড় ১২টায় নেতাকর্মীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল শুরু হয়।

ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ছাত্রলীগ সভাপতি নীলক্ষেত হয়ে নিউ মার্কেটের পাশে তার বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় নীলক্ষেতে অবস্থানরত ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী তাকে থামান। অন্যান্য কলেজে কমিটি দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তারা ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার দাবি জানান। জয় তাদের কমিটি দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে জয় নিজ বাসায় চলে যান। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান বলেন, ‘ছাত্ররা সবদিকের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তারা বলছেন, দাবি মেনে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া না হলে অবরোধ প্রত্যাহার হবে না।’

অবশ্য পরে নেতাকর্মীরা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সম্মেলন। কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগেই অন্যান্য শাখার সম্মেলন এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ কারণে ঢাকার বিভিন্ন কলেজে এরই মধ্যে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিও দেয়া হয়েছে। কিন্তু গত ৬ বছর ধরে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি নেই।

আরও পড়ুন:
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ
‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP can cause chaos

‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করতে পারে’

‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করতে পারে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা। ছবি: নিউজবাংলা
‘আন্দোলন ও সমাবেশের নামে বিএনপি নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। তারা ভয়াবহ নাশকতা করতে পারে। আমার ধারণা, তারা কৌশলে খালেদা জিয়াকে জনসভায় নিয়ে বিশৃঙ্খলা করবে। তাদের অতীত বিবেচনায় এসব বিষয় নাকচ করা যায় না।’

চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকায় ১০ ডিসেম্বরের জনসভায় খালেদা জিয়াকে নিয়ে গিয়ে বিএনপি বিশৃঙ্খলা করতে পারে। নয়াপল্টনে জনসভা ডাকার পেছনে তাদের দুরভিসন্ধি আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার বিকেলে ‘নৈরাজ্য-নাশকতা-বিশৃঙ্খলা: উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধান বাধা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আন্দোলন ও সমাবেশের নামে বিএনপি নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। তারা ভয়াবহ নাশকতা করতে পারে। আমার ধারণা, তারা কৌশলে খালেদা জিয়াকে জনসভায় নিয়ে বিশৃঙ্খলা করবে। তাদের অতীত বিবেচনায় এসব বিষয় নাকচ করা যায় না।’

বঙ্গবন্ধু পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি এদেশে হত্যার রাজনীতি শুরু করে। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকেও বিতর্কিত করেছে। আবার তারা সে ব্যবস্থা চায়, যা কোনদিন আর সম্ভব হবে না।’

বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া, অধ্যাপক ড. বিল্লাল হোসেন, অধ্যাপক ড. বিমান বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. রফিক শাহরিয়ার, অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, রেহান সোবাহান, ডা. শাহেদ ইমরান, কাজী মো. জহিরুল কাইয়ুমসহ পরিষদের নেতারা।

আরও পড়ুন:
‘খেলা হবে’র সমালোচনায় রাজনীতিবিদরা
বিএনপির আট সমাবেশের সমান জমায়েত পলোগ্রাউন্ডে: কাদের
১০ ডিসেম্বর কী হবে, জানালেন ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Politicians criticize the game

‘খেলা হবে’র সমালোচনায় রাজনীতিবিদরা

‘খেলা হবে’র সমালোচনায় রাজনীতিবিদরা দেশের দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ (বাঁয়ে) এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
২০১৩-১৪ মৌসুমে নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমান একটি রাজনৈতিক সভায় বলেছিলেন, ‘কারে খেলা শেখান? আমরা তো ছোটবেলার খেলোয়াড়। খেলা হবে!’ এরপর থেকে ‘খেলা হবে’ কথাটি বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। তবে দেশের রাজনীতিবিদরা এটিকে একটি অগ্রহণযোগ্য স্লোগান বলে মনে করেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে বহুল ব্যবহৃত ‘খেলা হবে’ স্লোগানের সমালোচনা করেছেন দেশের দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। শাসক দল আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ গত শনিবার যুবলীগের একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘খেলা হবে’ কোনো ধরনের রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না।

এর ধারাবাহিকতায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম রাজধানীতে একটি সংবাদ সম্মেলনে তোফায়েল আহমেদের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন।

কীভাবে এ কথাটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে চালু হলো? খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আগে থেকেই এটি বহুল ব্যবহৃত হলেও এ স্লোগানের উৎপত্তি বাংলাদেশেই। নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান প্রথম এটি ব্যবহার করেন।

জার্মানির বাংলা সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলেকে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শামীম ওসমান এটির উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ‘তখন বাংলাদেশে ২০১৩-১৪ সন চলছে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও বিএনপির নেতৃত্বে ব্যাপক জ্বালাও পোড়াও চলছিল। আমাদের এই স্লোগান ছিল তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হিসেবে, শান্তির পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে ও সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতার বিপক্ষে।’

উল্লেখ্য, ২০১৩-১৪ মৌসুমে নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমান একটি রাজনৈতিক সভায় বলেছিলেন, ‘কারে খেলা শেখান? আমরা তো ছোটবেলার খেলোয়াড়। খেলা হবে!’

এরপর এই স্লোগান এ দেশে চর্চা না হলেও ভারতের রাজনৈতিক কর্মসূচিগেুলোয় এটি শুনতে পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম এই স্লোগান কে দিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল একদিন এই শ্লোগান দিলে সেটি ব্যাপকভাবে মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে থাকে। তিনি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘গোটা পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে। ভয়ংকর খেলা হবে।’

এর ধারাবাহিকতায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, তৃণমূল মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য, ধীমান রায়সহ অনেকের মুখেই মিছিল-সমাবেশে এ রকম শ্লোগান শোনা যায়। পরবর্তীতে এটি পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মুখে পুনঃপুনঃ ব্যবহার হতে দেখা যায়। ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছিল ‘কী ভাই-বোনেরা আমার, খেলা হবে তো?’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এটি বিপুল জনপ্রিয় স্লোগান। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ১৬ আগস্ট রাজ্যজুড়ে ‘খেলা হবে দিবস’ও পালন করেন। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও হিন্দি টোনে এ স্লোগান ব্যবহার করেন।

বাংলাদেশে এই শ্লোগান আলোচিত হয় গত দু’এক বছর ধরে। তবে এটির বহুল ব্যবহার দেখা যায় গত ছয় মাসের রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলোতে। ১৬ জুলাই রাজধানীতে একটি দলীয় কর্মসূচিতে এ স্লোগানটি প্রথম ব্যবহার করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে নেতাকর্মীদের মুখে মুখে।

বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাও গত নভেম্বর মাসে কুমিল্লায় সমাবেশে এ স্লোগান দেন। আর এখন তা ছড়িয়ে গেছে রাজনীতির আনাচে-কানাচে।

স্লোগানটি সমালোচনা শুরু হলে ৯ নভেম্বর সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন ওবায়দুল কাদের। এই শব্দ দুটিকে রাজনৈতিক হাস্যরস উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা একটা পলিটিক্যাল হিউমার। ফুল বেচে যে বাচ্চাটি, সে আমার গাড়ি দেখেই বলে, “খেলা হবে।” এটা মানুষ অ্যাকসেপ্ট (গ্রহণ) করে ফেলেছে।’

ওবায়দু কাদের বলেন, ‘“খেলা হবে” কথাটা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্লোগান ছিল। “খেলা হবে” কথাটা মমতা ব্যানার্জি বলছেন। নরেন্দ্র মোদিও বক্তব্যের শুরুতে বলেছেন, “খেলা হবে”, একটু হিন্দি টোনে। কিন্তু সেখানে পুরো ইলেকশনটি ডমিনেট করেছে “খেলা হবে” কথাটি।’

শব্দ দুটি উইকিপিডিয়াতেও আছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'উইকিপিডিয়ায় আপনারা একটু দেখুন, সেখানেও এই খেলা হবে আছে।’

তবে বর্ষিয়ান অনেক রাজনীতিবিদ এই স্লোগানকে সহজভাবে নেননি। আওয়ামী লীগের দু’জন সিনিনয়র নেতা নিউজবাংলাকে বলেন, রাজনীতি খেলা না। এমন স্লোগানে রাজনীতি হালকা হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
‘ক্ষতি করতে চেয়ে উপকার করেছে সরকার’
সাভার পৌর বিএনপির সহ-সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ১০
বিএনপি নেতা ইশরাকের গাড়িতে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা
চট্টগ্রামে জনসভায় আসার পথে আ. লীগ নেতার মৃত্যু 
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা: মিছিল নিয়ে পলোগ্রাউন্ডে নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We do not want to enjoy but we are going to sacrifice Sheikh Salim

আমরা ত্যাগ করার জন্যই আছি: শেখ সেলিম

আমরা ত্যাগ করার জন্যই আছি: শেখ সেলিম যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণির জন্মদিবসের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ছবি: নিউজবাংলা
বাবার জন্মদিনে মেয়র তাপস বলেন- চে গুয়েভারাকে যেমনি বিপ্লবের, কমিউনিস্ট সংগ্রামের অন্যতম নেতা বলা হয়, তেমনি শেখ ফজলুল হক মণি। তিনি বাংলাদেশের বিপ্লবের, সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন। বাংলাদেশের চে গুয়েভারা ছিলেন শেখ ফজলুল হক মণি।

১৫ আগস্ট শহীদ সবার পরিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

রোববার বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪তম জন্মদিবসের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ সেলিম বলেন, ‘শেখ পরিবার দেশে যেন আর কোনোদিন কথা বলতে না পারে, সেজন্য শেখ মুজিবকে সপরিবারে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহ যদি চায় কেউ কিছু করতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর পরিবার হচ্ছে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ত্যাগের পরিবার। আমরা ভোগ চাই না, আমরা ত্যাগ করার জন্যই আছি। আমাদের সম্পর্কে কেউ কোনো বদনাম করতে পারবে না।’

শেখ সেলিম বলেন, ‘ওর (ফজলে নুর তাপস) বাবা-মার কথা কিছু মনে নেই। পরশের আবছা আবছা মনে আছে। কী অপরাধ করেছেন বঙ্গবন্ধু, কী অপরাধ করেছেন মনি ভাই? তাদের অপরাধ কি এই যে তারা এদেশের মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছেন? খুনিরা বঙ্গবন্ধুসহ আমাদের পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে হত্যা করেছে। এত বড় অপরাধ আল্লাহ সইবে না। যারা করেছে তারা নিশ্চয়ই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।’

শত প্রতিকূলতার মধ্যেও পরশ-তাপসকে নিজের সন্তানের মতো আগলে রেখেছিলেন জানিয়ে শেখ সেলিম আরও বলেন, ‘আমি আজ অনুষ্ঠানে এসে অত্যন্ত আনন্দিত। আমার সেই তাপস আজ দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। শিক্ষা-দীক্ষায় বড় হয়েছে। মণি ভাই থাকলে হয়তো এর চেয়ে বেশি করতে পারতেন। কিন্তু আমি ও আমার স্ত্রী কখনো কাউকে ওদের গায়ে একটা টোকা পর্যন্ত দিতে দেইনি।’

সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি মেয়র ও শেখ ফজলুল হক মণির ছোট ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস তার বাবাকে ‘বাংলাদেশের চে গুয়েভারা’ ও ‘আওয়ামী লীগের থিংক ট্যাংক’ হিসেবে অভিহিত করেন।

মেয়র তাপস বলেন, ‘চে গুয়েভারাকে যেমন বিপ্লবের, কমিউনিস্ট সংগ্রামের অন্যতম নেতা বলা হয়, তেমনি শেখ ফজলুল হক মণি। তিনি বাংলাদেশের বিপ্লবের, সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন। বাংলাদেশের চে গুয়েভারা ছিলেন শেখ ফজলুল হক মণি। শেখ মণি শুধু সংগ্রাম করেননি, কেবল নেতৃত্ব দেননি, তিনি একজন থিংক ট্যাংকও ছিলেন। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কী হবে, কীভাবে আমাদেরকে সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে, এসব তিনি লেখনীর মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে গেছেন।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, সংরক্ষিত মহিলা আসন-২ এর সংসদ সদস্য জিন্নাতুল বাকিয়া বক্তব্য দেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আকরামুজ্জামানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মণি ভাই: বিন্দু থেকে বৃত্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eight gatherings of BNP are held at Pologround Quader

বিএনপির আট সমাবেশের সমান জমায়েত পলোগ্রাউন্ডে: কাদের

বিএনপির আট সমাবেশের সমান জমায়েত পলোগ্রাউন্ডে: কাদের চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগের সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
‘দেখে যান ফখরুল সাহেব, আমীর খসরু সাহেব, এখানে দাঁড়িয়ে বড় বড় কথা বলেছিলেন। আটটা সমাবেশের (বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশ) সমান সমান লোক হয়েছে। আজকে পলোগ্রাউন্ডে শেখ হাসিনার জনসভায় এখানে যা লোক, তার ৮ গুণ বেশি লোক বাইরে। গোটা চট্টগ্রাম আজকে মিছিলের নগরী। মহাসমাবেশ নয়, মহাসমুদ্র।’

বিএনপির আটটি বিভাগীয় সমাবেশে যত মানুষ উপস্থিত হয়েছে, চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগের একটি সমাবেশেই তত মানুষ এসেছে বলে দাবি করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। প্রধানমন্ত্রীর এই সমাবেশকে মহাসমুদ্র বলেও উল্লেখ করেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

রোববার চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে আওয়ামী লীগের জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গত ৮ অক্টোবর এই ময়দানে জমায়েত দিয়েই বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের শুরু। এরপর আরও আটটি সমাবেশ শেষ করে ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে জমায়েতের ডাক দেয়া হয়েছে।

বিএনপির প্রতিটি সমাবেশেই নেতা-কর্মীদের বিপুল উপস্থিতি দলটিকে উজ্জীবিত করছে। নেতারা বলছেন, জনগণ যে তাদের পক্ষে, সেটি জনসভায় উপস্থিতি দেখেই প্রমাণ মিলছে। এর জবাবে আওয়ামী লীগ চ্যালেঞ্জ দিয়ে নিজেরাও বড় বড় সমাবেশ করতে থাকে। ২৪ নভেম্বর যশোরের পর চট্টগ্রামের এই সমাবেশেও ব্যাপক উপস্থিতির চ্যালেঞ্জ দেয়।

সেই চ্যালেঞ্জে দৃশ্যত তারা সফল। বিশাল ময়দান ছাড়িয়ে নেতা-কর্মীদের ভিড় ছড়ায় আশপাশের এলাকায়।

বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা গায়ে নানা রঙের রঙিন জামা, মাথায় ক্যাপ পরে জনসভায় যোগ দিতে আসেন। বিভিন্ন ইউনিটের রঙিন পোশাকের বর্ণিল রঙে সাজে পুরো মাঠ ও আশপাশের বিভিন্ন সড়ক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখে যান ফখরুল সাহেব, আমীর খসরু সাহেব, এখানে দাঁড়িয়ে বড় বড় কথা বলেছিলেন। আটটা সমাবেশের (বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশ) সমান সমান লোক হয়েছে। আজকে পলোগ্রাউন্ডে শেখ হাসিনার জনসভায় এখানে যা লোক, তার ৮ গুণ বেশি লোক বাইরে। গোটা চট্টগ্রাম আজকে মিছিলের নগরী। মহাসমাবেশ নয়, মহাসমুদ্র।’

তিনি বলেন, ‘কর্ণফুলীর সব ঢেউ আজ পলোগ্রাউন্ডে। বঙ্গোপসাগরের সব ঢেউ আজ চট্টগ্রাম শহরে। দেখে যান জনপ্রিয়তা কাকে বলে। ফখরুলকে বলছি কান পেতে শুনুন মহাসাগরের গর্জন। শুনতে পাচ্ছেন? আপনি না শুনতে পেলে আমীর খসরু, নোমান সাহেব, মীর নাছির সাহেব, আপনারা একটু দেখেন চট্টগ্রাম শহরের আজ কী অবস্থা।’

বিএনপির সমাবেশে যত লোক হয়, দলটি তার কয়েক গুণ দাবি করে বলেও মন্তব্য করেন কাদের। বলেন, ‘রাজশাহীতে গেছে, কত লোক হয়েছে? তরঙ্গ না ঢেউ? যা লোক হয়, ১০ হাজার হলেও কয় লাখ লাখ। এই হলো বিএনপি।’

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ হাসিনাই সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা বলেও দাবি করেন কাদের। বলেন, ‘বাংলাদেশের গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে সৎ রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার নাম শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের গত ৪৭ বছরে সবচেয়ে দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে গত ৪৭ বছরে বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর সবচেয়ে সাহসী নেতার নাম শেখ হাসিনা। সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।

‘মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে যিনি জীবনের জয়গান গেয়ে যাচ্ছেন, ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে যিনি সৃষ্টির পতাকা ওড়ান, তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা।’

উন্নয়নকে বাঁচাতে হলে, অর্জনকে বাঁচাতে হলে ক্ষমতার মঞ্চে শেখ হাসিনা ছাড়া বিকল্প নেই বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগ নেতা।

প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’ ও ‘ট্রাবলশুটার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ আর নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় আমরা কিছুটা বিপদে আছি। এই বিপদ থেকে শেখ হাসিনাই উদ্ধার করবেন। তিনি সারা রাত ঘুমান না, জেগে থাকেন।

‘ফখরুল বলেন, সরকারের ঘুম নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারের ঘুম নষ্ট হয়নি, ঘুম নষ্ট শেখ হাসিনার। দেশের মানুষের জন্য, দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য। গরিব ও দুখি মানুষকে বাঁচানোর জন্য শেখ হাসিনাকে রাত জাগতে হয়।’

বিএনপির আন্দোলনের হুমকির জবাবে কাদের বলেন, ‘খেলা হবে, হবে খেলা! বীর চট্টলা তৈরি। খেলা হবে।’

বিএনপিকে সংবিধান সংশোধনের স্বপ্ন ভুলে যাওয়া ও তত্ত্বাবধায়কের ‘ভূত’ মাথা থেকে নামিয়ে ফেলার পরামর্শও দেন কাদের। জানান, অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেভাবেই নির্বাচন হবে।

জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখ হাসিনা। সভা সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।

অতিথিদের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোশাররফ হোসেন, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী এবং মহানগরে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরাও জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে নজর রাখবে আ.লীগ: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth Dal President Tuku and 7 people remanded

যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে

যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় গত ২৫ মে সন্ধ্যায় রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির মশাল মিছিল বের হয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামলা হয়। সে মামলাতেই ৭ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানার একটি মামলায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সহসভাপতি নুরুল ইসলাম নয়নসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে হাজির করা হয় আসামিদের। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তাদের চার দিনের রিমান্ড দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মোকলেস মিয়া, মোশাররফ হোসেন খোকন, জজ মিয়া, ফরিদ উদ্দিন মনা ও আব্দুল্লাহ।

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ৩ নভেম্বর রাতে আমিন বাজার এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ চারজনকে। এ সময় টুকুর সঙ্গে ছিলেন নুরুল ইসলাম নয়ন, জাভেদ হাসান স্বাধীন ও মোখলেসুর রহমান।

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় গত ২৫ মে সন্ধ্যায় রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির মশাল মিছিল বের হয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামলা হয়।

২৬ মে পল্টন থানার উপপরিদর্শক কামরুল হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন বিএনপি নেতা রিজভীসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫০ জনকে আসামি করে।

মামলায় বলা হয়, আসামিরা বেআইনি মিছিল বের করে দাঙ্গা-হাঙ্গামার চেষ্টা করেছে। মশাল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সরকারবিরোধী বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ও অবমাননাকর স্লোগান দিয়েছে। এ সময় গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এতে পুলিশ কনস্টেবল ও আনসার সদস্য জখম হয়েছেন। পুলিশ সেখান থেকে ৪৪টি মশালের লাঠি, ১৫টি বাঁশের লাঠি ও ৫৫টি ইটের টুকরা উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
বিএনপি-যুবদলের ২৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা
নয়াপল্টন ছাড়তে পারে বিএনপি, তবে…
‘ক্ষতি করতে চেয়ে উপকার করেছে সরকার’
যুবদল সভাপতি টুকু আটক

মন্তব্য

p
উপরে