× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Awami League will not forget the contribution of freedom fighters Prime Minister
google_news print-icon

মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ভুলবে না আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধাদের-অবদান-ভুলবে-না-আওয়ামী-লীগ-প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে তিন বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার এটাই চেষ্টা, যারা আমার বাবার ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র তুলে নিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছেন, তাদের সম্মান করা, তাদের মর্যাদা দেয়া, এটাই তো আমাদের কাজ। দল-মত পৃথক থাকতে পারে, কিন্তু তাদের অবদানটা কখনও ছোট করে দেখিনি; আমি কখনও এটা নিয়ে অবহেলা করিনি। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।’

স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নেয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে বের করে তাদের কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান কখনও ভুলবে না।

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে তিন বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে মুক্তিযোদ্ধারা যারা একেবারে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল, আমরা খুঁজে খুঁজে বের করে তাদের (কল্যাণে) সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি। তাদের ভাতার ব্যবস্থা করা, কোনো মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুবরণ করলে সে যেন রাষ্ট্রীয় সম্মান পায় সেই ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। এমনকি তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থাটাও যাতে হয়, সেই ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিয়েছি।’

মুক্তিসেনানিদের সম্মান ও মর্যাদা দেয়াকে দায়িত্ব বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

তিনি বলেন, ‘আমার এটাই চেষ্টা, যারা আমার বাবার ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র তুলে নিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছেন, তাদের সম্মান করা, তাদের মর্যাদা দেয়া, এটাই তো আমাদের কাজ। দল-মত পৃথক থাকতে পারে, কিন্তু তাদের অবদানটা কখনও ছোট করে দেখিনি; আমি কখনও এটা নিয়ে অবহেলা করিনি। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।’

মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ভুলবে না আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘আপনাদের যে অবদান, মুক্তিযোদ্ধাদের যে অবদান, সেটা কখনও আমরা ভুলি না এবং সেই থেকে আমরা এই বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে গড়ে তোলারই পদক্ষেপ নিয়েছি এবং যেটা এখন…ভিত্তিটা তৈরি করে সামনের দিকে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেছে, এই কথাটা বলবার মতো কারও মনোবলই ছিল না। আর বললে পরে…হ্যাঁ, যারা (তখন) ক্ষমতাসীন, অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের সঙ্গে যারা হাত মিলিয়েছিল, তারা ভালো ছিল।

‘সবাই তো এভাবে থাকতে পারে না। তাদের মতো পারে না। অনেকের মধ্যে তো একটা আত্মমর্যাদাবোধ থাকে, আত্মসম্মানবোধ থাকে। কাজেই তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে গিয়েছিল।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমনাকে সপিরবারে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতার নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়, জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। মনে হলো যেন আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে নেই। এটাকে যেন পাকিস্তানের আরেকটা প্রদেশে রূপান্তর করার অপচেষ্টা।’

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণে সরকারের নেয়া নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিটি উপজেলায় আমরা জায়গা দিয়েছি। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগুলো যেন থাকে এবং ওই অঞ্চলে যে যুদ্ধ হয়েছে, তার ইতিহাসটা যেন আমাদের ছেলে-মেয়েরা জানতে পারে। কারণ আমাদের বিজয়ের ইতিহাস জানলে আমাদের ছেলে-মেয়েদের ভেতরেও সেই ধরনের একটা উদ্দীপনা আসবে। তারাও দেশটাকে ভালোবাসতে শিখবে। দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারবে; মানুষের জন্য কাজ করতে পারবে।’

গত ১৪ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে মন্তব্য করে টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরেছি। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন যখন করেছি, তখনই আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উন্নত দেশে এ দেশকে উন্নীত করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে হবে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি
ভারত থেকে আগামী বছর পাইপলাইনে তেল আসবে: প্রধানমন্ত্রী
মানুষ কষ্ট পায় এমন কিছু করবেন না, ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
সুফিয়া কামালের দৃষ্টান্ত নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী
নয়াপল্টনে কীভাবে ১০ লাখ লোকের সমাবেশ হবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Myanmar has been told to retaliate Home Minister

মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘নাফ নদ মোহনা কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখানে আমাদের নৌযান মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। কখনও মিয়ানমার আর্মি, কখনও আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি- তারা যদি আর গুলি করে, আমরাও পাল্টা গুলি ছুড়ব।’

মিয়ানমার থেকে আর কোনো গুলি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এলে পাল্টা গুলি চালানো হবে- সেদেশে বিবাদমান দুপক্ষকে এমনটা হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর শুনেছি আরাকান রাজ্যে আরাকান আর্মি অনেক এলাকা দখল করে নিয়েছে। সেজন্য মিয়ানমারের যে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) তারা আত্মরক্ষার্থে আমাদের এলাকায় পালিয়ে আসছে। কাজেই সেখানকার অবস্থা কী, সেটা আমরা বলতে পারব না।

‘তবে এটুকু বলতে পারি, তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের বিজিবির দলের ওপর গুলি ছুড়েছে। বিষয়টি তাদেরকে জানিয়েছি। তারা বলছে যে, সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের পতাকা যেন উড়িয়ে যায়, তাহলে আর কেউ গুলি করবে না।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে যেতে হলে আমাদের এলাকায় নাফ নদ মোহনা কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখান দিয়ে আমাদের নৌযান চলাচল করতে পারে না। মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। আর সে কারণে এই বিপত্তিটা ঘটেছে।

‘কখনও মিয়ানমার আর্মি, কখনও আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি, তারা যদি আর গুলি করে, আমরাও পাল্টা গুলি ছুড়ব। ওখান থেকে আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। এখানে মিয়ানমারের যে দুটি জাহাজ ছিল সেগুলো ফেরত নিয়ে গেছে।

‘আমরা আশা করছি, সেখানে আর গুলি হবে না। তারপরও আমাদের যারা ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছেন, তারা সাবধানতা অবলম্বন করবেন।’

আরও পড়ুন:
সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই বেশি ব্যথা লাগবে: কাদের
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গুলির ঘটনায় প্রয়োজনে জবাব: কাদের
মিয়ানমার থেকে আসা গুলির শব্দে টেকনাফে নির্ঘুম রাত
রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের
ফিরলেন ৪৫ বাংলাদেশি, মিয়ানমারে ফেরত গেলেন ১৩৪ বিজিপি-সেনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thunderstorms expected in 9 areas by evening

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস প্রতীকী ছবি
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বৃহপস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায়।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘এবারের ঈদের আনন্দ চাপা পড়েছে ভাঙা ঘরের নিচে’
দেশজুড়ে সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রা
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে
বৃষ্টি হতে পারে সব বিভাগে
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government wants to ensure 100 paperless services by 2041

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতে কাগজহীন সেবা প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ: ২০৪১’ রূপকল্পের অংশ হিসেবে সব পরিষেবা সম্পূর্ণ কাগজহীন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, সরকারের লক্ষ্য শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড পরিষেবা প্রদান।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।’

এই রূপান্তরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- স্মার্ট বাংলাদেশ ধারণার মাধ্যমে ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি করে সব সেবা সহজলভ্য ও আন্তঃব্যবহারযোগ্য করে তোলা। এ ছাড়াও, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ড্যাশবোর্ড তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। খবর ইউএনবি

২০৪১ সালের মধ্যে, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে ৫০-এর ঘরে অবস্থান করার লক্ষ্যে নিজের অবস্থানের উন্নতিতে কাজ করছে সরকার। তাছাড়া প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ২২ শতাংশে উন্নীত করার চেষ্টাও চলমান।

সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে, সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, ব্যাপক সামাজিক কল্যাণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।

স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হলো, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্রিল্যান্সার, সিএমএসএমই উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাদের গড়ে তুলছে।

এই কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (এসইইডি)-ভিত্তিক সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ‘ওয়ান ফ্যামিলি ওয়ান সিড’ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ দেশজুড়ে উদ্যোক্তাদের একটি শক্তিশালী ভিত গড়ে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, ‘হার পাওয়ার প্রজেক্ট: এমপাওয়ারমেন্ট অফ উইমেন উইথ দ্য হেল্প অফ টেকনোলজি’ নামক একটি প্রকল্পও পরিচালনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে ৪৪টি জেলার ১৩০টি উপজেলার ২৫ হাজার ১২৫ জন নারীকে আইটি প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে এক মাসের মেন্টরশিপ ও একটি ল্যাপটপ দেয়া হয়।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করতে সরকার ‘ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যাকাডেমি’ (আইডিইএ) প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও স্টার্টআপকে উৎসাহিত করতে উদ্ভাবনের কেন্দ্রস্থলের বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ লঞ্চপ্যাড’ নামে ভেঞ্চার স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্টার্টআপগুলোকে আরও সহায়তা করতে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। এই কোম্পানি একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, যা স্টার্টআপগুলোর যাত্রা শুরু ও বেড়ে ওঠার সময় বিনিয়োগের মাধ্যমে সাহায্য করে এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতি প্রণয়নে যুক্ত করে।

এ ছাড়াও মিশন গভর্নমেন্ট ব্রেইনের (জি-ব্রেইন) অধীনে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উদ্যোগের বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, যেমন: পার্সোনালাইজড লার্নিং ইনভেস্টরজিপিটি, লজিপিটি, হেলথজিপিটি ও ক্লাইমেটজিপিটি। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য বিভিন্ন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে দক্ষতা ও পরিষেবা সরবরাহ বাড়ানো।

স্মার্ট প্রশাসনে রূপান্তরকে সহজতর করতে আরও বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ইমেইল নীতিমালা ২০১৮ এবং ৪৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১৮ হাজার ৪৩৪টি সরকারি অফিসকে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কে একীভূত করা।

এদিকে, কোনো বাড়তি ইউএসবি সিস্টেম বা ডঙ্গলের ব্যবহার ছাড়াই ই-সই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। এরইমধ্যে ২৭৩ জন কর্মকর্তা ই-সই ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল পৌরসভা পরিষেবা সিস্টেমের (ডিএমএসএস) কাজ চলছে।

কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সহায়তায় ৯টি পৌরসভা এবং একটি সিটি করপোরেশনে ই-পরিষেবা সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ৩২৯টি পৌরসভায় ১১টি ই-সেবা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে ‘ন্যাশনাল মিউনিসিপ্যাল ডিজিটাল সার্ভিস’ প্রকল্প।

সরকারি অফিসগুলোকে কাগজহীন করতে ৯টি মডিউলসহ একটি এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫টি মডিউল আইসিটি ও পরিকল্পনা বিভাগে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ ছাড়াও সরকার ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব নিরসনে চালু করা হয়েছে নাগরিকবান্ধব ওয়েব পোর্টাল ‘জনতার সরকার’। নাগরিক ও সরকারের মধ্যে স্বচ্ছ ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার্থে এই পোর্টাল বর্তমানে ১১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে যুক্ত করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Road accidents due to motorcycles and easybikes have increased Kader

মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের

মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন।’

সারা দেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে ইদানীং যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে তার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। মোটরসাইকেলের পরই সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে ইজিবাইকের। এর সঙ্গে বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে, এটাকে বাদ দেয়ার উপায় নেই।’

এ বিষয়ে দ্রুত নীতিমালা করার জন্য সচিবকে বলবেন বলে জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। সেজন্য নীতিমালাটা জরুরি। মানুষের জীবন আগে, জীবিকা পরে। জীবিকা রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।

‘ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন। ঢাকায় যে নিয়ম চালু করেছি, তাতে ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে (মোটরসাইকেলের) দুজনেরই হেলমেট থাকে।’

তিনি বলেন, ‘সড়কে এবার ঈদযাত্রা অনেকটা ভালো হয়েছে। কিন্তু ফিরতি পথের বিষয়টি এখনও রয়েছে। এদিকে নজর অনেকটা কম থাকে। তাই দুর্ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তাই ফিরতি পথটাও এখন দেখতে হবে।

‘রাস্তায় শৃঙ্খলা আনতে পারলে দুর্ঘটনা কমবে। তাই শৃঙ্খলাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব নিবন্ধিত দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ
নেতা-কর্মীদের রাজপথে প্রস্তুত থাকতে বললেন কাদের
স্বাধীনতার পথে সংগ্রামের ঐতিহাসিক মাইলফলক ছয় দফা: কাদের
প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে দেশ: জিএম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The army is a smart force today due to the unilateral efforts of the Prime Minister
কুমিল্লা সেনানিবাসে বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় সেনাবাহিনী আজ চৌকস বাহিনী

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় সেনাবাহিনী আজ চৌকস বাহিনী কুমিল্লা সেনানিবাসে বুধবার সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদকে সামরিক রীতিতে বিদায় জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা সেনানিবাস এরিয়া পরিদর্শন ও বিদায়ী দরবার গ্রহণ এবং মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সব পদবির সেনা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। পরবর্তী সময়ে তা মনে রাখব।’

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি আধুনিক ও চৌকস বাহিনী হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার সকালে কুমিল্লা সেনানিবাস এরিয়া পরিদর্শন ও বিদায়ী দরবার গ্রহণ এবং মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

সব পদবির সেনা সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। আমার পরবর্তী সময়ে তা মনে রাখব।’

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মতবিনিময়ের পর কুমিল্লা সেনানিবাসের অদূরে নবনির্মিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (BAUST) ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধানকে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে সামরিক রীতিতে বিদায় জানানো হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে কুমিল্লা সেনানিবাস ত্যাগ করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

বিদায়ী অনুষ্ঠানে সেনা সদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ কুমিল্লা সেনানিবাসের সব পদবির কর্মকর্তাগণ, জেসিও, অন্যান্য পদবির সেনা সদস্যগণ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা সেনাপ্রধানের
সিঙ্গাপুর সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
মাতৃভূমি রক্ষা করা আমাদের প্রধান কর্তব্য: সেনাপ্রধান
পাহাড়ের পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত কম্বিং অপারেশন চলবে: সেনাপ্রধান
পেশাগত দক্ষতা দিয়ে সেনাবাহিনী বিদেশেও সুনাম অর্জন করেছে: সেনাপ্রধান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Area 8 is likely to experience storms by noon

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে হতে পারে ঝড়

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে হতে পারে ঝড় প্রতীকী ছবি
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বুধবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায়।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে
বৃষ্টি হতে পারে সব বিভাগে
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা
৯ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ
রিমালে সুন্দরবনের ক্ষত দৃশ্যমান হচ্ছে, এখনও মিলছে মৃত প্রাণী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Office is opening on new schedule from today

আজ থেকে অফিস খুলছে নতুন সময়সূচিতে

আজ থেকে অফিস খুলছে নতুন সময়সূচিতে ঈদের ছুটির পর নতুন সময়সূচিতে অফিস খুলছে আজ। ফাইল ছবি
দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

ঈদের ছুটির পর আজ বুধবার থেকে সরকারি অফিস খুলছে। দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঈদুল আজহার ছুটির পর বুধবার প্রথম কর্মদিবস থেকে নতুন এই অফিস সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি কোর্ট-কাচারি ও স্টক মার্কেট চলবে। ৩ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বাংলাদেশে স্বাভাবিক সময়ে অফিস চলত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়। এখন আবার আগের সময়সূচিতে ফিরছে অফিস সময়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে বলেন, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অফিস চলবে। আর দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরতি থাকবে। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

কী কারণে অফিস সময় পুনঃনির্ধারণ করা হলো- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটিই তো স্বাভাবিক ছিল। দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ হবে। ৫ দিনে ৪০ ঘণ্টা। এতো দিন ৩৫ ঘণ্টা কাজ হতো। কিন্তু সেটি বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। এখন আবার মূল অবস্থানে ফিরে আসা হলো।’

মন্তব্য

p
উপরে